30 C
Dhaka, BD
সোমবার, অক্টোবর ১২, ২০২৬
প্রচ্ছদ প্রচ্ছদ

ভিউয়ের নেশায় ভিত্তিহীন তথ্য,উত্তেজক শিরোনাম “প্রশ্নের মুখে সিংগাইরের মোবাইল সাংবাদিকতা’!

স্টাফ রিপোর্টার : ভিউয়ের নেশায় অনেক মোবাইল সাংবাদিক বেছে নিচ্ছেন উত্তেজক শিরোনাম, ভিত্তিহীন তথ্য, এমনকি কখনো বিভ্রান্তিকর উপস্থাপন। তারা হয়তো ঘটনাস্থলে গিয়ে লাইভ করছেন, কিন্তু সংবাদ যাচাই করছেন না। একেকজন একেকভাবে ব্যাখ্যা দিচ্ছেন, কারো মধ্যে নেই পেশাগত দায়বদ্ধতা। এতে সাংবাদিকতার ভাবমূর্তি যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, তেমনি দর্শকদের মধ্যেও তৈরি হচ্ছে অবিশ্বাস।

যাচাই-বাছাই ছাড়াই ফেসবুক-ইউটিউবে প্রচার। কখনো ধর্ষণের শিকার নারীর পরিচয় প্রকাশ, কখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ব্যক্তিকে মৃত ঘোষণা, আবার কখনো মৃত্যুর ঘটনাকে নিশ্চিত হত্যাকাণ্ড হিসেবে উপস্থাপন। এসব কনটেন্ট ঘিরে ছড়াচ্ছে বিভ্রান্তি, তৈরি হচ্ছে উত্তেজনা। বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হচ্ছে ভুক্তভোগী পরিবার, পুলিশ ও মূলধারার সাংবাদিকদের।

সাম্প্রতি মানিকগঞ্জের সিংগাইরে তিনটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশ্নের মুখে মোবাইল সাংবাদিকতা । তবে কি ভিউ বাড়ানোর প্রতিযোগিতায় হারিয়ে যাচ্ছে নীতি-নৈতিকতা?

এতে করে সাংবাদিকতার মতো একটি মহান পেশার মর্যাদা হুমকির মুখে পড়েছে সাংবাদিকদের অপ্রতিরোধ্য দৌরাত্ম্যে বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছেন প্রকৃত ও পেশাদার সাংবাদিকেরা। পাশাপাশি বিরক্ত হচ্ছেন প্রশাসনের লোকজন। তবে এসব প্রতারকের বিরুদ্ধে তেমন কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।

সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম অভিযোগ করেন, কিছু কনটেন্ট নির্মাতা ভিউ বাড়ানোর জন্য দায়িত্বহীনভাবে তথ্য প্রচার করছেন। তাঁর ভাষায়, এরা অপসাংবাদিকতা করে থাকে। ভিউ বাড়ানোর জন্য এমন জঘন্য কাজ করেছে। তারা সাংবাদিকতার নীতি-নৈতিকতা জানেন না।

তিনি অভিযোগ করে জানান , মারিয়া মাহির মৃত্যুর ঘটনাকে ঘিরে প্রচারিত তথ্য নিয়ে পুলিশ বিব্রত। এছারাও মানিকগঞ্জের সিংগাইরে ২৩ বছর বয়সী এক নারীকে গণধর্ষণের অভিযোগে করা মামলায় চারজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাঁদের মধ্যে সকলেই আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে তদন্ত কর্মকর্তা সিংগের থানার পুলিশ পরিদর্শক রেজাউল করিম পিপিএম জানিয়েছেন। মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ২১ সেপ্টেম্বর রাতে বলধারা ইউনিয়নে ওই নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ২৪ সেপ্টেম্বর তিনি নিজে বাদী হয়ে সিংগাইর থানায় মামলা করেন। এ ঘটনায় অভিযোগ উঠেছে, কয়েকজন ইউটিউবার ও কনটেন্ট নির্মাতা ভুক্তভোগীর পরিচয় প্রকাশ করে ভিডিও প্রচার করেছেন। তাঁর আত্মীয়স্বজন ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের সাক্ষাৎকারও পরিচয় প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে পরিবারটি সামাজিক ও পারিবারিক সংকটে পড়েছে। সাক্ষাৎকার দেওয়া ব্যক্তিরাও হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের। যৌন সহিংসতার শিকার ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ তাঁর নিরাপত্তা ও সামাজিক মর্যাদার জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এ ধরনের ঘটনায় সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে পরিচয় গোপন রাখা এবং ব্যক্তিগত মর্যাদা রক্ষা করা জরুরি বলেও জানান এই কর্মকর্তা ।

