ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক প্রথম বর্ষে ভর্তিকৃত নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছে।
নীবন বরণ অনুষ্ঠানে মুখ্য আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের বাংলাদেশের পাবলিক
জাতীয় অর্থনীতিতে নারীদের অবদানের মধ্যদিয়ে এ দেশ উন্নত রাষ্ট্রের মর্যাদা পাবে – কাজী রওশন আক্তার, সচিব,মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের
আশরাফ হোসেন পল্টু, মাগুরা প্রতিনিধি : মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কাজী রওশন আক্তার বলেছেন,‘নারীদের অংশগ্রহন ছাড়া দেশ উন্নত হতে পারে না। সে ক্ষেত্রে নারীরা পিছিয়ে থাকলে চলবে না। জাতীয় অর্থনীতিতে নারীদের অগ্রনী ভুমিকা পালন করতে হবে ।
নারীদের বিভিন্ন কর্ম সংস্থানের মাধ্যমে অর্থনৈতিভাবে স্বাবলম্বি হতে হবে । কিশোর-কিশোরীদের পাঠের শিক্ষার পাশাপাশি কিশোর-কিশোরী ক্লাবে কবিতা আবৃত্তি ও সংগিত শিক্ষাসহ নারীর সমতা ও শ্রদ্ধাবোধ অনুশীলন করতে হবে । সমাজে নারী সহিংসতা হ্রাসকল্পে পুরুষের পাশাপাশি নারীদেরও ভুমিকা পালন করতে হবে। শিক্ষার্থীদের সু-শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে এদেশকে উন্নত রাষ্ট্রের মর্যাদায় পৌছাতে হবে। শনিবার দিন ব্যাপী তিনি মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার মহিলা অধিদপ্তরাধীন কিশোর-কিশোরী ক্লাব ও ভিজিডি কার্যক্রম পরিদর্শন কালে তিনি এ কথাগুলো ব্যক্ত করেন ।
শ্রীপুর ও সব্দালপুর ইউনিয়নের কিশোর-কিশোরী ক্লাব পরিদর্শন কালে ক্লাবের সদস্যদের কণ্ঠে পরিবেশিত গান ও কবিতা পাঠ শোনেন এবং সন্তোষ প্রকাশ করেন। প্রকল্প পরিদর্শনকালে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইয়াসিন কবীর, মাগুরা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ফাতেমা জহুরা, জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা আহম্মদ আল হোসেন, মাগুরা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের জেলা প্রোগ্রাম অফিসার আঞ্জুমান আরা মাহমুদা, শ্রীপুর উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা তাহমিনা আফরোজ, শালিখা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা অনিতা মল্লিক ও মহম্মদপুর মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শিরিন আক্তার প্রমুখ।
কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়ক দেবীদ্বার সংস্কারকের কাজ কচ্ছপ গতিতে ভোগান্তিতে জনজীবন
আহমেদ হোসাইন ,দেবীদ্বার-কুমিল্লা : দূর্ভোগের অপর নাম-‘মরণফাঁদ খ্যাত ‘কুমিল্লা- সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়ক।’ দেশের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের সাথে যোগাযোগর একমাত্র মাধ্যম এ সড়কের সংস্কার কাজ চলছে কচ্ছপ গতিতে। যানজটের স্থবিরতায় চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন রোগী বহনকারী এ্যাম্ব্যুল্যান্স, অফিস, স্কুল- কলেজ ও জরুরী কাজে গমনকারী নারী-শিশু-বৃদ্ধ যাত্রী সহ মালবাহী পরিবহনগুলো।
