বিপ্লব,সাভার :সাভারের হেমায়েতপুরে নতুন পাড়া এলাকায় এক গার্মেন্টস কর্মীকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যার অভিযোগে দুই জনকে আটক করেছে সাভার থানা পুলিশ।
গলায় ফাঁস দিয়ে নিহত মাজাহারুল ( ২৭ ) বাড়ি ,পলাশবাড়ী, সমীর নগর, ঠাকুরগাঁও । নিহত ওই গার্মেন্টস শ্রমিক নতুনপাড়া এলাকার আলেয়া এ্যাপারেলন্স লিমিটেডে কর্মরত ছিলো বলে জানায়ায় । আটককৃতরা হলো মোহাম্মদ সলিম (৫৫) ও তাহার স্ত্রী নবিতা খাতুন (৪৫) পলাশবাড়ী, সমীরনগর, ঠাকুরগাঁও ।
আটককৃত সলিম ও তাহার স্ত্রী নবিতা খাতুন সাভারের হেমায়েতপুর ,নতুনপাড়া এলাকায় ওহাব মিয়ার বাড়ির ভাড়া টিয়া । গার্মেন্টস কর্মীদের কাছে মাসিক ভাত খাওনোর ব্যবসা করতো বলে জানা যায়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে আসামি সলিম বলেন ৪ মাস আগে আমি মাজারুলের ছোট বোন মৌসুমি কে মাসিক হিসেবে খাবার খাওতাম, কিন্তু তাহার ছোট বোন আমার খাবারের মোট ১৪০০০ টাকা না দিয়ে চলে যায়, পরবর্তীতে আমরা এক মাধ্যম দিয়ে জানতে পারি মাজাহারুল নামে তার একটি বড় ভাই আছে, আমরা তাঁর কাছে যাই এবং টাকা দাবী করি, মাজারুল আমাদের থেকে বেশ কিছুদিন সময় নিলেও টাকা পরিশোধ করতে পারেনি, আজ তারিখ ছিল টাকা দেয়ার তাই তাকে আলেয়া অ্যাপারেলস লিমিটেড এর সামনে থেকে ডেকে নিয়ে আসছি এবং টাকা চাইলে মাজাহারুল বলে, আজ টাকা দিবো ।
তারপর তাকে আমরা একটি রুমে রেখেছিলাম, কিছুক্ষণ পর ডাকাডাকি করে দরজা খুলতে না পাড়ায়, পুলিশকে খবর দেই , পুলিশ এসে গেটের এক পাশে কেটে দরজা খুলে দেখে মাজহারুল গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় আছে। সাভার থানা পুলিশ এস,আই সুজন বিশ্বাস ঘটনা স্থলে এসে নিহেতর লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে প্রেরণ করে।
এবিষয়ে সাভার মডেল থানার এস আই উপ-পরিদর্শক সুজন বিশ্বাস বলেন,এঘটনায় সাভার মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
সৌমেন মন্ডল, রাজশাহী ব্যুরোঃ ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি ও কিছু এনজিওদের চাপে ভাসানচরে রোহিঙ্গা স্থানান্তর বিলম্বিত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন। রোববার বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এ মন্তব্য করেন তিনি।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধানে প্রায় ১ লাখ রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে স্থানান্তর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাদের বেশিরভাগই যেতে ইচ্ছুক। দিনক্ষন এখনো ঠিক না হলেও শুধুমাত্র এনজিও ও ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সির চাপে এই স্থানান্তর প্রক্রিয়া বিলম্বিত হচ্ছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, রোহিঙ্গারা বর্তমানে যে জায়গায় রয়েছে সেই জায়গাটির পরিমাণ ৬ হাজার ৮০০ একর। পাহাড় ও টিলায় ঘরে হলেও জায়াগাটি অনেক কনজাসটেড।
কিন্তু সমস্যা হলো অতিবৃষ্টি হলে যেকোনো সময় ধসে রোহিঙ্গা মারা যেতে পারে। তখন সবাই আমাদের দোষ দিবেন। আর বর্তমানে যেখানে আছে বেশিরভাগ মাদক, মানবপাচারসহ নানা ধরনের অপকর্মে লিপ্ত তারা।
