30 C
Dhaka, BD
বৃহস্পতিবার, জুলাই ১৮, ২০২৪

ঠাকুরগাঁওয়ে সড়কে রাতে ঢালাই সকালেই উঠে গেছে কার্পেটিং

হুমায়ুন কবির,ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ে পীরগঞ্জ উপজেলায় এলাকাবাসীর বাঁধা-নিষেধ উপেক্ষা করে তড়িঘড়ি করে রাতের আঁধারে রাস্তার কাজ কার্পেটিং করার অভিযোগ উঠেছে এক ঠিকাদারের বিরুদ্ধে। দায়সারা ভাবে কাজ করায় পরদিন সকালে থেকে জুতার সঙ্গে উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং। এ নিয়ে অভিযোগ করার পরও প্রতিকার পাচ্ছেন না এলাকাবাসী। ফলে দুর্ভোগের শিকার হয়েছেন যানবাহন ও পথচারীরা। আর বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলীর সঙ্গে কথা বলতে গেলেই তিনি রেগে যান বলে জানান এলাকাবাসী।

ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় লোকজন একাধিকার উপজেলা প্রকৌশলী মাইদুল ইসলামকে জানালেও তিনি কোন ব্যবস্থা নেয়নি। অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীর যোগসাজশে কাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। ধূলামিশ্রিত পাথর ব্যবহারের সময় স্থানীয়রা প্রতিবাদ করলেও তা মানা হয়নি। তবে কাজ শেষে বিল পাইয়ে দেওয়ার জন্য প্রকৌশলীরাই সহযোগিতা করেছেন। জানা গেছে, ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার চন্ডিপুর থেকে বাঘমারা পাকা সড়কের বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে যাওয়ায় সেই রাস্তা সংস্কারের উদ্যোগ নেয় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। প্রায় ২০ লাখ টাকায় ওই রাস্তার ১ হাজার মিটার অংশ ১৫ মিলিমিটার সিলকোড কার্পেটিং করার কাজ পায় ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার আব্দুস সামাদ নামে এক ঠিকাদার। নিয়ম না মেনে এলজিইডিসহ বাস্তবায়নকারী দপ্তরকে ম্যানেজ করে এবং এলাকাবাসীর বাধাঁ উপেক্ষা করে গত ২৯ জুন রাতের বেলায় বৃষ্টির মাঝে সেই রাস্তায় কার্পেটিং এর কাজ করেন ঠিকাদারের লোক জন।

পরদিন সকালে এলাকার লোক জন সেই রাস্তা দিয়ে হাটলে জুতার সাথে উঠে আসে সিল কোড করা নতুন কার্পেটিং। বিষয়টি জানিয়ে অভিযোগ করা হয় উপজেলা প্রকৌশলীর কাছে। অভিযোগের এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও ব্যবস্থা নেয়নি কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় লোকজন একাধিকার উপজেলা প্রকৌশলী মাইদুল ইসলামকে জানালেও তিনি কোন ব্যবস্থা নেয়নি। লোকজন রাস্তা দিয়ে হাঁটলে জুতার সঙ্গে উঠে আসে ওই সড়কের কার্পেটিং। স্থানীয়দের অভিযোগ, ঠিকাদারের লোকজন স্থানীয়দের বাঁধা উপেক্ষা করে রাতের আঁধারে রাস্তায় নিম্নমানের পিচের কার্পেটিংয়ের কাজ করেছে। যা হাত দিয়ে টান দিলে বা পা দিয়ে ঘষা দিলেই উঠে যাচ্ছে। এতে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন এলাকাবাসীরা ।

স্থানীয় রায়হান নামে এক যুবক বলেন, এই রাস্তার কাজে শুরু থেকেই ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়ে আসছে। রাস্তার কার্পেটিংয়ে নিম্নমানের বিটুমিন ব্যবহার করা হয়েছে। যে কারণে হাত দিলেই কার্পেটিং উঠে যাচ্ছে। আমরা এলাকার লোকজন ঠিকাদারকে ভালোভাবে কাজ করতে বললে তিনি কোনো কথা শোনেননি।পথচারী লিমন হোসেন বলেন, কোনো গাড়ি এসে ব্রেক করলে রাস্তার কার্পেটিং উঠে যাচ্ছে। আমরা চাই, ভালোভাবে এই রাস্তার কাজ আবাও করা হোক। যাতে রাস্তাটি দীর্ঘস্থায়ী হয়। তিনি আরও বলেন,ঠিকাদার দায়সারা ভাবে রাস্তার কাজ করে শান্তির বদলে এলাকায় দুর্ভোগ বাড়িয়ে দিয়েছে।
ক্ষোভ প্রকাশ করে এক বৃদ্ধ বলেন, সরকার এতো টাকা খরচ করে রাস্তা করেছে, সেখানে এলজিইডি ও ঠিকাদারের দুর্নীর্তির কারণে সব টাকা এখন পানিতে । হাত দিয়ে রাস্তার কার্পেট তুলা যাচ্ছে, এ পথ দিয়ে ভারি যানবাহন কিভাবে যাবে। সরকার রাস্তা করতে কি কম টাকা দেয়? এলজিইডি- ঠিকাদারের জন্য সরকারের বদনাম। নিম্নমানের পাথর, ইট, বালু, খোয়া ব্যবহার করে রাস্তা চলাচলের অনুপযোগী করে ঠিকাদার চলে গেছে। আয়মরা এই অনিয়মের বিচার চাই। বাঁধা দিলেও তারা শোনেননি। পরের দিন দেখা যায় জুতার সঙ্গে কার্পেটিং উঠে যাচ্ছে।

