19 C
Dhaka, BD
শনিবার, জানুয়ারি ১৭, ২০২৬

বাংলাদেশ জার্মানি পূর্ব শাখার উদ্যোগে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৫ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

বার্লিনে একটি মিলনায়তনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল জার্মানি পূর্ব শাখার উদ্যোগে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করা হয়।

সংগঠনের সদস্য সচিব মোঃ ইব্রাহীম সারোয়ারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের সভায় সভাপতিত্ব করেন জার্মানি স্বেচ্ছাসেবক দল পূর্ব শাখার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম সাগর।

প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল জার্মানির সাবেক সভাপতি আকুল মিয়া ও প্রধান বক্তা ছিলেন সাবেক সাধারণ সম্পাদক গনি সরকার।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোস্তাক মান্নান,সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী সুরুজ,সাবেক সহ-সভাপতি অপু চৌধুরী।

ঐবার্লিন বিএনপির সাবেক সভাপতি জসিম সিকদার,স্বেচ্ছাসেবক দল জার্মানি পূর্ব এর ১নং যুগ্ম আহবায়ক রফিকুল ইসলাম,২নং যুগ্ম আহবায়ক জাকের হোসেন,এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক মোঃ ওযায়ের আহমেদ পলাশ,সুজন সামাদি, মুহাইমিনুল ইসলাম মিশু, সাজ্জাদ হোসেন আলিফ মোল্লা,রাজিবুল হোসেন,যুবদল নেতা রুহেল আমিন,একরাম হোসেন,মোঃ রিদোয়ান সহ জাতীয়তাবাদী দল,স্বেচ্ছাসেবক ও যুবদলের নেতৃবৃন্দ।

সাভারের আশুলিয়ায় সাংবাদিককে হত্যাচেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন,”দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি

গাজীপুরে আসাদুজ্জামান তুহিন হত্যার ঘটনার রেস কাটিয়ে তুলতে না তুলতেই সাভারে ৭১ টিভির আশুলিয়া প্রতিনিধি জাহিদুল ইসলাম অনিককে উপর অতর্কিতহামলা করে হত্যাচেষ্টাসহ সারা দেশে সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও নির্যাতনের নিন্দা জানিয়ে মানববন্ধন বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে আশুলিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটি।

শনিবার(১৬ই আগস্ট ২০১৫ইং)সকাল সাড়ে ১১ ঘটিকার সময়ের দিকে আশুলিয়াথানা প্রধান ফটকের সামনে আশুলিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটির উদ্যোগে এই প্রতিবাদ সমাবেশঅনুষ্ঠিত হয়।এ সময় আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল হান্নান মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করেন।মানববন্ধনে বক্তারা বলেন,আশুলিয়া প্রতিনিধি ৭১ টিভির সাংবাদিক জাহিদুল ইসলাম অনিকের ওপর যারা হত্যার উদ্যেশ্যে হামলা চালিয়েছে,তারা সমাজের শত্রু জাতীর শত্রু।সাংবাদিকরা সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে কাজ করেন,আর সেই সত্য প্রকাশ করলেই তাদের ওপর এমন বর্বর হামলা চালানো হয়।এটি অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়।আমরা দোষীদের আইনের আওতায় এনে দ্রুত বিচার করার দাবী জানান।

মানববন্ধনে উপস্থিত বক্তারা আরও বলেন,সাংবাদিক অনিকের ওপর হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে।একই সঙ্গে সারা দেশে সাংবাদিকদের ওপর যে নির্যাতন চলছে,তা বন্ধে সরকারের পক্ষ থেকে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।যদি অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলকশাস্তি দেওয়া না হয়,তাহলে সাংবাদিকরা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবেন না।সংহতি প্রকাশ করে আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল হান্নান বলেন,আমরা সংবাদ কর্মীদের পাশে সবসময় রয়েছি।সবসময় পাশে থাকার অঙ্গীকার করছি।তারাই আমাদের ভাই।সাংবাদিক পুলিশ সবসময় এক সাথে পথ চলতে হয়। তবে আমাদের অন্যায় কিছু পেলে আমাদের সাথে সাথে ধরিয়ে দিবেন।তবে তাদের উপর হামলা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা এসব সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছি।আশা করি দ্রুত চার্জশিট দিয়ে অপরাধে অভিযুক্তদের বিচারের মুখো মুখি করা হবে।আশুলিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি এইচ এম সৌরভ বলেন,অনিকের ওপর হামলা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়,এটি সাংবাদিক সমাজকে স্তব্ধ করে দেওয়ার একটি পরিকল্পিত চক্রান্ত।আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং হামলাকারীদের দ্রুতগ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি ।

আশুলিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদকআসলাম হাওলাদার(সাকিব)বলেন, গণমাধ্যমকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।যারা সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালায়,তাদের পেছনে কাদের মদদ রয়েছে,তা খতিয়ে দেখা দরকার। অপরাধীরা যত প্রভাবশালীই হোক না কেন,তাদের বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।

একর্মসূচি তে আশুলিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটির সকল সদস্যসহ স্থানীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা অংশ নেন।তারাহুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন,যদি দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার না করা হয়,তাহলে তারা আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবেন বলে জানান তিনি।

সিলেটে লুটের সাদা পাথর উদ্ধার করে আগের জায়গায় পুনঃস্থাপনের সিদ্ধান্ত

সিলেট জেলা প্রশাসনের সমন্বয় সভায় পাথর লুটপাট ঠেকানো ও লুটের পাথর সাদাপাথরে পুনঃস্থাপনে ৫ দফা সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেটের জেলা প্রশাসক শের মাহবুব মুরাদ।

বুধবার (১৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় সিলেট ও বিভাগীয় প্রশাসনের উদ্যোগে সার্কিট হাউসে সর্বস্তরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সম্মিলিত সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

সিদ্ধান্তগুলো হলো, জাফলং ইসিএ এলাকা ও সাদাপাথর এলাকায় ২৪ ঘণ্টা যৌথবাহিনী দায়িত্ব পালন করবে। গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জ এ পুলিশের চেকপোস্ট যৌথ বাহিনীসহ সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবে।

অবৈধ ক্রাশিং মেশিনের বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নসহ বন্ধ করার জন্য অভিযান চলমান থাকবে। পাথর চুরির সঙ্গে জড়িত সবাইকে চিহ্নিত করে গ্রেফতার ও আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

চুরি হওয়া পাথর উদ্ধার করে আগের অবস্থানে ফিরিয়ে নিতে হবে।

একটি মহল নির্বাচন পেছানোর জন্য ষড়যন্ত্র করছে : মোহাম্মদ আইয়ুব খান

রাউফুর রহমান পরাগ:একটি কুচক্রী মহল নির্বাচন পেছানোর জন্য ষড়যন্ত্র শুরু করেছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আইয়ুব খান।

আজ শুক্রবার (২৫/০৭/২৫) বিকেলে আশুলিয়ার বাইদগাও এলাকায় অনুষ্ঠিত উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই মন্তব্য করেন তিনি।

বক্তব্যের শুরুতেই তিনি মাইলস্টোন স্কুলে নিহত ও আহতদের জন্য শোক প্রকাশ করেন। মোহাম্মদ আইয়ুব খান আরো বলেন, বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের ৩১ দফা দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে হবে।

আগামী ফেব্রুয়ারীর মধ্যে নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে একটি নির্বাচিত সরকার গঠন করে দেশকে বর্তমান সংকট থেকে মুক্ত করতে হবে। মোঃ মজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত উঠান বৈঠকে আরো উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা জেলা যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি আরিফুর রহমান, ঢাকা জেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মোঃ শফিকুল ইসলাম, ঢাকা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল মালেক, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ৯ নং ওয়ার্ড বিএনপি মোঃ বাবুল হোসেন, শিমুলিয়া ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হারুন, স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য মোঃ শামীম হোসেনসহ বিএনপি’র বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

রাণীশংকৈলে সাপের কামড়ে প্রাণ হারলো যুবক

হুমায়ুন কবির,রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি:ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে পাট কাটতে গিয়ে বিষাক্ত সাপের কামড়ে মোকসেদ আলী (১৯) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (২৫ জুলাই) দুপুরে উপজেলার নেকমরদ ইউনিয়নের আরাজি চন্দনচহট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। মোকসেদ আলী ওই এলাকার হামিদুল ইসলামের ছেলে।

