18.4 C
Dhaka, BD
বুধবার, জানুয়ারি ২১, ২০২৬

সিংগাইরে পচা আলু বদলে, ভালো আলু দিয়ে প্যাকেটের সময় ছবি তুলে ইউএনওকে জড়িয়ে অপপ্রচার

এফ এম ফজলু সিংগাইর প্রতিনিধি: মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সারাদেশে অসহায় মানুষের মাঝে অতিদ্রুততম সময়ে ৩৩৩ তে ফোন করে খাদ্য সহায়তাপ্রার্থীদের সহযোগিতা প্রদানের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন জেলা ও  উপজেলা প্রশাসন।

এরই ধারাবাহিকতায় মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলায় রমজান মাসে ৩৩৩ নাম্বারে জরুরী খাদ্য সহায়তা প্রার্থীদের সহযোগিতার জন্য বরাদ্দ আসে এবং নির্দেশনা দেয়া হয় ২৪ থেকে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে খাদ্য সহায়তা প্রার্থীর কাছে খাদ্য পৌছানোর।

সে নির্দেশনা অনুযায়ী সিংগাইর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা , উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি,উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা , উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান, উপজেলা অফিসের একজন স্টাফ এবং উপজেলা চেয়ারম্যান কার্যালয়ে একজন স্টাফের সমন্বয়ে গঠিত টিম আলোচনা করে সহযোগিতা প্রার্থীদের জন্য চাল ১০ কেজি,ডাল ২ কেজি,আলু ৫ কেজি, চিনি ১ কেজি,লবন ১ কেজি,লাচ্ছা সেমাই ১ প্যাকেট, কুলসন সেমাই ১ প্যাকেট করে বিতরণের উদ্দ্যেশে ক্রয় করা হয়।

২৪ থেকে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে খাদ্য প্রার্থীদের কাছে খাদ্য সহায়তা পৌছানোর জন্য মজুদ করা হয় ১০০ প্যাকেট । প্রতিদিনই সিংগাইর উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে বিতরণ করা হয় এসব খাদ্য সহায়তা। এর মাঝে হঠাৎ একদিনে সিংগাইর উপজেলা প্রশাসনের নিকট খাদ্য সহায়তার জন্য ৫৩ জন ৩৩৩ তে ফোন করে খাদ্য সহায়তা প্রার্থনা করে। আকস্মিক এতো ফোন পেয়ে উপজেলা প্রশাসন তাত্ক্ষণিক ভাবে ১০০ টি খাদ্য সহায়তার জন্য প্যাকেট প্রস্তুত করেন এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা , উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি সহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে খাদ্য সহায়তার জন্য ফোন করা ব্যাক্তির বাড়ি বাড়ি গিয়ে যাচাই করেন ।

খাদ্য সহায়তা চাওয়া ৫৭ জন থেকে মাত্র ১০ জন পাওয়া যায় যারা এ খাদ্য সহায়তার জন্য উপযুক্ত। তাদের হাতে খাদ্য সহায়তা তুলে দেয়া হয় । এ সময় অতিরিক্ত হওয়া বেশ কিছু খাদ্য সহায়তায় প্যাকেট করা খাবার নির্দিষ্ট স্থানে মজুদ করে রাখা হয়।

প্যাকেট করা খাদ্যের মধ্যে পচনশীল দ্রব্য আলু এবং পেঁয়াজ থাকায় অতিরিক্ত গরমে কিছু আলু নষ্ট হয়ে যায় এবং পরবর্তীতে নষ্ট আলু ফেলে দিয়ে ভালো আলু দিয়ে আবার প্যাকেট করে রাখা হয় খাদ্য সহায়তা গুলো ।

এ বিষয়ে সিংগাইর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুনা লায়লা বলেন, আমরা সর্ব্বোচ্চ চেষ্টা করি খুব দ্রুত তম সময়ে খাদ্য সহায়তা মানুষের বাড়ি পৌছানোর জন্য । এজন্য আমরা কিছু খাদ্য সহায়তার জন্য প্যাকেট করে রাখি এবং কোনো ব্যাক্তি সহায়তা চাইলে আমরা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সাথে নিয়ে যাচাই করে বাড়ি গিয়ে দিয়ে আসি। অতিরিক্ত গরমে আমাদের প্যাকেট করা খাদ্য সহায়তায় থাকা পচনশীল দ্রব্য যেমন আলু পেঁয়াজ এগুলো মাঝে মাঝে নষ্ট হয় যা আমরা বিতরণের সময় এগুলো ফেলে দিয়ে সেখানে ভালো গুলো দিয়ে বিতরণ করি। এই বিষয় নিয়ে যদি কেউ আমাকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলতে চায় তবে তা খুব দুঃখজনক ।

