27.1 C
Dhaka, BD
সোমবার, জুন ২২, ২০২৬

ঠাকুরগাঁও গড়েয়ার পূর্ব আরাজী চন্ডীপুর শ্মশানের সীমানা প্রাচীর এর ভিত্তি প্রস্তর স্হাপনের শুভ উদ্বোধন ও আলোচনা সভা

রেজাউল ইসলাম মাসুদ , ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার গড়েয়া ইউনিয়নের আরাজী চন্ডীপুরে ২৭ অক্টোবর রবিবার সকালে শ্মশানের সীমানা প্রাচীর ও ভিত্তি প্রস্তর স্হাপনের শুভ উদ্বোধন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আনুষ্ঠানে পূর্ব আরাজী চন্ডীপুর শ্মশান কমিটির সভাপতির সন্তোষ কুমার দাস এর সভাপতিত্বে, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন,ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এ্যাডঃ অরুণাংশু দত্ত (টিটো)

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও দূর্যোগ ব্যবস্হাপনা বিষয়ক সম্পাদক, সন্তোষ কুমার আগর ওয়ালা।

সাবেক ছাত্র নেতা, ঠাকুরগাঁও জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ঠাকুরগাঁও জেলা পরিষদ সদস্য মারুফ হোসেন। গড়েয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ভার প্রাপ্ত সভাপতি ইউনুস আলী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক আক্তারুল ইসলাম(আক্তার) সহ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, ও যুবলীগের নেতৃ বৃন্দগণ বক্তব্য রাখেন।

অালোচনা অনুষ্ঠান শেষে পূর্ব আরাজী চন্ডীপুর শ্মশানের সীমানা প্রাচীর এর ভিত্তি প্রস্তর স্হাপনের শুভ উদ্বোধন করেন এবং জেলা পরিষদ এর পক্ষ থেকে এক লক্ষ টাকা আর্থিক সহযোগিতা ও উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে দুই টি সোলার প্যানেল দেওয়ার প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন।

শক্তি আরাধনায় মেতে উঠছে বাংলা, আজ কালী পূজা ।

সৌমেন মন্ডল, নিজেস্ব প্রতিবেদকঃ গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টির পর আজ নীল আকাশে ঝলমলে রোদ ৷ সত্যিই যেন দীপাবলী ৷ সমস্ত অন্ধকার কাটিয়ে আলো এল ৷আজ শক্তির আরাধনায় মেতে উঠবে বাংলা ৷ আজ দীপান্বিতা অমাবস্যায় মা কালীর পুজো ৷ শক্তিপীঠ গুলোয় চলছে মহা আয়োজন ৷ আজ বিভিন্ন মন্দীরে পুজোর আয়োজন হয়েছে ৷ অমাবস্যা পড়লেই পুজো শুরু হবে মায়ের ৷

আজ রাজবেশে সাজানো হয়েছে তারা মাকে ৷ কালীপুজোয় বিশেষ ভোগ হয় ৷ পাঁচ ভাজা, মাছ, পোলাওয়ে ভোগ নিবেদন করা হয়। সকাল থেকেই কালীপুজো উপলক্ষে মন্দিরে মন্দিরে ভক্তদের ঢল নেমেছে ৷

রাণীশংকৈলে অভিনব কায়দায় স্বর্ণ সহ লক্ষাধিক টাকা চুরি ।

হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল, ( ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল বনগাঁও গ্রামের আলিফের বাড়িতে গত ২৬ অক্টোবর দিবাগত রাতে ২৫ ভরি স্বর্ণ ও ১ লক্ষ টাকা চুরির অভিযোগ উঠেছে। সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো বাড়ির সবাই খেয়ে দেয়ে আনুমানিক রাত ১১ টায় ঘুমাতে যায়। রাত আনুমানিক ১টা থেকে ২ টার মধ্যে দরজার ছিটকিনি ভেংগে ঘরের ভীতরে প্রবেশ করে আলমিরা ও ড্রয়ারের লক খুলে কাপড়, কাগজপত্র তছনছ করে ২৫ ভরি স্বর্ণ ও নগদ ১ লক্ষ টাকা চুরি করে নিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে বাড়ির মালিক বলেন, আমরা বাড়ির সকল সদস্যের কেউ একটুকও টের পায়নি। মনে হয় সিরিন্জ দিয়ে ঘুমের ঔষধ প্রত্যেকটি রুমে স্প্রে করা হয়েছিল বলে ধারনা করছি। সকালেও আমারা সবাই ঘুমে ঝিমাচ্ছি, এখনও সবাই অসুস্থ এবং আমার মা বেশি অসুস্থ হয়ে পড়েছে। বাড়ির মালিক আলিফ বলেন, এখনো থানায় লিখিত অভিযোগ করিনি, তবে অভিযোগ করবো।

