আনিসুর রহমান,কুড়িগ্রামঃকুড়িগ্রামের চিলমারীতে বজ্রপাতে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন একজন। শুক্রবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে এ বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন – অষ্টমীরচর ইউনিয়নের মধ্যবাশপাতার এলাকার মো. তমছর মোল্যার ছেলে জাহাঙ্গীর হোসেন এবং একই গ্রামের হায়দার আলীর ছেলে সোনা মিয়া।
জানা যায়, দুপুর ৩টার দিকে উপজেলার নয়ারহাট ইউনিয়নের গয়নার পটল এলাকার পাট ধোয়ার সময় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হয়ে বজ্রপাতের ঘটনায় তিনজন দিনমজুর গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা আহতদের নৌকাযোগে চিলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জাহাঙ্গীর হোসেন (২৮) ও সোনা মিয়াকে (৩৫) মৃত ঘোষণা করেন।অপরজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য আব্দুস সামাদকে (৪৫) কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
অষ্টমীরচর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড মেম্বার আব্দুল হালিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মারা যাওয়া দুজন অষ্টমীরচর এলাকার এবং ঘটনাটি ঘটেছে নয়ারহাট ইউনিয়নের গয়নার পটল এলাকায়।
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ করোনায় সরকারিভাবে দীর্ঘদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের প্রায় দেড়বছর পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্তে স্বস্তি ফিরেছে শিক্ষার্থীদের মধ্যে। কিন্তু চিন্তার শেষ নেই ঠাকুরগাঁওয়ের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থী শিশু শরীফের।
দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হওয়ায় মাধ্যমিকের কোন বিদ্যালয়েই ভর্তির সুযোগ পাচ্ছেনা সে। তবে কি দৃষ্টি প্রতিবন্ধী এই শিক্ষার্থীর শিক্ষার জীবন কি এখানেই শেষ ?
চোখে আলো না থাকায় সমস্ত পৃথিবীই অন্ধকারাচ্ছন্ন ঠাকুরগাঁওয়ের মুন্সির হাট এলাকার মাদ্রাসাপাড়ার দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী শরীফ আলীর কাছে। অন্ধত্ব যেন তার কাছে বড় অভিশাপ ! একদিকে এমন জীবন, অন্যদিকে শূণ্য ভবিষ্যত। তাই শিক্ষা ছাড়া জীবনে বেঁচে থাকা যেন তার কাছে অর্থহীন।
ঠাকুরগাঁওয়ের এক দরিদ্র পরিবারের সন্তান শরীফ। ছোটবেলায় মাত্র তিনবছর বয়সে মারাত্মক অসুখে চোখের জ্যোতি হারিয়ে যায় তার। অনেক কষ্টে তার মা বাবা দেশে ও ভারতে চিকিৎসা করান।
কিন্তু টাকার অভাবে ভারতে উন্নত চিকিৎসা করাতে পারেনা তার পরিবার। শরীফ জানায়, দৃষ্টি প্রতিবন্ধীরা পরিবার ও সমাজের বোঝা। বোঝা হয়ে সে থাকতে চায়না। তাই পঞ্চম শ্রেণী থেকে উত্তির্ণ হওয়ার পর ৬ষ্ট শ্রেণীতে ভর্তীর জন্য প্রথমে স্থানীয় সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় ও পরবর্তীতে সমাজ সেবা কার্যালয় ও জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে বহুবার যোগাযোগ করেছে সে। এরই মধ্যে প্রায় আট মাস অতিবাহিত হয়ে গেছে। কালক্ষেপন করে সকলেই তাকে আশ্বাস দিলেও কেউই তার ভর্তির বিষয়ে গুরুত্ব দিচ্ছেনা। তাই বাধ্য হয়ে গত ৫ সেপ্টেম্বর থেকে নিজ বাড়িতেই (পূর্ণদিবস) অনশনের পথ বেছে নিয়েছে। উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশ ও দশের সেবা করবে সে। তাই স্কুলে ভর্তির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীসহ শিক্ষা মন্ত্রীর সুদৃষ্টি ও সহযোগীতা কমনা করেছে সে।