তিনি আরো জানান , সিংগাইরের ধল্লা ইউনিয়নে শহিদুল ইসলাম (২২) নামের এক যুবককে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা হয়েছে। মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ৬ সেপ্টেম্বর রাতে পূর্ববিরোধের জেরে একদল ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাঁর ওপর হামলা চালায়। এতে তাঁর মাথা, বুক, মুখমণ্ডল ও হাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়। পরে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
অভিযোগ রয়েছে, শহিদুল চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় কয়েকজন কনটেন্ট নির্মাতা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁকে মৃত ঘোষণা করে খবর প্রচার করেন। এরপর আহতের স্বজনেরা অভিযুক্তদের বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুরে জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরবর্তী সময়ে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পাল্টা মামলাও হয়েছে।

সিংগাইরের সাহরাইল উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী মারিয়া মাহির (১৪) মৃত্যুর ঘটনাকে ঘিরেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা দাবি ছড়িয়েছে। গত ১৫ জুন বিদ্যালয় থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয় সে। ছয় দিন পর ২১ জুন চন্দননগর এলাকার একটি কবরস্থানসংলগ্ন ঝোপে গাছের ডালে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরদিন তার মা হত্যা মামলা করেন। এ মামলায় বিদ্যালয়ের শিক্ষক, সংবাদকর্মী ও শিক্ষার্থীসহ মোট নয়জন গ্রেপ্তার হন বলে জানা গেছে।

অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন কনটেন্টে মারিয়ার মৃত্যুকে শুরু থেকেই নিশ্চিত হত্যাকাণ্ড হিসেবে প্রচার করা হয়। মরদেহে অ্যাসিড নিক্ষেপ ও গোপনাঙ্গে রড ঢোকানোর মতো গুরুতর দাবিও প্রচারিত হয়েছিল বলে স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য। এসব দাবির পক্ষে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ প্রকাশ্যে এসেছে কি না, তা স্পষ্ট নয়।

অন্যদিকে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পুলিশের হাতে আসার পর আত্মহত্যার বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। ওসি মো. মাজহারুল ইসলামও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে আত্মহত্যার কথা উঠে এসেছে বলে জানিয়েছেন। তবে মারিয়ার পরিবার শুরু থেকেই হত্যার অভিযোগ করে আসছে। ইতিমধ্যে মামলায় গ্রেফতারকৃত আসামিরা সকলেই জামিনে মুক্তি পেয়েছেন এবং তাঁরা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও থানা ঘেরাওসহ আঞ্চলিক মমহাসড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালিত হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো তথ্য পরিস্থিতি উত্তপ্ত করতেই এমন ভূমিকা পালন করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

