26.6 C
Dhaka, BD
বৃহস্পতিবার, জুলাই ২৩, ২০২৬

আয়নাল চেয়ারম্যানের মাদক ও সন্ত্রাসী বাহিনীর হাতে জিম্মি গ্রামের সাধারণ মানুষ

নিজস্ব প্রতিবেদক : পশ্চিম কেরানীগঞ্জের একটি ইউনিয়ন হযরতপুর। এই ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন আয়নাল নানা ধরনের অপোকর্মে লিপ্ত রয়েছেন বলে এলাকাবাসির অভিযোগ। তাদের ভাষ্য এমন কোনো অপকর্ম নেই যা তিনি করেন না।

এলাকার উন্নয়ন এবং জন সেবার জন্যই তাদের মানুষ ভোট দেন। কিন্তু ভোটের চিত্র বদলে যাওয়ার পর থেকে এরকম জনদুশমন চেয়ারম্যানের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে ।

যার বড় উদাহরণ হচ্ছেন এই আয়নাল চেয়ারম্যান। জোর-জবরদস্তি রাস্তা নির্মান, চোরাই গরুর ব্যবসা, ডিভোর্স বা সংসার ভাঙার ব্যবসা, মদক ব্যবসা, নারী কেলেংকারি, ভিন্নমতালম্বি দেখিয়ে মিথ্যা ও হয়রানিমুলক মামলা, কারসাজি করে জমির দখল নেওয়াসহ অসংখ্য অভিযোগ উঠেছে চেয়ারম্যান আয়নালের বিরুদ্ধে।

সাধারণ একটি পরিবার থেকে উঠে এসে শত শত কোটি টাকার মালিক বনে যাওয়া আয়নাল এখন ডনে পরিণত হয়েছেন।। আয়নাল হকের ভয়ে কেউ মুখ খুলতেই সাহস পায়না। প্রকাশে কেউ কিছু বললে, হত্যার হুমকি, মিথ্যা মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়া হয়। এরকম অসংখ্য ঘটনার পর ওই ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ অপেক্ষায় আছেন কবে তার ইউপি চেয়ারম্যান পদ বাতিল হবে। মানুষ তার অত্যাচার নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে পারবেন।

আয়নাল হকের নির্যাতনের অস্ত্র হচ্ছে মাদক !

তাবা,আয়নালের ছেলে ইমনের ইয়াবা ব্যবসার ম্যানেজার মাদক দিয়ে তুঘলকি কান্ডকারখানা করে চলেছেন হযরতপুরের বহুল আলোচিত চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন আয়নাল। তার ছেলে এবং ভাগ্নের বিরুদ্ধে রয়েছে মাদক ব্যবসার অভিযোগ। আর তিনি নিজে মাদক দিয়ে শায়েস্তা করে চলেছেন আওয়ামী লীগের নিরীহ নেতাকর্মীদের।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, আয়নাল হক যাকেই তার বিরুদ্ধপক্ষ মনে করেন তাকেই মাদকের মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দেয়। আর এই কাজে বেআইনি ভাবে পুলিশকে ব্যবহার করে সে ।

এই প্রতিবেদক সরেজমিনে দেখেছেন কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি বিলাসবহুল বাড়ীর সঙ্গেই বসবাস করা একজন দিনমজুরকে হিরোইনের মিথ্যা মামলায় কিভাবে ফাঁসানো হয়েছে। অথচ ওই ভিকটিম এতটাই গরিব যে তার পক্ষে হিরোইনের ব্যবসা করা অসম্ভব। এমনকি ভিকটিম কোনোদিন বিড়ি সিগারেট খান নি বা ছুঁয়ে দেখেছেন এমনটি এলাকার কেউ বলতে পারবেননা।

এ প্রতিবেদক মো: খালেক এবং লাবু মিয়া নামের দুই ব্যক্তিকে খুঁজে পেয়েছেন যাদের বিরুদ্ধে হিরোইন ব্যবসার অভিযোগ এনে মামলা দিয়েছে পুলিশ। কিন্তু এরা বলছেন ভিন্ন কথা। লাবু মিয়া স্থানীয় একজন বিএনপি সমর্থকের সঙ্গে রাস্তায় মাটি কাটার কাজ করেন । সেই কারনে তাকে বিএনপি সমর্থক হিসেবে পুলিশের কাছে তুলে দেন ।