বাঘমারা গ্রামের মুক্তারুল, পলাশ, লায়লী বেগম সহ বেশ কয়েকজন জানান, রাতে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হচ্ছিল। এ সময় ঠিকাদারের লোক জন রাস্তার কাজ করে। এলাকার দু-একজন রাতের বেলা কাজ করতে বাঁধা দিলেও তারা শোনেননি। পরের দিন দেখা যায় জুতার সাথে কার্পেটিং উঠে যাচ্ছে। গত কয়েক দিনে রাস্তার বেশির কার্পেটিং উঠে গেছে। উপজেলা চেয়ারম্যান ও ইঞ্জিনিয়ারের কাছে অভিযোগ করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোন প্রতিকার পাওয়া যাচ্ছে না।

গত কয়েকদিনে রাস্তার বেশির ভাগ কার্পেটিং উঠে গেছে। উপজেলা প্রকৌশলীর কাছে অভিযোগ করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিকার পাওয়া যাচ্ছে না। এ ব্যাপারে অভিযোগের বিষয়টি অস্বীকার করে ঠিকাদার আব্দুস সামাদ বলেন, কোন সমস্যা হলে এলজিইডির সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী কাজ করা হবে। এবিষয়ে জানতে চাইলে পীরগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী মাইদুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থল পরির্দশন করে দেখার পর বলা যাবে কি হয়েছে। পরবর্তিতে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে পীরগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান আখতারুল ইসলাম বলেন, তার কাছে এলাকাবাসী ওই সড়কের সংস্কারকাজ টিকসই হয়নি বলে অভিযোগ করেন। এ অভিযোগ বিষয়ে ঠিকাদার আব্দুস সামাদ বলেন, কোনো সমস্যা হলে এলজিইডির সঙ্গে কথা বলে কাজ ঠিকঠাক করে দেব।

এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মামুন বিশ্বাস জানান, আমরা চেষ্টা করি ভালভাবে কাজ বাস্তবায়ন করে নেয়ার। এলাকার মানুষ অভিযোগ করে ছিল। তখন কাজ ভালই হচ্ছিল। এখন কেন কার্পেটিং উঠে যাচ্ছে খতিয়ে দেখা হবে।

কোটা আন্দোলনের ওপর ভর করেছে বিএনপি:ওবায়দুল কাদের

oppo_0

বিএনপি কোটাবিরোধী আন্দোলনের ওপর ভর করেছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

বুধবার (৩রা) জুলাই বিকেলে সাভারের তেঁতুলঝাড়া ইউনিয়নের হেমায়েতপুর বাস স্ট্যান্ডে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৫ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী (প্লাটিনাম জয়ন্তী) উপলক্ষে সমাবেশে বক্তব্যকালে তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের আরো, ‘কোটাবিরোধী আন্দোলন গতবার ছিল, এখনও রয়েছে। বিএনপি এই আন্দোলনের ওপর ভর করেছে। কিন্তু পরের কাঁধে ভর দিয়ে আন্দোলন করে জয়ী হওয়া যায় না। খালেদা জিয়া ৩ হাজার পিস জামদানি শাড়ি দিয়ে এসে জানায় গঙ্গা চুক্তির কথা বলতে ভুলে গেছেন। কোন মুখে বিএনপি নেতারা এখন তিস্তার কথা বলেন?’

এসময় ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি,বীর মুক্তিযোদ্ধা বেনজির আহমদ এমপির সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন- প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এমপি,বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য,অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম এমপি।আশুলিয়া থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা-১৯ আসনের এমপি মোঃ সাইফুল ইসলাম । সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, মঞ্জুরুল আলম রাজীব।

ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফখরুল আলম সমর। ঢাকা ১৯ এর সাবেক এমপি ডাক্তার এনামুর রহমান ।

আলোচনা সভায় সঞ্চালনায় ছিলেন, ঢাকা জেলার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুণ।

অসহনীয় লোডশেডিং থেকে মুক্তির দাবিতে ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে মানববন্ধন

হুমায়ুন কবির,ঠাকুরগাঁও-ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলায় অসহনীয় লোডশেডিং ও পল্লী বিদ্যুতের ভেলকিবাজির প্রতিবাদে লোডশেডিং থেকে রেহাই পাওয়ার দাবিতে মানববন্ধন করা হয়েছে।

এলাবাসির ব্যানারে সোমবার (১ জুলাই) সকালে পীরগঞ্জ পৌর শহরের পূর্ব চৌরাস্তায় এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।প্রায় ঘণ্টাব্যাপী মানবন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আনন্দ মোহন রায়, উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান ইত্তেশাম উল হক মিম,উপজেলা জাসদের সভাপতি সলেমান আলী, উপজেলা কমিউনিষ্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক গোলাম মুর্তাজা, প্রেসক্লাবের সভাপতি জয়নাল আবেদিন বাবুল, সাধারণ সম্পাদক নসরতে খোদা রানা, উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীস্টান ঐক্য পরিষদের সহ সভাপতি বিষ্ণুপদ রায়, পীরগঞ্জ অন লাইন জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি বাদল হোসেন, সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা আকতার বানু, সাংবাদক নুরনবী রানা,পল্লী বিদ্যুতের প্রাহক সরকার আলমগীর,কলেজ শিক্ষার্থী মো: শাহিনসহ অনেকে।