এদিকে স্থানীয় মূলধারার সাংবাদিকেরা অভিযোগ করে বলেন , সরকারি অনুষ্ঠান ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে পেশাগত মান যাচাই না করেই কিছু কনটেন্ট নির্মাতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। সিংগাইরের এই তিনটি ঘটনা ডিজিটাল মাধ্যমে সংবাদ প্রচারের দায়িত্বশীলতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। মোবাইল ফোন বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে সংবাদ পরিবেশন করাই সমস্যা নয়; মূল উদ্বেগ হলো যাচাইহীন তথ্য প্রচার, ভুক্তভোগীর পরিচয় প্রকাশ এবং গুজবের মাধ্যমে জনমনে উত্তেজনা সৃষ্টি। ভিউ বাড়ানোর প্রতিযোগিতায় একটি ভুল তথ্যও মানুষের সম্মানহানি, পারিবারিক বিপর্যয় কিংবা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণ হতে পারে বলেও দাবি করেন স্থানীয় সাংবাদিকেরা।

নেতাকর্মীরা প্রহরীর মতো পূজামণ্ডপ পাহারা দেবে: রিজভী

দুর্গাপূজা নির্বিঘ্ন করতে বিএনপির নেতাকর্মীরা সেচ্ছাসেবী হিসেবে মণ্ডপগুলোতে কাজ করবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

শনিবার (১০ অক্টোবর) রাতে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে তিনি এ কথা জানান।
রিজভী বলেন, আসন্ন দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে কীভাবে সারাদেশে নেতাকর্মীরা সমন্বয় করে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করতে পারে, সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। দলের নেতাকর্মীদের ঘুমহীন প্রহরীর মতো দায়িত্ব পালন করতে নির্দেশনা দেওয়া হবে। এছাড়া বিএনপি থেকে কেন্দ্রীয়ভাবে পূজা পর্যবেক্ষণ কমিটি করা হয়েছে।

তিনি বলেন, এখনো দেশের মধ্যে সরকারের বিরুদ্ধে একটি গোষ্ঠী ষড়যন্ত্র ও নীলনকশা করছে।
এসময় স্থানীয় সরকার নির্বাচন, ছাত্রদলের কমিটি ও জাতীয় কাউন্সিল নিয়ে জানতে চাইলে রিজভী জানান, এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

এর আগে, সন্ধ্যা সারে ছয়টায় শুরু হয় বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক। এতে সভাপতিত্ব করেন দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

ককরোচ জনতা পার্টি কী, কেন বিক্ষোভ করছে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ভারতে ইন্টারনেটের একটি কৌতুক থেকে শুরু হওয়া ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) এখন বড় ধরনের প্রতিবাদী আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। চলতি বছরের মে মাসে যাত্রা করা সংগঠনটি আজ শনিবার (১০ অক্টোবর) প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছে।

ককরোচ জনতা পার্টি কোনো আনুষ্ঠানিক রাজনৈতিক দল নয়। ইন্টারনেটে একটি কৌতুক হিসেবে এর যাত্রা শুরু হলেও এটি ভারতে গণআন্দোলনে রূপ নিয়েছে।

ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের একটি মন্তব্য থেকে সংগঠনটির নামের উৎপত্তি। চলতি বছরের মে মাসে তিনি কর্মহীন কিছু তরুণকে তেলাপোকার সঙ্গে তুলনা করেন। তার সেই মন্তব্যের জেরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে।

প্রধান বিচারপতির মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় অভিজিৎ দীপকে নামে এক তরুণ লেখেন, ‘সব তেলাপোকা যদি একজোট হয়, তাহলে কী হবে?’

৩০ বছর বয়সি ভারতীয় তরুণ অভিজিৎ দীপকে সে সময় যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনে পড়াশোনা করছিলেন। এক সময় তিনি দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টির (এএপি) সঙ্গে কাজ করতেন।

দীপকের সেই পোস্ট দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এর মধ্যদিয়ে শুরু হয় ব্যঙ্গাত্মক আন্দোলন ককরোচ জনতা পার্টি, যা পরে বড় প্রতিবাদী উদ্যোগে রূপ নেয়।

আন্দোলন নিয়ে সরকার এত উদ্বিগ্ন কেন?

