এ সময় বিনামূল্যে শীতবস্ত্র পেয়ে হাসিমুখে ফিরে যান এতিম শিশুরা।
সাভারে পর্দার আড়ালে চলছে চোরাই তেলের রমরমা ব্যবসা (ভিডিও)
স্টাফ রিপোর্টার: সাভারে অসাধু ব্যক্তিদের ছত্রছায়ায় গড়ে উঠেছে চোরাই তেলের রমরমা ব্যবসা। গাড়ির চোরাই তেলের ব্যবসা করে কয়েক মাসের মাথায় হয়েছেন বিপুল টাকা পয়সার মালিক হয়েছেন বেশ কয়েকজন চোরাকারবারী। অবৈধ এই ব্যবসার কারণে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঝুঁকিতে পড়েছে এলাকাবাসী।
ঢাকা আরিচা মহাসড়কের সাভারের যাদুরচরে দীর্ঘদিন ধরে চোরাই তেলের ব্যবসা পরিচালিত হলেও যেন দেখার কেউ নেই। স্থানীয়দের অভিযোগ,পুলিশকে নিয়মিত মাসোহারা দিয়ে চলছে এই ব্যবসা। সরে জমিনে অনুসন্ধানে দেখা যায় সেখানে পদ্মার আড়ালে,ট্রাক, লরি ও কাভার্ডভ্যানসহ বিভিন্ন ধরনের পরিবহণের চালকদের কাছ থেকে নামমাত্র মূল্যে তেল কিনে তা বাজারের নির্ধারিত মূলের কাছাকাছি মূল্যে বিক্রি করে থাকেন ওই তেল চোরাকারবারি। এতে গাড়ির মালিক ও ভোক্তারা আর্থিকভাবে ক্ষতির মুখে পড়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্থানীয়রা জানান প্রথমে একটি খুচরা তেল বিক্রির ব্যবসা শুরু করেন চোরাকারবারিরা।
শুরু থেকেই দেশের বড় বড় শিল্প কারখানার পণ্য পরিবহণকারী ট্রাক, লরি ও কাভার্ডভ্যানের চালকদের কাছ থেকে প্রতিদিন শত শত লিটার তেল পানির দরে কিনতে থাকেন। তবে বিক্রি করেন বাজারমূল্যেই। এভাবে প্রতিদিন এখানে বেচাকেনা হয় হাজার লিটার তেল।
গাড়ি ভেদে ১০, ২০, ৩০, ৪০ ও ৫০ লিটার তেল কেনা হয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একটি পরিবহণের মালিক বলেন, পণ্য সরবরাহের জন্য পরিবহণ নিয়ে চালক যখন বের হয় তখন ফুলট্যাংকি তেল দেয়া হয়। রাস্তায় জ্যামে বসে থেকে ও রাস্তা ঘুরে যাওয়ার অজুহাত দেখিয়ে এসব তেল চোরাকারবারির কাছে অত্যন্ত কমদামে এ তেল বিক্রি করে থাকে চালকরা।
এ ব্যাপারে চোরাই তেলের ব্যবসায়ীরা বলেন, বিপদে পড়ে যদি কেউ গাড়ি থেকে স্বেচ্ছায় তেল বিক্রি করতে চায় তাহলে সেই তেল আমরা কিনে থাকি। তবে কাউকে গাড়ির তেল বিক্রিতে বাধ্য করি না আমরা। এদিকে চোরাই তেল বিক্রির খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে রাতে ছুটে যান সেখানকার বিএনপি নেতা মুরাদ হোসেন। এসময় চোরাই তেল কারিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহবান জানান।
এ ব্যাপারে সাভার মডেল থানার ওসি জুয়েল মিঞা জানিয়েছেন ,বিষয়টি গভীরভাবে ক্ষতিয়ে দেখে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মিরপুরের বেড়িবাঁধ এলাকায় বেপরোয়া চাঁদাবাজি-দেখার কেউ নেই
মিরপুর প্রতিনিধি : মিরপুর ১ নাম্বার বেড়িবাঁধ এলাকায় সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য লাগানো কলা গাছ কেটে, ‘গাছ ও বাঁশের আড়ত বানিয়ে দিয়েছেন নামধারী বিএনপি নেতা মাবেল ভূইয়া । এইজন্য দোকান প্রতি অ্যাডভান্স হিসাবে ৫০ থেকে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নিয়েছেন তিনি।

গেল ৫ ই আগস্ট সরকার পতনের পরপরই বেরিবাদ এলাকায় চলছে এমন বেপরোয়া চাঁদাবাজি এমনটাই জানিয়েছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় ভুক্তভোগীরা ।
আর এসব কাজের ‘সহকারি- সহযোগী হিসেবে সর্বক্ষণ সঙ্গে থাকছেন লুলা ইদ্রিস । এই লুলাইদ্রিসের পরিচয় মিরপুরবাসীর কাছে অজানা নয়। তিনি মাদকের সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছিলেন একসময়,’ বর্তমানেও তিনি মাদকের সাথে জড়িত আছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
এছাড়াও এমপি তুহিনের সহযোগী হিসেবে কাজ করতেন এই লুলা ইদ্রিস। বর্তমানে তাকে দিয়েই এসব সাম্রাজ্য গড়ে তুলছেন নামধারী বিএনপি নেতা মাবেল ভূইয়া । জানা যায়,’ তিনি ঢাকা উত্তর মহানগর শাহ আলী থানার শ্রমিক দলের আহবায়ক।
এছাড়াও বেরিবাধ এলাকায় গাড়ির গ্যারেজ গুলো থেকে তিনি প্রতি মাসে হাতিয়ে নিচ্ছেন লক্ষ লক্ষ টাকা। যদি কেউ টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানায় তবে তাকে গুনতে হয় আরো বেশি মাসোয়ার। কখনো কখনো টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানানো ব্যক্তিকে তাকে তুলে নিয়ে যাওয়ারও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
এসব চাঁদাবাজ দের হাত থেকে পরিত্রাণ চাচ্ছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী দোকানদাররা।
সিংগাইরে দিনের সাব রেজিস্ট্রারের অফিস চলছে রাতে-ভোগান্তির শেষ নেই ক্রেতা গ্রহীতার (ভিডিও)
নিজস্ব প্রতিবেদক: মানিকগঞ্জের সিংগাইরের সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে জমি ক্রেতা ও গ্রহীতা যেন ভোগান্তির শেষ নেই। দিনের বেলা অফিস না করে রাতে অফিস করেন সাব-রেজিস্ট্রার।
