সাভারের আমিন বাজারে জমি দখলের অভিযোগ-স্থানীয় চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ।

স্টাফ রিপোর্টার্স:সাভার উপজেলার আমিনবাজারের সালেপুর এলাকায় জোরপূর্বক জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে।

স্থানীয় ভুক্তভোগী আলী মিস্ত্রি জানান , ১৯৮২ সালে মহিউদ্দিন ও আমির হোসেন গং এর কাছ থেকে ১১৩ শতাংশ জমির মধ্যে আলী মিস্ত্রি ৭৫.৩৩ শতাংশ জমি নিজে ক্রয় করেন, এবং তাহার পাশের অবশিষ্ট ৩৭.৬৬ জমি বর্তমান আমিনবাজার ইউনিয়ন চেয়ারম্যান রকিব আহমেদের পিতা মৃত মফিজ উদ্দিন ক্রয় করেন। তিনি বেঁচে থাকতে তার জমির বাউন্ডারি ওয়াল করে নিজে দখলে ছিলেন এবং আমি আমার জমি নিজের দখলেই ছিলাম।

কিন্তু বর্তমানে চেয়ারম্যান রকিব আহমেদ সেই দেয়াল ভেঙে আমার জমিতে প্রবেশ করে জায়গা দখল করার চেষ্টা করছেন, এ নিয়ে বেশ কয়েকবার জমি মেপে বাউন্ডারি ওয়াল করার অনুরোধ করলেও তিনি এসবকিছুর তোয়াক্কা না করেই জমি দখল করার চেষ্টা করছেন ‌ বলে জানান ভুক্তভোগী আলী মিস্ত্রি।

এ বিষয়ে তিনি আরো বলেন, এ নিয়ে আমাদেরকে বেশ কয়েকবার জীবননাশের হুমকি দেওয়ায় আমরা আইনের আশ্রয় নিলেও পরবর্তীতে থানা পুলিশ আমাদের সহায় হয়নি। তাই আমরা কোর্টের আশ্রয় নিয়ে ছিলাম সেখান থেকে জমির সকল রায় আমাদের পক্ষে থাকলেও বর্তমানে এসব কোন তোয়াক্কা না করেই রকিব চেয়ারম্যান নতুন করে নিজের মনগড়া সিদ্ধান্ত নিয়ে আমার জমিতে অনুপ্রবেশ করে দখলের চেষ্টা করছেন। যদি বাধা দিতে যাই তবেই ভয়-ভীতি ও হুমকি সহ মারার জন্য প্রস্তুতি নিতে থাকেন।

এ বিষয়ে বর্তমান আমিনবাজার ইউপি চেয়ারম্যান রকিব আহমেদের সাথে কথা বলতে চাইলে, তিনি তিনি বলেন, এখনই এটা নিয়ে সংবাদ প্রচার না করার অনুরোধের পাশাপাশি তাহার বিরুদ্ধে যে অভিযোগটি আনা হয়েছে তা ভিত্তিহীন ও মিথ্যা এছাড়াও এই নিয়ে তিনি একটি সংবাদ সম্মেলন করবেন বলেও জানান।

আলী মিস্ত্রি আরো অভিযোগ করে বলেন গেলো ১৫ই আগস্ট দুপুরে বর্তমান চেয়ারম্যান রকিব আহমেদের ভাই সহ বেশ কয়েকজন সন্ত্রাসী তাহার জমির বাউন্ডারি ওয়াল ভেঙ্গে আবারো জমি দখলের চেষ্টা করলে, স্থানীয় আমিনবাজার পুলিশ ফাঁড়িকে বিষয়টি জানালে তাৎক্ষণিক পুলিশের এস আই লিন্টু মোল্লা ঘটনা স্থলে আসলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায় ।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে এস আই লিন্টু মোল্লা বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমরা ফাঁড়িতে বসে কাগজপত্র দেখে ব্যবস্থা নেবো । এবং কেউ যেন জমি দখল করতে না পারে সেই ব্যবস্থাও আমরা নিচ্ছি ।

ভুক্তভোগী আলী মিস্ত্রির শারীরিক প্রতিবন্ধী ছেলে জাহিদ জানান, কথায় কথায় আমাদের মারতে আসে তাই আমরা বর্তমানে নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছি, তাই আইন প্রশাসন ও সরকারের দৃষ্টি ও সহযোগিতা কামনা করছেন ভুক্তভোগী পরিবার।