মাগুরা ২ যাত্রীবাহী বাস ও মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে নিহত ৪, আহত ৩০
আশরাফ হোসেন পল্টু, মাগুরা প্রতিনিধি ঃ মাগুরা যশোর মহাসড়কের মঘি এলাকায় দু’টি যাত্রীবাহী বাস ও একটি মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে ৪ জন বাসযাত্রী ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছে অন্তত ৩০ জন বাসযাত্রী।
আজ শুক্রবার দুপুরে দুপুর দেড়টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত নিহতের মধ্যে ২ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হচ্ছেন দুর্ঘটনার শিকার চাকলাদার পরিবহনের সুপারভাইজার আমিন মিয়া (৪০)। তার বাড়ি যশোর জেলা সদরের রুপদিয়া গ্রামে।
অপর নিহত হচ্ছেন নরসিংদি জেলার দত্তপাড়ার ফকরুল ইসলাম (৩৮)। নিহত অন্য দ’ুজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি। আহতদের মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
মাগুরা সদর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জয়নাল আবেদিন জানান, বরিশাল থেকে চাকলাদার পরিবহন যশোরগামী একটি যাত্রীবাহী বাস ও একই দিকে যাওয়া একটি মাইক্রোবাস ঘটনাস্থলে পৌঁছলে বিপরীত দিক থেকে আসা ঢাকাগামী সোহাগ পরিবহনের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ সময় এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।
চাকলাদার পরিবহনের বাসটি এখনো রাস্তার পাশে খাদে পড়ে আছে। সেটি উদ্ধারের চেষ্টা করছে মাগুরা ও যশোর দমকল বাহিসীর সদস্যরা। নিহতরা সবাই এ পরিবহনের যাত্রী।
রাণীশংকৈলে ৪৯ বোতল ফেন্সিডিলসহ যুবক গ্রেফতার
হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার ধর্মগড় এলাকা থেকে গত ১৮ সেম্পেম্বর শুক্রবার রাতে ৪৯ বোতল ফেনসিডিলসহ যুবককে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ।
গ্রেফতারকৃত যুবক আনোয়ার (৩৫) পার্শ্ববর্তী হরিপুর উপজেলার পশ্চিম বনগাঁও গ্রামের তমিজউদ্দিনের ছেলে।
থানা সূত্রে জানা গেছে ,গতকাল রাতে রাণীশংকৈল থানা পুলিশের একটি টহলটিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার ধর্মগড় মুক্তার বস্তির কৃষক ইউনুস আলীর আবাদি জমি সংলগ্ন কাঁচা রাস্তার উপর থেকে অভিযান চালিয়ে মাদক ব্যবসায়ী আনোয়ারকে ফেন্সিডিলসহ হাতেনাতে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে।
পরদিন ১৯ সেপ্টেম্বর শনিবার সকালে আসামী আনোয়ারকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় জেলা জেল হাজতে প্রেরণ করা হয় ।
রানীশংকৈল থানার ওসি এসএম জাহিদ ইকবাল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
লিটনের হাত ধরে উন্নয়নের জোয়ার বইছে রাজশাহীতে
সৌমেন মন্ডল, রাজশাহী ব্যুরোঃ রাজশাহীর নগড় এর চিত্র বদলে গেছে। রাসিক এর মেয়র হবার পর থেকে উন্নয়নের জোয়ারে ভাসছে নগড়ি।এর মধ্য বিশ্বের দরবারে পরিচ্ছন্ন নগড়ির হিসেবে সিকৃতি পেয়েছে রাজশাহী।অনেক আগেই দেশের শিক্ষা নগড়ির খ্যাত অর্জন করেছে।

রাসিক এর দ্বায়িত্ব পাবার পর বদলে যাচ্ছে রাজশাহী মহানগর। পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা হচ্ছে শিক্ষানগরী হিসেবে খ্যাত এই শহরকে।
সিটি নির্বাচনের সময় বিভিন্ন প্রতিচুতির কথা বলেছিল বর্তমান রাসিক মেয়র লিটন।তার প্রায় সবকটি কাজ একটি একটি করে শেষ করছে।এর মধ্য পদ্মার পাড়,হাইটেক পার,চারলেন রাস্তা,বিমান বন্দরের উন্নয়ন।সোনাদিঘীর মোড়,ফ্রাইওভার,কামরুজ্জামান শিশু উদ্যান ইত্যাদি।
এর আগে এই বছর ফেব্রুয়ারি মাসে এই নগরকে সাজাতে প্রায় তিন হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন করেছে একনেক। এখন পর্যন্ত এটি সর্ববিহত প্রকল্প।
মেয়র লিটন বলেন, ‘রাজশাহী নগরীর সার্বিক উন্নয়ন করতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। এই শহরকে একটি উন্নত শহর হিসেবে গড়ে তুলতে এটিকে ঢেলে সাজাতে চাই। এর জন্য যা যা করার দরকার, তাই করা হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সহযোগিতায় রাজশাহীকে আমরা পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে বিভিন্ন কাজ হাতে নিয়েছি।’
মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, অনেকটা স্বপ্নের নগরী হয়ে উঠবে রাজশাহী। তবে এর জন্য চাই টাকা।মাননীয় প্রধান মন্ত্রী আমাকে বলেছেন উন্নয়ন করতে যা যা করা লাগে করো আমি পাশে আছি।তিনি বলেন আমি রাজশাহী সিটিকে মেগা সিটিতে পরিনত করবো।শুধু আপনারা আমার পাশে থাকেন।
রাজশাহীর অন্যতম ব্যস্ত সড়ক হলো ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক। এই সড়কটিকে ৬ লেনে উন্নীত করার করা হবে।এর কাজ শুরু হয়ে গেছে।
গ্রিন সিটি, ক্লিন সিটি রাজশাহী একটি অন্যতম পরিচ্ছন্ন শহর।রাজশাহীকে আবারও উন্নয়ন দিয়ে বদলে দিতে চাই। ‘চলো বদলে দিই রাজশাহী’ এই স্লোগান বাস্তবায়ন করতে চাই উন্নয়ন দিয়ে। রাজশাহীবাসীর দুঃখ-দুর্দশা লাঘবে কাজ করে যেতে চাই।
এটিই আমার পরিকল্পনা, এটিই আমার চিন্তা-চেতনা। নগরবাসীর ভাগ্যের উন্নয়ন করেই আমি আমার রাজনৈতিক জীবন অতিবাহিত করতে চাই।
সাভার থেকে অপহরণের পাঁচ দিন পরে আড়াই বছরের এক শিশুকে উদ্ধার করেছে পুলিশ (ভিডিও)
বিপ্সালব,সাভার ঃ ভার থেকে অপহরণের পাঁচ দিন পরে আড়াই বছরের এক শিশুকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এঘটনায় অপহরণকারী এক দম্পতিকে আটক করেছে পুলিশ। অপহরণের পরে উদ্ধার হওয়া আড়াই বছরের ওই শিশুর নাম আমেনা আক্তার।
পুলিশ বলছে,সাভারের পশিচম ব্যাংকটাউন বাড়ইগ্রাম এলাকায় একটি পোশাক কারখানার শ্রমিক আসাদুল হক ওই এলাকার মোহাম্মদ আলীর বাড়িতে একটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে স্ত্রী সন্তান নিয়ে বসবাস করেন। পরে সেই ভাড়া বাড়ির প্রতিবেশী দম্পতি শামছুন নাহার ও তার স্বামী আশরাফুল ইসলাম গত ১৪ সেপ্টম্বর আড়াই বছরের শিশু আমেনা আক্তারকে দোকান থেকে চকলেট কিনে দেওয়ার কথা বলে অপহরণ করে নিয়ে যান।
