ধামরাই পরকীয়া প্রেমের জেরে স্ত্রীর হাতে স্বামীর পুরুষাঙ্গ কর্তন।

ঢাকার ধামরাইয়ে পরকীয়াপ্রেমের জেরে স্ত্রী হাতে পুরুষাঙ্গ কর্তন স্ত্রী গ্রেফতার,স্বামী হাসপাতালে ভর্তি।

স্বামী সুমন মিয়কে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে সাভার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় স্ত্রী রোজিনা বেগমকে (২৫) আটক করেছে পুলিশ।শুক্রবার (১১ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১টার দিকে ধারমাইয়ের বাথুলি এলাকার মোহাম্মদ আলির বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। আজ শনিবার (১২জানুয়ারী) সকাল ১১ ঘটিকার সময় বাথুলি নিজ বাড়ীতে থেকে স্ত্রী মোসাঃ মর্জিনা বেগমকে গ্রেফতার করে পুলিশ ।

স্থানীয় সুত্রে জানযায় দীর্ঘদিন যাবত স্বামী-স্ত্রী মধ্যে প্রায় ঝগড়া বিবাদ লেগে থাকত।তার কারণ আমরা প্রথমে জানতাম না পরে কাল রাতে এই ঘটনা ঘটার পর জানতে পারলাম যে সুমন দীর্ঘদিন ধরে মানিকগঞ্জের একটি মেয়ের সাথে প্রেম করে আসছে। সেই কথা স্ত্রী মর্জিনা বেগম জানতে পেরে সুমনকে বাধা দিলে ও স্ত্রী মর্জিনার কথা না শুনে প্রেমিকার সাথে দেখা করতে যেত এবং মাঝে মধ্যে রাত কাটাত বলে জানাযায়। এর পর স্ত্রী মর্জিনা পরিবারের ও নিজ সন্তানের কথা ভেবে সুমনকে বার বার বুঝাতে থাকত।

কিন্তু সুমন মর্জিনার কথার কোন গুরুত্ব দিত না।এর পর স্ত্রী মর্জিনা তার গার্ডিয়ানকে বলে ও কোন কাজ না হওয়ায় শুক্রবার রাতে স্বামী মোহম্মদ সুমন মিয়াকে (৩০) খাবারের সঙ্গে ঘুমের ট্যাবলেট খাইয়ে দেন তার স্ত্রী রোজিনা।
পরে রাত ১টার দিকে ধারালো ব্লেড দিয়ে স্বামীর গোপনাঙ্গ কেটে দেন। এসময় সুমনের চিৎকারে পাশের বাড়ির লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে সাভারের এনাম মেডিকেলে ভর্তি করেন।আহত স্বামী সুমন মিয়া (৩০) বালিথা গ্রামের মো. আলীর ছেলে। তিনি স্থানীয় একটি তৈরি পোশাক কারখানায় কাজ করেন। তাদের আট বছরের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।
তবে মানিকগঞ্জের প্রেমিকার নাম ও ঠিকানা কেউ বলতে পারে না। এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মো. নূর হোসেন বলেন, প্রচুর রক্তপাত হওয়ায় সুমন মিয়াকে দ্রুত অপারেশন থিয়েটারে ওটিতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

হাসপাতালের ওটি ইনচার্য মো. নাছির উদ্দিন বলেন, অস্ত্রোপচার করা হয়েছে, তিনি শঙ্কামুক্ত আছেন। এই ব্যাপারে ধামরাই থানার উপ-পরিদর্শক (এস আই) মলয় কুমার সাহা বলেন, স্বামীর পুরুষাঙ্গ কর্তন করায় স্ত্রী মর্জিনা বেগমকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মর্জিনাকে থানা হেফাজতে রেখে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। এই ঘটনায় সুমনের পরিবার থেকে একটি মামলার পক্রিয়া চলছে। তিনি আর জানান সুমন মিয়াকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তার চিকিৎসা চলছে। লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান এই কর্মকর্তা।