কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের উপ-আন্তর্জাতিক সম্পাদক হলেন জাবির সালেহীন

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্রনেতা এস.এম মাহবুবুর রহমান সালেহীন ব-গঠিত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ এর আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ-সম্পাদক পদে নিযুক্ত হয়েছেন।

আন্তর্জাতিক বিষয়ক এইউপ- সম্পাদক মাদারীপুর জেলার কাল কিনি উপজেলার পূর্ব এনায়েতনগর ইউনিয়নের সোলায়মান সরদার এর পুত্র। পরিবার থেকেই মুজিব আদর্শ  ধারণ করা এই নেতা এর আগে গত নির্বাচনে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ কর্তৃক নির্বাচনী কমিটির ঢাকা-২০ আসনের সমন্বয়কের দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করেন।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক এবং মাদারীপুর জেলা ছাত্রকল্যান সমিতির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ত্যাগী এই ছাত্রনেতার মূল্যায়নে উচ্ছ্বসিত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃবৃন্দ এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা।এ নিয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি বায়েজিদ রানা কলিন্স বলেন,” কর্মীবান্ধব এই নেতার ত্যাগ ও পরিশ্রমের মূল্যায়ন করায় আমরা আনন্দিত এবং সেই সাথে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগকে ধন্যবাদ।” শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি বঙ্গবন্ধু বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের আবাসিক শিক্ষার্থী মিজানুর রহমান বলেন,”ভাই দীর্ঘদিন ছাত্রলীগের জন্য নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে যাচ্ছেন, তার মূল্যায়ন হওয়ায় ছাত্রলীগের প্রতি কর্মীদের এবং সাধারন শিক্ষার্থীদের আস্থা বাড়ছে।”এছাড়া রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হল ছাত্রলীগের নেতা নাঈম উল ইসলাম বলেন“একজন কর্মীবান্ধব ছাত্রলীগ নেতার মূল্যায়ন হয়েছে।আশা করি তিনি তার উপর আর্পিত দায়িত্ব যথার্থভাবে পালন করবেন”
এ বিষয়ে সেভ দ্যান্যাচার অব বাংলাদেশ জাবি শাখার সভাপতি বিশিষ্ট পরিবেশ গবেষক তৌফিক আহমেদ বলেন, “সালেহী ভাই অনেক ভাল মনের এক জন মানুষ ,তার মতন পরিশ্রমী ও কর্মী বান্ধব ছাত্র নেতা তার পরিশ্রমের যোগ্য মূল্যায়ন পেয়েছেন। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এর সেতু বন্ধন গড়তে এর কর্মী বান্ধক ছাত্রনেতা দেশের জন্য কল্যাণ কর বাত্রা বয়ে আনবে”।

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এর কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী সংসদের দায়িত্ব প্রদান করায় বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভানেত্রী শেখহাসিনা, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সংগ্রামী সভাপতি রেজওয়ানুলহক চৌধুরী শোভন ও বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক গোলামরাব্বানীকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এস,এম,মাহবুবুর রহমান সালেহীবলেন,” এইn সংগঠন আমার প্রানের সংগঠন। নামের পাশে পদবী থাকুক বা নাথাকুক, সংগঠন এর স্বার্থে আজীবন ত্যাগ করতে রাজী আছি। আমার উপর অর্পিত দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করব,সংগঠনের স্বার্থে এবং জননেত্রীদেশ রত্ন শেখহাসিনার প্রশ্নে আপোষহীন ভাবে কাজ করব, ইনশাআল্লাহ। বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে দেশে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরো গতিশীলএবং সুসংগঠিত করতে দৃঢ় তার সাথে কাজ করে যাবো।”