16.5 C
Dhaka, BD
সোমবার, জানুয়ারি ১৯, ২০২৬

মেয়েদের যেসব বদভ্যাস ত্যাগ করা উচিৎ!

লাইফস্টাইল ডেস্ক : রাস্তাঘাটে, স্কুল-কলেজে, অফিসে বা বাড়িতেও নিজের ইজ্জত নিজেকেই ধরে রাখতে হয় মেয়েদের। কথাটা সেকেলে হলেও, সেটাই একমাত্র রাস্তা। ব্যক্তিত্বে সম্ভ্রম না থাকলে ছেলেরা মেয়েদের সস্তা মনে করে। তখনই ঘটে বিপদ। তাই প্রথমেই কিছু বদভ্যাস ত্যাগ করতে হবে মেয়েদের। সেগুলি কী কী জেনে নিন –
মেয়েদের যেসব বদভ্যাস ত্যাগ করা উচিৎ

১. গোপনেই থাক অন্তর্বাস:
অনেক মেয়ের জামার বাইরে ব্রা স্ট্র্যাপ বেরিয়ে থাকে। অনেকসময় সেটা অজান্তেই ঘটে। কিন্তু সবার ক্ষেত্রে ব্যাপারটা এক নয়। কিছু মেয়ে আছে যারা ইচ্ছাকৃত ব্রায়ের স্ট্র্যাপ বের করে রাখে। স্বাভাবিক ভাবেই পুরুষের নজর সেদিকে যায়। মেয়েটিকে উদ্দেশ্যে করে খারাপ ইঙ্গিত করে। খুব ভদ্র ছেলেরা আবার এ সব মেয়েদের দিকে তাকায় না। কিন্তু মনে মনে মেয়েটিকে সম্মানও দেয় না।

২. ছেলেদের সঙ্গে কথা বলতে হবে দূর থেকে:
ঘাড়ের উপর উঠে কথা বলে যে সব মেয়ে, তাদের সহজলভ্য ভেবে নেয় সবাই। ছেলেরা মনে করে মেয়েটি গায়ে পড়া। বাকি মেয়েরা তার সঙ্গে মিশতে চায় না। সত্যি বলতে কী, এমন মেয়েরা কখনওই কারোর কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।

৩. অশালীন মেসেজ করলে সস্তা ভাবে ছেলেরা:
ভুল করে বা ইচ্ছা করে কোনও ছেলেকে অশালীন মেসেজ করার অভ্যেস ছাড়তে হবে মেয়েদের । এই কু-অভ্যেসটি ইদানিং তৈরি হয়েছে মেয়েদের মধ্যে। সারাদিন হোয়াটস্অ্যাপে বুড়ো আঙুল নাড়িয়েই চলেছে তারা। ফলে বান্ধবীর সঙ্গে হাসিমজা করতে করতে কোনও ইঙ্গিতবাহী মেসেজ সে পাঠিয়ে দিল কোনও ছেলেকে। কিছুদিন আগে একটি মেয়ে প্রেমিককে স্তনের ফোটো পাঠাতে গিয়ে অফিসের বসকে ফোটোটি পাঠিয়ে দিয়েছিল। মেয়েটি নাকি ভুল করে এমনটা করে ফেলেছিল। প্রশ্ন উঠে, সত্যিই কি ভুল করেই এমন কাজ? নাকি সামনেই প্রোমোশন ছিল বলে এই ঘুষ!

৪. ছেলেদের গায়ে হাত দিয়ে কথা নয়:
পরিচিত, স্বল্প পরিচিত ছেলেদের গায়ে হাত দিয়ে কথা বলার স্বভাব অনেক মেয়েদেরই থাকে। বিশেষ করে বিবাহিত মেয়েরা মুখে “ভাই ভাই” বলে গায়েফায়ে হাত দিয়ে দেয় অনেক ছেলের। সেটা কিন্তু যথেষ্টই উশকে দেওয়ার মতো কাজ। ছেলেটিও যদি মেয়েটির গায়ে পালটা হাত দেয়, তখন?

৫. সবার সামনে পোশাক ঠিক করা নয়:
অনেক মেয়েরা ছেলেদের সামনে টেনে টেনে পোশাক ঠিক করে। এটা খেয়াল করে দেখে না, মেয়েদের এমনটা খেয়াল হয় না যে, ছেলেরা তার আচরণে অপ্রস্তুত বোধ করছে। ফলে হয় কী, মেয়েটিকে সহজলভ্য ভেবে নেয় তারা। ভাবে এই মেয়ের কোনও আত্মসম্মান নেই। এই মেয়ের শরীর স্পর্শ করলেও কিছু বলবে না!