এলাকাবাসী ও তার পরিবারের সদস্যরা জানান, মোকসেদ আলী দুপুরে বাবার সঙ্গে পাট কাটতে যাওয়ার পথে জমির আইলে লুকিয়ে থাকা বিষাক্ত সাপে ছোবল দিলে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য নুরুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান,
বাবা ও ছেলে দুজনেই পাট কর্তন করতে মাঠে গিয়েছিল। এসময় মোকসেদ আলীকে বিষাক্ত সাপে ছোবল দিলে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষনা করেন।

আশুলিয়ায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

রাউফুর রহমান পরাগ : আশুলিয়ার ধামসোনা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ডাঃ আসাদুল্লাহ আহমেদ দুলালের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মিথ্যা মামলা দায়ের করে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায়  এলাকাবাসীও স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মাঝে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদের  সৃষ্টি হয়েছে।

সম্প্রতি একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে বলে দাবি করেন দুলাল। তিনি বলেন, “আমি কখনোই কোনো চাঁদাবাজি বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নই।

যারা সমাজে অন্যায় করে, আমি তাদেরও সমর্থন করি না। অথচ একটি কুচক্রী মহল আমার জনপ্রিয়তা ও রাজনৈতিক অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে মিথ্যা মামলা দিয়ে আমার সুনাম নষ্টের পায়তারা চালাচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, “এটা শুধু আমার নয়, পুরো ধামসোনা ইউনিয়ন বিএনপির সম্মানহানি। আমি এ বিষয়ে আইনের আশ্রয় গ্রহণ করবো এবং মিথ্যা মামলার বিরুদ্ধে আইনি লড়াই চালিয়ে যাবো।” সম্প্রতিক ডাঃ আসাদুল্লাহ আহমেদ দুলাল স্বনির্ভর ধামসোনা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেওয়ার কারণে একটি চক্র নানা চক্রান্তের মাধ্যমে তার জনপ্রিয়তা নষ্ট করার পায়তারা করছে। ডাঃ দুলাল বিগত ১৭ বছর রাজনৈতিক কারণে বহু মামলা হামলার শিকার হয়েছেন। তিনি একজন সৎ নিষ্ঠাবান আদর্শ বান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হওয়ার কারণে লায়ন সংগঠন এর নেতৃত্বে ছিলেন। তিনি কখনো কোন রকম সন্ত্রাস চাঁদাবাজি সাথে জড়িত ছিল না। তাকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিল করতে চাইছে একটি মহল।

এ বিষয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরাও তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তারা বলেন, “আসাদুল্লাহ আহমেদ দুলাল একজন সৎ, নীতিবান ও আদর্শিক রাজনীতিবিদ। তিনি সব সময় অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে যারা হয়রানি করছে, তারা মূলত বিএনপির রাজনীতিকে দমন করার চেষ্টা করছে।”

নেতাকর্মীরা আরও জানান, যারা দুলালের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করেছে, তাদের চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং ভবিষ্যতে এমন ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে দলীয়ভাবে কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, আসাদুল্লাহ আহমেদ দুলাল দীর্ঘদিন ধরে ধামসোনা ইউনিয়নে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত এবং তিনি তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে অত্যন্ত জনপ্রিয়।

তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে ইতোমধ্যেই প্রতিবাদ সভা ও মানববন্ধনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন নেতাকর্মীরা।

আইনজীবীর উপর মৌলবাদিদের হামলার অভিযোগ “

অয়ন ঢাকা : ঢাকা জজ কোর্টের আইনজীবী ইফফাৎ ইয়াসমিনের উপর হামলা চালিয়েছে উগ্র মৌলবাদীদের একটি দল।

শুক্রবার (২০ জুন) সকালে হঠাৎ করেই ঢাকা জজ কোর্টের আইনজীবী ইফফাৎ ইয়াসমিনের বাসায় গিয়ে একদল উগ্র মৌলবাদী হামলা চালায়।

আইনজীবী ইফফাৎ ইয়াসমিন আইনি পেশার পাশাপাশি সামাজিক উন্নয়ন মুলক” নিরক্ষর মহিলাদের শিক্ষাদান, অবহেলিত নির্যাতিত মহিলাদের সাবলম্ভি করার লক্ষ্যে হস্তশিল্প, সেলাই কাজসহ বিভিন্ন কাজে দক্ষ করে তাদের সাবলম্ভি করে তুলেন।

কিন্তু একদল ধর্ম ব্যবসায়ী উগ্রপন্থী, মৌলবাদি তার এই সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজের বিরোধীতা করে আসছেন দীর্ঘদিন যাবত।

