18 C
Dhaka, BD
শুক্রবার, জানুয়ারি ৩০, ২০২৬

ফেসবুকে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) কে নিয়ে বিরুপ মন্তব্য করে পোষ্ট দেওয়ার গার্মেন্টস কর্মকর্তা আটক

বিপ্লব,সাভার ঃ সাভারে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) কে নিয়ে বিরুপ মন্তব্য করে পোষ্ট দেওয়ার অভিযোগে এক গার্মেন্টস কর্মকর্তাকে আটক করেছে পুলিশ।

আটক ওই গার্মেন্টস কর্মকর্তার নাম শংকর আল বাড়ই (৩৫) সে সাভারের আইচানদ্দা এলাকার সুরমা গার্মেন্টস এর ষ্টোর কিপার হিসেবে কর্মরত ছিলো। আটক ওই কর্মকর্তা বরিশালের অগৈলঝড়া থানার পশিচম সুজাকাটি গ্রামের শশকর বাড়ইর ছেলে। সে সাভারের বনপুকুর এলাকার মল্লিক ভিলায় ভাড়া থাকতো।

রবিবার বিকেলে সাভারের আইচানদ্দা সুরমা গার্মেন্টস থেকে তাকে আটক করে সাভার মডেল থানা পুলিশ।

পুলিশ বলছে,আটক ওই গার্মেন্টস কর্মকর্তা আজ নিজের ফেসবুকে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) কে নিয়ে বিরুপ মন্তব্য করে পোষ্ট দেয়। পরে তার ফেসবুক বন্ধুরা বিষয়টি দেখে ক্ষোভে ফেটে পড়ে তাকে আটক করে গণপিটুনি দেওয়ার চেষ্টা করলে ওই কর্মকর্তা জীবন রক্ষার্থে একটি গার্মেন্টর রুমে দরজা আটকিয়ে ঢুকে পড়ে। পরে খবর পেয়ে সাভার মডেল থানা পুলিশ উপস্থিত হয়ে ওই গার্মেন্টস কর্মকর্তাকে উদ্ধার করার চেষ্টা করলে ওই গার্মেন্টস এর শ্রমিকরা ও এলাকাবাসী তাকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তিন ঘন্টা পরে ওই গার্মেন্টস কর্মকর্তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এসময় শ্রমিকরা ও এলাকাবাসী বিক্ষোভ মিছিল করে গার্মেন্টস সামনে তার কঠোর শাস্তির দাবিতে।

বিষয়টি নিশিচত করে সাভার মডেল থানার ওসি তদন্ত মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন,আটক ওই গার্মেন্টস কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সাভার মডেল থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে ও তার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

রাজশাহীতে নতুন মাদক ট্যাপেন্ডাডল ট্যাবলেট জব্দ করলো আরএমপি পুলিশ

সৌমেন মন্ডল, রাজশাহী ব্যুরোঃ রাজশাহীতে বিপুল পরিমাণ নতুন মাদক ‘ট্যাপেন্টাডল’ ট্যাবলেট জব্দ করেছে পুলিশ। এ সময় রুবেল হোসেন (৩০) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। রুবেলের বাড়ি রাজশাহীর পবা উপজেলার চর মাজারদিয়া গ্রামে।

এটি ভারতীয় সীমান্ত সংলগ্ন গ্রাম। পুলিশ বলছে, বিপুল পরিমাণ এই ট্যাবলেট ভারতে পাচারের জন্য পদ্মা পার করে চরমাজারদিয়া সীমান্তে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এ সময় পদ্মার এপারে রাজশাহীর বসরি এলাকার আইবাঁধ থেকে ট্যাপেন্টাডলসহ রুবেলকে আটক করা হয়।