৬. অন্তর্বাস বারান্দায় মেলা নয়:
অনেক মেয়েদের এই দোষ আছে। অন্তর্বাস কেচে প্রকাশ্য বারান্দায় বা ছাদে তা শুকোতে দেয়। এটা ভাবে না অন্য বাড়ির পুরুষ, পথচলতি মানুষ সেটা দেখতে পাচ্ছে। তারা জেনে যাচ্ছে মেয়েটির অন্তরের রহস্য। এমন ক্ষেত্রে শুধু মেয়েটির ব্যাপারে নয়, তার গোটা পরিবার সম্পর্কেই খারাপ ধারণা পোষণ করতে শুরু করে পুরুষ কুল। তাই মেয়েদের সাবধান হওয়া বাঞ্ছনীয়, বাথরুমের রডে বা মেলে রাখা কাপড়ের নীচে অন্তর্বাস শুকোতে দিন। প্রকাশ্যে নয়।

মেয়েদের যে ৫টি বিষয় দেখে বুঝবেন সৌভাগ্যবতী কিনা!

বিনোদন ডেস্ক ঃ আমাদের দেশে মহিলাদের দেবীরুপে গণ্য করা হয়। হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা মহিলাদের দেবীর অপর রুপ বলেই মনে করেন। এই জগতে মহিলারা না থাকলে মনুষ্য প্রজাতিই বিলুপ্ত হয়ে যেত। কিন্তু আজ বর্তমানে একুশ শতকের ঘোর কলিযুগে এসেও সমাজে মহিলাদের অবস্থা খুবই খারাপ। এখনও অনেক এমন মানুষ আছে যারা মেয়ের জন্মানোকে কোন অভিশাপের থেকে কম ভাবে না। এই কথা সবাই জানে যে নারীরাই নতুন প্রাণের উৎস, তবুও নারীদের প্রাপ্য সম্মান দেওয়া হয় না। তবে বলা উচিত যে, বর্তমানে অনেক লোকজনেরই নারীদের সম্পর্কে চিন্তা-ভাবনা পাল্টেছে।
আমাদের দেশে আজও কিছু কিছু পিছিয়ে পড়া গ্রাম রয়েছে যেখানে কন্যাসন্তান জন্ম নিলে রীতিমত শোক পালন করা হয়। তাদের সত্যিই কোন ধারণা নেই যে বর্তমান যুগে নারীরা কতটা এগিয়ে গেছে। পুরুষদের সাথেই কাঁধে-কাঁধ মিলিয়ে সমস্ত রকম দায়িত্ব সামলাতে পারে তারা। ওই সমস্ত লোকজনরা জানে না যে, পুরুষরা একবার হলেও তাদের দুঃখ দিতে পারে কিন্তু নারীরা কখনই সেটা করে না। একথা একদম সত্যি যে বিয়ে দেওয়ার পর মেয়েরা মেয়েই থাকে কিন্তু ছেলেরা স্বামী হয়ে যায়। এই জগতে মহিলাদের অমূল্য অবদান রয়েছে কারণ তাদের থেকেই সৃষ্টি হয় নতুন প্রাণের। মা লক্ষী সেই ঘরেই বিরাজমান হন যেখানে নারীর সম্মান করা হয়।
আজ আপনাদের জানাবো কোন ধরনের মহিলারা তাদের পরিবার ও স্বামীর জন্য সৌভাগ্যশালী হন। শাস্ত্রমতে মহিলাদের নির্দিষ্ট কয়েকটি অঙ্গ বড় হলে তা পরিবারে সুখ-সমৃদ্ধি নিয়ে আসে।
আসুন দেখে নেওয়া যাক-
বড় চোখ : যেসব মহিলার চোখ বড় হয় তাদের দেখতে তো সুন্দরী লাগেই, এছাড়াও এনারা স্বামীকে অত্যন্ত ভালোবাসেন। যে বাড়িতে এনারা যান সেখানে ধন-সম্পদের আধিক্য ঘটে। এই ধরণের মহিলারা কখনই নিজের স্বামীকে ঠকান না।
লম্বা নাক : যেসব মহিলাদের নাক লম্বা হয় তাদের সব রকম সমস্যা শান্ত মাথায় সমাধান করার ক্ষমতা থাকে। এনাদের টাকা খরচ করার প্রবণতা থাকে, তবে তারা কখনই বাজে খরচ করেন না।
লম্বা আঙুল : যেসব মহিলাদের আঙুল লম্বা হয় তারা অত্যন্ত বুদ্ধীমতি হন, আর তাদের লেখা-পড়া করার দারুণ সখ থাকে। এই ধরণের মহিলারা টাকা-পয়সা কম খরচ করেন এবং টাকা-পয়সা পেলে চেষ্টা করেন তা কিভাবে বাড়ানো যায়।
লম্বা চুল : যেসব মহিলাদের চুল লম্বা তাদের বরাবরই পরিবারের জন্য অত্যন্ত ভাগ্যশালী মনে করা হয়। এই ধরণের মহিলারা যে পরিবারে যান সেই পরিবারে কখনোই টাকা-পয়সার অভাব হয়না।
লম্বা গলা : যেসব মহিলার লম্বা গলা আছে তার অত্যন্ত সৌভাগ্যের অধিকারীনি হন।