গন্তব্যে পৌঁছার অনিশ্চয়তার শংকা নিয়ে রাত- দিন যাত্রী ও মাল পরিবহনগুলো ঘন্টার পর ঘন্টা সড়কেই কাটাতে হচ্ছে। সড়কের চরবাকর থেকে কোম্পানীগঞ্জ পর্যন্ত প্রায় ৮কিলোমিটার এলাকা জুড়ে দু’পাশে কখনো কখনো ৭/৮ঘন্টা স্থায়ী জ্যামে শত শত পরিবহন আটকে থাকতে দেখা যাচ্ছে।
গতবছরের জুন মাসে ২০১৯-২০২০ইং অর্থবছরে ‘কুমিল্লা- সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়ক’র কুমিল্লা ময়নামতি ক্যান্টনম্যানট থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার অংশ পর্যন্ত ৪০কিলোমিটার সড়ক সংস্কার কাজের দরপত্র আহবান করা হয়। উক্ত দরপত্রে ‘হাসান টেকনো বিল্ডার্স’ ও ‘মেসার্স সোহাগ এন্টার প্রাইজ’ ২৩কোটি টাকার প্রাক্কলন ব্যায় হিসেবে কাজটি পান। দরপত্রে কাজটি সম্পন্ন করায় ২০১৯ সালের ৯ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের ৮সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৯মাস সময় সীমা বেঁধে দেয়া হয়। নির্ধারিত সময় সীমা’র মধ্যে সংস্কার কাজ শেষ করার কথা থাকলেও কবে নাগাদ তা শেষ হবে তার সঠিক কোন দিনক্ষণ জানতে পারছেন না ভোক্তভূগীরা। সড়ক নির্মাণকালে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের নাম, পকল্পের কাজের ধরন, প্রাক্কলন ব্যায় কত, কার্যাদেশ কবে পেয়েছে, কবে নাগাদ শেষ হবে ? তার বিস্তারিত তথ্যসমআলিত একটি সাইন বোর্ড ঝুলিয়ে রাখার কথা থাকলেও তা করা হয়নি। এ ব্যাপারে সেল ফোনে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধীকাদের সাথে যোগাযেগ করার চেষ্টা করেও তাদের সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি।
তবে সড়ক ও জনপদ বিভাগ কুমিল্লা’র নির্বাহী প্রকৌশলী ড. মোহাম্মদ আহাদ উল্লাহ জানান, জনদূর্ভোগ বিবেচনা মাথায় রেখেই সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের বলেছি ৩মাসের মধ্যে সংস্কার কাজ সম্পন্ন করতে। এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার সহ আমরা বৈঠকে বসেছিলাম। ওই বৈঠকে সর্বোচ্চ দ্রæতার সাথে কাজ সম্পন্ন করার বিষয়ে বিশেষ করে দেবীদ্বার নিউমার্কেট এলাকার ১হাজার ১শত মিটার সড়ক ঢালাইয়ের কাজটি ৩মাসের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দিয়েছি। বিকল্প সড়ক থাকলে এক মাসের মধ্যেই কাজটি সম্পন্ন করা সম্ভব ছিল। বিকল্প সড়ক না থাকায় বর্তমানে এক পাশের ১২ফুট সড়ক সম্পন্ন করা হবে, অপর পাশের কাজ শুরু করার সময় ওই পাশের সড়কের অংশ উন্মোক্ত করে দেয়া হবে। এ সাময়িক সময়ের দূর্ভোগটা মেনে নিতে হবে। আগামী দু’বছরের মধ্যেই সড়কটি ফোরলেইন থেকে সিক্স লেইনে উন্নিত করা হবে। দেবীদ্বার অংশের নিউমার্কেট এলাকার প্রায় ৫০মিটার সড়কের প্রসস্থ মাত্র ২০-২৪ফুট, তার উপর জেলা পরিষদের জায়গায় সড়ক ঘেষে মার্কেট নির্মাণ করা হচ্ছে, ফোরলেই করা হবে কি ভাবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রয়োজনে জেলা পরিষদের মার্কেটই নয়, বহুতল ভবনও ভাঙ্গা হবে। তিনি বলেন, সড়কের দেবীদ্বার অংশের নিউমার্কেট স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স থেকে সাবরেজিষ্টার অফিস পর্যন্ত সড়কটি সরু হলেও দু’পাশের জায়গা অধিগ্রহনপূর্বক সড়কটি সংস্কার করা হবে। এর আগে সড়কের দু’পাশের বেদখলকৃত জায়গা ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে।
