31 C
Dhaka, BD
শুক্রবার, এপ্রিল ৪, ২০২৫

খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তির জন্য সাভারে দোয়া মাহফিল

বিপ্লব ঃ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি কামনায় এতিমদের মাঝে কম্বল বিতরণ  ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত  হয়েছে সাভারে।

শুক্রবার বিকেলে তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ন সম্পাদক মো: আলমগীর হোসেন এর উদ্যোগে ৯ নং ওয়ার্ডের ঝাউচর এলাকায় এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

তেতুলঝোড়া ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের সভাপতি হাজী মো: ইন্তাজ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, ভাকুর্তা ইউনিয়ন বিএনপি’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ কদম আলী ভূঁইয়া,কেরানীগঞ্জ মডেল থানা ও তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক  আতিকুর রহমান রুবেল পাশা,তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক  মোঃ আব্বাস খান,তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন বিএনপির   ৬ নং ওয়ার্ডের সিনিয়র সহ-সভাপতি জহিরুল ইসলাম জহির,তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন বিএনপির   ৬ নং ওয়ার্ডের যুবদলের সভাপতি তাইজুল ইসলাম,তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন বিএনপির   ৬ নং ওয়ার্ডের শ্রমিক দলের সভাপতি মোঃ আলি,বিশিষ্ট দলিল লেখক বশির আহমেদসহ বিভিন্ন  নেতৃবৃন্দ।

এ সময় বিনামূল্যে শীতবস্ত্র পেয়ে হাসিমুখে ফিরে যান এতিম শিশুরা।
পরে লন্ডনে চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ তার পরিবারের  জন্য দোয়া করা হয়।

সাভারে পর্দার আড়ালে চলছে চোরাই তেলের রমরমা ব্যবসা (ভিডিও)

স্টাফ রিপোর্টার: সাভারে অসাধু ব্যক্তিদের ছত্রছায়ায় গড়ে উঠেছে চোরাই তেলের রমরমা ব্যবসা। গাড়ির চোরাই তেলের ব্যবসা করে কয়েক মাসের মাথায় হয়েছেন বিপুল টাকা পয়সার মালিক হয়েছেন বেশ কয়েকজন চোরাকারবারী। অবৈধ এই ব্যবসার কারণে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঝুঁকিতে পড়েছে এলাকাবাসী।

ঢাকা আরিচা মহাসড়কের সাভারের যাদুরচরে দীর্ঘদিন ধরে চোরাই তেলের ব্যবসা পরিচালিত হলেও যেন দেখার কেউ নেই। স্থানীয়দের অভিযোগ,পুলিশকে নিয়মিত মাসোহারা দিয়ে চলছে এই ব্যবসা। সরে জমিনে অনুসন্ধানে দেখা যায় সেখানে পদ্মার আড়ালে,ট্রাক, লরি ও কাভার্ডভ্যানসহ বিভিন্ন ধরনের পরিবহণের চালকদের কাছ থেকে নামমাত্র মূল্যে তেল কিনে তা বাজারের নির্ধারিত মূলের কাছাকাছি মূল্যে বিক্রি করে থাকেন ওই তেল চোরাকারবারি। এতে গাড়ির মালিক ও ভোক্তারা আর্থিকভাবে ক্ষতির মুখে পড়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্থানীয়রা জানান প্রথমে একটি খুচরা তেল বিক্রির ব্যবসা শুরু করেন চোরাকারবারিরা।

শুরু থেকেই দেশের বড় বড় শিল্প কারখানার পণ্য পরিবহণকারী ট্রাক, লরি ও কাভার্ডভ্যানের চালকদের কাছ থেকে প্রতিদিন শত শত লিটার তেল পানির দরে কিনতে থাকেন। তবে বিক্রি করেন বাজারমূল্যেই। এভাবে প্রতিদিন এখানে বেচাকেনা হয় হাজার লিটার তেল।

গাড়ি ভেদে ১০, ২০, ৩০, ৪০ ও ৫০ লিটার তেল কেনা হয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একটি পরিবহণের মালিক বলেন, পণ্য সরবরাহের জন্য পরিবহণ নিয়ে চালক যখন বের হয় তখন ফুলট্যাংকি তেল দেয়া হয়। রাস্তায় জ্যামে বসে থেকে ও রাস্তা ঘুরে যাওয়ার অজুহাত দেখিয়ে এসব তেল চোরাকারবারির কাছে অত্যন্ত কমদামে এ তেল বিক্রি করে থাকে চালকরা।

