26 C
Dhaka, BD
রবিবার, এপ্রিল ২৬, ২০২৬

দেবীদ্বার বানিয়াপাড়ায় কর্মহীনদের খাদ্য ও ইফতার সামগ্রী বিতরণ

এ আর আহমেদ হোসাইন (দেবীদ্বার-কুমিল্লা)প্রতিনিধি : বৈশ্বিক মহামারী করোনা মুক্তির লক্ষ্যে মিলাদ ও মোনাজাতের মধ্যে দিয়ে শুক্রবার সকালে দেবীদ্বার পৌর বানিয়াপাড়া আনোয়ার এন্টারপ্রাইজ’র মালিক ঠিকাদার আনোয়ার সরকার ও আল আমানত প্রতিষ্ঠানের পরিচালক মুজিবুল হকের উদ্যোগে বানিয়াপাড়া পশ্চিমাংশের ৮২টি কর্মহীন অসহায় পরিবারকে করোনা মোকাবেলায় ও পবিত্র রমজান উপলক্ষে নিত্য প্রয়োজনীয় পরিবারের পরিমান মত খাদ্য ও ইফতার সামগ্রী বিতরণ হয়েছে।

ওই কার্যক্রম বিতরণে অংশগ্রহণ করেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হাজী কেফায়াতুল্লাহ,সৌদি প্রবাসী মোঃ তাজুল ইসলাম,মোহাম্মদ সেলিম নাসির,মোঃ শফিকুল আলম, জামাল কাজী, অহি উল্লাহ মাস্টার, নজরুল ও আব্দুল্লাহ এন্টারপ্রাইজ’র মালিকসহ, আলী হোসেন মাহফুজ,সুমন সরকার সুফিউল্লাহ মাস্টার, কুদ্দুস সরকার প্রমুখ।

বেনাপোলে পুলিশের অভিযান ইয়াবা ট্যাবলেট সহ নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

বেনাপোল প্রতিনিধি: যশোরের বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের অভিযান ৭৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ভবারবেড় গ্রামের আলেয়া খাতুন(৩৫)নামে এক নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। গ্রেফতার নারী মাদক ব্যবসায়ী ভবারবেড় গ্রামের মৃত: আব্দুর হামিদ এর স্ত্রী।
শুক্রবার(১লা মে) বেলা ৩টার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই জাকির হোসেন,এএসআই আলমগীর হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে বেনাপোল পোর্ট থানাধীন ভবারবেড় গ্রামে অভিযান চালিয়ে ৭৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ নারী মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে।

বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মামুন খান আমাদের প্রতিনিধিকে জানান, আজ শুক্রবার গোপন সংবাদ পেয়ে ভবারবেড় গ্রামে অভিযান চালিয়ে ইয়াবা ট্যাবলেট সহ নারী মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার নারী মাদক ব্যবসায়ীকে আগামীকাল যশোর বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হবে।

মানুষের মাঝে আশা জাগাবে এমন সংবাদ প্রকাশ করুন : তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ ঢাকা, ৩০ এপ্রিল, ২০২০ : তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ দুর্যোগের মধ্যে আশা জাগানিয়া সংবাদ পরিবেশন করে মানুষকে জীবনসংগ্রামে টিকিয়ে রাখার মনোবল যোগতে সংবাদপত্র শিল্প সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।তিনি বলেন, “আশাই মানুষকে ভবিষ্যতের দিকে নিয়ে যায় এবং জীবন সংগ্রামে টিকিয়ে রাখে। সেজন্যই আমি সেই সংবাদগুলো প্রকাশের অনুরোধ জানাবো, যেগুলো মানুষের মাঝে আশা জাগাবে। মানুষকে জানাবে যে, আগামীতে সমস্ত অন্ধকার কেটে গিয়ে সুদিন আসবে।”
হাছান মাহমুদ আজ দুপুরে রাজধানীতে সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে নিউজ পেপার ওনার্স এসোসিয়েশন অভ বাংলাদেশ (নোয়াব) প্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময়কালে একথা বলেন।

তথ্যসচিব কামরুন নাহার, নোয়াব সভাপতি এ কে আজাদ এবং এসোসিয়েশনের সদস্যদের মধ্যে মতিউর রহমান, মাহফুজ আনাম, তারিক সুজাত, শাহ হোসেন ইমাম, নঈম নিজাম, আলতামাশ কবির মিশু ও সাইফুল আলম উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদপত্র মালিকদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা চেষ্টা করবেন যাতে করে ইতিবাচক সংবাদগুলো বেশি করে আসে। এসময়ে ইতিবাচক সংবাদ খুব জরুরি। কারণ হতাশাগ্রস্ত ও শংকিত মানুষ ভবিষ্যত নিয়ে ভীষণভাবে চিন্তিত। এই সময়ে মানুষকে আশাবাদী করে তোলা আমাদের দায়িত্ব।”

‘আন্তর্জাতিক মাধ্যমেও অনেক সময় নেতিবাচক সংবাদ আসে, যেগুলো অনেকসময়ই বাস্তবচিত্রের পরিস্ফুটন নয়’ উল্লেখ করে ড. হাছান বলেন, “আমি দেখেছি যে গতকাল বিদেশি গণমাধ্যমে এমন একটি সংবাদ এসেছে, যেটি এখানে অনেক পত্রিকায়ই ছাপা হয় নাই। এইজন্য আপনাদেরকে ধন্যবাদ জানাই।”

তথ্যমন্ত্রী বলেন ‘সংবাদপত্র ও সরকার, আমরা আরো ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবো। কারণ আমাদের সম্মিলিত লক্ষ্য জাতিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। সেই লক্ষ্যেই আমরা সবাই একযোগে কাজ করবো।’

নোয়াব সভাপতি একে আজাদ সরকারি ক্রোড়পত্রসহ বিভিন্ন বিজ্ঞাপনের বকেয়া বিল যাতে সংবাদপত্রগুলো দ্রুত পেতে পারে সেজন্য তথ্য মন্ত্রণালয়কে আরো জোরালো ভূমিকা নেয়াার অনুরোধ করেন। একইসাথে সংবাদপত্রের জন্য ব্যাংক ঋণ সুবিধা ও সংবাদপত্রের হকার, পরিবহন শ্রমিক ও এজেন্টদের জন্য আর্থিক প্রণোদনার বিষয়গুলো সুবিবেচনার দাবি জানান।
এপ্রেক্ষিতে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে সংবাদপত্রের যে বকেয়াগুলো আছে, সেগুলো পরিশোধের জন্য ইতোমধ্যেই মন্ত্রিপরিষদ থেকে চিঠি দিয়ে দেয়া হয়েছে, যাতে সব মন্ত্রণালয় সংবাদপত্রের বকেয়া পরিশোধ করে।

তিনি বলেন,‘সে প্রেক্ষিতে আমরা আগামী সপ্তাহে প্রয়োজনে আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে আরেকটা তাগিদপত্র সব মন্ত্রণালয়ে দেব।’

ড. হাছান আরো বলেন, ‘আপনারা সংবাদপত্র পরিচালনায় যে ঋণের কথা বলেছেন, সেবিষয়েও আমরা বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে কথা বলবো। কারণ আমার দৃষ্টিতে সংবাদপত্র একটি সার্ভিস সেক্টর। শিল্প মন্ত্রণালয় থেকে শিল্প হিসেবেও আপনারা কিছু সুবিধা পান, পাশাপাশি সার্ভিস সেক্টর হিসেবেও আমি মনেকরি এখানে সুযোগ রয়েছে।’

এর পর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) প্রতিনিধিবৃন্দ তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের সাথে তার দপ্তরে সাক্ষাৎ করেন।

ডিআরইউ সভাপতি রফিকুল ইসলাম আজাদ, সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ চৌধুরী ও সদস্য মোতাহার হোসেন মন্ত্রীর সাথে মতবিনিময়কালে সদ্যপ্রয়াত সাংবাদিক হুমায়ুন কবীর খোকনের পরিবারের জন্য সাহায্য কামনা করেন।

সেইসাথে করোনায় আক্রান্ত সাংবাদিকদের সুচিকিৎসা ও ডিআরইউ সদস্যদের জন্য সম্ভাব্য সরকারি সহায়তার আবেদন জানান প্রতিনিধিবৃন্দ।

ঝালকাঠিতে ক্ষুধার তাড়নায় দিশেহারা হয়ে পড়ছে অটোরিকশার শ্রমিকরা খাদ্যের দাবিতে সড়ক অবরোধ

সৈয়দ রুবেল, ঝালকাঠি প্রতিনিধি : ঝালকাঠিতে ক্ষুধার তাড়নায় দিশেহারা হয়ে পড়ছে অটোরিকশার শ্রমিকরা খাদ্যের দাবিতে সড়ক অবরোধ। ব্যাটারীচালিত অটোরিক্সা চালকরা একমাসেরও বেশি সময় ধরে কর্মহীন হয়ে পড়েছে।মহামারী করোনার প্রভাবে কর্মহীন হয়ে না খেয়ে স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে চরম মানবিক জীবন যাপন করছে । তাদের প্রতি সহায়তার হাত বাড়িয়ে জেলা প্রশাসন ও পৌরসভার পক্ষ থেকে দেয়নি কোন খাদ্য সামগ্রী।

এমন অবস্থায় ক্ষুধার তাড়নায় দিশেহারা হয়ে পড়ছে শ্রমিকরা।

৩০/০৪/২০২০ইং তারিখ বৃহস্পতিবার দুপুরে ঝালকাঠি প্রেসক্লাবের সামনে ঘণ্টাব্যাপী সরকারি ত্রাণ ও খাদ্যের দাবিতে অবস্থান ধর্মঘট করে।

এসময় শ্রমিকরা জানান, করোনা সংক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে ঝালকাঠিতে ২৫ মার্চ থেকে সকল যোগাযোগ ও পরিবহন বন্ধ রয়েছে। আমরাও জনস্বার্থের কথা ভেবে খাবারের কথা চিন্তা না করে গাড়ি চালানো বন্ধ রাখি। বাস শ্রমিক, রিক্সা শ্রমিক, হ্যান্ডেলিং শ্রমিকসহ বিভিন্ন ধরনের শ্রমিকরা খাদ্য সহায়তা পেলেও আমাদের কেউ কোন সহায়তা দেয়নি। ১ মাসেরও বেশি সময় ধরে আমরা গারি বন্ধ করে রাখি। ক্ষুধার তাড়নায় রাস্তায় গাড়ি নিয়ে নামতে হবে, তাছাড়া আমাদের আর কোন পথ নেউ।

জেলা অটোরিক্সা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক ও অটোরিক্সা শ্রমিক লীগের সভাপতি আবু সাইদ খান জানান, ২৫ মার্চ করোনা প্রতিরোধে জেলা প্রশাসন থেকে জনসাধারনের চলাচলে কঠোর নির্দেশনা জারী করে। এতে সকল ধরনের গণপরিবহন বন্ধ করে দেয়া হয়। শুরু হয় অঘোষিত লকডাউন। কয়েকজনের করোনা সনাক্ত হবার পরে ১৭ এপ্রিল থেকে সদর উপজেলাকে লক ডাউন ঘোষণা করে জেলা প্রশাসন।

ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দেন প্রত্যেক শ্রমিকের ঘরে ঘরে খাদ্য পৌছে যাবে। তা শুনে আমরা আশ্বস্ত হইছিলাম। কিন্তু জেলা প্রশাসন ও পৌরসভা থেকে সাহায্য সহযোগিতা করা হলেও আমরা অটোশ্রমিকরা কিছুই পাইনি। মানুষে পাইছে আমরা তা চেয়ে চেয়ে দেখছি। জেলা প্রশাসনের কাছে গেলে পৌরসভার কথা বলে আবার পৌরসভার কাছে গেলে জেলা প্রশাসনের কথা বলে। আমরা এ কোন নাটকে পড়লাম। যদি আমাদের খাদ্য সহায়তা না দেয়া হয় তাহলে আমরা (আগামীকাল) শুক্রবার থেকে রাস্তায় গাড়ি চালানো শুরু করবো বলেও ঘোষণা দেন সম্পাদক আবু সাইদ খান।

৩৮ দিন পর আবারও বেনাপোল পেট্রাপোল বন্দরে চালু হলো আমদানি-রফতানি বানিজ্য

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল প্রতিনিধি: বিশেষ নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দরে চালু হলো আমদানি বানিজ্য। করোনা ভাইরাসের কারনে ৩৮ দিন বন্ধ ছিল ভারত বাংলাদেশের আমদানি রফতানি বানিজ্য।বৃহস্পতিবার(৩০ এপ্রিল) বেলা সাড়ে তিন টার সময় বেনাপোল পেট্রাপোল এর লিংক রোডের নোম্যান্সল্যান্ডে প্রথম পচনশীল পন্য ভারতীয় ট্রাক থেকে বাংলাদেশী ট্রাকে লোড করা হলো।পন্য চালানের মধ্যে ছিল ভুট্রা ১০ টন,পাটবীজ ও মেসতাবীজ ২৫ টন ও পান ১২ টন। পন্য চালান গুলোর বাংলাদেশের আমদানি কারক প্রতিষ্ঠান উৎস এন্টারপ্রাইজ। এবং ভারতের রফতানি কারক প্রতিষ্ঠান বন্ধন এগ্রো। সিএন্ডএফ এজেন্ড ডিএসইম পেসকো ও সোঁনারগাও নামে দুটি প্রতিষ্ঠান।

আমদানি কারক উৎস এন্টার প্রাইজের সত্বাধিকারী উজ্জল রায় জানান,৩৮ দিন আমদানি রফতানি বানিজ্য বন্ধ থাকার পর আমদানী বানিজ্য চালু হলো। সময় মত আমাদের এ পচনশীল মাল যদি গন্তব্যে পৌছাতে না পারি তাহলে লোকশান গুনতে হবে।

বেনাপোল কাস্টমস এ,আর,ও শামিম হাসান বলেন, আজ আবার আমদানি বানিজ্য শুরু হয়েছে। পচনশীল পন্য ভুট্রা, পাটেরও মেসতা বীজ এবং পান জাতীয় পন্য এসেছে। এগুলো বন্দরে নিয়ে আজই পরীক্ষন শেষে শুল্কায়ন করা হবে। এবং শুল্কায়নের পর পন্য গন্তব্য নিয়ে যাবে স্ব স্ব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।

বেনাপোল বন্দরের উপ- পরিচালক মামুন কবির তালুকদার জানান. আমরা বিশেষ নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে কিছু আমদানি পন্য নিয়ে আসতে পেরেছি। এরপর আস্তে আস্তে আরও পন্য বৃদ্ধি পাবে। ভারতের পেট্রাপোল বন্দরে বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় প্রায় দুই হাজারের উপর পন্যবাহি গাড়ি আটকে আছে আমরা সেগুলো পর্যায়ক্রমে নিয়ে আসব। যারা এখানে কাজ করছে তাদের মাস্ক ও পিপির ব্যবাস্থা করা হয়েছে। এখানে স্বাস্থ্য কর্মীরা রয়েছে ।

গত ২২ মার্চ থেকে করোনা ভাইরাসের কারনে বেনাপোল পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি রফতানি বানিজ্য বন্ধ হয়ে যায়। আজ বেলা সাড়ে তিনটার সময় বিশেষ নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে প্রথম কয়েকটি পন্য চালান এলো ভারত থেকে বাংলাদেশে। তবে ভারতীয় কোন ট্রাক বাংলাদেশে প্রবেশ করে নাই। লোড আনলোড হয়েছে বেনাপোল নোম্যান্সল্যান্ডে।

এসময় বেনাপোল কাস্টমস, বন্দর, বিজিবি, পুলিশ সহ সরকারী বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্তার লোক উপস্থিত ছিলেন। অপরদিকে পন্য চালান লোড আনলোডের সময় ভারতীয় নিরাপপ্তা বানিহীর বিভিন্ন সংস্থা উপস্থিত ছিলেন।

ইউএনও, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের সাথে সার্বক্ষনিক পাশে থেকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছে ওসি মামুন খান

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের সীমান্তবর্তী শার্শা উপজেলা ও বেনাপোল পোর্ট থানার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আতঙ্কে, দুশ্চিন্তার মধ্যে, অনেকে পরিবারের সঙ্গে থেকেই করোনাভাইরাস প্রতিরোধে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আতঙ্ক আরো বেড়েছে উপজেলা সদর, নাভারন হাসপাতাল ও বেনাপোলের বোয়ালিয়া গ্রামে স্বাস্থ্য কর্মীসহ এক স্বাস্থ্য কর্মীর ছেলে করোনায় আক্রান্ত হওয়ায়। দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোল হয়ে আসা ভারত ফেরতদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা, কোয়ারেন্টিনে রাখা ও তাদের দেখাশোনার দায়িত্ব পালন করছেন তারা।তাছাড়া উপজেলায় কর্মহীন, অসহায়, বেকার হয়ে পড়া লোকজনকে ত্রাণ দেওয়া, বিভিন্ন এলাকায় সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা, বাজার নিয়ন্ত্রণ করা, মোবাইল কোর্ট চালুসহ অন্যান্য দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে তাদেরই।এসব করতে গিয়ে তারা নিজেরা যেমন ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন, তেমনি তাদের সঙ্গে থাকা পরিবারের সদস্যরাও রয়েছেন ঝুঁকির মধ্যে। তাদেরই কয়েকজন তাদের অভিজ্ঞতা ও অনুভূতির কথা জানিয়েছেন।

শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পুলক কুমার মন্ডল বলেন, ঝুঁকি থাকা সত্বেও আমরা উপজেলা প্রশাসনের সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মাঠপর্যায়ে কাজ করছি।ভারতে আটকে পড়া লোকজনকে দেশে ফেরত আনার ব্যাপারে সরকার কাজ করছে। ভারতেও করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে। ঝুঁকি থাকলেও তাদের নিয়ে কাজ করতে হচ্ছে। তাদেরকে প্রশাসনিক কোয়ারেন্টিনে রাখা, থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করছি। তাদের সঙ্গে মিশতে হচ্ছে। তাই মনে ভয় তো আছেই। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে কাজ করতে গিয়ে এ এলাকার ২/৩ জন স্বাস্থ্য কর্মী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তার পরও সর্বাধিক সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে কাজ করছি। কারণ চাকরিতে ঢোকার পর এটা পবিত্র দায়িত্ব হিসেবে নিয়েছি। দেশের জন্য কাজ করাটাই আমার ব্রত।পরিবার-পরিজন সম্পর্কে তিনি বলেন, “ঝুঁকির কারণে এক মাস হল পরিবার থেকে দূরে আছি। পরিবারের সদস্যরা যশোর শহরে থাকেন। তাদের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ নেই। তবে কথা হয়। পরিবার থেকে বারবার সতর্ক করছে। আমিও তাই সতর্ক থেকে কাজ করছি। তবে অনেকেই পরিবার-পরিজনের সঙ্গে থাকেন। এটা একটা চিন্তার বিষয়।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খোরশেদ আলম চৌধুরী তার ফেইসবুকে লিখেছেন তার কাজের অভিজ্ঞতা ও পরিবার-পরিজন নিয়ে অনুভূতির কথা।সত্যিই এখন আমার ভয় করে বাইরে যেতে, ডিউটির পর বাসায় ফিরতে। ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন ছিল ম্যাজিস্ট্রেট হব, এই পেশার প্রতি খুব শ্রদ্ধা ও ফ্যাসিনেশন ছিল। নিজেকে এই পেশায় বিলিয়ে দিতে কখনও পিছপা হব না। এই করোনা যুদ্ধে নিজের শেষটুকু দিয়ে লড়ে যেতে চাই। হয়তো জনসাধারণকে সচেতন করতে পারলেই, এ যুদ্ধে আমরা জয় হতে পারবো। তাই তিনি সকলকে নিজ ঘরে থাকতে অনুরোধ করেন।

পাশাপাশি অতি প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের হতে নিষেধ করেন। আর কেউ যদি বের হন, তবে নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে, মাস্ক, গøাভস পরে বের হতে বলেন।নিজের ছোট ছেলে ও পরিবারকে বাসায় রেখেও প্রতিদিন করোনা বিস্তার প্রতিরোধ, ভারত থেকে আসা যাত্রীদের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন নিশ্চিতকরা, হোম কোয়ারেন্টিন নিশ্চিতকরা, মোবাইল কোর্ট, বাজার মনিটরিং, মানুষকে নিজ ঘরে অবস্থান নিশ্চিত করার জন্য ছুটে চলছি উপজেলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে। আমার নিজের খাওয়া-ঘুম বাদ দিয়ে ডিউটিতে যাই সমস্যা নেই, কিন্তু এখনকার পরিস্থিতি একদমই ভিন্ন, মানুষকে বুঝিয়ে, অনুরোধ করে, জরিমানা করেও ঘরে রাখা অনেক ক্ষেত্রেই সম্ভব হচ্ছে না।

এখন আমি আমার পরিবারের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। আমার মাধ্যমে যদি ভাইরাস বাসায় নিয়ে যাই তো আমার ছেলের ও পরিবারের কী হবে? তবুও আমি ডিউটি করছি। পালাইনি। পালাবও না। ভয় করে ছেলেকে চুমু দিতে, কোলে নিতে। নিজের নিঃশ্বাসকেই বিষাক্ত মনে হয়। তার মধ্যে পিপিই পরে বাইরে রোদের মধ্যে কাজ করাও বিশাল এক যন্ত্রণা! মাস্ক পরে দম কেমন বন্ধ হয়ে আসে। প্রতিটি ডিউটিই এমন মানসিক আর শারীরিক কষ্টে ভরা।

আর একজনের কথা না বললেই নয়। তিনি বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন খান। ইউএনও, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের সাথে সার্বক্ষনিক পাশে থেকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন। সেই সাথে করোনার মধ্যে মাদক পাচাররোধে, এলাকার শান্তি শৃংখলা বজায় রাখতে কাজ করে চলেছেন। সেখানেই সমস্যা সেখানেই ছুটে যাচ্ছেন। প্রশাসনকে সার্বক্ষনিক সহযোগিতা করে চলেছেন তিনি। পরিবার পরিজন রয়েছেন খুলনাতে। কতদিন যাননি বাড়িতে সেটা ভুলে গেছেন। কর্তব্য পালন করতে গিয়ে মাঝে মধ্যে পরিবারের কথাও ভুলে যান। আমরা বড় বড় দুর্যোগ দেখেছি। এমন মহামারি দেখেনি।

সারা বিশ^কে থমকে দিয়েছে করোনা ভাইরাস। থানার অন্যান্য পুলিশ অফিসার ও কনস্টেবলরা আমাদের সাথে দিনরাত সমানভাবে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। তাদের অনেকেই পরিবার নিয়ে থাকেন। তাদের বলে দেওয়া হয়েছে ভাল করে পোষাক খুলে জীবনানাশক ছিটিয়ে নিজেকে জীবানুমুক্ত মুক্ত হয়ে বাড়িতে যাবেন। তারপরও দুরত্ব বজায় রাখবেন। কোন সমস্যা দেখা দিলে আমাকে জানাবেন। রাতে ছেলে ফোন দিয়ে খোজ খবর নেয়। ভাল আছি, তোমরা সাবধানে থেকো এই ছাড়া বলার কি আছে। দেশের দুর্যোগে পরিবারের কথা ভেবে নিজেকে গুটিয়ে নিতে মন সায় দিল না। তিনি আরও বলেন, ‘স্ত্রী প্রথমে করোনা ভাইরাসে ভয় পেলেও পরে বলে দেশের মানুষের জানমালের দায়িত্ব নিয়েছো। এই দুর্দিনে তুমি তাদের পাশে থাকো। সংসার, সন্তান, পরিবার আমি সামলে নেব।’

প্রশাসনের লোকদের মতই এ সময় কাজ বেড়েছে স্বাস্থ্য বিভাগের লোকজনেরও। ঝুঁকির মধ্যেই কাজ করে যাচ্ছেন তারা।
বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাক্তার আব্দুল আজিজ বলেন, ভারত থেকে ফেরা প্রত্যেক যাত্রীর শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি কিনা, করোনাভাইরাসের উপসর্গ আছে কিনা, সেসব দেখার দায়িত্ব আমাদের। এসব করতে গিয়ে আমাদের তিন সহযোগী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তারপর বলেন মনের অবস্থা কেমন হতে পারে।
ভারত থেকে আসা যাত্রীদের বাসায় নাকি প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রাখা উচিত, নাকি হাসপাতালে পাঠাতে হবে এসব নির্ণয় করতে হয়। এখানে ঝুঁকি তো থাকবেই। তার পরও সেবার মানসিকতা নিয়ে চাকরিতে এসেছি। সরকার সুরক্ষার জন্য হ্যান্ডগøাভস, মাক্স ও পিপিই দিয়েছে। এর পরও অজানা এক আতঙ্ক মনে কাজ করে। তাই আপাতত পরিবার থেকে দূরে থাকছি।

ভারত ফেরতদের মধ্যে যাদেরকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রাখার দরকার তাদের রাখা হচ্ছে ‘বেনাপোল পৌর বিয়ে বাড়িতে’। সেখানে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য সহকারি ডাক্তার আব্দুল মান্নান দায়িত্ব পালন করছেন।ডাক্তার আব্দুল মান্নান বলেন, তিন শিফটে তিনজন করে আমরা এখানে দায়িত্ব পালন করি। সতর্কতার সঙ্গে কাজ করি। তবু ঝুঁকি তো রয়েছেই। দায়িত্ব পালন শেষে বাসায় যাই। সেখানে পরিবার-পরিজনের সঙ্গে থাকি। সাবধানে থাকার চেষ্টা করি। তারপরও ভয়তো থেকেই যাচ্ছে। একমাত্র চিকিৎসকের পরিবারই জানে এসময় চিকিৎসক ও তাদের পরিবার কতটা ঝুঁকিতে আছেন। দূরে থেকে অনেক কথাই বলা যায়।আমাদের জন্য দোয়া করবেন আমরা যেন পীড়িত মানুষের পাশে থেকে সেবা দিয়ে যেতে পারি নিরন্তর। ভয়ে যেন না পালাই এই রণক্ষেত্র ছেড়ে।

ধামরাইয়ে রমজান উপলক্ষে সূতিপাড়া ইউনিয়নে টিসিবির পণ্য বিক্রি ।

মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন(ধামরাই প্রতিনিধি) ধামরাই সুতিপাড়া ইউনিয়নে বাথুলী বাজার মাদ্রাসা মাঠে ভ্রাম্যমাণ ট্রাকের মাধ্যমে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯ ঘটিকা থেকে দুপুর ২ ঘটিকা পর্যন্ত টিসিবির পণ্য বিক্রি করা হয়। ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ঢাকা ২০ আসনের সংসদ সদস্য জননেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব বেনজির আহমেদের নির্দেশনায় সূতিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রেজাউল করিম রাজার উদ্যোগে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে এই টিসিবির পণ্য বিক্রি করা হয়। ভোগ্যপণ্যের সরকারি বিক্রয় প্রতিষ্ঠান টিসিবি রোজা উপলক্ষে চিনি, মসুর ডাল, সয়াবিন তেল-ছোলা ও খেজুর বিক্রি করা হয়।টিসিবি চিনি ৫০ টাকা, মসুর ডাল ৫০ টাকা ও সয়াবিন তেল ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছে। খেজুরের দাম ১২০ টাকা কেজি ।

টিসিবির পণ্য বিক্রি উপলক্ষে
সূতিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রেজাউল করিম রাজা বলেন, মানুষ যেন খাবার থেকে বঞ্চিত না হয়, সেজন্য সরকারের চেষ্টার কমতি নেই। টিসিবি এমনই এক কার্যক্রম পরিচালনা করছে যার মাধ্যমে মানুষ সহজে খাদ্যপণ্য কিনতে পারে। যা সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। শুধু মানুষের কল্যাণেই এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। করোনাভাইরাসের কারণে পণ্য বিক্রির ক্ষেত্রে ডিলারদের ভালোভাবে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ক্রেতাদের ৩ ফুট দূরে দূরে দাঁড়ানো এবং প্রয়োজনে স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

যশোরের শার্শায় মাঠ থেকে নবজাতক শিশু উদ্ধার: ঠাঁই হলো কৃষকের ঘরে

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল প্রতিনিধি : যশোরের শার্শায় একদিনের সদ্য নবজাতক এক শিশুকে জীবিত উদ্ধার করেছেন বজলুর রহমান নামে এক কৃষক।বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার কাঠুরিয়া গ্রামের একটি পটলের ক্ষেতের আইলের উপর থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করেন তিনি।

কৃষক বজলুর রহমান জানান, ভোরে পটলের ক্ষেতে পটলের ফুল ছোঁয়ানো কাজ করতে গিয়ে আইলের উপর একটি বস্তা পড়ে থাকতে দেখি। একটু কাছে গিয়ে দেখি ভীতরে কিছু নড়াচড়া করছে।তখন বস্তার মুখ খুলতেই দেখি সদ্য নবজাতক একটি শিশু কাপড়ে মোড়ানো অবস্থায় ছটফট করছে। শিশুটিকে বাড়িতে এনে প্রাথমিক পরিচর্যা করছি।এ ঘটনা মুহুর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে উৎসুক এলাকাবাসী শিশুটিকে একনজর দেখার জন্য ছুটে আসেন।

জানতে চাইলে উলাশী ইউনিয়নের মহিলা ইউপি সদস্য মমতাজ বেগম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি এবং বজলুর রহমানের বাড়িতে গিয়ে শিশুটি বিষয় খোঁজ খবর নিয়েছি।কৃষক বজলুর রহমান দম্পতিও নিঃসন্তান হওয়ায় তিনি শিশুটিকে নিজের সন্তানের মতোই লালন পালন করতে ইচ্ছে প্রকাশ করেন।

স্থানীয় চেয়ারম্যানকে বিষয়টি অবহিত করে বজলুর রহমানের হাতে শিশুটিকে তুলে দেওয়া হয়েছে। তিনি আরো বলেন, রাখে আল্লাহ মারে কে, কে বা কারা শিশুটিকে মেরে ফেলার উদ্দেশ্যে ফেলে দিয়ে যায়।আল্লাহর অশেষ মেহেরবানিতে জীবিত অবস্থায় নিঃসন্তান কৃষকের ঘরে ঠাঁই হলো তার।

কুমিল্লায় ঝড় বৃষ্টি থেমে নেই হ্যালো ছাত্রলীগের কার্যক্রম

এ আর আহমেদ হোসাইন,কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি :কুমিল্লা দেবীদ্বার উপজেলা দক্ষিণ গুনাইঘর ইউনিযনে বুধবার সকালে ৯ নং ওয়ার্ডের সাকতলা গ্রামে কর্মহীন অসহায় পরিবার হ্যালো ছাত্রলীগ হটলাইনে কল দিয়ে খাদ্য সামগ্রী চাইলে তাৎক্ষনিক ভাবে কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আবু কাউছার অনিকের নেতৃত্বে ছাত্রলীগ কর্মীরা খাদ্য সামগ্রী নিয়ে হাজির হন।কুমিল্লা উঃ জেলা ছাত্রলীগের সহ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বাপ্পু জেলা ছাত্রলীগের সদস্য আমির হোসেন ওই সময় ত্রানের বস্তা নিয়ে অসহায় পরিবারের পাশে হাজির হলে হতবাক হন কর্মহীন পরিবারের সদস্যগন।
এই বিষয়ে দেবীদ্বার উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক ইকবাল হোসেন রুবেল কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আবু কাউসার অনিক জানান।

কুমিল্লার- ৪ আসনের মাননীয় সংসদ রাজী মোহাম্মদ ফখরুল এর নির্দেশে
মহামারী করোনা উপলক্ষে এই অ্যাপসটি আমরা তৈয়ার করেছি।

বিপুল মানুষের কল পেয়ে কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্রলীগ ও দেবীদ্বার উপজেলা ও পৌর ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দরা রোদ বৃষ্টি ওপেক্ষা করে রোজা রেখে কর্মহীন অসহায় পরিবারের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দিচ্ছে

হ্যালো ছাত্রলীগের কার্যক্রম এভাবে অব্যাহত থাকবে বলেও ওই নেতারা জানান।

আশুলিয়ায় হতদরিদ্রদের পাশে যুবলীগ নেতা নুরুল আমিন সরকার

জাহিন সিংহ, সাভার : আশুলিয়ায় করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে চলমান কর্মসূচীতে কর্মহীন হয়ে পড়া দুস্থদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। আশুলিয়া থানা যুবলীগের আহ্বায়ক কবির হোসেন সরকার ও যুগ্ম-আহ্বায়ক মঈনুল ইসলাম ভূঁইয়ার দিক নির্দেশনায় এই কর্মসূচী পালন করা হয়।বৃহস্পতিবার সকালে আশুলিয়ার বাংলাবাজার এলাকায় ইয়ারপুর ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক মো: নুরুল আমিন সরকারের নিজস্ব উদ্যোগে এলাকার হত দরিদ্র মানুষের মাঝে বিভিন্ন খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়।

এসময় সামাজিক দূরত্ব বাজায় রেখে পাঁচ শতাধিক অসহায়, প্রতিবন্ধী, ভিক্ষুক ও দুস্থ মানুষের মাঝে পবিত্র রমজান উপলক্ষে এসব খাদ্য সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। বিতরণকৃত খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে- ছোলা, খেজুর, মুড়ি, টমেটো, ঢেঁড়শ, মিষ্টি কুমড়া, বেগুন, পটল, কাঁচা মরিচসহ নিত্যপ্রয়োজণীয় পণ্যদ্রব্য।

ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আশুলিয়া থানা যুবলীগ নেতা নজরুল ইসলাম, আশুলিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক আনোয়ার মন্ডল, ধামসোনা ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কাইউম খাঁন, শিমুলিয়া ইউনিয়ন যুুুুবলীগের আহ্বায়ক আমির হোসেন জয়, যুগ্ম-আহ্বায়ক হারুণ পরামানিক, ইয়ারপুর ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক সোহেল সরকার, যুবলীগ নেতা আসলাম আলী, মো. রনি সরকার, পিয়াল সরকার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে ত্রাণ সহায়তা পেয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এলাকার হত দরিদ্ররা।

এরআগে, কয়েক দফায় প্রায় এক হাজার দুস্থ মানুষের মাঝে চাল, ডাল, আলু, পিঁয়াজ, লবণসহ বিভিন্ন ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন যুবলীগ নেতা নুরুল আমিন সরকার। বিভিন্ন দুস্থ পরিবারকে দিয়েছেন আর্থিক সহায়তাও।

এছাড়া করেনা ভাইরাস প্রতিরোধে নেতাকর্মীদের সাথে নিয়মিত বিভিন্ন গণসচেতনতামূলক প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

সর্বশেষ আপডেট...