সৈয়দ রুবেল ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধিঃ আজ ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস। বাঙ্গালী জাতীর দীর্ঘ নয় মাস রক্তঝরা মুক্তি যুদ্ধের পর ৭১র এই দিনে বিজয় লাভ করে বাঙালীজাতি।এ মাসটি এলেই বাঙ্গালী জাতি স্মরণ করে সেইসব যোদ্ধাদের যারা দেশের জন্য যুদ্ধ করেছেন। যাদের সাহসিকতা আর আত্মত্যাগের বিনিময়ে বাঙ্গালিজাতি পেয়েছে স্বাধীন সার্বভৌমত্ব একটি দেশ। তারই ধারাবাহিকতায় সারাদেশের ন্যায় বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় আজ এই দিনটি উদযাপন করেছে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসন।সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সরকারি বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পনের মধ্য দিয়ে সোমবার যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালন করা হয়।
ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক জোহর আলী ও পুলিশ সুপার ফাতিহা ইয়াসমিন, স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।এরপর একে একে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, জেলা আওয়ামী লীগ, ঝালকাঠি প্রেসক্লাব, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, স্কুল-কলেজ ও পেশাজীবীসহ বিভিন্ন সংগঠন এবং সর্বস্তরের জনতা শহীদ স্মৃতিস্তম্বে পুস্পস্তবক অর্পন করেন।
পরে ঝালজাঠি শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম মাঠে বিজয় দিবসের এক মনোজ্ঞ কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। কুচকাওয়াজে সালাম গ্রহণ করেন ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক জোহর আলী ও পুলিশ সুপার ফাতিহা ইয়াসমিন। কুচকাওয়াজে জেলার স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীসহ বিভিন্ন সংগঠন অংশ নেয়।
এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক আলোচনা সভা, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সংর্বধনা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে মোনাজাত প্রার্থনা, জেলখানা, হাসপাতাল, এতিমখানা, সরকারি শিশু পরিবার (বালক ও বালিকা) এবং নারী পূনর্বাসন কেন্দ্র সমুহে উন্নত খাবার পরিবেশন, প্রতিযোগিতা, মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক প্রামন্য চলচিত্র প্রদর্শণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
শামশুজ্জোহা বিদ্যুৎ,চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধিঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদায় বিজয় দিবস পালিত হয়েছে। সোমবার সকালে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, শহীদ বেদীতে পুস্পস্তবক অর্পন, অভিবাধন সালাম গ্রহণ, কুচকাওয়াজ প্রদর্শন, জীবিত বীরমুক্তিযোদ্ধা শহীদ বীরমুক্তিযোদ্ধা পরিবারদের সংধর্বণার মধ্যদিয়ে দিবসটি পালিত হয়।শিবগঞ্জ উপজেলা চত্বরে অস্থায়ী শহীদ দেবীতে পুস্পস্তবক অর্পন করেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ড, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শিমুল আকতার, শিবগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ মো. শামসুল আলম শাহ, শিবগঞ্জ পৌরসভার মেয়র কারীবুল হক রাজিন, শিবগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাব, উপজেলা আওয়ামীলীগ ও এর অঙ্গ সংগঠন, উপজেলা বিএনপি ও এর সহযোগি সংগঠন, শিবগঞ্জ উপজেলা এনজিও ফোরামসহ উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন সেচ্ছাসেবী সংগঠন। এর আগে শিবগঞ্জ উপজেলা স্টেডিয়ামে শান্তির প্রতীক পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে মহান বিজয় দিবসের উদ্বোধন করা হয়।
এরপর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে একটি বিজয় র্যালি ও শিবগঞ্জ উপজেলা স্টেডিয়ামে পুলিশ, আনসার-ভিডিপি ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের কুচকাওয়াজ ও মুক্তিযুদ্ধাকালিন ডিসপ্লে প্রদর্শন করা হয়। এছাড়া শিবগঞ্জ সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে জীবিত বীরমুক্তিযোদ্ধা শহীদ বীরমুক্তিযোদ্ধা পরিবারদের সংধর্বণা ও আলোচনা সভা হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শিমুল আকতারের সভাপতিত্বে প্রধান ছিলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য ডা. সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলাম, পৌর মেয়র কারীবুল হক রাজিন, শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শামসুল আলম শাহ, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের সাবেক কমান্ডার বজলার রশিদ সনু, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়া, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোসা. শিউলী বেগম, শিবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. আতাউর রহমানসহ প্রমূখ।
সৈয়দ রুবেল ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধিঃ ১৬/১২/২০১৯ইং তারিখ সোমবার সকালে উপজেলার চায়না মাঠে জাতীয় পতাকা উত্তোলন শেষে মুক্তিযোদ্ধারা মাঠ ত্যাগ করেন।পরে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুম্পা সিকদারের কঠোর সমালোচনা করে এ ঘটনার বিচার দাবি করেন তারা।
প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধাদের অবমূল্যায়ন করায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বিজয় দিবসের সব অনুষ্ঠান বর্জন করেছি। মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযথ সম্মান না দেওয়া পর্যন্ত ইউএনও’র নেতৃত্বে জাতীয় কোনো অনুষ্ঠানে আমরা যোগদান করবো না।
মুক্তিযোদ্ধারা ক্ষোভ প্রকাশ করে আরো বলেন, প্রশাসনের ছত্রছায়ায় স্বাধীনতাবিরোধীরা মুক্তিযোদ্ধাদের অবমূল্যায়ন করে চলছে। এমনকি অনুষ্ঠান মঞ্চে আমাদের জন্য আসনও রাখা হয়নি। তাই আমরা মুক্তিযোদ্ধারা সংবর্ধনা অনুষ্ঠান বর্জন করছি।
মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযথ সম্মান না করা হলে ভবিষ্যতে আরো কঠোর কর্মসূচী দেওয়ার ঘোষণা দেন বক্তারা।
এরআগে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে (১৪ ডিসেম্বর) কোনো আলোকসজ্জা না করার সরকারি সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয় ও বাসভবনে বর্ণিল আলোকসজ্জা করা হয়। এ ঘটনায় সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠে।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুম্পা সিকদার বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের একাংশ অনুষ্ঠান বর্জন করেছেন। অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে।
হুমায়ুন কবির, রানীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি ঃ সরা দেশের ন্যায় যথাযোগ্য মর্যাদার সাথে -ঠাকুরগাঁও রাণীশংকৈল উপজেলায় ১৬ ডিসেম্বর সোমবার মহান বিজয় দিবস বিস্তারিত কর্মসূচীর মাধ্যমে পালিত হয়। এ উপলক্ষে এদিন সকালে যথাসময়ে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের স্মারক খুনিয়া দিঘিতে পুষ্পার্ঘ অর্পণের মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। এ সময় উপজেলা প্রশাসন ও পরিষদ বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক সাংস্কৃতিক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পৌরসভা ওই স্মৃতিসৌধে শহীদদের শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে।
প্রসঙ্গত এর আগে রাত ১২টা ১ মিনিটে উপজেলা আওয়ামী লীগ একই স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে। এখানে আওয়ামী লীগ সভাপতি সইদুল হক ও সাধারণ সম্পাদক তাজউদ্দীনসহ নেতারা বক্তব্য রাখেন। পরে উপজেলা প্রসাসনের উদ্যোগে সকাল ৯ টায় ডিগ্রী কলেজ মাঠে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যে খেলাধুলা প্রতিযোগিতা ও ডিসপ্লে অনুষ্ঠিত হয়।
দুপুরে একই মাঠে ইউএনও মৌসুমী আফরিদা সভাপতিত্বে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না। গেস্ট অফ অনার ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য ইয়াসিন আলী,। বিশেষ অতিথি ছিলেন ভাইস চেয়ারম্যান সোহেল রানা ও শেফালী বেগম সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সিরাজুল ইসলাম, রিয়াজুল ইসলাম বিদশী চন্দ্র রায়, ওসি আবদুল মান্নান, ওসি তদন্ত খায়রুল আলম।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক সাংস্কৃতিক নেতাকর্মী বীরমুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনা এবং সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। আরও বক্তব্য দেন মুক্তিযোদ্ধা মোতালেব হোসেন, হবিবর রহমান পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম সরকার, প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম, উপাধ্যক্ষ জামাল উদ্দিন প্রমুখ। সঞ্চালনা করেন প্রভাষক প্রশান্ত বসাক ও উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সাদেকুল ইসলাম।
পরে খেলাধুলায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার ও মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে সম্মাননা উপহার ও স্মার্ট আইডি কার্ড বিতরণ করা হয়। শেষে বিকালে এক প্রীতি ফুটবল ম্যাচ ও পরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন (ধামরাই প্রতিনিধি) ঢাকার ধামরাইয়ে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে কুচকাওয়াজ, ডিসপ্লে, শিশু কিশোর সমাবেশ ও বীরমুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ধামরাই উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সকাল ৯টায় ঐতিহ্যবাহী ধামরাই হার্ডিঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ সংবর্ধনা ও আলোচনা সভায় ধামরাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ সামিউল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বক্তব্য রাখেন ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও স্থানীয় এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব বেনজির আহমদ ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন , ধামরাই পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র আলহাজ্ব গোলাম কবির মোল্লা, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি আবুল কাশেম রতন, ধামরাই উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাদ্দেস হোসেন, সহকারি কমিশনার (ভূমি) অন্তরা হালদার, উপজেলা স্বাস্থ্য প: প: কর্মকর্তা ফজলুল হক, থানার অফিসার ইনচার্জ দীপক চন্দ্র সাহা, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সিরাজ উদ্দিন সিরাজ, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সোহানা জেসমিন মুক্তা, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড আব্দুর রহমান খান প্রমুখ ।