রাণীশংকৈল থানা অফিসার ইনচার্জ আব্দুল মান্নান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে, অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঝালকাঠি কমিউনিটি পুলিশিং ফোরাম কর্তৃক রক্তদান কর্মসূচী পালন ।

সৈয়দ রুবেল ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধি ঃ ঝালকাঠি কমিউনিটি পুলিশিং ডে ২০১৯ উপলক্ষে জেলা কমিউনিটি পুলিশিং ফোরাম কর্তৃক রক্তদান সুচির আয়োজন করা হয়।

২৬/১০/২০১৯ইং তারিখ শনিবার সকালে রক্তদান এ কর্মসূচী অনুষ্ঠান পালন করা হয়।রক্তদান কর্মসূচির অনুষ্ঠানে ঝালকাঠি-২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ও শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি জনাব আমির হোসেন আমু (এমপি), জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম বিপিএম(বার) পিপিএম, ডিআইজি বাংলাদেশ পুলিশ বরিশাল রেঞ্জ বরিশা, জনাব মোঃ জোহর আলী জেলা প্রশাসক ঝালকাঠি , জনাব ফাতিহা ইয়াসমিন পুলিশ সুপার ঝালকাঠি, জনাব মোঃ হাবীবুল্লাহ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) ঝালকাঠি, জনাব এম.এম.মাহমুদ হাসান পিপিএম(বার), এবং কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের সভাপতি ও পিপি জনাব আঃ মান্নান রসুল সহ অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত থাকেন জেলা পুলিশ ও কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের সদস্যসহ ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

মেধাবী ছাত্র রাজ্জাককে পিটিয়ে হত্যা ! গ্রেফতার-২

শামশুজ্জোহা বিদ্যুৎ,চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি: চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের একবরপুর জাব্বার বিশ্বাস টোলা গ্রামে তুচ্ছ ঘটনা কে কেন্দ্র করে এক যুবককে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে ।

এঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে ২জনকে গ্রেফতার করেছে শিবগঞ্জ থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে, একই এলাকার মফিজ উদ্দিনের ছেলে সুজন (৩৭) ও পলাশ এর স্ত্রী ডালিয়া বেগম(৩০)।

নিহত ব্যক্তি শিবগঞ্জ উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের একবরপুর গ্রামে আব্দুস সালামের ছেলে আব্দুর রাজ্জাক (২৪)। রাজ্জাক এমন এক মেধাবী ছাত্র যা ৫ম ও ৮ম শ্রেণীতে বৃত্তি এবং এসএসসি ও এইচএসসিতে এ+ প্লাস প্রাপ্ত। এবং রাজশাহী কলেজে জীববিজ্ঞান বিষয়ে অনার্স (সম্মান) শ্রেণিতে প্রথম বিভাগ ও মাস্টার্স পরীক্ষার ফলাফল প্রত্যাশী।

