সাভারে সেলিম কাউন্সিলরের দখলকৃত জমি উদ্ধারে উচ্ছেদ অভিযান।

স্টাফ রিপোর্টার: সাভার পৌর এলাকার ৮ নং ওয়ার্ডের সদ্য নির্বাচিত কাউন্সিলর সেলিম মিয়ার দখলে থাকা প্রায় আড়াই কোটি টাকা মূল্যের জমি উদ্ধারে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত করা হয়েছে।

এসয় দীর্ঘ্যদিন ধরে দখল করে রাখা ২৪ শতাংশ জমি উদ্ধার করে ডিক্রিদার আব্দুস সোবহানকে বুঝাইয়া দেওয়া হয়েছে। সোমবার দুপুরে পৌর এলাকার রাজাশন মহল্লার ভিশন গার্মেন্টস এর বিপরীত পাশে এ অভিযান পরিচালনা করেন সাভার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মাহফুজ।

জমির মালিক আব্দুস সোবাহান বলেন, গত নির্বাচনে জয় লাভের পর পরই পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সেলিম মিয়া আমার ক্রয় করা ২৪ শতাংশ জমি জোরপূর্বক দখল করে নেয়। পরবর্তীতে আমরা আদালতের নির্দেশনা নিয়ে গত বছর জমিটির দখল বুঝে নিতে আসে সেলিম মিয়ার সন্ত্রাসী বাহিনী আমাদের উপর হামলা চালিয়ে মারধর করেছে। তাই এবার আদালতের নির্দেশনা নিয়ে নিরাপত্তার স্বার্থে বিপুল সংখ্যক পুলিশের সদস্য এবং ম্যাজিস্টেটের উপস্থিতিতে জমিটি আমাকে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে।

জমির মালিকের ছেলে শরিফুল বলেন, আদালতের নির্দেশে জমি বুঝে পেলেও আমরা বর্তমানে নিজেদের জীবন নিয়ে শঙ্কায় আছি। কাউন্সিলর সেলিম মিয়ার সন্ত্রাসী বাহীনি আমাদেরকে অব্যাহতভাবে মেরে ফেলার হুমকি ধামকি দিচ্ছে। আমাদের বাড়িতে থাকতে দিবেনা এবং এলাকায় কিভাবে থাকি সেটা দেখে নিবে জানিয়ে বলে পুলিশকি জমি পাহাড়া দিয়ে রাখবে নাকি। তাই আমরা প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষন করছি আমাদের জীবনের নিরাপত্তা প্রার্থনা করছি।

এব্যাপারে অভিযুক্ত কাউন্সিলর সেলিম মিয়া বলেন, আমি ক্রয় সুত্রে ২৪ এব্যাপারে অভিযুক্ত কাউন্সিলর সেলিম মিয়া বলেন, আমি ক্রয় সুত্রে ২৪ শতাংশ জমি বুঝে পেয়ে দীর্ঘদিন ধরে মার্কেট নির্মান করে ভোগ দখল করে আসছি। আব্দুস সোবহান যে জমির ডিক্রী দাবি করেন তা অন্য দাগের জমি, আমার জমির সাথে কোন সম্পৃক্ততা নাই। কিন্তু তারা আদালতে ভুল বুঝিয়ে একটি আদেশ এনে জমিতে উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে। আমি এর বিরুদ্ধে আইনীভাবে পদক্ষেপ গ্রহন করবো।

সাভার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মাহফুজ বলেন, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী রাজাশন মহল্লায় অভিযান চালিয়ে ২৪ শতাংশ জমির উপর থাকা স্থাপনা ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে।

এদিকে জমি উদ্ধারে পরিচালিত উচ্ছেদ অভিযানের সময় সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএফএম সায়েদ, ওসি তদন্ত সাইফুল ইসলাম, ওসি অপারেশন আল আমিন, ওসি ইন্টেলিজেন্স নির্মল কুমার দাসসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর শতাধিক সদস্য উপস্থিত ছিলেন।