সুন্দরগঞ্জে জোড়া খুনের আসামী পক্ষের হামলায় আহত ৩

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামডাঙ্গা বন্দরে চাঞ্চল্যকর পিতা-পুত্র খুনের মামলার আসামী পক্ষের হামলায় আহত হয়েছেন বাদীসহ ৩ জন। শুক্রবার সন্ধ্যায় বানডাঙ্গাস্থ শিববাড়ি মোড় নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের মনমথ (রায়পাড়া) গ্রামের মৃত প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের পুত্র চন্দন কুমার রায় রংপুর থেকে সুন্দরগঞ্জগামী থেকে উক্ত স্থানে নামলে আসামী শশী চন্দ্র রায় ও তার লোকজন অতর্কিত হামলা চালায়। এতে চন্দন কুমার রায় ও সুজন কুমার রায় আহত হয়। তাদেরকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান স্থানীয়রা। মামলাটি তুলে না নেয়ায় এরআগে বাদীকেও একইভাবে হামলা চালায় আসামীপক্ষ।

উল্লেখ্য, ২০১০ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারী সন্ধ্যায় বামনডাঙ্গা বন্দরে চন্দনের পিতা প্রফুল্ল চন্দ্র রায় ও ভাই পরিমল চন্দ্র রায়কে নৃশংসভাবে খুন করে শশী চন্দ্র রায়। এ ঘটনায় প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের পুত্র বিপুল চন্দ্র রায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় জামিনে মুক্তি পেয়ে আসামী শশী চন্দ্র ও তার লোকজন প্রতিনিয়তই মামলা তুলে নেয়ার জন্য বাদী পরিবারে হামলা চালায়। এরই একপর্যায়ে নিহত পরিমলের স্ত্রী নিজের নিরাপত্তার কথা ভেবে তার পিতার বাড়ি রংপুরে অবস্থান করছেন। মামলার বাদী বিপুল চন্দ্র রায় বলেন, জোড়া খুনের ঘটনায় ৬ জনকে আসামী করে থানায় এজাহার দাখিল করি। দীর্ঘ তদন্ত শেষে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তৎকালিন সুন্দরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ হাবিবুর রহমান (বর্তমানে র‌্যাব-১৩, গাইবান্ধা ক্যাম্পের উইং কমান্ডর, এএসপি) আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন। আহত চন্দন কুমার রায় ও তার শ্যালক সুজন কুমার রায়ের উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ।

এ ব্যাপারে থানা অফিসার ইনচার্জ এসএম আব্দুস সোবহান জানান, বিষয়টি এখনও কেউ জানায়নি। অভিযোগ আসলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।