বিএসএফের গুলিতে বেনাপোলের গরু ব্যবসায়ী জখম

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: ভারত থেকে গরু নিয়ে ফেরার সময় সীমান্তরক্ষী বিএসএফের গুলিতে ইসরাফিল (৩০) নামে এক গরু ব্যবসায়ী গুরুতর জখম হয়ে নাভারন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।

বৃহস্পতিবার(১১জুলাই) ভোরে বেনাপোলের পুটখালী সীমান্তের বিপরীতে ভারতের আংরাইল সীমান্তে সে গুলি বিদ্ধ হয়।আহত ইসরাফিল ইসলাম বেনাপোল পোর্ট থানাধীন ছোট আঁচড়া গ্রামের নুর ইসলামের ছেলে।

আহতের পরিবার জানায়, গুলিতে আহত ইসরাফিলসহ কয়েকজন যুবক সীমান্ত পথে ভারত থেকে গরু নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করছিল। এসময় পুটখালী সীমান্তের বিপরীতে ভারতের আংরাইল ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লে ইসরাফিল গুলি বিদ্ধ হয়ে পড়ে থাকে। পরে সীমান্ত থেকে বিজিবি সদস্যরা তাকে উদ্ধার করেছে।

২১ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের পুটখালী ক্যাম্পের স্ুেবদার মশিউর রহমান জানান, আহত গরু ব্যবসায়ীকে শার্শা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তারা চিকিৎসা করাচ্ছেন।

আহতের মা জাহানারা বেগম জানান, তার ছেলে ট্রাক চালায়। কদিন ধরে কাজ ভাল না থাকায় ভারতে গরু আনতে গিয়েছিল। ফেরার সময় বিএসএফ সদস্যরা তাকে গুলি করে। জানতে পেরেছি বিজিবি তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসা দিচ্ছে।

২১ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল ইমরান উল্লাহ সরকার জানান, ইসরাফিল নামে এক যুবক ভারতে গরু আনতে যেয়ে বিএসএফ’র গুলিতে আহত হয়েছে। উদ্ধারের পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপ-সহকারী মেডিকেল অফিসার নিজামুল ইসলাম বলেন, বিজিবি সদস্যরা ইসরাফিল নামে এক যুবককে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। তার বাম হাতে গুলিবিদ্ধ হয়। তার উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

সেফুদাকে নিয়ে পরীক্ষায় প্রশ্ন করায় , শিক্ষক জাহিনুল হাসান বরখাস্ত ।

নিজেস্ব প্রতিবেদক : সেফুদাকে নিয়ে পরীক্ষায় প্রশ্ন করায় , শিক্ষক জাহিনুল হাসানকে বরখাস্ত করা হয়েছে ।

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজের দশম শ্রেণির প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষায় ইসলাম শিক্ষা প্রশ্নপত্রের একটি উদ্দীপক নিয়ে সম্প্রতি সমালোচনার ঝড় উঠেছে ফেসবুকে। মঙ্গলবার (০৯ জুলাই) প্রশ্নপত্রটি ফেসবুকসহ অন্যান্য সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয় ।

প্রশ্নপত্রে সিফাত উল্লাহ উল্লেখ করে একটি সৃজনশীল প্রশ্ন করা হয়েছে। আর এ কারণেই কলেজের শিক্ষক জাহিনুল হাসানকে বুধবার (১০ জুলাই) সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটির সদস্য ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মু. জিয়াউল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সাময়িক বরখাস্ত হওয়া শিক্ষকের নামে তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

জানা গেছে, ৪ জুলাই ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা বিষয়ের পরীক্ষা হয়। সেই পরীক্ষার সৃজনশীল প্রশ্নের একটিতে সেফাতুল্লাহকে উদ্দীপক হিসেবে ব্যবহার করে বলা হয় বলা হয়, ‘অদ্ভুত ধরনের এক মানুষ সেফাতুল্লাহ সেফুদা। সোশ্যাল মিডিয়ায় সে বিভিন্ন রকম কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে। তরুণদের উদ্দেশে সে বলে “মদ খাবি মানুষ হবি, দেখ আমি আরও এক গ্লাস খাইলাম।”

তার কথায় প্রতিবাদ করে একজন বিজ্ঞ আলেম বললেন, তার মধ্যে যদি ইমানের সর্ব প্রথম ও সর্বপ্রধান বিষয়ের প্রভাব পরিলক্ষিত হতো, তাহলে সে হয়ে উঠত একজন আত্মসচেতন ও আত্ম মর্যাদাবান ব্যক্তি।’ এই উদ্দীপকের ভিত্তিতে চারটি প্রশ্ন করা হয়।

সাভারের ভাকুর্তা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষনা ।

বিপ্লব সাভার : সাভারে ভাকুর্তা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষনা করা হয়েছে আজ।
ঢাকার সাভারের ভাকুর্তা ইউনিয়নে ছাত্রলীগের ১০ সদস্য বিশিষ্ট কমিটিত গঠন করা হয়েছে । মাহফুজুর রহমান সৌরভকে সভাপতি ও জুয়েল আহমেদকে সাধারণ সম্পাদক করে এই কমিটি গঠন করা হয় ।

আজ বুধবার দুপুরে সাভার উপজেলা পরিষদে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আতিকুর রহমান আতিক একমিটি ঘোষনা করেন ।

এ সময় কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বলেন আমরা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে চাই এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ নিয়ে কমিটির সকল নেতৃবৃন্দ সহ ,কাজ করেযেতে চাই বলে জানিয়েছেন । কমিটির সকল সদস্যকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ঢাকা ২ আসনের সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম ও ছাত্রলীগের সকল সঙ্গঠনের নেতা কর্মীরা ।

ভারতে বাংলাদেশী পাসপোর্ট যাত্রীদের হয়রানি ,জিম্মি করে আদায় করা হচ্ছে ঘুষ।

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: বাংলাদেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোলের ওপারে ভারতের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বনগা থানার হরিদাসপুর বর্ডার দিয়ে বাংলাদেশ থেকে বৈধ পাসপোর্ট ভিসা নিয়ে যাওয়া বাংলাদেশী যাত্রীদের নিকট থেকে ল্যাগেজ তল্লাশীর নামে যাত্রীদের জিম্মি করে আদায় করা হচ্ছে ঘুষ।কেহ টাকা দিতে অস্বীকার করলে তাকে ঘন্টার পর ঘন্টা আটকে রেখে জেলে পাঠানোর ভয় দেখানো হচ্ছে বলে ভারত থেকে ফিরে আসা অনেকে জানিয়েছেন।

ভারত থেকে ফিরে আসা বাবু দত্ত বলেন বৈধ পাসপোর্ট ভিসা নিয়ে বাংলাদেশ কাস্টমস ইমিগ্রেশন কাজ শেষ করে ভারতে প্রবেশ করার পর ব্যাগ তল্লাশী করে কিছু না পেয়ে মানিব্যাগ নিয়ে ব্যাগে থাকা ১৭ হাজার টাকা দেখে এত টাকা নেয়া যাবে না বলে জানিয়ে দেন।পরে খুব অনুরোধের পর ৫ হাজার টাকা রেখে মানিব্যাগ ফেরত দেন।

কথা হয় বরিশাল গেীরনদী বাজারের ব্যবসায়ী সুশিল এর সাথে তিনি বলেন স্ত্রী সন্তান নিয়ে ভারতে বেড়াতে যাবার কালে ভারতীয় কাস্টম পকেট চেক করে ৩২ হাজার টাকার মধ্য ৭ হাজার টাকা রেখে দেয়।প্রতিবাদ করলে পুলিশে দেওয়ার ভয় দেখাচ্ছিল।পিরোজপুর জেলার সেলিম হোসেন বলেন চিকিৎসা জন্য ভারত গিয়ে ছিলাম ফেরার সময় ভারতীয় কাস্টম জোর করে ৩শ টাকা নিয়ে নিল তারা কোন কথায় শোনে না।