এ ব্যাপারে চোরাই তেলের ব্যবসায়ীরা বলেন, বিপদে পড়ে যদি কেউ গাড়ি থেকে স্বেচ্ছায় তেল বিক্রি করতে চায় তাহলে সেই তেল আমরা কিনে থাকি। তবে কাউকে গাড়ির তেল বিক্রিতে বাধ্য করি না আমরা। এদিকে চোরাই তেল বিক্রির খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে রাতে ছুটে যান সেখানকার বিএনপি নেতা মুরাদ হোসেন। এসময় চোরাই তেল কারিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহবান জানান।

এ ব্যাপারে সাভার মডেল থানার ওসি জুয়েল মিঞা জানিয়েছেন ,বিষয়টি গভীরভাবে ক্ষতিয়ে দেখে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মিরপুরের বেড়িবাঁধ এলাকায় বেপরোয়া চাঁদাবাজি-দেখার কেউ নেই

মিরপুর প্রতিনিধি : মিরপুর ১ নাম্বার বেড়িবাঁধ এলাকায় সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য লাগানো কলা গাছ কেটে, ‘গাছ ও বাঁশের আড়ত বানিয়ে দিয়েছেন নামধারী বিএনপি নেতা মাবেল ভূইয়া । এইজন্য দোকান প্রতি অ্যাডভান্স হিসাবে ৫০ থেকে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নিয়েছেন তিনি।

এছাড়াও দোকান প্রতি ভাড়া নিচ্ছেন ২০ হাজার টাকা করে। জুটের আড়তগুলো থেকে প্রতিমাসে তার নামে তোলা হয় ৫,০০০ হাজার টাকা করে । এসব ছাড়াও রয়েল ও তুরাগ সিটি গার্মেন্টস থেকে ৫০ থেকে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নেন তিনি।

গেল ৫ ই আগস্ট সরকার পতনের পরপরই বেরিবাদ এলাকায় চলছে এমন বেপরোয়া চাঁদাবাজি এমনটাই জানিয়েছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় ভুক্তভোগীরা ।

আর এসব কাজের ‘সহকারি- সহযোগী হিসেবে সর্বক্ষণ সঙ্গে থাকছেন লুলা ইদ্রিস । এই লুলাইদ্রিসের পরিচয় মিরপুরবাসীর কাছে অজানা নয়। তিনি মাদকের সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছিলেন একসময়,’ বর্তমানেও তিনি মাদকের সাথে জড়িত আছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

এছাড়াও এমপি তুহিনের সহযোগী হিসেবে কাজ করতেন এই লুলা ইদ্রিস। বর্তমানে তাকে দিয়েই এসব সাম্রাজ্য গড়ে তুলছেন নামধারী বিএনপি নেতা মাবেল ভূইয়া । জানা যায়,’ তিনি ঢাকা উত্তর মহানগর শাহ আলী থানার শ্রমিক দলের আহবায়ক।

এছাড়াও বেরিবাধ এলাকায় গাড়ির গ্যারেজ গুলো থেকে তিনি প্রতি মাসে হাতিয়ে নিচ্ছেন লক্ষ লক্ষ টাকা। যদি কেউ টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানায় তবে তাকে গুনতে হয় আরো বেশি মাসোয়ার। কখনো কখনো টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানানো ব্যক্তিকে তাকে তুলে নিয়ে যাওয়ারও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

এসব চাঁদাবাজ দের হাত থেকে পরিত্রাণ চাচ্ছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী দোকানদাররা।

সিংগাইরে দিনের সাব রেজিস্ট্রারের অফিস চলছে রাতে-ভোগান্তির শেষ নেই ক্রেতা গ্রহীতার (ভিডিও)

নিজস্ব প্রতিবেদক: মানিকগঞ্জের সিংগাইরের সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে জমি ক্রেতা ও গ্রহীতা যেন ভোগান্তির শেষ নেই। দিনের বেলা অফিস না করে রাতে অফিস করেন সাব-রেজিস্ট্রার।