গেল ৫ আগস্টের পর এই আইনজীবী ইফফাৎ ইয়াসমিন কে বিভিন্ন সময়’ বিভিন্নভাবে হুমকি দিতে থাকে মৌলবাদীদের একটি অংশ। এরপরেও পিছিয়ে থাকে নি আইনজীবী ,সমাজসেবক ইফফাৎ ইয়াসমিন। তিনি সামাজিক উন্নয়ন ও নির্যাতিত মহিলাদের সাবলম্ভি করা লক্ষ্যে সর্বদাই কাজ করে যাচ্ছিলেন।

তারই সূত্র ধরে,’ ২০ জুন শুক্রবার সকাল আনুমানিক ১০:২০ মিনিটের দিকে একদল উগ্র মৌলবাদী মোঃ আলমগীর, মোঃ মতিয়ার রহমান, মোহাম্মদ খলিলুর রহমান, মোঃ জসিম উদ্দিন, মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন সহ আরো অজ্ঞাত ৮থেকে ১০জন দলবদ্ধ হয়ে আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্রসহ ইফফাৎ ইয়াসমিনের মিরপুরের বাসায় উঠে তার উপর অতর্কিত হামলা চালায় আইনজীবীকে গুরুতর আহত করে, এ সময় বাসায় থাকা তার ব্যবসায়ী স্বামী কাজী নুরুল আমিন বাঁচাতে আসলে তাকেও পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়।

এ সময় তাদের ডাক চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসতে থাকলে উগ্র মৌলবাদী সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যেতে থাকে। এরপর স্থানীয়রা তাদেরকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। এমনটাই জানিয়েছেন ভুক্তভোগী আইনজীবী ইফফাৎ ইয়াসমিন।

আইনজীবী ইফফাৎ ইয়াসমিনের স্বামী কাজী নুরুল আমিন জানিয়েছেন বর্তমানে তাদের পুরো পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে বলেও জানিয়েছেন তারা।

“কারা আসছে বাকৃবি ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্বে?”

গত ২৪ ফেব্রুয়ারী বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের মতবিনিময় ও সদস্য সংগ্রহ ফরম বিতরণ কর্মসূচির পর থেকেই বাকৃবি ছাত্রদলের নতুন কমিটি নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়।

বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির বয়স প্রায় ৪ বছর। কমিটি পূর্নাঙ্গ করতে না পারা, হল কমিটি দিতে না পারা এবং ৫ই আগষ্টের পর সংগঠন কে গতিশীল করতে না পারা সহ নানা ব্যার্থতার অভিযোগ উঠেছে বর্তমান কমিটির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব এর উপর।

এই চার বছরে তাদের নেতৃত্বে কোন কর্মসূচিতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করতে পারেনি বরং ৫ই আগস্টের পরে সাধারন শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন কর্মসূচিতে গিয়ে তাদের ফটোসেশান করতে দেখা গেছে। গত ৯ মার্চ সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে শিবিরের ডাকে দেশব্যাপী নারী নির্যাতন ও ধর্ষণ প্রতিরোধ এবং ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশে তাদের অংশগ্রহণ করতে দেখা যায়। পরবর্তীতে এ নিয়ে খোদ নিজ সংগঠনের সাবেক ও বর্তমান নেতাকর্মী সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপি পন্থী শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সমালোচনায় পরতে হয়।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের জন্য উর্বর হলেও তারা এখানে সংগঠন কে শক্তিশালী করতে ব্যার্থ বলে অনেকে মনে করেন। অনেকে সন্দেহ পোষন করেন সংগঠনের চেয়ে বর্তমান আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব এর আগ্রহ বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের টেন্ডারের কমিশন ও নিয়োগ বানিজ্যের দিকে।

নতুন কমিটির গুঞ্জন শুরু হওয়ায় ছাত্রদল করতে আগ্রহী শিক্ষার্থীরা আছেন সিদ্ধান্তহীনতায়। কার অনুসারী হবেন, নেতৃত্বে কে আসবেন আবার কে বাদ পড়বেন, কোন হলে কার অবস্থান কেমন হবে, রাজনীতি এবং স্থানীয় ভাবে কার প্রভাব কেমন এসব হিসাব মিলাতে ছাত্রদল করতে আগ্রহী শিক্ষার্থীরা গলদঘর্ম।

সাধারণত শিক্ষার্থীরা সহ সবার মাঝে চর্চা রয়েছে বর্তমান কমিটির আহ্বায়ক আতিক আর নেতৃত্বে আসছে না। বিশ্ববিদ্যালয়ে বা কোন হলে তার কোন রাজনৈতিক অবস্থান নেই। টাঙ্গাইল বাড়ি হওয়ার সুবাদে বিএনপির এক কেন্দ্রীয় নেতার আশির্বাদে গত কমিটিতে আহ্বায়ক হয়েছিলেন।

অনেকের মতে আহ্বায়ক আতিক হচ্ছে ফেইসবুক ফটো নির্ভর নেতা। তিনি নিজেকে জাহির করতে গিয়ে ব্যাক্তি উদ্যোগে কিছু কাজ করে ও বক্তব্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেকের কাছে জোকারে পরিণত হয়েছেন।আহ্বায়ক হওয়ার এতো দিন পরেও তিনি তার উত্তরসূরী তৈরি করতে পারেনি।

আতিকের মতো একই ব্যার্থতার দায়ে নতুন কমিটিতে না আসার শঙ্কায় রয়েছেন বর্তমান কমিটির সদস্য সচিব শফিক। আপাদমস্তক আওয়ামী পরিবারের ছেলে ( বড় দুই ভাই এবং বাবা ছাত্রলীগ-যুবলীগের-আওয়ামীলীগের পোস্টেড)শফিক নেতৃত্ব পাওয়ার পর কতটুকু বিএনপি বা ছাত্রদলের হতে পেরেছেন তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে নিজ এলাকায়ই। ৫ই আগষ্টের পর বিশ্ববিদ্যালয়ে গড়ে উঠা সিন্ডিকেট (টেন্ডার ও নিয়োগ) এর আশীর্বাদপুষ্ট হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দপ্তরে তার ভালো আনাগোনা দেখা যায়। সেই সিন্ডিকেটটিই তাকে আগামী কমিটিতে নেতৃত্বে আনতে মরিয়া।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীসহ উত্তর বঙ্গের একটি শক্তিশালী বলয় রয়েছে। বর্তমান কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক সোয়াইব ছাত্রদলে তাদেরই প্রতিনিধি। আগামী কমিটিরতে নেতৃত্বে তার সম্ভাবনা প্রবল। উত্তর বঙ্গের অনেক শিক্ষার্থীই তার অনুসারী। সদস্য সচিব শফিক এবং যুগ্ম আহ্বায়ক সোয়াইব দু’জনই বিশ্ববিদ্যালয়ের একই অনুষদ (কৃষি অর্থনীতি) এর এবং একই শিক্ষাবর্ষের ছাত্র।

বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭ টি অনুষদ রয়েছে। তাই একই অনুষদ এবং একই শিক্ষা বর্ষের দু’জন থেকে একজন নেতৃত্বে আসতে পারে বলে অনেকে ধারণা করছে।

আলোচনা সমালোচনার পরেও তিন জনের বাইরে যুগ্ম আহ্বায়ক তরিকুল ইসলাম তুষার এর নাম জোড়ালো ভাবে শোনা যাচ্ছে। ময়মনসিংহ শহরের স্থানীয় এবং ক্লিন ইমেজের হওয়ায় তাকে নিয়ে শিক্ষার্থীদের আগ্রহ রয়েছে। ঐ তিনজনের সিন্ডিকেটের বাইরে আলাদা প্রোগ্রাম করে একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন। নো পলিটিক্স ক্যাম্পাসে পলিটিক্স ওপেন হয় জুলাই’২৪ আন্দোলনের সম্মুখ যুদ্ধা তুষারের মাধ্যমেই। তিনি ক্যাম্পাসে ৭১ থেকে ২৪ এর শহীদদের স্বরনে পদযাত্রা করে অপর দুটি ছাত্রসংগঠন কে আদর্শিক লড়াইয়ে পিছিয়ে দেন। পরবর্তীতে দলীয় ব্যানারে প্রথমবারের মতো হলে ইফতার মাহফিল করে ও ভর্তি পরীক্ষায় দলীয় হেল্পডেস্ক খোলে নিজের স্বকীয়তা জানান দেন। বিভিন্ন হলে রয়েছে তার অনেক শুভাকাঙ্ক্ষী ও অনুসারী। কমিটি পূর্নাঙ্গ না হওয়ায় এবং হল কমিটি দিতে ব্যার্থ হওয়ায় জুনিয়র নেতৃত্ব তৈরী হয়নি। যে দু-এক সক্রিয় তারাও নেতৃত্ব নেওয়ার মতো সক্ষমতা অর্জন করতে পারেনি।