সড়ক ও জনপদ বিভাগ কুমিল্লা’র বর্তমান নির্বাহী প্রকৌশলী কর্মস্থলে যোগদানের পূর্বে, তৎকালীন নির্বাহী প্রকৌশলীর সময় সড়কটি ফোর লেইনে জরিপ করাকালে সড়কের দেবীদ্বার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, সমবায় বিভাগ, কৃষিবিভাগ, ডাক বিভাগ, জেলা পরিষদ হয়ে আরপি উচ্চ বিদ্যালয় ও থানার মধ্যবর্তী স্থান এবং সাবরেজিষ্ট্রি অফিসের সামনে মাত্র ২০-২৪ফুট সড়কে জায়গা থাকয় ফোর লেইন করা সম্ভব হচ্ছিলনা।
এ অংশে দু’পাশের ব্যাক্তিগত জায়গা ছাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, সমবায় বিভাগ, কৃষি বিভাগ, জেলা পরিষদ, ডাক বিভাগ, আরপি সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়, থানা ও সাবরেজিষ্ট্রি অফিস (স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়, সমবায় মন্ত্রনালয়, কৃষি মন্ত্রনালয়, স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়, ডাক ও টেলি যোগাযোগ মন্ত্রনালয়, শিক্ষা মন্ত্রনালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়, ভূমি মন্ত্রনালয়) সহ ৮টি মন্ত্রনালয়ের জমি অধিগ্রহন ছাড়া ফোর লেইন বা সিক্স লেইন সড়ক নির্মান করা সম্ভব না হওয়ায়,- সড়কের পূর্বাংশে দেবীদ্বার আজগর আলী মূন্সী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের কাছ থেকে গোমতী নদীর মৃত অংশের উপর দিয়ে জোবেদা খাতুন মহিলা কলেজ’র পাশ দিয়ে টু’লেইনের আরো একটি সংযোগ সড়ক নির্মানের পরিকল্পনা ও নক্সা তৈরীর কাজ হাতে নেয়া হয়েছিল।
ওই লক্ষ্যে আবাসিক এলাকা সহ বিভিন্ন স্থাপনা উচ্ছেদ, ভূমি অধিগ্রহনের পরিমাপ সম্পন্ন করা হয়। দেবীদ্বার সদরের নিউমার্কেট এলাকার দৈনিক বাজার, স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স, সমবায় সমিতি’র বহুতল ভবন, কৃষিবিভাগ, ডাক বিভাগ, জেলা পরিষদের ডাকবাংলো, আরপি সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় ও মাঠ, দেবীদ্বার থানা, সাবরেজিষ্ট্রি অফিস সহ প্রায় ৫০মিটার এলাকার সড়কের প্রসস্ত রয়েছে মাত্র ২০-২৪ফুট। এদিক দিয়ে ফোরলেইন বা সিক্স লেইন সড়ক করতে হলে নিউমার্কেট এলাকার দু’পাশে থানা গেইট পর্যন্ত জমি অধিগ্রহণের বিকল্প নেই।
বড়আলমপুর গ্রামের বিশিষ্ট ঠিকাদার হাজী নজরুল ইসলাম সরকার বলেন, কুমিল্লা ময়নামতি থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল পর্যন্ত সড়কের বেহালদশা নতুন নয়, এ দূরাবস্থা যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। সড়কের বিভিন্ন জায়গায় পিচ্ উঠা, দেবে যাওয়া, খানাখন্দ, ভাঙ্গাচুড়া, গর্তের কারনে শুধু যানজটই নয়, প্রায়ই সড়ক দূর্ঘটনায় হতাহতের ঘটনা ঘটছে। বিশেষ করে ‘কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়ক’র বুড়িচং উপজেলার ‘কংশনগর বাজার’, দেবীদ্বার সদর এলাকার বানিয়াপাড়া মাটিয়া মসজিদ থেকে নিউমার্কেট দৈনিক কাঁচা বাজার, হাসপাতাল গেইট ও থানা গেইট হয়ে জোবেদা খাতুন মহিলা কলেজ’ পর্যন্ত এবং মুরাদনগর উপজেলার ‘কোম্পানীগঞ্জ বাজার’ এলাকায় নিত্যদিনের যানজট রুটিনে পরিনত হয়ে আছে। এসব এলাকায় সড়ক ও জনপদের জায়গায় অবৈধ স্থাপনা, দৈনিক বাজার, হকার এবং পৌরসভার ইজারায় সিএনজি চালিত অটোরিক্সা ষ্ট্যাশন, ব্যটারী চালিত অটোরিক্সা, মাইক্রোবাস, ট্রাক্টর’র দখলে থাকায় যানজট থাকে ঘন্টার পর ঘন্টা।