পরে অপহরণকারী ওই দম্পতি অপহৃত ওই শিশুর পরিবারের কাছে মুঠোফোনে বিকাশের মাধ্যমে মুক্তিপণ হিসেবে এক লক্ষ টাকা দাবি করেন। টাকা না দিলে শিশুটিকে হত্যা করে লাশ গুম করারও হুমকি দেন তারা। পরে অপহৃত শিশুটির বাবা বিকাশের মাধ্যমে পাঁচ হাজার টাকা পাঠান অপহরণকারীদের কাছে।
এসময় অপহরণকারীরা শিশুটিকে মারধর করে কান্নার আওয়াজ মুঠোফোনে ধারণ করে ইমোর মাধ্যমে অপহৃত শিশুটির বাবার কাছে পাঠান। পরে শিশুটির বাবা সাভার মডেল থানায় অপহরণের একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করতে মাঠে নামেন পুলিশ। পরে তাদেরকে পুলিশ গ্রেপ্তার করতে পারে বিষয়টি বুঝতে পেরে গতকাল বিকেলে অপহৃত শিশুটিকে রংপুরের কোতোয়ালী থানা এলাকায় একটি রাস্তার মধ্যে ফেলে রেখে পালিয়ে যান অপহরণকারীরা।
এসময় অপহরণকারীরা শিশুটির হাতে তার বাবার মোবাইল নাম্বার লিখে দেন। এসময় শিশুটিকে উদ্ধার করতে গত পাঁচ দিন ধরে রংপুর জেলায় অবস্থান নেন সাভার মডেল থানা পুলিশের একটি দল। ঘন ঘন অপহরণকারীরা স্থান পরিবর্তন করায় শিশুটিকে উদ্ধার করতে পুলিশের একটু বেগ পেতে হয়। পরে গতকাল বিকেলে অপহৃত ওই শিশুকে রংপুরের কোতোয়ালী থানা এলাকা থেকে উদ্ধার করে পুলিশ।
এসময় উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে গতকাল রাতেই অপহরণকারী দম্পতি শামছুন নাহার ও তার স্বামী আশরাফুল ইসলামকে বগুড়ার শিবগঞ্জ এলাকার একটি বাড়ি থেকে আটক করে। পরে অপহৃত শিশুটিকে আজ ভোর রাতে সাভার মডেল থানায় এনে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে পুলিশ। পুলিশের হাতে আটত হওয়া অপহরণকারী ওই দম্পতির বাড়ি বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ থানার শোলাগাড়ি গ্রামে।
এবিষয়ে সাভার মডেল থানার ওসি তদন্ত সাইফুল ইসলাম বলেন,অপহরণকারী দম্পতির বিরুদ্ধে আজ সকালে সাভার মডেল থানায় মামলা দায়ের করে তাদেরকে দুপুওে আদালতে প্রেরণ করা হবে জানিয়ে তিনি আরও বলেন ওই দম্পতি বিভিন্ন বাড়িতে বাসা ভাড়া নিয়ে শিশুদেরকে অপহরণকরে মুক্তিপণ আদায় করতো বলে জানা গেছে এছাড়া টাকার জন্য শিশুটিকে মারধর করতো বলেও বলেন তিনি।
শিশুটিকে উদ্ধার করায় সাভার মডেল থানা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে শিশুটির পরিবার।
শেখ শেখ পরশের মামার রোগমুক্তি চেয়ে ঢাকা দক্ষিণ যুবলীগের দোয়া মাহফিল
বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশের ছোট মামা, আওয়ামী যুবলীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য আবুল খায়ের আব্দুল্লাহর (খোকন সেরনিয়াবাত) সুস্থতা কামনা করে দোয়ার আয়োজন করেছে ঢাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডে দোয়া মাহফিল ঢাকা দক্ষিণ যুবলীগ।
