27 C
Dhaka, BD
মঙ্গলবার, জানুয়ারি ২০, ২০২৬

সাভারের বনগাঁও ইউপি চেয়ারম্যানের বিচারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

গণমাধ্যমে স্থানীয় চেয়ারম্যানের দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে সাক্ষাৎকার দেওয়ায় ইউনিয়নের এক বাসিন্দাকে ডেকে নিয়ে ব্যাপক মারধরের অভিযোগ উঠেছে সাভার উপজেলার বনগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে।

বুধবার দুপুরে এর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী আনোয়ার হোসেন হওলাদারের পরিবার। এরআগে মঙ্গলবার সকালে বনগাঁও ইউনিয়ন পরিষদে ডেকে নিয়ে ওই ব্যক্তিকে মারধর করেন চেয়ারম্যান ও তার লোকজন। এ ঘটনায় সাভার মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী অনোয়ার হোসেনের ভাই মেহের হওলাদার বলেন, গত কয়েকদিন আগে বনগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলামের বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ে একটি বেসরকারী টেলিভিশনে সাক্ষাৎকার দেন তার ভাই আনোয়ার।

এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ৬ এপ্রিল সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে তার ভাইকে ইউনিয়ন পরিষদে ডেকে নেন চেয়ারম্যান।

এসময় ইউনিয়ন পরিষদের পূর্ব পাশে একটি বটগাছের নিচে চেয়ারম্যান সাইফুল, তার সহযোগী মনির হোসেন, আজিজুল ইসলাম, ফরিদ, রাসেল, শরীফ ও অজ্ঞাতনামা আরও ৪/৫জন তাকে মারধর করে। কিছু বুঝে উঠার আগেই বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র, হাতুরী, হকস্টিক ও রড দিয়ে তাকে মারাত্মকভাবে আহত করে।

সন্ত্রাসীরা এসময় তাকে এলোপাথারি কিল, ঘুষি, লাথি মেরে পায়ে, মাথার বাম পাশে, পিঠে ও কোমরে লীলাফুলা জখম করে। পরে তাকে আটকে রেখে গণমাধ্যমকে দেওয়া তথ্য মিথ্যা বলে জোরপূর্বক তার কাছ থেকে স্বীকারোক্তি নিয়ে ভিডিও ধারণ করেন চেয়ারম্যান ও তার ক্যাডার বাহিনী।

ভুক্তভোগীর ছেলে রুবেল হাওলাদার বলেন, চেয়ারম্যান ও তার পালিত সন্ত্রাসীদের মারধরে গুরুতর অবস্থায় তার বাবা এখন সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি আসেন। এ ঘটনায় জড়িতদের বিচার দাবি করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও কুকর্মের বিভিন্ন তথ্য তুলে করেন ওই ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের মেম্বার মান্নান হাওলাদার।

সাভারের ফারজানা ববি নিশি হার মানিয়েছে নাসির দম্পতি তামিমাকে

সম্প্রতি ক্রিকেটার নাসির ও তামিমাকে নিয়ে সরগরম ছিল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। ঠিক তেমনি স্বামী ছেড়ে ফারজানা ববি নিশি নামের এক নারী বসবাস শুরু করেছেন এক কথিত যুবলীগ নেতা তপুর সাথে। খালাতো ভাইবোন পরিচয়ে রাত যাপন করছেন এক ঘরে। এরকমটাই দাবি করেছেন ফারজানা ববি নিশির স্বামী আরিফ। এব্যাপারে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তিনি।

প্রায় ২২ বছরের সংসার, দুই সন্তান ছেড়ে সাভারে এসেছেন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করার আশায়। প্রায় দুই যুগের সংসার ফেলে স্বামীর ব্যাংক চেক, টাকা-পয়সা নিয়ে অন্য পুরুষের সাথে রাত যাপন করায় ব্যাপক সম্মানহানীর শিকার স্বামী আরিফ। থানায় অভিযোগ, সাধারন ডায়েরি করেও প্রতিকার মিলছে না। সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে স্ত্রীর পথ চেয়ে স্বামী রয়েছেন অপেক্ষায়। কিছুদিন মায়ের সাথে ছিলেন তার বড় সন্তান। কিন্তু মায়ের কুকীর্তী দেখে বাধ্য হয়েই ফিরে গেছেন বাবার কাছে।

আরিফের ছোট্ট সন্তান জানায়, প্রায় প্রতিরাতে কথিত যুবলীগ নেতা শাহীন ফারজানা ববি নিশির বাড়িতে আসেন। তপু আগে থেকেই সেখানে থাকেন। শাহীন এসে খিচুরি রান্না করতে বলেন। পরে তপুও ঘর থেকে বের হয়ে যায়। শুরু হয় নোংরামি। এসব সহ্য করতে না পেরে বড় বাবার কাছে যেতে চায় শিশু সন্তান। পরে নিশি ঢাকায় একটি বাসস্ট্যান্ড থেকে রিকশা ভাড়া করে বাবার কাছে পাঠায় নিশি।

আরিফের বড় সন্তান আরও বলে, সাহিন সাহেব আজ থেকে আপনি আর আমার আম্মুর কাছে যাবেন না। আপনি যদি আমার আম্মুর কাছে যান তাহলে পুলিশের কাছে কমপ্লেইন করবো, যুবলীগে গিয়ে আমি আপনার বিরুদ্ধে অভিযোগ করবো। আপনি যাওয়ার পর থেকেই তপু আমাদের বাসায় গেছে। আপনার জন্যই সংসারে এরকম অশান্তি হচ্ছে। আপনি যদি ভাল চান তাহলে আপনি আর আমাদের বাসায় যাবেন না। এমনি করেই সাভারের কথিত যুবলীগ নেতা শাহিনকে উদ্দেশ্য করে কান্নাজরিত কন্ঠে কথা গুলে বলে ওই শিশু।

এ ব্যাপারে আরিফ বলেন, আমি কোর্টের মাধ্যমে তাদের লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছি। তাদের বিষয়টি সমাধানের জন্য কোর্ট নির্দেশনা দিয়েছেন। আরিফ বলেন, আমাকে নিঃস্ব করেছে নিশি। তার আগেও অ্যাফেয়ার ছিল, আমি শোধরানোর চেষ্টা করেছি। কিন্তু সে খারাপ প্রকৃতির। তাই ফিরে আসে নি। উল্টো আমার টাকা পয়সা, ব্যাংকের চেকবই, স্বর্ণালংকার সব নিয়ে চলে গেছে।

এব্যাপারে কথিত যুবলীগ নেতা, শাহিন, তপু ও ফারজানা ববি নিশির সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করেও তাদের পাওয়া যায় নি।

মার্কেট খুলে দেওয়ার দাবিতে সাভারে ব্যবসায়ীদের মহাসড়ক অবরোধ

বিপ্লব,সাভার : সাভারে লকডাউনে বন্ধ রাখা সমস্ত মার্কেট খুলে দেওয়ার দাবিতে দ্বীতিয় দিনের মতো ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে ব্যবসায়ীরা।

এসময় মহাসড়টিতে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হলে দুর্ভোগে পড়ে যাত্রীরা। মঙ্গলবার সকাল ১০ টা থেকে দুপুর পর্যন্ত সাভার বাজার বাসস্ট্যান্ডের নিউ মার্কেটের সামনে রাস্তার দুই পাশে অবরোধ করে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেন বিভিন্ন মার্কেটের দোকান মালিক ও কর্মচারীরা।

সরেজমিনে সাভার বাসষ্ট্যান্ডে গিয়ে দেখা যায়, সাভার নিউ মার্কেটের সামনে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের দুই পাশে অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন বিভিন্ন মার্কেটের দোকান মালিক ও কর্মচারীরা।

এসময় মহসড়কে চলাচলরত সকল ধরনের যানবাহন বন্ধ করে দেয়া হয়। এ্যাম্বুলেন্স ও মোটরসাইকেলগুলোকে উল্টোদিকে ঘুরিয়ে দেয়া হয়। তবে এসময় পুলিশ সদস্যদেরকে নিরপ দর্শকের ভূমিকায় দেখা গেছে।

