কাঁঠালিয়ায় স্কুলশিক্ষক করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর পরে পরিবারের ৩জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে
সৈয়দ রুবেল, ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধিঃ ঝালকাঠি জেলার কাঠালিয়া উপজেলার নিয়ামতপুরা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় এর সহকারী শিক্ষক তন্ময় বেপারী করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করার ছয় দিন পরে তার পরিবারের তিন সদস্য করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।
মৃত্যু তন্ময় ব্যাপারির পরিবারের করণা আক্রান্ত ব্যক্তিরা হলেন, স্ত্রী -শ্রাবনী রানী,পিতা – দিলীপ বেপারী ও ভাইয়ের স্ত্রী সম্পা রানী।
আক্রান্ত ব্যক্তিরা পার্শ্ববর্তী ভান্ডারিয়া হাসপাতালের আইসোলেশনে রয়েছেন।
উল্লেখ থাকে যে, তন্ময় বেপারী চেচরীরামপুর ইউনিয়নের রামপুর গ্রামের দিলীপ ব্যাপারীর ছেলে। সে নিয়ামতপুরা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় সহকারি শিক্ষক হিসাবে কর্মরত ছিলেন।
গত ০৩/০৪/২০২১ইং তারিখ করণায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন।
ঠাকুরগাঁওয়ে দোকানপাট খোলার দাবিতে মানববন্ধন
রেজাউল ইসলাম মাসুদ, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধিঃ স্বাস্থ্যবিধি মানবো, দোকানপাট খুলবো এ শ্লোগানে ঠাকুরগাঁও জেলার সকল ব্যবসায়ীরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলার দাবীতে মানববন্ধন করেন।
বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায় জেলার সকল ব্যাবসায়ীদের সমন্বয়ে ঠাকুরগাঁও চৌরাস্তা মোড়ে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
সরকারের নির্দেশনা অনুয়ায়ী নিত্যপ্রয়োজনীয় ছাড়া সকল দোকান বন্ধ রাখার নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।
এতে অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হোন ব্যবাসায়ীরা। দোকানপাট খোলার দাবিতে রাস্তায় নামতে শুরু করেছেন ব্যবসায়ীরা। এরই অংশ হিসেবে ঠাকুরগাঁও জেলার সকল ব্যবসায়ীরা বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধনে অংশ নেন।
এতে শহরের চৌরাস্তায় ঠাকুরগাঁও জেলার সকল ব্যবসায়ীরা বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেন। তারা স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে রাখার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেন বলে জানিয়েছেন ।
মানববন্ধনে ব্যবসায়ীরা তাদের বক্তব্যে বলেন,
রমজান মাসের আগে এভাবে দোকানপাট বন্ধ রাখা হলে ব্যবসায়ীরা পথে বসবেন। এমনিতেই গত বছরের ক্ষতি এখনো ব্যবাসায়ীরা পুষিয়ে নিতে পারেনি।
এ কারণে ব্যবসায়ীরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকাল ৮ টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত দোকানপাট খোলার দাবি জানান।
করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে সরকারের জারি করা বিধিনিষেধ নিষেধাজ্ঞা অনুযায়ী জরুরি সেবা ছাড়া অন্যান্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
সাভারের বনগাঁও ইউপি চেয়ারম্যানের বিচারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন
গণমাধ্যমে স্থানীয় চেয়ারম্যানের দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে সাক্ষাৎকার দেওয়ায় ইউনিয়নের এক বাসিন্দাকে ডেকে নিয়ে ব্যাপক মারধরের অভিযোগ উঠেছে সাভার উপজেলার বনগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে।
বুধবার দুপুরে এর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী আনোয়ার হোসেন হওলাদারের পরিবার। এরআগে মঙ্গলবার সকালে বনগাঁও ইউনিয়ন পরিষদে ডেকে নিয়ে ওই ব্যক্তিকে মারধর করেন চেয়ারম্যান ও তার লোকজন। এ ঘটনায় সাভার মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী অনোয়ার হোসেনের ভাই মেহের হওলাদার বলেন, গত কয়েকদিন আগে বনগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলামের বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ে একটি বেসরকারী টেলিভিশনে সাক্ষাৎকার দেন তার ভাই আনোয়ার।
এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ৬ এপ্রিল সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে তার ভাইকে ইউনিয়ন পরিষদে ডেকে নেন চেয়ারম্যান।
এসময় ইউনিয়ন পরিষদের পূর্ব পাশে একটি বটগাছের নিচে চেয়ারম্যান সাইফুল, তার সহযোগী মনির হোসেন, আজিজুল ইসলাম, ফরিদ, রাসেল, শরীফ ও অজ্ঞাতনামা আরও ৪/৫জন তাকে মারধর করে। কিছু বুঝে উঠার আগেই বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র, হাতুরী, হকস্টিক ও রড দিয়ে তাকে মারাত্মকভাবে আহত করে।
সন্ত্রাসীরা এসময় তাকে এলোপাথারি কিল, ঘুষি, লাথি মেরে পায়ে, মাথার বাম পাশে, পিঠে ও কোমরে লীলাফুলা জখম করে। পরে তাকে আটকে রেখে গণমাধ্যমকে দেওয়া তথ্য মিথ্যা বলে জোরপূর্বক তার কাছ থেকে স্বীকারোক্তি নিয়ে ভিডিও ধারণ করেন চেয়ারম্যান ও তার ক্যাডার বাহিনী।
ভুক্তভোগীর ছেলে রুবেল হাওলাদার বলেন, চেয়ারম্যান ও তার পালিত সন্ত্রাসীদের মারধরে গুরুতর অবস্থায় তার বাবা এখন সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি আসেন। এ ঘটনায় জড়িতদের বিচার দাবি করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও কুকর্মের বিভিন্ন তথ্য তুলে করেন ওই ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের মেম্বার মান্নান হাওলাদার।
সাভারের ফারজানা ববি নিশি হার মানিয়েছে নাসির দম্পতি তামিমাকে
সম্প্রতি ক্রিকেটার নাসির ও তামিমাকে নিয়ে সরগরম ছিল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। ঠিক তেমনি স্বামী ছেড়ে ফারজানা ববি নিশি নামের এক নারী বসবাস শুরু করেছেন এক কথিত যুবলীগ নেতা তপুর সাথে। খালাতো ভাইবোন পরিচয়ে রাত যাপন করছেন এক ঘরে। এরকমটাই দাবি করেছেন ফারজানা ববি নিশির স্বামী আরিফ। এব্যাপারে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তিনি।
প্রায় ২২ বছরের সংসার, দুই সন্তান ছেড়ে সাভারে এসেছেন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করার আশায়। প্রায় দুই যুগের সংসার ফেলে স্বামীর ব্যাংক চেক, টাকা-পয়সা নিয়ে অন্য পুরুষের সাথে রাত যাপন করায় ব্যাপক সম্মানহানীর শিকার স্বামী আরিফ। থানায় অভিযোগ, সাধারন ডায়েরি করেও প্রতিকার মিলছে না। সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে স্ত্রীর পথ চেয়ে স্বামী রয়েছেন অপেক্ষায়। কিছুদিন মায়ের সাথে ছিলেন তার বড় সন্তান। কিন্তু মায়ের কুকীর্তী দেখে বাধ্য হয়েই ফিরে গেছেন বাবার কাছে।
আরিফের ছোট্ট সন্তান জানায়, প্রায় প্রতিরাতে কথিত যুবলীগ নেতা শাহীন ফারজানা ববি নিশির বাড়িতে আসেন। তপু আগে থেকেই সেখানে থাকেন। শাহীন এসে খিচুরি রান্না করতে বলেন। পরে তপুও ঘর থেকে বের হয়ে যায়। শুরু হয় নোংরামি। এসব সহ্য করতে না পেরে বড় বাবার কাছে যেতে চায় শিশু সন্তান। পরে নিশি ঢাকায় একটি বাসস্ট্যান্ড থেকে রিকশা ভাড়া করে বাবার কাছে পাঠায় নিশি।
আরিফের বড় সন্তান আরও বলে, সাহিন সাহেব আজ থেকে আপনি আর আমার আম্মুর কাছে যাবেন না। আপনি যদি আমার আম্মুর কাছে যান তাহলে পুলিশের কাছে কমপ্লেইন করবো, যুবলীগে গিয়ে আমি আপনার বিরুদ্ধে অভিযোগ করবো। আপনি যাওয়ার পর থেকেই তপু আমাদের বাসায় গেছে। আপনার জন্যই সংসারে এরকম অশান্তি হচ্ছে। আপনি যদি ভাল চান তাহলে আপনি আর আমাদের বাসায় যাবেন না। এমনি করেই সাভারের কথিত যুবলীগ নেতা শাহিনকে উদ্দেশ্য করে কান্নাজরিত কন্ঠে কথা গুলে বলে ওই শিশু।
এ ব্যাপারে আরিফ বলেন, আমি কোর্টের মাধ্যমে তাদের লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছি। তাদের বিষয়টি সমাধানের জন্য কোর্ট নির্দেশনা দিয়েছেন। আরিফ বলেন, আমাকে নিঃস্ব করেছে নিশি। তার আগেও অ্যাফেয়ার ছিল, আমি শোধরানোর চেষ্টা করেছি। কিন্তু সে খারাপ প্রকৃতির। তাই ফিরে আসে নি। উল্টো আমার টাকা পয়সা, ব্যাংকের চেকবই, স্বর্ণালংকার সব নিয়ে চলে গেছে।
এব্যাপারে কথিত যুবলীগ নেতা, শাহিন, তপু ও ফারজানা ববি নিশির সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করেও তাদের পাওয়া যায় নি।
মার্কেট খুলে দেওয়ার দাবিতে সাভারে ব্যবসায়ীদের মহাসড়ক অবরোধ
বিপ্লব,সাভার : সাভারে লকডাউনে বন্ধ রাখা সমস্ত মার্কেট খুলে দেওয়ার দাবিতে দ্বীতিয় দিনের মতো ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে ব্যবসায়ীরা।
এসময় মহাসড়টিতে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হলে দুর্ভোগে পড়ে যাত্রীরা। মঙ্গলবার সকাল ১০ টা থেকে দুপুর পর্যন্ত সাভার বাজার বাসস্ট্যান্ডের নিউ মার্কেটের সামনে রাস্তার দুই পাশে অবরোধ করে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেন বিভিন্ন মার্কেটের দোকান মালিক ও কর্মচারীরা।







