মানববন্ধনে বত্তারা অবিলম্বে বিদ্যুতের লোডশেডিং সহনীয় পর্যায়ে আনা না হলে বৃহত্তর আন্দোলন কর্মসূচীর ডাক দেয়া হবে বলে হুশিয়ারী দেন।

প্রসঙ্গত: বর্তমানে পীরগঞ্জ উপজেলার গ্রাম-গঞ্জে প্রতিদিন ১৫ থেকে ১৮ ঘণ্টা লোডশেডিং হচ্ছে। এতে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষ। দূর্বিষহ জীবন যাপন করছে ছাত্র,শিশু বয়স্করাসহ সকল শ্রণি পেশার মানুষ।

সাভারের হেমায়েতপুর রাতের আধাঁরে প্রাচীর ভেঙ্গে বালু ভরাটসহ স্থাপনা নির্মানের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাভারে রাতের আঁধারে প্রায় ৪০ বছর ধরে ভোগদখলে থাকা ব্যক্তি মালিকাধীন জমির সীমান প্রাচীর ভাংচুর করে ভালু ভরাটসহ স্থাপনা নির্মানের অভিযোগ উঠেছে নুরানী কনসট্রাকশন নামক একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। এঘটনায় প্রতিকার চেয়ে ভুক্তভোগী জমির মালিক মহামান্য সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে রিট পিটিশন (১৫৪৩৮/২০২২) দায়েরসহ সাভার মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করলেও বন্ধ হয়নি নির্মান কাজ।

তাই বিষয়টি সম্পর্কে সরকারের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা।

সরেজমিনে সাভারের হেমায়েতপুর এলাকার বিলামালিয়া মৌজায় অবস্থিত ওই জমিতে গিয়ে দেখা যায়, ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক লাগোয়া জমিতে ঢুকতেই তিতাস গ্যাসের বাণিজ্যিক মিটারসহ দুটি গ্যাস সংযোগ রয়েছে। যেখানে বেশ কয়েক বছর আগে রাবার রোল ইন্ড্রাস্টিজ ছিলো।
অভিযোগ উঠেছে রাতের আধাঁরে জমিটির সীমানা প্রাচীর ভাংচুর করে আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে দুই একর জমিতে বালু ভরাট করে স্থাপনা নির্মান কাজ চলমান রেখেছে নুরানী কনস্ট্রাকশন কোম্পানি। প্রায় শতাধিক শ্রমিক-কর্মচারী দিয়ে দিনে-রাতে সমানে তরিঘরি করে এই নির্মানকাজ চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ জমির মালিকদের।

জমির মালিক হাজী সাজ্জাদ হোসেন রাজধানী টেলিভিশনকে জানান, প্রায় ৪০ বছরের অধিক সময় ধরে ক্রয় সুত্রে মালিক হয়ে ভোগদখলে থাকা অবস্থায় হঠাৎ রাতের আধাঁরে সীমানা প্রাচীর ভাংচুর করে দুই একর জমিতে বালু ভরাট করে একটি চক্র। এঘটনায় আমারা মহামান্য সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে রিট পিটিশন (১৫৪৩৮/২০২২) দায়ের করেছি।

কিন্তু চক্রটি আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে জোরপূর্চক নির্মান কাজ চালাচ্ছে। এঘটনায় আমরা সাভার মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করলেও পুলিশ কোন ব্যবস্থা নেয়নি। বরং আগের চেয়ে অধিক লোকবল নিয়ে দিনে-রাতে সমানে কাজ করে যাচ্ছে নুরানাী কনস্ট্রাকশন। বালু ভরাটের সময় আমরা তাদের বাঁধা প্রদান করেছি। কিন্তু তারা আমাদের বাঁধা অমান্য করে কাজ করছে।

জোরপূর্বক কাজ করার অভিযোগের বিষে জানত চাইলে নুরানী কনস্ট্রাকশনের সাইট ম্যানেজার খোরশেদ আলম খোকন বলেন, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর আমাদের কাজ করার ওয়ার্ক অর্ডার দিয়েছে। আমরা সেই অনুযায়ী এখানে ভবন নির্মানের কাজ করছি। জমিটি নিয়ে আদালতের রিট হলেও আমাদেরকে কাজ করতে বলেছে ইঞ্জিনিয়ার সবুজ। আইনের উর্দ্ধে কেউ না। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর আমাদের কাজ বন্ধ করতে বললে আমরা কাজ বন্ধ রাখবো।

নির্মান কাজের দায়িত্বে থাকা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকৌশলী সবুজ বলেন, ডিসি অফিস থেকে পিডি অফিসে জমিটিতে স্কুল নির্মানের জন্য বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। পিডি অফিস এসে আমাদেরকে জমিটি মৌখিকভাবে বুঝিয়ে দেয়ার পর আমার নির্মান কাজ শুরুর জন্য ঠিকাদার নিয়োগ করি। এটা কার জমি, কিভাবে একর করা হয়েছে, জমিতে কোন রিট এবং মামলা রয়েছে কিনা সেটা আমাদের জানা নাই। এবিষয়ে কেউ আমারদের সাথে যোগাযোগও করেনি। জমি নিয়ে যদি কোন সমস্যা থাকে তাহলে ডিসি অফিসে কথা বলেন।

এব্যাপারে জানতে অতিরিক্ত ঢাকা জেলা প্রশাসক (এল.এ) পারভেজ চৌধুরীর মুঠোফোনে কল করা হলে তিনি বলেন, আমি একটি মিটিংয়ে আছি। কখন কল করলে কথা বলা যাবে জানতে চাইলে তিনি কিছু না বলে লাইন কেটে দেন। পরবর্তীতে আবারও চেষ্টা করা হলে তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

সাভারে খাদ্যে ভেজালকারীদের কঠোর শাস্তিসহ ভেজাল খাদ্য বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন

Oplus_0

সাভার প্রতিনিধিঃ খ্যাদ্যে ভেজাল প্রয়োগ বন্ধের দাবিতে সাভারে মানববন্ধন কর্মসূচী ও আলোচনাসভা করেছে বেসরকারি উন্নয়নমূলক সংস্থা কারিতাস। এসময় ভেজাল বিরোধী বিভিন্ন ধরনের শ্লোগান লেখা ফেস্টুন, ব্যানার ও ক্যাপ পরিধান করে মানববন্ধন কর্মসূচীতে অংশ গ্রহন করে কিশোর কিশোরী, ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, কারিতাস উদ্যম প্রকল্পর নেটওয়ার্ক ফোরাম এর সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সদস্যসহ স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ। বুধবার দুপুরে সংস্থাটির উদ্যম প্রকল্পের উদ্যোগে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের সাভার বাসস্ট্যান্ড এলাকার রাজালাখ ফার্মের সামনে খ্যাদ্যে ভেজাল প্রয়োগ বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়।

আয়োজিত মানববন্ধন থেকে বক্তারা বলেন, খাদ্যে ভেজাল দেয় যারা, জনগনের শত্রু তারা, খাদ্যে ভেজাল প্রয়োগকারীরা কখনো কারো বন্ধু হতে পারেনা। সুস্থ্য জীবন যাপনের লক্ষ্যে ভেজালমুক্ত খাদ্যের বিকল্প নাই। ভেজাল খাদ্য খেয়ে শিশু থেকে শুরু করে সকল বয়সী মানুষ নানা ধরনের অসুস্থতায় ভুগছে। ভেজাল খাদ্য প্রতিরোধে সরকারের পাশাপাশি পরিবার এবং সামাজিক ভাবে প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলার জন্য আহবান জানান।

মানববন্ধন শেষে কারিতাস উদ্যম প্রকল্প সাভার কার্যালয়ে খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধে করণীয় শীর্ষক নেটওর্য়াক ফোরামে বক্তারা বলেন, একদিকে খাদ্যদ্রব্যের মূল্য উর্ধগতি এবং অন্যদিক খাদ্যে ভেজালের কারনে মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছে। শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ সহ সকল বয়সের মানুষ রেহাই পাচ্ছে না ভেজাল খাদ্যের ছোবল থেকে। খাদ্যে ভেজাল গোটা জাতিকে নীরবে মৃত্যুর দিকে নিয়ে যাচ্ছে। এজন্য প্রশাসনকে নৈতিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে, ব্যবসায়ীদের লোভের মাত্রা কমাতে হবে। সব শ্রেণীর মানুষের লোভ ত্যাগ এবং ব্যবসায়ীদের ভালো মানসিকতাই পারে খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধ করতে। বক্তারা খাদ্যে ভেজাল বন্ধের দাবিতে মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

বক্তারা আরও বলেন, ভেজাল শব্দটাই নেতিবাচক। তা যদি খাদ্যের বেলায় হয়, তাহলে ভীতির সঞ্চার তৈরী হয়। তাই ভেজাল খাদ্য প্রতিরোধে সরকারকে আরো কঠিন অবস্থানে যেতে হবে। ভেজাল খাদ্য তৈরীতে সম্পৃক্তকারীদের কোনক্রমেই ছাড় দেওয়া যাবে না। ভেজাল রোধে দরকার ভোক্তা অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে জনসচেতনতা, প্রচার মাধ্যমের দায়িত্বশীলতা, প্রতারণামুলক বিজ্ঞাপন বন্ধ করা। উৎপাদন থেকে বিপণন পর্যন্ত সব ধাপে নজরদারি, ভেজালবিরোধী আইনের সঠিক প্রয়োগের মাধ্যমে খাদ্যে ভেজালকারীদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিতের দাবিসহ ভেজাল খাদ্য বন্ধের দাবিতে সর্বস্তরে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলার আহবান জানান।

আয়োজিত মানববন্ধন ও খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধে করণীয় শীর্ষক নেটওর্য়াক ফোরামে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাভার উজেলার সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রোকেয়া হক কারিতাস উদ্যম প্রকল্প ইনচার্জ ফরিদ আহাম্মদ খান, সুমন জন রোজারিও, সমাজ সেবক মনির হোসেন, অব্দুর রাজ্জাক, কামরুল হাসান, আবুল কালাম আজাদ, জান্নাতুল ইসলাম ফেরদৌসী প্রমুখ।

সিংগাইরে সন্ত্রাসী রাজু শেখের বিরুদ্ধে অপহরণ মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সিংগাইরে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে এক ব্যবসায়ীকে অপহরণ এবং মুক্তিপণ নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে রাজু শেখ নামের এক সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় শুক্রবার ব্যবসায়ী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাদী হয়ে পাঁচজনের নামে সিংগাইর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
আসামিরা হলেন- ঢাকার সাভারের উত্তর চাপাইন এলাকার রাজু শেখ, সিঙ্গাইরের নয়াপাড়া গ্রামের আবুল হাশেম, জসিম উদ্দিন, রাজিব হোসেন এবং শ্যামল হোসেনসহ অজ্ঞাত আরও পাঁচ থেকে ছয়জন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জমি কেনা বেচা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবেশী আব্দুর রহমান ও তার স্ত্রী প্রিয়ারজান বেগমের সঙ্গে বিরোধ চলে আসছিল এই জাকির হোসেনের।

আর সন্ত্রাসী রাজু শেখ পিয়ার জানের মেয়ের স্বামী বলে জানান স্থানীয়রা।
এর আগে, ২০২৩ সালের ১১ অক্টোবর এই সন্ত্রাসী রাজু শেখ রাতের আঁধারে ভেকু দিয়ে হামলা চালিয়ে ছিল জাকির হোসেনের ফার্নিচারের কারখানা সহ তিনটি বসত বাড়িতে, এই সময় লুটপাট সহ ঘরবাড়ি ও জাকির হোসেনের কারখানা গুঁড়িয়ে দিয়েছিলেন সন্ত্রাসীরা। এই ঘটনায় নারীসহ পাঁচজন গুরুতর আহত হয়েছিলেন।

ওই চাঞ্চল্যকর ওই ডাকাতির ঘটনায় ১২-১৪জনের নামে মামলা মামলা হয়। তাতে অনেকে গ্রেফতার হলেও এই সন্ত্রাসী রাজু শেখ কে গ্রেফতার করতে পারেননি থানা পুলিশ।

তারি বিরোধের জেরে, বৃহস্পতিবার সিংগাইরের ভূমদক্ষিণ এলাকা থেকে জাকিরকে কৌশলে জোরপূর্বক প্রাইভেট কারে তুলে নিয়ে যান আসামিরা। অপহরণকারীরা তাকে প্রাইভেটকারে করে ঢাকার অদূরে আশুলিয়ার একটি অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে আটকে রেখে বেদম মারধর করেন। এ সময় সন্ত্রাসী অপহরণকারীরা ব্যবসায়ীর কাছে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। এতে ব্যবসায়ী জাকির হোসেন রাজি না হলে, অপহরণকারীরা তাকে আবারও হাত পা চোখ বেঁধে বেদম মারধর করে। এরপর তার পাঞ্জাবির পকেটে থাকা ৭ হাজার টাকা নিয়ে নেন অপহরণকারীরা। পরে জাকির হোসেন তার নিজের ভাইয়ের মাধ্যমে অপহরণকারীদের বিকাশ নম্বরে ১৭ হাজার টাকা পাঠান। পরে অপহরণকারীরা তাকে ছেড়ে দেন।

এছাড়া সন্ত্রাসী রাজু শেখের বিরুদ্ধে নারী চক্র দিয়ে বিভিন্ন উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মচারীকে ফাঁসানোর অভিযোগ রয়েছে।

তবে স্থানীয়দের দাবি, রাজু শেখকে যদি আগের মামলা গ্রেপ্তার করা হতো তাহলে এমন ঘটনার পুনাবৃত্তি হতো না।

সিংগাইর থানার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়ারুল ইসলাম জানান ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলেছি এ ঘটনায় মামলার হয়েছে গ্রেপ্তার প্রক্রিয়াধীন ।

সাভারে তেঁতুলঝাড়া-য় ঈদুল আযহা উপলক্ষে চাল বিতরণ

 

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাভারের তেঁতুলঝাড়া ইউনিয়নে পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে দুস্থ ও অসহায়দের মাঝে প্রধানমন্ত্রী দেয়া ঈদ উপহার , চাল বিতরণ করা হয়েছে।
বুধবার (১২ জুন) দুপুরে সাভারের তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তেঁতুলঝাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফখরুল আলম সমরের সার্বিক তত্ত্বাবধানে প্রধানমন্ত্রী দেওয়া এই ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়।
এ সময় ফখরুল আলম সমর সকলের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় ও ঈদুল আযহা উপলক্ষে ভিজিএফ এর ৩৯৯ জনের মাঝে ১০ কেজি করে ও ৩০ কেজি করে ভিডব্লিউবি এর ৯০ জনের মধ্যে দুই মাসের জন্য চাল বিতরণ করা হয় ।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, তেঁতুলঝাড়া ইউনিয়নের সচিব আবুল কালাম আজাদ, ইউপি সদস্য ফিরোজ কাজল, সংরক্ষিত আসরের মহিলা সদস্য সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