শনিবার বিকাল ৪টার দিকে রাজশাহী নগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানা পুলিশ এ অভিযান চালায়। পরে রোববার দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) মুখপাত্র গোলাম রুহুল কুদ্দুস এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, রুবেলের কাছ থেকে ১১ হাজার ২০০ পিস নিষিদ্ধ ট্যাবলেট ট্যাপেন্টাডল উদ্ধার করা হয়েছে। এর মূল্য ২১ লাখ টাকা। এ ঘটনায় রুবেলের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। রুবেলের বাবার নাম আবদুল আজিজ।
উল্লেখ্য, ট্যাপেন্টাডল দেখতে ইয়াবার মতো। কিন্তু ইয়াবা নয়। এটি ব্যথানাশক ওষুধ। এই ট্যাবলেটই এখন ব্যবহৃত হচ্ছে ইয়াবা আর হেরোইনের বিকল্প হিসেবে। গুঁড়ো করে ইয়াবা আর হেরোইনের মতো সেবন করছেন মাদকসেবীরা। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রস্তাব আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের সুপারিশের ভিত্তিতে গত ৯ জুন সরকার ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট নিষিদ্ধ করে। এটিকে ‘খ’ শ্রেণির মাদকদ্রব্য হিসেবে তফসিলভুক্ত করা হয়েছে।

রাণীশংকৈল উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সভায় মেয়র প্রার্থী হিসেবে সভাপতির ঘোষণা

হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল, (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সভায় আসন্ন পৌরসভার নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষনা দিলেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ও ত্যাগী কর্মি নওরোজ কাউসার কানন।

গত ১৪ নভেম্বর শনিবার সন্ধায় আ’লীগ দলীয় কার্যালয়ে সকল নেতাকর্মীদের সমর্থনে এ ঘোষনা দেন তিনি। এবং বলেন আমি দীর্ঘদিের ত্যাগী, নির্যাতিত ও পরিক্ষিত একজন কর্মি হিসেবে দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী।

পরে স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি নওরোজ কাউসার কাননের সভাপতিত্বে সাধারণ সভায় বক্তব্য দেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান সোহেল রানা, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সহ-সভাপতি মুন্নাফ হোসেন বাবু, আশরাফুল আলম, খাদেমুল ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মানিক হোসেন ,সাংগঠনিক সম্পাদক জাকারিয়া হাবীব ডন, প্রচার সম্পাদক রুবেল হক মাষ্টার, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ফারুক হোসেন প্রমুখ ।

এছাড়াও সভায় উপজেলা ও পৌরসভার স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতৃবৃন্দ, সকল ইউনিয়নের সভাপতি – সম্পাদকসহ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সাধারণ সভায় নেতাকর্মীরা সভাপতি নওরোজ কাউসার কাননের পৌর মেয়র প্রার্থী হিসাবে ঘোষণাকে সাদরে গ্রহণ করেন এবং সব রকমের সহযোগিতা করবেন বলে মত প্রকাশ করেন ।

এ সময় উপস্থিত সকলে বলেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদককে আমরা যেমন ভাইস-চেয়ারম্যান হিসাবে নির্বাচিত করতে পেরেছি, ঠিক তেমনি আমাদের স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতিকে মেয়র হিসাবে নির্বাচিত করতে পারবো এবং সকলের ঐক্যবদ্ধ চেষ্টা থাকলে জয় আমাদের সুনিশ্চিত হবে ইনশাল্লাহ। তাই আমাদের সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সব রকমের সহযোগিতা করতে হবে ।

বঙ্গবন্ধুর আদর্শের অনুসারীরা শুধুমাত্র কমেটিতে থাকবে -ওবায়দুর কাদের

সৌমেন মন্ডল,রাজশাহী ব্যুরোঃ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, কোনো চিহ্নিত সন্ত্রাসী, মাদকব্যবসায়ী ও দখলদারদের নিয়ে কোনো কমিটি করবেন না। নিজের লোক দিয়ে কোনো পকেট কমিটি করবেন না। যারা ত্যাগী ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শের অনুসারী শুধুমাত্র তাদের দিয়েই কমিটি করবেন। কমিটিতে যেন কোনোভাবেই সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজরা স্থান না পায়।

আজ শনিবার দুপুরে রাজশাহীর ভবানীগঞ্জে অনুষ্ঠিত বাগমারা উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠানে ঢাকা থেকে মোবাইল ফোনে প্রধান অতিথির বক্তব্যকালে এসব কথা বলেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, একটি দেশ যখন সবদিক থেকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে যায়, তখন একটি অশুভ শক্তি দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য উঠেপড়ে লাগে। সেই অশুভ শক্তিকে পরাস্ত করার জন্য দলের মধ্যে ঐক্য প্রয়োজন। এই অশুভ শক্তিকে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়েই মোকাবেলা করতে হবে। এইজন্য দলে ত্যাগী ও পরিশ্রমী নেতাদের কমিটিতে স্থান দিবেন।

ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আছে বলেই দেশ উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। সারা পৃথিবী যখন করোনা ভাইরাসের কারণে টালমাটাল তখন বাংলাদেশ করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় সর্বাত্মক উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগের কারণেই আমরা সবদিক থেকে এগিয়ে রয়েছি।

বাগমারা-৪ আসনের এমপি প্রকৌশলী এনামুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মেরাজ উদ্দিন মোল্লাহসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

ঝালকাঠিতে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বিচারক হত্যা দিবস পালন করা হয়

সৈয়দ রুবেল, ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধি: ২০০৫ সালের নিষিদ্ধ জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) জঙ্গিরা আত্মঘাতী বোমা হামলা চালিয়ে ঝালকাঠির দুই বিচারককে হত্যা করে।

১৪/১১/২০২০ইং তারিখ শনিবার সকালে শ্রদ্ধা ও ভালবাসায় দিনটিকে স্মরণ করছেন ঝালকাঠির বিচার বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীগন ।

নিহত বিচারকদের স্মৃতিস্তম্ভে পুস্পার্ঘ অর্পণ করেন জেলা ও দায়রা জজ মো. শহিদুল্লাহ, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশরাফুল ইসলাম, পৌর মেয়র মো. লিয়াকত আলী তালুকদার, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও পিপি আবদুল মান্নান রসুল ও সাধারণ সম্পাদক আ.স.ম মোস্তাফিজুর রহমান মনুসহ বিচার বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরগন।

পরে আদালতের শহীদ সোহেল-জগন্নাথ মিলনায়তনে শোক সভা, দোয়া ও মিলাদের আয়োজন করা হয়।

২০০৫ সালের এই দিনে সকাল ৯ টার দিকে সরকারি বাসা থেকে কর্মস্থলে যাবার পথে তাদের বহনকারী মাইক্রোবাসে এই নৃশংস হামলা চালানো হয়ে ছিলো । ঘটনাস্থলেই মারা যান বিচারক সিনিয়র সহকারী জজ সোহেল আহম্মেদ এবং বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃতু হয় বিচারক সিনিয়র সহকারী জজ জগন্নাথ পাঁড়ের।

এ ঘটনায় দেশের বিভিন্ন জেলখানায় ২০০৭ সালের ২৯ মার্চ জেএমবি প্রধান শায়খ আবদুর রহমান, সেকেন্ড ইন কমান্ড সিদ্দিকুল ইসলাম বাংলাভাইসহ ৬ শীর্ষ জঙ্গির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

রাঙ্গুনিয়ায় এক ভিক্ষুর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় পদুয়া ইউনিয়নের ফালহারিয়ায় জঙ্গলের টিলায় এক ছদ্মবেশী স্বঘোষিত ভিক্ষুর বিরুদ্ধে সরকারি ও ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি ও বনভূমি দখল, স্থানীয়দের ওপর নির্যাতন, হিন্দুদের শ্মশান উচ্ছেদ, মন্দির দখল, মুসলমানদের ধর্ম নিয়ে বিষোদ্গার, এমনকি মিয়ানমারের নাগরিকদের আশ্রয় দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

এসব নিয়ে শরণংকর ভিক্ষুর নামের এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ডজনখানেক মামলা হয়েছে। এই ভিক্ষুর ঔদ্ধত্বপূর্ণ আচরণে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

স্থানীয়রা জানান, এই স্বঘোষিত ভিক্ষু রনি ড্রাইভার নামেই পরিচিত ছিলেন।

প্রথমে হলুদ একটি কাপড় আর উপরে ত্রিপল দিয়ে শুরু করলেও পরে বেড়ার স্থাপনা, এরপর ইটপাথরের স্থাপনা শুরু করেন শরণংকর এবং ধীরে ধীরে সাত-আট বছরের ব্যবধানে ১০০ একরেরও বেশি জায়গা দখল করেন। স্থানীয় সংসদ সদস্যের উন্নয়ন কর্মকান্ডে ফলাহরিয়া যাওয়ার দুর্গম রাস্তা সুগম হয়, শিলক নদীর ওপর ব্রিজ নির্মাণ, কাঁচা রাস্তা পাকা করাসহ নানা কাজের ফলে ভিক্ষু শরণংকরের অনুদান প্রাপ্তির পরিমাণও বাড়তে থাকে।