লাবু, নিরীহ গ্রামবাসী। এই সাধারণ ব্যক্তিকে ফাঁসানো হয়েছে হিরোইনের মামলায় ।

একই সময়ে খালেককেও তার ভাইয়ের দোকানে বসা অবস্থায় হাত ধরে উঠিয়ে পুলিশের কাছে তুলে দেন আয়নাল চেয়ারম্যান। স্থানীয় হযরতপুর বাজারে আসার পর পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে মাদকের মামলা সাজান। রাস্তায় পাওয়া যে দুজনকে এই মামলায় সাক্ষী রেখেছে পুলিশ তার একজনের বয়স তখন ১৮ বছর ছিলনা। লাবু এবং খালেক এই দুজনের বিরুদ্ধেই বিএনপি করার অভিযোগ তোলেন আয়নাল চেয়ারম্যান। অথচ তারা সবাই পরিবারগতভাবেই আওয়ামী লীগ করে চলেছেন। খালেক মনে করেন পুরোনো শত্রুতার কারণে চেয়ারম্যান তাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়েছেন। অথচ পুরোনো কি শত্রুতা তা সে এখনো জানেনা। এটা এক ধরনের অত্যাচার বা নির্যাতন বসে সে মনে করে। চেয়ারম্যানসহ এই ভিকটিমদের বাড়ী ইটাভাড়া বাজারে একই সীমানায় পাশাপাশি অবস্থানে।

এদিকে আনোয়ার হোসেন রতন গাজী অন্য একজন আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধেও প্রতিশোধ মূলক মামলা করিয়েছেন আয়নাল হক। প্রবাসী ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে সাভার থানায় বিএনপির আমলে গাড়ি ভাংচুরের অভিযোগ আনা হয়। কিন্তু বিএনপি সরকারের সময় তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা হয়নি। আওয়ামী লীগ সরকার কেনো তার সমর্থকের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা করবে তা কারোরই বোধগম্য নয়। রতন গাজী সরাসরি এই মামলা করার ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে আয়নাল চেয়ারম্যানের নাম উল্লেখ করেছেন। তার বিরুদ্ধেও মাদক মামলার একটা ষড়যন্ত্র চলছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।

মো: খালেক ধূমপান করেননি জীবনে। অথচ মাদক মামলায় জেল হাজত খেটেছেন।

সবগুলো মামলা রাস্ট্রবাদি হওয়ার কারণে মূলত আয়নাল চেয়ারম্যান আইনগতভাবে জড়িত নয়। তবে স্থানীয়দের প্রকাশ্য অভিমত যে চেয়ারম্যান আয়নালের চক্রান্তেই এই মিথ্যা মামলাগুলো করেছে পুলিশ। পুলিশকে অন্যায় ভাবে ব্যবহারেরও অভিযোগ করেছে স্থানীয় বাসিন্দারা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পুরো হযরতপুর ইউনিয়নে মাদক ব্যবসার বড় নেটওয়ার্ক তৈরি করেছে তার ছোট ছেলে ইমন। ইমনের প্রধান সহযোগি তাবা পুলিশের হাতে ধরা পড়ার পর প্রথমেই বলেছে সে চেয়ারম্যানের ছেলে ইমনের ব্যবসা সামলায়। ওই সময় সে মামুন, আলামীন, সোহেল তাজুর নাম বলেছিল। এছাড়া হাইমচর এবং রসুলপুরে তাদের বড় নেটওয়ার্ক রয়েছে বলে পুলিশকে জানিয়েছে।

চেয়ারম্যানের ষড়যন্ত্র মামলার শিকার রতন গাজী।

খোদ চেয়ারম্যানের বড় ছেলে অপু ইয়াবা সেবন করে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। চেয়ারম্যান আয়নালের ছোট ছেলে ইমন ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। চেয়ারম্যানের ভাগ্নে রাশেদুল ইসলাম রাশেদ এ ব্যবসার একজন ইন্দনদাতা । যদিও তার বিরুদ্ধে ইয়াবা ব্যবসার কোনো অভিযোগ স্পষ্ট করে কেউ বলতে পারেনা। অন্যদিকে চেয়ারম্যান তার চাচাত ভাই আতিকুর রহমান আতিকের অনেক সম্পদ জবরদখল করে নেওয়ার পর নি:স্ব আতিক এখন অনেকটাই মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েছে বলে জানা গেছে।