২১ সদস্যের আহবায়ক কমিটি হওয়ার পর থেকে কেবল এই ক’জন কেই বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিতে দেখা যায়। বর্তমান সাধারণ ছাত্রদল কর্মীরা প্রহর গুনছে নতুন নেতৃত্বের জন্য।

দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে সুন্দর নির্বাচন হবে: প্রধান উপদেষ্টা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে সুন্দর নির্বাচন হবে বলে মন্তব্য করেছেন অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

বুধবার (১১ জুন) লন্ডনের প্রভাবশালী নীতি গবেষণা প্রতিষ্ঠান চ্যাথাম হাউস আয়োজিত নীতি সংলাপে এ কথা বলেন তিনি।

ড. ইউনূস বলেন, ‘১৭ বছর পর আমরা সত্যিকারের একটি নির্বাচন করতে যাচ্ছি; যা আমাদের ইতিহাসে সবচেয়ে সুন্দর নির্বাচন হবে।’

তিনি বলেন, ‘ভোট দিতে মুখিয়ে আছে দেশের তরুণ ভোটাররা। যারা গত ১৭ বছর ভোটের অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

নতুন বাংলাদেশ তৈরির জন্য সংস্কার কমিশন তৈরি করা হয়েছে উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের জন্য কমিশন তৈরি করেছি। আমরা তাদের সুপারিশের দিকে তাকিয়ে আছি। আমাদের কাজ হলো সব দলের ঐকমত্য তৈরি করা।

তিনি বলেন, ‘আমরা জুলাই মাসের জন্য অপেক্ষা করছি। এই সনদটি জাতির সামনে জুলাই মাসের সনদ হিসেবে উপস্থাপন করা হবে।’

গত শুক্রবার (৬ জুন) জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। জানান, আগামী বছর এপ্রিলের মাঝামাঝি অনুষ্ঠিত হবে ভোট।

এপ্রিলের রোডম্যাপে বিএনপিসহ কয়েকটি রাজনৈতিক দল হতাশা প্রকাশ করে। তাদের দাবি বাংলাদেশের আবহাওয়া ও অন্যান্য কারণে এপ্রিল মাস ভোটের জন্য উপযুক্ত সময় নয়।

দলটির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, পরিবেশ পরিস্থিতি বিবেচনায় কোনোমতেই আগামী বছরের এপ্রিল মাসে জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজন সম্ভব নয়। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

এদিকে প্রধান উপদেষ্টার ঘোষিত রোডম্যাপে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। দলটির কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকার বা প্রধান উপদেষ্টা জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় ঘোষণা করেছেন। যারা ভেবেছিল, এদেশে আর নির্বাচন হবে না, সরকার পাঁচ বছর ক্ষমতায় থাকবে, নানা কথাবার্তার মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন। নির্বাচনের সময় ঘোষণার পর সেই বিভ্রান্তি অনেকটাই কেটে গেছে।

তবে সম্প্রতি সময় সংবাদকে দেয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, সংস্কার, বিচার ও বাংলাদেশের আবহাওয়া সব মিলিয়ে এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহ ভোট আয়োজনের উপযুক্ত সময়।

সাভার পৌরসভার একমাত্র কুরবানির পশুর হাট উদ্বোধন

রাউফুর রহমান পরাগ : আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে সাভার পৌরসভা কর্তৃক অনুমোদিত একমাত্র কোরবানির পশুর হাট উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ জুন) সকালে গেন্ডা পুকুরপার বালুর মাঠ এলাকায় এ কোরবানির পশুর হাটের ফিতা কেটে আনুষ্ঠা‌নিক উদ্বোধন করেন সাভার উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সাভার পৌর প্রশাসক মো: আবুবকর সরকার।

ঢাকা জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক সম্পাদক লায়ন মোঃ খোরশেদ আলমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক নাজমুল হাসান অভি।

উদ্বোধন শেষে অতিথিবৃন্দরা পশুর হাটটি ঘুরে দেখেন। এ সময় হাটের ইজারাদার আতিকুর রহমান রাজুসহ আরো উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

সর্বশেষ আপডেট...