34 C
Dhaka, BD
সোমবার, এপ্রিল ১৩, ২০২৬

রাণীশংকৈলে ১০ বছরের শিশুসহ বজ্রপাতে মৃত্যু-২ আহত-১

হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল, (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় ২৬ সেপ্টেম্বর শনিবার বজ্রপাতে দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতরা হলেন উপজেলার দুর্লভপুর গ্রামের নাসিরুলের ছেলে রনি (১০) এবং একই গ্রামের আবুল কালামের ছেলে আলিমউদ্দিন (২০) এবং আহতজন হলেন আব্দুর রউফ (৩৫)।

জানা গেছে এদিন বিকেলে দুর্লভপুর গ্রামের রনি,আলিম ও আব্দুর রউফ নামে ৩ ব্যক্তি বাড়ির পাশে পিছলাপুকুর বিলে মাছ ধরতে যায়। এ সময় ঝড়বৃষ্টি চলাকালে বজ্রপাতে রনি ও আলিম ঘটনাস্থলেই মারা যায়। স্থানীয়রা আব্দুর রউফকে গুরুতর আহত অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে ।

পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতে রেফার্ড করা হয়। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মেডিক্যাল আবাসিক অফিসার ডাঃ ফিরোজ আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেন। রাণীশংকৈল থানা অফিসার ইনচার্জ এস এম জাহিদ ইকবাল বজ্রপাতে দুর্ঘটনায় দু’জনের মৃত্যু ও একজনের আহতের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

রাজশাহীর পদ্মায় নৌকাডুবির ঘটনায় মামলা

সৌমেন মন্ডল,রাজশাহী ব্যুরোঃ রাজশাহীর পবা উপজেলার হারুপুর নবগঙ্গা এলাকায় পদ্মা নদীতে ১৩ জন যাত্রী নিয়ে নৌকা ডুবির ঘটনায় নৌকার দুই মালিকসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। নগরীর দামকুড়া থানায় রাজশাহী নৌপুলিশের কন্সটেবল শরিফুল ইসলাম বাদি হয়ে শনিবার দুপুরে মামলা দায়ের করেন।

মামলার আসামিরা হচ্ছেন, নৌকার মালিক ঈসা, মিলন ও নৌকার মাঝি সুমন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাজশাহী মহানগর নৌপুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদি মাসুদ।

মেহেদি মাসুদ জানান, নদীতে নৌকা ভ্রমণে লাইফ জ্যাকেট বাধ্যতামূলক। কিন্তু শুক্রবার নৌকার মালিকরা যাত্রীদের লাইফ জ্যাকেট না পরিয়ে নৌকায় উঠান। আর এই অবহেলার জন্যই নৌকাডুবির ঘটনায় মালিক ও মাঝির নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এদিকে গতকাল শুক্রবার বিকেলে ১৩ জন যাত্রী নিয়ে নৌকাডুবির পর ১১ জন সাঁতরে তীরে ফিরে আসলেও দুইজন নিখোঁজ রয়েছে। নিখোঁজ দুইজন হলেন, সাদিয়া ইসলাম সূচনা (২২) নামের একজন আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ (এআইইউবি) এর বিবিএ তৃতীয় সেমিস্টারের শিক্ষার্থী এবং রিমন (১৪) নামের একজন অষ্টম শ্রেণির ছাত্র। নৌকাডুবির ঘটনার পর থেকেই নিখোঁজদের উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরী দল কাজ করছে।

রাজশাহীর ফায়ার সাভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক জাকির হোসেন জানান, শুক্রবার বিকেলে ১৩ জন যাত্রী একটি ছোট ইঞ্জিনচালিত নৌকা নিয়ে পদ্মা নদীতে বেড়াচ্ছিলো। এ সময় নবগঙ্গা এলাকায় পদ্মায় নৌকাটি ডুবে যায়। ১১ জন যাত্রী স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ও সাঁতরে তীরে উঠে আসে। বাকি দুইজন নিখোঁজ রয়েছে। শুক্রবার রাত ১১টা পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান চলেছে। এরপর আবারো শনিবার সকাল ৭টা থেকে উদ্ধার অভিযান শুরু হয়েছে।