শায়লা খাতুন নামে একযাত্রী জানান ভারত থেকে ফেরার সময় ৬হাজার ভারতীয় রুপি ছিল সেটাতো নিল আবার বাংল ১ হাজার টাকা দিতে হল। বেনাপোল আমদানী রপ্তানী কারক কামাল হোসেন বলেন বেনাপোল দিয়ে কোলকাতা দূরত্ব কম হওয়াতে এ পথ দিয়ে ব্যবসায়ী,চিকিৎসা ও ভ্রমন করার জন্য সবাই যেতে চায় কিন্তু বর্তমানে ভারতীয় কাস্টম কর্তৃক যে ভাবে বাংলাদেশী পাসপোর্ট যাত্রী হয়রানী হচ্ছে সেটা খুব দূঃখ জনক।

ভারতীয় কাস্টম কর্তৃক বাংলাদেশী যাত্রী হয়রানীর ব্যাপারে বেনাপোল চেকপোষ্ট আন্তজাতিক কাস্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা আজিজুল ইসলাম জানান,ভারতীয় চেকপোষ্ট কাস্টমসে বাংলাদেশী পাসপোর্ট যাত্রী হয়রানী হচ্ছে কেহ অভিযোগ করেনি।অভিযোগ পেলে তাদেরকে আমরা জানাতে পারি।

আশুলিয়ায় গনস্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে একটি কলেজের অফিস, সীমানা প্রাচীর ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ ।

বিপ্লব সাভার ঃ রাজধানী ঢাকার উপকন্ঠ শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ার মির্জানগরে রাতের আধাঁরে কানাডিয়ান কলেজের সীমানা প্রাচীর ও অফিসের আসবাবপত্র, প্রধানমন্ত্রী, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি ভাংচুরসহ ব্যাপক লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার রাত তিনটার দিকে গনস্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ তাদের ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীর মাধ্যমে কানাডিয়ান কলেজে ভাংচুর ও লটপাটের ঘটনাটি ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ করেন ক্ষতিগ্রস্থ প্রতিষ্ঠানটির মালিক পক্ষ।

জমির মালিক ও কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আলী বলেন, ১৯৯৬ সাল থেকে গনস্বাস্থ্যের মালিক ডা. জাফর উল্লাহ আমার জমিটি দখলে নেয়ার চেষ্টা করছে। এসব বিষয়ে তার ও গনস্বাস্থ্যের রেজিষ্ট্রার দেলোয়ার হোসেন, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আলী মোর্তজা বাবু ও আওলাদ হোসেনের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানাসহ আদালতে একাধিক মামলা রয়েছে। গত কয়েকদিন পূর্বেও দেলোয়ার হোসেন আমাকে হত্যার হুমকি দেয়, এই ঘটনায় আশুলিয়া থানায় একাধিক জিডি রয়েছে। পূর্ব শত্রুতার জের ধরেই বুধবার রাত সাড়ে তিনটার দিকে আমার মালিকানাধীন জমির সীমানা প্রাচীরসহ কলেজের অভ্যন্তরে ঢুকে লুটপাট ও ভাংচুর করেছে।

তিনি আরো বলেন, সন্ত্রাসীরা কলেজ ভবনের প্রতিটি কক্ষের তালা ভেঙ্গে ভেতরে ঢুকে বৈদ্যুতিক ফ্যান, সোফা সেট, দামী আসাবাবপত্র দুটি ট্রাকে তুলে নিয়ে যায়। এমনকি কলেজের অফিস কক্ষে প্রবেশ করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি ভাংচুরসহ শিক্ষার্থীদের যাবতীয় সনদপত্র, ছাত্র-ছাত্রীদের ভর্তিকৃত ৩ লাখ ৪২ হাজার টাকা, ২৮টি বৈদ্যুতিক ফ্যান, ৫ সেট সোফা, ৩০টি চেয়ার, আয়ার কক্ষ থেকে নগদ ১৫ হাজার টাকা, ১টি স্বর্নের চেইন, এক জোড়া কানের দুল, ১টি আংটি ও ২৫টি নতুন শাড়ী কাপড় লুটে নেয়। এঘটনার জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রীর নিকট বিচার দাবী করে বলেন, ডা. জাফর উল্লাহ নামে মুক্তিযোদ্ধা হলেও কাজে কর্মে মুক্তিযোদ্ধের বিরোধীদের সাথে সরকার পতনের নীলনকশা করছেন।

