সিংগাইরে পচা আলু বদলে, ভালো আলু দিয়ে প্যাকেটের সময় ছবি তুলে ইউএনওকে জড়িয়ে অপপ্রচার
এফ এম ফজলু সিংগাইর প্রতিনিধি: মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সারাদেশে অসহায় মানুষের মাঝে অতিদ্রুততম সময়ে ৩৩৩ তে ফোন করে খাদ্য সহায়তাপ্রার্থীদের সহযোগিতা প্রদানের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন জেলা ও উপজেলা প্রশাসন।
এরই ধারাবাহিকতায় মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলায় রমজান মাসে ৩৩৩ নাম্বারে জরুরী খাদ্য সহায়তা প্রার্থীদের সহযোগিতার জন্য বরাদ্দ আসে এবং নির্দেশনা দেয়া হয় ২৪ থেকে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে খাদ্য সহায়তা প্রার্থীর কাছে খাদ্য পৌছানোর।
সে নির্দেশনা অনুযায়ী সিংগাইর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা , উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি,উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা , উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান, উপজেলা অফিসের একজন স্টাফ এবং উপজেলা চেয়ারম্যান কার্যালয়ে একজন স্টাফের সমন্বয়ে গঠিত টিম আলোচনা করে সহযোগিতা প্রার্থীদের জন্য চাল ১০ কেজি,ডাল ২ কেজি,আলু ৫ কেজি, চিনি ১ কেজি,লবন ১ কেজি,লাচ্ছা সেমাই ১ প্যাকেট, কুলসন সেমাই ১ প্যাকেট করে বিতরণের উদ্দ্যেশে ক্রয় করা হয়।
২৪ থেকে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে খাদ্য প্রার্থীদের কাছে খাদ্য সহায়তা পৌছানোর জন্য মজুদ করা হয় ১০০ প্যাকেট । প্রতিদিনই সিংগাইর উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে বিতরণ করা হয় এসব খাদ্য সহায়তা। এর মাঝে হঠাৎ একদিনে সিংগাইর উপজেলা প্রশাসনের নিকট খাদ্য সহায়তার জন্য ৫৩ জন ৩৩৩ তে ফোন করে খাদ্য সহায়তা প্রার্থনা করে। আকস্মিক এতো ফোন পেয়ে উপজেলা প্রশাসন তাত্ক্ষণিক ভাবে ১০০ টি খাদ্য সহায়তার জন্য প্যাকেট প্রস্তুত করেন এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা , উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি সহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে খাদ্য সহায়তার জন্য ফোন করা ব্যাক্তির বাড়ি বাড়ি গিয়ে যাচাই করেন ।
খাদ্য সহায়তা চাওয়া ৫৭ জন থেকে মাত্র ১০ জন পাওয়া যায় যারা এ খাদ্য সহায়তার জন্য উপযুক্ত। তাদের হাতে খাদ্য সহায়তা তুলে দেয়া হয় । এ সময় অতিরিক্ত হওয়া বেশ কিছু খাদ্য সহায়তায় প্যাকেট করা খাবার নির্দিষ্ট স্থানে মজুদ করে রাখা হয়।
প্যাকেট করা খাদ্যের মধ্যে পচনশীল দ্রব্য আলু এবং পেঁয়াজ থাকায় অতিরিক্ত গরমে কিছু আলু নষ্ট হয়ে যায় এবং পরবর্তীতে নষ্ট আলু ফেলে দিয়ে ভালো আলু দিয়ে আবার প্যাকেট করে রাখা হয় খাদ্য সহায়তা গুলো ।
এ বিষয়ে সিংগাইর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুনা লায়লা বলেন, আমরা সর্ব্বোচ্চ চেষ্টা করি খুব দ্রুত তম সময়ে খাদ্য সহায়তা মানুষের বাড়ি পৌছানোর জন্য । এজন্য আমরা কিছু খাদ্য সহায়তার জন্য প্যাকেট করে রাখি এবং কোনো ব্যাক্তি সহায়তা চাইলে আমরা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সাথে নিয়ে যাচাই করে বাড়ি গিয়ে দিয়ে আসি। অতিরিক্ত গরমে আমাদের প্যাকেট করা খাদ্য সহায়তায় থাকা পচনশীল দ্রব্য যেমন আলু পেঁয়াজ এগুলো মাঝে মাঝে নষ্ট হয় যা আমরা বিতরণের সময় এগুলো ফেলে দিয়ে সেখানে ভালো গুলো দিয়ে বিতরণ করি। এই বিষয় নিয়ে যদি কেউ আমাকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলতে চায় তবে তা খুব দুঃখজনক ।
এ বিষয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মুসফিকুর রহমান হান্নান জানান, আমাদের উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে করা খাদ্য সহায়তায় কোনো অনিয়ম নেই। আমরা উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে সবাই এক সাথে এগুলো বিতরণ করি। আলু পেয়াজ এগুলো পচনশীল দ্রব্য এগুলো নষ্ট হতে পারে এটা স্বাভাবিক এটা নিয়ে কেউ বিতর্কিত করার চেষ্টা করলে সেটা আমাদের কাংখিত নয়। আমরা খাদ্য সহায়তা বিতরণকালে সব দেখে তারপর বিতরণ করি। এরমধ্যে যদি কোনো দ্রব্য নষ্ট হয় সেগুলো বদলে সেখানে সে পরিমাণ ভালো দ্রব্য দিয়ে তারপর বিতরণ করি।
তিনি আরও বলেন কিছু স্বার্থন্বেষী মহল এ ব্যাপারে সরকার এবং প্রশাসনের ভাবমূর্তি নষ্টর করার লক্ষ্যে অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমি চ্যালেঞ্জ করে বলছি যদি কোন ব্যক্তি ৩৩৩ তে ফোন করে খাদ্য সহায়তা পাননি এটা প্রমাণ করতে পারলে উপজেলা চেয়ারম্যান পদ হতে পদত্যাগ করবো।





























বেলা ৪টায় পাবনা টার্মিনাল সংলগ্ন পাবনা জেলা ট্রাক মালিক গ্রæপের কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পাবনা জেলা প্রশাসক কবীর মাহমুদ বলেন, যেসময় থেকে পাবনাতে এসেছি মানুষের পাশে থাকার চেস্টা করেছি। মানুষ যাতে শান্তিতে থাকে সেজন্য কাজ করেছি। অনেকদিন পাবনায় ছিলাম মায়া হয়ে যাওয়া স্বাভাবিক, তবে আমি যেখানেই যাইনা কেনো পাবনার মানুষকে কখনো ভুলবো না। আমি পাবনাবাসীর ভালোবাসায় ঋণী হয়ে থাকলাম। পাবনায় মহামারী করোনা পরিস্থিতি মোটামুটি ভালো, তবে এই পরিস্থিতি ভালো রাখতে আমাদের সকলের সচেতনতার বিকল্প নেই। বেলা ৪টায় লস্করপুর টার্মিনাল এলাকায় পাবনা জেলা ট্রাক মালিক গ্রæপের বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

গত বৃহস্পতিবার ১০ই জন সকাল ১১ টায় এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় । এসময় সিংগার থানার গ্রাম পুলিশ তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে তুলে ধরেন ।
গতকাল ৯জুন আনুমানিক দিবাগত রাত সোয়া ৮টার দিকে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
সেই চিৎকারের শব্দে স্থানীয়রা সিএনজি থামায় এবং সিএনজিতে থাকা ৩ মহিলাকে জনতা আটক করে। ঔই সময় সুইটি বেগমের চোখে মুখে মরিচের গুঁড়ো দেওয়ার কারণে তিনি চিৎকার দেন এবং স্থানীয় জনতা সন্দেহ করে গাড়ি থামায় এবং ৩ মহিলাকে আটক করে। তবে সিএনজি চালক পালিয়ে যায়। ভুক্তভোগী সুইটিকে চোখে মুখে পানি দিলে তার স্বাভাবিকতা ফিরে আসে এবং তার কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য জানা যায়।পরে স্থানীয়রা থানায় ফোন দিলে ধামরাই থানার কিলো টিম এসআই রশিদ এসে সিএনজিসহ মলম পার্টির ৩ নারী সদস্যকে থানা হেফাজতে নিয়ে আসে। আটককৃতরা হলো- মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া থানার কামতা গ্রামের লিয়াকত আলীর দুই মেয়ে শিরিন ও সালমা। অপরজন, একই জায়গার আব্দুস সালামের মেয়ে সুমি আক্তার। তারা দির্ঘদিন ধরে এই পেশার সাথে জড়িত। ভিকটিম সুইটি বেগম জানান, ইসলামপুর থেকে ধামরাই উদ্দেশ্যে সিএনজিতে উঠলে সিএনজিতে থাকা ৩ মহিলা আমার চোখে মুখে মরিচের গুঁড়ো দেওয়ার কারণে আমি চিৎকার করি।তখন দোয়েল ক্লাবের সামনে স্থানীয় জনতা আমাকে উদ্ধার করে।