অনলাইনে দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জনের পাশাপাশি বাস্তবেও মানুষকে সংগঠিত করার ক্ষমতা দেখিয়েছে সিজেপি। যাত্রার শুরুর পরই সংগঠনটির উদ্যোগে টানা পাঁচ সপ্তাহের একটি আন্দোলন হয়। ওই আন্দোলনের পর তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেন।

এই সাফল্যের পর গোষ্ঠীটির কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমর্থকদের সংগঠিত করে রাস্তায় নামানোর ক্ষমতাই তাদের আলোচনায় নিয়ে এসেছে।

আবার কেন বিক্ষোভ?

এবারের আন্দোলনের মূল দাবি ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ। তার নেতৃত্বে ভারতের নির্বাচন কমিশন ভোটার তালিকা হালনাগাদ করছে।

কমিশনের ভাষ্য, মৃত, একাধিকবার তালিকাভুক্ত এবং ভোটার হওয়ার অযোগ্য ব্যক্তিদের বাদ দিতে এটা নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ। তবে লাখ লাখ মানুষের অভিযোগ, সংশোধনের পর ভোটার তালিকায় তাদের নাম আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

ককরোচ জনতা পার্টি ও বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দল ভারতীয় জনতা পার্টিকে (বিজেপি) নির্বাচনী সুবিধা পাইয়ে দেওয়া হচ্ছে। তবে বিজেপি ও নির্বাচন কমিশন উভয়ই এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

সিইসির পদত্যাগ দাবিতে বেশ কিছুদিন ধরে তীব্র আন্দোলন চলছে। জেন-জি নেতৃত্বাধীন সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টি তথা সিজেপির সঙ্গে প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দল ও ছাত্র সংগঠনগুলো এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছে। ফলে এই আন্দোলনকে নতুন মাত্রা পেয়েছে।

গত কয়েকদিনের ধারাবাহিকতায় আজ শনিবার (১০ অক্টোবর) দিল্লির যন্তর মন্তরে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ‘ক্যাম্পেইন ফর জুডিশিয়াল প্রোটেস্ট’ নামে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দেয়া হয়।

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা

সাভার পূর্ব শাহীবাগ কাশেমীনগর এলাকায় সাত বছরের মাদ্রাসা শিশু শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগ’ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে (ভিডিও)

সাভারে সাত বছরের এক মাদ্রাসা শিশু শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এঘটনায় শিশুটি মানুষিক ও শারীরিক অসুস্থ হয়ে বেশ কয়েকদিন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থেকে সম্প্রতি বাসায় ফিরেছেন। বাসায় ফিরলেও শিশুটি চরম আতঙ্কে রয়েছেন।

সাভার পৌর এলাকার পূর্ব শাহীবাগ কাশেমীনগর মারকাযুল উলুম আশ-শরইয়্যাহর মাদ্রাসায় এঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগীর শিশুটির পরিবার জানায়,সাত বছরের ওই শিশুটি ওই মাদ্রাসায় পড়াশুনা করছিলেন। কিন্তু ছয়মাস ধরে শিশুটিকে পর্যায় ক্রমে ভয়ভীতি ও হত্যার হুমমি ধামকি দিয়ে বলাৎকার করে আসছিলেন শিক্ষার্থী রাফি,সায়েম ও মাদ্রাসার শিক্ষক হাফেজ মাওলানা জাবের।

পরে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে বলাৎকারের বিষয়টি তার বাবা মাকে খুলে বললে তারা মাদ্রাসায় গিয়ে প্রতিবাদ করলে মাদ্রাসা কতৃপক্ষ উল্টো তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। পরে শিশুটির পরিবার সম্প্রতি সাভার মডেল থানায় দশ জনের নাম উল্লেখ করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন। এঘটনায় পুলিশ এখন পর্যন্ত কোন আসামীকে আটক করতে পারেনি।

শিশুটিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দিয়ে বাসায় নিয়ে আসা হয়েছে। শিশুটির পরিবার এঘটনায় দোষীদের সর্বাত্মক শাস্তি দাবি করেছেন।

এবিষয়ে সাভার মডেল থানার ওসি সাইফুল আলম বলেন,মামলার আসামীদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

সাভারে এক যুবককে কুপিয়ে আহত করে ‘পুরুষাঙ্গ কেটে দিয়ে নিয়ে গেছে দুর্বৃওরা (ভিডিও)

 

পূর্ব শক্রতুার জের ধরে সাভারে এক যুবককে কুপিয়ে পুরুষাঙ্গ কেটে দিয়ে নিয়ে গেছে দুর্বৃওরা। গতকাল রাত ১ টার দিকে সাভার পৌর এলাকার বক্তারপুর মহল্লায় এঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ভুক্তভোগী যুবকের নাম আহসান উল্লাহ (৪২)।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়,গতকাল রাত ১ টার দিকে বাড়ির সামনে ওই যুবককে কুপিয়ে পুরুষাঙ্গ কেটে নিয়ে যায় দুর্বৃওরা। পরে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য সাভারের এনাম মেডিক্যাল কলেজ এন্ড হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র আইসিইউতে ভর্তি করা হয়।

তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

এবিষয়ে সাভার মডেল থানার ওসি সাইফুল আলম বলেন,এঘটনায় অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সিংগাইরে বিভাগীয় কমিশনারের পরিদর্শন,বৃক্ষরোপণ ও ভিক্ষুকদের ভাতা কার্ড প্রধান “

আবুল কালাম আজাদ (বিপ্লব): প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের লক্ষে পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গ্রহণের অংশ হিসেব একটি গাছ একটি প্রাণ, বৃক্ষরোপণ করি, সবুজ বাংলাদেশ গড়ি এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে মানিকগঞ্জের সিংগাইরে ​বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদযাপিত হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) সকালে সিংগাইর উপজেলা হলরুমের সামনে ও উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে বকুল ফুলের বৃক্ষরোপনের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

এরপর তিনি জয়মন্টপ ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গনে বৃক্ষরোপণ ও শিক্ষক ও ছাত্রদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করা শেষে তিনি জয়মন্টপ ভূমি অফিস প্রাঙ্গণে গাছের চারা রোপণকালে বেশ কয়েকজন ভুক্তভোগীর অভিযোগ ভূমি অফিসের নায়েক মো: কামরুল ইসলাম কে সাময়িকভাবে দরখাস্ত করেন।

এরপর তিনি ইউনিয়নের রায় দক্ষিণ এলাকায় উপজেলার ভিক্ষুকদের পূর্নবাসন করা লক্ষ্যে একজনকে দোকান উপহার ও বেশ কয়েকজন-কে ভাতা আইডি কার্ড বিতরণ করেন।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠানে ​প্রধান ছিলেন, ঢাকা মান্যবর বিভাগীয় কমিশনার মোঃ মনিরুজ্জামান মিঞা, বিশেষ অতিথি ছিলেন মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা। এ সময় কর্মসূচিতে আরো উপস্থিত ছিলেন, সিংগাইর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাইরুন্নাহার, উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা হাবেল উদ্দিন, উপজেলা বন কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, সিংগাইর থানা অফিসার ইনচার্জ মাজহারুল ইসলাম,উপজেলা বাস্ত্বায়ন কমকর্তা মো: শাহিন, পল্লী ডি,জি,এম গোলাম রাব্বানী সহ উপজেলার সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

বক্তব্যকালীন সময়ে প্রধান অতিথি  বিভাগীয় কমিশনার মোঃ মনিরুজ্জামান মিঞা বলেন,প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকার বাস্তবায়নের লক্ষে আমরা বিভিন্ন স্থানে বৃক্ষরোপন করছি। আমাদের এমন বৃক্ষরোপণ অব্যাহত থাকবে। এছাড়াও জয়মন্টপ ইউনিয়নের নায়েবকে অভিযোগের ভিত্তিতে সাময়িকভাবে দায়িত্ব থেকে সরানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