এ বিষয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মুসফিকুর রহমান হান্নান জানান, আমাদের উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে করা খাদ্য সহায়তায় কোনো অনিয়ম নেই। আমরা উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে সবাই এক সাথে এগুলো বিতরণ করি। আলু পেয়াজ এগুলো পচনশীল দ্রব্য এগুলো নষ্ট হতে পারে এটা স্বাভাবিক এটা নিয়ে কেউ বিতর্কিত করার চেষ্টা করলে সেটা আমাদের কাংখিত নয়। আমরা খাদ্য সহায়তা বিতরণকালে সব দেখে তারপর বিতরণ করি। এরমধ্যে যদি কোনো দ্রব্য নষ্ট হয় সেগুলো বদলে সেখানে সে পরিমাণ ভালো দ্রব্য দিয়ে তারপর বিতরণ করি।

তিনি আরও বলেন কিছু স্বার্থন্বেষী মহল এ ব্যাপারে সরকার এবং প্রশাসনের ভাবমূর্তি নষ্টর করার লক্ষ্যে অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমি চ্যালেঞ্জ করে বলছি যদি কোন ব্যক্তি ৩৩৩ তে ফোন করে খাদ্য সহায়তা পাননি এটা প্রমাণ করতে পারলে উপজেলা চেয়ারম্যান পদ হতে পদত্যাগ করবো।

আশা করি সঠিক বিষয়টি আপনারা অবগত হলেন।

বরগুনা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন

তালতলী(বরগুনা)প্রতিনিধিঃ বরগুনার তালতলীতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন করেছে ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন।

বৃহস্পতিবার(১০ জুন) বেলা ১১ টার দিকে সদরস্থ চৌরাস্তা নামক স্থানে ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন উপজেলা শাখার উদ্যোগে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা শাখার সভাপতি আবুল হাসানের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের সভাপতি মাও. মো. আফজাল হোসাইন,সাধারণ সম্পাদক মো. জহির খান,মুজাহিত কমিটির ছদর মাও. মো. আ. ছবুর, ছাত্র আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিমসহ ছাত্র আন্দোলনের সদস্যরা।

বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন,দেশের সকল কিছু স্বাভাবিক থাকলেও গত ১৫ মাস ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকা এবং যথাযথ বিকল্প ব্যবস্থা না নেওয়া কোনো উন্নয়নশীল দেশের জন্য সুখকর নয়। দীর্ঘদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার কারণে শিক্ষার্থীরা অনলাইন গেমস, মাদক সেবন, ইভটিজিংসহ কিশোর গ্যাংয়ের মাধ্যমে নানা ধরনের অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। দীর্ঘদিন লকডাউনের বদৌলতে শিক্ষা ব্যবস্থা ও অর্থনৈতিক অবস্থা ভেঙে পড়েছে। শিক্ষার্থীরা তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে হতাশাগ্রস্ত। এমন যখন সার্বিক অবস্থা তখন নতুন করে ঘোষিত লকডাউন জনগনের কাছে মরার উপর খাঁড়ার ঘা।

বক্তারা আরও বলেন, গণমাধ্যমের কল্যাণে আমরা দেখতে পেয়েছি গ্রাম গঞ্জের অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মাদকের আখড়া ও গোয়ালঘরে পরিণত হয়েছে। এগুলো প্রমাণ করে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা অনিশ্চিত গন্তব্যের দিকে ধাবিত হচ্ছে। তাই দ্রæত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার জোর অনুরোধ জানানো হয়।

পাবনা ট্রাক মালিক গ্রুপের উদ্যোগে জেলা প্রশাসককে বিদায় সংবর্ধনা

নিজস্ব প্রতিনিধি: পাবনা ট্রাক মালিক গ্রæপের উদ্যোগে জেলা প্রশাসককে বিদায় সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।