 

সাব-রেজিস্ট্রারের হেয়ালিপনার কারণে দিনেরবেলা নির্ধারিত সময়ে জমির রেজিস্ট্রি করতে পারছেন না সেবা গ্রহীতারা। সেবা পেতে অপেক্ষা করতে রাত পর্যন্ত। ফলে ভোগান্তীতে পড়তে হচ্ছে নানা বয়সী এসব সেবা গ্রহীতাদের।

রবিবার (২৯ শে ডিসেম্বর) রাত ৯ টার দিকে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে গিয়ে দেখা যায়, পুরোদমে চলছে জমি রেজিস্ট্রির কার্যক্রম। রয়েছে দালাল চক্রের ছড়াছড়ি। এসময় সংবাদকর্মীরা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের ফুটেজ নিতে গেলে সংবাদকর্মীদের উপর চটে যান সিংগাইর উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল লেখক নুরুল ইসলাম। এ সময় তিনি সংবাদকর্মীদের মোবাইল ফোন কেড়ে নেন।

জানা যায়, দলিল লেখক নুরুল ইসলাম তার সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে সাব-রেজিস্ট্রি অফিস নিজের নিয়ন্ত্রণে রেখেছেন।

স্থানীয়রা জানান, ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর থেকেই কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে সিন্ডিকেট তৈরি করে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে রাজত্ব গড়ে তুলেছেন দলিল লেখক নুরুল ইসলাম।

ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, কেউ সকাল ৯টা আবার কেউবা সকাল ১০ টায় আসলেও সেবা পাচ্ছেন না তারা। ফলে রাতের বেলা জমি রেজিস্ট্রির কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন তারা।

গাবতলী থেকে আসা জহুরা খাতুন তার বাচ্চাকে কোলে নিয়ে ঘুম পাড়াতে পাড়াতে বলেন, এত রাত পর্যন্ত এভাবে বসিয়ে রেখে রেজিস্ট্রি করাটা হয়রানি ছাড়া আর কিছুই নয়।

ঢাকার মিরপুর থেকে আসা ওমর ফারুক নামের একজন ভুক্তভোগী জানান, এত রাত পর্যন্ত বসিয়ে রেখে রেজিস্ট্রি করা যুক্তিসঙ্গত নয়। বর্তমানে তারা হয়রানি শিকার হচ্ছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

সিংগাইর উপজেলা সাব-রেজিষ্ট্রার মামুনের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও সংযোগ পাওয়া যায়নি। ফলে এ বিষয়ে তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

সিংগাইরে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস পালিত

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি:মানিকগঞ্জের সিংগাইরে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ, পতাকা উত্তোলন, আলোচনাসভা, বিজয় মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ নানা আয়োজন করা হয়। বীর মুক্তিযোদ্ধা, আহত বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধার পরিবারদের সংবর্ধনা দেয়া হয়।

এ উপলক্ষে সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) দিনের প্রথম প্রহরে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা চত্বরে শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পনের মধ্য দিয়ে দিবসটির কার্যক্রম শুরু হয়।

পরে অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে সকাল ৮ টায় পতাকা উত্তোলন, বিজয় মেলা উদ্বোধন, উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধা, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহিদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যগণের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা এবং পুরুস্কার বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়াও বীরমুক্তিযোদ্ধার হাতে সন্মাণনা ক্রেষ্ট তুলে দেয়া হয়।

উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এবিএম শাহিনুজ্জামান শিশিরের সঞ্চালনায় উপজেলা নির্বাহি অফিসার মো.কামরুল হাসান সোহাগের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন- উপজেলা সহকারি কমিশনার(ভূমি) মো.হাবিবুর রহমান, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো.জাহিদুল ইসলাম জাহাঙ্গীর, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা শেখ রেজাউল করিম, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ইঞ্জি. মো. ইউনুস, উপজেলা প্রানী সম্পদ অফিসার মো.সাজেদুল ইসলাম, সাবেক উপজেলা কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম, সাবেক কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা মফতেজুর রহমান খাঁন বিবেক প্রমুখ।

এসময় রাজনীতি দলে আরও অঙ্গ সংগঠন ও সিংগাইর থানা গনঅধিকার পরিষদের সভাপতি আল আমীন হাসান ও সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবুর নেতৃত্বে মহান বিজয় দিবসটি উপলক্ষে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন ও দলের অন্যান্য নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে বিজয় দিবস উপলক্ষে এক বিশাল র‍্যালি করে থাকেন।

এসময় উপজেলা প্রশাসনের সকল সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত।

গ্রাহক সেবায় পল্লী বিদ্যুতের উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত

হুমায়ুন কবির,রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও)প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে বুধবার (১১ ডিসেম্বর) বিকেলে লেহেম্বা চাপোড় পার্বতীপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে গ্রাহক সেবায় পল্লী বিদ্যুতের উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে গ্রাহক ও বিদ্যুৎ কর্মকর্তাদের মধ্যে প্রশ্নত্তোর পর্ব ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

পল্লী বিদ্যুৎ এর ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার নেজামুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউএনও রকিবুল হাসান, ঠাকুরগাঁও জেলা ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার আতাউর রহমান, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আতাউর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আল্লামা আল ওয়াদুদ বিন নূর আলিফ, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর মিজানুর রহমান, সেক্রেটারী রজব আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা রিয়াজুল ইসলাম প্রমুখ।

এছাড়াও রাণীশংকৈল প্রেসক্লাব (পুরাতন) এর সভাপতি সফিকুল ইসলাম শিল্পী, সাংবাদিক মাহবুব আলম, বিভিন্ন পল্লী বিদ্যুৎ কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় বিদ্যুৎ গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। প্রসঙ্গত: উঠান বৈঠকে সময়মতো বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ,ঝামেলা মুক্ত বিদ্যুৎ বিল সরবরাহ, মিটার ভাড়া এবং কৃষকের ট্রান্সফরমার ফ্রী প্রদানসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকার ধামরাইয়ে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ৪মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার শশুর বাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নিহতের ভাই মো. ইকবাল হোসেন বাদী হয়ে ধামরাই থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) সকালে ধামরাইয়ের ভাড়ারিয়া ইউনিয়নের পাইকপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ওই গৃহবধুর নাম কুলসুম আক্তার (৩০) তিনি ধামরাইয়ের ভাড়ারিয়া ইউনিয়নের পাইকপাড়া এলাকার মো. ইয়ার হোসেনের স্ত্রী।

মামলার আসামিরা হলেন- নিহতের শাশুড়ি সুর্য বানু (৪৫), ভাসুরের মেয়ে ইয়াছমিন (১৯) ও শ্বশুর আয়নাল পাগলা (৫৫) ও নিহতের নানী শাশুড়ী আমিনা (৬০)।

মামলার বাদী ও নিহতের ভাই ইকবাল হোসেন বলেন, আজ সকালে আমার বোনের পালিত মুরগী তার শাশুড়ির রুটি বানানোর আটা খেয়ে ফেলে। পরে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে আমার বোনের শাশুড়ী, শশুড়, নানী শাশুড়ী, ভাশুরের মেয়ে মিলে আমার বোনকে প্রচন্ড মারধর করে এবং ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করে আমার বোনটাকে মেরে ফেলেছে। এসময় আমার বোনের জামাই তাদের বাধা দিলে তাকেও আসামীরা মারধর করে। আমি এই খুনিদের বিচার চাই।

ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এবং এ ঘটনায় অভিযুক্ত নিহতের নানি শাশুড়িকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে পাশাপাশি অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রীর নাম ভাঙ্গিয়ে কোটিপতি ইকবাল হোসেন চৌধুরী-এখনো চলছে তার দুর্নীতি