মন্ত্রী আরো বলেন, ভামানচর অনেক সুন্দর জায়গা। আমার তো ইচ্ছা সেখানে রিসোর্ট করা। ভাসানচরে গেলে রোহিঙ্গারা ইকোনমিক অ্যাকটিভিজ করতে পারবে, কৃষি কাজ করতে পারবে, গরু-ছাগল পালন করতেও পারবে। দিনক্ষণ ঠিক না হলেও আমরা রোহিঙ্গাদের সেখানে স্থানান্তর করার চেষ্টা করছি।
নতুন সরকারের সাথে কুটৈনতিক সম্পর্ক আরো উন্নত হবে বলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, আমেরিকা আমাদের কাছ থেকে যে জিনিসগুলো নেয় তাতে এক্সাট্রা আরো ১৫. ৬ শতাংশ ট্যারিফ দিতে হয়। গরীব দেশ হওয়া সত্তে¡ও আমরা পৃধিবীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ট্যারিফ দিই। আর আমেরিকা ফ্রান্স থেকে যে জিনিস কিনে তার ট্যারিফ দিতে হয় মাত্র ০.৫ শতাংশ। অর্থাৎ আমরা ফ্রান্সের চেয়ে ৩৩ গুণ বেশি শুল্ক দিতে হয়।
আমেরিকার নতুন সরকারের কাছে পণ্য রফতানিতে আমেরিকার নতুন সরকারের কাছে ট্যারিফ কমানোর দাবি থাকবে বলে জানান তিনি।
মন্ত্রী আরো বলেন, নতুন যে আমেরিকা সরকার আসছেন তারা অত্যন্ত সলিড ও ম্যাচিউরড রাজনীতিবিদ। তাদের সাথে আমরা আগেও কাজ করেছি। তারা হিউম্যান রাইটস ইস্যুতে খুব সোচ্চার। আর রোহিঙ্গা ইস্যুতে হিউম্যান রাইটস ভায়োলেট হয়েছে। সেক্ষেত্রে মনে করি, আমরা আমেরিকার কাছে শক্তিশালী অবস্থান পাবো। তাছাড়া আমাদের একটা বড় ইস্যু ক্লাইমেট চেঞ্জ। ক্লাইমেট চেঞ্জ বিষয়েও এই বাইডেন সরকারের কাছে আমরা যথেষ্ট সহায়তা পাবো। পরে মন্ত্রী রাজশাহী কলেজের মিলনায়তনে শিক্ষক -কর্মচারীদের সাথে মতবিনিময় করেন।
সৌমেন মন্ডল, রাজশাহী ব্যুরোঃ মহানগরীতে উল্টো রাস্তা দিয়ে এসে অটোরিকশাকে বাস ধাক্কা দিেেয়ছ। এতে অটোর চালক নিহত ও এর যাত্রী নারীসহ আহত ৩ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।
আহতদের উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহত অটোচালক ও আহতদের কারো পরিচয় পাওয়া যায়নি। অজ্ঞাত নামা নিহত এ অটোচালকের আনুমানিক বয়স ৫০ বছর। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ঘাতক ট্রাকটিকে আটক করে তবে বাসের চালক ও হেলপার পালিয়ে যায় তাদের আটক করা সম্ভব হয়নি। আজ রোববার বেলা সোয়া এগারটার দিকে নগরীর দাশপুকুরে ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, এক অটোরিকশা চালক ৩ জন যাত্রী নিয়ে নগরীর ডিংগাডোবা মোড় থেকে রেলগেটের দিকে যাচ্ছিল। পথে অটোরিকশাটি দাশপুকুর মোড়ে পৌঁছালে উল্টো পথে আসা মাসুম যখন নামের একটি বাস ওই অটোরিক্সাটিকে ধাক্কা দেয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে গিয়ে তার চালক ও যাত্রীরা গুরুতর আহত হয়। ঘটনাস্থলেই অটোরিকশাচালকের মৃত্যু হয়। ঘটনার পরপরই বাস চালক ও হেলপার পালিয়ে যায়।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে অটোরিকশাটি উদ্ধার করে ও ঘাতক বাসটিকে জব্দ করে থানায় নিয়ে যায়। পরে ওই এলাকার শত শত মানুষ ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, অটোরিকশাটি সঠিক রাস্তা দিয়ে গেলেও বাসটি উল্টো রাস্তা দিয়ে বেপরোয়া গতিতে এসে অটোরিকশা থেকে ধাক্কা দিয়ে দুমড়ে-মুচড়ে ভেঙ্গে দেয়। চালক ও হেলপারের কঠোর শাস্তি দাবি করেন স্থানীয়রা।