বেলা ৪টায় পাবনা টার্মিনাল সংলগ্ন পাবনা জেলা ট্রাক মালিক গ্রæপের কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পাবনা জেলা প্রশাসক কবীর মাহমুদ বলেন, যেসময় থেকে পাবনাতে এসেছি মানুষের পাশে থাকার চেস্টা করেছি। মানুষ যাতে শান্তিতে থাকে সেজন্য কাজ করেছি। অনেকদিন পাবনায় ছিলাম মায়া হয়ে যাওয়া স্বাভাবিক, তবে আমি যেখানেই যাইনা কেনো পাবনার মানুষকে কখনো ভুলবো না। আমি পাবনাবাসীর ভালোবাসায় ঋণী হয়ে থাকলাম। পাবনায় মহামারী করোনা পরিস্থিতি মোটামুটি ভালো, তবে এই পরিস্থিতি ভালো রাখতে আমাদের সকলের সচেতনতার বিকল্প নেই। বেলা ৪টায় লস্করপুর টার্মিনাল এলাকায় পাবনা জেলা ট্রাক মালিক গ্রæপের বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

পাবনা ট্রাক মালিক গ্রæপের সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন বিশ্বাস রানার সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের সভাপতি শামসুর রহমান খান মানিক, সিনিয়র সহসভাপতি মোজাম্মেল হক কবির, সাংগঠনিক সম্পাদক আহসান সাব্বির, শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি শহিদুল্লাহ শেখ, যুগ্ম সম্পাদক আমিরুল ইসলাম ইসহাক, পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুর রহমান, শ্রমিক লীগ নেতা শেখ রনি, জহুরুল ইসলাম প্রমুখ।

আর কে আকাশ
পাবনা প্রতিনিধি
০১৭১৯ ৩৬৬০৬০

মানুষকে ভালোবাসতে চেষ্টা করেছি -জেলা প্রশাসক কবীর মাহমুদ

নিজস্ব প্রতিনিধি: পাবনা ট্রাক মালিক গ্রæপের উদ্যোগে জেলা প্রশাসককে বিদায় সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।
পাবনা জেলা প্রশাসক কবীর মাহমুদ বলেন, যেসময় থেকে পাবনাতে এসেছি মানুষের পাশে থাকার চেস্টা করেছি। মানুষ যাতে শান্তিতে থাকে সেজন্য কাজ করেছি। অনেকদিন পাবনায় ছিলাম মায়া হয়ে যাওয়া স্বাভাবিক, তবে আমি যেখানেই যাইনা কেনো পাবনার মানুষকে কখনো ভুলবো না। আমি পাবনাবাসীর ভালোবাসায় ঋণী হয়ে থাকলাম। পাবনায় মহামারী করোনা পরিস্থিতি মোটামুটি ভালো, তবে এই পরিস্থিতি ভালো রাখতে আমাদের সকলের সচেতনতার বিকল্প নেই। বেলা ৪টায় লস্করপুর টার্মিনাল এলাকায় পাবনা জেলা ট্রাক মালিক গ্রæপের বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

পাবনা ট্রাক মালিক গ্রæপের সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন বিশ্বাস রানার সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের সভাপতি সামসুর রহমান খান মানিক, সিনিয়র সহসভাপতি মোজাম্মেল হক, ট্রাক মালিক গ্রæপের সাংগঠনিক সম্পাদক আহসান সাব্বির, শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি শহিদুল্লাহ শেখ, পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুর রহমান, শ্রমিক লীগ নেতা শেখ রনি, জহুরুল ইসলাম প্রমুখ।

রাণীশংকৈলে শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে আসা জামাইয়ের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

হুমায়ুন কবির,রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার কুমোরগঞ্জ গ্রামে ১১ জুন শুক্রবার ভোরে শ্বশুরবাড়িতে আসা নূতন জামাইয়ের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।

শ্বশুর জহিরুল ইসলামের বাড়ির অদূরে পুকুর পাড়ের একটি ছোট সাইজের আমগাছের ডালে ঝুলন্ত এরশাদ আলীর(২৭) লাশ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ ও স্থানিয়সূত্রে জানা গেছে, মাত্র ১১দিন আগে উপজেলার নেকমরদ ইউনিয়নের পারকুন্ডা গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে এরশাদ আলীর সঙ্গে কুমোরগঞ্জ গ্রামের জহিরুল ইসলামের মেয়ে জুঁই আকতারের বিয়ে হয়। এরশাদ রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন এবং জুঁই স্থানিয় একটি মাদ্রাসায় পড়তেন।

