সাভারের ভাকুর্তা ইউনিয়নের মোগড়াকান্দা এলাকায় অবৈধ কারখানা মূল হোতা হাজী আবদুল বাতেন (পর্ব-২য়)

স্টাফ রিপোর্টার: সাভারের ভাকুর্তা ইউনিয়নের মোগড়াকান্দা এলাকায় ও অবৈধ মধুমতি মডেল টাওনের পেছনে, বেশ কয়েকটি অবৈধ কাঁরখানা পরিচালনা করছেন হাজী আবদুল বাতেন ।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে, এলাকার এক ব্যাক্তি বলেন, ভাকুর্তা ইউনিয়নের মোগড়াকান্দা এলাকায় বেশ কয়েকটি অবৈধ টায়ার পুড়িয়ে তৈলের কাঁরখানা , ট্যানারী বর্জ্য দিয়ে মাছ ও মুরগীর জন্য বিষাক্ত খাদ্য তৈরীর কারখানা ,কাঠ পুড়িয়ে কয়লা কারখানা সহ বেশ কয়েকটি কারখানা থেকে প্রতি মাসে মোটা অংকের চাঁদা আদায় করেন হাজী আবদুল বাতেন ।

তিনি আরো বলেন, গেলো বছর ২২-০১-২০১৯ইং তারিখে এই ভাকুর্তা ইউনিয়নের মোগড়াকান্দা এলাকায় অবৈধ ৬টি ট্যানারী বর্জ্য দিয়ে মাছ ও মুরগীর জন্য বিষাক্ত খাদ্য তৈরীর  কাখানায় , অভিযান পরিচালনা করেছে র্যা বের ভ্রাম্যমান আদালত। এসময় অবৈধ কাজের সাথে জড়িত থাকায় ৮ জনকে আটক করে , দুই জনকে এক বছর করে বিনাশ্রম কাড়াদন্ড ও পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা এবং বাকী ৬ জনকে এক মাস করে কাড়াদন্ড প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু কিছুদিন পযন্ত এই অবৈধ কারখানা বন্ধ থাকলেও বর্তমানে আগের স্থানে আবারো নতুন করে এই অবৈধ চামরা দিয়ে মাছ ও মুরগীর জন্য বিষাক্ত খাদ্য তৈরীর করা হচ্ছে দেদারছে ।যাহার বর্তমান মালিক আবদুল বাতেন ।

হাজী আবদুল বাতেন এলাকার প্রভাবশালী নেতা হওয়ার কারনে কারখানা বন্ধের ব্যপারে কেহ কথা বলতে সাহস পাচ্ছেনা।

ফলে এলাকাবাসিরা স্থানীয় চেয়ারম্যান ও প্রশাসনের প্রতি কারখানা বন্ধের ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহন করার জন্য জানিয়েছেন।

এবিষয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান হাজী আনোয়ার হোসেন বলেন , আমি বিষয়টি জানি , আর আমি এদের কোন অনুমোদন দেইনি , এই বিষয়ে আমি বারবার কর্তৃপক্ষকে জানিয়েও তেমন কোন সুফল পাইনি ।

স্থানীয় কৃষক মোঃ আবদুল আলী বলেন, চামড়া কারখানার বিষাক্ত তিক্ত গন্ধে জনজীবন অতিষ্ঠ সহ ফসলের মারাত্বক ক্ষতি হচ্ছে। এছারাও এলাকার পরিবেশে বিপর্যয়ের দিকে যাচ্ছে।

এ ব্যাপারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকাবাসী ।