ধামরাইয়ে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ,থানায় মামলা আটক ধর্ষক।

মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন , ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধিঃ-ঢাকার ধামরাইয়ে বিয়ের প্রলোভনে দেড় বছর ধরে ধর্ষণের ঘটনায় একটি অভিযোগ দায়ের করলে শনিবার রাতে অভিযান চালিয়ে ধর্ষক মোঃ কাউছার (৩০) নামে এক জনকে আটক করেছে ধামরাই থানা পুলিশ।

কাউছারের বাড়ী ধামরাই উপজেলার সুতিপাড়া ইউনিয়নের বেলীশ্বর গ্রামের মোঃ আওলাদ হোসেনের ছেলে। এলাকাবাসী সুত্রে জানাযায়,সুতিপাড়া ইউনিয়নের উত্তর বেলীশ্বর গ্রামের স্বামী পরিত্যক্তা এক সন্তানের জননীকে বিয়ের প্রলোভনে দেড় বছর ধরে ধর্ষণ করে একই গ্রামের আউলাদ হোসেনের ছেলে কাওছার আলী। ধর্ষিতা ওই এক সন্তানের জননীকে বিয়ে না করে কয়েকদিন আগে ওই যুবক গোপনে অন্যত্র বিয়ে করে। ঘটনাটি জানাজানি হলে ওই ধর্ষিতা ধর্ষকের বাড়িতে গিয়ে বিয়ের দাবিতে অনশন করে। ওই ধর্ষকসহ বাড়ির লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে পিটিয়ে ধর্ষিতা ওই এক সন্তানের জননীকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়।

এব্যাপারে সে থানায় মামলা করতে চাইলে শোলধন ও বেলীশ্বর গ্রামের কতিপয় মাতাব্বররা তাকে মামলা করতে বাঁধা দিয়ে ওই ধর্ষকের সঙ্গে বিয়ে দেয়ার আশ্বাস দেয়। এরই ধরাবাহিকতায় এ ধর্ষণের ঘটনায় বেলীশ্বর খালপাড়ে এক গ্রাম্য সালিশি বৈঠক বসে। জুড়িবোর্ডের মাধ্যমে সালিশি বৈঠকে ধর্ষিতাকে বিয়ের প্রস্তাব দিলে মানতে নারাজ হয় কাউছার। পরে টাকা দিয়ে বিদায় করতে বলে মাতাব্বরদের। সে টাকা ও নিয়ে ধর্ষিতাকে না দিয়ে নিজেদের পকেটে ভরে মাতাব্বরা। এই ব্যাপারে ভুক্তভোগি ওই এক সন্তানের জননী জানান,আমাকে বিয়ের প্রলোভনে প্রলুব্দ করে দেড় বছর ধরে আমাকে ধর্ষণ করে কাউছার আলী। আমি তার বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অনশন করলে তারা আমাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়।

এঘটনায় আমি মামলা করতে চাইলে কতিপয় মাতাব্বররা আমাকে ওই ছেলের সঙ্গে বিয়ে দেয়ার আশ্বাস ও মামলা করতে বাঁধা দেয়।পরে আমাকে কাউছারের বাড়ীতে উঠতে না দিলে আমি ধামরাই থানায় গিয়ে মামলা করতে বাদ্য হয়। এই ব্যাপারে ধামারই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দীপক চন্দ্র সাহা বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। পরে রাতেই আভিযান চালিয়ে ধর্ষক মোঃ কাউছার আটক করা হয়েছে। আজ তাকে কোটে প্রেরণ করা হবে।