ধামরাইয়ে দুই মহিলার মরদেহ উদ্ধার।

ঢাকার ধামরাইয়ে সুতিপাড়া ইউনিয়নের শ্রীরামপুর গ্রামের রোকিয়া বেগম (৪৫) নামে এক মহিলার মরদেহ উদ্ধার করেছে ধামরাই থানা পুলিশ।

আজ সোমবার (১৫এপ্রিল) সকাল ১০ ঘটিকার সময় শ্রীরামপুর গ্রামে নিজ বাড়ীতে থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত রোকিয়া বেগমের বাড়ী ধামরাই উপজেলার সুতিপাড়া ইউনিয়নের শ্রীরামপুর গ্রামের মোঃ জিন্নত আলী দেওয়ানের স্ত্রী।

এলাকবাসি সুত্রে জানাযায় জিন্নত আলী দেওয়ান তার স্ত্রীর সাথে প্রায় ঝগড়া বিবাদ লেগে থাকত এরই জের ধরে রাতের আধারে স্বামীর সাথে ঝগড়া করে নিজ ঘরের আড়ার সাথে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। পরে সকালে বাড়ীর লোকজন ঘুম থেকে উঠে ঘরের দরজার সামনে গিয়ে ডাকতে থাকে কিন্তু ভিতর থেকে কোন সাড়া শব্দ না পেয়ে ঘরের দরজা ভেঙে ভিতরে গিয়ে দেখে ঘরের আড়ার সাথে ফাঁস দিয়ে জুলে আছে।

পরে পাড়া পতিবেশিরা সেখান থেকে নামিয়ে কালামপুর হলি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মূত বলে ঘোষনা করে এবং সাথে সাথে এলাকার লোকজন পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

অপর দিকে ধামরাই পৌরসভার ছোট চন্দাইল (তালতলা) গ্রামের সাথি আক্তার (২২) নামে এক মহিলার মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।
নিহত সাথি আক্তরের বাড়ী ধামরাই পৌরসভার ছোট চন্দাইল এলাকার (তালতলা দক্ষিণ পাড়া) মহল্লার মোঃ বিজয় হোসেনের স্ত্রী।

পুলিশ সুত্রে জানাযায়, সাথি আক্তারের গত ২৫-০৩-১৯ তারিখে মোঃ বিজয় হোসেনের সাথে বিবাহ হয়।বিবাহর পর সাথী আক্তার তার নানী শাশুরীর(মঞ্জুয়ারার) বাড়ীতে বসবাস করিত। কিন্তু কিছুদিন পর সাথী আক্তারের বুকের বামপাশে ব্যাথা অনুভাব করিয়া ছটফট করত। সেই ব্যাথায় আজ সকালে ছটফট কারিয়া এক সময় মাটিতে লুটিয়া পড়িলে আসেপাশের লোকজন তাকে গন স্বাস্থ্য হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার তাকে মৃত বলে ঘোষনা করে। পরে সাথী আক্তারের মা নিজে থানায় আসিয়া পুলিশকে জানালে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

এই ব্যাপারে ধামরাই থানার উপ-পরিদর্শক (এস আই) মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, আজ সকালে খবর পেয়ে সুতিপাড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ শ্রীরামপুর গ্রামের গিয়ে দেখি এক মহিলা আত্মহত্যা করেছে এবং ধামরাই পৌরসভার ছোট চন্দাইল এলাকায় এক মহিলা বুকের ব্যাথায় মারা গেছে। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসি। মরদেহটি ময়না তদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হবে। ময়না তদন্তের পর বলা যাবে এটি হত্যা না আত্মহত্যা।