চাল বিতরণের আগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও ফখরুল আলম সমরে নিজ মাতার আসু রোগ মুক্তি কামনায় সকলের নিকট দোয়া প্রার্থনা করা হয়।

রাজধানীর মিরপুরে পত্রিকার আড়ালে চলছে অবৈধ রিক্সা বাণিজ্য

বিশেষ প্রতিনিধি: রাজধানীর মিরপুরে বাংলার দূত নামে একটি পত্রিকার আড়ালে চলছে অবৈধ রিক্সা বাণিজ্য।

ঘটনার সূত্রে জানা যায় রাজধানীর মিরপুরে বাংলার দূত পত্রিকার স্টিকার বানিয়ে অবৈধ ব্যাটারি চালিত রিক্সার সিটে লাগিয়ে দেয়া হয় মাসিক (দুই হাজার) টাকার বিনিময়ে ।

নাম সর্বস্ব এই বাংলার দূত পত্রিকার আড়ালে চলছে রিক্সা বাণিজ্য, ভূমিদস্যু তা, ফুটপাতে চাঁদাবাজি, অবৈধ দখলদার,মানব পাচার ও মাদক নিয়ন্ত্রণসহ নানান অপকর্ম। এতে সরাসরি নেতৃত্ব দিচ্ছেন বাংলার দূত পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক পরিচয়দানকারী তুহিন ভুঁইয়া ও বিশেষ প্রতিনিধি আসমত আলী। গত ২৩ এপ্রিল মিরপুর দিয়াবাড়িতে ট্রাফিক সার্জেন্ট তানজিলের নেতৃত্বে অবৈধ ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে একটি অভিযান পরিচালনা করা হয়, এতেই বেরিয়ে আসে থলের বিড়াল ।

অবৈধ অটো রিক্সার সিটের নিচে লাগানো অবস্থায় পাওয়া যায় বাংলার দূত নামে পত্রিকার স্টিকার। একে একে বাংলার দূত , ও আলোর পথিক সংগঠনের নামে বেরিয়ে আসতে থাকে অবৈধ অটোরিকশা। সমাজতান্ত্রিক দল হাসানুল হক ইনুর জাসদ এর মশাল প্রতীক দিয়ে অনুমতি বিহীনভাবে আলোর পথিক সংগঠনর তৈরি করা হয়। এ বিষয়ে আমরা জাসদের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও সাবেক জাসদ ছাত্রলীগের সভাপতি শামসুল হক সুমনের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান জাসদ একটি মেহনতী মানুষের দল এ দল কোনভাবেই অপকর্মের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে না এ ব্যাপারে আমরা আইনানুগ ও সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেব। এবং এ বিষয়ে ইতিমধ্যেই সিনিয়রদেরকে অবগত করা হয়েছে। অবৈধ অটোরিকশা ধরার অভিযান চলাকালীন অবস্থায় সেখানে এসে উপস্থিত হন বাংলাদেশের প্রথম অনুমতিপ্রাপ্ত আইপি টেলিভিশন ও সরকার নিবন্ধিত আওয়ার নিউজ টুয়েন্টিফোর এর প্রতিনিধি দল। মুভি বাংলা টিভির প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন স্টাফ রিপোর্টার কৌশিক আহমেদ এবং তার নেতৃত্বেই বাংলার দূত পত্রিকা ও আলোর পথিক সংগঠনের নামে অবৈধ রিক্সা বাণিজ্যের একটি লাইভ সরাসরি সম্প্রচার হয়। আর এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন ভূমিদস্যু রিক্সা কারবারি চোরাকারবারি মাদক ব্যবসায়ী নিয়ন্ত্রণকারী ও মানবপাচার কারী হিসাবে পরিচিত বাংলার দূত পত্রিকা ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক (তুহিন ভূইয়া) সরজমিনে গিয়ে জানা যায়, এই তুহিন ভূইয়ার নেতৃত্বে চলে বেশ কয়েকটি অনুমোদনহীন গণমাধ্যম ।

বাংলার দূত পত্রিকাটি ছাপানো হয় না দীর্ঘদিন যাবত। তুহিন ভূইয়ার অবৈধ বাণিজ্য গুলোর মধ্যে বেশ কয়েকটি অবৈধ প্রতিষ্ঠানের নাম উঠে এসেছে একটি নয় দুটি নয় বেশ কয়েকটি অবৈধ প্রতিষ্ঠান রয়েছে এই তুহিন ভুঁইয়ার । এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ভীষণ বাংলা ২৪.কম তদন্ত বিচিত্রা, বাংলার দূত, নির্বাণ, ভিশন ইনস্টিটিউ, আইএলটিএস কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার, ভিশন গ্লোবাল কনসালটেন্সি, ই হক কোচিং সেন্টার ইত্যাদি। এতসব প্রতিষ্ঠান সবই চলে জড়াজীর্ণ একটি ছোট্ট ঘরে। একসময় ই হক কোচিং সেন্টার নামে ব্যবসা শুরু করলেও তুহিন ভূঁইয়ার এ ব্যবসায় ভাটা পড়ে। এরপরেই তিনি আশ্রয় নেন পত্রিকার এবং প্রতারণা করার। নাম সর্বস্ব এই পত্রিকার বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে জানা যায় ডি এফ পির আওতাধীন এই পত্রিকার সার্কুলেশন প্রত্যেকদিন প্রায় ৪০ হাজার পিস কিন্তু আমরা সরজমিনে প্রিন্ট প্রকাশক ও প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানে যোগাযোগ করা হলে জানতে পারি দীর্ঘ প্রায় দুই বছর যাবত এই পত্রিকাটি ছাপাই হয় না। পত্রিকায় উল্লেখিত প্রকাশনা অফিসের ঠিকানায় যোগাযোগ করলে আমরা জানতে পারি শান্তিনগরে ১৩৭ নং হাউসে বাংলার দূত পত্রিকার কোন অফিস নেই। সেখান থেকে ফিরে এসে আমরা যোগাযোগ করি ডিসি অফিসে এখানে যোগাযোগ করা হলে ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক তুহিন ভুইয়া সম্পর্কে কোন সত্যতা পাওয়া যায়নি।

