রাণীশংকৈলে ফুলকপি- বাঁধাকপি’র বাম্পার ফলন কৃষকের মুখে হাসি

হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ে রাণীশংকৈল উপজেলায় এ বছর ফুলকপি ও বাঁধাকপির বাম্পার ফলন হয়েছে এবং বাজারে ভাল দাম থাকায় হাসি ফুটেছে কৃষকের মুখে।

আগাম শীতকালীন সবজি হিসেবে ফুলকপির দাম কেজি প্রতি ৫৫-৬৫ টাকা ও বাঁধাকপি ৫০-৬০ টাকা থাকায় উপজেলার হোসেনগাঁ ইউনিয়নের পদমপুর (মিলপাড়া) গ্রামের লিটন আলী জানান, গতবছর আবাদের চেয়ে এবার অনেক বেশি ফুলকপি ও বাঁধাকপি আবাদ হয়েছে। প্রতিমন ফুলকপি পাইকারী দরে ২ হাজার থেকে ২২ শত টাকা এবং বাঁধাকপি ১৮ শত থেকে ২ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এবং খরচ বাদ দিয়ে বেশ মুনাফা পাচ্ছি।

৯ নভেম্বর সোমবার সকালে উপজেলার ডায়াবেটিক মোড়, পদমপুর, রাউতনগড়সহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার সরেজমিন গিয়ে দেখা যায় মাঠ থেকেই সবজি ব্যবসায়ীরা কপি ক্রয় করছেন। এছাড়াও রংপুর, বগুড়া, ঢাকা ও সিলেটের পাইকাররা এ উপজেলা থেকে আগাম সবজি হিসেবে বাঁধাকপি ও ফুলকপি ভোর রাত থেকে প্রতিদিনের ন্যায় ট্রাকযোগে ক্রয় করে নিয়ে যাচ্ছেন।

জানা গেছে এবার উপজেলার বিরাশী, উমরাডাঙ্গী, উত্তরগাঁও মহলবাড়ী, কলিগাঁ, ভান্ডারাসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক কপিচাষ হয়েছে।

উপজেলায় কর্মরত সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের উপ-সহকারি কৃষি অফিসার গণ এসব কৃষকদের সাথে সার্বিক যোগাযোগের মাধ্যমে সু-পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন প্রান্তিক কৃষকেরা।

তাঁরা জানান মারবেল, মুক্তি, ম্যাগনেট-১২, ভিক্টোরী জাতের ফুলকপি ও কেকে ক্রশ, ট্রপিকল্যান্ড, কুইকার , সুপার সেট জাতের বাঁধাকপি এ অঞ্চলে বেশ জনপ্রিয়।

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ সঞ্জয় দেবনাথ বলেন, এই উপজেলার মাটি ফুুলকপি ও বাঁধাকপি চাষের জন্য বেশ উপযোগী।
এ বছর এ উপজেলায় ৪০০ হেক্টর ফুলকপি ও ২০০ হেক্টর বাঁধাকপির আবাদ হয়েছে। আমরা চাষিদেরকে সার্বক্ষণিক পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি। আশা করা যায় আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে চাষিরা বেশিদামে এসব সবজি বিক্রি করে যথেষ্ট লাভবান হবেন।