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি দেবীদ্বার উপজেলা সভাপতি আব্দুল ওয়াদুধ বলেন, মাঝে মাঝে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন সহ ভোক্তভূগী জনগন সড়ক সংস্কার ও যানজট নিরসন, সড়কের উপর থেকে সিএনজি ষ্ট্যাশন, কাঁচা বাজার, অবৈধ স্থাপনা, হকার উচ্ছেদ, পয়নিষ্কাশনে এবং যানজট এরিয়ে পথচারীদের নিরাপদ চলাচলে ‘আজগর আলী মূন্সী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়’ থেকে ‘জোবেদা খাতুন মহিলা কলেজ’ পর্যন্ত সড়কের দু’পাশে আরসিসি ড্রেন নির্মান ও ড্রেনের উপর দিয়ে ফুটপাত নির্মান, নিউমার্কেট মুক্তিযুদ্ধ চত্তর’র নিকট একটি ফুট ওভার ব্রীজ নির্মান সহ নানা দাবীতে সড়ক অরোধ, মানবন্ধন, বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ এবং প্রশাসনের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করে আসলেও সড়ক ও জনপদ বিভাগ এবং স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে সংস্কার এবং নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের উদ্যোগে মোবাইল টিম কর্তৃক উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করতে দেখা যায়। যার স্থায়ীত্ব সাময়িক সময়ের জন্য, কিছুদিন না যেতেই অবৈধ স্থাপনাগুলো যেমন পূর্বের অবস্থানে দাড়িয়ে যায় তেমনি নি¤œমানের নির্মান সামগ্রী দিয়ে অপরিকল্পিতভাবে সংস্কার করা সড়ক পূর্বের চেহারায় চলে আসে।
পৌর এলাকার সাইলচর গ্রামের বিশিষ্ট ব্যবসায়ি মোঃ আলমগীর সরকার বলেন, বিগত এক যুগ ধরে সড়ক ও জনপদ বিভাগের উদ্যোগে সড়কটি কখনো সিক্স লেইন, কখনো ফোরলেইন কখনো টু’লেইনে করার পরিকল্পনা একনের সভায় উত্থাপিত হলেও বাস্তবায়নের আশ্বাস ফাইলবন্দী হয়ে আছে। গত কয়েক বছরে একাধিক সার্ভেয়ার টিম, এলও অফিসের কর্মকর্তারা সড়ক ও জনপদ বিভাগ জরিপ, লেভেলিং মেসিন, দূরবিন দিয়ে সার্ভে করা, জমি অধিগ্রহণের সাইড নির্ধারন ও পরিকল্পনা, মাপঝোপ সমপন্ন করতে দেখা গেলেও সবই এখন ফাইলবন্দী। বর্তমানে আপদকালনি সময়ে ময়নামতি থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল পর্যন্ত ৪০কিলোমিটার এলাকায় ২৪ফুট প্রসস্থে সড়ক সংস্কারের কাজ চলছে।
একই সূরে ক্ষোভের সাথে হুরবানু আক্তার পলি নামে একজন নারী নেত্রী জানালেন, ইতিপূর্বে শোনেছি,- গোমতী নদীর ভেরী বাঁধের উপর দিয়ে কোম্পানীগঞ্জ ব্রীজ থেকে লক্ষীপুর গোমতী নদীর ব্রীজ হয়ে বিকল্প সড়ক তৈরী করে মহা সড়কের সাথে সংযোগ করার কথাও ছিল। বিকল্প সড়ক তৈরী না করে এবং মূল সড়কটির দেবীদ্বার নিউমার্কেট এলাকার সড়ক ও জনপদ বিভাগ এবং জেলা পরিষদের জায়গা থেকে অবৈধ স্থাপনা, হকার, কাঁচাবাজার, সিএনজি ও রিক্সা ষ্ট্যান্ড উচ্ছেদ না করে (মাটিয়া মসজিদ থেকে মহিলা কলেজ পর্যন্ত) সড়কের একপাশ অর্থাৎ –১হাজার ১শত মিটার দৈর্ঘ্যে ও ২৪ফুট প্রসস্তের মধ্যে ১২ফুট অংশ রড, সিমেন্ট, বালু দিয়ে আরসিসি ঢালাইয়ের কাজ চলছে। তাও সপ্তাহে একদিন খোড়াখুড়ি, অন্যদিন এ্যরিয়া নির্ধারনে সাটারিং, রড বিছানো, পরে কোন এক সময় ঢালাইর কাজ চলছে। টানা কাজটি সম্পন্ন করায় ঠিকাদারদের কোন আগ্রহই দেখা যাচ্ছেনা। জানা যায় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানগুলো দেশের বিভিন্ন জায়গায় একাধিক বড় বড় কাজ পরিচালনা করায় উক্ত কাজের গতি ঢিলে ঢালাভাবে পরিচালনা করছে।