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক তুহিন ভূইয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে জানানো হয় তুহিন ভূঁইয়া নামে পত্রিকা অফিসে এবং পত্রিকার কোন সম্পাদক কে উনারা চিনেন না। তাহলে ভুয়া সম্পাদকের পরিচয় দিয়ে এই তুহিন ভূঁইয়া নানা ধরনের অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন। যেখানে বাংলাদেশের বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলো আর্থিক সমস্যার কারণে প্রায় বন্ধ হতে বসেছে সেখানে কিভাবে এতগুলো প্রতিষ্ঠান চালাচ্ছেন এই কথিত চাঁদাবাজ তুহিন ভূঁইয়া কি বা তার আয়ের উৎস। তুহিন ভূঁইয়ার এসব প্রতিষ্ঠান বৈধ নাকি অবৈধ এটি জানার জন্য মুভি বাংলা টেলিভিশনের একটি প্রতিনিধি দল কৌশিক আহমেদের নেতৃত্বে তুহিন ভূঁইয়ার প্রতিষ্ঠানে গেলে তুহিন ভূইয়া ক্ষিপ্ত হয়ে যান। পরবর্তীতে তুহিন ভূঁইয়া কৌশিক আহমেদকে ১নং আসামি করে কোটে চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেন । এবং নাম সর্বোচ্চ পত্রিকা বাংলার দূত এর মাধ্যমে অপপ্রচার চালাতে শুরু করেন বাংলাদেশের সর্বপ্রথম সরকার অনুমোদিত আইপি টেলিভিশন মুভি বাংলা টেলিভিশন ও মুভিবাংলার স্টাফ রিপোর্টার কৌশিক আহমেদ, রিপোর্টার জাহিদ হাসান মিশু, ও অমির বিরুদ্ধে। তুহিন ভূঁইয়ার এসব অপকর্মের ফিরিস্তি এলাকার লোকজনের কাছে জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্যক্তি বলেন এখন থেকে কয়েক মাস পূর্বেও তুহিন ভূঁইয়া ও তার বাবা ছোট্ট একটি মুদি দোকান দিয়ে সংসার চালাতো। কয়েক মাসের ব্যবধানে তুহিন ভুঁইয়া আলাদিনের চেরাগ হাতে পেয়েছেন এবং আলিশান জীবন যাপন করছেন। তুহিন ভূইয়ার আলাদিনের এইচ চেরাগ কোথা থেকে আসলো কিভাবে আসলো এ নিয়ে মাঠে নামলে জানা যায় জবরদখলবাজ, ভূমিদস্যুতা, রিক্সা বাণিজ্য, মাদক কারবারে নিয়ন্ত্রণ করেই তুহিন ভূঁইয়া হয়ে উঠেছেন বেপরোয়া ।

হাইকোর্ট থেকে অটোরিকশা বন্ধের নির্দেশনা দেওয়া হলেও ট্রাফিক পুলিশের কোন কার্যক্রম বা ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি রাজধানীর মিরপুর জুড়ে। আরে সুযোগ এই রাজধানী জুড়ে অটো রিক্সা বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন কথিত চাঁদাবাজ তুহিন ভুইয়া। আরেকটি সূত্রে জানা যায় গভীর তদন্তের মাধ্যমে তুহিন ভূঁইয়া মানব পাচারের সঙ্গে জড়িত বলে একাধিক সূত্র বলছে দীর্ঘ দিন যাবত মানব পাচারের প্রমাণ হিসেবে তার অফিসে যোগাযোগ করা হলে দেখা যায় অফিসের সামনেই তিনি একটি সাইনবোর্ড টানিয়েছেন এক লক্ষ টাকায় ইউরোপ পাঠানো হয়। যেখানে মানুষ লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করেও সঠিকভাবে ইউরোপ কান্ট্রিতে যেতে পারছে না তাহলে মাত্র এক লক্ষ টাকায় কিভাবে ইউরোপ পাঠান এই তুহিন ভূঁইয়া।