অনুদান প্রাপ্তির সঙ্গে এই দখলযজ্ঞ চলতে থাকলে বিভিন্ন সময়ে স্থানীয় হিন্দুদের শ্মশান নিয়ে এবং বিহার থেকে আড়াই কিলোমিটার আগে কালিন্দিরানী সড়কে মুসলমানদের জায়গার ওপর বুদ্ধমূর্তিসহ তোরণ স্থাপনকে কেন্দ্র করে মোসলমানদের সাথে বিরোধে জড়িয়ে পড়েন শরণংকর।

স্থানীয়রা জানান, তারা ভেবেছিলেন, রাঙ্গুনিয়ার ফলাহরিয়ার পাহাড়ে ২০১২ সালে ছনের ছাউনি দিয়ে ছোট্ট একটি ঘর বানিয়ে থাকা শরণংকর (রনি ড্রাইভার) হয়তো কিছুদিন ধ্যান করে চলে যাবেন। কিন্তু তিনি আর যাননি। দিন দিন দখলকৃত ভূমির আয়তন বাড়ানো, বনবিভাগের জায়গায় টিনের ছাউনি দিয়ে ঘর বানানো, আশপাশের কয়েক একর বনভূমি দখল করেন। এর কিছুদিন যেতে না  যেতেই দখল করা বনভূমিতে পাকা স্থাপনা নির্মাণ করা শুরু করেন শরণংকর। এখন পর্যন্ত ১০০ একর বনভূমি দখল করে ‘জ্ঞানশরণ মহাঅরণ্য বৌদ্ধ বিহারের’ নাম দিয়ে  ছোটবড় বেশ কিছু বুদ্ধমূর্তি, ভিক্ষু-শ্রমণ ট্রেনিং সেন্টার, আবাসিক ভবন মিলিয়ে দুই ডজন স্থাপনা নির্মাণ করেছেন তিনি। শুধু তাই নয়, আশপাশের আরও অর্ধশতাধিক একর বনভূমি দখল করার প্রক্রিয়াও শুরু করেছেন। সেসব জায়গায় বন বিভাগের লাগানো লক্ষাধিক চারা গাছ শরণংকর ও তার সহযোগীরা রাতের আঁধারে কেটে  ফেলেছেন বলে জানিয়েছে বন বিভাগ।

গত ৮ বছরে বনভূমির পাহাড় কেটে পাকা স্থাপনা, রাস্তা নির্মাণ ও অবৈধভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ নেওয়া হলেও স্থানীয় প্রশাসন তার বিরুদ্ধে কিছুই করতে পারেনি। প্রায় অর্ধ কোটি টাকা দামের গাড়িতে চড়েন তিনি।

সেই পাহাড়ে গড়ে তুলেছেন এক গোপন সাম্রাজ্য। তার বাস করা পাকা দালানটির অর্ধেকটা মাটির নিচে। দালানের শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রটিও একেবারে কাছে না গেলে দেখা যায় না। পানি সরবরাহের জন্য লাইন ও পানির ট্যাংকও সেখানে আছে। প্রায় ২০টির মতো বৈদ্যুতিক সংযোগও ছিল যেগুলো অবৈধ বলে সম্প্রতি কাটা হয়েছে। জীবনের সব মোহমায়া-ভোগ বিলাস ত্যাগ করে সন্ন্যাস জীবন যাপন করছেন বলে কথিত ভিক্ষু বিপুল সম্পত্তি ভোগ করছেন। সেই ভিক্ষু শরণংকরের এই বাড়িটি পাহারা দিচ্ছে দুটো জার্মান শেফার্ড কুকুর।

মিয়ানমারের লোকজনকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে এই বৌদ্ধ ভিক্ষুর বিরুদ্ধে। পদুয়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহান বলেছেন, আমরা প্রথমে শরণংকরকে সহযোগিতাই করেছি। কিন্তু পরে কথাবার্তা আর চালচলনে সন্দেহ বাড়তে থাকে। পাহাড়ের ওপরে আন্ডারগ্রাউন্ড ঘর বানানো হয়েছে। কেউ সেখানে যেতে পারে না। কিছুদিন আগে মিয়ানমারের নাগরিকরা তার বিহারে এসেছিল। পদুয়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. বদিউজ্জামান বলেন, তার (শরণংকর) প্রধান উদ্দেশ্য জমি দখল করা। তিনি মিয়ানমার থেকে ভিক্ষু এনে এখানে স্থাপনা তৈরি করেছেন। সেটা আমাদের ও দেশের জন্য হুমকি।