তিনি আরো বলেন, অপর অংশের সরু সড়কে দু’টি গাড়ি পারাপারেই যানজট থেকেই যায়। উপরন্ত সড়কের উপর চলার কারনে এবং উপজেলা সদরে বিকল্প সড়ক না থাকায় পথচারীরা সড়ক পারাপারে দির্ঘ সময় অপেক্ষা কিংবা দির্ঘপথ ঘুরে সড়ক পারাপার হতে হয়। এছাড়া সড়কের উপর দিয়ে যাওয়া বৈদ্যুতিক পিলারগুলোও মারাত্মক ঝুকিতে আছে। যানবাহনের ধাক্কায় দেবীদ্বার নিউমার্কেট অংশের বৈদ্যুতিক পিলারগুলি যেকোন সময় ভেঙ্গে মারাত্মক দূর্ঘটনার আশংকা বিরাজমান।
ন্যাশনাল সার্ভে এন্ড ডিজাইন কনসালটেন্ট’র পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মাহবুব মোরশেদ ভূঁইয়া বলেন, বিকল্প সড়ক তৈরী, সড়কের দু’পাশের জায়গা উদ্ধার এবং সড়কের উপর থেকে বৈদ্যুতিক খুটিগুলো না সরিয়ে সড়ক সংস্কারের কাজ ধরা ঠিক হয়নি। এদিকে জোবেদা খাতুন মহিলা কলেজ থেকে আজগর আলী মূন্সী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় পর্যন্ত প্রায় এক কিলো মিটার সড়কে যানজট সীমাহীন দূর্ভোগের, যা সময়ে চরবাকর থেকে কোম্পানীগঞ্জ পর্যন্ত প্রায় ৭/৮ কিলো মিটার যানজটের কবলে থাকে। এটা সওজ কর্মকর্তা স্থানীয় প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের অদক্ষতারই প্রমান। অপরিকল্পিতভাবে কাজের জন্য দায়সারা কাজকরাটাই তাদের মূখ্য উদ্দেশ্য মনে হচ্ছে। পৌর এলাকার বানিয়াপাড়া থেকে বারেরা, ছোট আলুমপুর হয়ে মহিলা কলেজ রোডটি মহাসড়কে সংযোগের ব্যবস্থায় একটু সংস্কার করে সিএনজি, অটোরিক্সা, মাইক্রোবাস, ট্রাক্টর এবং রিক্সা চলাচলে উন্মুক্ত করেদিলে এবং কোম্পানীগঞ্জ গোমতী নদীর ব্রীজ থেকে গোতীনদীর ভেরী বাঁধের উপর পাকা সড়কটির দু’পাশ সংস্কার করে লক্ষিপুর গোমতী ব্রীজ হয়ে মূল সড়কে সংযোগ করে দিলে যাত্রীবাহী বাসগুলো যাতায়তের সুযোগ হতো। আর মূল সড়কে চট্টগ্রাম বন্দরসহ বাখরাবাদ, গোপালনগর, বাঙ্গরা, তিতাস, হবিগঞ্জ প্রভৃতি গ্যাস ফিল্ডের সঙ্গে এবং আখাউড়া বন্দরের সাথে যোগাযোগে বড় বড় ট্রলি, রড ও মেসিনারিজ মালামাল বহনকারী পরিবহনগুলো নির্ভিগ্নে যাতায়তের সুযোগ হত। কাজটি সম্পন্ন করার সময় সীমা যেহেতু চলতি বছরের ৮ সেম্টম্বর পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দেয়া হয়েছে, সেহেতু এসময়ে বর্ষাকাল থাকবে। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার দেবীদ্বার সকল ড্রেনগুলো ভরাট করে ফেলেছে। ফলে পুরো বর্ষাকাল দেবীদ্বার সদর এলাকা পানিতে তলিয়ে থাকবে।
চট্রগ্রামের ট্রলি চালক আলী হোসেন বলেন, এ সড়কটি দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, বিশেষ করে দেশের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের মানুদের একমাত যোগাযোগ মাধ্যম। চট্টগ্রাম বন্দরসহ বাখরাবাদ, গোপালনগর, বাঙ্গরা, তিতাস, হবিগঞ্জ প্রভৃতি গ্যাস ফিল্ডের সঙ্গে এবং আখাউড়া বন্দরের সাথে যোগাযোগে সড়কটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ক্রমবর্ধমান ভারী যানবাহনের চাপে সড়কটির বিভিন্ন অংশে খানাখন্দের সৃষ্টি, দেবে যাওয়ার যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী ও বিপদসঙ্কুল হয়ে ওঠেছে। আমাদেরতো দূর্ভোগের অন্ত নেই, সড়কটি দ্রæত সংস্কার করা প্রয়োজন।
দেবীদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসা সড়ক দূর্ঘটনায় আহত এক রোগীর স্বজন আহম্মেদ হোসাইন জানান, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে সিএনজি ষ্ট্যাশন থাকায় হাসপাতালের গেইট পার হয়ে ইমার্জেন্সী রোমে যেতেই প্রায় ১৫মিনিট পার হয়েগেছে, রোগীর রক্তঝরা দেখেও কোন সিএনজি চালক গেই থেকে সরে আমাদের ভেতরে যাওয়ার মানবিক চিন্তাটাও করলনা। প্রাথমিক চিকিৎসায় রক্তক্ষরণ বন্ধ করে এ্যাম্বুলেন্স যোগে কুমেক হাসপাতলে যেতে নিউমার্কেট এলাকার পার হতেই প্রায় ১ঘন্টা ৫৫মিনিট লেগেছে। রোগীকে দেখেছি তখন খুবই মূমূর্ষ অবস্থায়।
মুরাদনগর উপজেলার সুমন আহমেদ নামে এক যাত্রী জানালেন, কুমিল্লায় একটি প্রাইভেট স্কুলে ইন্টারভিউ দেয়ার জন্য ভোরেই বাড়ি থেকে রওয়ানা দেন। কোম্পানীগঞ্জ বাসে উঠে একঘন্টা বসে থেকে বাস থেকে নেমে ৩কিলো মিঃ সড়ক পায়ে হেটে দেবীদ্বার আসেন। ইন্টারভিউ ১০টায় হলেও এখনই বাজে সাড়ে নয়টা।
গত ২০জানুয়ারী আকসেল খুদ নামে একজন অষ্টেলিয়ান নাগরিক দেবীদ্বার এলাকায় পায়ে হেটে যাওয়ার পথে সাংবাদিক দেখে তিনি তার পরিচয় দিয়ে বলেন, আমি অষ্ট্রেলিয়া থেকে কয়েক সপ্তাহ আগে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবেশ এবং সেবামূলক কাজ করতে বাংলাদেশে এসেছি। এদেশের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবেশ, দরিদ্র মানুষের জীবনচক্র নিয়ে গবেষনা এবং অগ্রগতির পথ খুঁজতে এসেছি। গত কয়েক সপ্তাহে ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন এলাকা ঘূরে ট্রাফিক জ্যাম, ঘন পপুলেশন, বেকারত্ব, অনিয়ম- দূর্নীতি, দূষণ পরিবেশ দেখে আমি হতাশ হয়েছি। এসব অবস্থার উন্নয়ন করতে না পারলে এদেশ এগুতে পারবেনা। এদেশের কর্মজীবী মানুষ ট্রাফিক জ্যামের কারনে সময়ের সদব্যবহার করতে পারছেনা। শিক্ষিত লোকদের মানসম্পন্ন এবং মানবিক শিক্ষার অভাবও রয়েছে।
তিনি আরো বলেন, আমি গতকাল রাতে (১৯জানুয়ারী) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর একটি অনুষ্ঠান শেষে কুমিল্লা যাওয়ার পথে এ জায়গায় (দেবীদ্বার) সাড়ে ৩ঘন্টা জ্যামে আটকা ছিলাম। রাতে অপেক্ষমান কুমিল্লার ‘এ্যলিগেন স্কুল’র শিক্ষার্থীদের ক্লাশ করিয়ে এবং শিক্ষার মান উন্নয়নে শিক্ষক ও অভিভাবকদের নিয়ে মতবিনিময় সভা করেছি। আজ সকালে কুমিল্লা থেকে বেড়িয়ে আবারো ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগরে যাচ্ছি। দেবীদ্বারে এসে আবারো জ্যামে আটকে গেলাম। সময় বাঁচাতে পায়ে হেটে গন্তব্যে রওয়ানা হলাম। জানিনা কোথায় যেয়ে যানজট মুক্ত পরিবেশে গাড়ি পাব। সময় মতো গন্তব্যে পৌঁছতে না পারলে সমস্যা হবে। ওখানে লোকজন অপেক্ষা করছেন। আপনারা এসব সমস্যা নিয়ে লিখুন, বেশী বেশী করে লিখুন। সমাধান হবেই। তিনি নবীনগরের প্রোগ্রাম শেষে কোথায় যাবেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি আর ফিরবনা। আজই নবীনগরের প্রোগ্রাম শেষে আখাউড়া হয়ে ভারতে চলে যাব। আবার আসব আগামী ১০ বছর পর।