এ বিষয়ে অত্র এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বললে তারা জানান এটি মানব পাচারের একটি বড় কৌশল। হতে পারে এখনই এই তুহিন ভূইয়ার লাগাম টেনে না ধরলে আরো ভয়ংকর হয়ে উঠবেন এই তুহিন ভূঁইয়া। এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায় তুহিন ভূঁইয়া অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে অনেকেই ছেড়েছেন তাদের বসতভিটা ছেড়েছেন এলাকা গুটিয়ে নিয়েছেন ব্যবসা-বাণিজ্য তুহিন ভূঁইয়া কে অতি শীঘ্রই আইনের আওতায় এনে এর বিচার দাবি করেছেন এলাকাবাসী।

মুভি বাংলা টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার কৌশিক আহমেদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় সত্য উদঘাটন করতে গিয়ে আজ আমি মামলা ও হেনস্তার শিকার হচ্ছি, সঠিক তদন্তের মাধ্যমে দোষী ব্যক্তিকে অতিশীঘ্রই আইনের আওতায় এনে বিচার করা হোক এটাই প্রত্যাশা আমার। এবং খুব শীঘ্রই প্রতিবাদস্বরূপ আমি একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করব।

সিঙ্গাইর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বাংলা নববর্ষ উদযাপিত (ভিডিও)

নিজস্ব প্রতিবেদক : “মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জড়া’ অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা” শ্লোগানে মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বাংলা নববর্ষ ১৪৩১ উদযাপন উপলক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

রবিবার (১৪ এপ্রিল) সিঙ্গাইর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পলাশ কুমার বসুর নেতৃত্বে সিঙ্গাইর সদরে মঙ্গল শোভাযাত্রাকে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত, গুরুত্বারোপ করে বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়।

র‍্যালিটি সিঙ্গাইর উপজেলা পরিষদ থেকে শুরু হয়ে সিঙ্গাইর বাস স্ট্যান্ড প্রদক্ষিণ করে সিঙ্গাইর অফিসার্স ক্লাব মিলনায়তনে এসে আলোচনা সভায় মিলিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার পলাশ কুমার বসুর সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন দেওয়ান জাহিদ আহমেদ টুলু ।

এসময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল কাইয়ুম ,উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শারমিন আকতার, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়ারুল ইসলাম, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি প্রকৌশলী ইউনূস, সিঙ্গাইর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ নুরুদ্দীন, ইউপি চেয়ারম্যান দেওয়ান জিন্নাহ লাটু, আবুল হোসেন, জাহিদুল ইসলাম ভূইয়া, রমাজন আলী, গাজী কামরুজ্জামান, জেলা পরিষদ সদস্য তমেজ উদ্দিনসহ প্রমুখ। উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক সায়েদুল ইসলামসহ বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারী, মুক্তিযোদ্ধা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিকবৃন্দ, শিক্ষকমন্ডলি,ছাত্র-ছাত্রী ও গণ‍্যমান‍্য ব‍্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

পরে নববর্ষ উপলক্ষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে বিভিন্ন স্কুল প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের অংশগ্রহণে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগীতার বিজয়ীদের মাঝে পুরুষ্কার বিতরণ করা হয়।

সাভারের তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নে বিনামূল্যে এক মিনিটের ঈদ বাজার (ভিডিও)

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রতি বছরের মতোই এবারও ঈদের আনন্দকে ভাগাভাগি করতে , সোমবার সাকালে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফখরুল আলম সমর ও  সাভার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল আলম রাজীবে বাসভবনের সামনে ওয়াসিল উদ্দিন ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে বিনা মুল্যে ১ মিনিটের ঈদ বাজারের আয়োজন করা হয়েছে ।

বিনামূল্যের এই ঈদ বাজার ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ফখরুল আলম সমর , সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান মনজুরুল আলম রাজিবের আয়োজনে প্রতিবছরের মতোই এই ঈদ বাজারে দুস্থ অসহায় পরিবারের জন্য ,জুতা থেকে শুরু করে সকল বয়সের পুরুষ,মহিলা ও বাচ্চাদের জন্য ছিল বিনামূল্যে কেনাকাটার সুযোগ।

এক মিনিটের এই ঈদ বাজারে প্রতিটি স্থানে ছিল  অস্থায়ী বিভিন্ন স্টল , যা থেকে নতুন জামা কাপড়,শার্ট, শাড়ি লুঙ্গি,জুতা সহ আলু পিয়াজ চাল তেল সেমাই দুধ মুরগি ।

এসময় ফখরুল আলম সমর বলেন, ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করতে, ওয়াসিল উদ্দিন ফাউন্ডেশন পক্ষ থেকে দুস্থ অসহায় মাঝে খাবার দেবার পাশাপাশি মুখে হাসি তুলে দেওয়ার জন্য বিনামূল্যে এই আয়োজন।

বিনামূলে ঈদের জামা কাপড় ও খাদ্য সামগ্রী পেয়ে আনন্দে আত্মহারা সমাজের নানা বয়সী অসহায় মানুষ।

আজ প্রায় কয়েক হাজার পরিবার মাঝে এই নতুন জামা কাপড় সহ ঈদ সামগ্রী দেওয়া হয়।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের ,আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ,স্বেচ্ছাসেবক লীগ, হকার্স লীগ সহ, স্থানীয় সকল গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ।

সর্বশেষ আপডেট...