তিনি সাংবাদিকদের আরো বলেন, ভাংচুর ও লুটপটের ঘটনায় র‌্যাব-৪ ও আশুলিয়া থানাকে অবহিত করা হয়েছে। ঘটনাস্থল পুলিশ ও র‌্যাব সদস্যরা পরিদর্শন করেছেন। ক্ষয়-ক্ষতির পরিমান নিরুপন করেই আশুলিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করা হবে।

গনস্বাস্থ্য ও গণ বিশ্ববিদ্যালয় রেজিষ্ট্রার ও সহকারী রেজিষ্ট্রারদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তাদের বিশ^বিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পাওয়া যায়নি। মুঠোফোনে জানতে চাইলে গণ বিশ্ববিদ্যালয় পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আলী মোর্তজা বাবু বলেন, আমি এসব বিষয়ের সাথে জড়িত নই। গণ বিশ্ববিদ্যালয় জমির বিষয়টি দেখেন ষ্ট্রাষ্টি বোর্ডের লোকজন।

ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক বিজন কুমার দাস। তিনি বলেন, কানাডিয়ান কলেজের সীমানা প্রাচীর, অফিস কক্ষে ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাটের সতত্যা পাওয়া গেছে। এঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও জমির মালিকের পক্ষ থেকে অভিযোগ দয়ের করলে পুলিশের পক্ষ থেকে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে এখবর লেখা পর্যন্ত পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত কাউকে আটক করেনি।

যশোরের বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনটি ১৭ই জুলাই উদ্ভোধন ।

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: আগামী ১৭ই জুলাই চালু হচ্ছে যশোরের বন্দর নগরী বেনাপোল-ঢাকা রুটের নতুন ট্রেন বেনাপোল এক্সপ্রেস। এ দিন ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে নতুন এই ট্রেনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উদ্বোধনী দিন বেলা সোয়া একটায় ট্রেনটি বেনাপোল থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে। এ ট্রেনে বগি থাকবে ১২টি।

বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের প্রধান পরিবহন তত্ত¡াবধায়ক মো. শাহ নেওয়াজ বলেন, ‘১৭ই জুলাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকার গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বেনাপোল এক্সপ্রেসের উদ্বোধন ঘোষণা করবেন। বেনাপোল রেলওয়ে স্টেশনে রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. শামসুজ্জামানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংযুক্ত থাকবেন। আজ–কালের মধ্যে অনলাইনসহ নতুন এই ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হবে।’

রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, ৮৯৬ আসনের এই ট্রেন প্রতিদিন স্থলবন্দর বেনাপোল স্টেশন থেকে ছেড়ে যশোর, ঈশ্বরদী জংশন ও ঢাকা বিমানবন্দরে যাত্রী ওঠানো-নামানোর জন্য সাময়িক বিরতি দিয়ে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের শেষ গন্তব্যে গিয়ে থামবে। বেনাপোল এক্সপ্রেস নন এসি শোভন ৪৮৫ টাকা ,এসি চেয়ার ৯৩২ টাকা ,এসি কেবিন ১৬৭৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর সঙ্গে যাত্রীদের আর কোনো চার্জ দিতে হবে না। আধুনিক এই ট্রেনের কোচগুলো (বগি) ইন্দোনেশিয়া থেকে আমদানি করা হয়েছে। পরীক্ষামূলকভাবে ট্রেনটি ইতিমধ্যে চালানো হয়েছে। আসছে কোরবানির ঈদযাত্রায় দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষ এই ট্রেনে চলাচলের সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। প্রতিদিন বেলা সোয়া একটায় ট্রেনটি বেনাপোল থেকে রওনা হবে।

