ধামরাই রাতের আধারে সরকারী জায়গার মাটি কেটে ইট তৈরী।

ঢাকার ধামরাইয়ে রাতের আধারে সরকারী জায়গার মাটি কেটে ইট তৈরি।

এলাকার লোকজন বলার পরে ও প্রশাসন নিরব।ধামরাই উপজেলার কুল্লা ইউনিয়নের খাৎরা গ্রামের দক্ষিণ পাশে নদীর পাশে সরকারী জায়গা থেকে অবৈধ ভাবে রাতের আধারে বেকু দিয়ে মাটি কেটে ইট তৈরি করিতেছে কুল্লা ইউনিয়নের এক প্রভাব শালী ব্যাক্তি মোঃ লুৎফর রহমান।

তিনি সরকারী কোন অনুমতি ছাড়াই আজ কয়েকদিন ধরে এলাকার মানুষের অজান্ততে রাতের আধারে রাস্তাঘাট নষ্ট করে একটি বেকুদিয়ে সরকারী জায়গাথেকে মাটি কেটে ইট ভাটাই নিয়ে যাচ্ছে। ফলে রাস্তাঘাট বসতবাড়ীসহ হুমকির মুখে পড়েছে বলে এলাকাবাসির দাবি করছে।

এলাকা বাসির অভিযোগ স্থানীয় প্রশাসনকে জানিয়ে কোন সুরাহা পায়নি তারা।বরং যে অভিযোগ করছে তাকে উলল্টো লুৎফরের লোহজন হুমকি দিচ্ছে বলে জানাগেছে।

এই দিকে ট্রাকদিয়ে মাটি নেওয়ার ফলে এলাকার বাড়ীঘরের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া রাস্তাগুলি প্রচুর পরিমানে ধুলাবালি,রাস্তা ভাংগাচুরা হয়ে যাওয়ার ফলে মানুষ রাস্তাদিয়ে চলাচল করতে পারছে না বলে উপজেলা প্রশাসনের বরাবর অভিযোগ দিয়ে ও কোন সুফল পাচ্ছে না। ফলে দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষদের।

নাম প্রকাশ না বলার শর্তে তিনি বলেন,আমাগোর এলাকায় মোঃ লুৎফর কোম্পানী তার প্রভাব খাটিয়ে রাতের আধারে সরকারী জায়গা থেকে মাটি কেটে ইট তৈরি করে টাকার পাহার গড়তেছে। আমরা এলাকার লোকজন তাকে বাধা দিতে গেলে উল্টো মারধরের শিকার হতে হয়। প্রশাসনকে একাদিক বার জানিয়ে ও কোন কাজ হয় নাই। বরং আমরা যারা অভিযোগ করি তাদের ক্ষতি হয়।

এই ব্যাপারে কোম্পানী মোঃ লুৎফর রহমান বলেন,আমি টাকা দিয়ে মাটি কিনেছি। আমি সেই মাটি বেকুদিয়ে কেটে আমার ইট ভাটাই এনেছি। তবে এসিল্যান্ড অফিস থেকে লোক এসে বাধা দিলে আমি আমার বেকু সেখান থেকে সড়িয়ে নেই।

এছাড়া আমি সরকারকে ভ্যাট ট্র্যাক্চের টাকা দিই সেই টাকা দিয়ে সরকার রাস্তাঘাটের কাজ করে থাকে। আমি সবকিছু ম্যানেজ করে চলি।
এই ব্যাপারে উপজেলা সহাকরী কমিশনার (ভুমি) মোঃ নাহিদ হাসান বলেন, সরকারী জায়গা থেকে মাটি কাটার ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহণ করব।