বিপ্লব, সাভার ঃ রাজাকারদের যে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে সেই তালিকা অনুযায়ী তাদের বিচার করা হবে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা.এনামুর রহমান।সোমবার দুপুরে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সাভারের ঐতিহ্যবাহী অধরচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ে বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীদের অংশ গ্রহনে বিজয় দিবসের কুচকাওয়াজ পরিদর্শন শেষে তিনি একথা বলেন।দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা.এনামুর রহমান এসময় আরও বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার আইনের শাসনে বিশ্বাসী তাই সকল রাজাকারদের বিচার দেশের মাটিতে করা হবে কেউ রেহাই পাবে না উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকারী সাজাপ্রাপ্ত আসামীদের বিদেশ থেকে ফিরিয়ে এনে ফাঁসির রায় কার্যকর করা হবে বলেও বলেন তিনি।কুচকাওয়াজ পরিদর্শনে এসময় সাভার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল আলম রাজীব,সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি এ এফ এম সায়েদসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
এনামুল হক, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। সোমবার দিবসটি পালন উপলক্ষ্যে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, আওয়ামীলীগ, জাতীয় পার্টি, বিএনপি, জাকের পার্টি, জাসদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, সাংস্কৃতিক সংগঠন পৃথক-পৃথক কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি উদযাপন করে। সংগঠন গুলো মিছিল সহকারে উপজেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক প্রদান করে শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন করেন।
এছাড়া উপজেলা প্রশাসন শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ৩১ বার তোপ্পধ্বনির মাধ্যমে দিবসটির সূচনা করেন। পরে সুন্দরগঞ্জ আব্দুল মজিদ সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে পুলিশ, আনসার ও ভিডিপি, স্কাউট, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অংশ গ্রহনে কুচ-কাওয়াজ, ডিসপ্লে, শারীরিক কসরত প্রদর্শন করা হয়। এর আগে স্থানীয় সাংসদ ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী আনুষ্ঠানিক ভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।
পরে মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা দেয়া হয়। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ইউএনও সোলেমান আলীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সাংসদ ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান আশরাফুল আলম সরকার, উপজেলা প্রকৌশলী আবুল মনছুর, থানা অফিসার ইনচার্জ আব্দুল্লাহিল জামান, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার এমদাদুল হক বাবলুু, সিরাজুল ইসলাম, জাবেদ আলী মন্ডল, আব্দুল ওয়াহেদ প্রমূখ।
মৃধা শাহীন শাইরাজ ,তালতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি : বরগুনার তালতলী মহান বিজয় দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে সকালে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পন শেষে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে শহরে বিজয় র্যালী বের করে। র্যালী শেষে তালতলী সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে কুচকাওয়াজ, ডিসপ্লে ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ সেলিম মিঞা’র সভাপতিত্বে উপজেলা চেয়ারম্যান রেজবী উল কবির জোমাদ্দার, ওসি শেখ শাহিনুর রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মনিকা নাজনিন মনিসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, সাংবাদিক ও সুধী সমাজ উপস্থিত ছিলেন।
মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন (ধামরাই প্রতিনিধি) ঢাকার ধামরাইয়ে স্বামী ও তার পরিবারের লোকদের নির্যাতন সইতে না পেরে মুনমুন আক্তার (২৮)নামে এক গৃহবধু আত্মহত্যা করেছে। মুনমুন আক্তার ধামরাই পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের কুমড়াইল এলাকার আব্দুল লতিফের মেয়ে।
১১ বছর আগে ধামরাই সুতিপাড়া ইউনিয়নের বালিথা গ্রামের শাজাহান মিয়ার ছেলে আরিফুল ইসলাম আজাহারের সাথে বিয়ে হয়। মুনমুনের আট বছরের একটি ছেলে আছে। আরিফুল ইসলাম আজাহার ইট বালু ব্যবসায়ী। স্বামী আজাহার একই গ্রামের এক গার্মেন্টস কর্মীর সাথে দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়ায় লিপ্ত আছে। মুনমুন এ নিয়ে প্রতিবাদ করায় প্রায়ই তার উপর চলতো নির্যাতন।গত মঙ্গলবার এ নিয়ে কথা হলে স্বামী আজাহার মুনমুনকে বেধরক পিটিয়ে জখম করলে তার গলার অনেকটা অংশ কেটে যায়। পরে মুনমুনের বাড়ির লোকজন এসে তাকে ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। শনিবার মুনমুন আক্তার কিছুটা সুস্থ হলে ধামরাই কুমড়াইলে তার বাবার বাড়ি নিয়ে আসে। বাড়িতে আসার পর তার স্বামী আজাহারের সাথে ফোনালাপ হয়।
পরে কাউকে কিছু না বলে ঘরে গিয়ে ফাঁস নেয়। স্থানীয়দের খবর পেয়ে থানাপুলিশ সন্ধ্যার পরে মুনমুনের লাশ উদ্ধার করে। এ বিষয়ে মুনমুনের বাবা বাদী হয়ে মামলা করেন। রাতের বেলায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে মুনমুনের শ্বশুর শাশুড়ীকে গ্রেফতার করলেও তার স্বামী মৃত্যুর খবর পেয়েই পালিয়ে যায়।
এ বিষয়ে ধামরাই থানার এস আই সেকান্দার বলেন লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ঢাকা শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।এ বিষয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। দুইজনকে আটক করা হয়েছে। মুনমুনের স্বামী আজাহারকে গ্রেফতারের জন্যে অভিযান চলছে।