বিপ্লব,সাভার ঃ সাভারে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) কে নিয়ে বিরুপ মন্তব্য করে পোষ্ট দেওয়ার অভিযোগে এক গার্মেন্টস কর্মকর্তাকে আটক করেছে পুলিশ।
আটক ওই গার্মেন্টস কর্মকর্তার নাম শংকর আল বাড়ই (৩৫) সে সাভারের আইচানদ্দা এলাকার সুরমা গার্মেন্টস এর ষ্টোর কিপার হিসেবে কর্মরত ছিলো। আটক ওই কর্মকর্তা বরিশালের অগৈলঝড়া থানার পশিচম সুজাকাটি গ্রামের শশকর বাড়ইর ছেলে। সে সাভারের বনপুকুর এলাকার মল্লিক ভিলায় ভাড়া থাকতো।
রবিবার বিকেলে সাভারের আইচানদ্দা সুরমা গার্মেন্টস থেকে তাকে আটক করে সাভার মডেল থানা পুলিশ।
পুলিশ বলছে,আটক ওই গার্মেন্টস কর্মকর্তা আজ নিজের ফেসবুকে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) কে নিয়ে বিরুপ মন্তব্য করে পোষ্ট দেয়। পরে তার ফেসবুক বন্ধুরা বিষয়টি দেখে ক্ষোভে ফেটে পড়ে তাকে আটক করে গণপিটুনি দেওয়ার চেষ্টা করলে ওই কর্মকর্তা জীবন রক্ষার্থে একটি গার্মেন্টর রুমে দরজা আটকিয়ে ঢুকে পড়ে। পরে খবর পেয়ে সাভার মডেল থানা পুলিশ উপস্থিত হয়ে ওই গার্মেন্টস কর্মকর্তাকে উদ্ধার করার চেষ্টা করলে ওই গার্মেন্টস এর শ্রমিকরা ও এলাকাবাসী তাকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তিন ঘন্টা পরে ওই গার্মেন্টস কর্মকর্তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এসময় শ্রমিকরা ও এলাকাবাসী বিক্ষোভ মিছিল করে গার্মেন্টস সামনে তার কঠোর শাস্তির দাবিতে।
বিষয়টি নিশিচত করে সাভার মডেল থানার ওসি তদন্ত মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন,আটক ওই গার্মেন্টস কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সাভার মডেল থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে ও তার বিষয়ে তদন্ত চলছে।
সৌমেন মন্ডল, রাজশাহী ব্যুরোঃ রাজশাহীতে বিপুল পরিমাণ নতুন মাদক ‘ট্যাপেন্টাডল’ ট্যাবলেট জব্দ করেছে পুলিশ। এ সময় রুবেল হোসেন (৩০) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। রুবেলের বাড়ি রাজশাহীর পবা উপজেলার চর মাজারদিয়া গ্রামে।
এটি ভারতীয় সীমান্ত সংলগ্ন গ্রাম। পুলিশ বলছে, বিপুল পরিমাণ এই ট্যাবলেট ভারতে পাচারের জন্য পদ্মা পার করে চরমাজারদিয়া সীমান্তে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এ সময় পদ্মার এপারে রাজশাহীর বসরি এলাকার আইবাঁধ থেকে ট্যাপেন্টাডলসহ রুবেলকে আটক করা হয়।
শনিবার বিকাল ৪টার দিকে রাজশাহী নগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানা পুলিশ এ অভিযান চালায়। পরে রোববার দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) মুখপাত্র গোলাম রুহুল কুদ্দুস এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি জানান, রুবেলের কাছ থেকে ১১ হাজার ২০০ পিস নিষিদ্ধ ট্যাবলেট ট্যাপেন্টাডল উদ্ধার করা হয়েছে। এর মূল্য ২১ লাখ টাকা। এ ঘটনায় রুবেলের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। রুবেলের বাবার নাম আবদুল আজিজ।
