31 C
Dhaka, BD
শনিবার, এপ্রিল ১১, ২০২৬

রাজশাহীতে ৪ কেজি ১৮৫ গ্রাম হিরোইন সহ গ্রেফতার দুই

সৌমেন মন্ডল,রাজশাহী প্রতিনিধিঃ রাজশাহীতে র‌্যাব-৫ এর বিশেষ অভিযানে ৪কেজি ১৮৫ গ্রাম হিরোইনসহ চিহ্নিত দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আজ রোববার রাত ১০টার দিকে মহানগরীর কোর্ট ষ্টেশন এলাকায় অভিযানে চালিয়ে বিপুল পরিমান হিরোইনসহ তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, গোদাগাড়ি উপজেলার মৃত সইবুর রহমানের ছেলে কামরুল ইসলাম ও মহানগরীর হড়গ্রাম নতুন পাড়া এলাকার গোলাম গাউসের ছেলে ওমর শরীফ রনি। তাদের বর্তমানে র‌্যাব-৫ এর প্রধান কার্যালয়ে নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

র‌্যাব-৫ এর কোম্পানী কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এটিএম মাইনুল ইসলাম জানান, তিনিসহ র‌্যাব-৫ এর মেজর মোরশেদ ও মেজর আশরাফের নেতৃত্বে একটি দল গত কয়েকদিন ধরেই ওই এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি চালিয়ে আসছিলো। আজ রাতে মহানগরীর কোর্ট ষ্টেশন এলাকায় এক ব্যাক্তিকে ৭’শ গ্রাম হিরোইনসহ গ্রেফতার করে র‌্যাব। পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই এলাকার একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে বাকি হেরোইনসহ অপর আরেক ব্যাক্তিকে গেফতার করা হয়।

উদ্ধারকৃত মালামালের পরিমান ৪ কেজি ১৮৫ গ্রাম হেরোইন। পরে ঘটনাস্থল থেকে হেরোইনসহ গ্রেফতারকৃত দুই মাদক ব্যবসায়ীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য র‌্যাব-৫ এর সদর দফতরে নিয়ে আসা হয়েছে। তারা দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখকে ফাঁকি দিয়ে মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছিলো বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে।

গ্রেফতারকৃত ব্যাক্তিদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান এই র‌্যাব কর্মকর্তা।

সাভার পৌর নির্বাচনে মেয়র পদে ৪ ও কাউন্সিলর ৪৯ জন প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র দাখিল

বিপ্লব,সাভারঃ ঢাকা জেলার সাভার পৌরসভা নির্বাচনে মনোয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ২০ ডিসেম্বর রবিবার পর্যন্ত ৪ জন মেয়র প্রার্থীসহ মোট ৫৩ প্রার্থী নির্বাচনে অংশ গ্রহণের জন্য মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন।

রবিবার সকালে হতে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত প্রার্থীরা তাদের নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে নির্বাচনী রিটার্ণিং অফিসারের অস্থায়ী কার্যালয় সাভার সরকারী কলেজে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।

এসময় সাভার পৌর সভার নির্বাচনে অংশ গ্রহণের লক্ষ্যে মেয়র পদে ২০ ডিসেম্বর রবিবার সকালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী সাভার পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মেয়র হাজী আব্দুল গণি মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এসময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মিসেস হাসিনা দৌলা, আশুলিয়া থানা আওয়ামী লীগের আহবায়ক ফারুক হাসান তুহিন, সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক কামরুজ্জামান, গোলাম ফয়েজ উদ্দিন খান শিহাবসহ অসংখ্য নেতাকর্মী। পরে দুপুর আড়াইটারদিকে ইসলামি আন্দোলনের প্রার্থী মো: মোশারফ হোসেন মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। তারপর পরই বিএনপির মনোনীত মেয়র প্রার্থী সাবেক পৌর সভার মেয়র ও পৌর বিএনপি’র সভাপতি হাজী মো: রেফাত উল্লাহ নেতাকর্মীদের নিয়ে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। বিকাল ৫ টায় সর্বশেষ মেয়র পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রিটার্ণিং অফিসারের কাছে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন আক্তারুজ্জামান কুটি মোল্লা। এসময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন সাভার সরকারী কলেজের উপাধ্যক্ষ দিল আফরোজ প্রমুখ।