আবুল কালাম আজাদ: সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাম ভাঙ্গিয়ে অনেকেই দুর্নীতি আর অনিয়ম করলেও বর্তমানে দুর্নীতির শীর্ষে আছেন এফবিসিসিআই, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, জেসিএক্স ডেভেলপমেন্টস লিমিটেড জেসিএক্স বিজনেস টাওয়ারের ইকবাল হোসেন চৌধুরী।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী পালিয়া যাওয়ার পরও তিনি বর্তমানে দেশে থেকেই তার দুর্নীতি অনিয়ম কর্মকান্ড ঠিকই চালিয়ে যাচ্ছেন তার বিশাল সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে। এই দেশের মাটিতে আওয়ামী লীগকে আবারো প্রতিষ্ঠা করতে ব্যয় করছেন কোটি কোটি টাকা।
পেশায় তিনি একজন ব্রোকার হলেও জাল জালিয়াতির মাধ্যমে জমি ক্রয় বিক্রয় করে হাতিয়ে নিচ্ছেন কোটি কোটি টাকা। এমনকি জমি বিক্রির পর বিকৃত সম্পত্তি মালিক কে না বুঝায়ি আবার নিজের দখলে নেয়ার অভিযোগ ও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

তার কাছ থেকে জমি ক্রয় করেছেন যেসব মালিকেরা তাদের অভিযোগ, কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি কিনেও তারা সেই সম্পত্তি বুঝে পাচ্ছেন না। এমনকি সম্পত্তিতে গিয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বা ঘরবাড়ি নির্মাণের চেষ্টা করলে ব্যর্থ হয়েছেন তারা।

ইকবাল হোসেন চৌধুরী তাদেরকে বিভিন্নভাবে ভয়-ভীতি দেখিয়ে হত্যার হুমকিও দিয়েছেন তিনি। বর্তমানে ভুক্তভোগীরা ইকবাল হোসেন চৌধুরীর নামে ভয়ে মুখ খুলতে ও চাচ্ছেন না।

গেল ৮ জুলাই তারিখে, ১৯৬ জন সফর সঙ্গী নিয়ে চীন সফরে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শূন্য হাতে তিনি দেশে ফিরেছেন। চীনের কাছে ২০ বিলিয়ন ডলার চেয়েছিলেন। ১ বিলিয়ন ইয়ানের আশ্বাস পেয়েছেন। ২০ বিলিয়ন ডলার চেয়ে খালি ঝুড়ি নিয়ে ফ্রি ছিলেন তিনি, ‘এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চীন সফরের বিভিন্ন পত্রপত্রিকার তালিকা অনুযায়ী ইকবাল হোসেন চৌধুরী ১২৩ নাম্বার যাত্রী হিসেবে সফর সঙ্গী ছিলেন।

প্রশ্ন হলো একজন দালাল কিভাবে প্রধানমন্ত্রী সফর সঙ্গী হলেন? আর তিনি এখনো কিভাবে তার আধিপত্য বিস্তার করে আছেন? শুধু তাই নয় জানা যায় তিনি বসুন্ধরাতে যত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও জমি বেচাকেনা করেছেন তার মূল হোতা এই ইকবাল হোসেন চৌধুরী । তার দাপটে ও সন্ত্রাসী বাহিনীর ভয়ে কোনো সংবাদ কর্মীর কাছে মুখ খুলতে রাজি নন ভুক্তভোগীরা ,’তবে এ বিষয়ে ইকবাল হোসেন চৌধুরীর এক সময়ের পার্টনার ব্যবসায়ী জানান, বসুন্ধরা এলাকায় কোন জমি ক্রয় করলে একটি ছাড়-বা অনুমোদন পত্রের প্রয়োজন হয়। যা ইকবাল হোসেন পুরোটাই নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানা যায়। এই ছাড়-বা অনুমোদন পত্র নিতে হলে গুনতে হয় কোটি কোটি টাকা তারপরও মিলছে নাই ছাড়পত্র। ভুক্তভোগীদের দাবি এখনই এই প্রতারকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারেন হাজারো বসুন্ধরাতে ক্রয় কৃত সম্পত্তির মালিকেরা।

আরেক আইটেল ডেভেলপমেন্ট কোম্পানির সিরাজুল ইসলাম বাবু জানান,প্রতারিত তিনি নিজেও ইকবাল হোসেনের কাছ থেকে জমি ক্রয় করেও পাননি ছার পত্র আর জমি। এখনো তাকে সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে দেখানো হচ্ছে ভয় ভিতি।
আরেকজন ভুক্তভোগী কামরুল ইসলাম জানান- আমি জমি ক্রয় করলেও এখনো তা বুঝে পাইনি।