উল্লেখ্য, ট্যাপেন্টাডল দেখতে ইয়াবার মতো। কিন্তু ইয়াবা নয়। এটি ব্যথানাশক ওষুধ। এই ট্যাবলেটই এখন ব্যবহৃত হচ্ছে ইয়াবা আর হেরোইনের বিকল্প হিসেবে। গুঁড়ো করে ইয়াবা আর হেরোইনের মতো সেবন করছেন মাদকসেবীরা। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রস্তাব আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের সুপারিশের ভিত্তিতে গত ৯ জুন সরকার ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট নিষিদ্ধ করে। এটিকে ‘খ’ শ্রেণির মাদকদ্রব্য হিসেবে তফসিলভুক্ত করা হয়েছে।
হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল, (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সভায় আসন্ন পৌরসভার নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষনা দিলেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ও ত্যাগী কর্মি নওরোজ কাউসার কানন।
গত ১৪ নভেম্বর শনিবার সন্ধায় আ’লীগ দলীয় কার্যালয়ে সকল নেতাকর্মীদের সমর্থনে এ ঘোষনা দেন তিনি। এবং বলেন আমি দীর্ঘদিের ত্যাগী, নির্যাতিত ও পরিক্ষিত একজন কর্মি হিসেবে দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী।
পরে স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি নওরোজ কাউসার কাননের সভাপতিত্বে সাধারণ সভায় বক্তব্য দেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান সোহেল রানা, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সহ-সভাপতি মুন্নাফ হোসেন বাবু, আশরাফুল আলম, খাদেমুল ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মানিক হোসেন ,সাংগঠনিক সম্পাদক জাকারিয়া হাবীব ডন, প্রচার সম্পাদক রুবেল হক মাষ্টার, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ফারুক হোসেন প্রমুখ ।
এছাড়াও সভায় উপজেলা ও পৌরসভার স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতৃবৃন্দ, সকল ইউনিয়নের সভাপতি – সম্পাদকসহ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সাধারণ সভায় নেতাকর্মীরা সভাপতি নওরোজ কাউসার কাননের পৌর মেয়র প্রার্থী হিসাবে ঘোষণাকে সাদরে গ্রহণ করেন এবং সব রকমের সহযোগিতা করবেন বলে মত প্রকাশ করেন ।
এ সময় উপস্থিত সকলে বলেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদককে আমরা যেমন ভাইস-চেয়ারম্যান হিসাবে নির্বাচিত করতে পেরেছি, ঠিক তেমনি আমাদের স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতিকে মেয়র হিসাবে নির্বাচিত করতে পারবো এবং সকলের ঐক্যবদ্ধ চেষ্টা থাকলে জয় আমাদের সুনিশ্চিত হবে ইনশাল্লাহ। তাই আমাদের সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সব রকমের সহযোগিতা করতে হবে ।
সৌমেন মন্ডল,রাজশাহী ব্যুরোঃ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, কোনো চিহ্নিত সন্ত্রাসী, মাদকব্যবসায়ী ও দখলদারদের নিয়ে কোনো কমিটি করবেন না। নিজের লোক দিয়ে কোনো পকেট কমিটি করবেন না। যারা ত্যাগী ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শের অনুসারী শুধুমাত্র তাদের দিয়েই কমিটি করবেন। কমিটিতে যেন কোনোভাবেই সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজরা স্থান না পায়।
আজ শনিবার দুপুরে রাজশাহীর ভবানীগঞ্জে অনুষ্ঠিত বাগমারা উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠানে ঢাকা থেকে মোবাইল ফোনে প্রধান অতিথির বক্তব্যকালে এসব কথা বলেন তিনি।
ওবায়দুল কাদের বলেন, একটি দেশ যখন সবদিক থেকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে যায়, তখন একটি অশুভ শক্তি দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য উঠেপড়ে লাগে। সেই অশুভ শক্তিকে পরাস্ত করার জন্য দলের মধ্যে ঐক্য প্রয়োজন। এই অশুভ শক্তিকে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়েই মোকাবেলা করতে হবে। এইজন্য দলে ত্যাগী ও পরিশ্রমী নেতাদের কমিটিতে স্থান দিবেন।
ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আছে বলেই দেশ উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। সারা পৃথিবী যখন করোনা ভাইরাসের কারণে টালমাটাল তখন বাংলাদেশ করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় সর্বাত্মক উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগের কারণেই আমরা সবদিক থেকে এগিয়ে রয়েছি।
বাগমারা-৪ আসনের এমপি প্রকৌশলী এনামুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মেরাজ উদ্দিন মোল্লাহসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
সৈয়দ রুবেল, ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধি: ২০০৫ সালের নিষিদ্ধ জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) জঙ্গিরা আত্মঘাতী বোমা হামলা চালিয়ে ঝালকাঠির দুই বিচারককে হত্যা করে।
১৪/১১/২০২০ইং তারিখ শনিবার সকালে শ্রদ্ধা ও ভালবাসায় দিনটিকে স্মরণ করছেন ঝালকাঠির বিচার বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীগন ।
নিহত বিচারকদের স্মৃতিস্তম্ভে পুস্পার্ঘ অর্পণ করেন জেলা ও দায়রা জজ মো. শহিদুল্লাহ, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশরাফুল ইসলাম, পৌর মেয়র মো. লিয়াকত আলী তালুকদার, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও পিপি আবদুল মান্নান রসুল ও সাধারণ সম্পাদক আ.স.ম মোস্তাফিজুর রহমান মনুসহ বিচার বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরগন।
পরে আদালতের শহীদ সোহেল-জগন্নাথ মিলনায়তনে শোক সভা, দোয়া ও মিলাদের আয়োজন করা হয়।
২০০৫ সালের এই দিনে সকাল ৯ টার দিকে সরকারি বাসা থেকে কর্মস্থলে যাবার পথে তাদের বহনকারী মাইক্রোবাসে এই নৃশংস হামলা চালানো হয়ে ছিলো । ঘটনাস্থলেই মারা যান বিচারক সিনিয়র সহকারী জজ সোহেল আহম্মেদ এবং বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃতু হয় বিচারক সিনিয়র সহকারী জজ জগন্নাথ পাঁড়ের।
এ ঘটনায় দেশের বিভিন্ন জেলখানায় ২০০৭ সালের ২৯ মার্চ জেএমবি প্রধান শায়খ আবদুর রহমান, সেকেন্ড ইন কমান্ড সিদ্দিকুল ইসলাম বাংলাভাইসহ ৬ শীর্ষ জঙ্গির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় পদুয়া ইউনিয়নের ফালহারিয়ায় জঙ্গলের টিলায় এক ছদ্মবেশী স্বঘোষিত ভিক্ষুর বিরুদ্ধে সরকারি ও ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি ও বনভূমি দখল, স্থানীয়দের ওপর নির্যাতন, হিন্দুদের শ্মশান উচ্ছেদ, মন্দির দখল, মুসলমানদের ধর্ম নিয়ে বিষোদ্গার, এমনকি মিয়ানমারের নাগরিকদের আশ্রয় দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