গত ১০ জুন বৃহস্পতিবার বিকেলে এরশাদ স্ত্রী জুঁইকে নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে আসেন। রাতে খাওয়া দাওয়া করে স্বামী-স্ত্রী একটি ঘরে অবস্থান করেন।

গভীর রাতে স্ত্রী জুই জ্বর  নিয়ে বমি করতে বারান্দায় বের হন। ইতোমধ্যে এরশাদ প্রাকৃতিক কাজ সারতে টয়লেটে যান।এরশাদ টয়লেট থেকে ফিরে না এলে, শ্বশুর,শাশুড়িসহ পরিবারের লোকজন ঐ রাতেই এরশাদকে চারদিকে খুঁজতে বের হয়।শেষ রাতের দিকে তারা বাড়ির অদূরে পুকুর পাড়ের একটি আমগাছের ডালে এরশাদের ঝুলন্ত লাশ দেখতে পায়। খবর পেয়ে থানার সিনিয়র সহ.পুলিশ সুপার তোফাজ্জল হোসেন, ওসি এস এম জাহিদুল ইসলাম, ওসি( তদন্ত) আব্দুল লতিফ শেখ পুলিশ ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে এসে এরশাদের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেন।

এ মৃত্যুর কারন সম্পর্কে পুলিশ কিংবা এলাকাবাসি কিছুই বলতে পারেনি। মৃত এরশাদের খালাত ভাই শাহাদত আলি এ মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে মানতে চাননি। এ নিয়ে তিনি একটি লিখিত অভিযোগ থানায় জমা দিয়েছেন মর্মে ওসি জানান। এ ব্যাপারে থানায় একটি ইউডি মামলা হয়েছে।

লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। সে তদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী পরবর্তি ব্যবস্থা নেয়া হবে মর্মেও ওসি জানান।

রাজশাহীতে কঠোর লকডাউন শুরু

সৌমেন মন্ডল, রাজশাহী ব্যুরোঃ করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে রাজশাহী শহরে শুরু হয়েছে সর্বাত্মক লকডাউন। আজ শুক্রবার বিকাল ৫টা থেকে এই লকডাউন শুরু হয়েছে।

নগরীর প্রতিটি মোড়ে মোড়ে অবস্থান নিয়েছে পুলিশ। টহলে আছেন র‌্যাব সদস্যরাও। লকডাউন বাস্তবায়নে রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) পাশাপাশি জেলা পুলিশের সদস্যদেরও দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে।

বিকাল ৫টার দিকে নগরীর সাহেববাজার জিরোপয়েন্ট এলাকায় লকডাউন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে যান আরএমপি কমিশনার আবু কালাম সিদ্দিক। এ সময় তিনি বলেন, ‘সিদ্ধান্ত হয়েছে সাতদিন কঠোর লকডাউন হবে। লকডাউন মানে লকডাউন। আমরা চাই একটা কমপ্লিট লকডাউন।’

পরে পুলিশ কমিশনার আবু কালাম সিদ্দিক রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকারকে নিয়ে সাহেববাজার ও আরডিএ মার্কেট এলাকা পরিদর্শন করেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব দোকানপাট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন। এ সময় তিনি পুলিশ সদস্যদের লকডাউনের বিষয়ে কঠোরভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেন।

সারাদেশে চলমান লকডাউনের মধ্যেই করোনার ঊর্দ্ধমুখী সংক্রমণে বৃহস্পতিবার রাতে রাজশাহী মহানগর এলাকায় সর্বাত্মক লকডাউনের ঘোষণা দেয়া হয়। রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. হুমায়ুন কবীর সাংবাদিকদের বিষয়টি জানান। তিনি জানান, শুক্রবার বিকাল ৫টা থেকে আগামী ১৭ জুন মধ্যরাত পর্যন্ত লকডাউন চলবে।

এর আগে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাজশাহীতে দুদফা বিধিনিষেধ আরোপ করেছিল জেলা প্রশাসন। কিন্তু সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে না আসায় সর্বাত্মক লকডাউন দেয়া হলো। বিভাগের মধ্যে রাজশাহী জেলাতেই এখন সবচেয়ে বেশি করোনা রোগী শনাক্ত হচ্ছেন। বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যাও। হাসপাতালেও ফুরিয়েছে করোনা রোগী রাখার জায়গা।

সিংগাইর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে গ্রাম পুলিশদের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।

নিজস্ব প্রতিবেদক: মানিকগঞ্জ জেলা সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, সফিকুল ইসলাম মোল্লার সাথে সিংগাইর থানা সকল গ্রাম পুলিশদের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে ।

গত বৃহস্পতিবার ১০ই জন সকাল ১১ টায় এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় । এসময় সিংগার থানার গ্রাম পুলিশ তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে তুলে ধরেন ।

এ সময় তারা, নিজ নিজ এলাকার সুবিধা-অসুবিধা নিয়ে আলাপ আলোচনা করেন, এছাড়াও বিভিন্ন গ্রামের চুরি-ডাকাতি মাদক ব্যবসায়ী, মাদকসেবী ,জুয়াড়িদের বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আলাপ আলোচনা করা হয় । এ সময় সিংগার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা,সফিকুল ইসলাম মোল্লা, সকলকে আশ্বাস দিয়ে বলেন, আপনারা নিশ্চিন্তে আপনাদের নিজ নিজ এলাকায় নির্ভয় কাজ করতে থাকেন, ইনশাল্লাহ আমি আপনাদের পাশে আছি । আপনাদের যেকোনো প্রয়োজনে যেকোনো সময় আমাকে অবগত করিবেন । আমি আপনাদের যেকোনো সহযোগিতা করার জন্য প্রস্তুত আছি ।

এসময় তিনি সতর্ক করে আরো বলেন, বিগত দিনে আপনাদের নিজ নিজ গ্রামে, যেসকল অপকর্মগুলো আপনার ছাড় দিয়ে এসেছেন, এখন থেকে অপকর্ম করলে তাহাকে আর ছাড় দেওয়া হবে না ।

এ সময় সিংগার থানার মোট ১১০ জন গ্রাম পুলিশের মধ্যে, ৮ জন দফাদার ও ৫ জন মহিল গ্রাম পুলিশ উপস্থিত ছিলেন । সভাশেষে, সকল গ্রামপুলিশের নতুন পোষাক তৈরীর মাপ নেওয়া হয় ।

সিংগাইর থানার ধল্লা ইউনিয়নের বাস্তা বাস স্ট্যান্ডে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নাসির উদ্দিন নামে একজনকে কুপিয়ে হত্যা (ভিডিও)

নিজস্ব প্রতিবেদক : সিংগাইর থানার ধল্লা ইউনিয়নের বাস্তা বাস স্ট্যান্ডে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নাসির উদ্দিন নামে একজনকে কুপিয়ে হত্যা ।

তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার ধল্লা ইউনিয়নের বাস্তা বাসস্ট্যান্ডে নাসির উদ্দিন নামে এক মুদি দোকানদারকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা ।

গতকাল ৯জুন আনুমানিক দিবাগত রাত সোয়া ৮টার দিকে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে গতকাল রাতেই সিংগাইর থানার পুলিশ ২জনকে আটক করতে সক্ষম হন ।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সফিকুল ইসলাম মোল্যা । নিহত নাসির উদ্দিন বাস্তা গ্রামের মো. ইসহাকের ছেলে তিনি এক মেয়ে সন্তানের বাবা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হত্যার ঘটনার আগের দিন মঙ্গলবার (৮ জুন) বিকালে তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে একই গ্রামের হাজি সফর ও নাসির উদ্দিনের পরিবারের মধ্যে কথা-কাটাকাটির ঘটনাকে কেন্দ্র করে বুধবার রাতে হাজি সফরের ছেলে লাবু চাইনিজ কুড়াল দিয়ে নাসিরকে কুপিয়ে আহত করে মানিকগঞ্জ সিংগাইর আঞ্চলিক সড়কের দক্ষিণ পাশের খাদে ফেলে দেয়।
স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে সাভারের এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে নাসিরের পরিবারের লোকজনের পাল্টা মারধরে ঘটনার মূল হোতা মামলার ১ নং আসামী লাবু আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন আছেন বলে পুলিশ সূত্রে জানা যায় ।

পুলিশের এএসপি (সিংগাইর সার্কেল) রেজাউল হক, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সফিকুল ইসলাম মোল্লা ও পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল কালাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে ।

রাণীশংকৈলে একই পরিবারের ৩ জনসহ ৭ জন করোনায় শনাক্ত

রাণীশংকৈল, (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ  ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় গত (৮ জুন) মঙ্গলবার নতুন করে ৭ জন করোনায় সংক্রমিত রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এদিন রাত ৯ টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভারপ্রাপ্ত পরিসংখ্যানবিদ আরজুমানয়ারা আকতার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

করোনায় সংক্রমিত রোগীরা হলেন, উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের গহেলাপাড়া গ্রামের অনন্ত রায়ের ছেলে শ্রী দানেশ (৪৫), ধর্মগড়ের চেংমারি গ্রামের হাকিমউদ্দিনের ছেলে সফিকুল ইসলাম মুকুল (৪৮) ও তার স্ত্রী রুনা বেগম (৪১), মেয়ে বন্যা (১৬), পৌরশহরের ভান্ডারা এলাকার নাইনউদ্দিনের ছেলে কুতুবউদ্দিন (২৬) এবং নেকমরদ ইউনিয়নের মেহের লাল (৩১) ও নাসিরুল ইসলাম (৮৫) ।

রাণীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডাঃ ফিরোজ আলম জানান, আক্রান্তদের নিজ বাড়িতে হোম আইসোলেশনে রেখে চিকিৎসার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত: এ পর্যন্ত রাণীশংকৈল উপজেলায় কোরনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১৭৯ জন, ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৫৮ জন এবং মৃত্যুবরণ করেছেন ৭ জন।

ধামরাইয়ে মলম পার্টির চক্রের ৩ নারী সদস্য আটক।

মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন ,ধামরাই( ঢাকা) প্রতিনিধিঃ ঢাকার ধামরাই পৌরসভার উত্তর পাতা দোয়েল ক্লাব সংলগ্ন রাস্তা থেকে মলম পার্টি ও ছিনতাইকারী চক্রের তিন মহিলা সদস্যকে আটক করেছে থানা পুলিশ।গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তাদের আটক করা হয়।

জানা যায়, সুইটি বেগম নামে এক মহিলা যাত্রী ধামরাই বাজার যাওয়ার উদ্দেশ্যে ইসলামপুর থেকে সিএনজিতে উঠে। ঐ সিএনজিতে পূর্বেই আরো ৩ জন মহিলা যাত্রী ছিল।সিএনজি যোগে পৌরসভার উত্তর পাতা এলাকায় পৌছালে ভিকটিম সুইটি বেগম জোরে চিৎকার দেয়।

সেই চিৎকারের শব্দে স্থানীয়রা সিএনজি থামায় এবং সিএনজিতে থাকা ৩ মহিলাকে জনতা আটক করে। ঔই সময় সুইটি বেগমের চোখে মুখে মরিচের গুঁড়ো দেওয়ার কারণে তিনি চিৎকার দেন এবং স্থানীয় জনতা সন্দেহ করে গাড়ি থামায় এবং ৩ মহিলাকে আটক করে। তবে সিএনজি চালক পালিয়ে যায়। ভুক্তভোগী সুইটিকে চোখে মুখে পানি দিলে তার স্বাভাবিকতা ফিরে আসে এবং তার কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য জানা যায়।পরে স্থানীয়রা থানায় ফোন দিলে ধামরাই থানার কিলো টিম এসআই রশিদ এসে সিএনজিসহ মলম পার্টির ৩ নারী সদস্যকে থানা হেফাজতে নিয়ে আসে। আটককৃতরা হলো- মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া থানার কামতা গ্রামের লিয়াকত আলীর দুই মেয়ে শিরিন ও সালমা। অপরজন, একই জায়গার আব্দুস সালামের মেয়ে সুমি আক্তার। তারা দির্ঘদিন ধরে এই পেশার সাথে জড়িত। ভিকটিম সুইটি বেগম জানান, ইসলামপুর থেকে ধামরাই উদ্দেশ্যে সিএনজিতে উঠলে সিএনজিতে থাকা ৩ মহিলা আমার চোখে মুখে মরিচের গুঁড়ো দেওয়ার কারণে আমি চিৎকার করি।তখন দোয়েল ক্লাবের সামনে স্থানীয় জনতা আমাকে উদ্ধার করে।

এ বিষয়ে পুলিশ উপ- পরিদর্শক রশিদ উদ্দিন বলেন,মলম পার্টির ৩ নারী সদস্যকে আটক করা হয়েছে। তারা সুইটি নামে আরেক নারীকে অপহরণের চেষ্টা করছিল।

তাদের নামে একটি অপহরণ মামলা হয়েছে। আজ বুধবার তাদেরকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সাভারে দৃষ্টিনন্দন মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উদ্বোধন (ভিডিও)

বিপ্লব সাভারঃ সাভারের দৃষ্টিনন্দন মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র উদ্বোধন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। ঢাকা আরিচা মহাসড়কের সাভার বাজার বাসস্ট্যান্ডে এই মডেল মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছে। উদ্বোধনের পরেই মুসল্লিরা নামাজ আদায় করেন মডেল মসজিদে। মডেল মসজিদ উদ্বোধনে সাভারে অংশ নেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান।

তিনি বলেন, গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি সাভার মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। এ জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সাভার ও আশুলিয়াবাসীর পক্ষ থেকে গভীর কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা। নিঃসন্দেহে সাভারবাসীর জন্য আজকের দিনটি ঐতিহাসিক দিন। জাতীয় জীবনেও ইতিহাসে দিনটি স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। একসঙ্গে এত মসজিদ কেউ তৈরি করেনি, যা করেছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে সারাদেশে ৫৬০টি মডেল মসজিদ নির্মাণ করছেন ইসলামের একজন অন্যতম শ্রেষ্ঠ খাদেম শেখ হাসিনা।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইসলাম প্রচার ও প্রসারে এ এক অনন্য নজির। নামাজ আদায়ের পাশাপাশি ইসলামিক গবেষণা, সংস্কৃতি ও জ্ঞানচর্চার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে মসজিদের ব্যবহার আমাদের ঐতিহ্য। সেই ঐতিহ্যকেই মনেপ্রাণে লালন করেন আমাদের প্রাণপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বিশ্ব ইজতেমার জন্য টঙ্গীতে সরকারি জায়গা বরাদ্দ থেকে ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করা হয়। এভাবে ইসলামের খেদমতে যেভাবে নিয়োজিত ছিলেন স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তেমনি তার যোগ্য উত্তরসূরি তথা একজন খাঁটি ঈমানদার মুসলমান হিসেবে আমরা পেয়েছি জননেত্রী শেখ হাসিনাকে।

ডা. এনামুর রহমান মহান এই নেত্রীর হাত ধরেই আজ সাভার মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রসহ আটটি বিভাগের উদ্বোধন করা হলো ৫০ টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। তিনি বলেন, আমার রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য মসজিদ নির্মাণ করবে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতে অনুরূপ ঘর নির্মাণ করবেন।

স্থান নির্বাচন, সব প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে সাভারে এই নান্দনিক স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত এই মসজিদটি নির্মাণে যারা আমার সঙ্গে ছিলেন, তাদের সবার প্রতি আমার প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা।

দৃষ্টিনন্দন এই মডেল মসজিদটিতে একসাথে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে সাত শতাধিক মানুষ নামাজ আদায় করতে পারবেন। মহিলাদের জন্যও নামাজের ব্যবস্থা রয়েছে। বিদেশি সরকারের অর্থায়নে এই মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে। মসজিদটিতে বসানো হয়েছে দৃষ্টি নন্দন কারুকাজ। বসানো হয়েছে উন্নত মানের টাইলস ও মার্বেল পাথর। নিরাপত্তার জন্য মসজিদে বসানো হয়েছে সার্বক্ষনিক সিসিটিভি ক্যামেরা। এছাড়া বিদ্যুৎ চলে গেলে সেখানে জেনারেটরের ব্যবস্থা করা হয়েছে। চৌদ্দ কোটি টাকা ব্যায়ে মসজিদটি নির্মাণ করেছে গণপূর্ত অধিদপ্তর। দৃষ্টি নন্দন এই মডেল মসজিদটি দেখলে যেকারোর নজর কারবে।

এসময় ঢাকা জেলা প্রশাসক শহিদুল ইসলাম, জেলা পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন সরদার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ হিল কাফী, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মঞ্জুুরুল আলম রাজীব, পৌর মেয়র আব্দুল গণি, আশুলিয়া থানা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ফারুক হাসান তুহিনসহ গণপূর্ত বিভাগের কর্মকর্তা ও সাভারের বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, সরকারী দপ্তরের কর্মকর্তা ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেট...