করোনাভাইরাসের টিকার জন্য রেজিস্ট্রেশন করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। গত ৮ জুলাই সুরক্ষা ওয়েবসাইট অ্যাপসের মাধ্যমে তার রেজিস্ট্রেশন করা হয়।
গণমাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক টিমের সদস্য অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
তিনি বলেন, ‘করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে সেরে ওঠার পরিপ্রেক্ষিতে কোভিড-১৯ এর টিকার জন্য রেজিস্ট্রেশন করেছেন খালেদা জিয়া। আলহামদুলিল্লাহ, ম্যাডাম টিকার জন্য রেজিস্ট্রেশন করেছেন। গত ৮ জুলাই সুরক্ষা ওয়েবসাইট অ্যাপসের মাধ্যমে তার রেজিস্ট্রেশন করা হয়। এখন এসএমএস এলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে। রেজিস্ট্রেশনের সময় টিকার স্থান হিসেবে মহাখালী ন্যাশনাল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট অ্যান্ড হাসপাতাল লেখা হয়েছে।’
এই চিকিৎসক আরও বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারপারসন এমনিতে হৃদরোগ, কিডনি, ফুসফুসের নানা জটিলতায় ভুগছেন। তার অবস্থা আগের মতোই। এ ছাড়া তিনি জনপ্রিয় রাজনৈতিক নেত্রী ও তিনবারের প্রধানমন্ত্রী, তাই কোথাও গেলে ব্যাপক মানুষের সমাবেশ ঘটে। এ ক্ষেত্রে তার টিকা বাসায় দেয়া যায় কি না সে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিবেচনায় নেয়া উচিত।’
গত ১৪ এপ্রিল খালেদা জিয়া করোনায় আক্রান্ত হন। প্রথম তিন সপ্তাহ তার চিকিৎসা গুলশানে চলে। পরে পোস্ট-কোভিড জটিলতা দেখা দিলে তাকে ২৭ এপ্রিল এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়, যা এখনও কার্যকর রয়েছে।
এভারকেয়ার হাসপাতালে দীর্ঘ ৫৩ দিন চিকিৎসা শেষে গত ১৯ জুন ৭৬ বছর বয়সী বিএনপি চেয়ারপারসন গুলশানের ফিরোজায় ফেরেন। এভারকেয়ার হাসপাতালে ওই সময়ে করোনা ঝুঁকি দেখা দেয়ায় তাকে বাসায় স্থানান্তর করে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল, (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে কোভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণে চলমান লকডাউনে কর্মহীন হয়ে পড়া এক’শ পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহার ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
সোমবার (১২ জুলাই) দুপুরে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে হোসেনগাঁও ইউনিয়ন পরষিদ চত্বরে স্বাস্থ্য বিধি মেনে ঐ ইউনিয়নের ১০০ পরিবারের মাঝে এ ত্রাণ সামগ্রী বিতরন করা হয়।
বিতরণ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না, সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও ভারপ্রাপ্ত ইউএনও প্রীতম সাহা, সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান মাহাবুব আলম প্রমুখ।
এছাড়াও ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য, গ্রাম্যপুলিশ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদকর্মিরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসাবে ত্রাণ সামগ্রী পেয়ে সুবিধাভোগীরা তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। জানা গেছে পর্যায়ক্রমে প্রতিটি ইউনিয়নে করোনায় কর্মহীন হতদরিদ্র মানুষদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহার ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হবে।
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক: নারায়ণগঞ্জের মদনপুরে ‘জঙ্গি আস্তানায়’ অভিযান সম্পন্ন করেছে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্র্যান্স ন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট। এ অভিযানে চারটি রিমোর্ট কন্ট্রোল, বোমার তৈরির সরঞ্জাম এবং বিপুল সংখ্যক জিহাদি বই উদ্ধার করেছে সিটিটিসি।
রোববার (১১ জুলাই) দিবাগত রাত ৩ টার দিকে মদনপুর উপজেলার কাজিপাড়া এলাকায় অভিযান শেষে সিটিটিসি প্রধান মো. আসাদুজ্জামান এ তথ্য জানান।
তিনি জানান, তিনদিন আগে মিরপুর থেকে বামসি বারেক ওরফে সাব্বিরসহ তিন জঙ্গিকে মিরপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করে সিটিটিসি। পরে বারেকের দেয়া তথ্য অনুযায়ী একটি টিম সন্ধ্যার দিকে কেরানীগঞ্জ এলাকা থেকে মেজর ওসামা ওরফে নাঈমকে গ্রেফতার করে।
ওসামা ওরফে নাঈম নব্য জেএমবির সামরিক শাখার সদস্য বলে জানান সিটিটিসি প্রধান মো. আসাদুজ্জামান।
তিনি আরও জানান, নাঈম নিজে বোমা তৈরি করে এবং বোমা তৈরির প্রশিক্ষক। মদনপুরের কাজিপাড়া এলাকায় পরিবার নিয়ে বসবাস করে সে। পাশাপাশি একটি স্থানীয় মসজিদে দীর্ঘদিন ধরে ইমামতি করছেন নাঈম। তার বাসা থেকেই উদ্ধার করা হয়েছে এসব বোমা তৈরির সরঞ্জাম ও জিহাদি বই।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, কিছুদিন আগে তার পরিবারকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয় সে। এরপর থেকে বাড়িতে একাই থাকতো এবং বোমা তৈরি করতো।
এর আগে রোববার সন্ধ্যায় প্রায় আড়াই ঘণ্টা ঘিরে রাখার পর নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে নোয়াপাড়া এলাকার মিয়াবাড়ির মসজিদের পাশে একটি কক্ষ থেকে তিনটি বোমাসহ (ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস-আইইডি) বিপুল পরিমাণ বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট। এসময় তিনটি আইইডি ঘটনাস্থলেই নিষ্ক্রিয় করেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যরা।
নারায়ণগঞ্জে বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার
সাভার,প্রতিনিধিঃ সাভারের আশুলিয়া ইউনিয়নের কাঠগড়া এলাকায় জোরপূর্বক স্যুয়ারেজ লাইন নির্মান কাজে বাঁধা দেয়ায় সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে।
এসময় সন্ত্রাসীদের মারধরে নারীসহ অন্তত ৭ জন আহত হয়েছে। তাদের উদ্ধার করে ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
রবিবার দুপুরে আশুলিয়ার কাঠগড়া বাঘের চালা এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটেছে।
আহতরা হলো- কাঠগড়া বাঘের চালা এলাকার তোতা মিয়ার ছেলে আলী আহম্মেদ মাস্টার (৬৫), তার ছেলে জিসান (২৭), পারভিন আক্তার (৫০), মোঃ পাপ্পু (২৬), আসিফ (১৮), সিহাব (২২), কাউসার (২৭) ও লিপি আক্তার (৩৫)।
হামলার শিকার ভুক্তভোগীরা জানায়, আশুলিয়া ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক শাহীন পালোয়ান কাঠগড়া এলাকার ৬ হাজার ৪৮০ মিটার রাস্তা কর্তন করে নিজ খরচে স্যুয়ারেজ লাইন নির্মাণের অনুমতি পেয়েছেন উপজেলা থেকে। রবিবার সকালে আশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহাব উদ্দিন মাদবর ওই সুয়্যারেজ লাইন নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন। কিন্তু ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক ফারুক আহমেদ তার নিজের নামে বরাদ্দকৃত ৭০০ মিটারের বাইরে এসে অবৈধভাবে শাহীন পালোয়ানের নামে অনুমোদন করানো যায়গায় স্যুয়ারেজ লাইন নির্মাণ শুরু করে। রবিবার সকালে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে ঘটনাস্থলে আসেন আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুদিপ কুমার গোপ।
এসময় ফারুক আহম্মেদের লোকজন পুলিশের উপস্থিতেই শাহিন পালোয়ানের লোকজনের উপর দেশীয় অস্ত্রসস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হামলা চালায়। এর আগেও বিষয়টি থানা পুলিশসহ এলজিইডি’র উপজেলা প্রকৌশলীকে জানানো হলেও তারা কোন পদক্ষেপ নেয়নি অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।
আহত জিসান বলেন, পুলিশকে ঘটনাস্থল দেখাতে নিয়ে গেলে পুলিশের উপস্থিতিতে আমাদের উপর সন্ত্রাসী দিয়ে হামলা করে ফারুক ও তার লোকজন। এসময় কাঠগড়া প্রাইমারী স্কুলের প্রধান শিক্ষক আলী আহম্মেদ মাস্টার ও পরিবারের সদস্যরা আমাকে বাঁচাতে আসলে তাদের উপরও হামলা চালায় আশুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক ফারুক, তার ভাই আশরাফ শিকদার। এসময় হাসান, টিপু, সোহেল মোল্লা, আশরাফ ও জশিমসহ প্রায় ২০-২৫ জন হাতুরী, রামদা, চাপাতীসহ দেশীয় অস্ত্রসস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হামলা চালায়। এঘনায় নারীসহ অন্তত ৮ জন।
তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে ফারুক আহম্মেদ বলেন, আমি আমার অনুমোদনকৃত জায়াগায় সুয়্যারেজ লাইন নির্মানের কাজ করতে গেলে আমার লোকজনের উপর হামলা চালানো হয়। এঘটনায় আমার কয়েকজন লোকজ আহত হলে তাদেরকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
সুয়্যারেজ লাইন নির্মানের বিষয়ে সাভার উপজেলা প্রকৌশলী সালেহ হাসান প্রামাণিক বলেন, অবৈধভাবে সুয়্যারেজ লাইন নির্মানকে কেন্দ্র করে হামলার বিষয়টি জানতে পেরেছি। এঘটনায় সোমবার আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রশাসনের কাছে একটি প্রতিবেদন দাখিল করবো। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।
আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুদীপ কুমার গোপ বলেন, অবৈধ সুয়্যারেজ লাইন নির্মানের খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। আমরা কাজ বন্ধ করে চলে আসার পর হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে শুনতে পেরেছি। কিন্তু আমার সামনে কোন হামলার ঘটনা ঘটেনি। এঘটনায় আশুলিয়া থানায় মামলা দায়ের হলে বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
আশরাফ হোসেন পল্টু, মাগুরা প্রতিনিধি: মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার দ্বারিয়াপুর ইউনিয়ন পরিষদের ১নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নওশের আলীকে জড়িয়ে এলাকার একটি কুচক্রি মহল সাংবাদিকদের কাছে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে রবিবার সকালে শ্রীপুর প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন।
সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে এসংবাদের তীব্র নিন্দা ও মিথ্যা তথ্য প্রদানকারীদের বিরুদ্ধে সু-বিচারের দাবী জানান।
ভূক্তভোগি ইউপি সদস্য নওশের আলী শেখ লিখিত বক্তব্যে সাংবাদিকদের জানান, গত ২৩ জুন চরচৌগাছী গ্রামের আব্দুল মান্নান খানের বাড়ীতে একই গ্রামের আব্দুল হাই অনধিকার প্রবেশ করার অপরাধে ঐদিনই সন্ধ্যায় মান্নানের বাড়িতে স্থানীয় লিটন বিশ্বাসের আহবানে ইউপি সদস্য নওশের আলীসহ ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মোবারেক আলী শেখ, সাধারণ সম্পাদক আলেক শেখসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবগের্র উপস্থিতিতে এক শালিসী বৈঠক বসে। শালিসী বৈঠকে আব্দুল হাই দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় তাকে প্রকাশে ক্ষমা চাওয়ানো হয় ।
এসময় ইউপি সদস্য নওশের আলী শেখের কোন ভূমিকা ছিলনা অথচ উক্ত শালিসকে অমান্য করে কোনো একটি কু-চক্রিমহলের ঈন্ধনে আব্দুল মান্নান, তার স্ত্রী মর্জিনা বেগম ও তার আত্মীয়স্বজন তাদের অসৎ উদ্দেশ্যেকে ভিন্নখাতে প্রভাবিত করতে ৬ বছরের শিশুকে শ্লীলতাহানীর অভিযোগ এনে আব্দুল হাইয়ের বিরুদ্ধে শ্রীপুর থানায় একটি মামলা করে এবং ইউপি সদস্যেকে জড়িয়ে সাংবাদিকদের কাছে মিথ্যা তথ্যা প্রদান করে। এ সংবাদ বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশ পাওয়ায় ইউপি সদস্য নওশের আলী সামাজিক ও মানসিকভাবে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হন।
এ ঘটনার তিনি সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে উক্ত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং তথ্য প্রদানকারীদের বিচার দাবি করেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক: কখনো প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা, কখনো তিনি ডিআইজির ছেলে। বাড়ি তার গোপালগঞ্জ এমন নানা পরিচয়ে সাভারে ৯তলা ভবন দখলের ঘটনায় প্রতারক চক্রের মূল হোতা রাকিউল ইসলামসহ ৬জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
সাভার পৌর এলাকার গেন্ডায় দখল হয়ে যাওয়া ভবনের মালিক ভূক্তভোগী মঞ্জুয়ারা বেগমের অভিযোগের প্রেক্ষিতে গেল শনিবার রাতে অভিযান চালিয়ে রাজধানীর ভাটারাসহ সাভারের বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করে সাভার মডেল থানা পুলিশ। আজ রোববার দুপুরে তাদের ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলো- প্রতারক চক্রের মূল হোতা রাকিউল ইসলাম লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জ থানার মৌজাসাতকি গ্রামের মৃত আবদুল কাদেরের ছেলে। অন্যান্যরা হলো নোয়াখালীর মৃত হায়েজ উদ্দিনের ছেলে নূর উদ্দিন ওমর, ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া থানার মো. মতিনের ছেলে ইসরাফিল, দিনাজপুর জেলার পারবর্তীপুর থানার রামচন্দ্রপুর গ্রামের মৃত আবদুল্লাহ মিয়ার ছেলে রাজু ইসলাম, কুমিল্লা জেলার দেবিদ্দ্ধাবা থানার জসিম উদ্দিনের ছেলে মমিন এবং রাজধানীর বনানীর আবুল কালামের ছেলে হাসান মেহেদি।
পুলিশী তদন্তে প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সহকারী হিসেবে পরিচয় দিলেও রাকিউল ইসলাম নামের কোন কর্মকর্তা নেই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে। এছাড়াও নিজেকে গোপালগঞ্জের বাসিন্দা হিসেবে পরিচয় দিলেও তদন্তে বেরিয়ে আসে তার বাড়ি লালমনিরহাট। পরিচয় দেওয়া পিতাকে অবসরপ্রাপ্ত ডিআইজি হিসেবে উল্লেখ করলেও এ নামের কোন ডিআজির সন্ধান পায়নি পুলিশ।
পুলিশ জানায়, প্রকৃত মালিক মঞ্জুয়ারা বেগমকে মৃত দেখিয়ে তার ভাই দাবী করে একটি জাল দলিল সৃজনের মাধ্যমে মালিকানা দাবী করে সাভার পৌর এলাকার গেন্ডা মহল্লায় ১২ শতাংশ জমির উপর নির্মিত ৯তলা বাড়ীটি দখলে নেয় রাকিউল ইসলাম। এসময় ভুক্তভোগী মঞ্জুয়ারা বেগম অভিযোগ করলে রাকিউল ইসলাম নিজেকে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারীসহ ডিআেইজির ছেলে পরিচয় দিয়ে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের চাপে রাখার চেষ্টা করে। এসময় তিনি নিজেকে গোপালগঞ্জের বাসিন্দা হিসেবেও পরিচয় দেয়। বিষয়টি পুলিশের সন্দেহ হলে এ নিয়ে তদন্ত শুরু করে সাভার মডেল থানা পুলিশ। তদন্তে প্রতারণার বিষয়টি বেরিয়ে এলে প্রতারক রাকিউল ইসলামসহ তার সহযোগীদের গ্রেফতারে মাঠে নামে পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় গেলো রাতে রাজধানী ঢাকার ভাটারা ও সাভারের বিভিন্নস্থানে অভিযান চালিয়ে প্রতারক চক্রের মূল হোতা রাকিউলসহ ৬জনকে গ্রেফতার করা হয়। অপর সহযোগীদেরও গ্রেফতারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ বিষয়ে সাভার সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহিদুল ইসলাম জানান, প্রতারক চক্রের কাছ থেকে এসময় বিপুল পরিমান স্ট্যাম্প, সাইনবোর্ড, লোহার কাটার, লোহার রড ও লাঠিসহ বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করা হয়। চক্রটি বিভিন্ন প্রতারনে করে আসছিলো। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে আরও তথ্য পাওয়া যাবে।
বিপ্লব, সাভারঃ করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) প্রভাবে সৃষ্ট সংকটের কারণে অসহায় হয়ে পড়া মানুষের জন্য সাভারে তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নে খোলা বাজারে (ওএসএম) চাল ও আটা বিক্রি শুরু হয়েছে।
শনিবার দুপুরে সাভারের হেমায়েতপুরের দক্ষিণপাড়া ওয়াসিউদ্দিন সড়কের পাশে এই ও,এম,এস’র দোকান উদ্বোধন করেন তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ফখরুল আলম সমর।
কর্মসূচির প্রথম দিনে প্রায় দুই শতাধিক হতদরিদ্র মানুষ স্বাস্থ্যবিধি মেনে সুলভমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য হিসেবে চাল ও আটা ক্রয়ের মাধ্যমে এই সেবা গ্রহণ করেন।
খাদ্য অধিদপ্তরের অধীনে আগামী তিন মাসের জন্য এই দোকানের মাধ্যমে হতদরিদ্রদের জন্য সুলভ মূল্যে বিক্রি করা হবে চাল ও আটা। এই কার্যক্রমে গরীব ও অসহায় মানুষ ৩০ টাকা ও ১৮ টাকা দিয়ে প্রতি কেজি চাল ও আটা পাবেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন , সাভার প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোবিন্দ আসচাঁজ্ , হালিম সহ তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদেস্য ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ।
নিজস্ব প্রতিবেদক: মানিকগঞ্জের গ্যারাকুল এলাকা থেকে গাঁজাসহ একজনকে আটক করেছে র্যাব -৪ ।
শুক্রবার (৯ জুলাই) রাত ১১টা ৩০ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে, মানিকগঞ্জের গ্যারাকুল এলাকায় অভিযান চালিয়ে ,মোঃ হানিফ আলী (১৯) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করেছে মানিকগঞ্জ ক্যাম্প অপারেশন টিম ,র্যাব -৪ ।
জানা যায়, মোঃ হানিফ আলী দীর্ঘদিন যাবৎ, মাদক ব্যবসাসহ মাদক সেবন করে আসছিল । মোঃ হানিফ আলী মোঃ মনির উদ্দিনের ছেলে ।
অভিযুক্ত মোঃ হানিফ আলীর বিরুদ্ধে মানিকগঞ্জ সদর থানায় একটি মাদক মামলা রুজু করার প্রক্রিয়া চলছে ।
বিষয়টি নিশ্চিত করেন, কোম্পানি কমান্ডার লেঃকমান্ডার আরিফ,সিপিসি ৩ ,মানিকগঞ্জ র্যাব -৪ ।