আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস উপলক্ষে তথ্য কমিশন আয়োজিত বর্ণাঢ্য র‌্যালি উদ্বোধন ।

মীর আকরাম উদ্দীন আহম্মদ সিনিয়র তথ্য অফিসারঃ-তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আমরা ২০০৯ সালে ৬ জানুয়ারি সরকার গঠন করার পর সংসদে প্রথম অধিবেশনেই তথ্য অধিকার আইন পাশ করা হয়। এটির মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার প্রমাণ করেছে যে, তাঁর সরকার মানুষের তথ্যের অধিকার নিশ্চিত করার জন্যেই কাজ করছে। আজকে এ পর্যন্ত তথ্য প্রদান সংক্রান্ত এক লাখ অভিযোগ নিষ্পত্তি করা হয়েছে ।

রোববার সকালে রাজধানীর শাহবাগে বিসিএস প্রশাসন একাডেমি প্রাঙ্গন থেকে আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস উপলক্ষে তথ্য কমিশন আয়োজিত বর্ণাঢ্য র‌্যালি উদ্বোধনকালে তিনি একথা বলেন। প্রধান তথ্য কমিশনার মরতুজা আহমদ, তথ্য কমিশনার সুরাইয়া বেগম এনডিসি, তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মিজান-উল-আলম, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল করিম, গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো: জাকির হোসেনসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ র‌্যালিতে অংশ নেন।

মন্ত্রী বলেন, আমরা তথ্য অধিকার নিশ্চিত করার জন্য কাজ করছি। একইসাথে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে। বাংলাদেশের গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে কাজ করে। আমরা মনে করি, গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে কাজ করার পাশাপাশি আমাদের সম্মিলিত দায়বদ্ধতা আছে, যাতে আমার স্বাধীনতা বা আরেকজনের স্বাধীনতা অপরের স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপ না করে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ২০০৯ সালে সরকার গঠন করার পর আজকে বাংলাদেশে গণমাধ্যমের যে ব্যাপক বিকাশ ঘটেছে, এটি বাংলাদেশে অতীতে হয়নি, অন্য কোনো দেশেও গণমাধ্যমের এত দ্রুত বিকাশ হয়নি, উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে ২০০৮ সালে পত্রিকার যে সংখ্যা ছিল, এখন তা দ্বিগুণেরও বেশি। এবং বাংলাদেশে তখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে প্রাইভেট টেলিভিশনের যেটির যাত্রা শুরু হয়েছিল এখন সেটির ৩০টি সম্প্রচারে আছে, ৪৫টির লাইসেন্স দেয়া আছে, চালু আছে কয়েক হাজার অনলাইন গণমাধ্যম। এছাড়াও গত ১০ বছরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের যে ব্যাপ্তি বাংলাদেশে যে ঘটেছে, তা মানুষের ভাব ও অনুভূতি প্রকাশের, কথা বলার এবং মুহূর্তের মধ্যে কোটি মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়ার দুয়ার অবারিত করেছে, এটিও শেখ হাসিনার কারণেই হয়েছে।

বেলুনমালা উড়িয়ে র‌্যালি উদ্বোধন করে এসময় জাদুঘর পর্যন্ত পদযাত্রায় অংশ নেন তথ্যমন্ত্রী।