খোকন সেরনিয়াবাত ব্যাংককের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। তার আশু রোগ মুক্তি কামনায় ঢাকা মহানগর দক্ষিন যুবলীগ উদ্যোগে আজ শুক্রবার বাদ মাগরিব মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় ।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) যুবলীগ জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম এ দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করেন।
দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা, এড. বেলায়েত হোসেন, মোঃ মামুনুর রশীদ, ও ঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এইচ এম রেজাউল করিম রেজা, সহ সভাপতি আনোয়ার ইকবাল সান্টু, নাজমুল হোসেন টুটুল, সৈয়দ আহমেদ হোসেন, কামাল উদ্দিন খান,মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান পলাশ, মুরসালিন আহমেদ,
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, জাফর হোসেন রানা, ফারুক হোসেন।
সাংগঠনিক সম্পাদক
মোহাম্মদ মাকসুদুর রহমান,অর্থ সম্পাদক ফিরোজ উদ্দিন আহমেদ সায়মন,দপ্তর সম্পাদক এমদাদ হোসেন,
উপ দপ্তর সম্পাদক খন্দকার আরিফুজ্জামান, সদস্য এম, আর মিঠু ,যুবলীগ নেতা আওয়াল, মোঃ দুলাল
,সহ কেন্দ্র, মহানগর ও ওয়ার্ড যুবলীগের শত শত নেতাকর্মী।
মিলাদ ও দোয়ার পর তবারক বিতরন করা হয়।
সাভারে গাংচিল বাহিনীর প্রধান সালাউদ্দিন অস্ত্র গুলিসহ আটক ৩
স্টাফ রিপোর্টার ঃ সাভারে গেল কয়েক বছর আগে পুলিশ কর্মকর্তা ও র্যাব কর্মকর্তা হত্যার ঘটনায় গাংচিল বাহিনীর প্রধান সালাউদ্দিন ওরফে এমপি সালাউদ্দিনসহ তিনজনকে অস্ত্র ও গুলিসহ আটক করেছে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র্যাব ৪।
শুক্রবার বিকেলে সাভারের আমিনবাজার এলাকা থেকে তাকে আটক করে র্যাব ৪।
র্যাব ৪ জানায় শুক্রবার বিকেলে সাভারের আমিনবাজারের সালেহপুর এলাকায়
অভিযান চালিয়ে একটি বিদেশী পিস্তল,দুই রাউন্ড গুলি,একটি ম্যাগাজিন,১৯০ গ্রাম হিরোইন,৫০০ পিচ ইয়াবা ও দেশীয় অস্ত্রসহ দুর্ধর্ষ গাংচিল বাহিনীর প্রধান সালাউদ্দিন ও তার দুই সহযোগীকে আটক করে। র্যাব ৪ এর সহকারী পুলিশ সুপার জিয়াউর রহমান চৌধুরী জানান,দুর্র্ধর্ষ গাংচিল বাহিনী ২০০২ সালে আমিনবাজার এলাকার পাশে সাভার থানার ০১ জন এসআই’কে হত্যা, ২০০৭ সালে ০২ জন র্যাব সদস্যকে হত্যা, দিয়াবাড়ী পুলিশ ফাঁড়ির অস্ত্রলুট এবং আমিন বাজার এলাকায় নৌ-টহল দলের অস্ত্রলুট এর সাথে জড়িত ছিল।
এ বাহিনী তুরাগ ও বুড়িগঙ্গা নদীর বালুভর্তি ট্রলার, ইটের কার্গোতে ডাকাতি ও আমিন বাজার এলাকার শতাধিক ইটভাটা থেকে নিয়মিত চাঁদা সংগ্রহ করতো। এছাড়াও এলাকার প্রভাবশালীদের টার্গেট করে গাংচিল বাহিনীর সদস্যরা মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে এবং চাঁদা না দিলে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি করা হয়। চাঁদাবাজি, খুন, ডাকাতি, মাদক ব্যবসা, ছিনতাই সহ তুরাগ আর বুড়িগঙ্গা নদীর দুই ধারে একক ছত্র আধিপত্য বিস্তার ছিল এই বাহিনীর প্রধান কাজ।