এসব নিয়ে শরণংকর ভিক্ষুর নামের এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ডজনখানেক মামলা হয়েছে। এই ভিক্ষুর ঔদ্ধত্বপূর্ণ আচরণে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
স্থানীয়রা জানান, এই স্বঘোষিত ভিক্ষু রনি ড্রাইভার নামেই পরিচিত ছিলেন।
মা-বাবার বিচ্ছেদের পর কিশোর বেলায় তার ঠাঁই হয় শুলক বহর পাঁচকড়ি বাবুর গ্যারেজে। সেখানে গাড়ি চালানো শেখে রাউজান মুন্সিরহাটের এক গাড়ির মালিকের গাড়ি চালান তিনি অনেকদিন। সেই গাড়ির মালিক রাঙ্গুনিয়া পদুয়ার জয়সেন বড়ুয়ার কাছে গাড়িটি বিক্রি করে দিলে রনি পদুয়ায় আসেন। পরে পারিবারিক আর্থিক দৈন্যে মামার পরামর্শে বৌদ্ধমন্দিরে শ্রমণ জীবন শুরু করেন রনি ড্রাইভার। এরপর সন্ন্যাসীর বেশে পদুয়ার ফলহরিয়া সংরক্ষিত বনে এসে নাম পাল্টে শরণংকর নামধারণ করেন রনি।
প্রথমে হলুদ একটি কাপড় আর উপরে ত্রিপল দিয়ে শুরু করলেও পরে বেড়ার স্থাপনা, এরপর ইটপাথরের স্থাপনা শুরু করেন শরণংকর এবং ধীরে ধীরে সাত-আট বছরের ব্যবধানে ১০০ একরেরও বেশি জায়গা দখল করেন। স্থানীয় সংসদ সদস্যের উন্নয়ন কর্মকান্ডে ফলাহরিয়া যাওয়ার দুর্গম রাস্তা সুগম হয়, শিলক নদীর ওপর ব্রিজ নির্মাণ, কাঁচা রাস্তা পাকা করাসহ নানা কাজের ফলে ভিক্ষু শরণংকরের অনুদান প্রাপ্তির পরিমাণও বাড়তে থাকে।
অনুদান প্রাপ্তির সঙ্গে এই দখলযজ্ঞ চলতে থাকলে বিভিন্ন সময়ে স্থানীয় হিন্দুদের শ্মশান নিয়ে এবং বিহার থেকে আড়াই কিলোমিটার আগে কালিন্দিরানী সড়কে মুসলমানদের জায়গার ওপর বুদ্ধমূর্তিসহ তোরণ স্থাপনকে কেন্দ্র করে মোসলমানদের সাথে বিরোধে জড়িয়ে পড়েন শরণংকর।
স্থানীয়রা জানান, তারা ভেবেছিলেন, রাঙ্গুনিয়ার ফলাহরিয়ার পাহাড়ে ২০১২ সালে ছনের ছাউনি দিয়ে ছোট্ট একটি ঘর বানিয়ে থাকা শরণংকর (রনি ড্রাইভার) হয়তো কিছুদিন ধ্যান করে চলে যাবেন। কিন্তু তিনি আর যাননি। দিন দিন দখলকৃত ভূমির আয়তন বাড়ানো, বনবিভাগের জায়গায় টিনের ছাউনি দিয়ে ঘর বানানো, আশপাশের কয়েক একর বনভূমি দখল করেন। এর কিছুদিন যেতে না যেতেই দখল করা বনভূমিতে পাকা স্থাপনা নির্মাণ করা শুরু করেন শরণংকর। এখন পর্যন্ত ১০০ একর বনভূমি দখল করে ‘জ্ঞানশরণ মহাঅরণ্য বৌদ্ধ বিহারের’ নাম দিয়ে ছোটবড় বেশ কিছু বুদ্ধমূর্তি, ভিক্ষু-শ্রমণ ট্রেনিং সেন্টার, আবাসিক ভবন মিলিয়ে দুই ডজন স্থাপনা নির্মাণ করেছেন তিনি। শুধু তাই নয়, আশপাশের আরও অর্ধশতাধিক একর বনভূমি দখল করার প্রক্রিয়াও শুরু করেছেন। সেসব জায়গায় বন বিভাগের লাগানো লক্ষাধিক চারা গাছ শরণংকর ও তার সহযোগীরা রাতের আঁধারে কেটে ফেলেছেন বলে জানিয়েছে বন বিভাগ।
গত ৮ বছরে বনভূমির পাহাড় কেটে পাকা স্থাপনা, রাস্তা নির্মাণ ও অবৈধভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ নেওয়া হলেও স্থানীয় প্রশাসন তার বিরুদ্ধে কিছুই করতে পারেনি। প্রায় অর্ধ কোটি টাকা দামের গাড়িতে চড়েন তিনি।