জাকির হোসেন আরো জানান, উদ্ধারকৃতদের মধ্যে দুইজন অসুস্থ্য হয়ে পড়েছিলো। তাদেরকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরী নুরুন্নবী বলেন, ‘নদী ভাঙনের কারণে যে আবর্জনা তৈরি হয় সেগুলো নদীতে জমে যাওয়ার কারণে ডুবুরীদের সঠিকভাবে কাজ করতে সমস্যা হচ্ছে। কিন্তু তবুও আমরা উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছি। যতক্ষণ নিখোঁজ দুইজনকে পাওয়া না যায় ততক্ষণ এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

নগরের কাশিয়াডাঙ্গা থানার ওসি এমএম মাসুদ পারভেজ বলেন, ওই নৌকাতে যারা ছিল তারা সবাই একই পরিবারের। তাদের বাড়ি পবা উপজেলার দামকুড়া থানার খোলাবনা গ্রামে। বেড়ানোর জন্য তারা বের হয়েছিল। পরে নৌকা ভাড়া করে পদ্মায় তারা ঘুরছিল। নিখোঁজ সুচনা ও রিমন খালাতো ভাইবোন।

সাভারের গেন্ডা বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় নীলা রায় হত্যাকারীদের দ্রুত ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন (ভিডিও)

সাভারে চাঞ্চল্যকর স্কুলছাত্রী নীলা রায়ের হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশিচত করা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা.এনামুর রহমান।

শনিবার দুপুরে ঢাকা আরিচা মহাসড়কের সাভারের গেন্ডা বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় নীলা রায় হত্যাকারীদের দ্রæত ফাঁসির দাবিতে সাভার নাগরিক কমিটি আয়োজিত এক মানববন্ধন কর্মসুচীতে যোগ দিয়ে তিনি একথা বলেন।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা.এনামুর রহমান বলেন,সকল হত্যাকান্ডেই সরকারের জন্য বিব্রত হত্যাকারীদের কোন ছাড় দেওয়া হবে না জানিয়ে তিনি আরও বলেন , দেশের বিভিন্ন স্থানে মানুষ হত্যা করে ঘাতকরা সাভার ও আশুলিয়া নিরপদ ভেবে এখানে ফেলে যায়। এসময় তিনি ব্যাংক কলোনী এলাকার এক কিশোর গ্যাংয়ের বাবা পৌর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সিরুকে দ্রæত বহিস্কারের জন্য নির্দেশ দেন।

এদিকে নীলা রায় হত্যাকারী ঘাতক কিশোর গ্যাংস সদস্য মিজানুর রহমান মিজানকে আজ দুপুরে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে প্রেরণ করেছে পুলিশ।

হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ সাজা নিশিচত করা হবে জানিয়ে দুপুরে সাভার মডেল থানায় এক সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন সরদার বলেন , এ হত্যাকান্ডের ঘটনায় আরও কেউ জড়িত আছে কিনা বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
মানববন্ধন কর্মসুচীতে সাভার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল আলম রাজীবসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা ও সুশিল সমাজের লোকজন অংশ গ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য গতকাল রাতে নিলা রায় হত্যাকাÐের আসামী মিজানুর রহমান মিজানকে সাভারের তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের রাজফুলবাড়িয়ার কর্নেল ব্রিকস ফিল্ডের পাশে পারভেজ নামের এক ব্যক্তির বাড়ি থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করে সাভার মডেল থানা পুলিশ । এসময় পুলিশ তাঁদের কাছ থেকে হত্যাকাÐে ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করেছে।

এর আগে গত ২৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার গভীর রাতে মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর উপজেলার চারিগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয় মিজানুরের বাবা আবদুর রহমান (৬৯) ও মা নাজমুন্নাহার সিদ্দিকাকে (৪৯)। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শুক্রবার তাঁদের তিন দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।

