34.3 C
Dhaka, BD
রবিবার, জুন ১৪, ২০২৬

ভারতে বাংলাদেশী পাসপোর্ট যাত্রীদের হয়রানি ,জিম্মি করে আদায় করা হচ্ছে ঘুষ।

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: বাংলাদেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোলের ওপারে ভারতের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বনগা থানার হরিদাসপুর বর্ডার দিয়ে বাংলাদেশ থেকে বৈধ পাসপোর্ট ভিসা নিয়ে যাওয়া বাংলাদেশী যাত্রীদের নিকট থেকে ল্যাগেজ তল্লাশীর নামে যাত্রীদের জিম্মি করে আদায় করা হচ্ছে ঘুষ।কেহ টাকা দিতে অস্বীকার করলে তাকে ঘন্টার পর ঘন্টা আটকে রেখে জেলে পাঠানোর ভয় দেখানো হচ্ছে বলে ভারত থেকে ফিরে আসা অনেকে জানিয়েছেন।

ভারত থেকে ফিরে আসা বাবু দত্ত বলেন বৈধ পাসপোর্ট ভিসা নিয়ে বাংলাদেশ কাস্টমস ইমিগ্রেশন কাজ শেষ করে ভারতে প্রবেশ করার পর ব্যাগ তল্লাশী করে কিছু না পেয়ে মানিব্যাগ নিয়ে ব্যাগে থাকা ১৭ হাজার টাকা দেখে এত টাকা নেয়া যাবে না বলে জানিয়ে দেন।পরে খুব অনুরোধের পর ৫ হাজার টাকা রেখে মানিব্যাগ ফেরত দেন।

কথা হয় বরিশাল গেীরনদী বাজারের ব্যবসায়ী সুশিল এর সাথে তিনি বলেন স্ত্রী সন্তান নিয়ে ভারতে বেড়াতে যাবার কালে ভারতীয় কাস্টম পকেট চেক করে ৩২ হাজার টাকার মধ্য ৭ হাজার টাকা রেখে দেয়।প্রতিবাদ করলে পুলিশে দেওয়ার ভয় দেখাচ্ছিল।পিরোজপুর জেলার সেলিম হোসেন বলেন চিকিৎসা জন্য ভারত গিয়ে ছিলাম ফেরার সময় ভারতীয় কাস্টম জোর করে ৩শ টাকা নিয়ে নিল তারা কোন কথায় শোনে না।

শায়লা খাতুন নামে একযাত্রী জানান ভারত থেকে ফেরার সময় ৬হাজার ভারতীয় রুপি ছিল সেটাতো নিল আবার বাংল ১ হাজার টাকা দিতে হল। বেনাপোল আমদানী রপ্তানী কারক কামাল হোসেন বলেন বেনাপোল দিয়ে কোলকাতা দূরত্ব কম হওয়াতে এ পথ দিয়ে ব্যবসায়ী,চিকিৎসা ও ভ্রমন করার জন্য সবাই যেতে চায় কিন্তু বর্তমানে ভারতীয় কাস্টম কর্তৃক যে ভাবে বাংলাদেশী পাসপোর্ট যাত্রী হয়রানী হচ্ছে সেটা খুব দূঃখ জনক।

ভারতীয় কাস্টম কর্তৃক বাংলাদেশী যাত্রী হয়রানীর ব্যাপারে বেনাপোল চেকপোষ্ট আন্তজাতিক কাস্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা আজিজুল ইসলাম জানান,ভারতীয় চেকপোষ্ট কাস্টমসে বাংলাদেশী পাসপোর্ট যাত্রী হয়রানী হচ্ছে কেহ অভিযোগ করেনি।অভিযোগ পেলে তাদেরকে আমরা জানাতে পারি।

আশুলিয়ায় গনস্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে একটি কলেজের অফিস, সীমানা প্রাচীর ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ ।

বিপ্লব সাভার ঃ রাজধানী ঢাকার উপকন্ঠ শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ার মির্জানগরে রাতের আধাঁরে কানাডিয়ান কলেজের সীমানা প্রাচীর ও অফিসের আসবাবপত্র, প্রধানমন্ত্রী, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি ভাংচুরসহ ব্যাপক লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার রাত তিনটার দিকে গনস্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ তাদের ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীর মাধ্যমে কানাডিয়ান কলেজে ভাংচুর ও লটপাটের ঘটনাটি ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ করেন ক্ষতিগ্রস্থ প্রতিষ্ঠানটির মালিক পক্ষ।

