ধামরাইয়ে মাদক বিক্রিতে বাধা দেওয়ায় পিতা-পুত্রকে ছুরিকাঘাত করে হত্যার চেষ্টা।

মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন (ধামরাই প্রতিনিধি) ঢাকার ধামরাইয়ে মাদক বিক্রিতে বাধা দেওয়ায় পিতা-পুত্রকে ছুরিকাঘাত করে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে মাদক কারবারিরা। আহতদের সাভারের এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আইসিইউতে রাখা হয়েছে।

এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে কুমরাইল এলাকায়। আহতরা হলেন পৌর এলাকার কুমড়াইল মহল্লার কাওসার ফেরদৌস (৪০) ও তার পুত্র বিজয় ফেরদৌস (১৮)।

প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকাবাসী জানায়, দীর্ঘদিন ধরে সজিব, খালাতো ভাই শাহীন ও মামা টুক্কু মিলে বিভিন্ন ধরনের মাদক বিক্রি করে আসছে। সজিব মহল্লার কুমড়াইলের মৃত আলাউদ্দিনের ছেলে, এতে প্রায়ই বাধা দিয়ে আসছেন কাউসার ফেরদৌস ও তার ছেলে বিজয় ফেরদৌস। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বুধবার রাতে কাউসারকে তার দোকানের সামনে আকস্মিকভাবে পেটে ছুরিকাঘাত করে টুক্কু, সজিব ও শাহিন। কাউসারের চিৎকারে এগিয়ে যায় তার ছেলে বিজয়। তাকেও উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করা হয়।

এতে পিতা-পুত্রের নাড়িভুঁড়ি বের হয়ে যায়। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে সাভারের এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। বিজয়কে লাইফ সাপোর্টে এবং কাউসারকে আইসিইউতে রাখা হয়েছে। ছেলের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে চিকিৎসকরা।
বিজয় লিজেন্ড কলেজের ১ম বর্ষের ছাত্র এবং
এলাকায় ভদ্র ও শিষ্ট হিসেবে সুনাম রয়েছে। অন্যদিকে সজিব এবং তাদের সকল আত্নীয় স্বজনদের বিরুদ্ধে এলাকায় বিভিন্ন অপরাধমুলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয় জার্মান বাংলা ফুড এর পরিত্যক্ত কারখানায় তারা বিভিন্ন ধরনের অপকর্ম করত বলে জানায় এলাকাবাসী। সজিবের আত্মীয় স্বজনেরা প্রভাবশালী তাই ভয়ে এলাকার মানুষ ওদের বিরুদ্ধে কথা বলতে সাহস করে না। কিন্তু এখন এলাকায় মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। বিজয় গত ৩৬ ঘণ্টা যাবৎ মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। এখনও ওর জ্ঞান ফিরেনি। তার বাচার সম্ভাবনা নিয়ে হতাশ স্বজনরা।

ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দীপক চন্দ্র সাহা বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, দ্রুতই আসামীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।