ভাইকে হত্যা করতে ৩ হাজার টাকায় খুনি ভাড়া করেন বারেক

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে চাঞ্চল্যকর ফারুক শেখ (৪৬) হত্যা মামলার রহস্য ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী নিহতের আপন ছোট ভাই বারেক শেখসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দুটি রক্তমাখা ধারালো দা, রক্তমাখা পোশাক, মোবাইল ফোন ও মাস্ক উদ্ধার করা হয়েছে।

রোববার (২৩ আগস্ট) বিকেল ৫টায় পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. শামসুল হক।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- গোয়ালন্দ পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কেউটিল জামতলা এলাকার মো. খালেক শেখের ছেলে ও নিহত ফারুকের ছোট ভাই মো. বারেক শেখ (৪৪), দৌলতদিয়া ৬ নম্বর ওয়ার্ডের হোসেন মন্ডলপাড়ার ওয়াজেদ সরদারের ছেলে মো. আলমগীর হোসেন ওরফে আলম (২৬) ও একই এলাকার মো. বাবু শেখের ছেলে মো. রুবেল শেখ (৩০)।

নিহত ফারুক শেখ গোয়ালন্দ পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের জামতলা এলাকার খালেক শেখের ছেলে।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ জানায়, গত ২২ আগস্ট দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিট থেকে ২টার মধ্যে গোয়ালন্দঘাট থানার জামতলা এলাকায় নিজ বসতঘরে ফারুক শেখকে অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলাকেটে ও কুপিয়ে হত্যা করে। এ ঘটনায় নিহতের বাবা মো. খালেক শেখ (৭০) বাদী হয়ে ওই দিনই গোয়ালন্দঘাট থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলার পর গোয়ালন্দঘাট থানা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) একটি চৌকস দল তদন্ত শুরু করে। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নিহতের ছোট ভাই বারেক শেখকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পারে, পারিবারিক কলহ, জীবদ্দশায় মাকে মারধর এবং ফারুকের টাকা-পয়সা ও সম্পত্তি আত্মসাতের উদ্দেশ্যে বারেক শেখ হত্যার পরিকল্পনা করেন। পরিকল্পনা বাস্তবায়নে তিনি দৌলতদিয়া এলাকার সহকর্মী মো. আলমগীর হোসেন ও মো. রুবেল শেখকে ৩ হাজার টাকার বিনিময়ে ভাড়াটে হিসেবে নিয়োগ করেন।

পুলিশের দাবি, পরিকল্পনা অনুযায়ী ২২ আগস্ট দুপুরে আলমগীর ও রুবেল বারেক শেখের বাড়িতে গেলে তিনি আগে থেকে সংগ্রহ করা দুটি ধারালো দা তাদের হাতে তুলে দেন এবং নিজে অন্যত্র চলে যান। পরে আলমগীর ও রুবেল ঘরে ঢুকে ঘুমন্ত ফারুক শেখকে কুপিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যান। পরে বারেক শেখের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে গোয়ালন্দঘাট থানার দৌলতদিয়ার হোসেন মন্ডলপাড়া ৬ নম্বর ওয়ার্ডের নিজ নিজ বাড়ি থেকে মো. আলমগীর হোসেন ও মো. রুবেল শেখকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত রুবেল ও আলমগীরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ঘটনাস্থলের পাশের একটি ময়লার স্তূপ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দুটি রক্তমাখা ধারালো দা উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও রক্তমাখা গেঞ্জি-প্যান্ট, ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও মাস্ক উদ্ধার করা হয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শামসুল হক জানান, এ ঘটনায় গ্রেফতার তিন আসামিকেই বিজ্ঞ আদালতে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার জন্য পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আরও কেউ সংশ্লিষ্ট আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. শাহিদুল ইসলাম, সহকারী পুলিশ সুপার মো. শহিদুল ইসলাম, ডিআইও-১ মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সফিকুল ইসলাম, জেলা গোয়েন্দা শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.মফিজুল ইসলামসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সিংগাইরে দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণে মোবাইল কোর্ট : তিন হাজার মিটার অবৈধ জাল ধ্বংস

মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার জামির্ত্তা ইউনিয়ন এলাকায় ধলেম্বরী নদী ও তার শাখা নদীতে অবৈধভাবে মাছ শিকারের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত করেন সিংগাইর উপজেলা প্রসাশন।
নদীর জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণের বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) প্রায় তিন হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দ করে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল ১১:৩০ টা থেকে বিকাল ৪:৩০ টা পর্যন্ত প্রায় ৫ ঘন্টা এ অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় নদী থেকে ৫০ টি চায়না জাল ও ৪০ টি বেহুন্দি ও ৫ শত মিটার কারেন্ট জাল মোট প্রায় তিন হাজার মিটার অবৈধ জাল উদ্ধার করা হয়। অভিযান শেষে জনসমক্ষে জব্দকৃত এসব জাল আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়।

সিংগাইর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ হাবেল উদ্দিন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিত থেকে এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ফরমান আলী, চান্দহর ইউনিয়নের এন,ই,টি,লিভ মো: ফুতুন মিয়া পুতুন, প্রশাসন ও মৎস্য দপ্তরের অন্যান্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সহ শফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে অসংখ্য পুলিশ সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

অভিযান শেষে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নদীর প্রাকৃতিক পরিবেশ ও মৎস্য প্রজাতির প্রজনন নিরাপদ রাখতে এবং যে কোনো ধরনের অবৈধ মৎস্য আহরণ চিরতরে বন্ধ করতে এ ধরনের কঠোর অভিযান ভবিষ্যতেও নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।

হাসনিার রাজনীততিে ফরোর ইচ্ছা ‘মামার বাড়রি আবদার : রুহুল কবরি রজিভী

আওয়ামী লীগ সভানত্রেী শখে হাসনিার ভারতে বসে রাজনতৈকি সংবাদ সম্মলেন করা এবং দশেে ফরিে রাজনীতি করার ঘোষণাকে ‘মামার বাড়রি আবদার’ ও ‘ধৃষ্টতা’ বলে মন্তব্য করছেনে বএিনপরি সনিয়ির যুগ্ম মহাসচবি ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনতৈকি উপদষ্টো রুহুল কবরি রজিভী।

তনিি বলছেনে, হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করার পর এই ধরনরে বক্তব্য জনগণ মনেে নবেে না। জনগণ গুম ও খুনরে বচিার দখেতে চায়।

বৃহস্পতবিার (১৩ আগস্ট) বকিলেে রাজধানীর পল্লবীতে বএিনপরি প্রয়াত ক্রীড়াসংগঠক আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মর্বাষকিী উপলক্ষে আয়োজতি আলোচনা সভা ও দোয়ার অনুষ্ঠানে প্রধান অতথিরি বক্তব্যে তনিি এ কথা বলনে।

র্বতমান সরকারকে ন্যায়-নষ্ঠিার ওপর দাঁড়ানো সরকার উল্লখে করে রুহুল কবরি রজিভী বলনে, ‘বগিত দনিে যারা গুম করছে,ে খুন করছে,ে তাদরে বচিার দখেতে চায় দশেরে সাধারণ মানুষ। শখে হাসনিার বচিার অবশ্যই বাস্তবায়ন হতে হব।ে যনিি এত মানুষকে হত্যা করছেনে, তনিি আবার বদিশেে বসে প্রসে কনফারন্সে করে বলছনে ডসিম্বেরে ফরিে আসবনে, রাজনীতি করবনে। এটা যনে মামার বাড়রি আবদার।’