শুক্রবার দুপুরে ওই ঘটনা কে কেন্দ্র করে আব্দুর রাজ্জাককে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আহত করে। পরে তাঁকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৪টার দিকে রাজ্জাকের মৃত্যু হয়। ওই রাতে নিহত রাজ্জাকের চাচা সেতাউর রহমান বাদি হয়ে ৭জনের নাম উল্লেখ্য শিবগঞ্জ থানা একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার সকালে বাড়ির সামনে রাস্তার উপরে বৃষ্টির পানি জমে থাকলে তা নিষ্কাসন করতে যায় নিহত আব্দুর রাজ্জাক ও তাঁর পিতা আব্দুস সালাম। কিন্তু মফিজ উদ্দিনের বাড়ির সামন দিয়ে পানি নিষ্কাসন করতে বাধা দেয় মফিজ উদ্দিনের ছেলে ও ছেলে বউরা। পরে এক পর্যায়ে কথা কাটাকাটি হলে মফিজ উদ্দিনের ছেলে মো. বকুল (৫০), মো. মামুন (৪৮), মো. পলাশ (৩৫), মো. সুজন (৩৭), মো. বকুল এর স্ত্রী মোসা. রোজিনা বেগম(৪৫), মামুনের স্ত্রী মোসা. তানজু বেগম(৪২), ও পলাশের স্ত্রী মোসা. ডালিয়া বেগম(৩০)। কিন্তু কথা কাটাকাটির পর নিহত রাজ্জাক ও তাঁর পিতা সেখান থেকে চলে আসলে আসামীরা পরিকল্পিত ভাবে তাদের পথরোধ করে দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র দিয়ে বিভিন্ন ভাবে এলোপাতাড়ী পিটিয়ে আহত করে।

পরে তাদের উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৪টার দিতে রাজ্জাকের মৃত্যু হয়।

এব্যাপারে শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শামসুল আলম শাহ ঘটনাটির সতত্যা স্বাকীর করেন।

ধামরাইয়ে আইন অমান্য করে লাইসেন্স ছাড়াই অবাধে বিক্রি হচ্ছে গ্যাস সিলিন্ডার।

মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন (ধামরাই প্রতিনিধি): ঢাকার ধামরাইয়ে আইন অমান্য করে লাইসেন্স ছাড়াই অবাধে বিক্রি হচ্ছে গ্যাস সিলিন্ডার। এতে ঝুকির মধ্যে পড়েছে এলাকার সাধারণ জনগন। তাই যে কোন সময় ঘটে যেতে পাওে মারাক্ত দুর্ঘটনা। কারণ মানহীন এসব সিলিন্ডার ব্যবহার করছে উপজেলার ১৬টি ইউনিয়নের মানুষ।এতে কিছু অসৎ ব্যবসায়ী সাধারণ মানুষকে বোকা বানিয়ে একই সিলিন্ডার দিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে তাদের এই ব্যবসা।উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের হাট বাজার জুড়ে এসব নিম্ন মানের গ্যাস সিলিন্ডারের দোকান লক্ষ করা গেছে।

ধামরাইয়ের বালিয়া বাজার, উপজেলা সদর,আইঙ্গন মোড়, ইসলামপুরের মোনায়েম খানের বসতবাড়ি, আইঙ্গন ঘনবসতি একটি বাজার সেখানে মুদি দোকানে ও রাস্তার সাইডে খোলা জায়গায় বসে বিক্রি করছে গ্যাস সিলিন্ডার, কালামপুর বাজার, বান্নাখোলা বাজার,কুশুরা বাজার, সূতিপাড়া বাসষ্ট্যান্ড বাজার, শৈলান বাজারসহ প্রায় সব বাজারেই দেখা গেছে খোলামেলা ভাবেই বিক্রি হচ্ছে এসব গ্যাস সিলিন্ডার।

সরকারের আইন অনুযায়ী জনপদ থেকে ১০০ মিটার দূরে বিক্রয় কেন্দ্র করার নিয়ম থাকলেও এসব বাজার গুলোর মাঝ খানেই বসানো হয়েছে সিলন্ডারের দোকান। কোন ধরনের আইন মানছে এসব ব্যবসায়ীরা। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ইসলামপুরে মোনায়েমের শোয়ার ঘরের পাশের রোমে গ্যাস সিলিন্ডার রেখে ব্যবসা করছে। আবার ভিন্নচিত্র দেখা যায়, ডুলিভিটা বাসস্ট্যান্ডের পূর্বপাশে থ্রি স্টার ও বারবারিয়া মেসার্স সেলিমের নামে চলছে গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবসা।

বারবারিয়া সেলিম ও ডুলিভিটা ষ্ট্যান্ডে শত শত সিলিন্ডার নিয়ে কোন প্রকার অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রের ব্যবস্থা না করেই চালাচ্ছে এই ব্যবসা। ফায়ার সার্ভিসের কোন অনুমোদন নাই। বৈধ কাগজপত্র দেখতে চাইলে নানা তালবাহানা করে এবং কোন অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রের ব্যবস্থা নাই। অপরদিকে, বারবারিয়ার সেলিম ঘর ভাড়া নিয়ে বসতবাড়ির পাশে গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবসা করছে।

সেলিম শুধু বিস্ফোরক দ্রব্যের কাগজপত্র দেখাতে সক্ষম হয়। তবে অগ্নিনির্বাপকের কোন ব্যবস্থা নাই। তাই যে কোন সময় বড় ধরণের দূর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। তাই এই ধরণের ক্ষতির হাত হতে বেচে উঠার কোন পথ নেই। আবার দেখা যায়, ডুলিভিটা ষ্ট্যান্ডে থ্রি স্টার গ্যাস সিলিন্ডার শো- রোমের পাশে সিএনজি গ্যাস পাম্প রয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, সিলিন্ডারের মাধ্যমে আবাসিক খাতে গ্যাস ব্যবহারের জন্য বিস্ফোরক অধিদফতরের কয়েকটি নীতিমালা রয়েছে। মহা বিস্ফোরক অধিদফতর কর্তৃক এসব নীতিমালা বাস্তবায়নের জন্য মনিটরিং সেলও রয়েছে।

দেশের বেশ কয়েকটি গ্রুপ অব কোম্পানি আবাসিক খাতে ব্যবহারের জন্য গ্যাস সিলিন্ডার তৈরি এবং বাজারজাত করছে। আর নীতিমালা ভঙ্গ করে এসব সিলিন্ডার এখন যত্রতত্র বিক্রি করা হচ্ছে। বিস্ফোরক অধিদফতর গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রির জন্য কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে বিক্রয় ও বিপণন লাইসেন্স প্রদান করলেও সাব-ডিলারের নামে এসব প্রতিষ্ঠান বাজারে মুদি মালের মতো দোকানে এমনকি শোয়ার ঘরের পাশের গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি করছে।

ফায়ার সার্ভিস কর্তৃক উপজেলার এসব গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রয় প্রতিষ্ঠান মনিটরিং করার কথা থাকলেও অসাধু গুটিকয়েক কর্মকর্তা উৎকোচের বিনিময়ে এসব গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রয়ে উল্টো মদদ প্রদান করছে। বিধি মোতাবেক ১০টির বেশি সিলেন্ডার মজুদ রেখে বিক্রির ক্ষেত্রে বিস্ফোরক অধিদফতরের সনদ নেয়া বাধ্যতামূলক।

বিস্ফোরক আইন ১৮৮৪-এর অধীনে গ্যাস সিলিন্ডার বিধিমালা ২০০৪-এর ৬৯ ধারা অনুযায়ী লাইসেন্স ছাড়া অনধিক ১০টি গ্যাসপূর্ণ সিলেন্ডার মজুদ করা যাবে।

তবে বিধির ৭০ ধারা অনুযায়ী এসব সিলিন্ডার মজুদ করার ক্ষেত্রে যথেষ্ট পরিমাণে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রপাতি এবং আগুন নিয়ন্ত্রক সরঞ্জাম মজুদ রাখতে হবে। সিলিন্ডার গ্যাস স্থাপনা প্রাঙ্গণে দিয়াশলাই বা আগুন লাগতে পারে এমন কোনো বস্তু বা সরঞ্জাম রাখা যাবে না। মজুদ করা স্থানের কাছাকাছি আলো বা তাপের উৎস থাকা যাবে না।

এলাকাবাসি বলেন, এসব সিলিন্ডার যেকোন সময় ফেটে গেলে মানুষের ব্যাপক ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। এদের বৈধ কোন কাগজপত্র আছে কি না জানি না।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডুলিভিটা বাসস্ট্যান্ডের এক ব্যাবসায়ী বলেন, থ্রি ষ্টার গ্যাস সিলিন্ডার শো- রোমের পূর্ব পাশে একটি সিএনজি স্টেশন ও আশ – পাশের চারদিকে অনেক দোকান রয়েছে। বিপদ ঘটলে বাচার কোন উপায় নেই। কারন,তাদের অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রের কোন ব্যবস্থা নেই।