বিক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা বলেন, করোনার মধ্যে শুধু মাত্র কাঁচা বাজার এবং ঔষুধের দোকান খোলা রেখে সব ধরনের দোকাটপাট বন্ধ রাখার ঘোষনা দিয়েছে সরকার। আমরা যারা মার্কেটে কাজ করি তাদের পকেটে টাকা নাই, বাজার করবো কিভাবে।

রবিউল ইসলাম নামে সাভার নিউ মার্কেটের একজন ব্যবসায়ী বলেন, আমাদের মার্কেটে সুন্দর পরিবেশ, সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, মাস্ক ব্যবহারসহ সকল ধরনের সুরক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে। এরপরও আমাদের মার্কেটগুলো কেন বন্ধ রাখা হয়েছে। তাই এখন থেকে পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে সাভারের সমস্ত দোকানপাট খোলা রাখার জন্য বিক্ষোদ্ধ ব্যবসায়ীরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানান।
অপর ব্যবসায়ী কামরুল হাসান বলেন, পুলিশের ওসি ইন্টেলিজেন্স আল-আমীন স্যারের সাথে কথা হয়েছে। তিনি সকল মার্কেটের সভাপতির ফোন নম্বর যোগার করে নিয়ে যেতে বলেছেন।

সভাপতিদের সাথে কথা বলে কিভাবে দোকান খুলে দেওয়া যায় সে ব্যবস্থা করবেন। এই আশ্বাসে আমরা প্রথমদিন সড়ক থেকে চলে যাই। কিন্তু এব্যাপারে কোন সিদ্ধান্ত না আসায় আমরা দ্বীতিয় দিনের মতো সড়কে নামতে বাধ্য হয়েছি।
সাভার মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সাইফুল ইসলাম বলেন, মহাসড়ক অবরুধের খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। এসময় ব্যবসায়ী নের্তৃবৃন্দ এবং দোকান মালিকদের সাথে কথা বলে তাদেরতেকে সরকারী সিদ্ধান্ত মেনে চলার আহŸান জানাই। এছাড়া তাদের বিষয়টি উর্দ্বতন কর্তপক্ষের সাথে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের আশ^াস দেয়া হলে বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে তারা সড়ক অবরোধ প্রত্যাহার করে নেয়।

বর্তমানে সড়কে কোন অবরুধ নেই এবং যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে বলেও জানান তিনি।

সিংগাইর পৌর মেয়র আবু নাঈম মোহাম্মদ বাসারের সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত(ভিডিও)

বিপ্লব,সাভারঃ সিংগাইর পৌরসভার কার্যক্রম অধিকতর গতিশীল করা এবং একটি আধুনিক পৌরসভা গড়ার লক্ষ্যে সিংগাইর উপজেলার কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে  উপজেলা প্রেসক্লাবে মতবিনিময়য় করলেন  পৌরমেয়র আবু নাঈম মোহাম্মদ বাসার ।

গত ৬ এপ্রিল মঙ্গলবার সকাল ১১ টার দিকে সিঙ্গার পৌরসভার নবনির্বাচিত মেয়র আবুল বাশার সিংগাইর প্রেসক্লাব কক্ষে স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে এই মতবিনিময় সভায় যোগদেন । উক্ত সভায় বর্তমান মেয়র আগামী দিনগুলোতে কিভাবে পৌরসভার উন্নয়নে গৃহীত বিভিন্ন প্রকল্প তুলে ধরেন, এ সময় তিনি বলেন , আমার নির্বাচনী কালিন সময় দেওয়া সকল অঙ্গীকার গুলো আমি একের পর এক বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আপনাদের সহযোগিতা কামনা করছি । বিগত ১০ বছরে সিংগাইর পৌর এলাকায় কোন কাজ না হাওয়াই সিংগাইর পৌরবাসী অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, আপনাদের সহযোগিতা পেলে ইনশাল্লাহ আমি সকল কাজ সম্পূর্ণ করব ।

এসময় তিনি আরো বলেন, আমি নির্বাচনী ইশতেহারে মধ্যে যা কথা দিয়েছি তাহা আমি মাস্টারপ্ল্যান এর মাধ্যমে একটি দৃষ্টিনন্দন পৌরসভা গড়ার লক্ষ্যে পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাঘাট গুলোতে নতুন করে সংস্কার করা হবে,পানি নিষ্কাশন ড্রেনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে , ইতিমধ্যে আমি অনেকগুলো কাজ হাতে নিয়ে করে যাচ্ছি, আগামী দিনগুলোতে উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় চলমান থাকবে ।

এছারাও তিনি করোনা মোকাবেলায় সিংগাইর পৌর এলাকায় প্রতিটি বাড়িতে নিজ অর্থায়নের মাস্ক পোঁছে দিয়েছেন পাশাপাশি ভিবিন্ন পদক্ষেপ হাতে নেওয়া সহ সিংগাইর পৌরসভাকে সিসিটিভির আওতায় আনাহবে বলেও জানান তিনি ।

উক্ত সময় ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার বেশ কয়েকজন সাংবাদিক তাদের বক্তব্য তুলে ধরেন।

এ সময় সিংগাইর উপজেলা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে ক্রেজ হাতে তুলে দেন সাংবাদিক সমিতির সভাপতি মানবেন্দ্র চক্রবর্তী ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, সিংগাইর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি-এফ এম ফজলুল হক, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক- বাদল হোসেন সহ সিংগাইর উপজেলার সকল ইলেকট্রনিক্স ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ ।

রাজশাহীতে খুলছে দোকান,লকডাউন মানছে না ব্যাবসায়ীরা

সৌমেন মন্ডল, রাজশাহী ব্যুরোঃ রাজশাহীর আরডিএ মার্কেট এর দোকান গুলো খুলা হয়েছে।

করোনার লকডাউন না মেনেই দোকান খুলেছেন রাজশাহীর ব্যবসায়ীরা। ব্যবসায়ীরা আজ মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) সকাল থেকে সাহেব বাজারের আরডিএ মার্কেটের দোকানগুলো খুলেছেন। তবে দোকানগুলোতে ক্রেতাদের উপস্থিতি কম ছিলো।

আরডিএ মার্কেটের ভেতর কাপড়সহ বিভিন্ন জিনিসের দোকানগুলো খোলা। ব্যবসায়ীরা দোকানগুলো খোলা রাখলেও নেই ক্রেতা। দোকান খুলে অনেকটাই অসল সময় কাটাতে দেখা গেছে ব্যবসায়ীদের। তাদের দাবি ক্রেতারা জানে না দোকান খোলা আছে। বিষয়টি জানা জানি হলে ক্রেতার সংখ্যা আরও বাড়বে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন- দোকান খোলা রাখা হয়েছে। এখানে সর্বোচ্চ স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে। যে ক্রেতা মাস্ক ছাড়া দোকানে আসবে তার কাছে পণ্য বিক্রি করা হবে না। এছাড়া ক্রেতারা এখনও জানানে না যে দোকান খোলা আছে। সেই কারণেই মূলত ক্রেতা কম।

মেরি আক্তার নামের এক ক্রেতা জানান- ‘স্যাম্পু শেষ হয়ে গিয়েছিলো। তাই কিনে নিলাম।’ এই স্যাম্পু তো এলাকার দোকানেও পাওয়া যাবে এমন কথার উত্তরে তিনি বলেন- ‘অন্য প্রয়োজন ছিলো।’

প্রসঙ্গত, গতকাল সোমবার সকালে দোকান খোলার দাবিতে রাস্তায় নামে ব্যবসায়ীরা। এর আগের দিন রোববার স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকান খোলার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করে ব্যবসায়ীরা।

মাগুরার শ্রীপুরে করোনা সংক্রামণ রোধে প্রশাসনের ব্যাপক তৎপরতা

আশরাফ হোসেন পল্টু, মাগুরা প্রতিনিধি:সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী সারাদেশে করোনা সংক্রামণ রোধে সপ্তাহ ব্যাপী লকডাউনের অংশ হিসেবে মাগুরার শ্রীপুর উপজেলাতেও উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে ।

লকডাউনের প্রথম দিন থেকে শুরু করে আজ দ্বিতীয় দিনেও প্রশাসনের কর্মতৎপরতা, জনসচেতনতামূলক প্রচার-প্রচারণা, মোবাইল কোর্ট ও অভিযান চলছেই । শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইয়াছিন কবীর, সহকারি কমিশনার (ভুমি) হাছিনা মমতাজ ও শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ শুকদেব রায় এর নেতৃত্বে উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অভিযান ও গণপরিবহণে চেকপোষ্ট বসিয়ে তল্লাশী করা হচ্ছে ।

আজ মঙ্গলবার লকডাউনের দ্বিতীয় দিনে যাত্রীবাহী দুরপাল্লার বা লোকাল কোন পরিবহন না চললেও সকাল থেকেই যাত্রীবাহী অটোটেম্পু ও ব্যাটারী চালিত ইজিবাইক ছিল চোখে পড়ার মতো । দুপুর ১২টার দিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইয়াছিন কবীর এর নেতৃত্বে শ্রীপুর-মাগুরা সড়কের টেম্পু ষ্ট্যান্ড ও কুমার নদের ব্রিজ এলাকায় চেকপোষ্ট বসিয়ে প্রায় অর্ধশত যাত্রীবাহী ইজিবাইক ও অটোটেম্পু আটক করা হয় ।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইয়াছিন কবীর বলেন, সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক এ অভিযান অব্যাহতভাবে চলতেই থাকবে। তাই করোনা সংক্রামণ রোধে সবাইকে সচেষ্ট হওয়ার জন্য আহবান করেন।

ঝালকাঠি ধ্রুবতারা’র উদ্যোগেজনসচেতনতায় মাস্ক, সাবান, লিফলেট  বিতরণ

সৈয়দ রুবেল, ঝালকাঠি জেলা  প্রতিনিধিঃ ঝালকাঠিতে ধ্রুবতারা ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন জেলা শাখার উদ্যোগে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ফ্রি মাস্ক, সাবান, লিফলেট ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ করা হয়।

০৬/০৪/২০২১ইং মঙ্গলবার সকালে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মুখ থেকে সংগঠনের জেলা সভাপতি রিয়াজুল ইসলাম বাচ্চু ও জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ৯নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী মোঃ হুমায়ুন কবির এ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের ঝালকাঠি জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ও শহীদ রাজা ডিগ্রি কলেজের ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক অমরেশ রায় চৌধুরী, ধ্রুবতারা কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য এইচএম গিয়াস উদ্দিন, জেলা শাখার যুগ্ম সম্পাদক মো: শাকিল রনি, আইসিটি সম্পাক এইচএম নবীন, সদস্য মো: শফিকুল ইসলাম, মোঃ মুবিন ইসলাম, মোঃ রাফি, আবির হোসেন রানা প্রমুখ।

ঝালকাঠি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু করে লঞ্চঘাট পর্যন্ত  পথচারী, হোটেল-রেস্তোরা ও দোকানে ফ্রি মাস্ক, সাবান ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ করা হয় এবং জনগনের মধ্যে কোভিড-১৯ বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে লিফলেট বিতরণ করা সহ করণা থেকে সচেতন থাকার জন্য বিভিন্ন দিক নির্দেশনা দেওয়া হয়।

রাণীশংকৈলে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ

হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল, (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে ৬ এপ্রিল মঙ্গলবার খরিপ-১ মৌসুমের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উফশী আউশ ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষকের উৎসাহ প্রদানের জন্য প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

এ উপলক্ষে এদিন দুপুরে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে পরিষদ চত্বরে উপজেলার দুইশ’ কৃষকের মধ্যে বীজ ও সার বিতরণ উদ্বোধন কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন,সাবেক সাংসদ জেলা আ’লীগ সহ সভাপতি সেলিনা জাহান লিটা, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহারিয়ার আজম মুন্না, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোহেল সুলতাল জুলকার নাইন কবির,
আ’লীগ সভাপতি অধ্যক্ষ সইদুল হক, ভাইস চেয়ারম্যান সোহেল রানা, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শেফালী বেগম, কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সঞ্জয় দেবনাথ।

এছাড়াও কৃষি বিভাগের বিভিন্ন কর্মকর্তা কর্মচারী ও উপকারভোগী কৃষক ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে আজ বিতরণ কার্যক্রমে উপজেলার তালিকাভুক্ত মোট ১৮৫০ জন কৃষকের মধ্যে ২০০ জনের প্রত্যেক কে ৫ কেজি আউশ ধানের বীজ, ২০ কেজি ডিএসপি ১০ কেজি এমওপি রাসায়নিক সার বিনামূল্যে প্রদান করা হয়।

পর্যায়ক্রমে এ বিতরণ অব্যাহত থাকবে।

লকডাউনের প্রতিবাদে নিউমার্কেট এলাকায় ব্যবসায়ীদের রাস্তা অবরোধ

লকডাউনের প্রতিবাদে রোববার দুপুরে রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় রাস্তা অবরোধ করেন ব্যবসায়ীরা। দাবি জানান, মার্কেট খোলা রাখার।

সেসময় প্লেকার্ড হাতে ব্যবসায়ীরা স্লোগান দিতে থাকেন। এতে এলাকাটিতে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়; বিপাকে পড়েন সাধারণ মানুষ।

এছাড়াও মিরপুর, পান্থপথসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় লকডাউন বিরোধী মিছিল ও সমাবেশ করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। অবিলম্বে লকডাউন প্রত্যাহারের দাবি জানান তারা।

বিকল্প হিসেবে লকডাউনের মধ্যে দিনের বেলা একটি নির্দিষ্ট সময় দোকান খোলা রাখার অনুমতি দেয়ারও আহ্বান জানান ব্যবসায়ীরা।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকানপাট খোলা রাখতে চান রাজশাহীর ব্যাবসায়ীরা

সৌমেন মন্ডল, রাজশাহী ব্যুরোঃ রাজশাহীতে লকডাউনের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শান্তিপূর্ণভাবে দোকানপাট খোলা রেখে স্বাভাবিক নিয়মে ব্যবসা করবো।

আমাদের জন্য কোন হয়রানির শিকার হতে না হয়। আজ রোববার (৪ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সংবাদ সম্মেলনে রাজশাহী ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদ এমন কথা জানায়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন- রাজশাহী ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদুর রহমান

এসময় তিনি জানান- বিগত লকডাউনের সময় সরকার প্রদত্ত প্রণোদনা অর্থ আমরা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কেউই পাইনি, পেয়েছেন হাতে গোনা কিছু শিল্পপতিরা। যদি হাজার হাজার শ্রমিক সহ বড় বড় শিল্প কলকারখানা সীমিত আকারে চলতে পারে তবে আমরা কেন আমাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখতে পারবনা? আমরা ব্যবসায়ীরা মাস্ক ছাড়া কোন ধরনের পণ্য বিক্রি করবো না।

এই সংবাদিক সম্মেলনের পরেও যদি নীতি নির্ধারকদের বোধ না হয়-তাহলে ব্যবসায়ীরা রাস্তায় নামবে।

এসময় ব্যবসায়ী নেতারা জানান- আমরা সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্যবসা করতে চাই। করোনার বিগত বছরে যে আমাদের ক্ষতি হয়েছে তার কোন ভাবে পোষানো সম্ভব নয়। এবছরও একই ভাবে সরকার লকডাউন দিয়ে দোকানপাট বন্ধ করছে- তাতে আমাদের ব্যবসায়ীক ক্ষতি আরও বাড়বে।

নেতারা আরও জানান- রাজশাহীর ব্যবসায়ীরা হচ্ছে ছাগলের তিন নম্বর বাচ্চা। যে বাচ্চাটা দুধ পাই না- এই বাচ্চা টা হলো রাজশাহী। প্রতিবছরের এই রোজার মাসই আমাদের ব্যবসার মৌসুম। এসময় ব্যবসা করে আমরা সারাবছর চলি। তার পরে লকডাউনের সিদ্ধান্ত খুবিই কষ্ট কর।

রাজশাহী ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদের সিনিয়র সহসভাপতি রফিকুজ্জামান, ফৌজদার শফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ফরিদ মামুদ হাসান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবিএম মনোয়ার সুলতান মানু, ইয়াসিন আলী সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেট...