মৃত্যুকালের সময় তাহার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর, মরহুমাকে গত ২৯ শে নভেম্বর জানাযা শেষে, শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন কার্য সম্পন্ন করা হয় ।
মৃত্যুকালে মরহুমা নুরুন্নাহার বেগম ১০ মেয়ে ও ৫ ছেলে আর অসংখ্য নাতী-নাতনী রেখে গিয়েছেন, আগামী ৬ জানুয়ারি রোজ বুধবার ২০২১ইং তারিখ , বাদ জোহর মরহুমার ৪০ দিন উপলক্ষে , তাহার ছোট মেয়ে নাছরিন জোহর, কলির – মিরপুরস্থ বাসস্থানে বিশেষ দোয়া মাহফিল ও মিলাদের আয়োজন করা হয়েছে।
এছাড়া দুস্থ ও এতিমদের মধ্যে খাবার বিতরণ করাহবে মরহুমার পরিবারের পক্ষ থেকে । এসময় মরহুমার আত্মীয় স্বজন ও সকল শুভাকাঙ্ক্ষীদের উপস্থিত থাকতে পরিবারের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছে।
পরিবারের পক্ষে (মোঃ তোকাররুফ হোসেন ( বাদল) প্রবাসী কানাডা ।
মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল প্রতিনিধি: যশোরের বেনাপোল পোর্ট থানাধীন এলাকার দুর্গাপুর গ্রামের আল আমিন হত্যাকাÐের মুল আসামী স্বামী-স্ত্রীকে আটক করেছে যশোর ডিবি পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুর বিকালে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের উপ-পরিদর্শক মফিজুল ইসলাম। পরকীয়ার কারণে এ হত্যার ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়। গ্রেফতাররা হলেন- প্রতিবেশি ইজিবাইক মিস্ত্রী জহুরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী কামরুন্নাহার কুটিলা।
পুলিশ জানায়, প্রতিবেশী জহিরুলের স্ত্রী কামরুন্নার কটিলার সঙ্গে আল আমিনের পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি জানার পর জহিরুল তার স্ত্রীর সহযোগিতা নিয়ে আল আমিনকে পরিকল্পিত হত্যা করেছে। এ হত্যায় অংশ নেয় জহিরুল ও তার স্ত্রী নিজেই।
গত রবিবার রাতে কামরুন্নার কটিলা আল আমিন এর সাথে জরুরী কথা আছে বলে তার বাড়ি থেকে বাইরে ডাকে। পরে পাশের একটি বাগানে ডেকে কথা বলতে থাকে কটিলা বেগম। তখন পূর্বপরিকল্পিতভাবে পেছন থেকে কটিলার স্বামী জহিরুল আল আমিন এর গলায় রশি দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর সেখানেই ফেলে রেখে যায়। চিৎকার যদি দেয় তার জন্য টুপি আল আমিন এর মুখে ঢুকিয়ে দেয় হত্যাকারী জহিরুল।
যশোর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মফিজুল ইসলাম জানান, পূর্বপরিল্পিত ভাবে বেনাপোলের আল আমিন নয়নকে হত্যা করেছে একই গ্রামের জহিরুল ও তার স্ত্রী কামরুন্নার কটিলা। এনজিও কর্মী আল আমিন এর হত্যার দায় শিকার করেছে। কিভাবে আল আমিনকে হত্যা করেছে তার বর্ণনাও দিয়েছেন তারা।
সৌমেন মন্ডল, রাজশাহী ব্যুরোঃ উন্নয়নের ধারাবাহিকতা ও গণতন্ত্রের অভিযাত্রায় এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুর কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র নেতৃত্বে। এই স্লোগনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ রাজশাহী মহানগরের উদ্যোগে একাদশ জাতীয় সংসদের ২ বছর পূর্তি ও গণতন্ত্রের বিজয় দিবস উপলক্ষে আজ বুধবার বেলা ৩টায় সাহেব বাজার জিরো পয়েন্টে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় চলমান রাজনীতি ও সরকারের উন্নয়ন কর্মসূচী নিয়ে সভাপতির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ রাজশাহী মহানগরের সভাপতি ও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন
সভা সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ রাজশাহী মহানগরের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ডাবলু সরকার। সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ রাজশাহী মহানগরের সহ-সভাপতি শাহীন আকতার রেনী, যুগ্ম সম্পাদক আহ্সানুল হক পিন্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাড. আসলাম সরকার, শ্রম সম্পাদক আব্দুস সোহেল, বোয়ালিয়া (পূর্ব) থানা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক শ্যামল কুমার ঘোষ, নগর যুবলীগ সভাপতি রমজান আলী, নগর কৃষক লীগ সভাপতি রহমতউল্লাহ সেলিম।