এসব অভিযোগের বিষয়ে জানার জন্য ইকবাল হোসেন চৌধুরীকে তার ব্যক্তিগত নাম্বার- ০১৭৫৫০৬৬৬৬৬ বারবার মুঠোফোনে কল দিলেও তিনি ফোনটি রিসিভ করেননি‌।

সিংগাইর উপজেলা প্রেসক্লাব সাংবাদিকদের সাথে নবাগত ইউএনও-র মত বিনিময় সভা

আবুল কালাম আজাদ (বিপ্লব): মানিকগঞ্জের সিংগাইর নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো.কামরুল হাসান সোহাগ সিঙ্গাইর উপজেলা প্রেসক্লাবের সকল সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন।

মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় সিংগাইর উপজেলা প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক দৈনিক কালের কন্ঠের স্থানীয় প্রতিনিধি মোবারক হোসেন, সদস্য সচিব আজকের পত্রিকার সুজন মোল্লা, সদস্য বাংলাদেশের খবর সাইফুল ইসলাম, বাংলা টিভির রেজাউল করিম, দৈনিক আমাদের সময়ের অ্যাডভোকেট মশিউর রহমান শামীম, রাজধানী টিভির আবুল কালাম আজাদ (বিপ্লব), আনন্দমেলার মিজানুর রহমান, দৈনিক আমার সংবাদের হাবিবুর রহমান রাজিব, এশিয়ান টিভির ইমরান হোসেন, দৈনিক আলোকিত সকালের অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন সায়েম, জেটিভির আ: গফুর, ঢাকা প্রতিদিনের জসিম উদ্দিন সরকার, আনন্দ টিভির মোশারফ হোসেন মোল্লা, দৈনিক ভোরের বাণীর মো. মামুন হোসাইন, তরুনকণ্ঠের মাহমুদুল হাসান,  দৈনিক সকালের সময়ের মিলন মাহমুদ, মুভি বাংলা টিভির ছানোয়ার হোসেন ও দৈনিক প্রতিদিনের বাংলাদেশের আতিকুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় সদ্য যোগদানকারী ইউএনও উপজেলাবাসির সেবা করার অঙ্গিকার ব্যক্ত করার পাশাপাশি তিনি সাংবাদিকদের রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ উল্লেখ করে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

সাভারে ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযানে ৯ ধরনের নকল শিশুখাদ্য ২ লক্ষ টাকা জরিমান

ঢাকার সাভারের তেঁতুলঝাড়া ইউনিয়নের হলমার্ক এলাকায় ফরচুন ফুড এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ নামের প্রতিষ্ঠানে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। অভিযানে হ্যালো বেবি উৎপাদন করা ৯ ধরনের ভেজাল শিশুখাদ্য পাওয়া গেছে। এমন অপরাধে প্রতিষ্ঠানটিকে ২ লাখটাকা জরিমানা ও সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার(৫ অক্টোবর) দুপুরে অভিযানটি পরিচালনা করেন ভোক্তা অধিদপ্তরের ঢাকা জেলার সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল জব্বার মন্ডল।

তার সঙ্গে ছিলেন সাভার মডেল থানা পুলিশের একটি টিম।

ভোক্তা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দার (এনএসআই) তথ্যের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে দেখা যায়, ফরচুন ফুড এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ প্রতিষ্ঠানটি লাইসেন্সবিহীন অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ৯ ধরনের পণ্য উৎপাদন ও বিপণন করে আসছিল। পণ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে, ম্যাংগো ড্রিংকস,  লিচি ড্রিংক, অরেঞ্জ ড্রিংকস। ভায়োলেট কালার ফুড, গ্রিন ফুড কালার, লেমন ইয়েলো ফুড , ইত্যাদি উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ ও বাজারজাত করে আসছে।

এ ছাড়া, পণ্যের বোতলে লেবেলে উৎপাদন, মেয়াদ, প্রতিষ্ঠানের নাম ঠিকানা যথাযথভাবে না দেয়া, জেনে বুঝে শিশু খাদ্যে ভেজাল দেয়া, অনুমোদনহীন রং শিশু খাদ্যে মিশ্রণ করা, পণ্যের নকল উৎপাদন করা অপরাধে ২লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত ফরচুন ফুড এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ সকল কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার ঘোষণা দেয়া হয়।

সর্বশেষ আপডেট...