এদিকে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী সন্তানের ভবিষ্যত ও সুচিকিৎসা নিয়ে দুশ্চিন্তায় দিন পার করছেন দরিদ্র পিতা মাতা। চিন্তিত শরীফের প্রতিবেশিরাও। শরীফের বাবা রমজান আলীর অভিযোগ, জেলা প্রশাসক নিয়ম নীতির কোন তোয়াক্কা না করেই চলতি বছরের জুলাই মাসে গোপনে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় ও সরকারি বিভিন্ন স্কুলে অর্ধশত শিক্ষার্থী ভর্তি করিয়েছেন। অথচ দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের ভর্তির কোটা ও নিয়ম থাকলেও তা মানা হচ্ছেনা। তার দৃষ্টি প্রতিবন্ধী সন্তানের শিক্ষার ক্ষেত্রে কারো সহযোগিতা পাচ্ছেন না তিনি।
শরীফের মা শফুরা বেগম জানান, তার মৃত্যুর পর শরীফ অসহায় হয়ে পরবে। কেউই তার পাশে থাকবে না। তাই লেখাপড়া জানা থাকলে ভবিষ্যতে আর যাই হোক শরীফকে ভিক্ষা করে চলতে হবে না। তাই সন্তানের স্কুলে ভর্তীর বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রীর সুদৃষ্টি ও সহযোগীতা কমনা করেন তিনি।
জেলা সমাজ সেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো: আল মামুন জানান, জেলা সমাজ সেবা কাযালয়ের অধিনে সমন্বিত দৃষ্টি প্রতিবন্ধী হোস্টেলে শরীফ ভর্তী রয়েছে। করোনায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় হোস্টেল বন্ধ রয়েছে। হোস্টেলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও জনবল সংকটের কারণে শিক্ষা কার্যক্রম কিছুটা বিঘ্নিত হচ্ছে। তবে শরীফের ৬ষ্ট শ্রেণীতে ভর্তীর বিষয়ে চেষ্ঠা চলছে।
ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পিযুষ কান্ত রায় জানান, সমাজ সেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে তার বিদ্যালয়ে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের শিক্ষার সুযোগ থাকলেও এর জন্য নিদ্দিষ্ট শিক্ষক ও উপকরণ সুবিধা নেই। বিদ্যালয়ে যে চারজন দৃষ্টি প্রতিকন্ধী শিক্ষার্থী ভর্তি রয়েছে তাদেরও শিক্ষার ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। শরীফের ভর্তির বিষয়ে জেলা প্রশাসক ও শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্দেশ পেলে ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জেলা শিক্ষা অফিসার খন্দকার মো: আলাউদ্দীন আল আজাদ জানান, ঠাকুরগাঁওয়ে যে দুটি সরকারি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে তার সভাপতি জেলা প্রশাসক। ভর্তির বিষয়ে জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করার পরামর্শ দেন তিনি।
জানা গেছে সরকারি তথ্যানুযায়ী ঠাকুরগাঁও জেলায় মোট ১৬৬৮ জন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী রয়েছে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ এবং নিদ্দিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান না থাকায় অধিকাংশ শিক্ষার্থীই শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ।
হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে চাঞ্চল্যকর আসাদুল হত্যা মামলার মূল দু’আসামি রাজু(২২) ও নূর আলম(২৫)কে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতদের গত ৯ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার জেলা জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপারের সার্বিক নির্দেশনায় সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার, রাণীশংকৈল সার্কেল এর নেতৃত্বে অফিসার ইনচার্জ রাণীশংকৈল থানা, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ও মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা এসআই খাজিম উদ্দীনসহ থানার অন্যান্য কর্মকর্তা ও ফোর্স সমন্বয়ে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে রাণীশংকৈল থানার মামলা নং-০৬, তারিখ- ০৫/০৮/২০২১খ্রিঃ, ধারা-৩০২/৩৪ পেনাল কোড এর মূল পরিকল্পনাকারি তদন্তে প্রাপ্ত সন্দেহভাজন আসামি ০১। মোঃ রাজু আহম্মেদ (২২) পিতা-মোঃ আব্দুল খালেক, মাতা-মোছাঃ জহুরা খাতুন, সাং-উপদইল ফকিরগঞ্জহাট, পোষ্ট-হরসুয়া সেনগাঁও, থানা-পীরগঞ্জ, জেলা-ঠাকুরগাঁও’কে গত ইং ০৭/০৯/২০২১ তারিখ রাত্রী অনুমান ২০:৩৫ ঘটিকায় গাজীপুর জেলার শ্রীপুর থানার কেওয়া দক্ষিনখন্ড গারোপাড়া গ্রামের রুবেল হোসেন এর অটো গ্যারেজ এর ভিতর থেকে গ্রেফতার করা হয়।