সভায় এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন বক্তব্যের প্রারম্ভে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ১৫ আগস্ট নির্মমভাবে নিহত বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সকল সদস্য, কারাভ্যন্তরে শহীদ জাতীয় চার নেতা, মহান মুক্তিযুদ্ধে সকল শহীদ ও দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে যারা প্রাণ দিয়েছেন তাদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ এবং আজকের এই গণতন্ত্রের মুক্তির জন্য বহু প্রাণ দিতে দিয়েছে, দিতে হয়েছে এক সাগর রক্ত। বঙ্গবন্ধু বাঙ্গালী জাতিকে পৃথিবীর মানচিত্রে স্বাধীন একটি দেশ উপহার দিয়েছিলেন। কিন্তু আমরা কি দেখলাম! স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু যখন তার প্রিয় স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করলেন দেশের সূর্য সন্তানরা যে অস্ত্র হাতে নিয়ে যুদ্ধ করে দেশের স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছিলো, তারা বঙ্গবন্ধুর কাছে তাদের অস্ত্র সমর্পণ করেছিলো। কিন্তু পরাজিত পাকিস্তানিদের দালাল, রাজাকার ও আলবদরা তাদের অস্ত্র লুকিয়ে রেখেছিলো। সেই অস্ত্র দিয়ে তারা দেশে হত্যা, খুন, লুন্ঠন ও রাহাজানি করে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করেছিলো এবং বঙ্গবন্ধুর হত্যকান্ডের প্রেক্ষাপট সৃষ্টি করে ১৫ আগস্টে কালো অধ্যায় রচনা করে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের এই বিজয় সহজে আসে নি। আমাদের যে বিজয়, সেই বিজয়কে সংহত করার জন্য আজকের দিবস আমরা পালন করছি। আর এই বিজয় যাতে না থাকে সেই জন্য রাজাকার, আলবদর, বিএনপি, জামায়াত সেদিনও তৎপর ছিলো, আজও তৎপর আছে। তাদের নাম যাই হোক আগে ছিলো মুসলিম লীগ, তারপরে নেজামে ইসলাম, জামায়াতে ইসলামী, হেয়াজতে ইসলামী, জেএমবি বা যেই নামেই হোক না কেন তাদের শেকড় কিন্তু একটাই তা হলো বিএনপি, এরা বাংলাদেশের অস্তিত্ব, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে কখনই বিশ্বাস করে না। তিনি বিএনপিকে উদ্দেশ্যে করে বলেন, আজকে আওয়ামী লীগের সভা ও সমাবেশের লোকজন দেখে ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছে।
তিনি ইতিহাসের কথা স্মরণ করিয়ে বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে বিএনপি ভেবেছিলো তারা যা বলবে, তাই ঠিক। বাংলাদেশে কেউ জয় বাংলা বলবে না, কেউ জয় বঙ্গবন্ধু বলবে না। তারা ভেবেছিলো জিয়াউর রহমান যা বলবেই তাই হবে। খালেদা জিয়া ও তারেক জিয়া যা বলবে, তাই হবে। এই ভেবে তারা আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছিলো কিন্তু তারা পারে নি। এদেশের মুক্তিকামী মায়েরা তাদের সন্তানদেরকে দেশের তরে, বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জিবীত হয়ে তাদের সন্তানদেরকে জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান দিতে উদ্বুদ্ধ করেছিলো।
তিনি বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা’র উন্নয়ন কর্মসূচী তুলে ধরে বলেন, দেশে আজকে পদ্মা সেতু হয়েছে নিজস্ব অর্থায়নে। এই পদ্মা সেতু নিয়ে অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছে। সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে স্বপ্নের পদ্মা সেতু আজ দৃশ্যমান। মেট্রো রেল, কর্ণফুলি নদীর উপরে বঙ্গবন্ধু টানেল, দেশে ৫৬০টি মডেল মসজিদ, সহ বিদ্যুৎ খাতের ব্যাপক উন্নয়ন, শিক্ষা, ক্রীড়া, চিকিৎসা ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন সাধন হয়েছে। তিনি রাজশাহীবাসীর দীর্ঘদিনের দাবী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের প্রসঙ্গে বলেন, ইতিমধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজশাহীতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণের জন্য সাড়ে ১৬ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন। যার ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করা হয়েছে। অচিরেই তার নির্মাণ কাজ শুরু হবে।
তিনি আরও বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী’র সহায়তায় রাজশাহীতে অতি দ্রুত কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হবে। রাজশাহী বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানের করে তোলার জন্য ইতিমধ্যেই কাজ শুরু হয়ে গেছে। খেলাধুলার মানোন্নয়নের জন্য রাজশাহীতে বিকেএসপি স্থাপন করা হবে। রাজশাহীর সার্বিক উন্নয়নের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী’র সহযোগিতা নিয়ে রাজশাহীকে ঢেলে সাজানোর অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
তিনি বিএনপি-জামায়াতকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বলেন, জনগণ আপনাদেরকে প্রত্যাখান করেছে। তাই আপনারা রাজপথের আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তকে বেছে নিয়েছেন, আপনারা রাজপথে আসুন। আমরা আপনাদেরকে প্রতিহত করতে প্রস্তুত।
মোঃ ডাবলু সরকার বলেন, নৌকায় ভোট দেওয়ার ফলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা বাংলাদশের জনগণের সামনে বিভিন্ন উন্নয়ন বাস্তবায়ন করে দেখিয়েছেন। তিনি বিভাগীয় শহর, জেলা ও উপজেলার গ্রাম পর্যন্ত শতভাগ বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় নিয়ে এসেছেন। দেশের চিকিৎসা সেবা আজ আগের মতো নাই, চিকিৎসা সেবা আজ ব্যাপক উন্নত হয়েছে। পদ্মা সেতু আজ দৃশ্যমান হয়েছে, বছরের শুরুরে প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা বই পাচ্ছে, দেশের তরুণ বেকারদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আত্ম-কর্মস্থান সৃষ্টিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। এটাই হলো গণতন্ত্রের বিজয়।
তিনি আরও বলেন, যারা দেশের স্বাধীনতা, বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ, সার্বভৌমত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলবে, বিতর্ক সৃষ্টি করবে। রাজশাহীতে তাদের স্থান হবে না।
সৌমেন মন্ডল , রাজশাহী ব্যুরোঃ হরকাতুল জিহাদ-বাংলাদেশ এর রাজশাহী ও খুলনার আঞ্চলিক কমান্ডারসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে রাজশাহী নগর পুলিশ। বুধবার ভোরে নগরীর খড়খড়ি এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে অটোরিক্সা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, খুলনা ও রাজশাহী অঞ্চলের হুজি-বি’র আঞ্চলিক কমান্ডার মুফতি ইব্রাহীম খলিল ও হুজির নব্য সদস্য ও সমন্বয়কারী আব্দুল আজিজ নোমান।এদের মধ্যে ইব্রাহীম খলিলের বাসা যশোর জেলার ঝিকরগাছা থানার পুরন্দরপুর গ্রামে বাড়ি এবং আব্দুল আজিজের বাড়ি নোয়াখালী জেলার কোম্পানিগঞ্জ থানার মোশারফ মঞ্জিলে বাড়ি। গ্রেপ্তারকৃরা হুজি-বি এর নেতা মুফতি হান্নান এর অন্যতম সহযোগী আটককৃত নেতা আতিকুল্লাহ ওরফে জুলফিকারর নির্দেশনায় কাজ করছিলেন।
দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ কমিশনার আবু কালাম সিদ্দিক জানান, কারাগারে থাকা হুজি নেতা আতিকুল্লাহ ওরফে জুলফিকারের নির্দেশনায়, দুবাই ও মধ্যপ্রাচ্য থেকে অর্থ এনে সংগঠন গতিশীল করতে তৎপরতা চালিয়ে আসছিলো গ্রেপ্তার কমান্ডার মুফতি ইব্রাহিম খলিল ও সমন্বয়কারী আবদুল আজিজ ওরফে নোমান। সেই ধারাবাহিকতায় তারা আজ ভোরে রাজশাহী আসেন, একটি গোপন বৈঠকে যোগ দিতে।পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সড়ক থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে।
এসময় তাদের সাথে থাকা আরো চারজন পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়। তাদের গ্রেপ্তার করতে অভিযান অব্যাহত আছে। এসময় বেশ কিছু জিহাদী বই উদ্ধার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে রিমান্ড চাওয়া হবে।
মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল প্রতিনিধি: ভারত থেকে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ১০ ট্রাকে ১২০ মেট্রিক টন বিস্ফোরক দ্রব্য পন্য আমদানি করেছে দিনাজপুরের মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠান।
বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকালে ভারতের পেট্রাপোল দিয়ে বাংলাদেশের বেনাপোল স্থলবন্দরে ১০টি ট্রাক ৩১ নাম্বার ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডে প্রবেশ করে।
বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট এএস ইন্টারন্যাশনাল নামের একটি প্রতিষ্ঠান পণ্য চালানটি বন্দর থেকে খালাস নিতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বেনাপোল কাস্টমস হাউসে দাখিল করেছেন। কাজ সম্পূর্ণ হলে ভারতীয় ট্রাক থেকে এসব বিস্ফোরক দ্রব্য পন্য খালাস করে বাংলাদেশি ট্রাকে নেওয়া হবে। পরে বাংলাদেশের ট্রাকে করে দিনাজপুরের উদ্দেশ্যে বেনাপোল বন্দর থেকে ছেড়ে যাবে বলে জানা গেছে।
বন্দর সূত্রে জানায়, এক লাখ ৯৪ হাজার ৯১৮ মার্কিন ডলার মূল্যের ১২০ মেট্রিক টন ওজনের বিস্ফোরক দ্রব্য দিনাজপুর মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড ভারত থেকে আমদানি করছে। যার বাংলাদেশি টাকায় মূল্য এক কোটি ৬৫ লাখ ৬৮ হাজার টাকা।
বেনাপোল স্থলবন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক আব্দুল জলিল জানান, দিনাজপুরের মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের খনন কাজ পরিচালনার জন্য ভারত থেকে এই বিস্ফোরক দ্রব্য আমদানি করেছে। দ্রæত পণ্য খালাসের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া খালাসের স্থানে নিরাপত্তার জোরদার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
সৌমেন মন্ডল, রাজশাহী ব্যুরোঃ রাজশাহীতে বিএনপির সমাবেশে হট্টগোল ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। আজ বুধবার বেলা বারোটার দিকে রাজশাহী নগরীর ভুবনমোহন পার্ক এলাকায় মহানগর বিএনপি কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
রাজশাহী মহানগর বিএনপির উদ্যোগে বিক্ষোভ সমাবেশ চলাকালীন সাবেক মেয়র ও কেন্দ্রীয় নেতা মিজানুর রহমান মিনু উপস্থিতিতেই বিএনপির নেতাকর্মীরা হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
পরে জ্যেষ্ঠ নেতারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। সমাবেশে সামনের সারিতে বসাকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটে।
গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ উপলক্ষে আজ সারাদেশের ন্যায় রাজশাহীতে ও বিএনপির বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দুই বছরপূর্তিতে ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ আখ্যা দিয়ে একাদশ সংসদ নির্বাচন বাতিল ও পুনর্নির্বাচনের দাবিতে বুধবার সারাদেশে বিক্ষোভ সমাবেশ করছে বিএনপি।
রাজশাহীতে ১১ টার দিক বি এন পির দলীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ শুরু হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, পৌর যুবলীগের সহ-সভাপতি আলী খান, ৩নং ওয়ার্ডের যুবলীগের সভাপতি আদনান হোসেন, যুবলীগ নেতা সাহিন দেওয়ানসহ আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ডিসেম্বর ঢাকার ধামরাই পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ পৌরসাভায় মোট ভোটার ৪২৬৪৪ জন যার মধ্যে নারী ভোটার ২২ হাজার ৬৫, পুরষ ২০ হাজার ৫৯৭ জন।
দেওয়ান নাজিমউদ্দিন মঞ্জু বিএনপি থেকে ধানে শীষ প্রতিকে পেয়েছেন ১৫০৩ ভোট। সৌকত আলী ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ হাতপাখা প্রতিকে ২৭২ ভোট পেয়েছে। আওয়ামী লীগ মনোননিত প্রার্থী নৌকা প্রতিকে গোলাম কবির মোল্লা ২৩১১০ ভোট পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হন।
৯ টি ওয়ার্ডে মোট ২১টি কেন্দ্রে মোট ভোট কাষ্ট হয়েছে ২৪৮৮৫।
হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল, (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে মাস্ক না পড়ায় ১৪ জনকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
মঙ্লবার ২৯ ডিসেম্বর বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার রামপুর বাজার মোড়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারি কমিশনার (ভূমি) প্রীতম সাহা এ আদালত পরিচালনা করেন ।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, বাধ্যতা মূলক মাস্ক পরিধান নিশ্চিত করণে উপজেলার বিভিন্ন শহর- হাটবাজারে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হচ্ছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রীতম সাহার নেতৃত্বে পরিচালিত কোর্টে পাবলিক প্লেসে মাস্ক ব্যবহার না করার অপরাধে দন্ডবিধি ১৮৬০ অনুযায়ী ১৪ জনকে সর্বমোট ৩৫ শত টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়। অফিস, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, বাজারসহ জনবহুল স্থানে মাস্ক পরিধান নিশ্চিত করতে কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ইতিপূর্বে সচেতনতা মূলক প্রচার অভিযান চালানো হয়েছে। তাই বাধ্যতা মূলক মাস্ক পরিধান নিশ্চিত করণে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হবে বলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রীতম সাহা জানান। এ সময় রাণীশংকৈল থানা পুলিশ উপস্থিত ছিলেন।
বিপ্লব,সাভারঃ সাভারে বনগাঁ ইউনিয়নের বলিয়ারপুর শ্যামলী পাম্পের পাশে ব্যাটারিচালিত অটোরিক্সা থেকে জোরপূর্বক টাকা নেওয়ার সময় ভুয়া পুলিশকে আটক করেছে রিক্সার চালকেরা ।
মঙ্গলবার দুপুর ১২ দিকে সাভারে বনগাঁ ইউনিয়নের বলিয়ারপুর এলাকার শ্যামলী পাম্প এর পাশে মোহাম্মদ হোসেন নামের এক পুলিশ কর্মকর্তা পরিচয় দানকারী, একজন ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সার চালক সোহেল এর কাছ থেকে জোরপূর্বক টাকা আদায় করার সময় বেদম মারধর করে জখম করে , এই অবস্থা দেখে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে গেলে ভুয়া পুলিশ নামধারী মোঃ হোসেন পালানোর চেষ্টা করলে ,স্থানীয় লোকজন তাহাকে ধরে ফেলে ও মারধরের ঘটনা ঘটায় ।
এরপর এলাকাবাসী ও রিক্সা চালকেরা সাভার হাইওয়ে পুলিশকে খবর দিলে , পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ভুয়া পুলিশ মোঃ হোসেনকে আটক করে চিকিৎসার জন্য সাভার সরকারি হাসপাতালে প্রেরণ করে এবং আহত অটোরিক্সা চালক সোহেলকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন ।
অভিযোগ আছে ভুয়া পুলিশ হোসেন দীর্ঘদিন যাবৎ আমিনবাজার থেকে বলিয়াপুর পর্যন্ত হাইওয়ে রোডে অটোরিক্সা চালকদের কাছ থেকে জোরপূর্বক টাকা আদায় করতেন।
এ বিষয়ে হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ গোলাম মোস্তফা বলেন আমরা আগেও এ বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি এখন ভুয়া পুলিশ হোসেন কে আটক করা হয়েছে , এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে ।
স্টাফ রিপোর্টারঃ ঢাকার ধামরাইয়ে পৌরসভা নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে মনোনীত প্রার্থী গোলাম কবির মোল্ল্যা ২৩১১০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছে ।
তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ধানের শীষে প্রতীকে দেওয়ান নাজিম উদ্দিন মঞ্জু ১৫০৩ ভোট পেয়ে পরাজিত হন ।
সোমবার (২৮ ডিসেম্বর) সকাল ৮টা থেকে বিকেলে ৪টা পর্যন্ত ধামরাই পৌরসভায় ভোট গ্রহণ শেষে বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে পাঠানো তথ্যানুযায়ী এই ফলাফল পাওয়া যায়।
এবার ধামরাই পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদ প্রার্থী ছিলেন তিনজন ।
আওয়ামী লীগের বর্তমান মেয়র গোলাম কবির, ধানের শীষ প্রতীক বিএনপির প্রার্থী দেওয়ান নাজিম উদ্দিন ও হাতপাখা প্রতীকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী শওকত আলী।