আ’ লীগের সাইনবোর্ড টানিয়ে কোটি পতি বনে যাওয়া- হালিম মুক্তার

সাভার প্রতিনিধিঃ সামান্য সাবরেজিস্টার অফিসে কর্মকতা হয়ে বর্তমান সরকারের আমলে আওয়ামী লীগের সাইনবোর্ড টানিয়ে রাতারাতি কোটিপতি বনে যান সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হালিম মুক্তার।

মাত্র কয়েক বছরের মধ্যে আয়ত্ব করেছে বিরুলিয়া ইউনিয়নের মধ্যে ৭০ বিঘার অধিক সম্পদ।

আব্দুল হালিম মুক্তার মিরপুরে লজিং মাস্টার থেকে পড়াশোনা করতে। পরে তিনি সাবরেজিস্টার অফিসে চাকরি করেন । ততকালীন বিএনপির বিরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলালের মাধ্যমে রাজনীতি প্রবেশ করেন। সাবরেজিস্টার অফিসে কাজ করার সুবাদে রাতারাতি ভেলপাল্টিয়ে আওয়ামী লীগের রাজনীতি তে প্রবেশ করেন । আর সেই খান থেকে তিনি বিরুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি।
হালিম মুক্তার ইউপি আওয়ামী লীগের সভাপতির সাইনবোর্ডে ব্যবহার করে বিরুলিয়া ইউনিয়ন গায়ের জোর দখলবাজী আর কূটকৌশলে করে কোটি কোটি টাকার পাহাড় বানিয়েছেন।

অনুসন্ধানে জানা যায়, বিগত ৯ বছরের বিরুলিয়া ইউপি মধ্যে প্রায় ৭০ বিঘার অধিক সম্পদের মালিক হয়েছে। এছাড়াও সাভারের রাজাশন এলাকায় ১৫ শতাংশ, রাজধানীর মিরপুর ২ নাম্বারে রয়েছে বিলাশ বহুল বাড়ি, সাভার কাউন্দিয়ার ইটখোলা এলাকায় প্রায় ১৫ বিঘা জমি, বিরুলিয়াতে বিলাস বহুল বাড়ি, ২ টা দামী প্রাইভেটকার। এছাড়া নামে বেনামে করছে ব্যাংক ব্যালেন্স।

এছাড়াও বিরুলিয়া ইউপি আওয়ামী লীগ সভাপতি হালিম মোক্তার ও তার ছেলে উল্লাসে বিরুদ্ধে নারী কেলেংকারীর অভিযোগও রয়েছে, হালিম মোক্তারের ছেলে উল্লাস খান ও একই নায়ের মাঝি যে কিনা সাভারের বিতর্কিত এক মহিলা নেত্রীকে দিয়ে কয়েকদিন আগে তার নিজের আত্নীয়কেও মিথ্যা নারী কেলেংকারী মামলায় ফাঁসিয়ে দিতে চেয়েছেন। পুলিশ ব্যাপারটা বুঝতে পেরে অভিযোগ গঠন করেনি। কথিত সে নারী নেত্রীর সাথে উল্লাসের অবৈধ সম্পর্ক আছে বলেও জানা যায়।

সাভার সিটি সেন্টার শপিং মলে কর্মরত এক নারী শ্রমিকের সাথে পরকিয়া প্রেমের সম্পর্কে জড়ায় উল্লাস খান, পরে সেই নারীর কাছে থেকে ৭০ হাজার টাকা ধার নিয়ে ফেরত না দিয়ে হুমকি দিয়েছে। আর এই লেনদেনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রেম হয়ে যায় আগুন। পরে সেই নারী এই বিষয়ে এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তির কাছে বিচার চাইলে বিচার পায়নি বলে জানা যায়।

এব্যাপারে, বিরুলিয়া ইউপির সাধারণ জনগণ কেউ ভয়ে মুখ খুলতে চায় না তার বিরুদ্ধে কথা বলতে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জানতে পারি, এলাকায় কারো পারিবারিক বা জমি সংক্রান্ত ঝামেলা হলে বিচারের নামে কাজ বুঝে টাকা নেয় হালিম মোক্তার।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আমাদের আস্থা আছে। সাভার আশুলিয়া অভিভাবক মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ডাক্তার এনামুর রহমান আমাদের অভিভাবক। আমাদের অভিভাবকের কাছে বলতে চাই এসব দখলবাজ মাদক ব্যবসায়ীদেরকে দল থেকে বহিষ্কার করে নতুন করে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাহলে সফল হবেন।

এব্যাপারে, সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মিসেস হাসিনা দৌলা সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তাকে পাওয়া যাইনি।

এ সকল অভিযোগের ব্যাপারে বিরুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতিকে বার বার কল দিলেও ফোন রিসিভ করেনি।