ধামরাইয়ে বংশী নদীতে হাত পা বাঁধা কিশোর হৃদয়ের লাশ উদ্ধার।

Loading

মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন (ধামরাই প্রতিনিধি)ঢাকার ধামরাইয়ে নিখোঁজের তিনদিন পর বংশী নদীতে ভেসে উঠেছে কিশোর হৃদয় সাহা (১৬) লাশ। তাকে হত্যা করে হাত পা বাধা অবন্থায় লাশের সাথে ইট বেঁধে নদীতে ফেলা হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে।এ সংক্রান্ত আলামত মিলেছে লাশ উদ্ধারের সময়।ধামরাই উপজেলার সোমভাগ ইউনিয়নের কান্দিকুল গ্রামের বিশ্বনাথ সাহার ছেলে হৃদয়।শুক্রবার বিকেলে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। অনেক খোঁজাখুঁজির পর রবিবার থানায় সাধারণ ডায়েরী করা হয়।এদিকে রোববার ৯ ঘটিকার সময় বংশী নদীর শরীফবাগ-দক্ষিনপাড়া এলাকায় বাশেঁর সেতুর নীচে একটি লাশ ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা।

তারা পুলিশে খবর দেন। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় নিলে তা হৃদয়ের বলে শনাক্ত করেন বাবা বিশ্বনাথ সাহা, ‘শুক্রবার বেলা তিনটার দিকে হৃদয়ের মোবাইলে একটি কল আসে।কে বা কারা তাকে বাড়ির বাইরে ডেকে নেয়। এরপর থেকে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যাচ্ছিল।

স্বজনরা জানান, বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে তার সন্ধান মিলেনি, নদী থেকে লাশ উদ্ধারের পর দেখা গেছে হৃদয়ের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। আর লাশটি যাতে ভেসে না থাকে এজন্য শরীরে ইটবাধা ছিল।

ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্জ দীপক চন্দ্র সাহা বলেন,বংশী নদী থেকে হৃদয়ের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হবে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ইতিমধ্যে পুলিশ অনুসন্ধান কাজ শুরু করেছে খুনিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য।