কোনো চেয়ারম্যানের পরিবার যখন পুরেপুরি মাদক ব্যবসা এবং মাদক সেবনের মধ্যে চলে যায় তখন নৈতিকভাবেই ওই চেয়ারম্যানের প্রতি সাধারণ মানুষ আস্থা হারিয়ে ফেলে। তখন চেয়ারম্যানও তার বিরুদ্ধে যাতে কেউ মুখ খুলতে না পারে এজন্য ক্ষমতার অপব্যবহার করেন বলে অপরাধ বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন।

অবরাধ বিশ্লেষক অ্যাডভোকেট সৈয়দ মাহবুব বলেছেন, চেয়ারম্যান সরাসরি মামলার সঙ্গে যুক্ত না থাকায় তাকে আইনগতভাবে দোষারোপ করা অসম্ভব কিন্তু সাধারণ মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি বদলানো যাবেনা। সাধারণ মানুষও সময় সুযোগ পেলে এর বদলা নিতে পারে।

আয়নাল চেয়ারম্যান বলেছেন, তার বিরুদ্ধে একটা ষড়যন্ত্র চলছে । স্থানীয় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন তার বিরুদ্ধে চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার জন্যই এসব মিথ্যা গুজব ছড়াচ্ছে। তিনি বলেছেন, তার কোনো ছেলে ইয়াবার ব্যবসা করে না, ইয়াবা খায়না। আর তিনি কাউকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসাননি।

আয়নাল আরো বলেছেন, তার বাড়িতে যদি ইয়াবা ও অবৈধ অস্ত্র থাকে তাহলে পুলিশ এসে ধরে নিয়ে যাক। যে সব মামলার কথা বলা হচ্ছে তা পুরোনো । এতো দিন প্রতিবাদ কেনো করা হলোনা সেই প্রশ্ন তুলেছেন আয়নাল চেয়ারম্যান। তার আশঙ্কা তিনি যাতে আগামী নির্বাচনে নৌকা প্রতীক না পান সেই জন্য তার বিরুদ্ধে কিছু কিছু লোক দুর্নাম ছড়াচ্ছে। তার বিরুদ্ধে যে সব অভিযোগ আনা হচ্ছে তা স্রেফ মিথ্যা এবং গুজব।

ধামরাই পৌরসভার প্যানেল মেয়র-১ নির্বাচিত হয়েছেন ৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ মোকছেদ

মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন (ধামরাই প্রতিনিধি)আজ ধামরাই পৌরসভায় প্যানেল মেয়র নির্বাচনে কাউন্সিলরদের ভোটে প্যানেল মেয়র-১ নির্বাচিত হয়েছে মোঃমোকছেদ তিনি ০৩ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর।

এছাড়া প্যানেল মেয়র-২ হিসেবে ১নং ওয়ার্ডের আরিফুল ইসলাম এবং প্যানেল মেয়র-৩ হিসেবে ১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর ফারহানা হোসেন নির্বাচিত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (০৮ জুন) দুপুর ১২টার দিকে ধামরাই পৌরসভার নব-নির্বাচিত পৌর পরিষদের তৃতীয় মাসিক সাধারণ সভায় তাদের নির্বাচন করা হয়।

এতে সভাপতিত্ব করেন ধামরাই পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব গোলাম কবির।

পরে প্যানেল মেয়র ১- পদে ৩নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোকছেদ এবং ৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সাহেব আলীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়।সাহেব আলী -৪ ভোট মোঃ মোকছেদ – ৮ ভোট, ৪ ভোটের ব্যবধানে মোঃ মোকছেদ জয়ী হন ।

এর আগে গত ২৮ ডিসেম্বর পৌরসভার ২য় মেয়াদে মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হয়ে পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও পৌর মেয়র গোলাম কবির ০৯টি সাধারণ ওয়ার্ড কাউন্সিলর এবং ০৩টি সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর নিয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করেন

“আমি শ্রাবন্তীর সঙ্গে সংসার করতে চাই” আদালতে গিয়ে বললেন রোশন

সম্পর্কে ফাটল ধরেছে গত বছরেই। তবু তিক্ততা ভুলে আবার শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে সংসার করতে চান রোশন সিংহ। হিন্দু বিবাহ আইনের ৯ নম্বর ধারায় ‘রেস্টিটিউশন অব কনজুগাল রাইটস’ বলে একটি আইনি সংস্থান রয়েছে। সোমবার সেটির মাধ্যমে আপাতত বিবাহবিচ্ছেদ রুখে দিলেন তিনি।

অভিনেত্রী স্ত্রীর সঙ্গে দাম্পত্য ভেঙে ফেলতে চাইছেন না রোশন। আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন নিজেদের সম্পর্কে বাঁচিয়ে তোলার তাগিদে। নিন্দুকেরা মনে করছেন, বিবাহবিচ্ছেদের পর খোরপোশের চাপ থেকে নিজেকে মুক্ত করার জন্য এই পদক্ষেপ নিয়েছেন রোশন। তবে রোশন মনে করেন, শ্রাবন্তীর যেমন জীবন যাপনের জন্য রোশনের আর্থিক সাহায্যের প্রয়োজন নেই, তেমনই রোশনও শ্রাবন্তীর মুখাপেক্ষী নন। তিনি কেবল মাত্র অভিনেত্রীর সঙ্গে সংসার করতে চান।

এই বিষয়ে অভিনেত্রীর মতামত জানতে যোগাযোগ করলে তাঁর ফোন বেজে যায়। আনন্দবাজার ডিজিটালকে রোশন বললেন, “আমি শ্রাবন্তীর সঙ্গে সংসার করতে চাই।” আগামী জুলাই মাসে রোশনের আবেদনের ভিত্তিতে শ্রাবন্তীকে তলব করেছে আদালত।

(আনন্দ বাজার ডেস্ক)

রাণীশংকৈলে ভূমি সেবা সপ্তাহ শুরু

হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল, (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় পাঁচদিন ব্যাপি ভূমি সেবা সপ্তাহ শুরু হয়েছে। উপজেলা ভূমি অফিসের তত্বাবধায়নে ৬ থেকে ১০ জুন পর্যন্ত এই সেবা সপ্তাহ পালিত হবে।

এ উপলক্ষে গত রোরবার ৬ জুন সকালে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে পরিষদ হলরুমে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট প্রীতম সাহার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে  বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না।

আরও বক্তব্য দেন ভাইস চেয়ারম্যান সোহেল রানা ও শেফালী বেগম, কৃষি কর্মকর্তা সঞ্জয় দেবনাথ, উপজেলা আ’লীগ সাধারণ সম্পাদক তাজউদ্দিন, স্যাটেলমেন্ট অফিসার আফসার আলী,  অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ তাজুল ইসলাম ইউপি চেয়ারম্যান এনামুল হক প্রমুখ।

এছাড়াও ভূমি অফিসের বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারী, জনপ্রতিনিধি ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বক্তরা অনলাইনে জমির খাজনা প্রদান, ই নাম জারি, অনলাইনে বাড়িতে বসেই প্রদান করাসহ ভূমি অফিসের সকল সেবা প্রদানের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।

সিংগাইরে চোর  মালিককে  রড দিয়ে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় আটক ২

এফ এম ফজলু সিংগাইর প্রতিনিধি:সিংগাইর বায়রা ইউনিয়নের গেড়াদিয়ায় গৃহের মালিক হত্যার ঘটনায় জড়িত ২ জন হত্যাকারী আসামী গ্রেফতার পূর্বক  বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে দোষ স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

গত ৫ জুন রাত অনুমান ০৮.১৫ ঘটিকা হইতে রাত অনুমান ৯.০০ ঘটিকার সময় অজ্ঞাতনামা  চোরেরা মানিকগঞ্জ সদর থানাধীন পূর্ব অরঙ্গবাদ সাকিনস্থ জনৈক আঃ মালেক (৪৫), পিতা-মৃত নোয়াজ আলী এর বসত ঘরে তালা ভাঙ্গিয়া চুরি শেষে পলানোর চেষ্টাকালে বাড়ীর মালিক আঃ মালেক ও তাহার আপন ছোট ভাই তারা মিয়া(৪২)-দ্বয় উক্ত চোরদের আটক করার জন্য পিছু ধাওয়া করে। তারা মিয়া হ্যালো বাইক চালক জনৈক সুজন(৩০) এর হ্যালো বাইকে উঠিয়া সিংগাইর থানাধীন গাড়াদিয়া সাকিনস্থ এডিসি ইট ভাটার পূর্ব পাশে মানিকগঞ্জ টু হেমায়েতপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের গাড়াদিয়া চকের ব্রীজের উপরে অজ্ঞাতনামা ০২জন চোরকে আটক করে। হ্যালো বাইক চালক সুজন লোকজন ডাকিতে গেলে ৫ জুন  তারিখ রাত অনুমান ০৯.১৫ ঘটিকার সময় উক্ত অজ্ঞাতনামা আসামীদ্বয় তারা মিয়ার হাত হইতে পালিয়ে যাওয়ার জন্য পরিকল্পিতভাবে খুন করার উদ্দেশ্যে লোহার রড দিয়া অজ্ঞাত আসামীদ্বয় তারা মিয়ার মাথা লক্ষ্য করিয়া বারি মারিয়া গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে।

ঘটনাস্থলে লোকজন উপস্থিত হইলে অজ্ঞাতনামা আসামীদ্বয় পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত তারা মিয়াকে চিকিৎসার জন্য মানিকগঞ্জ সদর হাসপতালে নিয়া গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তারা মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন। উক্ত ঘটনায় নিহত তারা মিয়ার ভাই বাদী হয়ে প্রথমে মানিকগঞ্জ সদর থানায় চুরি ও সিংগাইর থানায় পৃথক হত্যা মামলা দায়ের করেন। সিংগাইর থানার হত্যা মামলা নং-১০(০৬)২০২১।

চোর মালিককে পিটিয়ে হত্যা ঘটনার মামলা দায়ের করার সংগে সংগে মানিকগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার রিফাত রহমান শামীমসহ সকল উর্ধতন কর্মকর্তার
সার্বিক তত্ত্বাবধানে সিংগাইর থানার অফিসার ইনচার্জ  সফিকুল ইসলাম মোল্যা ও ইন্সপেক্ট (তদন্ত)  আবুল কালাম পিপিএম’দের নেতৃত্বে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই/মোঃ আঃ রহিম সফল অভিযান পরিচালনা করিয়া মামলা রুজুর কয়েক ঘন্টর মধ্যে হত্যাকান্ডের ঘটনায় জড়িত তদন্তে প্রাপ্ত প্রকৃত হত্যাকারী মানিকগঞ্জ সদরের পূর্ব অরঙ্গবাদের
আসামী মোঃ জাহিদ হোসেন (২৭), পিতা- মোঃ মোকছেদ আলী ও আসামী  মোঃ শরীফ (২৬), পিতা- মৃত রহিজ উদ্দিন, দ্বয়কে গ্রেফতারপূর্বক তাহাদের দেখানো মতে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত লোহার রড উদ্ধার পূর্বক জব্দ করেন।

সিংগাইর থানা কর্তৃক  আজ ৭ জুন সকাল ১১ ঘটিকায়  থানার গোল ঘরে স্থানীয় প্রায় সকল প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিকস মেডিয়ার সাংবাদিকদের আলোচনা সভায় ওসি মোঃ সফিকুল ইসলাম মোল্লা
আরও জানান আসামীদ্বয় বিজ্ঞ আদালতে দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে।

অত্র মামলার ডিজিস্ট তারা মিয়ার ময়নাতদন্ত রিপোর্ট সংগ্রহ করা হয়েছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিজ্ঞ আদালতে পুলিশ রিপোর্ট (সিএস) প্রেরণের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

রাণীশংকৈলে ভূমি সেবা সপ্তাহ শুরু

হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল, (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় পাঁচদিন ব্যাপি ভূমি সেবা সপ্তাহ শুরু হয়েছে। উপজেলা ভূমি অফিসের তত্বাবধায়নে ৬ থেকে ১০ জুন পর্যন্ত এই সেবা সপ্তাহ পালিত হবে।

এ উপলক্ষে রোরবার ৬ জুন সকালে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে পরিষদ হলরুমে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট প্রীতম সাহার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না।

আরও বক্তব্য দেন ভাইস চেয়ারম্যান সোহেল রানা ও শেফালী বেগম, কৃষি কর্মকর্তা সঞ্জয় দেবনাথ, উপজেলা আ’লীগ সাধারণ সম্পাদক তাজউদ্দিন, স্যাটেলমেন্ট অফিসার আফসার আলী, অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ তাজুল ইসলাম ইউপি চেয়ারম্যান এনামুল হক প্রমুখ।

