ধামরাইয়ে অপহরনের তিনদিন পরে শিশু মনিরের লাশ উদ্বার আটক দুই ।

ঢাকার ধামরাইয়ে অপহরণের তিন দিন পর শিশু মনিরের (৫) লাশ উদ্ধার করেছে ধামরাই থানা পুলিশ।

এই ঘটনাই দুই অপহরণ কারীকে আটক করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার(২৯জানুয়ারী)সকাল ১০ঘটিকার সময় ধামরাই ভাড়ারিয়া ছোট আশুলিয়া গ্রাম থেকে অপহরণের তিনদিন পরে শিশু মনিরের গলিত ও বিকৃত লাশ উদ্ধার করেছে ধামরাই থানা পুলিশ।

নিহত শিশু মনির হোসেনের বাড়ী ধামরাই উপজেলার ভাড়ারিয়া ইউনিয়নের ছোট আশুলিয়া গ্রামের মোঃ সোনামিয়া (কালা) ছেলে।এব্যাপারে দুইজনকে আটক করে পুলিশ।১। মানসুর (৩৫)পিং-আাব্দুল হামিদ, সাং-কুল্লা ইউনিয়ন।২।মাজেদুল (২৫) পিং-আবুল হোসেন,সাং-ছোট আশুলিয়া। এই মামলার ৩নং আসামি রাব্বি(২৭), পিতা-মিশু এখন পলাতক রয়েছে। এলাকাবাসি সুত্রে জানাযায় গত শনিবার বিকালে শিশু মনির মাজেদুলের মদি দোকানের সামনে খেলা করতে ছিল এই সময় শিশু মনিরের বাবা সোনামিয়া নামাজের জন্য মসজিদে যাওয়ার সময় শিশু মনিরকে ডেকে বাড়ীতে যাইতে বলে।

পরে শিশু মনির সেখানে খেলা করতে থাকে। এর কিছু সময় পর সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজ শেষে শিশু মনিরের বাবা বাড়ীতে ফিরে এসে মনিরকে ডাকতে থাকে কিন্তু মনিরকে সেই সময় থেকে আর পাওয়া যায় না। তখন তারা সারা রাত খোজ করার পর ও যখন মনিরকে পাওয়া যায়না । তখন মনিরের বাবা সোনামিয়া থানায় এতে একটি জিডি করে। পরে পুলিশ সেই সময় থেকে শিশু মনিরকে খুজতে থাকে বিভিন্ন ভাবে।

এই ব্যাপারে শিশু মনিরের চাচাতো দাদা মোঃ লুৎফর রহমান বলেন, শনিবার বিকালে মনির অপহরণ হয়। অপহরণের মুলহোতা মাজেদুল ইসলাম । মাজেদুল শনিবার বিকাল শিশু মনিরকে অপহরণ করে মুখ বেধে প্রথমে তার বাড়ীতে লুকিয়ে রাখে। পরে মাজদুল মনিরের বাবার কাছে দশলক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। কিন্তু কিছুক্ষণ পর সেই মোবাইল নাম্বারে ফোন দিলে সেটা বন্ধ পাওয়া যায়। তার পর ধামরাই থানা পুলিশকে ঘটনা জানালে তারা আজ সকালে ছোট আশুলিয়া গ্রামের মোঃ মিশুর বাড়ীর ঘোয়াল ঘরের পিছন থেকে মাটিতে চাপা দেওয়া শিশু মনিরের লাশটি উদ্ধার করে ।

এই ব্যাপারে ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দীপক চন্দ্র সাহা বলেন, । তারা অনেক খুজা খুজি করে কোথাও না পেয়ে থানায় এসে একটি জিডি দায়ের করে। পরে তদন্ত ওসি মোঃ কামাল হোসেনের নেতিৃত্বে সোমবার রাতে মাজেদুল ইসলামকে ও মানছুরকে আটক করে। আটককৃত মাজেদুল ও মানছুর মামাতো ভাই কে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা ঘটনার সর্ম্পকে সব বলে দেয় এবং শিশু মনিরকে কোথায় মাটিচাপা দিয়েছে সেটা তারা বলে দিলে আজ সকালে তাদের নিয়ে মিশুর বাড়ীর ঘোয়াল ঘরের পিছন থেকে মাটি চাপা দেওয়া মনিরের লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

তবে এই ঘটনায় মাজেদুল,মানছুর ও রাব্বি হোসেন জড়িত ।এই ঘটনার মুল আসামি ৩ জনের দুই জন পুলিশ হেফাজতে আছে।এব্যাপারে ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দীপক চন্দ্র সাহা বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বিস্কুটে নেশাজাতীয় দ্রব্যের পরিমাণ মাত্রাতিরিক্ত থাকায় শিশুটির মৃত্যু হয়। এরপরে অপহরণকারীরা শিশুটির লাশ ছোট আশুলিয়া গ্রামের মিশুর বাড়ীর গোয়াল ঘরের পাশে মাটিতে গর্ত করে চাপা দেয়।

তবে লাশের ময়না তদন্ত রিপোর্ট এলেই বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানান এই ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ।