মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল প্রতিনিধিঃ টেলিভিশনসহ বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় ও অনলাইনে ভূমি দখলকারী উচ্ছেদ চেষ্টাকারী আব্দুল জলিলের সংবাদ প্রচারের পর ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে যশোরের শার্শা থানার উলাশী ইউনিয়নের গিলাপোল গ্রামে পৈত্রিক ভিটায় অবস্থিত বসত বাড়ী থেকে সহিদুল গংয়ের পরিবারকে উচ্ছেদ করতে ভাড়া করা সন্ত্রাসীদের দিয়ে বসত বাড়ীঘর ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় সন্ত্রাসীরা ধারালো অস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে পিটিয়ে ৩ জনকে আহত করে।
বুধবার ২৫ নভেম্বর দফায় দফায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় আহতরা হলেন মোঃ শহিদুল ইসলাম (৩৫) মোছাঃ নার্গিস (৩০) মোঃ আমেনাে (৬০) ,আহতদের স্থানীয় ডাক্তারদের কাছ থেকে চিকিৎসা নিয়ে বাসায় ফিরেছেন। এই হামলা উচ্ছেদের চেষ্টার ঘটনায় শহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে অজ্ঞাত চার-পাঁচ জনের নাম নাম উল্লেখ করে শার্শা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।
শার্শা থানায় অভিযোগ কারী সন্ত্রাসী হামলার শিকার শহিদুল ইসলাম বলেন, আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে অবৈধভাবে ভোগ দখলের জন্য একই গ্রামের আব্দুল জলিল সহ অন্যান্যদের নামে আমি মহামান্য আদালতে মামলা দায়ের করি। মামলাটি চলমান রয়েছে। তার পাশাপাশি আমার বসত ভিটা নিরাপত্তার জন্য স¤প্রতি আমি মহামান্য আদালতে ১৪৪ ধারা জারির আবেদন করি। মহামান্য আদালতের ১৪৪ ধারা জারি উপেক্ষা করে আব্দুল জলিল সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে আমার পরিবারের উপরে অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। সাথে সাথে পৈত্রিক ভিটা থেকে উচ্ছেদের উদ্দেশ্যে বসত ভিটায় অবস্থিত আমার পরিবারের মাথা গোঁজার একমাত্র ঠাঁয়ের টিনের ঘরটি ভাঙচুর করে। পরে গ্রামবাসী এগিয়ে এলে সন্ত্রাসীরা দ্রæত এলাকা ত্যাগ করে চলে যায়।
ওই ঘটনায় আমার পরিবারের জীবনের ও বসতভিটা নিরাপত্তা চেয়ে আমি শার্শা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করি। এ ব্যাপারে আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
এব্যাপারে স্থানীয় ইউপি সদস্য তরিকুল ইসলাম মিলন বলেন, বিষয়টি আমি মিডিয়ার মাধ্যমে জেনেছি। দুই পক্ষ থেকে আমি কোন অভিযোগ পায়নি। তবে আমি শুনেছি আদালতে মামলা বিচারাধীন। আমি দুই পক্ষকে অনুরোধ করছি, যাতে আইন শৃংখলার অবনতি না হয়।
এ বিষয়ে শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বদরুল আলম বলেন, শহিদুল নামে একজন থানায় অভিযোগ পত্র জমা দিয়েছেন।অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। আইন-শৃঙ্খলা ভঙ্গ করলে অবশ্যই তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে বলে তিনি জানান।
অনুমোদনের সনদ হালনাগাদ না করায় রাজধানীর জুরাইনে জিনোম হাসপাতালে তালা ঝুলিয়ে দিল ঢাকা মহানগর পুলিশের ভ্রাম্যমাণ আদালত। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাসপাতালটির ব্যবস্থাপনা পরিচালককে ১ বছর এবং বিপণন ব্যবস্থাপককে ৬ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন।
লাইসেন্স ছাড়াই দিব্যি চলছিল জুরাইনের জিনোম হাসপাতাল। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালাতে এসে ভ্রাম্যমাণ আদালত নানা অনিয়ম ও অসংগতি পায়।
দেখা যায় মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ দিয়ে, অনুমোদনহীন ল্যাবে চলছে নানা পরীক্ষা। এ ছাড়া স্বাস্থ্যসেবার মূল্য তালিকা ঝুলিয়ে রাখার নিয়মেরও নেই বালাই। হাসপাতালটির জিএম তিন বছর আগে লাইসেন্স নবায়নের আবেদন করার দোহাই দিয়ে বাঁচার চেষ্টা করলেও ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ১ বছর এবং মার্কেটিং ম্যানেজারকে ৬ মাসের কারাদণ্ড দেন। লাইসেন্স নবায়ন না হওয়া পর্যন্ত হাসপাতাল বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন ম্যাজিস্ট্রেট।
ডিএমপি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রফিকুল হক বলেন, ‘সেবা দেওয়ার নামে অর্থ, স্বাস্থ্য এবং জীবনহানির আশঙ্কা তৈরি করেছে। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। তাই এই হাসপাতাল আমরা আপাতত বন্ধ করে দিচ্ছি। তারা লাইসেন্স না নেওয়া পর্যন্ত এটা বন্ধ থাকবে এবং তাদের আমরা আইনের আওতায় এনে এই হাসপাতালের যে জেনারেল ম্যানেজার তাকে ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং মার্কেটিং ম্যানেজার ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।’
অভিযানের সময় হাসপাতালটিতে সেবা দিচ্ছিলেন দু’জন চিকিৎসক। একটি ভুঁইফোড় হাসপাতালে চিকিৎসা দিতে পারেন কি না এমন প্রশ্নের কোনও সদুত্তর দিতে পারেননি তারা।
প্রতিষ্ঠানটির এক চিকিৎসক বলেন, ‘একটা প্রতিষ্ঠানের অবশ্যই লাইসেন্স থাকতে হবে এবং সেটা চেক করে প্র্যাকটিস করাটাই বৈধ।’
ডিএমপি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রফিকুল হক বলেন, ‘তারা লাইসেন্সবিহীন একটা হাসপাতালে প্র্যাকটিস করে। এটা আইনত আসলে ঠিক নয়। তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আমরা স্বাস্থ্য অধিদফতরকে জানাব।’
ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযানের সময় সেবা নিতে আসা রোগীদের টাকা ফেরত দেওয়ারও নির্দেশ দেন।
করোনার দ্বিতীয় ধাক্কা সামলাতে মাস্কের ব্যবহার নিশ্চিত করতে এবার মাঠে নেমেছে র্যাব। ঢাকা জেলা প্রশাসনের সঙ্গে যৌথ মোবাইল কোর্টে মাস্ক ব্যবহার না করায় জরিমানা করা হয়। এ ধরনের অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছে নগরবাসী। তবে যাদের মাস্ক ছিল না বরাবরের মতোই তাদের ছিল উদ্ভট সব যুক্তি।
বৃহস্পতিবার (২৬ নভেম্বর) ঢাকা জেলা প্রশাসনের সঙ্গে মোবাইল কোর্টের অভিযানে নামে র্যাব। এদিন মাস্ক ব্যবহার না করায় ১০০- ৩০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হয়।
অভিযান চলাকালে মাস্ক না পরার যুক্তি কেউ বলছেন, অক্সিজেন নিতে মাক্স খুলেছি, কেউবা বলছেন দম বন্ধ লাগে। আর ভুলে বাসায় রেখে এসেছি, মাত্রই ফেলে দিলাম কিংবা হারিয়ে গেছে এমন অযুহাতই দিচ্ছেন অনেকেই।
মোবাইল কোর্টে নিম্নবিত্তদের বিনামূল্যে মাস্ক দেওয়া হলেও ছাড় পায়নি বাকিরা। জরিমানা করা হয় এক’শ থেকে তিন’শ টাকা।
অনেকেই বলছেন, জরিমানার টাকাটা একটু বেশি। তিন’শ টাকা সব সময় সবার কাছে নাও থাকতে পারে। তবে অভিযোগ থাকলেও এমন অভিযান কাজে দেবে বলে মত সাধারণের। তারা বলছেন, এতে করে সাধারণ মানুষের সচেতনতা একটু হলেও বাড়বে। করোনার ভয়ে না হলে র্যাবের ভয়ে অন্তত মাস্ক পরবে।
এ ধাপের করোনা মোকাবিলায় এমন অভিযান চলমান থাকবে জানিয়েছে র্যাব। তারা বলছেন, দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় এখন এধরনের অভিযান জরুরি হয়ে পড়েছে। তাছাড়া ভ্যাকসিন আসার আগ পর্যন্ত মাস্কই ভ্যাকসিনের বিকল্প হিসেবে কাজ করবে।
র্যাব আরও জানায়, এর পাশাপাশি সচেতনতামূলক কার্যক্রমও চলমান থাকবে।
আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ডীন কমপ্লেক্সে দূর্নীতি বিরোধী শিক্ষকরা এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারসহ কয়েকটি বিভাগে শিক্ষকসহ কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ দিতে আবেদনপত্র গ্রহণ চলছে।
দূর্নীতি বিরোধী শিক্ষকরা জানায়, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের মতো দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানের তদন্তে অনিয়ম-দুর্নীতি প্রমাণিত হওয়ায় নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনার নৈতিক ভিত্তি বর্তমান প্রশাসনের নেই। তারা অনিয়ম, দুর্নীতি ও অনৈতিক পন্থায় নিয়োগ সম্পন্ন করার লক্ষ্যে তড়িঘড়ি করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।
তারা অভিযোগ করেন,রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এ্যাক্ট ১৯৭৩ অনুযায়ী অথরিটি ও ডীনসমূহের নির্বাচন সম্পন্ন না করেই নজিরবিহীনভাবে ৫০৩তম সিন্ডিকেটে শিক্ষক প্রতিনিধি ছাড়াই নিয়োগ বোর্ড গঠন করা ও নিয়োগে সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে, যা অনৈতিক। শিক্ষকরা সকল নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ করেন।
হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল, (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় গত ২৫ নভেম্বর রাতে ইয়াবা ব্যবসায়ি রবিউল ইসলাম (২৫)কে ১২০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করেছে রাণীশংকৈল থানা পুলিশ। রবিউল উপজেলার রাজোর গ্রামের গাজি রহমানের ছেলে।
থানাসুত্র মতে গতকাল বুধবার রাতে পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিউলকে কাতিহার থেকে গুয়াগাঁ পাকা রাস্তা থেকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে। ঐদিন রাতেই এ নিয়ে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে তার বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়। পরদিন ২৬ নভেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে তাকে জেলা জেল হাজতে পাঠানো হয়। থানার ওসি এস এম জাহিদ ইকবাল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
বিপ্লব,সাভার ঃ সাভারে সাড়ে সাত বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে এক রিকসা চালককে আটক করেছে পুলিশ।
রাতে সাভারের তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের হেমায়েতপুরের জয়নাবাড়ি এলাকার ভাড়া বাড়ি থেকে তাকে আটক করে পুলিশ। আটক ধর্ষণকারীর নাম সৈয়দ মিয়া (৬০) তার বাড়ি বরিশাল জেলায় বলে জানা গেছে।
ধর্ষণের শিকার হওয়া ওই শিশুর মা জানায়, তারা হেমায়েতপুরের জয়নাবাড়ি এলাকার দেলোয়ার হোসেনের বাড়িতে ভাড়া থাকেন। তার স্বামী একটি পোশাক কারখানায় চাকুরী করেন আর তিনি একটি গার্মেন্টস ট্রেনিং সেন্টারে কাজ শেখার জন্য গতকাল সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। এই সুযোগে প্রতিবেশী রিকসা চালক সৈয়দ মিয়া সন্ধ্যায় তার শিশু মেয়েকে টাকা দেওয়ার লোভ দেখিয়ে নিজের ঘরে নিয়ে মুখ চেপে ধরে ধর্ষণ করলে শিশুটি চিৎকার দিলে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে ধর্ষণকারীকে আটক করে সাভার মডেল থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ধর্ষণকারীকে আটক করে।
ধর্ষণের শিকার শিশুকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এঘটনায় ধর্ষণকারী ব্যক্তি সৈয়দকে প্রধান আসামী করে সাভার মডেল থানায় একটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
এবিষয়ে সাভার মডেল থানা পুলিশ বলছে,মামলা দায়েরের পরে আসামীকে দুপুরে আদালতে প্রেরণ করা হবে।
আশরাফ হোসেন পল্টু, মাগুরা,প্রতিনিধি : মাগুরার শ্রীপুর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে মঙ্গলবার দুপুরে খামারপাড়া গিরিধারী আশ্রম প্রাঙ্গণে সনাতন ধর্মাবম্বীদের মন্দির ও ধর্ম প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ও সংস্কার শীর্ষক প্রকল্প হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট,ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় মাগুরা জেলাধীন শ্রীপুর উপজেলার ১২ মন্দির ও আশ্রম কেন্দ্র উন্নয়নের লক্ষে প্রতিটি মন্দিরের জন্য ১০ লক্ষ টাকা হারে বরাদ্ধকৃত কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট সাইফুজ্জামান শিখর।
শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইয়াছিন কবীর এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন শ্রীপুর থানা অফিসার ইনচার্জ আলী আহম্মদ মাসুদ,খামারপাড়া গিরিধারী আশ্রমের সেবায়েত অসীম কৃষ্ণ,উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও নাকোল ইউপি চেয়ারম্যান হুমাউনুর রশীদ মুহিত,শ্রীকোল ইউপি চেয়ারম্যান এম এম মোস্তাসিম বিল্লাহ সংগ্রাম, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট মাগুরার সহকারি প্রকল্প পরিচালক চৈতি মহলদার ও উপজেলা হিন্দু,বৌদ্ধ,খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি অপূর্ব মিত্র প্রমূখ ।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ও উদ্বোধক মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট সাইফুজ্জামান শিখর বলেন,আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসার পর বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের উচ্চ শিখরে পৌছাতে সক্ষম হয়েছে।
যোগাযোগ ব্যবস্থা,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,স্বাস্থ্য খাতসহ দারিদ্রমুক্ত দেশ গঠনে ব্যাপক উন্নয়ন করতে সক্ষম হয়েছে। তার অংশ হিসেবে মাগুরা জেলাতেও বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে । ধর্ম,বর্ণ নির্বিশেষে সকল শ্রেণি পেশার মানুষ আজ সুখে শান্তিতে বসবাস করছে । তাই তিনি সফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞ প্রকাশ করেন এবং তাঁর জন্য সবার কাছে দোয়া ও আশির্বাদ কামনা করে বক্তব্য শেষ করেন।
সৈয়দ রুবেল,ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধিঃ ঝালকাঠি শহরের একটি বাসার ছাদ থেকে শাহনাজ আখতার (৪৪) নামে এক নারীর মরাদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
২৫/১১/২০২০ইং তারিখ বুধবার সকালে স্থানীয়দের কাছে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে।
পুলিশ ও স্থানীয়দের ধারণা, ওই নারীকে হত্যার পরে লাশ পাশের ছয়তলা বাসা থেকে ফেলে দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, সকাল ১১টার দিকে জলিল তালুকদারের নির্মাণাধীন একতলা ভবনের ওপর বিকট শব্দ হয়। শব্দ শুনে কিছুক্ষণ পরে পথচারীরা গিয়ে এক নারীকে ছাদের ওপর উপুত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ গিয়ে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করে।
ঝালকাঠি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খলিলুর রহমান জানান, বেলায়েত মুন্সির ছয়তলা ভবনের ছাদ থেকে ওই নারীর একটি বোরখা ও পার্স ব্যাগ উদ্ধার করা হয়েছে। ব্যাগের মধ্যে তাঁর জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি পাওয়া যায়। সেখান থেকে তাঁর পরিচয় পাওয়া যায়। মৃত নারীর নাম শাহনাজ আখতার। সে সদর উপজেলার দক্ষিণ পিপলিতা গ্রামের জালাল আহমেদের মেয়ে।
লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরে জানা যাবে।
আশরাফ হোসেন পল্টু,মাগুরা প্রতিনিধি: মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার গয়েশপুর ইউনিয়ন পরিষদ অডিটোরিয়ামে মঙ্গলবার বিকালে ওয়েভ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে এবং ‘মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন’ ও ‘ইউকেএইড’-এর সহযোগিতায় হয়।
মাগুরার জেলা প্রশাসক ড. আশরাফুল আলম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ২৯০ জন সুবিধাভোগিকে ৭ হাজার ৫০০ করে টাকা প্রদানের সমাপনী দিনে এ নগদ অর্থ প্রদান করেন।
গয়েশপুর ইউনিয়নের লোকমোর্চার সভাপতি নেকবর হোসেন মÐলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইয়াছিন কবীর, জেলা লোকমোর্চার সভাপতি আবদুর রউফ মাখন, উপজেলা লোকমোর্চার সাধারণ সম্পাদক মুসাফির নজরুল, প্যানেল চেয়ারম্যান আফসার উদ্দিন আহমেদ, রেসপন্সের জেলা কো-অর্ডিনেটর ওসমান গনি। জেলা লোকমোর্চার সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক অলোক বোস অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন।
অনুষ্ঠানে ওই ইউনিয়নের সুবিধাভোগিদের মধ্যে ৮ জনকে শেষ কিস্তির নগদ ২ হাজার ৫০০ করে নগদ টাকা দেওয়া হয়। অন্যদের বিকাশের মাধ্যমে প্রদান করা হয়েছে।
মৃধা শাহীন শাইরাজ তালতলী প্রতিনিধি : বরগুনার তালতলীতে চিরকুটে মারিয়া আমার জান লিখে স্কুল ছাত্রের আত্মহত্যার ঘটনাকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবী করেছেন পিতা-মাতাসহ তার পরিবার। ওই স্কুল ছাত্রের পিতা-মাতাসহ তার পরিবারবর্গ বুধবার তালতলী প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে রিয়াজকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবী করেন।
লিখিত বক্তব্যে তারা বলেন, চলতি বছরের ১লা নভেম্বর উপজেলার হরিনখোলা এলাকায় মাটিতে পা ভর করা ঝুলান্ত অবস্থায় জুবায়ের হোসেন রিয়াজের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় রিয়াজের পকেটে ১টি চিরকুট পাওয়া যায় বলে জানান পুলিশ। চিরকুটে লেখা ছিল মা আমাকে ক্ষমা কর, আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দাই নয় ও মারিয়া আমার জান।
এতে প্রাথমিক ভাবে রিয়াজ আত্মহত্যা করেছে বলে ধারনা পুলিশের। তবে রিয়াজ আত্মহত্যা নয় তাকে হত্যা করে বাড়ীর দরজার তেতুলগাছের সাথে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।
এ ঘটনার আগে মামুন মাস্টারের কাছে তার আপন ভাইগ্নে মারিয়া ও রিয়াজ প্রাইভেট পরত। মারিয়া ও রিয়াজকে স্থানীয় রাখাইনদের ফানুস উৎসবে দেখে স্থানীয়রা। এ ঘটনায় মারিয়া ও রিয়াজের প্রেমের অজুহাত দিয়ে মামুন মাস্টার রিয়াজকে প্রায়ই মারধর করত।
তবে মারধরের বিষয় অন্যান্য ছাত্রছাত্রীদের কাছে বলত কোচিংয়ের টাকার জন্য মারধর করেছি। এমনকি মারিয়ার ভাই কাইউম রিয়াজকে বিভিন্ন সময় প্রাননাশের হুমকি দিয়ে আসছিল। তাই আমাদের দাবী পুত্র রিয়াজ আত্মহত্যা নয় তাকে হত্যা করে গাছের সাথে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। কারন, আমার ছেলে মারা যাওয়র পরে প্রাইভেট মাস্টার ও মারিয়ার মামা এলাকা থেকে উধাও হয়ে যায়। ঘটনার ২ দিন পরে ওই প্রাইভেট মাস্টার আমাদের বাড়ীতে আসে তখন তার কাছে ছেলের বই খাতা কোথায় জানতে চাইলে বলে পানিতে ভেসে গেছে। এমনি অমুলক জবাব দেয়ায় উপস্থিত এলাকাবাসীর তোপের মুখে পালিয়ে যান তিনি।
এরপরে প্রাইভেটের সকল ছাত্র-ছাত্রীদের সাংবাদিক ও পুলিশের সাথে কথা বলতে নিষেধ করেন। আমার ছেলের মৃত্যুর রহস্যের পিছনে মামুন ও মারিয়ার পরিবারসহ জড়িত।
রিয়াজের মা মোসাঃ জেসমিন বেগম বলেন, আমার ছেলের লাশ উদ্ধারের সময় পর্যন্ত পা মাটিতে ছিল যাহা রহস্যময়। ঘটনার আগের দিন বিকেলে আমার ছেলে নতুন জুতা পায় দিয়ে পড়তে গিয়েছিল কিন্তু লাশ উদ্ধারের সময় হতে আজ পযর্ন্ত তার জুতা পাওয়া যায়নি।
তিনি আরও বলেন, ঘটনার ২২দিন পার হলেও পুলিশ ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আমাদের দেয়নি। আমরা সঠিক তদন্তের রিপোর্ট চাই। তালতলী থানা পুলিশ ঘটনার দিন ১টি খালি সাদাকাগজের নিচের দিকে ২টি স্বাক্ষর নিয়েছে। ঘটনার প্রায় সপ্তাহখানেক পরে লিখিত একটি সাদা কাগজ দিয়েছে সে কাগজ আমার নয়। কারন, ওই কাগজের স্বাক্ষরের সাথে আমার স্বাক্ষরের কোন মিল নেই। প্রশাসনের কাছে দাবী এসকল বিষয় সঠিকভাবে তদন্ত করলে রিয়াজ হত্যার আসল রহস্য বের হয়ে আসবে।
তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান মিয়া বলেন, রিয়াজ আত্মহত্যার ময়না তদন্তের রিপোর্ট এসেছে এতে আত্মহত্যার জনিত মৃত্যু বলে ডাক্তার তার মতামত প্রদান করেছেন। কোনো ধরনের স্বাক্ষর নেয়া হয়নি। তারা যে অভিযোগ করেছেন সেই ভিক্তিতে একটি অপমৃত্যু মামলা নেওয়া হয়েছে।