সাংবাদিক রোজিনার মুক্তির দাবিতে ধামরাইয়ে সাংবাদিকদের মানববন্ধন
মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন, ধামরাই (ঢাকা)থেকে ঃ-রাষ্ট্রীয় গোপনীয় নথি চুরির অভিযোগে সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে হেনস্তা করার প্রতিবাদে ঢাকার ধামরাইয়ে প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা।বুধবার বেলা ১১টায় ঘণ্টাব্যাপী ধামরাই প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা রোজিনার মুক্তি ও তার নামে করা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান সাংবাদিকরা।প্রেসক্লাবের উদ্যোগে প্রতিবাদী মানববন্ধন করা হয়।
প্রথম আলোর সিনিয়র রিপোর্টার রোজিনা ইসলামের দ্রুত মুক্তির দাবি জানান। তারা বলেন, ঘটনাটি খুবই অনভিপ্রেত ও অনাকাঙ্ক্ষিত। একজন পেশাদার সিনিয়র সাংবাদিককে সচিবালয়ে আটকে রেখে হেনস্তা, মামলা দিয়ে হয়রানির ঘটনা আমাদের সাংবাদিকতার ওপর বড় আঘাত। অনুসন্ধানী ও দুর্নীতিবিরোধী সাংবাদিকতাকে বাঁধাগ্রস্ত করাই এসবের উদ্দেশ্য।
উল্লেখ্য, সোমবার (১৭ মে) দুপুরে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গেলে সচিবালয়ের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একটি কক্ষে প্রায় ছয়ঘণ্টা আটকে রাখা হয় অনুসন্ধানী সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে।এ সময় তাকে হেনস্তাসহ শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হয়। কেড়ে নেওয়া হয় তার মোবাইল ফোন।ঘটনার সময়ের বিভিন্ন ভিডিও ও স্থির চিত্রে রোজিনার গলা চেপে ধরে তাকে হেনস্তা করতে দেখা যায় অতিরিক্ত সচিব কাজী জেবুন্নেছা বেগমকে। হেনস্তার একপর্যায়ে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লেও তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়নি। উল্টো তার বিরুদ্ধে সরকারি নথি চুরির অভিযোগে মামলা দিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনার প্রতিবাদে এবং তার নিঃশর্ত মুক্তির দাবি করেছে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক ও দেশের বিভিন্ন মহল।
দৈনিক প্রথম আলো’র সিনিয়র সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন
সাভারে দৈনিক প্রথম আলো’র সিনিয়র সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে হেনস্তাকারীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিসহ মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৯ মে) সকাল ১০ টায় সাভার প্রেস ক্লাবের সামনে সাভার প্রেস ক্লাবের আয়োজনে এ মানববন্ধন কর্মসুচী পালন করা হয় । এসময় প্রতিবাদের অংশ হিসেবে প্রেসক্লাব গোলটেবিলে এক মিনিট কলম বিরতিতে অংশ নেয় সাংবাদিকরা।
মানববন্ধনে সাভার প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি জাবেদ মোস্তফার সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন গাজী টিভির সাংবাদিক মো: আজিম উদ্দিন, বৈশাখী টিভির আব্দুল হালিম, এস এ টিভির মো: রুপকুর রহমান, আরটিভির জিয়া উদ্দিন জিয়া ও ভোরের কাগজ কামরুজ্জামানসহ গণমাধ্যম কর্মীরা।
এসময় মানববন্ধনে ঢাকা জেলা ও সাভার উপজেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকরাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও বন্ধুসভা সামাজিক সংগঠনের কর্মীরা অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা প্রথম আলোর সিনিয়র সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে হেনস্তাকারীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিসহ তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারসহ তার নিঃশর্ত মুক্তির দাবী জানান।
ধামরাইয়ে আগুনে পোড়া পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন মেয়র গোলাম কবির
মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন, (ধামরাই প্রতিনিধি)ধামরাই পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা নুরজাহান বেগমের অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন ধামরাই পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও পৌর মেয়র গোলাম কবির। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে খাবার, নগদ অর্থ এবং পোশাক প্রদান করেন মেয়র।
এলাকাবাসী জানায়, ১৭ মে দিবাগত রাত প্রায় ২ টার দিকে আগুন লাগে নুরজাহান বেগমের ঘরে। এলাকাবাসী মেয়রকে জানালে মেয়র ধামরাই ও আশুলিয়ার ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন।
ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও ততক্ষণে নুরজাহান বেগমের স্বপ্ন এবং বাস্তবতা পুড়ে ছাই হয়ে যায়। তবে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনায় বেচেঁ যায় আশেপাশের বাড়িঘর।
১৮ মে সকালে ধামরাই পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র গোলাম কবির ও ৪ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ক্ষতিগ্রস্ত নুরজাহানের পোড়া ভিটা পরিদর্শনে আসেন। এসময় মেয়র ক্ষতিগ্রস্থ নুরজাহান বেগমের বাড়ীর সকলের জন্য শাড়ী, লুঙ্গি, খাবার ও নগদ ১৫০০০টাকা ব্যক্তিগতভাবে সহযোগিতা করেন এবং প্রয়োজনে আরোও সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দেন।
পৌর মেয়র বলেন, এমন দুর্ঘটনায় মানুষের জীবন সহিহ সালামতে আছে এজন্য শুকরিয়া জ্ঞাপন করছি মহান আল্লাহর প্রতি। ধন্যবাদ জানাই ফায়ার সার্ভিসের সদস্য ও এলাকাবাসীদের যাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে এবং আশেপাশের ঘরবাড়ি সমুহ বিপদ হতে রক্ষা পেয়েছে। আমি নুরজাহান বেগমের ঘরের জন্য এমপি মহোদয়ের সাথে কথা বলেছি, এমপি মহোদয় আমাকে বলেছেন ইনশাআল্লাহ নুরজাহান বেগমের জন্য সরকারীভাবে একটি ঘর দেয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
হযরতপুর ইউপি চেয়ারম্যান পুত্র ইমনের নামে মাদক বিক্রির মামলা, সহযোগি আটক (ভিডিও)
কেরানীগঞ্জ প্রতিনিধি: কেরানীগঞ্জে এক ইউপি চেয়ারম্যান পুত্র ইমনের নামে মাদক বিক্রির মামলা, সহযোগি আটক

কেরানীগঞ্জের হযরতপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের পুত্র ইমনের নামে মাদক বিক্রি মামলা করেছে পুলিশ, মাদক বিক্রির সময় ইউপি চেয়ারম্যানের পুত্র ইমন ও তার সহযোগীকে তাড়া করলে ইউপি চেয়ারম্যানের পুত্র ইমন পালিয়ে গেলেও তার সহযোগীকে আটক করে পুলিশ।
গত ২৩ মে রাত পৌনে বারোটার দিকে রাত্রিকালীন টহল পুলিশ ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার অভিযান ডিউটিতে নিয়োজিত পুলিশ, মাদক বিক্রির সময় স্থানীয় জনগণ কর্তৃক ধরে রাখা এক মাদক কারবারিকে উদ্ধার করে।
পুলিশ জানায়, কেরানিগঞ্জ মডেল থানা হযরতপুর ইউনিয়নের অন্তর্গত আলীপুর চার রাস্তার মোড়ে মাদক বিক্রির সময় স্থানীয় জনগণ তাদের ধাওয়া করে, এতে কেরানীগঞ্জের ইটাভাড়া এলাকার মোঃ খাঁজা মিয়ায় ছেলে মোঃ ফালান (২২)।
মামলা সুত্রে জানা যায়, আসামি মোঃ ফালান’কে আটকের সময় তার হেফাজতে থাকা ৫৫ পিচ ইয়াবা টেবলেট ও একটি লাল/কালো রঙ্গের ইয়ামাহা এফজেড ১৫৩ সিসি মোটরসাইকেল রেজিষ্ট্রেশন নম্বর ঢাকা মেট্রো ল-২৩-০২৩৪ উদ্ধার করা হয়।
১০ পিচ ইয়াবা টেবলেট পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় ফালানের পকেটে এবং ৪৫ পিচ ইয়াবা টেবলেট পলিথিনে পেচিয়ে উক্ত মোটরসাইকেলের সিট কাভারের নিচে পাওয়া যায়।
পুলিশ আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে মোঃ ফালান জানায় মোটরসাইকেলে তার সাথে চেয়ারম্যানের ছেলে ইমন (২৫) ছিল।
ফালান আরো জানায়, চেয়ারম্যানের ছেলে ইমন এই এলাকায় ৪/৫ জনকে দিয়া ইয়াবা সেল দেওয়ায় আর সবাইরে ১ হাজার করে টাকা দেয়, আমিও আগেপরে সেল দিছি ও ১ হাজার করে টাকা পাইছি, এখন সেল দিতে জাইতে নিছি তখন সবাই আমারে ধইরা ফালাইছে।




