২০০০ সাল থেকে সাভার আমিন বাজার ও তার আশপাশের এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকান্ড পরিচালনার মধ্য দিয়ে উতত্থান হয় গাংচিল বাহিনীর; যার প্রধান ছিল আনোয়ার হোসেন ওরফে আনার। বেশিরভাগ সময় পানিবেষ্টিত এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকান্ড পরিচালনা করায় এর নাম দেওয়া হয় গাংচিল বাহিনী। ২০১৭ সালের পর সালাউদ্দিন @ এমপি সালাউদ্দিন নেতৃত্বে এসে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড শুরু করে।
এ বাহিনী মূলত আমিন বাজার, গাবতলী, ভাকুর্তা, কাউন্দিয়া, বেড়িবাধ, কেরানীগঞ্জ ও মোহাম্মদপুর এলাকায় চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা, ডাকাতি, খুন ইত্যাদি কর্মকান্ড চালিয়ে আসছিল।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামীরা জানায়, তারা সবসময় নদীতে ও নদীর তীরবর্তী এলাকায় তাদের কর্মকান্ড পরিচালনা করে এবং বেশিরভাগ সময় নদীপথে যাতাযাত করে। তাদের যাতাযাতের বাহন ছিল ডাবল ইঞ্জিন চালিত ট্রলার। তারা সাভার-আমিনবাজার এলাকার বিভিন্ন ইটভাটার মালিক ও তুরাগ-বুড়িগঙ্গা নদীতে চলাচলকারী বালু ভর্তি ট্রলার মালিকের কাছ থেকে মাসিক ভিত্তিতে চাঁদা আদায় করতো। চাঁদা না দিলে নেমে আসতো ভয়াবহ বিপদ।
উল্লেখ্য, এই বাহিনীর প্রতিটি সদস্যের বিরুদ্ধে পূর্বে সাভার মডেল থানায় খুন, অস্ত্র, ডাকাতি, চাঁদাবাজি ও মারামারির একাধিক মামলা বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।
র্যাব আরও জানায় আটক গাংচিল বাহিনীর প্রধানসহ তিনজনের নামে আজ সন্ধ্যায় সাভার মডেল থানায় মামলা দায়েরের করে তাদেরকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
ধামরাইয়ে আওয়ামী যুবলীগের মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ।
মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন (ধামরাই প্রতিনিধি) ঢাকার ধামরাইয়ে আওয়ামী যুবলীগের বিশেষ মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকাল ৩ ঘটিকার সময় মুন্নু কমিউনিটি সেন্টারে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন ঢাকা জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ঢাকা -২০ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব বেনজীর আহমদ।
অনুষ্ঠানের মূল বিষয় দুই মাসের মধ্যে ঢাকা জেলার অন্তর্গত সকল উপজেলা পৌর ও ইউনিয়নের সম্মেলন করে মেয়াদ উর্ত্তীণ কমিটি ভেঙে দিয়ে নতুন কমিটি দেওয়া হবে।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি এডভোকেট আবুল কাশেম রতন। ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান, ধামরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাসুম খান, ধামরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা সাখাওয়াত হোসেন সাকু, ধামরাই উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সিরাজ উদ্দিন সিরাজ,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সোহানা জেসমিন মুক্তা, ধামরাই উপজেলা যুবলীগ নেতা হাফিজুর রহমান হাফিজ, উপজেলা যুবলীগ লীগ নেতা হারুন উর-রশিদ রোকন, , ধামরাই পৌর যুবলীগের সহ-সভাপতি মোঃ আলী খান,ধামরাই উপজেলা যুবলীগ নেতা সারোয়ার মাহবুব তুষার, ধামরাই পৌর যুবলীগ নেতা শাহীন দেওয়ান, ধামরাই পৌর যুবলীগের ৩নং ওয়ার্ডের সভাপতি মো.আদনান হোসেন সহ উপজেলা যুবলীগের পৌরসভাসহ বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা।
শার্শায় তিনশত এতিম ও ভিক্ষুকদের গোশ-ভাত খাওয়ালেন দেশ সেরা উদ্ভাবক মিজান
মোঃ রাসেল ইসলাম, বেনাপোল প্রতিনিধি: গত ৪ সেপ্টেম্বর,/২০২০ ইং তারিখে পথ শিশু ও পাগলদের মাঝে রান্না করা খাবার পরিবেশনের উদ্দ্যেশে দেশ সেরা উদ্ভাবক মিজানুর রহমান কর্ত্তৃক পরিচালিত মানব সেবা হেল্প ফাউন্ডেশন নামের প্রতিষ্ঠান শার্শা উপজেলার নাভারনে একটি ফ্রি খাবার বাড়ী উদ্ভোধন করা হয়।
শার্শার কৃতি সন্তান ও দেশ সেরা উদ্ভাবক গরীবের বন্ধু হিসেবে খ্যাত মোঃ মিজানুর রহমান এর এমন মহৎ উদ্দ্যোগকে এলাকার মানুষ সাধুবাদ জানান।অত্র উপজেলার নাভারন গালর্স স্কুল গেইট সংলগ্ন অস্থায়ী ভাবে বাদল নার্সারীতে তিনি এই সরাইখানা খোলেন। অত্র উপজেলার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার জুয়েল ইমরান ফ্রি খাবার বাড়ী নামের ঐ সরাইখানা টি উদ্ভোধন করেন। অত্র এলাকার সমাজের সর্বস্তরের মানুষ উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে ফ্রি খাবার বাড়ীর প্রতিস্ঠাতা উদ্ভাবক মিজানুর রহমানকে ধন্যবাদ জানান।

উদ্ভাবনের পাশা পাশী মানব সেবার এই মহতি উদ্দ্যোগকে সাদারন মানুষ বিনয়ের চোখে দেখতে শুরু করেছে।ইতো মধ্যে অনেকেই তার এই মহত কাজের জন্য আর্থিক ভাবে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এমন এক বিদেশী বন্ধুর কাছ থেকে পাওয়া একটি বড় ধরনের গরু’র মাংশ দিয়ে সাদা ভাত ও মুগ্ ডাউলের তরকারী সহ সুবিধা বঞ্চিত ও ৩০০ এতিম শিশুদের মাঝে খাবার পরিবেশন করা হয়। সেই সাথে নির্ধারিত ফ্রি খাবার বাড়ীতে জুম্মাবাদ এতিম শিশুদের নিয়ে আয়োজন করা হয়। দোয়া অনুষ্ঠানে এলাকার সর্ব স্তরের মানুষ অংশ নেন।

উদ্ভাবক মিজানুর রহমান সাংবাদিকদের জানিয়েছেন ২০১৮ ইং সাল থেকে তিনি শার্শা উপজেলা সহ পার্শ্ববর্তী উপজেলাতেও গরীব অসহয় পতশিশু মানসিক বিকার গ্রস্থ (পাগল) রাতার বেওয়ারিশ কুকুর এবং পশুপক্ষিদের রান্না করা খাবার পরিবেশন করে আসচেন। নির্দিস্ট কোন সরাই খানা না থাকায় বা নিজের কোন জায়গা না থাকায় এসকল খাবার পরিবেশন করতে বেশ কষ্ট হচ্ছে বলে নিয়েছেন। স্থায়ী একটি জায়গার সংস্থান হলে ঐসকল গরীব অসহায়দের তৃপ্তি সহকারে খাওয়াতে পারবেন বলে তিনি প্রকাশ করেন।





