এছাড়া গত মঙ্গলবার গ্রেপ্তার করা হয় মিজানুরের আরেক সহযোগী সেলিম পালোয়ান নামের এক যুবককে।
নীলার পরিবারের অভিযোগ, প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় গত ২০ সেপ্টেম্বর সাভারের পালপাড়া এলাকায় স্থানীয় ব্যাংক কলোনী এলাকার অ্যাসেড স্কুলের দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী নীলা রায়কে কুপিয়ে হত্যা করেন মিজানুর রহমান মিজান নামের এক কিশোর গ্যাং। এঘটনার পর থেকে মিজান পলাতক ছিলো।

এ ঘটনায় নীলার বাবা নারায়ণ রায় গত সোমবার রাতে সাভার মডেল থানায় মিজানুর, তাঁর বাবা আবদুর রহমান, মা নাজমুন্নাহার সিদ্দিকাসহ অজ্ঞাতনামা আরও চারজনকে আসামি করে মামলা করেন।
আসামীদের দ্রæত গ্রেপ্তার করায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন সাভার উপজেলাবাসী।সাভার-ঢাকা

সাভারে গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ ৩ জনের মধ্যে ২জনের মৃত্যু, একজন আশঙ্কাজনক অবস্থায়

জাহিদুল ইসলাম অনিক : সাভারের হেমায়েতপুরের মোল্লাপাড়ায় বাসা বাড়ির গ্যাসের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ ৩ জনের মধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় অপর আর একজন দগ্ধ হয়ে আশাঙ্কাজনক অবস্থায় আছে বলে জানা যায়।

শুক্রবার বিকেলে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দু’জন মারা যায়। নিহতের নাম ফরিদ ও হাবিব। এ ঘটনায় দগ্ধ অবস্থায় এখনো মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে হৃদয় নামে আরো একজন।এর আগে বুধবার দিবাগত ভোররাতে তারা দগ্ধ হন।নিহত ও দগ্ধরা সবাই টাইলস মিস্ত্রি।

সাভার মডেল থানার ট্যানারী পুলিশ ফাড়ির পরিদর্শক জাহিদুল ইসলাম জাহিদ( বিপিএম, পিপিএম) জানান,হেমায়েতপুরের মোল্লাপাড়ায় একটি ভাড়া বাড়িতে ওই ৩ টাইলস মিস্ত্রি ভাড়া থাকতেন।গেল বুধবার দিবাগত ভোর রাতে তারা ৩ জন তাদের ভাড়া বাড়ির নিজ কক্ষে গ্যাসের লিকেজ থেকে আগুন ধরে দগ্ধ হন।পরে তাদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় দুজন।প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারনা, ভোরে রান্না করার সময় চুলায় আগুন জ্বালাতে গেলে গ্যাসের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ ঘটে আগুন ধরে তারা দগ্ধ হন।এছাড়া গ্যাসের লাইনটি বৈধ নাকি অবৈধ তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

সাভারে তুরাগ নদী থেকে অজ্ঞাত (৩৩) এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ (ভিডিও)

https://youtu.be/dRz2Bq9pei4

সাভার,প্রতিনিধি ঃ বৃহস্পতিবার রাতে বিরুলিয়ার সাদুল্যাপুর তুরাগ নদী থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশ বলছে,রাতে সাভারের সাদুল্যাপুর তুরাগ নদীতে অজ্ঞাত এক যুবকের ক্ষতবিক্ষত লাশ দেখতে পায় স্থানীয়রা। পরে আশুলিয়া থানা নৌ পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে প্রেরণ করে।

এবিষয়ে আশুলিয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির এস আই ময়নাল হোসেন বলেন,অজ্ঞাত ওই ব্যক্তিকে দুর্বৃওরা চার থেকে পাঁচদিন আগে তাকে হত্যা করে তুরাগ নদীতে কচুরী পানার নিচে লাশ গুম করার জন্য রেখে পালিয়ে যায়। তার গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহৃ রয়েছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন নিহত ওই যুবকের নাম পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে।

এঘটনায় সাভার মডেল থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। অন্যদিকে ঢাকার ধামরাইয়ের ডাউটিয়া এলাকা থেকে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশ বলছে,নিহত ওই ব্যক্তি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মারা গেছে ।

এছাড়া আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় এক গার্মেন্টস ব্যবসায়ীকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় মুল আসামীকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

প্রতিনিয়ত এসব এলাকায় মানুষ হত্যাকান্ডসহ নানা অপরাধ মুলক ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। হত্যাকান্ড ঠেকাতে অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশ প্রশাসনের প্রতি আহবান জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

রাসিক মেয়র লিটন এর উদ্যােগে নতুন রুপ পাচ্ছে সোনাদিঘী

সৌমেন মন্ডল,রাজশাহী ব্যুরোঃ মহানগরীর ঐতিহ্যবাহী সোনাদীঘি নতুন রূপ পেতে যাচ্ছে। একই সাথে সোনাদীঘি ফিরে পাচ্ছে তার হারানোর ঐতিহ্য। সোনাদীঘিকে এখন অন্তত তিন দিক থেকে দেখা যাবে। দিঘিকে কেন্দ্র করে গড়ে তোলা হবে পায়ে হাঁটার পথসহ মসজিদ, এমফি থিয়েটার (উন্মুক্ত মঞ্চ) ও তথ্যপ্রযুক্তি পাঠাগার। এ লক্ষ্যে কাজ দ্রæত গতিতেই এগিয়ে চলেছে।

এক সময় সোনাদীঘি ছিল অন্যতম বিনোদনকেন্দ্র। সোনাদীঘির চারপাশ উন্মুক্ত ছিল। এর পানি এতটাই স্বচ্ছ ছিল যে তা দিয়ে এলাকাবাসীর রান্নার কাজও চলত। পানিতে যাতে কেউ ময়লা ফেলতে না পারে, তা তদারকির দায়িত্বে থাকতেন রাজশাহী পৌরসভার কর্মচারীরা। পদ্মা নদীর সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত ছিল দীঘি। এতে ভরা বর্ষা মৌসুমে পদ্মার পানি ঢুকত দীঘিতে। নদীর ঘোলা পানি থিতিয়ে যাওয়ার পর দেখা মিলত স্বচ্ছ পানির। ১৯৮০-৮১ সালের দিক থেকে সোনাদীঘির চারপাশে স্থাপনা নির্মাণ শুরু হয়। ঢাকা পড়ে সোনাদীঘির মুখ। রাস্তা থেকে আর সোনাদীঘি দেখা যেত না তখন।

সোনাদীঘির হারানোর ঐতিহ্য ফিরে আনতে ২০০৯ সালে প্রথম মেয়াদে উদ্যোগ নেন সিটি মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন। পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) এর আওতায় ‘এনা প্রপার্টিজ’ নামের একটি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের সাথে ১৬ তলাবিশিষ্ট ‘সিটি সেন্টার’ নির্মাণ ও সোনাদীঘিকে সাজানোর চুক্তি করে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন। সিটি মেয়র খায়রুজ্জামান লিটনের প্রথম মেয়াদের সময়কালে (২০০৮-১৩) এর নির্মাণকাজ এগোলেও পরবর্তী ৫ বছর কাজ বন্ধ হয়ে থাকে। ২০১৮ সালের ৫ অক্টোবর দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্বগ্রহণের পর সিটি সেন্টার ও সোনাদীঘিকে সাজানোর কাজে গতি ফেরান মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন।