এছাড়াও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর হিসেবে ১, ২ ও ৩ আসনে ৫ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ড থেকে ২ জন এবং ৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ড থেকে ৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। সাভার পৌরসভার সাধারণ ৯ টি ওয়ার্ড থেকে মোট ৪৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। তাদের মধ্যে ১ নং ওয়ার্ড থেকে ৭ জন, ২ নং ওয়ার্ড থেকে ২ জন।, ৩ নং ওয়ার্ড থেকে ৭ জন, ৪ নং ওয়ার্ড থেকে ৪ জন, ৫ নং ওয়ার্ড থেকে ৭ জন, ৬ নং ওয়ার্ড থেকে ৯ জন, ৭ নং ওয়ার্ড থেকে ৬ জন, ৮ নং ওয়ার্ড থেকে ৩ জন এবং ৯ নং ওয়ার্ড থেকে ৪ জন প্রার্থী রয়েছেন। সাভার পৌরসভা নির্বাচনে রিটার্ণিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন ঢাকা জেলার সিনিয়র নির্বাচন অফিসার মো: মুনীর হোসাইন খান। সহকারী রিটার্ণিং অফিসার হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন তিন জন। তারা হলেন, সাভার উপজেলা নির্বাচন অফিসার ফখর উদ্দিন শিকদার, কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন অফিসার মো: আ: আজিজ ও মিরপুর থানা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ শাহজালাল।

সাভারের আশুলিয়ায় যৌতুকের টাকা না পেয়ে ব্লেড দিয়ে কেটে গৃহবধুকে হত্যার চেষ্টা (ভিডিও)

বিপ্লব,সাভারঃ দাবিকৃত যৌতুকের পাঁচ লক্ষ টাকা না পেয়ে সাভারের আশুলিয়ায় মারুফা আক্তার নামের (২৫) এক গৃহবধুকে ধারালো ব্লেড দিয়ে সারা শরীর কেটে দিয়ে হত্যার চেষ্টা করেছে স্বামী।

এসময় ওই গৃহবধুকে চিকিৎসার জন্য সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

এলাকাবাসী বলছে,গত ছয় বছর আগে সাভারের কান্দি ভাকুর্তার গোলাম মোস্তফার মেয়ে মারুফা আক্তারের সাথে আশুলিয়ার কুটুরিয়ার ধলপুর এলাকার আব্দুর রহমান আজাদের বখাটে ছেলে শেখ সাদী আজাদের বিয়ে হয়।

বিয়ের পর থেকে ওই গৃহবধুর কাছ থেকে তার বাবার বাড়ি থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা যৌতুক দাবি করেন স্বামী শেখ সাদী আজাদ। পরে ওই গহবধু বাবার বাড়ি থেকে যৌতুকের টাকা আনতে অস্বীকার করলে গতকাল ওই গৃহবধুকে ধরে সারা শরীরে ধারালো বেøড দিয়ে কেটে হত্যার চেষ্টা করেন তার স্বামী।

এসময় ওই গৃহবধু অজ্ঞান হয়ে পড়লে ঘরে তালঅ ঝুলিয়ে পালিয়ে যায় তার স্বামী। পরে স্থানীয়রা ওই গৃহবধুর গোঙ্গানী শুনে তাকে আশঙ্কা জনক অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসকরা জানিয়েছেন ওই গৃহবধুর হাত পা সহ বিভিন্ন স্থানে বেøড দিয়ে নির্মম ভাবে কেটে দেওয়ায় তার অবস্থা আশঙ্কা জনক। এঘটনায় এলাকাবাসী ওই গৃহবধুর স্বামীর কঠোর শাস্তি দাবি করেন।

আশুলিয়া থানা পুলিশ বলছে বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এঘটনায় আশুলিয়া থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

রাণীশংকৈলে বিজয় দিবস উপলক্ষে দিনব্যাপী ক্রিকেট টুর্নামেন্ট

হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল, (ঠাকুরগাঁও)প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে গত১৯ ডিসেম্বর শনিবার বিকালে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে উপজেলা পরিষদ ও প্রশাসনের আয়োজনে শেখ রাশেল মিনি স্টেডিয়ামে একদিনের ক্রিকেট টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়।

এ উপলক্ষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোহেল সুলতান জুলকার নাইন কবিরের সভাপতিত্বে ক্রিকেট টুর্নামেন্ট খেলায় প্রধান অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহারিয়ার আজম মুন্না।বিশেষ অতিথি ছিলেন, উপজেলা আ’লীগ সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সইদুল হক।

এছাড়াও রাজনৈতিক-সামাজিক-সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গ, ক্রীড়ামোদী দর্শক ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। টুর্নামেন্টে উপজেলা পরিষদ একাদশ, উপজেলা প্রশাসন একাদশ ও রাণীশংকৈল ডিগ্রী কলেজ একাদশ এই ৩ টি দল প্রতিযোগিতা করেন।

খেলার ফলাফলে রানার্স আপ হয় উপজেলা পরিষদ একাদশ এবং বিজয়ী হন রাণীশংকৈল ডিগ্রী কলেজ একাদশ। পরে রানার্স আপ ও বিজয়ী দলের মাঝে পুরস্কার দেয়া হয়।

বরখাস্ত হচ্ছেন ফেনসিডিলসহ গ্রেপ্তার রাজশাহী জেলা পরিষদের সিইও

সৌমেন মন্ডল, রাজশাহী ব্যুরোঃ : ফেনসিডিলসহ আটক রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও), উপসচিব মোহাম্মদ নূরুজ্জামানকে বরখাস্ত করতে যাচ্ছে সরকার।

জনপ্রশাসন সচিব শেখ ইউসুফ হারুন রোববার সাংবাদিকদের বলেন, ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তিনি এখন জেলে আছেন। ওখানকার বিভাগীয় কমিশনার বা ডেপুটি কমিশনার (ডিসি) এ বিষয়ে আমাদের প্রতিবেদন দিলে আমরা আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব, অর্থাৎ তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হবে।

সরকারি চাকরি আইনের ৩৯ (২) ধারায় বলা আছে, কোনো কর্মচারী দেনার দায়ে কারাগারে আটক থাকলে অথবা কোনো ফৌজদারি মামলায় প্রেপ্তার হলে বা তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গৃহীত হলে, সরকার বা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ আটক, গ্রেপ্তার বা অভিযোগপত্র গ্রহণের দিন হতে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করতে পারবে।

একজন কর্মকর্তা জানান, উপসচিব নুরুজ্জামানকে সাময়িক বরখাস্ত করে ‘কেন তাকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হবে না’, তা জানতে চেয়ে নোটিস পাঠানো হবে। সেই নোটিসের জবাব পাওয়ার পর তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক অন্যান্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে, একই সঙ্গে ফৌজদারি মামলাও চলবে।

গত শুক্রবার রাতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের মহানন্দা সেতু টোলঘর এলাকায় অভিযান চলাকালে নূরুজ্জামানের সরকারি গাড়িতে তল্লাশি করে পাঁচটি কোকাকোলার বোতলে সাড়ে ছয় লিটার ফেনসিডিল পান মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্কতা; নূরুজ্জামান নিজেই ওই গাড়ি চালাচ্ছিলেন। এ সময় নুরুজ্জামানের সঙ্গে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার আব্বাস বাজার গ্রামের মোহাম্মদ ওয়াহদিুজ্জামান লাজুক ছিলেন।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা তাদের আটক করলে নূরুজ্জামান নিজের পরিচয় দেন। ওই রাতে তাকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সার্কিট হাউসে নেওয়া হয়, সেখানে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারাও আসেন। পরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থানায় পরিদর্শক সাইফুর রহমান বাদী হয়ে শনিবার বিকালে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। ওই দিন বিকেলে তাদের আদালতে নিলে বিচারক দুজনকেই জেলে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

রাণীশংকৈলে নেকমরদ হাটে মেলার নামে চলছে অতিরিক্ত টোল আদায়

হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল,( ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার সব চেয়ে বড় হাট নেকমরদ হাটে মেলার নামে চলছে অতিরিক্ত টোল আদায়। বিশেষ করে গরু ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে এ অভিযোগ পাওয়া গেছে । ২০ ডিসেম্বর রবিবার সরেজমিনে গিয়ে এ অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে।

সরকারি টোল আদায়ের হার অনুযায়ী, হাটে গরু প্রতি ২৩০ টাকা, ছাগল প্রতি ৯০ টাকা ও বাই-সাইকেল প্রতি ৬০ টাকা টোল নেওয়ার নিয়ম থাকলেও বর্তমানে তা না মেনে, নেকমরদ মেলা কমিটির সভাপতি ও সম্পাদকের নির্দেশে গরু প্রতি ৩৬০ টাকা, ছাগল প্রতি ১৫০ টাকা ও সাইকেল প্রতি ২০০ টাকা করে টোল আদায় করা হচ্ছে।

এতে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ক্রেতা বিক্রেতারা। হাটে আসা পশ্চিম বনগাঁও’র গরু ব্যবসায়ী রফিকুল ও বড় পলাশবাড়ি গ্রামের মর্তুজা আলী অভিযোগ করে বলেন, সরকারি নিয়মের তোয়াক্কা না করে মেলা কমাটির দায়িত্বে থাকা হাট কমিটির লোকজন এভাবে আমাদের কাছ থেকে বেশি টাকা নেওয়ায় আমরা ভীষণ ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছি। হাটে আসা আরো অনেক ক্রেতা ও বিক্রেতা একই অভিযোগ করেন। গরুর রশিদ লেখক ইয়াসিন আলি ও ছাগলের রশিদ লেখক আব্দুল আজিজ বলেন, নেকমরদ ওরশ মেলার কমিটির সভাপতি ইউপি চেয়ারম্যান এনামুল হক ও সম্পাদক আব্দুল হালিমের নির্দেশে আমরা এ অতিরিক্ত টাকা আদায় করছি।

এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান এনামুল হক বলেন, আমরা মেলা কমিটির নামে ডিসি স্যারের মৌখিক অনুমতিতে পাঁচটি হাট নিয়েছি। সরকারি খাস আদায় হিসাবে প্রতি হাটে সংশ্লিষ্ট তহসিলদার অফিসে ২ লক্ষ ২০ হাজার টাকা করে জমা দিচ্ছি ।

এই সাথে মূল ইজারাদারকে হাট প্রতি ৬০ হাজার টাকা করে মোট ৩ (তিন) লক্ষ টাকা দেওয়া হবে। তবে, এ ব্যাপারে হাটের মূল ইজারাদার রাজিব হোসেন বলেন, আমি এখন পর্যন্ত হাটের ইজারার কোনো টাকা পাইনি। এদিকে করোনার কারণে এবছর প্রশাসন কর্তৃক মেলা বসানোর কোন অনুমতি দেয়া হয়নি।

এ ব্যাপারে ইউএনও সোহেল সুলতান জুলকার নাইন কবির বলেন, নেকমরদ হাটে অতিরিক্ত টোল আদায়ের অভিযোগ পেয়ে আমি হাটে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পেয়েছি।

আদায়কারীরা অতিরিক্ত টোল আদায়ের কথা স্বীকার করে আমার কাছে ক্ষমা চেয়েছেন এবং আগামী হাট থেকে আর কোনো অতিরিক্ত টাকা না নেওয়ার কথা দিয়েছেন।

অবহেলা নয় তরুণ প্রজন্মকে সাংবাদিকতায় দিতে হবে

নজরুল ইসলাম তোফা: বাংলাদেশের পাশাপাশি সমগ্র বিশ্বের সৃষ্টিশীল মানুষ কি়ংবা লেখক’রা সবকালেই যেন সৃজনশীল লেখা জনসাধারণের নিকট নান্দনিক রূপেই হাজির করেছে।

কিন্তু এই লেখকেরা তাদের জীবদ্দশায় আর্থিক অনটনেও ভুগেছে। উদাহরণ স্বরূপ, পাশ্চাত্যের গি দ্য মোপাসাঁ, ফিওদর মিখাইলোভিচ দস্তয়েভস্কির সহ প্রাচ্যের নজরুল, শরৎচন্দ্র বা জীবনানন্দের অদ্ভূত এক দারিদ্র্য তার মিল খুঁজে পাওয়া যায়। কিন্তু, কালে কালে পাশ্চাত্যের লেখকসমাজের আর্থিক সংকট অনেকাংশে দূর হয়েছে। সেখানে অনেক দেশেই লেখা লেখিটা পেশা হিসেবে দাঁড়িয়েছে। আর আমাদের দেশে, সেটা এখনও পুরোপুরি হয়নি বলা চলে। তবে এ লেখা লেখির জগতে এখন ‘তরুণ প্রজন্মরা’ অনেকেই যেন আগ্রহ নিয়ে কাজ করছে। সুতরাং লেখালেখি এদেশের এমন একটি পেশা যেখানে উপার্জনের সম্ভাবনা প্রায় নেই।

তবে যারা লেখা লেখি ভালো বাসে প্রানের তাগিদেই লিখে থাকে, অর্থের লালসায় নয়। বিকল্প উদাহরণ ছাড়া এ কথাটি আজকে জেনেবুঝেই বলছি। কেনো যেনো আজ হঠাৎ করে মনে হলো বাংলাদেশের সাংবাদিক ও পাঠকদের একটা গল্প শোনাবো। বাংলাদেশে প্রচুর পরিমাণে ‘সংবাদ পত্র এবং অনলাইন নিউজ পোর্টালে’ সমৃদ্ধ হয়েছে। বলাটা বাহুল্য হবে কতটা যে নিয়মিত অনিয়মিত দৈনিক, সাপ্তাহিক ও ম্যাগাজিনসহ বিভিন্ন পত্রিকাসমূহ এ বা়ংলাদেশে ইয়াত্তা নেই। আর ‘জাতীয় দৈনিক ও ইলেক্ট্রনিক’ মিডিয়া সংখ্যা গুনে বলা সম্ভব না। এই গুলো মিডিয়ার প্রায় সকলেরই যেন স্থানীয় প্রতিনিধি রয়েছে। মিডিয়ার জন্মহার বৃদ্ধির সাথে সাথেই প্রয়োজন হয়ে পড়ে সাংবাদিক। কিন্তু, নাম মাত্র তারা সাংবাদিক, তাদেরকে পারিশ্রমিক দেওয়া হয় না। তাদের মধ্যে কেউ যদি পারিশ্রমিক পায় সেইটা যেন তাদের সৌভাগ্য।

ভাগ্যবান লেখক, কলামিষ্ট ও সাংবাদিকগণরা হয়তোবা বলবে যে এইদেশে- প্রয়াত হুমায়ূন আহমেদ লিখেই তো সফলতা অর্জন সহ বহুত অর্থ উপার্জন করেছে, অথবা অন্য দু’একজন ‘লেখক, কলামিষ্ট ও সাংবাদিকের নাম’ উচ্চারণ করে বলতে পারে, এখনও ক্লান্তিহীনভাবেই তো তারা লিখে চলে। অবশ্যই এ গুলো দু’একটা উদাহরণটা ব্যতিক্রম। কিন্তু এটাও মনে রাখতেই হবে যে,- ‘ব্যতিক্রম উদাহরণ দিয়ে সামাজিক রূপ ফুটে ওঠে না’। তবে তারা কষ্টকে আড়াল করে, লেখাটাকেই পেশা হিসাবেই বেছে নিয়েছে, এটাই সত্য। বলা যায় তারা আমাদের আইডল বা দিকনির্দেশনার পাথেও। আর তরুণপ্রজন্মের হাজার হাজার লেখকদের অনুপ্রেরণার অগ্রদূত।’

আবারও বলি ব্যতিক্রম কখনো উদাহরণ হতে পারে না।লেখকের জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে আর্থিক অসচ্ছলতার কারণেই শেষ বয়সে উন্নত চিকিৎসার জন্যেই পত্রিকা’র পাতায় সাহায্যের আবেদন দাঁড় করাতে হয়। এই দেশের লেখক, কবি, কলামিষ্ট ও সাংবাদিকদের এটাই নিয়তি। তারা আমৃত্যু স্বাধীনচেতা মানসিকতায় কেন এ বাংলার জমিনে বেঁচে থাকার অধিকারটুকু হারিয়ে ফেলে। তারা ‘মনের গহীনে গোপন ভাগ্যের অধীনস্থ’ হবে। এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ পেশায় পেশাদার হওয়া মানুষের সংখ্যা দিনে দিনে বৃদ্ধি পেলেও ভাগ্যের উন্নয়নকে রাষ্ট্রীয় ভাবে ভাবা উচিত। সুতরাং তারা যোগ্যতার মানদন্ড আর ধরে রাখা যায় না। তাই- লেখক, কবি, কলামিষ্ট কি়ংবা সাংবাদিক সহ বিভিন্ন পেশার ব্যক্তি’রা প্রয়োজনের তাগিদে তাদের সৃজনশীল লেখালেখি পাঠকদের কাছে উপস্থাপনে যেন ব্যর্থ হয়। তবে বর্তমান প্রজন্মের বেশকিছু লেখক, কবি, কলামিষ্ট এবং সাংবাদিকরা বিভিন্ন পেশায় কাজ করছে তারা সবাই যে অযোগ্য কিংবা হতদরিদ্র নয়। বেশ কিছু ট্যালেন্ট লেখক, কবি, কলামিষ্ট ও সাংবাদিক দেখা যায় যারা স্বশিক্ষিত হয়ে দক্ষতার সাথেই কাজ করছে। তারা চেষ্টা করছে নিজেকে যোগ্য হিসেবে দাঁড় করবার জন্য।

তারা বিশেষ কিছু কারণে তাদের সৃজনশীল চেষ্টার বার বার বাধাগ্রস্ত করে বেশকিছু অসাধু মানুষ। এই বিষয়টি নিয়েই মূলত লিখার চেষ্টা করছি। প্রথমত আজ থেকেই ৪০ বছর আগে যখন এতো আধুনিক ব্যবস্থা যোগাযোগ ছিল না, তখনও সাংবাদিক ছিল, সংবাদপত্রও ছিল। এ ধারণার সা়ংবাদিকরা কাজেকর্মে খুবই দক্ষ ছিল। শুধুই সা়ংবাদিকদের নিয়ে আলোচনার উদ্দেশ্যটা হলো, এমন জগতে কিছু অসাধু মানুষের ক্রাইম করার প্রবনতা দিন দিন বেড়েই যাচ্ছে। আগেরযুগে তারা চেষ্টাকে মূখ্য করে মানুষের ভাগ্য উন্নয়নেই সত্য লেখা প্রকাশ করে যথাযত ভাবে কাজ করতো। তাদের নিজের স্থানীয় ”সংবাদপত্র” গুলো ছিল একধরনের ‘পাঠশালা’। সেইখনেই তারা কর্ম করে বা পাঠ গ্রহন করে বাইসাইকেল ও পায়ে হেঁটে যেন যোগাযোগ করতো। তখনো কোনো সাংবাদিকরা বেতন পায় এটা কেউ ধারনা করতো না। আর সত্য কথা হলো, সাংবাদিকরা পেশা জগতে থাকলে বিয়ের জন্যে “পাত্রী পাওয়া” কঠিন ছিল। সেই সময়েই যারা পরিশ্রম করেছে তাদের মধ্যে অনেকে এখনো এমন পেশায় আছে। কিন্তু দুঃখ জনক হলেও সত্য ২০২০ সালে এসে তারা ভয়াবহ করোনায় আক্রান্ত হয়ে অনেক সুদক্ষ সাংবাদিকরা চীর বিদায় নিয়েছে। তাদের কাছে আমাদের অনেক শিক্ষার নেওয়ার প্রয়োজন ছিল। কিন্তু তাদের লেখা ধ্যান ধারনা সাহস সংবাদ নির্বাচন ছিল ভিন্ন ধরনের। এখনকার এই যুগের সাংবাদিকদের নিকট ”রূপকথার গল্প” মনে হতেই পারে।

বর্তমানে সাংবাদিকদের লেখালেখির অনেকটা প্লাটফর্ম সৃষ্টি হয়েছে কিন্তু তাদের হিংসার পরিমাণটাও বেড়েছে।কেউ কারো ভালো সহ্য করতে পারে না। জনপ্রিয় এবং ব্যতিক্রম কিছু ”অনলাইন নিউজ পোর্টাল” আছে তাদের ভাবি আলাদা। কি হনুবে এমন ভাব। এখানে যারা লেখে তাদের নিয়মিত লেখক সম্মানী দেয়া হয় না। প্রয়োজনে তারা ‘কৌশলে টাকা চায়’। আবার কেউ যদি লেখককে টাকা দেয় তো ‘মাস ছয়েক কি়ংবা বছর’ ধরে অপেক্ষায় থাকতে হয়। মাস শেষ হলেই প্রাপ্য সম্মানী পাওনা সেটা নিয়ে ছিনি মিনি খেলা চলে। এমন কথাটি জানতে পেরে ব্যক্তিগতভাবেই সাংবাদিকদের পক্ষ নিয়ে ফোন করেও বিস্মিত হয়েছি। অনেকেই ফেসবুকের ইনবক্সে আমাকে জানালে কষ্ট লাগে।

আমি ব্যক্তিগতভাবেই লিখে যাচ্ছি কিন্তু টাকার প্রত্যাশা না করলেও কিছু টাকাপয়সা দিলে কারনা ভালো লাগে, তো দেখা যায়, উল্টো আমাদের কাছেই চায়। তাই বলি- ৮ বছরের লেখা লেখির জগতে আজ অনেকটাই ক্লান্ত। আগে সাংবাদিকতার গুনগত পরিবর্তন এতোটা খারাপ ছিল না। বেশ ক’টি দৈনিক পত্রিকা প্রকাশ হতো তাদের যেন আদর্শ ছিল। ‘সনাতন মূদ্রণ’ পদ্ধতি পরিবর্তিত হয়ে কম্পিউটার অর্থাৎ ডিজিটালযুগে প্রবেশ করে যেন শুরু হয়েছে সব ঝামেলা। কিছু সাংবাদিক স্থানীয়ভাবেই স্বল্প পারিশ্রমিক পেতে শুরু করলেও এখন সেটাও বন্ধ করা জন্য প্যাইতারা চালায়। এমন নতুন প্রযুক্তির সাথে মেধা সম্পন্ন সাংবাদিকরা নিজেদের সমন্বয় করতেই হিমশিম খাচ্ছে। তাদের পেশাদারিত্বের প্রতিও অবহেলা বাড়ছে। বেশকিছু নতুন সাংবাদিকরা পেশায় অন্তর্ভুক্ত হয়, তারা আজকে মানুষের দ্বারেই ক্রাইম করছে। সত্য কথা এমন ভাবে বলার সৎ সাহসটাও সাংবাদিকদের নেই। যারা না কি এখনো দাপটের সঙ্গেই পেশায় আছে তারা মিডিয়ার বিস্ফরন ঘটানোর জন্য বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এর দ্বারস্ত হচ্ছে।সাংবাদিকতায় এই ঠান্ডা যুদ্ধ শুরু হয় প্রিন্ট আর ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার মধ্যে। বলা যায় যে স্থীর ক্যামেরা হাতের সাংবাদিকের হাতে চলে আসে “চলমান ক্যামেরা”, ৩৫ ফ্লিল্ম দুনিয়া সমাপ্ত হয়ে এখন- ডিজিটাল ক্যামেরায় পদার্পন। খরচ কমে যায়, সাংবাদিকরা পায়ে হাটা আর বাইসাইকেল ভুলেই গাড়ী আর মটরসাইকেল আর মোবাইল ফোন ইন্টারনেট জগতে ঢুকে পড়ে।

অতীতের সময় থেকে এই মূহুর্ত পর্যন্ত ক্রমে ক্রমেই যেন আধুনিকতায় প্রবেশ করেছে, সুযোগ সন্ধানী বেশ কিছু সাংবাদিকরা। অবশ্যই বুকটা ভরে যায়, যখন দেখি এই সাংবাদিকরা ঐ জায়গার সাংবাদিক হয়ে নানা চ্যানেলে লাইভ সংবাদে ক্যামেরার সামনে দাড়িয়েই তথ্য বিলিয়ে দিচ্ছে। বর্তমানে বসেই তারা যেন ভবিষ্যত দেখতে পান, ভালোই লাগে, অথচ এ দেশের কোনো লেখক দৃঢ় কণ্ঠে বলতেই পারবেন না, পত্রিকা গুলোর করুন দশায় এসে দাঁড়িয়েছে। উপযুক্ত সম্মানী ও প্রকাশক করবার কিছুটা ঝামেলা থেকে রেহাই পেতেছে। আর একটা কথা, এখন যারা সা়ংবাদিকতায় ভাল কাজ করবার জন্যে খুব চেষ্টা করছে। তারা শেখার আগেই যেন তেষ্টা মেটানোর দিকে বেশি ঝুকে পড়ছে। সুতরাং, তাড়াতাড়ি স্মার্ট ফোন আর কত বেতন হবে এইসব কথা আগেই শর্ত দিয়ে ফেলছে। শিখলে, জানলে, বুঝলে, পারলে এইসব সুবিধা আপনা আপনি এসে যাবে। নিজের মান বৃদ্ধিটাই জরুরি বিষয়। অভাবে থেকে বাহাদুরি নয়, নতুন কিছু করার চেষ্টাতেই প্রস্তুত হই। নতুন কিছুর পরিবর্তন এনে ‘আবিস্কার করি’। সুতরাং অভাবে স্বভাব নষ্ট না করে এমন সা়ংবাদিকতার পেশাটাকে ‘পরিচ্ছন্ন রাখি’। বর্তমানে এই সা়ংবাদিকতায় তরুণপ্রজন্মের অনেক জায়গা এখনো খালি আছে। এই দেশে প্রকাশনা শিল্পটাকে সমৃদ্ধ করি। লেখালেখি পেশা ও নেশা করি।

তালতলীতে গৃহবধূর ঝুলান্ত মরদেহ উদ্ধার

মৃধা শাহীন শাইরাজ,তালতলী প্রতিনিধি: বরগুনার তালতলীতে শিল্পী রানী(২২) নামে এক গৃহবধূর ঝুলান্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে পরিবারের দাবি হত্যা করে লাশ টানিয়ে রাখা হয়েছে। শুক্রবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার চরপড়া এলাকা থেকে ঝুলান্ত মরাদেহ উদ্ধার করা হয়। উপজেলার চরপাড়া গ্রামের সমীর বেপারীর স্ত্রী শিল্পী পটুয়াখালী জেলার মহিপুর এলাকার বিমল কবিরাজের মেয়ে।

নিহতের মা মঞ্জু রানী ও বাবা বিমল কবিরাজ দাবি করেন আমার মেয়ের স্বামী সমীর বেপারী ও তার চাচা বিজয় বেপারীর সাথে দীর্ঘদিন যাবৎ জমিজমা নিয়ে ঝামেলা চলে আসছিলো। সেই ঘটনাকেই কেন্দ্র করে ওনদিন বিকাল ৩টির দিকে আমার জামাই ও মেয়েকে মারধর করেন তারা। এক পর্যায় স্থানীয়রা মীমাংসা করে দেয়।

এর পরে তারই জের ধরে আমার মেয়েকে বিজয় বেপারী ও তার পুত্রবধু হত্যা করে ঘরের আরার সাথে ঝুলিয়ে রাখে । আমরা এই হত্যাকান্ডের বিচার চাই।

এবিষয় বিজয় বেপারী বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

এদিকে সুরাতহাল রিপোর্টে পুলিশ জানান, নিহতের শরীরে কোন আঘাতের চিহ্ন নেই। শুধু গলায় ফাঁসের দাগ রয়েছে। অন্যদিকে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যুতে স্থানীয়দের মাঝে চা ল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ কামরুজ্জামান মিয়া জানান, গৃহবধূর ঝুলান্ত লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

রাণীশংকৈলে শীতার্তদের মাঝে কম্বল ও মাস্ক বিতরণ

হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল, (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ “সাহায্য নয় উপহার এই মোদের অঙ্গীকার, মানবতার মশাল জ্বেলে পাশে থাকবে ৩৮ তম বিসিএস পরিবার’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় গত ১৮ ডিসেম্বর শুক্রবার ৩৮ তম বিসিএস ক্যাডার পরিবারের পক্ষ থেকে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।

এ উপলক্ষে এদিন রানীশংকৈল উপজেলার আলসিয়ার কৃতি সন্তান ৩৮ তম বিসিএস’র সুপারিশ প্রাপ্ত (পুলিশ ) শুভ্রদেব বেশ কয়েকটি অসহায় পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র (কম্বল)ও মাস্ক বিতরণ করেন। এবং এলাকার বিত্তবানদের এ শীতে অসহায়দের পাশে থাকার সহযোগিতা কামনা করেন।

শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন, আ’লীগ নেতা কফিল উদ্দিন, আলশিয়া-ভকরগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হামিদুর রহমান, আলসিয়া-ভগরগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি শহীদুল্লাহ কায়সার, শিক্ষক সত্যেন্দ্রনাথ,ওয়ার্ড আ’লীগ সভাপতি জ্যোতিষ চন্দ্র, যুবনেতা শাহরিয়ার ভুট্টো ও শুভ্র দেবের পরিবারসহ স্থানীয় এলাকাবাসী প্রমুখ।

বিসিএস সুপারিশ প্রাপ্ত (পুলিশ) শুভ্রদেবের এ ক্ষুদ্র প্রয়াসকে এলাকার সবাই সাধুবাদ জানান।সেইসাথে গ্রামের বিত্তবানেরা অনুপ্রাণিত হয়ে এইভাবে দুস্থ ও অসহায়দের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

রাণীশংকৈলে বৈদ্যতিক আগুন লেগে ৮ টি দোকান পুড়ে ছাই,প্রায় ক্ষতি ২৫ লক্ষ টাকা

হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল, (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল বলিদ্বার বাজারে গত ১৬ ডিসেম্বর বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার সময় বৈদ্যতিক সট সার্কিট থেকে আগুন লেগে ৮ টি দোকন পুড়ে গেছে।

এতে প্রায় ২৫ লক্ষ টাকার বিভিন্ন মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে বলে স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে।

স্থানীয় ও পুলিশ সুত্রমতে গতকাল রাত আনুমানিক ৩ টার সময় বলিদ্বারা বাজারের ফরিদুলের কাপড়ের দোকানে সট সার্কিট থেকে আগুন লাাগে। পরে আগুন এক এক করে সইদুলের মুদি দোকান, শ্রী হাবুল রায়ের সেলুনের দোকান, মোতালেবের ঔষদ ফার্মেসির
দোকান, শাহিনের কাপড়ের দোকান, কান্ত রায়ের ফার্মেসির দোকান, রবিউলের ইলেকট্রনিক্সের দোকান এবং বিপ্লবের কসমেটিকের দোকানসহ আরো ৭ টি দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। ঐ রাতেই খবর পেয়ে রাণীশংকৈলের ফায়ার সার্ভিসের অগ্নি নির্বাপক দল প্রায় দেড় ঘন্টা অভিযান চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণ আনে।

রাণীশংকৈল ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার নাসিম ইকবাল বলেন খবর পেয়েই আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় দেড় ঘন্টা অভিযান চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে।

থানার ওসি এস এম জাহিদ ইকবাল বলেন আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি ফরিদুলের কাপড়ের দোকানের সট সার্কিটে থেকেই এ আগুনের উৎপত্তি হয়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহারিয়ার আজম মুন্না এবং ইউএনও সোহলে সুলতান জুলকার নাইন কবিরের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি দ্রুত তাদের আর্থিক সাহায্যের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

সর্বশেষ আপডেট...