রজিভী আরও বলনে, ‘যারা শখে হাসনিাকে আশ্রয় দয়িছেনে, তারা মূলত তাকে দয়িে নজিদেরে র্স্বাথ হাসলি করতে চান। শখে হাসনিা ও তার দল জয়িা পরবিারকে ধ্বংস করতে চয়েছেলি।’

অনুষ্ঠানে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্মৃতচিারণা করে রজিভী বলনে, ‘আরাফাত রহমান কোকো রাজনীতি করতনে না, তনিি ছলিনে একজন ক্রীড়াসংগঠক। কন্তিু তার মৃত্যু স্বাভাবকি ছলি না। মায়রে ওপর হওয়া অত্যাচার ও নর্যিাতন তনিি সহ্য করতে পারনেন।ি’

একই অনুষ্ঠানে বক্তব্য দনে যুব ও ক্রীড়া প্রতমিন্ত্রী আমনিুল হক। তনিি বলনে, গত ১৭ বছরে বএিনপরি প্রতটিি নতোর্কমী অমানুষকি নর্যিাতনরে শকিার হয়ছেনে। তবে এত কছিুর পরও বএিনপরি চয়োরম্যান তারকে রহমান কোনো প্রতহিংিসার রাজনীতি চান না, তনিি দশেরে মানুষকে সঙ্গে নয়িে সুবচিাররে রাজনীতি প্রতষ্ঠিা করতে চান।

অনুষ্ঠানে পল্লবী ও রূপনগর থানা বএিনপি এবং অঙ্গসংগঠনরে বপিুলসংখ্যক নতোর্কমী উপস্থতি ছলিনে।

সিংগাইরে গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও পরিকল্পনা বিষয়ক কর্মশালা

স্টাফ রিপোর্টার : স্থানীয় পর্যায়ে সহজ, দ্রুত ও স্বল্প ব্যয়ে বিচারপ্রাপ্তি নিশ্চিত করা এবং গ্রাম আদালতের সেবা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলায় সম্মনিত পরিকল্পনা প্রণয়ন বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকালে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়। স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীনে বাস্তবায়নাধীন ‘বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়)’ প্রকল্পের কর্মসূচিটি পরিচালিত হয়।

ক্যাম্পেইনে ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং রাজনৈতিক অঙ্গনের ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে গ্রাম আদালতের কার্যক্রম, বিচারপ্রক্রিয়া, এখতিয়ার, সুবিধা এবং স্থানীয় পর্যায়ে বিরোধ নিষ্পত্তিতে এর কার্যকর ভূমিকা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

বক্তারা জানান, “অল্প সময়ে, স্বল্প খরচে সঠিক বিচার পেতে চলো যাই গ্রাম আদালতে”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গ্রাম আদালতের কার্যক্রমকে আরও জনপ্রিয় ও কার্যকর করতে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি এবং সাধারণ জনগণের সম্মিলিত সহযোগিতা প্রয়োজন।
“গ্রাম আদালত সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় ন্যায়বিচার পৌঁছে দেওয়ার একটি কার্যকর ব্যবস্থা। আদালতের দীর্ঘসূত্রতা ও ব্যয়বহুল প্রক্রিয়া এড়িয়ে ছোটখাটো বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে এটি সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। জনগণ এই সেবা গ্রহণে এগিয়ে এলে স্থানীয় পর্যায়ে বিরোধ কমবে এবং শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় থাকবে।”

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাইরুন নাহার, আরো উপস্থিত ছিলেন, গ্রাম্য আদালতের মানিকগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি জহির উদ্দিন, উপজেলা কর্মকর্তা হাবেল উদ্দিন, (ওসি) তদন্ত আ: রাজ্জাক, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রেশমা আক্তার, সমাজসেবা কর্মকর্তা রওশন আলী মন্ডল সহ আরো অনেকেই।

সর্বশেষ আপডেট...