সেলিম ট্রেডার্স ও থ্রি ষ্টার শো-রুমে চার থেকে পাঁচটি করে বোতল ভর্তি সিলিন্ডার একটির উপর আরেকটি রাখা হয়েছে। এতে যেকোন সময়ে দূর্ঘটনা ঘটতে পারে। এসব ব্যবসায়ীরা আইনের তোয়াক্কা না করে ব্যবসা করছে। বর্তমানে চা-দোকান থেকে আরম্ভ করে ভ্যারাইটিজ স্টোরেও পাওয়া যায় এ সিলিন্ডার গ্যাসের বোতল।

ফ্যায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা মো. শামিম হোসেন বলেন, পূর্বে গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবসা ফায়ার স্টেশনের আওতা ভূক্ত ছিল না। এখন গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবসা ফায়ার স্টেশনের আওতা ভূক্ত হয়েছে। অনেকে আমাদের কাছ থেকে বৈধতার লাইসেন্স নিয়েছে।আর যারা এখনো নেয়নি তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ধামরাইয়ে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী ধর্ষণ, থানায় মামলা আটক ১ ।

মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন( ধামরাই প্রতিনিধি) : ধামরাইয়ে চতুর্থ শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রীকে হত্যার হুমকি দিয়ে একাধিকবার ধর্ষণের ফলে ওই স্কুলছাত্রী এখন অন্তঃসত্ত্বা। এ ঘটনায় গতকাল শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) রাতে ধর্ষক ও সহযোগিদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ওই স্কুল ছাত্রীর বাবা (ধামরাই থানায় মামলা নং ৩৯)।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ধামরাইয়ের নিকলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তাদের প্রতিবেশি চৌহাট ইউনিয়নের মুন্সীচর গ্রামের মোকছেদ আলীর (৫৫) বাড়িতে টেলিভিশন দেখতে যেতো। বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে মোকছেদ আলী ভয়-ভীতি ও হত্যার হুমকি দিয়ে ধর্ষণ করতো তাকে। এভাবে হুমকির মুখে একাধিকবার ধর্ষণ করায় স্কুলছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে।

এদিকে ধর্ষকের পক্ষ নিয়ে স্থানীয় মাতব্বররা নির্যাতিতা শিশু ও তার পিতাকে একটি বাড়িতে জিম্মি করে সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে ধর্ষককে দুই লাখ টাকা জরিমানা করে। আরও জানা যায়, তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা জরিমানার ৬০ হাজার টাকা পকেটে ভরে নিজেদের মধ্যে ভাগবাটোয়ারা করে নেয় মাতব্বরা।

বিষয়টি সাংবাদিকদের কাছ থেকে জানতে পেরে ধামরাই থানা পুলিশ ধর্ষক ও বিচার করা মাতব্বরদের বাড়িতে অভিযান চালায়। এসময় পুলিশের ভয়ে তারা পালিয়ে গেলেও ধর্ষকের স্ত্রীকে আটক করা হয়েছে। আর ধর্ষণের শিকার শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

এব্যাপারে শিশুটির পিতা জানান, তাকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়েছে চাঁন মিয়া, ফারুক মেম্বার, আল আমীন, অলক রায়, আবু বকরসহ কয়েকজন। তবে তিনি বিষয়টি মেনে নিতে না পারায় তার সমাজের মাতব্বর রজ্জব বেপারী, মরণ বেপারী ও সোনা মিয়াকে জানান।

এ প্রসঙ্গে মাতব্বর মরন বেপারী জানান, তার কাছে শিশুটির পিতা বিষয়টি জানিয়েছে।

তবে স্থানীয় ইউপি সদস্য ফারুক হোসেন নির্যাতিতার পিতার কাছ থেকে সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, চাঁন মিয়ার বাড়িতে মীমাংসা করা হয়েছে। জরিমানার ১ লাখ ৮০ হাজার টাকার মধ্যে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা পাবেন ধর্ষণের শিকার শিশুটির পিতা। ধর্ষকের ভাই দরবার আলী ৬০ হাজার টাকা চাঁন মিয়ার কাছে দিয়েছেন বলেও জানান তিনি।

এদিকে সালিশে উপস্থিত বালিয়াটি ঈশ্বর চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য আল আমীন জানান, জরিমানার ৬০ হাজার টাকা মাতব্বররা ভাগবাটোয়ারা করে নিয়েছে। বাকি ১ লাখ ২০ হাজার টাকা নির্যাতিতার পরিবারকে দেয়ার কথা।

এ ব্যাপারে সালিশের প্রধান মাতব্বর চাঁন মিয়া বলেন, ধর্ষককে ১ লাখ ৮০ হাজার জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার সমুদয় টাকা না দেয়ায় এখনো মীমাংসা হয়নি। তবে জরিমানার ৬০ হাজার টাকা নেয়ার কথা অস্বীকার করে তিনি বলেন, সালিশে উপস্থিত অলক রায় ও আবু বক্কর সিদ্দিককে ২০ টাকা দিয়ে শিশুর পিতার স্বাক্ষর করা ষ্ট্যাম্প আনা হয়েছে।

পুলিশের মিডিয়া সেল এর তথ্য প্রদানকারী পুলিশ কর্মকর্তা শামিম মুঠোফোনে ধর্ষণের ঘটনায় ওই স্কুল ছাত্রী দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা উল্লেখ করেন এবং ধর্ষণে সহযোগিতার অপরাধে ধর্ষকের স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলেও জানান।

ঝালকাঠিতে ক্যান্সারে আক্রান্ত ওয়ার্ড কৃষকলীগ সভাপতি রুস্তুম অসহায় বেপারীর খোজ নিচ্ছে না কেউ ।

সৈয়দ রুবেল ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধিঃ ঝালকাঠি জেলার সদর উপজেলাধীন নবগ্রাম ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের অন্যতম একনিষ্ঠ কর্মী দূরদিনে একসময় ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের হাতেগনা কয়েকজন সদস্যের মধ্যে একজন ছিলেন রুস্তম বেপারি। বর্তমানে ৫নং ওয়ার্ড কৃষকলীগ সভাপতি পদে আছেন।

একবছর পূর্বে তার শরীরে ব্লাড ক্যান্সার ধরা পরে। ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘ একবছরের বেশি সময় ধরে বিছানায় শয্যাশয়ী এই আওয়ামীলীগ কর্মী।

ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার পর বাড়ী এবং এলাকাবাসীর সহযোগীতায় তাকে প্রতিমাসে তিনব্যাগ রক্ত দেয়া হতো। বর্তমানে সংসারের একমাত্র কর্মক্ষম রুস্তুমের পারিবারিক অবস্থা খুবই খারাপ।

এ বিষয় রুস্তুমের বাড়ী গিয়ে শতবর্ষ বয়সী মা আমিরনের সাথে কথা বলে জানাযায়, তার একমাত্র সন্তানের এই করুন অবস্থায় প্রথম প্রথম ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি, ইউনিয়ন কৃষক লীগ সাধারন সম্পাদক ও ইউপি সদস্য লস্কর হাদিসুর রহমান দিপু দেখে গেছেন এছাড়া আজও পর্যন্ত কেউ দেখতে আসেননি। আমার সামনে আমার একমাত্র সন্তান রুস্তুমের জন্য সকলের কাছে দোয়া চাচ্ছি।

আমার ছেলে ছোট্ট বেলা থেকেই আওয়ামীলীগ করে আসছে কই আজ একবারের বেশি হলো আমার ছেলেকে সাহায্য তো দূরের কথা কোন নেতা পর্যন্ত দেখতে আসেনি। আমার সামনে একমাত্র সন্তান এভাবে শেষ হয়ে যাচ্ছে কিন্তু আমি মা হয়েও তার কোন উপকারে আসতে পারছি না।

রুস্তুমের তিন মেয়ের মধ্যে মেঝ মেয়েটি আগামীতে এসএসসি পরীক্ষার্থী এবং ছোট মেয়েটি ৭ম শ্রেনীর ছাত্রী আজ তাদের লেখাপড়াও বন্ধ হওয়ার উপক্রম হচ্ছে। সামনে মেঝ মেয়েটির এসএসসি পরীক্ষার ফরম ফিলাপ কিভাবে কি করবো আমি ভেবে পাচ্ছি না। আমি এমপি আমু ভাইয়ের কাছে বলতে চাই আমার সন্তানের এ অবস্থায় যদি তিনি পাশে এসে দাঁড়াতেন তাহলে আমার একমাত্র সন্তান ও তার পরিবার বাঁচতে পারবে।

এ বিষয় ইউনিয়ন কৃষক লীগ সাধারন সম্পাদক ও ইউপি সদস্য লস্কর হাদিসুর রহমান দিপুর কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, রুস্তম ভাই আমাদের ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের দূরদিনের কন্ডারী। তিনি আওয়ামীলীগের দূর দিনে কখনোই পিছু হটেননি। প্রায় এক বছর ধরে ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে বর্তমানে শয্যাশায়ী অবস্থায় আছেন। এক বছরের বেশি সময় দরে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে কিছুদিন ঢাকা ও বরিশালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। পরিবারের অস্বচ্ছলতার কারনে আজ তার পরিবারের সদস্যরা দিশাহারা তার মা আমাকে দেখলেই একমাত্র ছেলের কথা বলে অজরে কান্না করে। আমি আমাদের দক্ষিন অঞ্চলের কর্নধর মাননীয় এমপি আমির হোসেন আমু ভাইয়ের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।

নবগ্রাম ইউনিয়নস্থ খাদৈক্ষিরা গ্রামের প্রয়াত মোতাহার বেপারির বড় ছেলে বীর মুক্তি যোদ্ধা হেমায়েত উদ্দীন হিমুর মৃত্যুর পর থেকে তিনিই বর্তমানে বাড়ীর বড় ছেলে। তার দুই ছেলে ও তিন মেয়ে সংসারে রয়েছে শতবর্ষ বয়সী মমতাময়ী মা।

বৃদ্ধ মায়ের দেখা শুনার জন্য তার একমাত্র ছেলে রুস্তম আজ ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ায় দিশাহারা।

রাণীশংকৈলে কমিউনিটি পুলিশিং- ডে পালিত ।

হুমায়ুন কবির,রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ‘পুলিশের সঙ্গে কাজ করি, মাদক-জঙ্গি সন্ত্রাসমুক্ত দেশ গড়ি’ এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সারা দেশের ন্যায় ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল থানা পুলিশের আয়োজনে কমিউনিটি পুলিশিং ডে ২০১৯ পালিত হয়।

এ উপলক্ষে ২৬ অক্টোরব শনিবার সকালে রাণীশংকৈল থানা চত্বর থেকে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে, উপজেলা পরিষদ চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে পরিষদ হল রুমে থানা অফিসার ইনচার্জ আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বেে এবং স্বাগত বক্তব্যের মধ্যদিয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, সাবেক সংসদ সদস্য ইয়াসিন আলী ও সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি- সেলিনা জাহান লিটা। গেস্ট অব অনার হিসাবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সিনিয়র সহকারি কমিশনার ( ভূমি) সোহাগ চন্দ্র সাহা, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শেফালী বেগম, অধ্যক্ষ তাজুল ইসলাম, ওসি তদন্ত খায়রুল আনাম ডন, উপজেলা আ’লীগ সহ- সভাপতি মোশারফ হোসেন বুলু, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক, আহম্মদ হোসেন বিপ্লব, পৌর আ’লীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, আ’লীগ সদস্য প্রশান্ত বসাক, বীর মুক্তিযোদ্ধা হবিবর রহমান প্রমুখ।

এছাড়াও সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহাফুজা বেগম, বাচোর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান জীতেন চন্দ্র রায়, নন্দুয়ার ইউনিয়ন চেয়ারম্যান জমিরুল ইসলাম, , ইসলামী ফাউন্ডেশনের সুপার ভাইজার ফরাদুজ্জামান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সংগ্রামী সভাপতি নওরোজ কাউসার কানন, উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সাধন বসাক, হিন্দু বোদ্ধ ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অনুপ বসাক, প্রেসক্লাব ( পুরাতন) সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক কুসমত আলী, সাধারণ সম্পাদক সফিকুল ইসলাম শিল্পী, রাণীশংকৈল প্রেসক্লাব সভাপতি ফারুক হোসেন, সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, সকল থানা পুলিশ সদস্য , গ্রাম্য পুলিশসহ সামাজিক, রাজনৈতিক , প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা পুলিশকে সার্বক্ষণিক মানুষের সেবায় নিজেক নিয়োজিত থাকাসহ, যেন কেউ বিনা অপরাধে হয়রানির শিকার না হয় সে ব্যাপারে পরামর্শ দেন। অনুষ্ঠান সঞ্চলনা করেন সাব ইন্সিপেক্টর মোমিনুর রহমান।

যুবলীগ দক্ষিণের ক্লিন ইমেজের নেতা মাহবুবর রহমান পলাশ ।

স্টাফ রিপোর্টার ঃ ১৯৮০ সালের ১ লা মার্চ রাজধানীর তেজগাঁওয়ের পূর্ব  তেজতুরী বাজারে জন্ম গ্রহন করেন মাহবুবর রহমান পলাশ । তার শৈশব কাটে ঢাকায় । বেড়ে উঠেন মুন্সিগঞ্জে।

১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনের সময় নৌকা মার্কা, জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু, জয় শেখ হাসিনার স্লোগান দিয়ে ভোটের ময়দানে নেমে পড়ে মাত্র ৮ম শ্রেণী পড়ুয়া ছাত্র মুহাম্মাদ মাহবুবর রহমান পলাশ। পলাশের রাজনৈতিক গুরু তার বাবা মুহাম্মদ আঃ ওয়াদুদ , যুদ্ধে পাক হানাদার বাহীনির ক্যাম্প পোড়ানোর অভিযোগে ব্যপক নির্যাতিত বাবার সন্তান মাহবুবর রহমান পলাশ । ওইসময় নিজের জিবনের ৭ মাস জেলে কাটিয়েছেন পলাশের বাবা আঃ ওয়াদু ।

১৯৯২ সালে মধ্যেপাড়া ইউনিয়ন এর সহ সভাপতি, ১৯৯৪ সালে তেজগাঁও ৩৯ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের কার্যকরী সদস্য, ১৯৯৫ সালে বিকেবি ডিগ্রি কলেজ এর অর্থ সমপাদক, ১৯৯৭ সালে সিরাজ দিখান থানার পরিবেশ সম্পাদক ১৯৯৯ সালে বিকেবি ডিগ্রি কলেজ ছাএ সংসদ নির্বাচনে ছাএলীগের জিএস, তার রক্তে উপর ভর করে সিরাজ দিখান উপজেলা ছাত্রলীগ আজ সুসংহত।মাহবুবর রহমান পলাশ সেন্ট্রাল ল কলেজে শাহদাত শাওনের আহবায়ক কমিটিতে ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক ছিলেন তিনি। ছাএলীগের রাজনীতি অনেক প্রতিকুলতার মধ্যেও সুসংগঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রখেছেন তিনি। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের রিপন-রোটন প্যানেলে ছিলেন কার্যনির্বাহী সদস্য ,
২০০৭ সালে মহানগর দক্ষিন ছাত্র লীগের অন্যতম সভাপতি প্রার্থী ছিলেন মুহাম্মাদ মাহবুবর রহমান পলাশ ,কিন্তু বয়সের কারনে বাদ পড়তে হয় তাকে। কে এম হাসান ও এম এ আজিজ হটাও লগি বৈঠার এবং ওয়ান ইলেভেনের আগে ও পরবর্তী সময় অনেক চ্যালেঞ্জ থাকলেও কাজে অব্যাহত রাখেনি এই অদম্য ছাত্র নেতা। বর্তমানে পলাশ মহানগর দক্ষিন যুবলীগের সহ-সভাপতি।

সায়মা ওয়াজেদ পুতুল থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে ২০১২ সাল থেকে ঢাকা আন্তজার্তিক বাণিজ্য মেলায় প্রতিবন্ধী শিশুদের বিনামূল্যে বিনোদন দিয়ে আসছিলেন তিনি।

গুলিস্তান কেন্দীয় জামে মসজিদের যুগ্ম সম্পাদক, মদিনাতুল উলুম হাফিজিয়া কেন্দ্রীয় মাদ্রাসার সাধারণ সম্পাদক, বি এস এম ইউ হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজের তিন বার অভিভাবক প্রতিনিধির দায়িত্ব পালণ করে আসছেন তিনি ।

নিজের রাজনৈতিক জিবনে তিনি একজন পরিচ্ছন্ন ব্যাক্তি হিসেবেই পরিচিত এই মাহবুবর রহমান পলাশ । ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের নতুন নেতৃত্বে মুহাম্মাদ মাহবুবর রহমান পলাশকে চাচ্ছেন মাঠ পর্যায়ের সকল নেতা কর্মীরা ।

সর্বশেষ আপডেট...