উক্ত আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদে তার দেয়া তথ্য মতে অপর সন্দেভাজন আসামি ০২। মোঃ নুর আলম (২৫), পিতা-মোঃ আব্দুর রহমান, মাতা-মোছাঃ নুর বানু বেগম, সাং-দানাজপুর, থানা-পীরগঞ্জ, জেলা-ঠাকুরগাঁও’কে গত ইং ০৮/০৯/২০২১ তারিখ দুপুর অনুমান ১৪:৩০ ঘটিকার সময় ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ থানার গোদাগাড়ি বাজার থেকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদেরকে গত ইং ০৯/০৯/’২১ তারিখ বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ্দ করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত ৪ আগস্ট রাতে জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার বীরহোলি গ্রামের জুমার উদ্দিনর ছেলে আসাদুল (৩০)কে জবাই করে হত্যার পর লাশ পাশ্ববর্তী রাণীশংকৈল উপজেলার পকম্বা গ্রামের একটি ধানক্ষেতে ফেলে রাখে খুনিরা।
এনিয়ে নিহতের বাবা রাণীশংকৈল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় দু’ই উপজেলায় খুনিদের গ্রেফতারের দাবিতে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
সেলিম আহমেদঃ যশোর ৮৫-১ শার্শার মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শেখ আফিল উদ্দিন এমপির সাথে মতবিনিময় করেছেন বাগআঁচড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের প্রবীণ নেতৃবৃন্দ।
বৃহস্পতিবার সকালে শার্শায় অবস্হিত আফিল জুট মিলে এ মতবিনিময় করেন নেতৃবৃন্দ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বাগআঁচড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আলহাজ্ব ইয়াকুব আলী বিশ্বাস,ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব আব্দুল খালেক খতিব ধাবক, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের প্রবীণ নেতা সাহাজান বিশ্বাস, আমিনুর রহমান সরদার, রফিকুল ইসলাম সরদার,৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি সদস্য আসাদুল ইসলাম, ৩নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আব্দুর রহিম,২ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ইউনুস আলী, সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান, ৬ নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য আহাম্মদ আলী, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেলিম রেজা, বাগআঁচড়া ইউনিয়ন কৃষকলীগের সহ – সভাপতি খোকন রেজা, বীর মুক্তিযোদ্ধা হারুন অর রশীদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জলীল,ডাঃ আলী,বুলুসহ বাগআঁচড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও কর্মিরা।
হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার মীরডাঙ্গী বাজার সংলগ্ন পাকা সড়কে ৯ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টায় সায়েদা বেগম (৬৫) নামে এক বৃদ্ধা এক চলন্ত মোটরসাইকেলের সাথে সংঘর্ষে মারা গেছেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন সায়েদা মীরডাঙ্গী বাজার মহাসড়ক সংলগ্ন নিজ বাড়ি থেকে বাড়ির ময়লা ফেলার জন্য পাকা সড়ক অতিক্রম করছিল। ওই মুহূর্তে রাণীশংকৈল থেকে নেকমরদগামি একটি মোটর সাইকেলের সাথে সংঘর্ষে সায়েদা গুরুতর আহত হন। তাৎক্ষণিক তাকে রাণীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়।,
রোগীর অবস্থার অবনতি দেখে তাকে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। দিনাজপুর যাওয়ার পথে সায়েদার মৃত্যু হয়।
রাণীশংকৈল থানা অফিসার ইনচার্জ এস এম জাহিদ ইকবাল বলেন, দুর্ঘটনায় নিহতের পরিবার থেকে কোন অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।
হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল, (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার ধর্মগড় গাজিগড় থেকে মঙ্গলবার ৭ সেপ্টেম্বর ভোরে থানা পুলিশ একটি নারী অবয়বে তামার তৈরী অর্ধখন্ড মূর্তি উদ্ধার করেছে।
থানা সূত্রমতে গাজিগড় গ্রামের ইউনুস আলীর ছেলে আব্দুল মজিদ তার নিজ জমি চাষ করতে গিয়ে মূর্তিটি পায়। খবর পেয়ে রাণীশংকৈল থানার এস আই হাফিজ ও সঙ্গীয় ফোর্স স্থানীয়দের সহোযোগিতায় এটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পরে এদিন দুপুর ২ টায় ইউএনও বরাবরে জমা করেন।
জানা গেছে মূর্তিটির উচ্চতা ৩ ইঞ্চি, প্রস্থ ২ ইঞ্চি এবং ওজন আনুমানিক ২০০ গ্রাম।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা স্টিফ কবির জানান উদ্ধার করা অর্ধখন্ড নারী অবয়বে তামার তৈরী মূর্তিটি জেলা প্রশাসকের ট্রেজারিতে সংরক্ষণের জন্য প্রেরণ করা হবে।
বিপ্লবঃ মানিকগঞ্জ জেলা সিংগাইর থানার চান্দহর ইউনিয়নের পাড়াগ্রাম, আটিপাড়া এলাকায়, দ্বিতীয় শ্রেণীর এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে, ওই একই এলাকার খোকন মন্ডলের বিরুদ্ধে ।
গত ( ৭ সেপ্টেম্বর ) বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে, মানিকগঞ্জ জেলা সিংগাইর থানার চান্দহর ইউনিয়নের পাড়াগ্রাম, আটিপাড়া এলাকার দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী উসমি বাড়ির পাশে একটি ঝাল মুড়ির দোকান থেকে ঝালমুড়ি কিনে বাড়িতে ফেরার পথে ওই একই এলাকার খোকন মন্ডল (৬৫) দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী উসমি কে জোর করে তার হাতে ধরে নিজ বাড়িতে নিয়ে যায়,এবং জোরপূর্বক ধর্ষণের ঘটনা ঘটায়, এক পর্যায়ে উসমি চিৎকার কেউ না শুনতে পাড়ায়, উসমি খোকন মন্ডল এর বাম হাতে কামড় দিয়ে ছুটে আসেন নিজ বাড়িতে।
বাড়িতে আসার পর, ব্যথা ও চিৎকার করে , নিজ চাচিকে খোকন মন্ডল এর অপকর্মের কথা বললে, তার চাচি পার্শ্ববর্তী সবাইকে বিষয়টি অবগত করেন, উসমির মা বাড়িতে না থাকায় তার চাচি দ্রুত ডাক্তারের কাছে উসমিকে নিয়ে যান, এবং ঘটনার সত্যতা খুঁজে পান।
বিষয়টি স্থানীয় পর্যায়ে জানাজানি হলে, একটি মহল মীমাংসা করার পাঁয়তারা চালাতে থাকেন, এমন অবস্থায় (৮ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ত্রিপল নাইনে কল দিয়ে, বিষয়টি সিংগাইর থানা পুলিশকে অবগত করলে, শান্তিপুর তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ, খালিদ মনসুর তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেন এবং ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে অভিযুক্ত খোকন মন্ডল কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
এবিষয়ে সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সফিকুল ইসলাম মোল্লা বলেন, উসমির মা বাদিহয়ে থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন । উসমির শারীরিক পরীক্ষার জন্য নন স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়েছে, এবং আসামি খোকন মন্ডলকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে ।
স্থানীয়রা আসামির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছেন ।
মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন, ধামরাই( ঢাকা) প্রতিনিধিঃবঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী পালন উপলক্ষে ঢাকার ধামরাই উপজেলার ধামরাই প্রেসক্লাবকে আর্থ-সামাজিক সংগঠন এসডিআই এর পক্ষ থেকে কোভিড-১৯ সহায়তা উপহার ( রিভলভিং চেয়ার ও মাস্ক) বিতরণ করা হয়েছে।
রবিবার(৫ সেপ্টেম্বর) সকালে ধামরাইয়ের সূতিপাড়া ইউনিয়নের সূতিপাড়া ফারমার্স ট্রেনিং সেন্টার এ প্রেসক্লাবকে এই সহায়তা উপহার দেওয়া হয়।
এসডিআই এর প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক সামসুল হক এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ধামরাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্জ আতিকুর রহমান।
প্রধান অতিথি বলেন, এসডিআই সব সময় তৃণমূল মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছেন।বয়স্ক ভাতা, অসহায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার খরচ, বিষ মুক্ত সবজি চাষসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে থাকেন।এসডিআই এর পক্ষ থেকে রাস্তার পাশে ওয়াস ব্লক তৈরি করে দিয়েছেন।সব সময় প্রতিষ্ঠানটি মানুষের পাশে থাকবে বলে আশা রাখি।
এসডিআই এর পক্ষ থেকে ধামরাই প্রেসক্লাবকে চেয়ার, মাস্কসহ করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে একাধিক সহায়তা উপহার সামগ্রী দেওয়া হয়।
করোনাকালীন সময়ে এসডিআই বিভিন্ন সময় ধামরাই প্রেসক্লাবকে সহায়তা করে আসছেন। শুধু তাই নয় এসডিআই সব সময় তৃণমূল মানুষকে সহায়তা করে যাচ্ছেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা মাদক, দূর্ণিতী নিয়েও কথা বলেন।এসডিআই সমাজ থেকে মাদক নির্মূলেও কাজ করে থাকেন।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইনকিলাবের আনিছ উর রহমান স্বপন, আমাদের সময় পত্রিকার বাবুল হোসেন, বাংলাদেশ প্রতিদিনের আজহারুল ইসলাম রাজু, ইত্তেফাকের মিজানুর রহমান, মানবকন্ঠ পত্রিকার মোঃ রুহুল আমিন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা এসডিআই আই ও সাংবাদিকদের কর্মের কথাহুলো তুলে ধরেন।
বিপ্লবঃ মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ৯ জন দালাল চক্রকে আটক করেছে মানিকগঞ্জের র্যাব-৪ সিপিসি-৩।
আজ ৫ সেপ্টেম্বর রবিবার, সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ১ টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত এই অভিযান চালান র্যাব-৪ সিপিসি-৩। এই দালাল চক্রের সদস্যদের মধ্যে ছিল ৫ জন মহিলা ও ৪ জন পুরুষ।
র্যাব-৪, জানাই এই দালাল চক্র গুলো সরকারি হাসপাতাল থেকে রোগীদেরকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিকে নিয়ে যেতেন এবং সেখানে ভর্তি ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করতেন উচ্চমূল্যে ।
র্যাব-৪ আরো জানায়, মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে দীর্ঘদিন যাবত এই দালাল চক্রের সদস্যরা বিভিন্ন ক্লিনিক ও হাসপাতালে এজেন্ট হিসাবে কাজ করতেন ।
এবং নতুন কোন রোগী আসলেই তারা রোগীদেরকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে ও ভয়ভীতি দেখিয়ে ভালো চিকিৎসার নাম করে, মানিকগঞ্জ সদরের বিভিন্ন ক্লিনিকে নিয়ে যেতেন বলে যানা যায় । এতে ভোগান্তিতে পড়তে সাধারণ জনগণ সহ, দরিদ্র পরিবারের মানুষগুলো ।
এই ৯ জনকে আটকের পর, মানিকগঞ্জ বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, মানিকগজ্ঞ জনাব শাহ মোহম্মদ যোবায়ের ৪ জন পুরুষকে প্রত্যেককে সাত দিন করে কারাদন্ড ও ৫ জন মহিলাকে নগদ ৫০০০ করে জরিমানা মোট ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় ।
উক্ত অভিযানের নেতৃত্ব দেন, ও বিষয়টি নিশ্চিত করেন, কমান্ডার আরিফ এবং উনু মং সিনিয়র এএসপি সিপিসি-৩, র্যাব-৪ মানিকগঞ্জ ।