জমির মালিক ও কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আলী বলেন, ১৯৯৬ সাল থেকে গনস্বাস্থ্যের মালিক ডা. জাফর উল্লাহ আমার জমিটি দখলে নেয়ার চেষ্টা করছে। এসব বিষয়ে তার ও গনস্বাস্থ্যের রেজিষ্ট্রার দেলোয়ার হোসেন, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আলী মোর্তজা বাবু ও আওলাদ হোসেনের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানাসহ আদালতে একাধিক মামলা রয়েছে। গত কয়েকদিন পূর্বেও দেলোয়ার হোসেন আমাকে হত্যার হুমকি দেয়, এই ঘটনায় আশুলিয়া থানায় একাধিক জিডি রয়েছে। পূর্ব শত্রুতার জের ধরেই বুধবার রাত সাড়ে তিনটার দিকে আমার মালিকানাধীন জমির সীমানা প্রাচীরসহ কলেজের অভ্যন্তরে ঢুকে লুটপাট ও ভাংচুর করেছে।

তিনি আরো বলেন, সন্ত্রাসীরা কলেজ ভবনের প্রতিটি কক্ষের তালা ভেঙ্গে ভেতরে ঢুকে বৈদ্যুতিক ফ্যান, সোফা সেট, দামী আসাবাবপত্র দুটি ট্রাকে তুলে নিয়ে যায়। এমনকি কলেজের অফিস কক্ষে প্রবেশ করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি ভাংচুরসহ শিক্ষার্থীদের যাবতীয় সনদপত্র, ছাত্র-ছাত্রীদের ভর্তিকৃত ৩ লাখ ৪২ হাজার টাকা, ২৮টি বৈদ্যুতিক ফ্যান, ৫ সেট সোফা, ৩০টি চেয়ার, আয়ার কক্ষ থেকে নগদ ১৫ হাজার টাকা, ১টি স্বর্নের চেইন, এক জোড়া কানের দুল, ১টি আংটি ও ২৫টি নতুন শাড়ী কাপড় লুটে নেয়। এঘটনার জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রীর নিকট বিচার দাবী করে বলেন, ডা. জাফর উল্লাহ নামে মুক্তিযোদ্ধা হলেও কাজে কর্মে মুক্তিযোদ্ধের বিরোধীদের সাথে সরকার পতনের নীলনকশা করছেন।

তিনি সাংবাদিকদের আরো বলেন, ভাংচুর ও লুটপটের ঘটনায় র‌্যাব-৪ ও আশুলিয়া থানাকে অবহিত করা হয়েছে। ঘটনাস্থল পুলিশ ও র‌্যাব সদস্যরা পরিদর্শন করেছেন। ক্ষয়-ক্ষতির পরিমান নিরুপন করেই আশুলিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করা হবে।

গনস্বাস্থ্য ও গণ বিশ্ববিদ্যালয় রেজিষ্ট্রার ও সহকারী রেজিষ্ট্রারদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তাদের বিশ^বিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পাওয়া যায়নি। মুঠোফোনে জানতে চাইলে গণ বিশ্ববিদ্যালয় পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আলী মোর্তজা বাবু বলেন, আমি এসব বিষয়ের সাথে জড়িত নই। গণ বিশ্ববিদ্যালয় জমির বিষয়টি দেখেন ষ্ট্রাষ্টি বোর্ডের লোকজন।

ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক বিজন কুমার দাস। তিনি বলেন, কানাডিয়ান কলেজের সীমানা প্রাচীর, অফিস কক্ষে ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাটের সতত্যা পাওয়া গেছে। এঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও জমির মালিকের পক্ষ থেকে অভিযোগ দয়ের করলে পুলিশের পক্ষ থেকে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে এখবর লেখা পর্যন্ত পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত কাউকে আটক করেনি।

যশোরের বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনটি ১৭ই জুলাই উদ্ভোধন ।

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: আগামী ১৭ই জুলাই চালু হচ্ছে যশোরের বন্দর নগরী বেনাপোল-ঢাকা রুটের নতুন ট্রেন বেনাপোল এক্সপ্রেস। এ দিন ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে নতুন এই ট্রেনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উদ্বোধনী দিন বেলা সোয়া একটায় ট্রেনটি বেনাপোল থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে। এ ট্রেনে বগি থাকবে ১২টি।

বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের প্রধান পরিবহন তত্ত¡াবধায়ক মো. শাহ নেওয়াজ বলেন, ‘১৭ই জুলাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকার গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বেনাপোল এক্সপ্রেসের উদ্বোধন ঘোষণা করবেন। বেনাপোল রেলওয়ে স্টেশনে রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. শামসুজ্জামানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংযুক্ত থাকবেন। আজ–কালের মধ্যে অনলাইনসহ নতুন এই ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হবে।’

রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, ৮৯৬ আসনের এই ট্রেন প্রতিদিন স্থলবন্দর বেনাপোল স্টেশন থেকে ছেড়ে যশোর, ঈশ্বরদী জংশন ও ঢাকা বিমানবন্দরে যাত্রী ওঠানো-নামানোর জন্য সাময়িক বিরতি দিয়ে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের শেষ গন্তব্যে গিয়ে থামবে। বেনাপোল এক্সপ্রেস নন এসি শোভন ৪৮৫ টাকা ,এসি চেয়ার ৯৩২ টাকা ,এসি কেবিন ১৬৭৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর সঙ্গে যাত্রীদের আর কোনো চার্জ দিতে হবে না। আধুনিক এই ট্রেনের কোচগুলো (বগি) ইন্দোনেশিয়া থেকে আমদানি করা হয়েছে। পরীক্ষামূলকভাবে ট্রেনটি ইতিমধ্যে চালানো হয়েছে। আসছে কোরবানির ঈদযাত্রায় দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষ এই ট্রেনে চলাচলের সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। প্রতিদিন বেলা সোয়া একটায় ট্রেনটি বেনাপোল থেকে রওনা হবে।

বাংলাদেশ রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের প্রধান পরিবহন তত্ত্বাবধায়ক মো. শাহ নেওয়াজ বলেন, বেনাপোল-ঢাকা ট্রেনের নামকরণ করা হয়েছে বেনাপোল এক্সপ্রেস। এ ট্রেনে বিমানের মতো বায়ো-টয়লেট সুবিধা রয়েছে। আসনগুলোও আধুনিক। প্রতিদিন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ট্রেনটি বেনাপোল থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে। আবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা থেকে বেনাপোলের উদ্দেশে ছেড়ে আসবে। সকাল আটটার মধ্যে ট্রেনটি বেনাপোল বন্দরে পৌঁছে যাবে।

বেনাপোল স্টেশন সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে যশোর-থেকে ঢাকার মধ্যে যে ট্রেন সার্ভিস চালু রয়েছে তা ঢাকায় পৌঁছানোর মধ্যে ১৪টি স্থানে বিরতি নেয়। এতে যশোর থেকে ঢাকায় পৌঁছাতে ১০ থেকে ১১ ঘণ্টা সময় লেগে যায়। সেখানে চালু হওয়ার অপেক্ষায় থাকা বেনাপোল-ঢাকা বিরতিহীন ট্রেনটি ৭ ঘণ্টার মধ্যে যশোর ও ৮ ঘণ্টার মধ্যে বেনাপোলে পৌঁছে যাবে। বেনাপোল থেকে ট্রেনটি ছেড়ে যশোর রেলওয়ে জংশনে পৌঁছে ১৫ মিনিটের বিরতি করবে। এ সময়ের মধ্যে যাত্রী ওঠানো ও রেলের ইঞ্জিন ঢাকামুখী ঘোরানো হবে। এরপর ঈশ্বরদী গিয়ে ট্রেনের চালকসহ অপারেশনাল কর্মী বদলের জন্য আরও ১৫ মিনিটের বিরতি থাকবে। পরে ট্রেনটি ঢাকার কমলাপুর স্টেশনে শেষ গন্তব্যে ছেড়ে যাবে। তবে এর আগে ঢাকা বিমানবন্দর স্টেশনে কিছুক্ষণের জন্য ট্রেনটি থামানো হবে।

এদিকে যাত্রীদের বিশ্রামের জন্য বেনাপোল স্টেশনে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত একটি বিশ্রামাগার সংস্কারের কাজ শেষের দিকে।

জাবির প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ ।

সাঈদ বিন ইসলাম জাবি প্রতিনিধি : জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা সুদিপ্ত শাহীনের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসায় সহযোগিতা, মাদক সেবন, ছিনতাই, রিক্সাচালক ও বহিরাগত মারধর সহ বেশ কয়েকটি অভিযোগ উঠেছে। একাধিক ব্যক্তিকে মারধর, মাদক ব্যবসায় সহযোগিতা ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ সত্বেও তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে না বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সুদীপ্ত শাহিন বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরাপত্তা কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর থেকে ক্যাম্পাসে মাদক ব্যবসা ও ছিনতাই বেড়েই চলছে। প্রতিনিয়ত কেউ না কেউ ছিনতাই ও মারধরের শিকার হচ্ছেন। ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের আটক করে মারধরের ভিডিও ধারণ করে ফেইসবুকে প্রচার করেন তিনি।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র হতে আরও জানা যায়, ‘প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা সুদীপ্ত শাহীন মাদকাসক্ত, তিনি নিয়মিত মাদক সেবন করেন ‘।

আশুলিয়া থানার পুলিশের সাব ইন্সপেক্টর মনির বলেন, ‘সুদীপ্ত শাহীন মাদকাসক্ত ও মাদক ব্যবসায়ীদের ইন্ধন দেন, তিনি সরাসরি মাদক ব্যবসা না করলেও, মাদক ব্যবসায়ীদের চক্রকে নানা ভাবে সহযোগিতা করে থাকেন’।
উল্লেখ্য, প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র হতে জানা যায়, গত মঙ্গলবার রাত আটটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছবি চত্বর থেকে বহিরাগত স্বাধীন মিয়া ও চৌরঙ্গী এলাকা থেকে সুজন মিয়াকে বান্ধবী সহ আটক করে সুদিপ্ত শাহিন। আটক করে তাদেরকে মারধর করা হয়েছে বলে তারা অভিযোগ করেন। পরবর্তীতে বান্ধবী সহ তাদের চারজনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন চত্ত্বরে একটি কক্ষে আটক করে রাখা হয়। এসময় স্বাধীন মিয়া ও সুজন মিয়াকে অমানবিক শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়।

এছাড়া আটককৃতদের কাছ থেকে অর্থ দবি করা হয়েছে বলেও জানা যায়। পরবর্তীতে সংবাদকর্মীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে রাত দশটায় তাদেরকে ছেড়ে দেয়া হয়।

সুজন নামে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, ‘নিরাপত্তা কর্মকর্তা নিরাপত্তার নামে অনৈতিক কাজ করে বেড়ায়। সুযোগ বুঝে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথেও সে দুর্ব্যবহার করে।’ এছাড়া বহিরাগত গাড়ি, ছিনতাইকারি আটক না করে সাধারণ বহিরাগতদের হয়রানী কার হয় বলেও অভিযোগ করেন ওই শিক্ষার্থী। আটককৃতদের নিরাপত্তা অফিসে না নিয়ে গিয়ে পরিবহন চত্ত¡রের কক্ষে আটকে রাখার কারণ জানতে চাইলে নিরাপত্তা কর্মকর্তা সুদীপ্ত শাহিন কোনো সদুত্তর দিতে পারে নি।

ক্যাম্পাসে প্রেমিক যুগল আটক ও মারধরের বিষয়ে সুদীপ্ত শাহীন বলেন, ‘ক্যাম্পাসের পরিবেশ ভালো রাখতে বহিরাগতদের ধরা হয়। আর যারা বেয়দবি না করলে কাউকে মারধর করা হয় না।’
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর আকলিমা আক্তার জানান, ‘ক্যাম্পাসে বহিরাগত আটক করা নিরাপত্তা কর্মকর্তার কাজ নয়। এছাড়া কাউকে মারধরের অনুমতি তাকে কেউ দেয়নি।’

নিরাপত্তা অফিস সূত্রে জানা যায়, ‘তাকে (সুদীপ্ত শাহীন) মারধর বন্ধ করতে বললে তখন ক্যাম্পাসে ছিনতাই বেড়ে যায়। আবার তাকে সক্রিয় হতে বললে দিলে ক্যাম্পাসে অরাজকতা করে বেড়ায়।’
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার রহিমা কানিজ জানান, ‘সুদিপ্ত শাহিনের বিরুদ্ধে কর্মচারী মারধরের অভিযোগে একটি তদন্ত চলছে। শিগগিরই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

প্রসঙ্গত, নিরাপত্তা কর্মকর্তা সুদীপ্ত শাহিন ক্যাম্পাসে ছিনতাই ও মাদকের সাথে জড়িত থাকার একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া ক্যাম্পাসে এক কর্মচারীর স্ত্রীর সাথে পরকীয়া, গার্ডকে মারধর, গভীর রাতে এক ছাত্রীকে হেনস্থা করা সহ তার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি অভিযোগ রয়েছে।

ধামরাইয়ে মাদক,সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও ইভটিজিং প্রতিরোধে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ।

মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন (ধামরাই প্রতিনিধি) আজ ৯ই জু্লাই ” মঙ্গলবার দুপুরে ধামরাই কালামপুর ভালুম আতাউর রহমান খান স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে অত্র স্কুলের ছাত্র – ছাত্রদের নিয়ে ধামরাই থানা পুলিশের আয়োজনে ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এসডিআই) এর সহযোগিতায় এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এ’সময় ভালুম আতাউর রহমান খান ডিগ্রি কলেজের ( ভারপ্রাপ্ত) অধ্যক্ষ সলিম উল্লার সভাপতিত্বে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি )শ্রী দীপক চন্দ্র সাহা।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এসডিআই এর নির্বাহী পরিচালক সামছুল হক।
প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ঢাকা জেলা আওয়ামীলীগ ও বায়রা’র সভাপতি
ঢাকা-২০ ধামরাই আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব বেনজির আহমদ।
প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার মোঃ শাহ্ মিজান শাফিউর রহমান বিপিএম(বার) পিপিএম।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রাখেন ঢাকা জেলা উত্তর ক্রাইম অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ সাইদুর রহমান, ধামরাই পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব গোলাম কবীর মোল্লা, ধামরাই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মোহাদ্দেস হোসেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ সিরাজ উদ্দিন সিরাজ, উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভুমি) অন্তরা হালদার, সোমভাগ ইউপি চেয়ারম্যান, মোঃ আজাহার আলী, সুতিপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান । মো; রেজাউল করিম রাজা, সানোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খালেদ মাসুদ খান (লাল্টু) প্রমুখ।

“গণরুমে থেকেই যদি ভালো রেজাল্ট করা যায় তবে রুমের কি দরকার?”

সাঈদ বিন ইসলাম জাবি প্রতিনিধি : জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা হলের ওয়ার্ডেন ভূতাত্ত্বিক বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জাহিদুল বারী দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীদের (৪৭ ব্যাচ) উদ্দেশ্যে বলেন, গণরুমে থেকেই যদি ভালো রেজাল্ট করা যায় তবে রুমের কি দরকার?”

তিনি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীদের (৪৭ ব্যাচ) উদ্দেশ্যে আরও বলেন, ” সিট পেতে হলে তোমাদেরকে আগে হল প্রশাসনকে স্মারক লিপি দিতে হবে ; হলের সামনে আন্দোলন করতে হবে।”

সিট সংকট নিরসনের দাবিতে জাবির বঙ্গমাতা হলের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীরা মানববন্ধনের আয়োজন করলে তিনি একথা বলেন।

এ সময় ছাত্রীদের ভিতর থেকে আওয়াজ ওঠে,” সিট আমাদের ন্যায্য অধিকার আমাদের কেন আন্দোলন করতে হবে কিংবা স্মারক লিপি দিতে হবে?”

নৃবিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের (৪৭ ব্যাচ) শিক্ষার্থী খাদিজাতুর কোবরা বলেন,” গণরুমের এত কষ্ট সহ্য করে, ছারপোকার কামড় খেয়েও অনেকে বিভাগ ভালো রেজাল্ট করছে এমনকি প্রথম ও হয়েছেন। আমাদের রুমের ব্যবস্থা করলে আমরা আরো ভালো পড়াশোনা করতে পারতাম।“

আইন ও বিচার বিভাগ ৪৭ ব্যাচের শিক্ষার্থী জান্নাতুল নাইম আনিকা বলেন, ‘হলে সিট সংকটের জন্য পুরোপুরি প্রশাসন দায়ী। কারণ তারা দেখে নাই আদৌ এই হলে সিট খালি আছে কি না। তারা না দেখেই কেন হলে এলট দিলো? শেখ হাসিনা হলে ৪৮ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা রুম পাওয়া শুরু করেছে। বেগম খালেদা জিয়া হলে উঠার ৬ মাসের মধ্যে ৪৮ ব্যাচ রুম পেয়ে গেছে। তাহলে কেন আমাদের এই দিন দেখতে হচ্ছে। আমাদের পড়াশোনার ক্ষতি হচ্ছে এবং রোগ ব্যাধিতে আক্রান্ত হচ্ছি’।হলের আবাসিক শিক্ষক সোলনারা আক্তার বলেন,” এটা তাদের ন্যায্য দাবি কিন্তু অল্প সংখ্যক ছাত্রী সংযুক্ত করতে বলা সত্ত্বেও অতিরিক্ত ছাত্রীর অ্যালট দেয়া হযেছে।”

