27 C
Dhaka, BD
শুক্রবার, এপ্রিল ১০, ২০২৬

সাভার মিডিয়া ক্লাবের উদ্যোগে গরীব ও শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ ।

বিপ্লব,সাভারঃ সাভার মিডিয়া ক্লাবের উদ্যোগে গরীব, অসহায় ও শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

সোমবার সকাল ১০টায় সাভার থানা স্টান্ডে মিডিয়া ক্লাবের সামনে গরীব অসহায় শীতার্তদের মাঝে এ কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠিত হয় ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, সাভার মিডিয়া ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সাংবাদিক জাহিদুর রহমান, সাভার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মাহফুজ।

সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএফএম সায়েদ, সাভার পৌর মেয়র হাজী আব্দুল গনি, , উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডাক্তার সাইমুল হুদা ,সাভার ব্রাক ডাক্তার মিল্কি
সহ আরো অনেকেই ।

এ সময় গরীব অসহায়দের মাঝে ২০০ শত কম্বল বিতরণ করা হয় ।

সাভারে মিডিয়া ক্লাবে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার ও মোবাইল জার্নালিজম শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত।

বিপ্লব,সাভারঃ সাভারে গনমাধ্যম কর্মীদের নিয়ে দিনব্যাপী তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার ও মোবাইল জার্নালিজম শীর্ষক বিশেষ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার সকাল ১১টায়, সাভার মিডিয়া ক্লাবের উদ্দ্যোগে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয় ।

উক্ত কর্মশালায় প্রধান বিষয় ছিল কি করে প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে সাংবাদিকতা পেশা কে খুব সহজেই আয়ত্তে নেয়া যায়, ও কি করে একজন সংবাদকর্মী একটি স্মার্ট মোবাইল এর মাধ্যমে খুব তাহার সকল কার্য সম্পন্ন করতে পারেন ।

এসময় প্রশিক্ষক একটি স্মার্টফোনের বিভিন্ন কলাকৌশল সহ অ্যাপস এর ব্যবহার সম্পর্কে আলোচনা ও প্রশিক্ষণ দেন ।

এই কর্মশালায় সাভার মিডিয়া ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও এনটিভির স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, জাহিদুর রহমানের সঞ্চালনায় প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মোবাইল জার্নালিজম বিষয়ক ও দেশের প্রথম পিএইচডি প্রাপ্ত , ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের (ইউল্যাব) মিডিয়া স্টাডিজ অ্যান্ড জার্নালিজম বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জামিল খান ও সারাবাংলা ডটনেটের সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, সাব্বির আহমেদ।

দিনব্যাপী এই কর্মশালার উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মোঃ হাজী সেলিম মিয়া।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, দৈনিক সমকালের স্টাফ রিপোর্টার গোবিন্দ আচার্য, চ্যানেল আইয়ের সাভার প্রতিনিধি জাকির হোসেন, জিটিভির আজিম উদ্দিন, নিউজ টুয়েন্টিফোরের নাজমুল হুদা সহ সাভার ও আশুলিয়ার বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার গনমাধ্যমকর্মী।

সাভারে প্রশাসনের নাকের ডগায়,আবাসিক এলাকায় চলছে বিষাক্ত মশার কয়েল তৈরীর কারখানা ( ভিডিও)

বিপ্লব,সাভারঃ সাভারে প্রশাসনের নাকের ডগায় কোন প্রকার অনুমোদন ছাড়াই, আবাসিক এলাকায় গড়ে উঠেছে বিষাক্ত কেমিক্যাল মিশ্রিত মশার কয়েল তৈরীর কারখানা ।

সাভারের বলিয়ারপুর এলাকায় বেশকয়েকটি অবৈধ মশার কয়েল তৈরির কারখানার সন্ধান পাওয়া গেছে। যেখানে কাজ করছে ১০ থেকে ১৪ বছরের শিশুরা। যারা ভিবিন্ন নামে বেনামে মশার কয়েল উৎপাদন করে বাজারজাত করছেন।

অথচ কোন অনুমোদনই নেই কারখানাগুলোর । প্রতিটি প্যাকেটের মোড়কে বি,এস,টি,আই সিল ব্যবহার করলেও নেই বিএসটিআই-এর কোন অনুমোদন।

শিশু শ্রমিকদের দিয়ে মাত্রারিক্ত বিষাক্ত ডি-এলেথ্রিন মিশিয়ে নিম্ন মানের উৎপাদিত এইসব কয়েল স্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য মারাÍক ক্ষতিকর হওয়ায়, এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে কারখানা গুলোর আশপাশের বাসিন্দারা। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কোন সাইনবোর্ড ছাড়াই কারখানাগুলো বিষাক্ত ডি-এলেথ্রিন মিশিয়ে অতি গোপনে দিনে ও রাতে মশার কয়েল তৈরি করা হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগের প্রেক্ষিতে অনুসন্ধান করে সরজমিনে কারখানাগুলোতে গিয়ে দেখা যায়, ছোট ছোট শিশুরা কাজ করছে কারখানাগুলোতে। সেখানে হরেক রকমের নাম দিয়ে তৈরি হচ্ছে মশার কয়েল ।

মশার কয়েল প্যাকেটজাত করা হচ্ছে। তবে হরেক রকমের কো¤পানির নাম ও ঠিকানা মোড়কে ব্যবহার করলেও তৈরি হচ্ছে সাভারের বলিয়ারপুর কুন্ডা কোটাপাড়া ও দাসপাড়া এলাকায় ,সব একই জায়গায় একই জিনিস দিয়ে। আর প্রতিটি মোড়কে বিএসটিআই-এর সিল লাগানো রয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শ্রমিক বলেন, কারখানা গুলোতা ছোট ছোট শিশুরাও কাজ করে , তিনি চার হাজার টাকা বেতন পায় , আর শিশুদের বেতন কম।তাই শিশু শ্রমিক বেশী ।

তবে কারখানাটির অনুমোদনের বিষয়ে তিনি কিছু বলতে না পারলেও বিএসটিআইয়ের কোন অনুমোদন নেই বলে জানান তিনি ।

তিনি আরো জানান নিজেরাই বিষাক্ত ক্যামিকেল দিয়ে কয়েল তৈরি করেন । এক শিশু শ্রমিক জানায়, এখানে কাজ করি বেতন পাই, এছাড়া আর কিছু জানি না। তবে কারখানা গুলোর মালিক মোঃ খালেক ও মোঃ মজিবর রহমানের সাথে যোগাযোগ করলে কারখানা গুলোর অনুমোদন না থাকার কথা স্বীকারের পাশাপাশি বিভিন্ন দপ্তরকে ম্যানেজ করেই কারখানা গুলো পরিচালনা করছেন বলেও জানান তাহারা ।

বলিয়ারপুর ও কোন্ডা এলাকায় অনুমোদনবিহীন আরো বেশ কয়েকটি কয়েল তৈরির কারখানা রয়েছে।

এদের অনেকে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে শুধু লাইসেন্সের আবেদন কপি ঝুলিয়ে, কেউবা আবার চেয়ারম্যানের ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে। তাদের নেই কোন পরিবেশের অনুমোদন ,কিংবা কেমিষ্ট্ বা ল্যাবরেটরি।

তবে সাধারণ জনগণের প্রশ্ন সাভারে বিষাক্ত কয়েলসহ ভেজাল পণ্য তৈরির কারখানা কিভাবে প্রশাসনের নাকের ডগায় এই অবইধ্য কারখানা গুলো ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে? এদের বিরুদ্ধে দ্রুতব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী ।

সাভারে সাবেক সেনা সদস্যের হাত বাঁধা মরদেহ উদ্ধার।

বিপ্লব,সাভারঃ সাভারের বিরুলিয়ায় একটি ব্রিজের নিচ থেকে হাত বাঁধা অবস্থায় ফজলুল হক (৫০) নামের এক সাবেক সেনা সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করেছে সাভার থানা পুলিশ।

রোববার (২৪ জানুয়ারি) বিরুলিয়ার কমলাপুর এলাকায় একটি ব্রীজের নিচ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত ফজলুল হক মানিকগঞ্জ জেলার শিবালয় থানার রাহতপুর গ্রামের মৃত আমিন উদ্দিন মোল্লার ছেলে। তিনি পপুলার ইনসুরেন্সের মালিকের দেহরক্ষী হিসেবে কর্মরত চিলেন। এছাড়া গত চার বছর আগে সেনা সদস্য থেকে অবসরে যান।

পুলিশ জানায়, গতকাল (২৩ জানুয়ারি) বিকালে মানিকগঞ্জ থেকে ঢাকার উদ্দেশ্য বের হয়েছে। রাতে তার পরিবার ফজুলর ফোন বন্ধ পায়। পরে আজ সকালে বিরুলিয়ার ওই স্থান থেকে তার হাত বাঁধা ও মুখে কাপর গোজানো অবস্থায় মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে। এবং পরিচয় সনাক্ত করে।

এ বিষয়ে সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) সাইফুল ইসলাম বলেন, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকার সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সেই সাথে একটি হত্যা মামলা দায়েরও প্রস্তুতি চলছে।

ঝালকাঠিতে প্রধানমন্ত্রীর উপহার ভূমুহীন ও গৃহহীন পরিবারকে ঘরের চাবি হস্তান্তর

সৈয়দ রুবেল ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধিঃ মুজিববর্ষ উপলক্ষে সারাদেশের ন্যায়ঝালকাঠিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় ভূমিহীন ও গৃহহীন ২৩০টি পরিবার ঘর পেয়েছে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আজ দেশব্যাপী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কর্মসূচি শুভ উদ্বোধন করেন।

এর অংশ হিসেবে ঝালকাঠি সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপকারভোগী গৃহিণীদের হাতে জমি ও ঘরের দলিল ও চাবি হস্তান্তর করা হয় ।

২৩/০১/২০২১ইং তারিখ শনিবার সকালো ঝালকাঠির সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ঘর হস্তান্তর অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এবং ঝালকাঠি জেলা আওয়ামীলীগ এর সহ সভাপতি খান আরিফুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জোহর আলী, পুলিশ সুপার ফাতিহা ইয়াসমিন, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সরদার মোহাম্মদ শাহ আলম, জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খান সাইফুল্লাহ পনির, পৌর মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ লিয়াকত আলী তালুকদারসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

জেলার অন্য তিনটি উপজেলায়ও একই ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

আশ্রয়ণের অধিকার, শেখ হাসিনার উপহার’ প্রতিপাদ্যে কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি পরিবারের জন্য দুই শতাংশ খাস জমিতে আধা-পাকা ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। ঘরপ্রতি ব্যয় হয়েছে এক লাখ একাত্তর হাজার টাকা।

এছাড়া কর্মসূচির আওতায় ঝালকাঠি জেলায় আরও ২৪৪টি ভূমুহীন ও গৃহহীন পরিবারকে ঘর দেয়া হবে। ঘরগুলো নির্মাণাধীন রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর উদ্ধোধনের মাধ্যমে মুজিববর্ষে রাণীশংকৈলে ঘর পেল ৩০ পরিবার

হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও ) প্রতিনিধিঃ সারাদেশে একযোগে গণভবন থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশের ৪৯২টি উপজেলার ৬৯ হাজার ৯০৪ ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে পাকা ঘরসহ বাড়ি হস্তান্তর করেন।

এরই অংশ হিসাবে মুজিববর্ষে ২৩ জানুযারি শনিবার ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার হোসেনগাঁও ইউনিয়নে ৩০ টি পরিবার পেলেন নতুন ঘর, নিশ্চিত আশ্রয়। “আশ্রায়নের অধিকার, শেখ হাসিনার উপহার”এ প্রতিপাদ্যে মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে মাথা গোঁজার ঠাঁই পাচ্ছেন এসব অসহায় ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তৈরি হয়েছে এসব গৃহহীনদের স্বপ্নের বাড়ি। ইটের দেয়ালঘেরা এবং লাল রঙের টিনের ছাউনিতে নির্মিত এসব ঘর। সরেজমিনে ঘুরে জানা গেছে প্রতিটি ঘরের খরচ ধরা হয়েছে ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা। দুই কক্ষ বিশিষ্ট বাড়িতে রয়েছে একটি রান্না ঘর ও টয়লেট। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে একযোগে সারা দেশে এই আশ্রায়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন।

এ উপলক্ষে এদিন উপজেলা কনফারেন্স রুমে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোহেল সুলতান জুলকার নাইন কবির স্টিভ, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না, সহকারি কমিশনার (ভূমি) প্রীতম সাহা তাদের হাতে ঘরের চাবি তুলে দেন। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সইদুল হক, ভাইস চেয়ারম্যান সোহেল রানা ও শেফালী বেগম, থানা অফিসার ইনচার্জ এস এস জাহিদ ইকবাল প্রমুখ।

এছাড়াও উপজেলা প্রশাসনের সকল দপ্তরের কর্মকর্তা, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, রাজনৈতিক-সামাজিক নেতা, বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। উপকারভোগিরা প্রধানমন্ত্রীর এ মানবিক ও জনকল্যাণমূলক পদক্ষেপকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানিয়েছেন।