তবে শরণংকর থেরো এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তার বিহারে তল্লাশি করে দেখা হোক। আর গাড়ির কথা জানতে চাইলে শরণংকর ভিক্ষু বলেন, গাড়ি চড়তে তো নিষেধ নেই।

সম্প্রতি দুর্গাপূজার আগেই শ্মশান ও রাধাকৃষ্ণ মন্দির দখলকারী ভিক্ষু শরণংকরকে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন সনাতন ধর্মাবলম্বী ঐক্য পরিষদের নেতারা। শুধু রাঙ্গুনিয়া আর চট্টগ্রামেই নয়, ঢাকাতেও মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেন তারা। আল্লাহ ও রসুলকে (সা.) কটাক্ষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ধর্মবিদ্বেষী প্রচার, বলপ্রয়োগে মন্দির, শ্মশান ও বনভূমি দখলের দায়ে চট্টগ্রামের কথিত ভিক্ষু শরণংকরকে অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেন দেশের আলেম-ওলামারাও।

ফলাহারিয়া গ্রামের শাহ সুফি পাঠান আউলিয়া মাজারের মুতওয়াল্লি এবং পাঠান আউলিয়া দাখিল মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ হাকিম উদ্দিন বলেন, দীর্ঘদিন পর্যন্ত মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ সবাই সম্প্রীতির মাধ্যমে আমরা বসবাস করে আসছি। ৭-৮ বছর আগে হাটহাজারী উপজেলার শরণংকর ভান্তে এখানে এসেছেন। তিনি এই এলাকায় বহিরাগত। তিনি আসার পর থেকে উনার বিভিন্ন কার্যক্রমে আমাদের এখানে বড়ুয়া-মুসলমানদের সম্প্রীতি নষ্ট হতে যাচ্ছে। সারা দিন তিনি মাইক ব্যবহার করেন, এতে স্কুল-মাদ্রাসার পড়ালেখার ক্ষতি হয়। যেদিকে আমরা হাঁটাচলা করি সেদিকে তিনি মূর্তি বসান।

তিনি বলেন, আবদুল গফুর, মুছা, হাজেরা বেগমদের জায়গা জোরপূর্বক দখল করে বিহারের গেট করেছেন শরণংকর। গফুরের বাগানটা তিনি কেটে দিয়েছেন। সেখানে ঘর ছিল, সেটাও ভেঙে দিয়েছেন। বিহারে আগতদের মধ্যে প্রায় সবাই বহিরাগত, অচেনা। স্থানীয়রা শরণংকর ভান্তের বিহারে কম যান। মিয়ানমার থেকেও বিভিন্ন মানুষজন শরণংকর ভান্তের কাছে আসেন।

মুহাম্মদ হাকিম উদ্দিন বলেন, শরণংকর ভান্তের শত একর জায়গা দখল করা নিয়ে আমরা বন বিভাগের কাছে গিয়েছি, সেখানে প্রতিকার পাইনি। পুলিশ প্রশাসনের কাছে গিয়েছি, তারাও কিছু করেনি। শেষ পর্যন্ত আমরা তথ্যমন্ত্রীর কাছে গিয়েছি, উনাকে বিস্তারিত বলেছি। তিনি স্থানীয়ভাবে মেম্বার/চেয়ারম্যানের মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের পরামর্শ দিয়েছেন।

বিশ্বের সেরা বিজ্ঞানীদের তালিকায় জাবি শিক্ষক মামুন

বিপ্লব,সাভার ঃ যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পরিচালিত এক জরিপে এ বছরের বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানীদের তালিকায় স্থান পেয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) অধ্যাপক ড. এ এ মামুন।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সেরা বিজ্ঞানীদের মধ্য থেকে শতকরা দুইজনকে নিয়ে প্রকাশিত এ তালিকায় স্থান পাওয়ার বিষয়টি আজ শুক্রবার সকালে সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন তিনি।

অধ্যাপক ড. এ এ মামুন বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক। একই সঙ্গে তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও ওয়াজেদ মিয়া বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

এর আগে বিজ্ঞানে অসামান্য অবদানের জন্য পর পর তিনবার বর্ষসেরা গবেষক হওয়ার রেকর্ড রয়েছে তার। তার হাত ধরে বাংলাদেশের মাটিতে ডাস্টি ফিজিক্সের কার্যক্রম শুরু হয়। বর্তমানে তিনি পদার্থের চতুর্থ অবস্থা প্লাজমা ফিজিক্স নিয়ে কাজ করছেন।

ড. মামুন প্লাজমা ফিজিক্স অবদানের জন্য জার্মান চ্যান্সেলর পুরস্কার,প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত থেকে একাধিকবার ‘বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্স’ গোল্ড মেডেলসহ দেশ-বিদেশে নানা পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। এছাড়া লন্ডনের ইনস্টিটিউট অব ফিজিক্স থেকে ডাস্টি প্লাজমা ফিজিক্সের ওপর যৌথভাবে প্রকাশিত হয়েছে ‘ইনট্রোডাকশন টু ডাস্টি প্লাজমা’।

আন্তর্জাতিক এই খ্যাতনামা গবেষক জাবির পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে বিএসসি-এমএসসিতে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হন। এমএসসিতে সব বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে বেশি নম্বর পেয়েছিলেন তিনি। তার এমএসসির থিসিসের বিষয় ছিল ‘প্লাজমা ফিজিক্স।

১৯৯৩ সালে জাবির পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে প্রভাষক পদে যোগ দেন তিনি। ওই বছর কমনওয়েলথ স্কলারশিপ নিয়ে ব্রিটেনের সেন্ট অ্যান্ডুজ ইউনিভার্সিটিতে পিএইচডি করতে যান। ফিজিক্যাল রিভিউ লেটারস, ফিজিক্যাল রিভিউ ই. ইউরোপিয়ান ফিজিকস লেটারের মতো নামকরা জার্নালে তার গবেষণা কর্ম প্রকাশিত হয় এবং এ গবেষণাকর্মের ভিত্তিতে প্লাজমা বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন জার্নালে পাঁচ শতাধিক প্রবন্ধ লিখেছেন।

এদিকে অধ্যাপক ড. এ এ মামুনের সাফল্যের জন্য তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দফতর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

আশুলিয়ায় তাজরীন ফ্যাশনের সহযোগিতা বঞ্চিত শ্রমিকদের মানববন্ধন

সাভার প্রতিনিধি: অনুদান ও ক্ষতিপূরণ বঞ্চিত তাজরিন গার্মেন্টেসের আহত শ্রমিক, ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিক ও নিহত পরিবারের শ্রমিকরা অনুদান ও ক্ষতিপূরণের দাবিতে মানববন্ধন করেছে। শুক্রবার সকালে নবীগর-চন্দ্রা মহাসড়কের বাইপাইল এলাকায় অবস্থিত আশুলিয়া প্রেসক্লাবের সামনে এই মানববন্ধন করেন তারা।

ক্ষতিপূরণ বঞ্চিত শ্রমিকরা জানায়, ২০১২ সালের ২৪ নভেম্বর তাজরীন ফ্যাশনের ১১২ জন শ্রমিক আগুনে পুড়ে নিহত হয় ও একই সাথে ৩৫০ জন শ্রমিক মারাত্মকভাবে আহত হয়। এদের মধ্যে কিছু সংখ্যক ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিক বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন ও এনজিও’র মাধ্যমে নগদ অনুদানসহ বিভিন্নরকম সহযোগিতা পেয়ে আসছে। কিন্তু প্রায় ৯০ জন শ্রমিক অগ্নিকাÐের ঘটনায় মারাত্মকভাবে আহত হয়ে চিকিৎসাধীন থাকলেও কোন সহযোগিতা পাচ্ছে না।

এসময় তারা প্রধানমন্ত্রী, শ্রম মন্ত্রী, বিজিএমইএ ও সেসময়ের বায়ার (ক্রেতা) জারা, কিক, কেকে ও ওয়ালমার্টসহ অন্যান্য বায়ারের নিকট থেকে সহযোগিতা কামনা করেন।

তারা জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে দাবি আদায়ে আন্দোনরত তাদের সাথে সংহতি প্রকাশ করে আশুলিয়া প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধনরত সকলকে যাচাই বাঁছাই করে তালিকা তৈরির পর সহযোগী প্রদানের জোর দাবি জানান শ্রমিক নেতারা।
তাজরীন ফ্যাশনের আহত শ্রমিক শিল্পি আক্তারের সভাপতিত্বে এসময় আহত, ক্ষতিগ্রস্ত ও নিহতের প্রায় অর্ধশতাধিক শ্রমিক ও পরিবারার অংশ নেয়। বঞ্চিত শ্রমিকদের দাবি, নিহত ও আহত এবং ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকদের সুনির্দিষ্ট তালিকা তৈরি করে প্রকৃত শ্রমিকদের সহযোগিতা। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগীতা কামনা করেন তারা।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় সংগ্রাম পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা এমএস মনির, বাংলাদেশ পোশাক শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়নের সভাপতি তুহিন চৌধুরী, স্বাধীন বাংলা গার্মেন্টস শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আল-কামরান, গার্মেন্টস টেইলার্স ওয়ার্কার্স লীগের সাভার আশুলিয়া আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি রাকিবুল হাসান সোহাগ।

ধামরাই পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের উন্নয়নের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।

মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন,ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধিঃ ঢাকার ধামরাইয়ে পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের উন্নয়নের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।ধামরাই পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের ধামরাই কেন্দ্রীয় ঈদগাহ্ প্রাঙ্গনে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মতবিনিময় সভায় মোঃ রমিছউজ্জামান সাঈদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ঢাকা ২০ এর সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব বেনজীর আহমদ।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই প্রধান অতিথিকে ফুলের শুভেচ্ছা দিয়ে বরণ করে নেন নেতাকর্মীরা। পরে পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিল জাকির হোসেন ওয়ার্ডের বিভিন্ন উন্নয়নের সফলতার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেই শুধু এই উন্নয়ন করা সম্ভব। জাকির হোসেন ওয়ার্ডের এই উন্নয়নের ধরা অব্যাহত রাখতে ৫নং ওয়ার্ডবাসীর কাছে আবারও কাউন্সিল হওয়ার জন্য সহযোগিতা চান।

এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র আলহাজ্ব গোলাম কবির মোল্লা। আরো উপস্থিত ছিলেন,ধামরাই উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সিরাজ উদ্দিন সিরাজ, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সোহান জেসমিন মুক্ত, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান, ধামরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা সাখাওয়াত হোসেন সাকু, ধামরাই পৌর যুবলীগের সহ-সভাপতি মোঃ আলী খান, পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিল জাকির হোসেন, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ শহিদুল্লাহ, ৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাহেব আলী, ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিল মোহাম্মদ আলী, ২নং ওয়ার্ড কাউন্সিল আমজাদ হোসেন, ৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী আমিনুল হাসান গার্নেলসহ অনুষ্ঠানে পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ড বাসিন্দারা ও বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সাভারে জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ।

বিপ্লব,সাভার ঃ সাভারে জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্র বার দুপুরে সাভার পৌর এলাকার নামাগেন্ডা এলাকায় এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী লীগ সাভার পৌর নয় নং ওয়ার্ড আয়োজিত জেল হত্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে এসময় প্রধান অতিথী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী লীগের কেন্দীয় কমিটির সভাপতি মোঃ আবুল কালাম আজাদ ও প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী লীগের কেন্দীয় কমিটির সাধারণ স¤পাদক শেখ জামাল আহম্মেদ।

এ সময় প্রধান আতিথী বলেন, ৭১ এর পরাজিত শক্তি কারাগারে বর্বরভাবে জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করেছিল। এমন ঘটনা ইতিহাসে বিরল। দেশকে রাজনৈতিক নেতৃত্বশূন্য করার লক্ষে তারা কারাবিধি ভঙ্গ করে ব্রাশফায়ারে হত্যাকান্ড ঘটায়।

উক্ত অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী লীগের ঢাকা বিভাগের সভাপতি শেখ মোঃ নূর ইসলাম,সাধারন সম্পাদক সোহেল মিয়া সহ আনেকে।

সর্বশেষ আপডেট...