সেই পাহাড়ে গড়ে তুলেছেন এক গোপন সাম্রাজ্য। তার বাস করা পাকা দালানটির অর্ধেকটা মাটির নিচে। দালানের শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রটিও একেবারে কাছে না গেলে দেখা যায় না। পানি সরবরাহের জন্য লাইন ও পানির ট্যাংকও সেখানে আছে। প্রায় ২০টির মতো বৈদ্যুতিক সংযোগও ছিল যেগুলো অবৈধ বলে সম্প্রতি কাটা হয়েছে। জীবনের সব মোহমায়া-ভোগ বিলাস ত্যাগ করে সন্ন্যাস জীবন যাপন করছেন বলে কথিত ভিক্ষু বিপুল সম্পত্তি ভোগ করছেন। সেই ভিক্ষু শরণংকরের এই বাড়িটি পাহারা দিচ্ছে দুটো জার্মান শেফার্ড কুকুর।
মিয়ানমারের লোকজনকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে এই বৌদ্ধ ভিক্ষুর বিরুদ্ধে। পদুয়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহান বলেছেন, আমরা প্রথমে শরণংকরকে সহযোগিতাই করেছি। কিন্তু পরে কথাবার্তা আর চালচলনে সন্দেহ বাড়তে থাকে। পাহাড়ের ওপরে আন্ডারগ্রাউন্ড ঘর বানানো হয়েছে। কেউ সেখানে যেতে পারে না। কিছুদিন আগে মিয়ানমারের নাগরিকরা তার বিহারে এসেছিল। পদুয়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. বদিউজ্জামান বলেন, তার (শরণংকর) প্রধান উদ্দেশ্য জমি দখল করা। তিনি মিয়ানমার থেকে ভিক্ষু এনে এখানে স্থাপনা তৈরি করেছেন। সেটা আমাদের ও দেশের জন্য হুমকি।
তবে শরণংকর থেরো এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তার বিহারে তল্লাশি করে দেখা হোক। আর গাড়ির কথা জানতে চাইলে শরণংকর ভিক্ষু বলেন, গাড়ি চড়তে তো নিষেধ নেই।
সম্প্রতি দুর্গাপূজার আগেই শ্মশান ও রাধাকৃষ্ণ মন্দির দখলকারী ভিক্ষু শরণংকরকে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন সনাতন ধর্মাবলম্বী ঐক্য পরিষদের নেতারা। শুধু রাঙ্গুনিয়া আর চট্টগ্রামেই নয়, ঢাকাতেও মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেন তারা। আল্লাহ ও রসুলকে (সা.) কটাক্ষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ধর্মবিদ্বেষী প্রচার, বলপ্রয়োগে মন্দির, শ্মশান ও বনভূমি দখলের দায়ে চট্টগ্রামের কথিত ভিক্ষু শরণংকরকে অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেন দেশের আলেম-ওলামারাও।
ফলাহারিয়া গ্রামের শাহ সুফি পাঠান আউলিয়া মাজারের মুতওয়াল্লি এবং পাঠান আউলিয়া দাখিল মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ হাকিম উদ্দিন বলেন, দীর্ঘদিন পর্যন্ত মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ সবাই সম্প্রীতির মাধ্যমে আমরা বসবাস করে আসছি। ৭-৮ বছর আগে হাটহাজারী উপজেলার শরণংকর ভান্তে এখানে এসেছেন। তিনি এই এলাকায় বহিরাগত। তিনি আসার পর থেকে উনার বিভিন্ন কার্যক্রমে আমাদের এখানে বড়ুয়া-মুসলমানদের সম্প্রীতি নষ্ট হতে যাচ্ছে। সারা দিন তিনি মাইক ব্যবহার করেন, এতে স্কুল-মাদ্রাসার পড়ালেখার ক্ষতি হয়। যেদিকে আমরা হাঁটাচলা করি সেদিকে তিনি মূর্তি বসান।
তিনি বলেন, আবদুল গফুর, মুছা, হাজেরা বেগমদের জায়গা জোরপূর্বক দখল করে বিহারের গেট করেছেন শরণংকর। গফুরের বাগানটা তিনি কেটে দিয়েছেন। সেখানে ঘর ছিল, সেটাও ভেঙে দিয়েছেন। বিহারে আগতদের মধ্যে প্রায় সবাই বহিরাগত, অচেনা। স্থানীয়রা শরণংকর ভান্তের বিহারে কম যান। মিয়ানমার থেকেও বিভিন্ন মানুষজন শরণংকর ভান্তের কাছে আসেন।
মুহাম্মদ হাকিম উদ্দিন বলেন, শরণংকর ভান্তের শত একর জায়গা দখল করা নিয়ে আমরা বন বিভাগের কাছে গিয়েছি, সেখানে প্রতিকার পাইনি। পুলিশ প্রশাসনের কাছে গিয়েছি, তারাও কিছু করেনি। শেষ পর্যন্ত আমরা তথ্যমন্ত্রীর কাছে গিয়েছি, উনাকে বিস্তারিত বলেছি। তিনি স্থানীয়ভাবে মেম্বার/চেয়ারম্যানের মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের পরামর্শ দিয়েছেন।
বিপ্লব,সাভার ঃ যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পরিচালিত এক জরিপে এ বছরের বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানীদের তালিকায় স্থান পেয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) অধ্যাপক ড. এ এ মামুন।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সেরা বিজ্ঞানীদের মধ্য থেকে শতকরা দুইজনকে নিয়ে প্রকাশিত এ তালিকায় স্থান পাওয়ার বিষয়টি আজ শুক্রবার সকালে সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন তিনি।
অধ্যাপক ড. এ এ মামুন বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক। একই সঙ্গে তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও ওয়াজেদ মিয়া বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
এর আগে বিজ্ঞানে অসামান্য অবদানের জন্য পর পর তিনবার বর্ষসেরা গবেষক হওয়ার রেকর্ড রয়েছে তার। তার হাত ধরে বাংলাদেশের মাটিতে ডাস্টি ফিজিক্সের কার্যক্রম শুরু হয়। বর্তমানে তিনি পদার্থের চতুর্থ অবস্থা প্লাজমা ফিজিক্স নিয়ে কাজ করছেন।
ড. মামুন প্লাজমা ফিজিক্স অবদানের জন্য জার্মান চ্যান্সেলর পুরস্কার,প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত থেকে একাধিকবার ‘বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্স’ গোল্ড মেডেলসহ দেশ-বিদেশে নানা পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। এছাড়া লন্ডনের ইনস্টিটিউট অব ফিজিক্স থেকে ডাস্টি প্লাজমা ফিজিক্সের ওপর যৌথভাবে প্রকাশিত হয়েছে ‘ইনট্রোডাকশন টু ডাস্টি প্লাজমা’।
আন্তর্জাতিক এই খ্যাতনামা গবেষক জাবির পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে বিএসসি-এমএসসিতে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হন। এমএসসিতে সব বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে বেশি নম্বর পেয়েছিলেন তিনি। তার এমএসসির থিসিসের বিষয় ছিল ‘প্লাজমা ফিজিক্স।
১৯৯৩ সালে জাবির পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে প্রভাষক পদে যোগ দেন তিনি। ওই বছর কমনওয়েলথ স্কলারশিপ নিয়ে ব্রিটেনের সেন্ট অ্যান্ডুজ ইউনিভার্সিটিতে পিএইচডি করতে যান। ফিজিক্যাল রিভিউ লেটারস, ফিজিক্যাল রিভিউ ই. ইউরোপিয়ান ফিজিকস লেটারের মতো নামকরা জার্নালে তার গবেষণা কর্ম প্রকাশিত হয় এবং এ গবেষণাকর্মের ভিত্তিতে প্লাজমা বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন জার্নালে পাঁচ শতাধিক প্রবন্ধ লিখেছেন।
এদিকে অধ্যাপক ড. এ এ মামুনের সাফল্যের জন্য তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দফতর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।