বিরুলিয়ায় মিক্সচার কারখানার শব্দে ও ময়লা পানির দুর্গন্ধে অতিষ্ট জনজীবন।

বিশেষ প্রতিবেদকঃ সাভারের বিরুলিয়ায় কারখানার শব্দ আর ময়লা পানির দুর্গন্ধে ঘর ছাড়ার উপক্রম হয়ে দাঁড়িয়েছে গ্রামবাসীর। শুধু ঘর ছাড়ার অবস্থা হয়েই শেষ হয়নি ভোগান্তি কৃষকদের ধানক্ষেত নিয়েও ভোগান্তিতে।

সাভার উপজেলার বিরুলিয়ার একটি আবাসিক এলাকায় গ্রামবাসী শতবার অভিযোগ করলেও আমলে নেই না কারখানার কর্তৃপক্ষ।

জানা যায়, দীর্ঘদিন যাবত সরকারি অনুমতি ছাড়পত্র ছাড়াই চালিয়ে আসছে এই মিক্সচার কারখানাটি। স্থানীয় শিশু-কিশোররা এই কারখানার শ্রমিক। শিশু-কিশোরা যখন লেখা-পড়া করবে, তখন এই কারখানাটি তাদের টাকার লোভ দেখি তারা অল্প ব্যয়ে শ্রমিক জোগাড় করে নিয়েছেন।

অন্যদিকে কারখানার চারপাশে ঘনবসতি আর কৃষকদের ধানক্ষেত। কারখানার ময়লা দুর্গন্ধময় পানি আর আবর্জনা বসত বাড়ির চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে আছে। তার দুর্গন্ধে পরিবেশ দুষিত হয়ে উঠছে।

এতে করে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুসহ গ্রামবাসীরা । রাস্তা বা বাড়ির পাশ দিয়ে লোক চলাচলের প্রায় অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় ভুক্তভোগীরা বলেন, এই মিক্সচার কারখানার শব্দ ও ময়লা পানির দুর্গন্ধে এখানে বসবাস করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। ঘরের জানালা খোলা যায় না। দুর্গন্ধে আমার ছেলে-মেয়ের মাঝেমধ্যে ডায়রিয়া আর বমি হয়ে থাকে। তাদের লেখা-পড়ায় মন বসছেনা। এই কারখানার দুর্গন্ধে আমাদের বসাবাসের অনেক অসুবিধা হচ্ছে।

স্থানীয় আরো বলেন, এতো দুর্গন্ধ এই কারখানার, আর থাকতে পারছি না। বাড়ির বাহিরে তো যাওয়া দুরের কথা বাড়ির ভিতরে থাকাও প্রায় অসম্ভব হয়ে গেছে।

স্থানীয় আরেক ভুক্তভোগী বলেন,এই কারখানার অত্যাচারে আমাদের বাড়ি ছাড়তে হবে। কে শোনে কার কথা,এতো বলার পরও কারখানার মালিকের গায়ে কথা লাগে না। নিষেধ করলে ঐ মালিকের আবার বড় বড় কথা বলে।

তিনি আরও বলেন, প্রশাসনের নিকট আমাদের আকুল আবেদন, এইখানে একটা বসবাসের পরিবেশ তৈরি করে দেন।

বিরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো: সাইদুর রহমান সুজন জানান,আমি বিষয়টি নিয়ে কারখানাটির মালিকের সাথে কথা বলে এর ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

পিটিয়ে হত্যা করে অটোরিকসা ছিনতাই করেছে দুর্বৃওরা।

স্টাফ রিপোটারঃ পিটিয়ে হত্যা করে অটোরিকসা ছিনতাই করেছে দুর্বৃওরা।

সকালে আশুলিয়ার আয়নাল মার্কেট এলাকার একটি নির্জন জায়গা থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

এলাকাবাসী বলছে,রাতের যেকোন সময় ওই অটোরিকসা চালককে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করে লাশ নির্জন যায়গায় ফেলে অটোরিকসা নিয়ে পালিয়ে যায় দুর্বৃওরা। পরে সকালে তার লাশ দেখে স্থানীয়রা আশুলিয়া থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে প্রেরণ করে।

এর আগে গতকাল রাতে আশুলিয়ার পল্লীবিদ্যুৎ এর ডেন্ডাবর এলাকায় এক ইলেকট্রিশিয়ান মিস্ত্রিকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। ঘন বসতি হওয়ায় আশুলিয়া থানার বিভিন্ন এলাকায় প্রতিনিয়ত অপরাধ মুলক কর্মকান্ড বেড়েই চলছে। মানুষজন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।