এব্যপারে দেবীদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাকিব হাসান ক্ষোভের সাথে বলেন, যদিও সড়কটি ‘সড়ক ও জনপদ বিভাগ নিয়ন্ত্রন করেন। জনদূর্ভোগের বিষয় বিবেচনা করে সংশ্লিষ্টদের সাথে যোগাযোগ করে সংস্কার কাজটি দ্রুত শেষ করার অনুরোধ জানাই, কিন্ত আমার এ অনুরোধ যেন তাদের কর্ণগোচরই হচ্ছেনা। মনে হল কাজটি দ্রুত সম্পাদনে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের কোনো আগ্রহই নেই।
শার্শার শিকারপুর গ্রামে কন্যা সন্তানকে হত্যা করার পর গর্ভবতী মায়ের আত্মহত্যা
মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: যশোরের শার্শা উপজেলার লক্ষনপুর ইউনিয়নের শিকারপুর গ্রামের আল মামুনের স্ত্রী গর্ভবতী মা মোছাঃ জুলেখা খাতুন (২৪) নিজের কন্যা সন্তান আমেনা (৪)কে হত্যার পর মা নিজে আত্মহত্যা করেছে বলে জানা গেছে৷ জুলেখার পেটে ৭ মাস বয়সের সন্তান ছিল ৷
রবিবার ২রা ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৮টার সময় এই হত্যা ও আত্মহত্যার ঘটনাটি ঘটে। একই গ্রামের বাসিন্দা মৃত জুলেখার চাচা তরিকুল ইসলাম( ৩০)সুত্রে জানা যায়, গত ৬-৭ মাস পূর্বে শার্শা লক্ষনপুর ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামের আলাউদ্দিন গ্যাদন এর মেয়ে জুলি বেগম (২২) এর ১টি স্বর্ণের চেইন হারিয়ে বা চুরি হয়ে যায়। শনিবার ১লা ফেব্রুয়ারি সকাল ১০ টার সময় মৃত গর্ভবতী মা জুলেখা খাতুনের কন্যা মৃত আমেনা চকলেট কিনতে আলাউদ্দিন গ্যাদনের দোকানে গেলে তার মেয়ে জুলি বেগম আমেনার গলা থেকে তারই চুরি হওয়া স্বর্ণের চেইন মনে করে জোড়পূর্বক খুলে নেয়। এই ঘটনার জের ধরে হারানো স্বর্ণের চেইনের মালিক জুলি বেগম শিকারপুর গ্রামের আল মামুনের বাসায় প্রমানের জন্য এলে মামুনের স্ত্রী জুলেখা খাতুন এর সাথে কথা কাটাকাটি হয়।
মৃত গর্ভবতী জুলেখা খাতুন জুলি বেগমকে বলেন ,এটি আমার মায়ের গিফট করা চেইন, আমার মা এই স্বর্ণের চেইনটি আমাকে বানিয়ে দিয়েছে৷ কিন্তু আমার মা ঢাকায় চাকুরী করে বিধায় শুক্রবার ছাড়া এলাকায় আসতে পারবেনা বলে মোবাইল ফোনে তৎক্ষণাত জানায়। প্রমান যথাযথ মনে না হওয়ায় স্বর্ণের চেইন খোয়া যাওয়া অভিযুক্ত জুলি বেগম তার বাসায় ফিরে যান।
মৃত গর্ভবতী জুলি খাতুনের মামাতো ননদ একই গ্রামের শরিফুল ইসলামের মেয়ে সীমা খাতুন (১৫) জানায় আজ সকালে ৮টার দিকে তার ভাবীকে অনেক ডাকাডাকির পর কোন সাড়া শব্দ না দেওয়ায় সন্দেহ হয়৷তখন জানালা দিয়ে উকি মারলে দেখতে পায় ভাবী বাশেঁর আড়ার সাথে ঝুলে রয়েছে। তখন আমার চিৎকারে আশপাশের পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে এলে,দরজা ভেঙ্গে ঘরের ভিতরে প্রবেশ করে লাশটি নামানোর পর ঘাটের উপরে আমার ভাইয়ের মেয়ে আমেনার নিথর দেহটি পড়ে থাকতে দেখি।পরে এলাকাবাসী শার্শা থানায় ও স্থানীয় ইউনিয়নের সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যানের খবর দেয়। গর্ভবতী মা সহ দুটি সন্তানের মৃতের ঘটনা এলাকায় চাঞ্চল্যর সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসীর ধারণা অপমানের বোঝা সইতে না পেরে জুলেখা তার নিজ কন্যা সন্তানকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করার পর নিজে গলায় দড়ি পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে ৷ গ্রামবাসী সুষ্ঠু তদন্তের পর দোষীদের শাস্তি দাবি করেছে।
আত্মহত্যাকারী জুলেখার স্বামী আল মামুন বলেন আমার শাশুড়ি রোজার মাসে আমার স্ত্রীকে একটি স্বর্ণের চেইন দিয়েছে, সে ব্যাপারে আমি অবগত আছি । আমার শাশুড়ি প্রমাণের জন্য শুক্রবারে আসার কথা। আমি আজ সকালে রাজমিস্ত্রির কাজে যাওয়ার পর আমার ভাইয়ের মোবাইল কলের মাধ্যমে জানতে পারি আমার স্ত্রী আত্মহত্যা করেছে৷
নাভারন সার্কেলের এএসপি জুয়েল ইমরান সাংবাদিকদের বলেন লাশ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য যশোর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে ও প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য জুলি বেগম ও তার মাকে পুলিশের হেফাজতে নেয়া হয়েছে।



























অাজ সোমবার (৩রা ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে এ নবীন বরণের আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
অাইন ও ভূমি ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রভাষক শাহিদা আক্তার ও বনানী আফরিনের যৌথ সঞ্চালনায় ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমানের সভাপতিত্বে নবীন বরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো : হারুন -উর- রশিদ আসকারী,বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শাহিনুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সেলিম তোহা, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এস এম আব্দুল লতিফ উপস্থিত ছিলেন।
এসময় তিনি সকল স্টল ঘুরে ঘুরে দেখেন। শিক্ষর্থীদের হাতে তৈরীকৃত বাহারি পদের পিঠার প্রদর্শনী দেখে উ”ছাস প্রকাশ করেন এবং আয়োজনের সফলতা কামনা করেন তিনি।
জানা গেছে, উপজেলার লাউপাড়া গ্রামের মো. ইউনুস আলী খানের স্ত্রী নুপুর বেগমের ব্যবহৃত স্যামসাং জে ওয়ান মোবাইলটি গত ৪মাস আগে ঘরের জানালার ফাক দিয়ে চুরি হয়ে যায়। পরক্ষনে নুপুর বেগম বাদী হয়ে ওই মোবাইলের আইমি নং দিয়ে তালতলী থানায় একটি সাধারন ডায়রী করা হয়। পুলিশ ট্রাকিংয়ের মাধ্যমে পার্শ্ববর্তী চুন্নু মৃধার ছেলে সজিব (২০)কে সনাক্ত করলে টের পেয়ে সে এলাকা থেকে পালিয়ে যায়।
আজ রোববার সকাল উপজেলা পরিষদে চত্তর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালী বের করা হয়। র্যালীটি পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা পরিষদ সভা কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
০২/০২/২০২০ইং তারিখ রবিবার ঝালকাঠি মিডিয়া ফোরামের উদ্যোগে জেলার সদর উপজেলাধীন কালিয়ারঘোপ গ্রামের মানষিক রোগে আক্রান্ত পিতা আলী আকবর মৃধার ৫ম শ্রেনী পড়ুয়া একমাত্র মেয়ের লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়ার জন্য মিডিয়া ফোরাম এ উদ্যোগ গ্রহন করে।
শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইয়াছিন কবীর এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাগুরার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোঃ ফরিদ হোসেন (শিক্ষা ও আইসিটি) ।