নিউজ ডেস্ক : বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ফিলিস্তিনকে সহায়তা হিসেবে ৫০ হাজার মার্কিন ডলার (প্রায় চার কোটি ২৪ লাখ টাকা) দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন গতকাল বুধবার ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় এক অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান।
ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসেফ এস ওআই রামাদানকে পাশে রেখে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ইসরায়েল নীতির কোনো পরিবর্তন হয়নি। কোনো বাংলাদেশি যদি ইসরায়েল সফর করেন বা করার চেষ্টা করেন তাহলে তাঁকে শাস্তি পেতে হবে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমরা সব সময় ফিলিস্তিনের জনগণের পক্ষে আছি। ইসরায়েলকে আমরা স্বীকৃতি দিইনি এবং দেওয়ার কোনো ইচ্ছাও আমাদের নেই। কয়েক মাস আগে আমাদের পাসপোর্ট থেকে ‘ইসরায়েল বাদে’ এই শব্দ দুটি বাদ দেওয়া হয়েছে প্রশাসনিক কারণে এবং এর সঙ্গে আমাদের পররাষ্ট্রনীতির কোনো সম্পর্ক নেই।”
মন্ত্রী বলেন, ‘ফিলিস্তিনির নির্যাতিত জনগণের প্রতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অত্যন্ত দৃঢ় সমর্থন ছিল। বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভের পর থেকে ফিলিস্তিনের জন্য সহায়তা করে আসছে। ১৯৬৭ সালের পূর্বের সীমানা অনুসারে দ্বিরাষ্ট্রের ভিত্তিতে ফিলিস্তিন সমস্যার স্থায়ী সমাধান চায় বাংলাদেশ। আমরা বিশ্বাস করি, একদিন স্বাধীন, সার্বভৌম ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে ফিলিস্তিনের সমস্যা বারবার তুলে ধরেছে।’
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন বলেন, ‘আমি আবার বলতে চাই, আমাদের ফিলিস্তিন ও ইসরায়েল নীতির কোনো পরিবর্তন হয়নি। আমরা চাই না এ বিষয় নিয়ে কেউ আবার ঝামেলা তৈরি করুক।’
বাংলাদেশিদের ইসরায়েল সফরের নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই নীতি অব্যাহত আছে। কোনো বাংলাদেশি যদি ইসরায়েল সফর করেন তবে সেটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এর আগেও এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে।
সাভার,প্রতিনিধিঃ সাভারে শ্রমিক নেতা রতন হোসেন মোতালেবকে জড়িয়ে বাংলাদেশ জাতীয়বাদী তরুণ প্রজন্ম দলের সুনামগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি আব্দুল জলিল মিয়া তার ফেসবুক আইডি ও বিভিন্ন মহলে মিথ্যা অপপ্রচার করে বেড়াচ্ছে।
এব্যাপারে অভিযোগ দায়ের হলে আইডি তার না বলে হাওয়ায় গা ভাসিয়ে দিচ্ছেন।
মঙ্গলবার (২৫ মে) এ সংক্রান্ত অভিযোগে সাভার মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী শ্রমিক নেতা রতন হোসেন মোতালেব।
আব্দুল জলিল মিয়া বাংলাদেশ জাতীয়বাদী তরুণ প্রজন্ম দলের সুনামগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি বলে জানা গেছে। এলাকায় বিভিন্ন অপকর্ম করে বেড়াতেন তিনি। সেখানে মামলা হামলার ভয়ে সাভারে এসে গা ঢাকা দিয়ে একই কাজ করছেন এই জাতীয়বাদী তরুণ প্রজন্ম দলের এই ছিঁচকে পাতি নেতা।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পূর্ব শত্রুতার জেরে বাংলাদেশ জাতীয়বাদী তরুণ প্রজন্ম দলের সুনামগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি আব্দুল জলিল মিয়া নামের এক ব্যক্তি তাহার নিজ নামের ফেসবুক আইডি ব্যবহার করে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন সম্মানিত ব্যক্তি বর্গের নামে মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। অভিযুক্তের ওপরে বিভিন্ন মহল থেকে চাপ আসতে শুরু হলে অপরাধ ধামাচাপা দিতে ফেসবুক আইডিটি তার না বলে শ্রমিক নেতা রতন হোসেন মোতালেব এর নামে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে বিভিন্ন মহলে অপপ্রচার চালাচ্ছে।
অভিযুক্ত আবদুল জলিল মিয়া রাষ্ট্রবিরোধী নানা কর্মকান্ডের সাথে জড়িত। মানুষের ক্ষতি করাই তার নেশা ও পেশা। ওই অপপ্রচার পোস্টের কারনে প্রচলিক ফেসবুকে অনেকেই অনেক বাজে ধরনের মন্তব্য করেছে। এতে ওই শ্রমিক নেতার মানহানি হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী শ্রমিক নেতা। এই ছিঁচকে পাতি নেতা সাভারের আশুলিয়ায় পরিচয় গোপন করে আওয়ামীপন্থী এক নেতার বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মকান্ডে অংশ নিচ্ছেন।
কেন বিএনপির একজন পদধারীর সাথে আওয়ামীপন্থী নেতার সাথে এমন সখ্যতা তা এখন জনমনে প্রশ্নের সঞ্চার করেছে।
জানা যায়, এর আগে গত বছরের ২২ নভেম্বর অভিযুক্ত তার নিজের ফেসবুক আইডিতে মিথ্যা অপপ্রচারের লিপ্ত হযলে ২ ডিসেম্বর সাভার থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী রতন হোসেন মোতালেব। পরে বিএনপির এই ছিঁচকে নেতা হাঁটু গেড়ে ক্ষমা প্রার্থনা করলে ভুক্তভোগী তাকে ক্ষমা করে দেন। তাই অভিযোগটি এজাহারভুক্ত হয়নি।
এ বিষয়ে শ্রমিক নেতা রতন হোসেন মোতালেব বলেন, যুবদলের একটি চক্র আমাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় করার উদ্দেশ্যে ফেসবুকে আইডি খুলে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও অপপ্রচার করে যাচ্ছে।
বিষয়টি তদন্ত পূর্বক আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আমি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। একই সাথে তার শাস্তি দাবি করছি।
মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন, ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধিঃ ঢাকার ধামরাইয়ে ৮বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মোহাম্মদ মমিন (১৮) নামের এক যুবককে আটক করেছে ধামরাই থানা পুলিশ।
মঙ্গলবার (২৫ মে) রাতে ধামরাইয়ের সোমভাগ ইউনিয়নের বাদি গাওয়াইল এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। এর আগে গতকাল বিকালে ধামরাই থানায় অভিযোগ দায়ের করে ভুক্তভোগীর পরিবার।
আটক মমিন উপজেলার সোমভাগ ইউনিয়নের বাদি গাওয়াইল এলাকার আয়নাল হকের ছেলে ।
ভুক্তভোগী ওই শিশুর বাবা বলেন, এর আগেও আমার শিশু কন্যার ওপর নির্যাতন চালায় মমিন। সেবার আমি ক্ষমা করে দিয়েছিলাম। তিন চার দিন আগেও এমন ঘটনা ঘটায়। আমি আজ জানতে পেরে আর ঠিক থাকতে পারি নি, থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেছি। পরে রাতেই পুলিশ মমিনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। তবে তিনি জানান, আমাকে অনেকেই চাপ দিচ্ছেন আসামিকে ছাড়িয়ে আনার জন্য এবং মীমাংসা করার জন্যে। এর আগেও মমিন এই শিশুটি ধর্ষণ করেছে বলে জানান ভুক্তভোগী পরিবার।
এবিষয়ে ধামরাই থানার উপ-পরিদর্শক (এ স আই) নজরুল ইসলাম বলেন, ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়ার সাথে সাথেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একই সাথে ভুক্তভোগী শিশুকে স্বাস্থ্য পরিক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বিপ্লব’সাভার: সাভার উপজেলার তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নে উন্নয়নের অংশ হিসেবে গ্রামীণ অবকাঠামোয় রাস্তার নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করা হয়েছে ।
২৬ মে বুধবার দুপুরে সাভার উপজেলার তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হতে ঢাকা আরিচা মহাসড়ক পর্যন্ত আর এইচ ডি সড়কের রক্ষণাবেক্ষণ কাজের উদ্বোধন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সড়কের ওই রাস্তার নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন সাভার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল আলম রাজীব।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার মিশন গ্রাম হবে শহর, এই মিশনের ধারাবাহিকতায় সাভারের প্রতিটি সড়কসহ সকল উন্নয়নমূলক কার্যক্রম চলমান রয়েছে, অচিরেই সাভারবাসী উন্নত শহরের সুবিধা ভোগ করবেন।
এলজিইডি থেকে বরাদ্দ দেওয়া এক কোটি ৩৬ লক্ষ টাকা ব্যায়ে রাস্তাটির নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হবে। দীর্ঘদিন পরে হলেও অবহেলিত এই রাস্তাটির কাজ হওয়ায় এলাকাবাসী সন্তোষ প্রকাশ করেন।
তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ফখরুল আলম সমরের সভাপতিত্বে এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন,সাভার উপজেলা প্রকৌশলী আবু সালেহ প্রামাণিক, তেতুলঝড়া ইউনিয়নের সকল ইউপি সদস্যসহ , আওয়ামী লীগ ও যুবলীগ নেতা ও স্থানীয় সকল গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ধারণা করা হচ্ছে কিশোরীকে সোমবার রাতে কুপিয়ে হত্যা করে ফেলে যায় দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় নিহতের সৎ মা খালেদা আক্তারকে (৩৫) প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য লাশ নোয়াখালী সদর হাসপাতালে পাঠানো হবে।
যেহেতু এখন ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে নদী উত্তাল তাই লাশটি মোর্শেদ বাজার তদন্ত কেন্দ্রে রাখা হয়েছে।
নিউজ ডেক্সঃ ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবের কারণে বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার (২৫ মে) বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে ঝড়ো বাতাসের কারণে পদ্মা নদী উত্তাল থাকায় নৌ-দুর্ঘটনা এড়াতে এ রুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়।
এ দিকে লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকায় ফেরিতে নদী পার হচ্ছেন যাত্রীরা। উত্তাল নদী স্বাভাবিক হলে আবার লঞ্চ চলাচল শুরু হবে বলে বাংলাবাজার ঘাট সূত্রে জানা গেছে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) বাংলাবাজার লঞ্চঘাট সংশ্লিষ্টরা জানান, ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবের কারণে বিকেল থেকে নদী উত্তাল। যে কারণে দুর্ঘটনা এড়াতে লঞ্চ চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। নদী শান্ত হলে আবার লঞ্চ চলাচল শুরু হবে।
তবে খারাপ আবহাওয়ার কারণে নদী উত্তাল থাকলেও ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। বর্তমানে নৌরুটটিতে ১৭টি ফেরি চলাচল করছে। এ দিকে ফেরি চলাচল বন্ধের কোনো নির্দেশনা এখনও বাংলাবাজার ফেরিঘাট কর্তৃপক্ষ জানায়নি।
বিআইডব্লিউটিএ’র বাংলাবাজার লঞ্চঘাটের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর আক্তার হোসেন বলেন, ‘কর্তৃপক্ষের নির্দেশে মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টার পর থেকে সব লঞ্চ চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।’
বিআইডব্লিউটিএ‘র বাংলাবাজার ঘাটের ব্যবস্থাপক সালাউদ্দিন বলেন, ‘এ রুটে স্বাভাবিকভাবেই ফেরি চলাচল করছে। তবে আবহাওয়া খারাপ হয়ে উঠলে পরিস্থিতি বিবেচনায় বন্ধ রাখা হবে। আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ পেলেই বন্ধ রাখব।
এ ছাড়া বাংলাবাজার প্রান্তে অল্প কিছু ট্রাক ছাড়া অন্য কোনো যানবাহন সিরিয়ালে নেই। বর্তমানে এ রুটে ১৭টি ফেরি চলাচল করছে।
হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ে রাণীশংকৈল উপজেলায় ২৪ মে সোমবার নাগর নদীতে গোসল করতে গিয়ে আবু জাফর (২২) নামে এক যুবকের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
জাফর উপজেলার নেকমরদ ওয়াব্দা হলেন সংলগ্ন ভবানন্দপুর এলাকার বাবলুর রহমানের ছেলে। এবং সে ঢাকার একটি কলেজে অনার্সে অধ্যায়নরত ছাত্র ছিলেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে ঘটনার দিন দুপুরে জাফরসহ ক’জন বন্ধু মিলে উপজেলার জগদল সীমান্তের ভদ্রেশ্বরী জোড়পুর নুরানী কাউমি মাদ্রার পশ্চিম পাশে নাগর নদীতে গোসল করতে যায়। গোসলের এক পর্যায়ে জাফর নাগর নদীর এক গভীর গর্তের মধ্যে তলিয়ে যায়। এবং তাকে খুঁজে না পাওয়া গেলে বাকী বন্ধুরা টের পেয়ে চিৎকার দেয়। প্রথমে স্থানীয়রা এবং পরে রাণীশংকৈল ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ২ ঘন্টা অভিযান চালিয়ে বিকাল ৪ টায় জাফরকে মৃতবস্থায় উদ্ধার করে।
রাণীশংকৈল থানা অফিসার ইনচার্জ এস এম জাহিদ ইকবাল বলেন, খবর পেয়ে আমি নিজেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি।
নদীতে ডুবে মারা যাওয়া জাফরের পরিবারের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ না থাকায় তার পরিবারের লোকজন লাশ দাফনের জন্য নিয়ে যায়।
এফ,এম,ফজলু (মানিকগঞ্জ) সিংগাইর প্রতিনিধিঃ সিংগাইর উপজেলার একমাত্র উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেই করে থাকে।
রোগীরা সাধারণত কিছুুুু হতে না হতেই এই হাসপাতালেে ছুটে আসেন।
জরুরী বিভাগের দ্বায়িত্ব থাকা ডাক্তার, সঠিক বিবেচনায় অনেক রোগী এ হাসপাতালে ভর্তি করেন, রোগীর অবস্থা খারাপ হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা রোগের সংশ্লিষ্ট হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয় এই এম্বুলেন্সে।
জনসংখ্যা বৃদ্ধিতে রোগীর সংখ্যাও বৃদ্ধি পাচ্ছে তাই এমপি মমতাজ বেগম কিছু দিন আগে আরেকটি এম্বুলেন্স দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে।
এ দুটি এম্বুলেন্স পেয়ে স্বস্তি ফিরিয়ে আসে
হাসপাতালে। কিন্তু এ স্বস্তি আর বেশি দিন মেয়াদি হলো
না। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সেকেন্দার আলী মোল্লা বদলী হয়ে যাওয়ার পর এ হাসপাতালে প্রথম মহিলা এমবিবিএস, বিসিএস( স্বাস্থ্য) ডাঃ ফারহানা কবির যোগদান করেছেন।
মহিলা ডাক্তার ঢাকার ব্যস্ততম এলাকা বাংলা মটর বাসস্ট্যান্ডের কাছে সরকারি কোয়াটার টগর ভবন হতে সিংগাইর কর্মস্থলে আসেন।
এখন প্রশ্ন হলো তিনি কিভাবে আসেন। গণ পরিবহনতো বন্ধ লক ডাউনে এর সময় সেকেন্দার আলী মোল্লা হাসাপাতালের আবাসিক বিল্ডিং থাকতে দেখা যেতো। কিন্তু ডাঃ ফারহানা কবীর হাফ ডিউটি করেই পরিবারের নিকট চলে যান, অনেকেরই মনে আরেকটি প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে, ডাঃ সেকেন্দার আলীর সময়ে সরকারি ভাবে এই কর্মকের্তার জন্য একটি গাড়ি দেয়া হয়েছিল ।
বর্তমানে সেই গাড়িটি থাকতেও কেন ডাঃ তাহার ব্যক্তিগত কাজে ,ব্যবহার করছেন রোগীর জন্য বরাদ্দ দেয়াা এম্বুলেন্স টি ।
আসল কথায় আসা যাক, এম্বুলেন্স কিভাবে কোথায় কেন এক্সিডেন্ট করেছে এ বিষয়ে ফারহানা কবীরকে জিজ্ঞাসা করিলে তিনি জানান ,স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর
প্রধান সহকারী মোঃ মশিউর রহমান এর কাছে ফাইলে বিস্তারিত আছে, প্রধান সহকারী দপ্তরে গিয়ে ফাইলে দেখা যায় গত ১লা ফেব্রুয়ারিতে এই এম্বুলেন্সটি সাভার উপজেলাধীন তুরাগ ব্রীজের কাছে বাসের সাথে ধাক্কা খেয়ে এক্সিডেন্ট করেছে । সেখানে কোন সময় উল্লেখ নেই, বাসের পরিচয়ও নেই, নেই কোন মামলা বা অভিযোগ।
দূর্ঘটনার শুরুতেই চুক্তিভিত্তিক টাংগাইলের ড্রাইভার বাবুকে মোবাইলে জিজ্ঞাসা করিলে তিনি হা না কিছুই
না বলে মেডামকে জিজ্ঞেসা করতে অনুরোধ করেন।
এই মহান দ্বায়িত্ব পালনের কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আরও
অনেক অভিযোগ উঠেছে হাসপাতালের স্টাফদের কাছ থেকে। তিনি ৫ই অক্টোবর ২০২০ ইং তারিখে যোগদানের পর হতেই সরকারি ডিউটি টাইম পুরো করে
অফিস করেনি বলে জানিয়েছে অনেকে।
হাসপাতালের মসজিদের পূর্ব পাশে অচল এম্বুলেন্সটি পরে আছে, যেহেতু তিনি এম্বুলেন্স ব্যবহার করা পছন্দ করেন সেই ধারণা হতে নতুন এম্বুলেন্সটিও ব্যবহার করছে কি না ড্রাইভার আঃ বাতেনকে জিজ্ঞেসা করিলে তিনি জানায়, হ্যা মেডাম মাঝে মধ্যেই এটা নিয়ে ও ঢাকা যাতায়ত করেন। এমনটি জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট অনেকে।
এ বিষয়ে মানিকগঞ্জ সিভিল সার্জন ডাঃ মো. আনোয়ারুল আমিন আখন্দকে জিজ্ঞেসাবাদ করার জন্য মোবাইলে পাওয়া যায় নি।
এনায়েত হোসেন,নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধিঃমুজিববর্ষ উপলক্ষে নোয়াখালীর সুবর্ণচরের উপকূলীয় এলাকায় ঘূর্ণিঝড় ও বন্যা থেকে জানমাল রক্ষার্থে নবনির্মিত দুটি মুজিব কিল্লার উদ্ভোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
রোববার (২৩ মে) বেলা সাড়ে ১১টায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ভার্চুয়্যালি যুক্ত হয়ে তিনি নবনির্মিত মুজিব কিল্লা দুটির উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ এস এম ইবনুল হাসান ইভেনের সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন, নোয়াখালী ৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ একরামুল করিম চৌধুরী, চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিশানর এবিএম আজাদ,নোয়াখালী জেলা প্রশাসক মো. খোরশেদ আলম খান,পুলিশ সুপার আলমগীর হোসেন, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ডা.জাফর উল্যাহ, সুবর্ণচর উপজেলা চেয়ারম্যান এ.এইচ.এম খায়রুল আনম চৌধুরী সেলিম প্রমূখ। এ সময় একজন উপকার ভোগী বক্তব্য রাখেন।
উল্লেখ্য, মুজিববর্ষের প্রতিশ্রুতি জোরদার করি দুর্যোগ প্রস্তুতি এই স্লোগানকে সামনে রেখে দুর্যোগ কবলিত পরিবার ও গৃহপালিত প্রাণী এবং মূল্যবান দ্রব্য সামগ্রী নিরাপদে সংরক্ষণের জন্য নোয়াখালীর সুবর্ণচরের চর আমান উল্যাহ ইউনিয়নের চর দরবেশ গ্রামে দুই কোটি ৬ লাখ ৮৩ হাজার ১৭৭ টাকা ব্যয়ে ও চরওয়াপদা ইউনিয়নের চরকাজী মোখলেছ গ্রামে এক কোটি ৫৭ লাখ ৬০ হাজার ৬৭৪ টাকা ব্যয়ে ৮ হাজার বর্গমিটারের দুটি মুজিব কিল্লা নির্মাণ করা হয়েছে। সাধারণ কৃষিজমি থেকে ১১ ফুট উঁচুতে পুরনো মাটির উপর নির্মিত ভবনে প্রথম ফ্লোরে ও ছাদে ৫০০ পরিবারের মানুষ একত্রে আশ্রয় নিতে পারবে। গবাদি পশুর জন্য ৫৫৮ বর্গমিটারে শেড রয়েছে, থাকছে বাথরুম সুবিধাসহ সুপেয় পানির ব্যবস্থা। এছাড়া বিদ্যুৎ, সোলার সিস্টেম সুবিধা রাখা হয়েছে। স্বাভাবিক সময়ে এসব কিল্লায় শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা, খেলার মাঠ ও হাট-বাজার হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। অল্প খরচে যেকোনো সামাজিক অনুষ্ঠান করা যাবে।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় ও বন্যা থেকে জানমাল রক্ষার্থে বেশ কিছু মাটির কিল্লা নির্মাণ করা হয়। স্বাধীনতা– পরবর্তী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে কিল্লাগুলো নির্মিত হয়। সে সময় এগুলো ‘মুজিব কিল্লা’ নামে পরিচিতি পায়।
একপর্যায়ে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে কিল্লাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কিছু কিছু কিল্লা ও তার আশপাশের জমি বেদখল ও নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়।