এছাড়াও ভূমি অফিসের বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারী, জনপ্রতিনিধি ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বক্তরা অনলাইনে জমির খাজনা প্রদান, ই নাম জারি, অনলাইনে বাড়িতে বসেই প্রদান করাসহ ভূমি অফিসের সকল সেবা প্রদানের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।

সিংগাইর থানার গোবিন্দল এলাকা থেকে ১ কেজি গাঁজাসহ রিনা খানম আটক ।

বিপ্লব সাভার: মানিকগঞ্জ জেলা সিংগাইর থানার গোবিন্দল এলাকা থেকে ১ কেজি গাঁজাসহ রিনা খানম নামের একজনকে আটক করেছে র‍্যাব-৪ ।

রবিবার দুপুরে আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটে সিংগার থানার গোবিন্দল এলাকার ৭ নং ওয়ার্ডের জৈনক মিলন দেওয়ানের ঘরের সামনে, কিষান পাড়া রাস্তার উপর থেকে তাকে আটক করা হয় ।

র‍্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিংগার থানার গোবিন্দল এলাকায় অভিযান চালিয়ে , রিনা খানম (৩৭) কে ১ কেজি গাঁজাসহ হাতেনাতে আটক করা হয় ।

আসামি রিনা খানম, সিংগাইর থানা গোবিন্দল কিষান পাড়া এলাকার বাসিন্দা, মিলন দেওয়ান এর স্ত্রী ।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন,উনূ মং সিনিয়র এএসপি সিপিসি-৩, র‍্যাব-৪ মানিকগঞ্জ ।

মাগুরার মহম্মদপুরে মাথা ও পা বিহীন পলিথিনে মোড়ানো যুবকের লাশ উদ্ধার

আশরাফ হোসেন পল্টু, মাগুরা জেলা প্রতিনিধিঃ মাগুরার মহম্মদপুরের পুকুর থেকে বস্তাবন্দি পলিথিনে মোড়ানো যুবকের খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করেছে মহম্মদপুর থানা পুলিশ।

রোববার সকালে উপজেলার বিনোদপুরের কালুকান্দি গ্রামের মতিয়ার মোল্যার পরিত্যাক্ত পুকুর পাড়ে গাছের পাতা ঝাড়ু দিতে গেলে প্রথমে তার স্ত্রী রক্তমাখা বস্তা দেখতে পেয়ে স্থানীয় লোকজন ও পুলিশে খবর দেয়।

খবর পেয়ে মহম্মদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে লাশটি উদ্ধার করেন । লাশটি উদ্ধারের পর পলিথিনে মোড়ানো বস্তাটি খুলে দেখতে পান হাত বাঁধা মস্তকবিহীন ও এক পা বিশিষ্ট যুবকের মরদেহ। লাশের একটি পা ও মাথা এখনো নিখোঁজ রয়েছে।

পরে থানা সূত্রে জানা যায়, নিহত যুবক আজিজুর রহমান (৩০) শালিখা উপজেলার সংকোচখালী গ্রামের মৃত মুজিবুর রহমানের পুত্র। সে ছোটবেলা থেকেই বিনোদপুর ইউনিয়নের কালুকান্দিতে নানা আবুল কাশেমের বাড়িতে বড় হয়েছে। আজিজুর রহমান ঢাকার একটি ওষুধ কোম্পানিতে চাকরি করত।

নিহত আজিজুরের ছোট ভাই হাবিবুর রহমান লাশটি শনাক্ত করেছেন।

হাবিবুর রহমান বলেন, মৃত আজিজুর রহমানের চাচাতো শ্যালকদের সঙ্গে পূর্ব শত্রতা ছিল। এ কারনেও তাকে হত্যা করা হতে পারে।

মহম্মদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ তারক বিশ্বাস বলেন, লাশের বডি ও একটি পা উদ্ধার করা হলেও অপর পা এবং মাথা এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তবে পরিকল্পিতভাবে উক্ত যুবককে হত্যা করা হলেও আসামী আটক না করা পর্যন্ত হত্যার মূল কারণ আপাতত বলা সম্ভব হচ্ছেন।

বাংলাদেশে ব্যাপকভাবে মাশরুম চাষ সম্ভব – কৃষিমন্ত্রী

বিশেষ প্রতিবেদকঃ  বাংলাদেশে ব্যাপকভাবে মাশরুম চাষ সম্ভব, যা দিয়ে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানি করে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক।

রোববার সকালে সাভারে মাশরুম উন্নয়ন ইন্সটিটিউটের নানা কাজের পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি একথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, সম্ভবনাকে কাজে লাগিয়েও জনপ্রিয় করতে পারিনি দেশের মাশরুম চাষাবাদ। সাভারের এই মাশরুম ইনিস্টিউটের মাধ্যমে মাশরুম উৎপাদন, গবেষণা, উন্নয়ন ও চাষি পর্যায়ে পৌঁছে দিতে ও লাভজনক ফসল হিসেবে বাজারজাত করতে নানা পদক্ষেপ হাতে নেয়া হয়েছে।

সারা পৃথিবীতেই মাশরুমের চাহিদা অনেক বেশী। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ধানসহ অন্যান্য শস্য চাষাবাদের পাশাপাশি মাশরুম চাষাবাদ করতে কৃষকদের প্রতি আহবান জানান মন্ত্রী। প্রয়োজনে কৃষকদের মাশরুম চাষে প্রযুক্তি সহায়তাসহ প্রশিক্ষণ ও বীজ দেয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

মন্ত্রীর সাথে এসময় উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমানসহ কৃষি মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের কর্মকর্তাগণ।

এছাড়া সাভার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল আলম রাজিব, পৌর মেয়র আব্দুল গণি ও আশুলিয়া থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক ও স্বনির্ভর ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলামসহ স্থানীয় প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকতাগণ উপস্থিত ছিলেন।

আবারো সাভারের বনগাঁও ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব করলো ৯ মেম্বার

নিজস্ব প্রতিবেদক: দ্বিতীয় বারের মত সাভার উপজেলাধীন বনগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে স্থানীয় সরকার আইন ৩৯ (১) ধারা অনুযায়ী স্বাক্ষরিতসহ লিখিত অনাস্থা প্রস্তাব দেন ৯ ইউপি সদস্য।

৫ জুন সকালে সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত ও সকল মেম্বারের সীল সাক্ষর সম্বলিত অনাস্থা আবেদনটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট জমা দেওয়া হয়।

আবেদনে উল্যেখ করা হয়, বনগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান মোঃ সাইফুল ইসলাম সকল মেম্বারগণের ক্ষমতা খর্ব করে ইউনিয়নকে নিজের স্বেচ্ছাচারিতার আশ্রয়স্থল হিসেবে গড়া, ক্ষমতার অপব্যাবহার করে বিভিন্ন প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ ও প্রকল্পে অনিয়ম, এব্যাপারে কিছু বলতে গেলে হুমকি দেওয়া, ইউনিয়ন পরিষদের সরকারি নীতিমালা না মানা, বাৎসরিক হিসাব গোপন রাখা, মেম্বারগণের সম্মানী ভাতা প্রদান না করা ইত্যাদি

প্রসংগত, ২০২০ সানের আগষ্টে এসকল মেম্বারগণ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব করেছিলেন, তখন সাভারের বনগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দূর্ণীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগে তদন্ত করেছেন ঢাকা জেলা প্রশাসন।

অভিযুক্ত চেয়ারম্যান ও অভিযোগকারী ইউপি সদস্যদের শুনানী গ্রহনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে তদন্ত কার্যক্রম করেন ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্টেট হামিদুর রহমান।

এছাড়া সাভার ও আমিনবাজার সার্কেলের দু’জন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ঘটনাস্থলে উপস্থিতিতে তদন্ত কর্মকর্তা হামিদুর রহমান তদন্তের অংশ হিসেবে এসময় একে একে অভিযোগকারী প্রত্যেক ইউপি সদস্য এবং অভিযুক্ত চেয়ারম্যানের বক্তব্য গ্রহণ করা হয়।

শুনানী গ্রহন শেষে তদন্ত কর্মকর্তা হামিদুর রহমান সুষ্ঠু তদন্ত স্বাপেক্ষে এ ঘটনায় ন্যায় বিচারের আশ্বাস দেন ।

সর্বশেষ আপডেট...