17 C
Dhaka, BD
রবিবার, জানুয়ারি ১৮, ২০২৬

তারুণ্যের সমাবেশে সাংবাদিক লাঞ্চিতের অভিযোগ!

স ম জিয়াউর রহমান, চট্টগ্রাম থেকে :

চট্টগ্রামে বিএনপির সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘তারুণ্যের সমাবেশ’ নিয়ে সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। শৃঙ্খলার অভাব, কর্মরত ও মোজো সাংবাদিকদের সঙ্গে অশোভন আচরণের অভিযোগ ওঠেছে ।

স্লোগান ও জনস্রোতের চাপে মঞ্চের সামনের ব্যারিকেড ভেঙে পড়লে বিড়ম্বনায় পড়ে মহিলা দলের নেত্রীরা সমাবেশ ছাড়ে। এতে নেতাকর্মীদের হাতে সাংবাদকর্মীরাও অপমানজনক ও অশোভন আচরণের শিকার হন।

সরে জমিনে দেখা যায়, সমাবেশে মঞ্চের সামনে চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিএনপি ও জ্যেষ্ঠ নেতাদের জন্য নির্ধারিত আসন থাকা সত্বেও জ্যেষ্ঠ নেতারা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে শুনলেন বক্তব্য। মিছিল নিয়ে বিভিন্ন জেলা-উপজেলা থেকে আসা নেতাকর্মীরা মঞ্চের সামনে ভিড় করে চেয়ার সরিয়ে জায়গা দখল করে নেয়, ফলে জ্যেষ্ঠ নেতাদের দাঁড়িয়ে থেকে বক্তব্য শুনতে হয়। কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা থেকে আসা মহিলা নেত্রীরা নিরাপত্তাহীনতা ও বিড়ম্বনায় পড়ে মাঝপথেই সমাবেশ ত্যাগ করেন তারা।

সমাবেশ অনুষ্ঠানে উপস্থিত একাধিক জ্যেষ্ঠ নেতা স্বীকার করে বলেন, আয়োজক কমিটির কিছুটা শৃঙ্খলার ঘাটতি ছিলো।নাম প্রকাশ না করার শর্তে তারা বলেন, “শৃঙ্খলার ঘাটতি ছিল, তবে এটি নেতাদের অসম্মান নয়, বরং কিছুটা সাংগঠনিক ভুলের ফসল যা ভবিষ্যতের জন্য অশুভ লক্ষণ।”

এদিকে সমাবেশে সাংবাদকর্মীদের সঙ্গে ঘটে অপ্রীতিকর ঘটনা। দেশ রূপান্তর, খবরের কাগজ, বাংলানিউজ২৪, কালবেলাসহ একাধিক ফটো সাংবাদিকদের মঞ্চে থেকে ছবি তুলতে বাধা দেওয়া হয়। এমনকি কয়েকজন ফটো সাংবাদিকের গায়ে ধাক্কা দেয়ার মতো অশোভন আচরণ করতেও দেখা যায়।

মোজো সাংবাদিকদের মধ্যে আজকের পত্রিকা, সিএইচডি, কালের কণ্ঠ, বাংলাদেশ টাইমস, দৈনিক জনবানী, যায়যায়দিন, সিটিজি নিউজসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়। অনেককে ‘অনলাইন সাংবাদিক’ বা ‘মোবাইল সাংবাদিক’ বলে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে হেওপ্রতিপন্ন করা হয় ।

এই ধরনের অশোভন আচরণে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তারা বলেন “এটা শুধু পেশাগত দায়িত্বে বাধা নয়, বরং সাংবাদিকতার প্রতি অশ্রদ্ধার বহিঃপ্রকাশ।”

দেশের প্রথম সারির পত্রিকা ও অনলাইন মাল্টিমিডিয়ার ফটো ও মোবাইল সাংবাদিকরা জানান, ছবি ও ভিডিও সংগ্রহে বাধার সম্মুখীন
হয়েছে। এমনকি মঞ্চে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা মোবাইল ফোনে ফুটেজ নিতে বাধা দেন এবং ‘মোবাইল সাংবাদিক’ বলে কটাক্ষ করেন।

