আগামী ২৯ জুন থেকে এইচএসসি ফরম পূরণ শুরু

২৯ জুন থেকে এইচএসসি ফরম পূরণ শুরু তবে
পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে অটোপাস নয়, শর্ট সিলেবাসে পরীক্ষা হবে।

ঢাকা বোর্ডে ২৯ জুন থেকে শুরু হবে ২০২১ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ। চলবে ১১ জুলাই পর্যন্ত। পুরো প্রক্রিয়া হবে অনলাইনে। তবে, এবার সশরীরে পরীক্ষা হবে, নাকি গত বছরের মতো অটোপাসের সিদ্ধান্ত আসবে, এ নিয়ে শঙ্কা কাটছে না পরীক্ষার্থীদের। আন্তঃশিক্ষাবোর্ড বলছে, করোনা পরিস্থিতি বিবেচনা করেই নেওয়া হবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।

করোনার কারণে অনুষ্ঠিত হয়নি ২০২০ সালে এইচএসসি পরীক্ষা। অটোপাসের মাধ্যমে উচ্চ মাধ্যমিকের গণ্ডি পেরিয়েছেন ১৩ লাখ ৬৫ হাজার ৭৮৯ জন পরীক্ষার্থী। এবারও পরীক্ষা হবে নাকি ভিন্ন পদ্ধতিতে মূল্যায়ন- এ নিয়ে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজ।
এইচএসসি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বললে তারা বলেন, আমরা অবশ্যই পরীক্ষা দিতে চাই। আমরা অটোপাস চাই না। পরীক্ষা দিতে না পারলে এই পড়ালেখার কোনো মূল্যই থাকে না। সময়মতো পরীক্ষার মাধ্যমে এইচএসসির গণ্ডি পার হতে চায় এসব শিক্ষার্থী।
তবে আগামী ২৯ জুন থেকে এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ শুরুর তারিখ নির্ধারণ করেছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা সমন্বয় কমিটি। পুরো প্রক্রিয়াটি হবে অনলাইনে।

আন্তঃশিক্ষাবোর্ড সমন্বয় কমিটি এবং ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নেহাল আহমেদ সময় সংবাদকে বলেন, আমরা এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণটা সম্পন্ন করতে চাচ্ছি। এটা এমাসের অর্থ্যাৎ ২৯ জুন থেকে আগামী ১১ জুলাই পর্যন্ত চালাতে চাচ্ছি।
এবার অটোপাসের পরিবর্তে পরীক্ষা নেওয়ার মাধ্যমেই শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে জানালেও আন্তঃশিক্ষাবোর্ড বলছে, করোনা সংক্রমণের ওপরই নির্ভর করবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।

পরিস্থিতি যদি কিছুটা স্বাভাবিক হয়, তাহলে আমরা সব সময় পরীক্ষা নেয়ার চেষ্টা করবো। কিন্তু অটোপাস এটা নিয়ে শিক্ষার্থীরা যারা গতবছর এই পদ্ধতিতে পাস করেছে, তারাও খুশি না।

আমরা চাই না তাদের ওপর এটা আবার আসুক। একটা একটা শর্ট সিলেবাস দিয়েছি। সেই শর্ট সিলেবাসের ওপর পরীক্ষা নেওয়ার চেষ্টা করবো। এখন পর্যন্ত সেই সিদ্ধান্তই আছে। তবে পরিস্থিতি যদি ভয়াবহ হয়, তাহলে বিকল্প পদ্ধতিতে যাওয়া ছাড়া উপায় থাকবে না।

এবার উচ্চমাধ্যমিকে ফরম পূরণের জন্য বিজ্ঞান বিভাগে ২ হাজার ৫০০ টাকা এবং মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় এক হাজার ৯৪০ টাকা ফি নির্ধারণ করেছে আন্তঃশিক্ষাবোর্ড সমন্বয় ।