রাজশাহীতে সার্জেন্টের বিপুল এর উপরে হামলাকারী বেলাল আটক

সৌমেন মন্ডল, রাজশাহী ব্যুরোঃ গত মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে নগরীর সিটি বাইপাস সংলগ্ন ঘোড়া চত্বরে পেশাগত দায়িত্ব পালন কালে মোটরসাইকেলের কাগজপত্র দেখতে চাওয়ায় সার্জেন্ট বিপুল ভট্টাচার্যর উপরে হামলাকারী বেলাল হোসেনকে নাটোর থেকে গ্রেফতার করেছে বোয়ালিয়া মডেল থানা পুলিশ।

বৃহস্পতিবার রাত্রী ১টার সময় বোয়ালিয়া মডেল থানার সহকারী কমিশনার এসি ফারজিনা নাসরীর ও থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি নিবারন চন্দ্র বর্মনের দিক নির্দেশনায় নাটোর হরিশপুর বাইপাস এলাকা থেকে বোয়ালিয়া মডেল থানার এসআই উত্তম,এসআই মতিন আহম্মেদ,টিএস আই নাসির,এ এস আই মনির,এ এস আই নাজমুল অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেফতার করেন।

গ্রেফতার হওয়া যুবক নগরীর রাজপাড়া থানার লক্ষীপুর ভাটাপাড়া এলাকার শামসুল হকের ছেলে বলে জানা গেছে।

জানা যায়, গত মঙ্গলবার দুপুরে নগরীর সিটি বাইপাস সংলগ্ন ঘোড়া চত্বরে দায়িত্ব পালনকালে যানবাহনের কাগজ পরীক্ষা করছিলেন সার্জেন্ট বিপুল ভট্টাচার্য। এ সময় ওই রাস্তা দিয়ে বেলাল নামের এক যুবক হেলমেট না পরেই খালি মাথায় মোটরসাইকেল নিয়ে যাচ্ছিলেন। কর্তব্যরত সার্জেন্ট বিপুল তাকে থামিয়ে কাগজপত্র দেখতে চান। কাগজপত্র দেখতে চাওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে বেলাল ও তার সহযোগী মিলে কাঠের চলা দিয়ে সার্জেন্টকে পেটাতে শুরু করে। আঘাতে সার্জেন্ট মাটিতে লুটিয়ে পড়লে স্থানীয়রা তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থলে গেলে হামলকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

তবে মোটরসাইকেলটি নিয়ে যেতে পারেনি হামলাকারীরা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সার্জেন্ট বিপুল ভট্টাচার্যকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। ঐদিন দুপুর আড়াইটার দিকে আরএমপি কমিশনার আবু কালাম সিদ্দিক সার্জেন্ট বিপুলকে দেখতে হাসপাতালে যান এবং তার চিকিৎসার খোঁজ খবর নেন। হামলাকারীকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার নির্দেশ দেন তিনি।

বেনাপোলে ভূয়া সিআইডি কর্মকর্তাকে আটক করেছে ইমিগ্রেশন পুলিশ

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল প্রতিনিধি: বেনাপোল ইমিগ্রেশনে রিন্টু মিত্র(৪৫) নামে এক ভুয়া সিআইডি কর্মকর্তাকে আটক করেছে পুলিশ সদস্যরা। আটক ভূয়া সিআইডি কর্মকর্তা পরিচয়দানকারী রিন্টু মিত্র সাতক্ষীরা সদরের কাটিয়া গ্রামের মৃত: দেব প্রসাদের ছেলে।

বুধবার(২০জানুয়ারী)দুপুরে বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন কাস্টমস থেকে তাকে সিআইডি’র আইডি কার্ডসহ আটক করা ইমিগ্রেশন পুলিশ।

বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমস রাজস্ব কর্মকর্তা শারমিন আক্তার বলেন, দুপুরে অপরিচিত এক লোক হঠাৎ কাস্টমস তল্লাশী কেন্দ্রে এসে সিআইডি কর্মকর্তা পরিচয়ে নানান ভাবে ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে ধমক দিতে থাকে। এসময় তার আচারণ সন্দেহ হলে ইমিগ্রেশন পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পরে প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও গোয়েন্দ্রা সংস্থ্যার কর্মকর্তারা উপস্থিত হয়ে জিজ্ঞাসাবাদে ভূয়া সিআইডি কর্মকর্তা প্রমানিত হয়।

এদিকে বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহসান হাবিব জানান, ভূয়া এক সিআইডি কর্মকর্তা পরিচয়দানকারীকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেট...