জীবন বাঁচানোর শহরে টিপু সুলতান দূর্গ দর্শন

সৌমেন মন্ডল,তামিলনারু, ভেলর থেকেঃ বাংলাদেশের কাছে ভেলোরের আরেক নাম জীবন বাঁচানোর শহর! কারণ এই নগরী গড়ে উঠেছে ‘সিএমসি’ (ক্রিশ্চিয়ান মেডিক্যাল কলেজ),নারায়নী মেডিক্যাল এন্ড রিচার্স সেন্টারকে ঘিরে। চিকিৎসা জন্য আসা বাংলাদেশ এর জনোগন কাজের ফাঁকে অনেকেই ঘুরকে আসেন টিপুসুলতান এ।ভেলোরের শহরাঞ্চল খুব একটা বড় নয়। চারিদিকে পাহাড় আর পাহাড়।দেবতা মারুগান এসেছিল পদ্মপুকুরে। সেই পদ্মপুকুর হলো বর্তমান ভারতের ভেলোর সিটি। তামিলনাড়ু রাজ্যের শহর।

সিএমসি হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নেওয়ার উদ্দেশে যারা এসেছেন তারা সায়দাপেট বাজার এর লজগুলোতে থাকেন। সেখানে থেকে হেঁটে গেলে ১৫ মিনিট লাগবে দুর্গে যেতে। টোটোতে গেলে ৭০-৮০ রুপির মধ্যে যাওয়া যায়।ভেল’ অর্থ উত্তাপ,আর ‘অর’ মানে জায়গা।

এই দুর্গের সবকিছুই পাথর দিয়ে তৈরি। এর নির্মাণশৈলী বিস্মিত করার মতো। সব মিলিয়ে অনন্য একটি স্থাপত্য।শুধু বাইরের সৌন্দর্যই নয়, দুর্গের ভেতরে আছে অসাধারণ সব ব্রোঞ্জের দেব-দেবীর মূর্তি-ভাস্কর্য। সেই সময়ের শিল্পিদের কারুকাজ দেখে চোখ কপালে উঠে যেতে পারে!টিপু সুলতানকে বলা হতো শের-ই-মহীশূর; অর্থাৎ মহীশূরের বাঘ। মজার বিষয় হলো, তাকে এই উপাধি দিয়েছিল নাকি তারই আজন্ম শত্রু ইংরেজরা।

ভেলর বাসি এখনও ভোলেনি টিপু সুলতান কে।তাকে নিয়ে গর্ব করে এখনও ভেলর বাসি।তাকে সম্মানের সঙ্গে ডাকে দ্যা টাইগার অফ ভেলর।