বাংলাদেশ রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের প্রধান পরিবহন তত্ত্বাবধায়ক মো. শাহ নেওয়াজ বলেন, বেনাপোল-ঢাকা ট্রেনের নামকরণ করা হয়েছে বেনাপোল এক্সপ্রেস। এ ট্রেনে বিমানের মতো বায়ো-টয়লেট সুবিধা রয়েছে। আসনগুলোও আধুনিক। প্রতিদিন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ট্রেনটি বেনাপোল থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে। আবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা থেকে বেনাপোলের উদ্দেশে ছেড়ে আসবে। সকাল আটটার মধ্যে ট্রেনটি বেনাপোল বন্দরে পৌঁছে যাবে।

বেনাপোল স্টেশন সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে যশোর-থেকে ঢাকার মধ্যে যে ট্রেন সার্ভিস চালু রয়েছে তা ঢাকায় পৌঁছানোর মধ্যে ১৪টি স্থানে বিরতি নেয়। এতে যশোর থেকে ঢাকায় পৌঁছাতে ১০ থেকে ১১ ঘণ্টা সময় লেগে যায়। সেখানে চালু হওয়ার অপেক্ষায় থাকা বেনাপোল-ঢাকা বিরতিহীন ট্রেনটি ৭ ঘণ্টার মধ্যে যশোর ও ৮ ঘণ্টার মধ্যে বেনাপোলে পৌঁছে যাবে। বেনাপোল থেকে ট্রেনটি ছেড়ে যশোর রেলওয়ে জংশনে পৌঁছে ১৫ মিনিটের বিরতি করবে। এ সময়ের মধ্যে যাত্রী ওঠানো ও রেলের ইঞ্জিন ঢাকামুখী ঘোরানো হবে। এরপর ঈশ্বরদী গিয়ে ট্রেনের চালকসহ অপারেশনাল কর্মী বদলের জন্য আরও ১৫ মিনিটের বিরতি থাকবে। পরে ট্রেনটি ঢাকার কমলাপুর স্টেশনে শেষ গন্তব্যে ছেড়ে যাবে। তবে এর আগে ঢাকা বিমানবন্দর স্টেশনে কিছুক্ষণের জন্য ট্রেনটি থামানো হবে।

এদিকে যাত্রীদের বিশ্রামের জন্য বেনাপোল স্টেশনে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত একটি বিশ্রামাগার সংস্কারের কাজ শেষের দিকে।

জাবির প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ ।

সাঈদ বিন ইসলাম জাবি প্রতিনিধি : জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা সুদিপ্ত শাহীনের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসায় সহযোগিতা, মাদক সেবন, ছিনতাই, রিক্সাচালক ও বহিরাগত মারধর সহ বেশ কয়েকটি অভিযোগ উঠেছে। একাধিক ব্যক্তিকে মারধর, মাদক ব্যবসায় সহযোগিতা ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ সত্বেও তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে না বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সুদীপ্ত শাহিন বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরাপত্তা কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর থেকে ক্যাম্পাসে মাদক ব্যবসা ও ছিনতাই বেড়েই চলছে। প্রতিনিয়ত কেউ না কেউ ছিনতাই ও মারধরের শিকার হচ্ছেন। ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের আটক করে মারধরের ভিডিও ধারণ করে ফেইসবুকে প্রচার করেন তিনি।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র হতে আরও জানা যায়, ‘প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা সুদীপ্ত শাহীন মাদকাসক্ত, তিনি নিয়মিত মাদক সেবন করেন ‘।

আশুলিয়া থানার পুলিশের সাব ইন্সপেক্টর মনির বলেন, ‘সুদীপ্ত শাহীন মাদকাসক্ত ও মাদক ব্যবসায়ীদের ইন্ধন দেন, তিনি সরাসরি মাদক ব্যবসা না করলেও, মাদক ব্যবসায়ীদের চক্রকে নানা ভাবে সহযোগিতা করে থাকেন’।
উল্লেখ্য, প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র হতে জানা যায়, গত মঙ্গলবার রাত আটটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছবি চত্বর থেকে বহিরাগত স্বাধীন মিয়া ও চৌরঙ্গী এলাকা থেকে সুজন মিয়াকে বান্ধবী সহ আটক করে সুদিপ্ত শাহিন। আটক করে তাদেরকে মারধর করা হয়েছে বলে তারা অভিযোগ করেন। পরবর্তীতে বান্ধবী সহ তাদের চারজনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন চত্ত্বরে একটি কক্ষে আটক করে রাখা হয়। এসময় স্বাধীন মিয়া ও সুজন মিয়াকে অমানবিক শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়।

এছাড়া আটককৃতদের কাছ থেকে অর্থ দবি করা হয়েছে বলেও জানা যায়। পরবর্তীতে সংবাদকর্মীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে রাত দশটায় তাদেরকে ছেড়ে দেয়া হয়।

সুজন নামে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, ‘নিরাপত্তা কর্মকর্তা নিরাপত্তার নামে অনৈতিক কাজ করে বেড়ায়। সুযোগ বুঝে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথেও সে দুর্ব্যবহার করে।’ এছাড়া বহিরাগত গাড়ি, ছিনতাইকারি আটক না করে সাধারণ বহিরাগতদের হয়রানী কার হয় বলেও অভিযোগ করেন ওই শিক্ষার্থী। আটককৃতদের নিরাপত্তা অফিসে না নিয়ে গিয়ে পরিবহন চত্ত¡রের কক্ষে আটকে রাখার কারণ জানতে চাইলে নিরাপত্তা কর্মকর্তা সুদীপ্ত শাহিন কোনো সদুত্তর দিতে পারে নি।

ক্যাম্পাসে প্রেমিক যুগল আটক ও মারধরের বিষয়ে সুদীপ্ত শাহীন বলেন, ‘ক্যাম্পাসের পরিবেশ ভালো রাখতে বহিরাগতদের ধরা হয়। আর যারা বেয়দবি না করলে কাউকে মারধর করা হয় না।’
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর আকলিমা আক্তার জানান, ‘ক্যাম্পাসে বহিরাগত আটক করা নিরাপত্তা কর্মকর্তার কাজ নয়। এছাড়া কাউকে মারধরের অনুমতি তাকে কেউ দেয়নি।’

নিরাপত্তা অফিস সূত্রে জানা যায়, ‘তাকে (সুদীপ্ত শাহীন) মারধর বন্ধ করতে বললে তখন ক্যাম্পাসে ছিনতাই বেড়ে যায়। আবার তাকে সক্রিয় হতে বললে দিলে ক্যাম্পাসে অরাজকতা করে বেড়ায়।’
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার রহিমা কানিজ জানান, ‘সুদিপ্ত শাহিনের বিরুদ্ধে কর্মচারী মারধরের অভিযোগে একটি তদন্ত চলছে। শিগগিরই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

প্রসঙ্গত, নিরাপত্তা কর্মকর্তা সুদীপ্ত শাহিন ক্যাম্পাসে ছিনতাই ও মাদকের সাথে জড়িত থাকার একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া ক্যাম্পাসে এক কর্মচারীর স্ত্রীর সাথে পরকীয়া, গার্ডকে মারধর, গভীর রাতে এক ছাত্রীকে হেনস্থা করা সহ তার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি অভিযোগ রয়েছে।

ধামরাইয়ে মাদক,সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও ইভটিজিং প্রতিরোধে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ।

মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন (ধামরাই প্রতিনিধি) আজ ৯ই জু্লাই ” মঙ্গলবার দুপুরে ধামরাই কালামপুর ভালুম আতাউর রহমান খান স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে অত্র স্কুলের ছাত্র – ছাত্রদের নিয়ে ধামরাই থানা পুলিশের আয়োজনে ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এসডিআই) এর সহযোগিতায় এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এ’সময় ভালুম আতাউর রহমান খান ডিগ্রি কলেজের ( ভারপ্রাপ্ত) অধ্যক্ষ সলিম উল্লার সভাপতিত্বে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি )শ্রী দীপক চন্দ্র সাহা।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এসডিআই এর নির্বাহী পরিচালক সামছুল হক।
প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ঢাকা জেলা আওয়ামীলীগ ও বায়রা’র সভাপতি
ঢাকা-২০ ধামরাই আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব বেনজির আহমদ।
প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার মোঃ শাহ্ মিজান শাফিউর রহমান বিপিএম(বার) পিপিএম।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রাখেন ঢাকা জেলা উত্তর ক্রাইম অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ সাইদুর রহমান, ধামরাই পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব গোলাম কবীর মোল্লা, ধামরাই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মোহাদ্দেস হোসেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ সিরাজ উদ্দিন সিরাজ, উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভুমি) অন্তরা হালদার, সোমভাগ ইউপি চেয়ারম্যান, মোঃ আজাহার আলী, সুতিপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান । মো; রেজাউল করিম রাজা, সানোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খালেদ মাসুদ খান (লাল্টু) প্রমুখ।

সর্বশেষ আপডেট...