ধামরাইয়ে তিতাস বেকারীতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি হচ্ছে খাদ্যদ্রব্য ।

ঢাকার ধামরাইয়ে তিতাস বেকারীতে অস্বাস্থ্যকর নোংরা পরিবেশে তৈরি করা হচ্ছে নানা রকমের খাদ্যদ্রব্য। এই সব বেকারীতে তৈরি করা হচ্ছে বিস্কুট,কেক,পাউরুটি,চানাচুরসহ বিভিন্ন ধরণের খাবার ও শিশু খাদ্য।

সরেজমিনে গিয়ে দেখাযায় ধামরাই উপজেলা পৌর-সভায় তিতাস নামক একটি বেকারীতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি করা হচ্ছে নানা ধরনের খাদ্যদ্রব্য। তিতাস বেকারীটি ধামরাই পৌর-সভার লাকুড়াপাড়ার দক্ষিণ পাশে আব্দুস সোবাহান মডেল স্কুলের সামনে রাস্তার পুর্ব পাশে অবস্থিত। এই বেকারীতে গিয়ে দেখাগেল কারিগরদের কাজের অবস্থা,তাদের শরীরের মধ্যে কোন ইনিফরম নেই যার কারণে তাদের শরীর থেকে ঘামবেয়ে চুয়ে চুয়ে পরছে প্রস্তুতকৃত ময়দার উপর।

একটু পরেই দেখাগেল সেই ময়দা দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে বিভিন্ন হাতের বেকার পণ্য। যেমন বিস্কুট,কেক, পাউরুটি,তৈরি করার বিশাল চুল্লির আশপাশে রয়েছে ময়লা আবর্জনার স্তপ। এছাড়া স্যাঁত সেতের মেঝের মধ্যে রাখা হয়েছে তৈরি খাবার পণ্য যা মাছিতে ভরে রয়েছে।এর পর আবার মেঝেতে রাখা একটি ড্রাম সেখানে রয়েছে দীর্ঘদিনের পোড়া তৈল এবং মেঝেতে পড়ে আছে ডিমের খোসা তাতে দেখা যায় মশামাছির উপদ্রব, শুধু তাই নয় খাদ্যদ্রব্য প্রস্ততের সময় তার সাথে মেশানো হচ্ছে কৃত্রিম রং যা মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর।

এছাড়া এমোনিয়াম নামে একটি বোকপাউডার খোলা ময়দা ও চিনির সাথে মিশিয়ে তৈরি করা হচ্ছে বেকারী পণ্য এবং বেকারীর কারিগরদের হাতে থাকে না কোন গ্লাভস ও ঢাকা থাকে না মাথার চুল ফলে খাদ্যদ্রব্য সাথে চলে যায় মাথার চুল হাতের ময়লা। যা খেয়ে স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীসহ অনেক মানুষই হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়।তাই এলাকাবাসির দাবি এই সব বেকারী গুলি বন্ধ করে দেওয়া।
এই ব্যাপারে তিতাস বেকারীর মোঃ অলিউল্লাহ (১৫) নামে এক কর্মচারী বলেন, আমি হেলপারের কাজ করি, এই রংয়ের নাম কি তা আমি বলতে পারব না এটা আমার মালিক বলেতে পারবে।
অপর একজন কর্মচারী মোঃ বেলায়াত হোসেন বলেন, আমরা শুধু বেকারীর খাদ্যদ্রব তৈরি করি এছাড়া আর কিছু বলতে পারব না । ড্রামের ভিতর কালো তৈলের কথা বললে সে বলে আমাদের এই গুলি দিয়ে কাজ করতে বলছে আমরা কি করব । আমরা তো হুকুমের গোলাম ।

এই ব্যাপারে তিতাস বেকারীর মালিক মোঃ আবু তাহের বলেন, আমার বেকারী কি ভাবে চলবে সেটা আমি দেখব। তখন মালিককে বিএসটিআই অনুমোদন আছে কি না সেটা দেখানোর কথা বললে মালিক তাহের তখন সে রেগে গিয়ে বলে আপনি কে যে আপনাকে বি এস টি আই দেখাতে হবে আমি আপনাকে বিএসটিআই দেখাব না আপনি যা পারেন তা করেন।

এই ব্যাপারে ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আবুল কালাম বলেন,অচিরেই বেকারীগুলিতে ভ্রুম্যমান আদালত পরিচালানা করা হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।