একজন মোজো সাংবাদিক বলেন, “আমরা পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে হেনস্তার শিকার হয়েছি। আমাদের পেশাগত পরিচয় নিয়েই প্রশ্ন তোলা হয়েছে।”

চট্টগ্রামের স্থানীয় সাংবাদিকরা বিষয়টি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, জাতীয় রাজনীতিক দলের এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ সমাবেশে সাংবাদিকদের প্রতি এমন আচরণ দুঃখজনক এবং অগ্রহণযোগ্য বলে মনে করেন তারা।

বন্যার পূর্বাভাস বিষয়ে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে আলোচনা চলছে: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বন্যার সঠিক পূর্বাভাসের বিষয়ে সহযোগিতা পেতে যুক্তরাজ্যের আবহাওয়া অফিসের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন পানি সম্পদ এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

শনিবার (১০ মে) বিকেলে রাজধানীর ইস্কাটনে প্রবাসী কল্যাণ ভবনের জালালাবাদ অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এ কথা জানান।

সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, ‘ঐতিহাসিক সময় হতে বন্যা হচ্ছে এবং বন্যা হবে। বন্যাকে আমাদের আটকানোর কোনো উপায় নেই, আটকানোর কোনো সুযোগ নেই। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এ সমস্যা আমাদের আরও বাড়ছে। তবে বন্যার ক্ষয়ক্ষতি কমাতে আমাদের প্রস্তুতি বাড়াতে হবে এবং বন্যার আগাম সঠিক পূর্বাভাস পেতে হবে।’

পানি সম্পদ উপদেষ্টা বলেন,
‘এখনো পর্যন্ত তাদের সঙ্গে যে আলোচনা চলছে, তাতে মনে হচ্ছে পার্টনারশিপ বা অংশীদারিত্বের মাধ্যমে তাদের ডাটায় প্রবেশ করতে পারবো। আর তাহলে বন্যা মোকাবিলায় প্রস্তুতির ক্ষেত্রে আমরা অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারবো’, যোগ করেন রিজওয়ানা হাসান।

এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের কয়েকটি জিনিসের উন্নয়ন করা দরকার। আমাদের নিজেদের ইনস্টিটিউশনগুলোকে ক্ষমতায়িত করার যে পদক্ষেপ, তাতে বিলম্ব করলে চলবে না।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডাক্তার বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার, দৈনিক মানবজমিন পত্রিকার প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক এবং মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য ড. মো. আব্দুর রব।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন অতিরিক্ত সচিব জাফরুর রেজা চৌধুরী। সেমিনারে সিলেট এলাকার বন্যার ঝুঁকি বিষয়ে বিষয়ভিত্তিক বক্তব্য দেন বুয়েটের ইন্সটিটিউট অফ ওয়াটার এন্ড ফ্লাড ম্যানেজমেন্টের অধ্যাপক ড. মাশফিকুস সালেহীন, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফাইজুল ইসলাম চৌধুরী প্রমুখ। সভাপতির বক্তব্য দেন বিশিষ্ট চিকিৎসক প্রফেসর ডা. মো. আবদুল্লাহ।

অনুষ্ঠানের শেষের দিকে জালালাবাদ অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হিসেবে বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আব্দুন নাসের খানকে সভাপতি এবং ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরীকে সাধারণ সম্পাদক করে আগামী ২ বছরের জন্য নির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়।

ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধবিরতি ঘোষণায় কী বলছেন কাশ্মীরিরা

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধবিরতির ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছে উভয় দেশের মানুষ। স্বস্তি প্রকাশ করেছেন অধিকৃত কাশ্মীর ও আজাদ কাশ্মীরের বাসিন্দারা। তারা বলছেন, আল্লাহ রহমত করেছেন। সেই সঙ্গে দোয়া করছেন, কাশ্মীর সংঘাতের যেন একটা দীর্ঘস্থায়ী সমাধান হয়। আল জাজিরা।

শনিবার (১০ মে) ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধবিরতির বিষয়টি প্রথম জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের মালিকানাধীন সোশ্যাল মিডিয়া ট্রুথ-এ এক পোস্টে লেখেন, ‘আমি আনন্দের সাথে ঘোষণা করছি যে ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ রাতব্যাপী আলোচনার পর ভারত ও পাকিস্তান একটি পূর্ণ ও তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে।’

কিছুক্ষণ পরই নয়াদিল্লি ও ইসলামাবাদ যুদ্ধবিরতির বিষয়টি নিশ্চিত করে। এরপর ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি জানান, ভারত এবং পাকিস্তান স্থল, আকাশ ও সমুদ্র পথে সব ধরনের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। ভারতীয় সময় শনিবার বিকেল ৫টা থেকে এ যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কথা।
যুদ্ধবিরতির খবর শুনে জম্মুর শ্রীনগরের বাসিন্দা ২৫ বছর বয়সি তরুণী রুমাইসা জান, যার আগামী সপ্তাহে বিয়ে হওয়ার কথা, তিনি আল জাজিরাকে বলেন, ‘যা ঘটছে তা নিয়ে আমি অত্যন্ত উদ্বিগ্ন ছিলাম।

এত এত প্রাণহানির পর এটাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের মতো সিদ্ধান্ত। আমরা শান্তি চাই এবং এই সমস্ত শত্রুতার অবসান চাই।’ শ্রীনগর শহরে একটি ট্রাভেল এজেন্সির পরিচালক ফিরদৌস আহমেদ শেখ প্রতিবেশী দুই দেশ কাশ্মীরকে ‘যুদ্ধক্ষেত্রে’ পরিণত করায় হতাশা প্রকাশ করেন।

তার কথায়, ‘আমার একমাত্র ভয় হলো, ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আবারও খারাপ হতে পারে। এই দুই দেশকে (ভারত ও পাকিস্তান) একসাথে বসে চিরকালের জন্য কাশ্মীরের রাজনৈতিক সমাধান খুঁজে বের করতে হবে। আমি দেয়া করি, আমাদের সন্তানদের যেন আর এমন সময় দেখতে না হয়।’

আশুলিয়ায় ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ঢাকা জেলা যুবদলের লিফলেট বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক : আশুলিয়ায় ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ঢাকা জেলা যুবদলের লিফলেট বিতরণরাউফুর রহমান পরাগ : আজ শনিবার বিকেলে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ঢাকা জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আইয়ুব খানের নির্দেশনায় আশুলিয়া থানা যুবদলের উদ্যোগে শিমুলিয়া ইউনিয়নের বাড়ইপাড়া এলাকায় সাধারণ জনগণের মাঝে লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে।

এ সময় উপস্থিত যুবদলের নেতারা পথচারী ও বিভিন্ন দোকানে গিয়ে তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা সম্পর্কে সচেতন করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি শহিদুল ইসলাম, মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা জেলা মোঃ আব্দুল মালেক, সাবেক ঢাকা জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহফুজুল আলম সাগর, সাবেক সদস্য স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটি মোহাম্মদ শামীম হোসেন, সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক যুবদল মজিবর রহমান, সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ঢাকা জেলা যুবদল ওসমান গনি, সহ-সাধারণ সম্পাদক , সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোসলিমুর রহমান চন্দন, আশুলিয়া ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি শাহাবুদ্দিন বেপারী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শিমুলিয়া ইউনিয়ন ছাত্রদল হাবিবুর রহমান হাবিবসহ বিএনপির বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

আশুলিয়ায় তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ঢাকা জেলা যুবদলের লিফলেট বিতরণ

উফুর রহমান পরাগ : আজ শুক্রবার বিকেল চারটার সময় বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ঢাকা জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আইয়ুব খানের নির্দেশনায় আশুলিয়া থানা যুবদলের উদ্যোগে পাথালিয়া ইউনিয়নের নয়ারহাট বাজারের বিভিন্ন এলাকার সাধারণ জনগণের মাঝে লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। এ সময় উপস্থিত যুবদলের নেতারা পথচারী ও বিভিন্ন দোকানে গিয়ে তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা সম্পর্কে সচেতন করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি আরিফুর রহমান, শহিদুল ইসলাম, আব্বাসউদ্দিন পাপ্পু, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম, আসাদুজ্জামান টিটু, নজরুল ইসলাম টিপু ,সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা জেলা মোঃ আব্দুল মালেক, সাবেক ঢাকা জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহফুজুল আলম সাগর, সাবেক সদস্য স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটি মোহাম্মদ শামীম হোসেন, সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক যুবদল মজিবর রহমান, রাজ্জাকুর রহমান রাজ্জাক, সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ঢাকা জেলা যুবদল ওসমান গনি, সহ-সাধারণ সম্পাদক , সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোসলিমুর রহমান চন্দন, আশুলিয়া ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি শাহাবুদ্দিন বেপারীসহ বিএনপির বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সাভারে যুবদলের লিফলেট বিতরণ (ভিডিও)

আবুল কালাম আজাদ (বিপ্লব) : সোমবার (৫ই মে) বিকেল চারটার সময় বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ঢাকা জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আইয়ুব খানের নির্দেশনায় সাভার পৌর যুব দলের উদ্যোগে সাভার পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে সাধারণ জনগণের মাঝে লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এ সময় উপস্থিত যুবদলের নেতারা পথচারী ও বিভিন্ন দোকানে গিয়ে তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা সম্পর্কে সচেতন করেন। এছাড়াও তারা তারেক রহমানের ৩১ দফায় কি কি সুফল পাওয়া যাবে তা জনগণকে অবহিত করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি আরিফুর রহমান, শহিদুল ইসলাম, আব্বাসউদ্দিন পাপ্পু, মোস্তফা কামাল সরদার, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম, আসাদুজ্জামান টিটু, নজরুল ইসলাম টিপু, সাবেক সহ-সাধারণ

সম্পাদক রাজ্জাকুর রহমান রাজ্জাক, সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোসলিমুর রহমান চন্দন, মজিবুর রহমান, সাবেক যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা জেলা মো: আব্দুল মালেক ও সাবেক ঢাকা জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহফুজুল আলম সাগরসহ বিএনপির বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

বিএনপি করায় মুক্তিযোদ্ধার নাম কেটে দিতেন মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল

রাউফুর রহমান পরাগ : বিএনপির রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ততা দেখিয়ে মুক্তিযোদ্ধা তালিকা থেকে অনেক মুক্তিযোদ্ধার নাম কেটে দেন তৎকালিন মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, তেমনি একজন গাজিপুরের পূবাইল এলাকার খিলগাঁও গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: আব্দুর রউফ সরকার   (গেজেট-২৮৫৮ )

এই বীরমুক্তিযোদ্ধার সাথে স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা সালাউদ্দিন সরকারের জমি নিয়ে বিরোধের সূত্র তৈরী হয়। রাজনৈতিক সুবিধা নিতে আওয়ামীলীগের ঐ নেতা সালাউদ্দিন তৎকালীন মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের সাথে সাক্ষাৎ করেন।

এর পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক এর পরামর্শে ঐ আওয়ামীলীগ নেতা সালাউদ্দিন সরকার ২০২১ সালে বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: আব্দুর রউফ সরকারের বিরুদ্ধে মন্ত্রণালয়ে একটি আবেদন দাখিল করেন। সেখানে বলা হয় মো: আব্দুর রউফ সরকার বিএনপির রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত  এবং তিনি সরাসরি মুক্তিযোদ্ধে অংশগ্রহণ করেননি। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জামুকায় একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেই সভায় সভাপতিত্ব করেন তৎকালীন মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

সেই সভায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: আব্দুর রউফ সরকারের কোন বক্তব্য না শুনেই এক তরফা ভাবে তার গেজেট বাতিলের সুপারিশ করা হয়। ঐ সভায় বিএনপির রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত  থাকার কারণে বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: আব্দুর রউফ সরকারসহ আরও অনেক বীর মুক্তিযোদ্ধার গেজেট বাতিলের সুপারিশ করা হয়।

এর পরিপ্রেক্ষিতে উচ্চ আদালতে রিট করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: আব্দুর রউফ সরকার। সেই রিট গ্রহণ করে আদালত মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেন, “রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পযন্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: আব্দুর রউফ সরকারের মুক্তিযোদ্ধা গেজেট বহাল থাকবে এবং তার নিয়মিত ভাতা প্রদান করতে হবে”।

নথি পত্র ঘেটে দেখা যায় ১৯৭২ সালে হাবিবুল্লাহ বাহার স্বাক্ষরিত গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা সনদধারী বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: আব্দুর রউফ সরকার ২০০৬ সালে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কমিটিতে আবেদন করেন। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের সাক্ষ্য, সনদ, দলিল দস্তাবেজ যাচাই-বাছাই শেষে তাকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বকৃতি দেয়ার সুপারিশ করা হয়। একই সাথে ২০১৩ সালে তৎকালিন গাজীপুর জেলা প্রশাসক এক চিঠিতে মো: আব্দুর রউফ সরকারকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বকৃতি দেওয়ার জন্য জামুকা ও মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে চিঠি প্রদান করেন।

এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৩ সালে মো: আব্দুর রউফ সরকার বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেট ভুক্ত হন। সেই থেকে এখন পর্যন্ত তিনি নিয়মিত মুক্তিযোদ্ধা ভাতা পেয়ে যাচ্ছেন।

তৎকালীন মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক পলাতক থাকলেও তার দোসর সালাউদ্দিন সরকার ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা  বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: আব্দুর রউফ সরকারকে “ভুয়া” আক্ষায়িত করে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালাতে থাকেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: আব্দুর রউফ সরকারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন আমি ১৯৭১ সালে ৩নং সেক্টরে ১১১ নং গেরিলা ইউনিটে মুক্তিযোদ্ধে অংশগ্রহণ করি। সালাউদ্দিন সরকারের সাথে জমি সংক্রান্ত বিরোধ থাকায় তার বিরুদ্ধে আমি একাধিক মামলা দায়ের করি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সালাউদ্দিন সরকার আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে আমাকে সামাজিকভাবে হেয় করছেন। তিনি আরও বলেন সালাউদ্দিন সরকার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দলনে অংশগ্রহণকারী ছাত্র হত্যা মামলার আসামী মামলা নং-১৬/ তারিখ ০৮/১২/২০২৪ ।

এ বিষয়ে সালাউদ্দিন সরকারের বক্তব্য জানতে চালাইতে তিনি বলেন জমি সংক্রান্ত বিরোধের সাথে মুক্তিযোদ্ধ মন্ত্রণালয়ের আবেদন করার কোন সম্পর্ক নাই। তাকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন জামুকা তার গেজেট বাতিল করেছে তবে উচ্চ আদালতের বিষয়টি বলা হলে তিনি উত্তর এড়িয়ে যান।

আশুলিয়ায় চাঁদাবাজি ও হয়রানি মূলক মামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেছে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা।

সকালে আশুলিয়ার বাইপাইল এলাকার বৃহত্তর কাঁচাবাজারে চাঁদাবাজি ও সদর হাজী সদর আলী শপিং কমপ্লেক্স মালিকের নামে হয়রানি মূলক মামলার প্রতিবাদে বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর ও নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কে বিএনপি নেতা মোলহলেছুর রহমান ইলিয়াস শাহীর নেতৃত্বে এ বিক্ষোভ মিছিল হয়।

বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ থেকে নেতাকর্মী জানান, হাসিনা সরকারের পতনের পর কিছু সন্ত্রাসী মামলয়া বাণিজ্য চাঁদাবাজি করে আসছে। এর প্রতিবাদে ধামসোনা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির উদ্যোগে প্রতিবাদ জানিয়ে এ কর্মসূচি।

সটঃ মোলহলেছুর রহমান ইলিয়াস শাহী, সভাপতি ধামসোনা ইউনিয়ন বিএনপি।

রায়পুরায় মহন মে দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

সাদ্দাম উদ্দিন রাজ নরসিংদী

“শ্রমিক-মালিক এক হয়ে,গড়বো এ দেশ নতুন করে” এ প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে মহান মে দিবস এবং জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি দিবস-২০২৫ উপলক্ষে নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলায় র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১মে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে উপজেলা প্রশাসনে উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি বর্ণ্যাঢ্য র‍্যালি বের করে শহরের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা প্রদক্ষিণ শেষে পূনরায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো:মাসুদ রানা।এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল কর্মকর্তা, রিপোর্টস ক্লাবের সভাপতি, পৌরসভা শ্রমিক দলের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক,সাংবাদিক, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি,শ্রমিক নেতৃবৃন্দ,বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

আলোচনা সভায় বক্তারা অবিলম্বে শ্রমিকদের জন্য মাসিক সম্মানী,বিনা মুল্যে চিকিৎসা ,ন্যায্য মুল্যে রেশনিং প্রদান,বাসস্থানের ব্যবস্থা সহ ন্যুনতম মজুরী নির্ধারন সহ বয়স্ক শ্রমিকদের ভাতা প্রদানের দাবী জানান।আরোও বলেন দেশের উন্নয়নে শ্রমিকদের ভুমিকা গুরুত্বপুর্ন হলেও শ্রমিকদের জীবন মান উন্নয়নে সরকারী সুবিধা থেকে তারা বঞ্চিত। অবিলম্বে শ্রমিকদের ন্যায্য দাবী বাস্তবায়নে সরকারকে জরুরী পদক্ষেপ গ্রহনের দাবী জানান।

গ্রীন সিটি হেলদী সিটি গড়তে বিন বিতরণ

স ম জিয়াউর রহমান, চট্টগ্রাম

৭নং পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডস্হ বায়েজিদ থানা মোহাম্মদ নগর এলাকায় আজ ১ মে সকালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সিটি মেয়র ডাঃ শাহাদাত হোসেনের পক্ষ থেকে গ্রীন সিটি হেলদী সিটি গড়ার লক্ষ্যে ওয়েস্ট বিন বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়

 

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও চসিক মেয়রের একান্ত সচিব জিয়াউর রহমান জিয়া। এরশাদ হোসেনের সঞ্চালনায় এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপির নেতা আবদুল বাতেন, এডভোকেট এফ এ সেলিম,কামরুল ইসলাম ,সিরাজুল ইসলাম , ফকরুল ইসলাম শাহীন, আবদুল মান্নান, আকবর হোসেন মানিকসহ এলাকার নেতৃবৃন্দসহ প্রমূখ

 

এসময় ওয়েস্ট বিন বিতরণ সময় জিয়াউর রহমান জিয়া বলেন এই এলাকা কে ক্লিন সিটি, গ্রীন সিটি এবং হেলদি সিটির আওতায় আনা। এলাকার পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে আমাদের এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

মোহাম্মদ নগরবাসী যদি যথাযথভাবে এই বিনগুলো ব্যবহার করেন এবং সঠিকভাবে বর্জ্য ফেলেন, তাহলে চট্টগ্রামকে পরিচ্ছন্ন শহরে রূপান্তর করা সম্ভব হবে। তাই নাগরিকদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সর্বশেষ আপডেট...