হলের প্রভোস্ট পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহা. মুজিবুর রহমান বলেন,” আগামীকাল থেকে তাদের সিট বন্টন কার্যক্রম শুরু করবো এবং ৩১ জুলাই এর মধ্যে সকল শিক্ষার্থী তাদের সিট পাবে বলে আশা করি।”

সাভারে চাঁদা না পেয়ে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে আহত করেছে সন্ত্রাসীরা ।

জিয়ার রহমান বিশেষ প্রতিবেদিক সাভার ঃ পাঁচ লক্ষ টাকা চাঁদা না পেয়ে সাভারে জহিরুল ইসলাম (৪৭) নামের এক ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে আহত করেছে সন্ত্রাসীরা।

মঙ্গলবার সকালে সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নের কাকাবর এলাকায় এঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায় কাকাবর এলাকায় রয়েল গ্রুপে দীর্ঘ দিন ধরে ব্যবসা করে আসছিলো জহিরুল ইসলাম। পরে তার কাছে প্রকাশ্যে পাঁচ লক্ষ টাকা দাবি করে আসছিলেন স্থানীয় সন্ত্রাসী বাবুল,সোহেল,রহমান উল্লাহ ও জাহাঙ্গীর। পরে সে চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকার করায় সন্ত্রাসীরা সকালে তাকে কাকাবর এলাকায় ধরে এলোপাথারী ভাবে কুপিয়ে জখম করে।

পরে স্থানীয়রা আহত ব্যবসায়ীকে দ্রুত উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য সাভারের এনাম মেডিক্যাল কলেজ এন্ড হাসপাতালে ভর্তি করে। স্থানীয়ারা জানায় ওই সন্ত্রাসীদের কারনে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। অবিলম্বে তাদেরকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তারা।

অভিযোগ পেলে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাপনা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সাভার মডেল থানার অফিসার ইনচার্য ওসি এ এফ এম সায়েদ।

এঘটনায় সাভার মডেল থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

শার্শা উপজেলা আইন-শৃংখলা কমিটি ও চোরাচালান নিরোধ কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত ।

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: যশোরের শার্শা উপজেলা আইন-শৃংখলা কমিটি ও চোরাচালান নিরোধ কমিটি’র মাসিক সভা অনষ্ঠিত।

সোমবার(৮/০৭/১৯)তারিখ সকাল ১০টায় শার্শা উপজেলা প্রশাসনিক ভবন সভাকক্ষে আইন-শৃংখলা ও চোরাচালান নিরোধ কমিটির মাসিক সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার পুলক কুমার মন্ডলের সভাপতিত্বে এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় অন্যন্যাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, এসিল্যান্ড মৌসুমী আক্তার কান্তা, শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এম মশিউর রহমান,বেনাপোল ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের অফিসার তৌহিদুর রহমান, কৃষি কর্মকর্তা তরুন কুমার বালা, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড মোজাফ্ফার হোসেন,মহিলা ভাইচ চেয়ারম্যান আলেয়া ফেরদৈৗস, শার্শা ইউপি চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন, নিজামপুর ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম, সমাজসেবা কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম, মৎস কর্মকর্তা আবুল হাসান,আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা শ্যামা প্রসাদ অধিকারী, বিজিবি কর্মকর্তাগন,সীমান্ত প্রেসক্লাব বেনাপোলের প্রচার সম্পাদক রাসেল ইসলাম, সদস্য মোঃ মুক্তার হোসেনসহ উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা,কর্মচারীগন ছিলেন।

ধামরাইয়ে সততা স্টোর উদ্বোধন।

মো: সম্রাট আলাউদ্দিন(ধামরাই প্রতিনিধি) : ঢাকার ধামরাই উপজেলায় শিক্ষার্থীদের জন্য একটি ‘সততা স্টোর’ উদ্বোধন করা হয়েছে। প্রত্যাশা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে ধামরাই দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি এটি চালু করেছে।