ইতোমধ্যে বিভিন্ন স্থাপনা, মসজিদ ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে সোনাদীঘিকে উন্মুক্ত করা হয়েছে। বৈধ ব্যবসায়ীদের সিটি সেন্টারে পুর্নবাসন করা হয়েছে। গত ১৮ সেপ্টেম্বর সোনাদীঘি মসজিদকে সিটি সেন্টারের স্থানান্তর করা হয়েছে। এরপর শুরু হয় স্থাপনা ভাঙার কাজ। নির্মাণ কাজ ও সাজানো শেষে সিটি সেন্টার হবে অন্যতম বাণিজ্যকেন্দ্র আর সোনাদীঘি হবে দৃষ্টিনন্দন বিনোদনকেন্দ্র। সোনাদীঘিকে কেন্দ্র করে ওই এলাকার পুরো চিত্রই পাল্টে যাবে। দর্শনার্থীদের পাশাপাশি পুরো বাজার এলাকার ব্যবসায়ীরাও এর সুফল ভোগ করবেন। এই দীঘির চারপার্শে পর্যাপ্ত বসার জায়গা রাখা হবে। পরিবার নিয়ে মানুষ সেখানে বসবে। উপভোগ করবে স্বচ্ছ পানির জলাধার। রাতে আলোকায়ন থাকবে। থাকবে ফোয়ারা। সংস্কার শেষ হলে তিন দিক থেকে সোনাদিঘিকে দেখা যাবে। তখন এটি আগের মতোই নগরের একটি বিনোদন কেন্দ্রে পরিণত হবে।

রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, ঐহিত্যবাহী সোনাদিঘী পাড়ে নবনির্মিত সিটি সেন্টার হবে রাজশাহীর সবচেয়ে চমৎকার আধুনিক বহুতল ভবন। সোনাদীঘিকে কেন্দ্র করে উন্নয়ন ও সৌন্দর্য্য বর্ধনের কাজ করা হবে। নির্মিত হবে নতুন মসজিদ। থাকবে বসার ও হাটার রাস্তা এবং উন্মুক্ত জায়গা। রাতে আলোকায়ন করা হবে। দিঘীকে সংস্কার করে স্বচ্ছ পানির ব্যবস্থা করা হবে। কাজ শেষে সোনাদিঘী ফিরে পাবে তার ঐতিহ্য ও নিজস্ব স্বকীয়তা।

রাণীশংকৈলে ৩ টি চোরাই গরুসহ ৪ চোর গ্রফতার ।

হুমায়ুন কবির,রাণীশংকৈল, (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল পৌরশহরের চাঁদনী ভান্ডারা এলাকা থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর বুধবার দিবাগত রাত ৪ টায় ৩ টি চোরাই গরু, ১ টি পিক আপভ্যান সহ ৪ গরু চোরকে আটক করেছে থানা পুলিশ।

থানাসুত্র মতে গত বুধবার দিবাগত রাতে টহলরত পুলিশের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পৌশহরের ভান্ডারা এলাকা থেকে ৩ টি গরুসহ ৪ চোরকে আটক করেছে। এইসাথে তাদের একটি ভাড়া করা পিকআপ ভ্যানকেও পুলিশ আটক করে থানায় নিয়ে আসে। আটককৃত চোরেরা হলেন, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার নাগরভিটা গ্রামের খপি লাল চন্দ্র শীলের ছেলে সুবাস চন্দ্র শীল (৪৫), হরিপুর উপজেলার বনবাড়ি গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে খাদেমুল (২৫), রংপুর জেলার কাউনিয়া উপজেলার গোবিন্দ নগরের সিরাজুল ইসলামের ছেলে সোহেল (৩৫) ও ঠাকুরগাঁও রুহিয়া থানার রাখালদেবী হাটের শাহাজাহান আলীর ছেলে বিপ্লব হোসেন রিপন (২০)। এ নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। পরদিন ২৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার বিকেলে আসামীদের জেলা জেল হাজতে পাঠানো হয়।

এ ব্যাপারে থানার ওসি এস এম জাহিদ ইকবাল বলেন, আটককৃতদের বিরুদ্ধে থানায় যথারীতি মামলা হয়েছে। উদ্ধারকৃত গরুগুলিকে বিজ্ঞ আদালতের অনুমতিক্রমে প্রকৃত মালিককে ফেরত দেয়া হবে।

রাণীশংকৈলে জুয়ার আসর থেকে ৫ জুয়াড়ি আটক

হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় জুয়া খেলা অবস্থায় ৫ জুয়াড়িকে আটক করেছে পুলিশ।

গত ২৩ সেপ্টেম্বর বুধবার বিকালে সাব ইন্সিপেক্টর আহসান হাবিবের নেতৃত্বে থানা পুলিশের একটি টিম বিশেষ অভিযান চালিয়ে উপজেলার নেকমরদ- করনাইট (কুমোড়গঞ্জ) গ্রামের ফজু কসাই’র পরিত্যক্ত মুরগীর খোলা ঘরের ভিতর থেকে জুয়াড়িদের আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

এ সময় জুয়ার আসর থেকে নগদ অর্থ, ২ প্যাকেট তাস ও ৮ টি মোবাইলফোন সেট জব্দ করা হয়। আটককৃতরা হলেন, উপজেলার ভোলাপাড়া গ্রামের মৃত সাদেকুল ইসলামের ছেলে জিয়াউর রহমান জিয়া (৩৫), করনাইট গ্রামের খোদা বকসের ছেলে রফিকুল ইসলাম (২৯), একই গ্রামের মৃত মফিজউদ্দিনের ছেলে তছলিম উদ্দীন (৪৫), হাকিমউদ্দিনের ছেলে জামাল উদ্দীন (২৩), ও বাঁশনাহান গ্রামের মৃত ফরজন আলীর ছেলে শাহজামাল ওরফে সাদ (৪৯),।

এ ঘটনায় প্রকাশ্যে জুয়া খেলার অপরাধে তাদের বিরুদ্ধে জুয়া আইন ১৮৬৭ ধারায় থানায় মামলা রুজু করা হয়। পরদিন ২৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে আসামীদের জেলা জেল হাজতে পাঠানো হয়।

রাণীশংকৈল থানা অফিসার ইনচার্জ এসএম জাহিদ ইকবাল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

রাজশাহীতে ড্রেনের পাশে দৃষ্টিনন্দন সড়ক

সৌমেন মন্ডল, রাজশাহী ব্যুরোঃ রাজশাহীর ড্রেনের পাশের সড়ক গুলো নজর কারছে।রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন এলাকার ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নে বহুমুখী উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে। নতুন ফোরলেন সড়কের পাশে প্রশস্ত ড্রেন ও ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে ড্রেন নির্মাণ কাজ চলছে। সহজে ড্রেনের ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার ও কাদামাটি উত্তোলন করতে ১০টি বড় ড্রেনের পাশে ১০টি সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। এছাড়া ১০৫দিন ব্যাপী ড্রেনের কাদামাটি উত্তোলন করা হয়েছে।

২০১৮ সালের ৩০ জুলাই রাসিক নির্বাচনে বিপুল ভোটে মেয়র নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগ মনোনিত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী শহীদ এ.এইচ.এম কামারুজ্জামানের সন্তান এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন। ৫ সেপ্টেম্বর গণভবনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মেয়র লিটনকে শপথবাক্য পাঠ করান। এরপর ৫ অক্টোবর ১০৩ কোটি টাকা ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে দায়িত্ব বুঝে নেন তিনি।

দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন ও রাজশাহী মহানগরীকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, আধুনিক, উন্নত ও বাসযোগ্য শহর গড়তে কাজ শুরু করেন মেয়র লিটন। এরই অংশ হিসেবে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নে বহুমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেন নগরপিতা। দুই বছরে ড্রেনেজ ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়।

মহানগরীর আলিফ লাম মীম ভাটার মোড় হতে ছোট বনগ্রাম, মেহেরচন্ডী, বুধপাড়া, মোহনপুর হয়ে বিহাস পর্যন্ত ৬ দশমিক ৭৯৩ কিলোমিটার ৪ লেন সড়কের দুইপাশে ড্রেন নির্মাণ করা হয়েছে। মহানগরীর বিলসিমলা রেলক্রসিং হতে কাশিয়াডাঙ্গা মোড় পর্যন্ত ফোরলেন সড়কের পাশে ড্রেন নির্মাণ করা হয়েছে। উপশহর থেকে রাণী বাজার পর্যন্ত সড়কের পাশে ড্রেন নির্মাণ করা হয়েছে। কল্পনা সিনেমা হলের মোড় থেকে তালাইমারি পর্যন্ত সড়কের পাশে ড্রেন নির্মাণ করা হচ্ছে। মনিচত্বর থেকে সদর হাসপাতাল পর্যন্ত সড়কের পাশে ড্রেন নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রকল্পভূক্ত অন্যান্য সড়কের পাশে ড্রেন নির্মাণ করা হচ্ছে।
প্রথম মেয়াদের শেষের দিকে ২০১৩ সালে জলাবদ্ধতা দূরীকরণে ‘রাজশাহী মহানগরীর জলাবদ্ধতা দূরীকরণার্থে নর্দমা নির্মাণ প্রকল্প’ গ্রহণ করেন সিটি মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন। দীর্ঘদিন প্রকল্পটির কাজে ধীরগতি ছিল। দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্বগ্রহণের পর ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নে জোর দেন নগরপিতা। ১৯৩ কোটি ২৯ লাখ ৭৭ হাজার টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। প্রকল্পের আওতায় ৬ দশমিক ৩৬ কিলোমিটার প্রাইমারি, ১৯ দশমিক ২৯ কিলোমিটার সেকেন্ডারি এবং ৬৭ দশমিক ৭৫ কিলোমিটার টারশিয়ারি নর্দমা নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে।

বর্তমানে যান্ত্রিক পদ্ধতিতে স্বল্প সময়ের মধ্যে নর্দমার কাঁদামাটি অপসারণের জন্য প্রকল্পভূক্ত ১০টি প্রাইমারি নর্দমার পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। যা যথাক্রমে ‘‘চালনা সুইস গেট হতে গোলজারবাগ গুড়িপাড়া উত্তরপাড়া মসজিদ’ পর্যন্ত ও ‘সাধুর মোড় অর্কিড ছাত্রাবাস হতে বালিয়াপুকুর বড় বটতলা মোড় পর্যন্ত” ড্রেনের পাশে ১ দশমিক ২৩ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। ‘‘বন্ধগেট রেল লাইন হতে মহিলা কর্মজীবী হোষ্টেল হয়ে মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্স পর্যন্ত ড্রেনের পাশে দশমিক ৭৯ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। ‘‘ছোটবনগ্রাম রেল অফিস হতে শালবাগান মোড় পর্যন্ত ড্রেনের পাশে ১ দশমিক ০৭ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। বোসপাড়া পুলিশ ফাঁড়ি হতে টিকাপাড়া ঈদগাহ পর্যন্ত সংযোগ সড়ক নির্মাণ ও টিকাপাড়া গোরস্থানের উত্তর পাশ হতে ওলির বাড়ী হয়ে শিরোইল মঠপুকুর মোড় পর্যন্ত ড্রেনের পাশে ১ দশমিক ১৪ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। হেতম খাঁ ডাঃ জোবাইদা মেমোরিয়াল স্কুল হতে কবির ফার্মেসী পর্যন্ত ও ‘‘ডিঙ্গাডোবা সিটি বাইপাশ হতে রাহেল মোল্লার মোড় পর্যন্ত ড্রেনের পাশে দশমিক ৫০ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। ‘‘তেরখাদিয়া সিলিন্দা কালভার্ট হতে রাজশাহী বাইপাশ পর্যন্ত সংযোগ সড়ক নির্মান শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ২.০৫ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে।

‘‘ছোটবনগ্রাম পূর্বপাড়া মসজিদ হতে বিডিআর ক্যাম্প পর্যন্ত সংযোগ সড়ক নির্মান শীর্ষক প্রকল্প প্রকল্পের আওতায় .৭৯কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে।

এছাড়া ‘রাজশাহী মহানগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার উন্নয়ন’ প্রকল্পের আওতায় ৩০টি ওয়ার্ডে প্রায় সাড়ে ২২ কিলোমিটার নর্দমা নির্মাণ করা হয়েছে। রাজশাহী মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ডে ক্ষতিগ্রহস্থ সড়ক ও নর্দমা সূমহের উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ড্রেন নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে।

এদিকে জলাবদ্ধতা দূরকরণে গত ৪ মার্চ মহানগরীর দক্ষিণ থেকে উত্তরমুখী ৪৬টি কালভার্ট এবং বিভিন্ন ড্রেনের ৯০ দিনব্যাপী কাদামাটি উত্তোলন কাজের উদ্বোধন করেন মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন। ৯০ দিনের কাজ শেষে আরো ১৫দিন কাদামাটি উত্তোলন করা হয়। এক্সেভেটর দিয়ে এবং প্রতিদিন ৮০জন শ্রমিক দিয়ে এই কাজ সম্পন্ন করা হয়।

ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নে গৃহীত প্রকল্পের আওতায় নর্দমাসমূহে মহানগরীর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থায় ব্যাপক উন্নতি সাধিত হয়েছে। ক্রমবর্ধমান নগরায়নের প্রেক্ষাপটে বর্ধিত এলাকাসমূহে পানি নিষ্কাশনে ৪র্থ পর্যায়ে নর্দমা নির্মাণ শীর্ষক একটি প্রকল্প প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

সাভারের আলোচিত নিলা হত্যা মামলায় সেলিম পালোয়ান নামের এক আসামী গ্রেপ্তার

বিপ্লব,সাভার ঃ সাভারে প্রেমের প্রস্তাবে সাড়া না দেয়ায় বখাটের উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত স্কুলছাত্রী নীলা রায় হত্যাকান্ডে ঘটনায় সেলিম পালোয়ান (২৮) নামের এক আসামীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সেলিম পালোয়ান সাভার পৌর এলাকার পালপাড়া মহল্লার হাফেজ পালোয়ানের ছেলে।

বুধবার সকালে মানিকগঞ্জের আরিচা থেকে তাকে আটক করে সাভার মডেল থানা পুলিশ। তবে এ ঘটনায় এখনো পলাতক রয়েছে হত্যাকান্ডের মূল আসামী কিশোর গ্যাং সদস্য মিজানুর রহমান।

পুলিশ জানায়, হত্যাকান্ডের সময় সেলিম পালোয়ান সরাসরি মিজানুর রহমানের সাথে স্কুল ছাত্রীকে হত্যাকান্ডে অংশ নেয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে অন্যদের সন্ধানে অভিযান চলছে। ইতোমধ্যে ঘটনা¯’ল পরিদর্শন করে হত্যাকা-ের বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে হত্যার পূর্বে স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ করা হয়েছিলো কি’না সেটিও নিশ্চিত হতে ভিসেরা ও বিএনএফ পরীক্ষা চলছে।

মামলার মূল অভিযুক্ত বখাটে মিজান এলাকায় যাদের নিয়ে কিশোর গ্যাং গড়ে তুলেছিল সে বিষয়েও খোঁজখবর নিচ্ছে পুলিশ।

সাভার মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামী সেলিমকে দুপুরে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

এবিষয়ে ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন সরদার বলেছেন, মামলার সব আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বিভিন্ন ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে আসামিদের নাগালের মধ্যে নিয়ে আসার চেষ্টা চলছে।

এরআগে, গত ২০ সেপ্টেম্বর রাতে ভাইকে নিয়ে হাসপাতালে যাওয়ার সময় ভাইয়ের সামনে থেকে স্থানীয় এ্যাসেড স্কুলের দশম শ্রেণীর ছাত্রী নীলা রায় কে তুলে নিয়ে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে হত্যা করে মিজান।

এ ঘটনায় মিজানের ছাড়াও তার মা-বাবাকে আসামি করে মামলা দায়েরের পর থেকেই পলাতক রয়েছেন সবাই।

সর্বশেষ আপডেট...