সোমবার (৮ জুলাই) বিদ্যালয়ের মাঠে অনুষ্ঠানে অত্র বিদ্যালয়ের সভাপতি ও বালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আহম্মদ হোসেন সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনে উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহিম তিনি বলেন, সততা স্টোর শিক্ষার্থীদের সততার শিক্ষা দেবে।

ভবিষ্যতে দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়তে এসব শিক্ষার্থী ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্তকরেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, ধামরাই উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ তোফাজ্জল হোসেন, ধামরাই উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সহ-সভাপতি ডা: বোরহান উদ্দিন, ধামরাই উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক আলতাফ হোসেন, ধামরাই উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্য আলতাফ হোসেন, ধামরাই উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্য ও সি এন এন বাংলা টিভি ধামরাই প্রতিনিধি রাজন আহমেদ প্রমুখ

প্রসঙ্গত, বিদ্যালয়টিতে স্থাপিত ‘সততা স্টোর’ শিক্ষার্থীদের জন্য নানা জাতীয় টিফিন-কেক, বিস্কুট চানাচুর, লজেন্স এবং খাতা, কলম, পেন্সিল, রাখা হয়েছে। প্রতিটি দ্রব্যের গায়ে মূল্য লেখা রয়েছে। শিক্ষার্থীরা পছন্দমাফিক দ্রব্য কিনবে এবং সততার সাথে বাক্সে টাকা রেখে যাবে। এতে শিক্ষর্থীরা ছাত্র জীবন থেকেই সততার সাথে কাজ করতে অভ্যস্ত হবে।

এর পর উপস্থিত সবাই দুর্নীতি প্রতিরোধে শপথ নেন।

অবৈধ পথে ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ কালে আটক-১

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: ২১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের দৌলতপুর ক্যাম্পের সদস্যরা সোমবার দুপুরে সীমান্তে মেইন পিলার ১৮ হতে ৫০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তর হতে মোছাঃ উম্মে হাবিবা (২০)নামে এক বাংলাদেশী যুবতীকে আটক করেছে।আটকের পর সে বিজিবির কাছে জানান ফেইসবুকের মাধ্যমে পরিচয়ের সূত্র ধরে ভারতীয় নাগরিক বাবু নামে এক দালাল তাকে ভারতে নিয়ে বিক্রি করার সময় সে কৌশলে পালিয়ে আসেন।

খুলনা ব্যাটালিয়ন ২১ বিজিবি অধিনায়ক লে,কর্ণেল ইমরান উল্লাহ সরকার পিবিজিএমএস জানান,দৌলতপুর বিওপি’র একটি টহল দল কর্তৃক যশোর জেলার বেনাপোল সীমান্তে বিনা পাসপোর্টে অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করার সময় ০৭ জুলাই ২০১৯ তারিখ দুপুর ০২০০ ঘটিকায় সীমান্ত মেইন পিলার ১৮ হতে ৫০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তর হতে মোছাঃ উম্মে হাবিবা (২০), পিতা-মৃত আবু বক্কর সিদ্দিক, গ্রাম-চুনারচর, থানা-মেহেন্দীগঞ্জ, জেলা বরিশালকে আটক করে। আটককৃত মহিলার জবানীতে জানা যায় যে, সে ফেইসবুকের মাধ্যমে পরিচয়ের সূত্র ধরে ভারতীয় নাগরিক জনৈক বাবু’র সাথে দেখা করার উদ্দেশ্যে গত ২৪ জুন ২০১৯ তারিখ বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে দালাল চক্রের মাধ্যমে বিনা পাসপোর্টে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে প্রবেশ করে।

ভারতে প্রবেশের পর অপরিচিত কয়েকজন ব্যক্তি তাকে একটি প্রাইভেট কারে করে নিয়ে একটি বাড়িতে রাখে। ঐ বাড়িতে অবস্থানরত একটি মহিলার মাধ্যমে জানতে পারে তাকে বিক্রি করা হয়েছে।এমতাবস্থায়, মেয়েটি কোন উপায়ান্তর না দেখে গত ০৫ জুলাই ২০১৯ তারিখ ভোরে সেখান থেকে কৌশলে পালিয়ে আসে। পরবর্তীতে ০৭ জুলাই ২০১৯ তারিখে অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে প্রবেশকালে বিজিবি টহল দল কর্তৃক ধৃত হয়। ধৃত মহিলাকে বেনাপোল পোর্ট থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেট...