এ আর আহমেদ হোসাইন,কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি :কুমিল্লা দেবীদ্বার উপজেলা দক্ষিণ গুনাইঘর ইউনিযনে বুধবার সকালে ৯ নং ওয়ার্ডের সাকতলা গ্রামে কর্মহীন অসহায় পরিবার হ্যালো ছাত্রলীগ হটলাইনে কল দিয়ে খাদ্য সামগ্রী চাইলে তাৎক্ষনিক ভাবে কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আবু কাউছার অনিকের নেতৃত্বে ছাত্রলীগ কর্মীরা খাদ্য সামগ্রী নিয়ে হাজির হন।কুমিল্লা উঃ জেলা ছাত্রলীগের সহ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বাপ্পু জেলা ছাত্রলীগের সদস্য আমির হোসেন ওই সময় ত্রানের বস্তা নিয়ে অসহায় পরিবারের পাশে হাজির হলে হতবাক হন কর্মহীন পরিবারের সদস্যগন।
এই বিষয়ে দেবীদ্বার উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক ইকবাল হোসেন রুবেল কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আবু কাউসার অনিক জানান।
কুমিল্লার- ৪ আসনের মাননীয় সংসদ রাজী মোহাম্মদ ফখরুল এর নির্দেশে
মহামারী করোনা উপলক্ষে এই অ্যাপসটি আমরা তৈয়ার করেছি।
বিপুল মানুষের কল পেয়ে কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্রলীগ ও দেবীদ্বার উপজেলা ও পৌর ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দরা রোদ বৃষ্টি ওপেক্ষা করে রোজা রেখে কর্মহীন অসহায় পরিবারের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দিচ্ছে
হ্যালো ছাত্রলীগের কার্যক্রম এভাবে অব্যাহত থাকবে বলেও ওই নেতারা জানান।
জাহিন সিংহ, সাভার : আশুলিয়ায় করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে চলমান কর্মসূচীতে কর্মহীন হয়ে পড়া দুস্থদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। আশুলিয়া থানা যুবলীগের আহ্বায়ক কবির হোসেন সরকার ও যুগ্ম-আহ্বায়ক মঈনুল ইসলাম ভূঁইয়ার দিক নির্দেশনায় এই কর্মসূচী পালন করা হয়।বৃহস্পতিবার সকালে আশুলিয়ার বাংলাবাজার এলাকায় ইয়ারপুর ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক মো: নুরুল আমিন সরকারের নিজস্ব উদ্যোগে এলাকার হত দরিদ্র মানুষের মাঝে বিভিন্ন খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়।
এসময় সামাজিক দূরত্ব বাজায় রেখে পাঁচ শতাধিক অসহায়, প্রতিবন্ধী, ভিক্ষুক ও দুস্থ মানুষের মাঝে পবিত্র রমজান উপলক্ষে এসব খাদ্য সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। বিতরণকৃত খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে- ছোলা, খেজুর, মুড়ি, টমেটো, ঢেঁড়শ, মিষ্টি কুমড়া, বেগুন, পটল, কাঁচা মরিচসহ নিত্যপ্রয়োজণীয় পণ্যদ্রব্য।
ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আশুলিয়া থানা যুবলীগ নেতা নজরুল ইসলাম, আশুলিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক আনোয়ার মন্ডল, ধামসোনা ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কাইউম খাঁন, শিমুলিয়া ইউনিয়ন যুুুুবলীগের আহ্বায়ক আমির হোসেন জয়, যুগ্ম-আহ্বায়ক হারুণ পরামানিক, ইয়ারপুর ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক সোহেল সরকার, যুবলীগ নেতা আসলাম আলী, মো. রনি সরকার, পিয়াল সরকার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে ত্রাণ সহায়তা পেয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এলাকার হত দরিদ্ররা।
এরআগে, কয়েক দফায় প্রায় এক হাজার দুস্থ মানুষের মাঝে চাল, ডাল, আলু, পিঁয়াজ, লবণসহ বিভিন্ন ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন যুবলীগ নেতা নুরুল আমিন সরকার। বিভিন্ন দুস্থ পরিবারকে দিয়েছেন আর্থিক সহায়তাও।
এছাড়া করেনা ভাইরাস প্রতিরোধে নেতাকর্মীদের সাথে নিয়মিত বিভিন্ন গণসচেতনতামূলক প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।
এ আর আহমেদ হোসাইন,কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি : করোনার প্রকোপে অনাহারে মানবেতর জীবনযাপন করছে নিঃস্ব, অসহায়-সম্বলহীন খেটে খাওয়া মানুষ। তাদের সহায়তায় এগিয়ে এসেছে দেবীদ্বার রেয়াজ উদ্দিন পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের (এসএসসি)২০০০ ব্যাচের শিক্ষার্থী বন্ধুরা। কমতি নেই সুশীল সমাজে দেশ ও জাতীর উন্নয়নে নানান পেশায় ওই ব্যাচ’র শিক্ষার্থীরা।বিভিন্ন পেশায় দেশ ও দেশের বাহিরে ওই সালের শিক্ষার্থী বন্ধুরা অবস্থান করলেও (এএসসি ২০০০) ব্যাচ আর পি হাইস্কুল নামে মেসেন্জার গ্রুপ তৈয়ার করে ভালোবাসর টানে একে অপরের পরিপূরক হয়ে সুখ ও দুঃখের কথা শেয়ার করে যাচ্ছেন সকল বন্ধুরা ওই গ্রুপে।গতকাল সকালে দেবীদ্বার পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ড’র আলোড়ন বহুমুখী সমবায় সমিতি অফিসে ১৬১জন অসহায়, দরিদ্র, দিন মজুর ও শ্রমজীবী মানুষের মাঝে চাল, ডাল, তৈল,পেয়াজ,চণা,আলু, সাবানসহ রমজানের নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।
২০০০ ব্যাচের শিক্ষার্থী বাস্তবায়ন কমিটির কনভেনার ইন্জিনিয়ার কবীর আহমেদ বলেন, আপনারা সবাই জানেন, সারা বিশ্বে এখন ক্রান্তিকাল চলছে। করোনা মহামারি আকার ধারণ করেছে। একটি অনুরোধ দয়া করে কেউ গরিব-দুঃখী মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি না করে যার যেমন সুযোগ ও সামর্থ্য আছে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিন। আপনাদের সহযোগিতাই পারে ওদের মধ্যে একটু হলেও হাসি ফুটাতে।
দেবীদ্বার রেয়াজউদ্দিন পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি ২০০০ ব্যাচের শিক্ষার্থী বন্ধুদের এই সীমিত প্রচেষ্টা পরিস্থিতির আমূল পরিবর্তন করবে না জানি তারপরও গরিব-দুঃখী মানুষ যাতে না খেয়ে আতঙ্কে মারা না যায়, তাই আমাদের সকল বন্ধুদের সার্বিক সহযোগীতায় ও সীমিত প্রচেষ্টায় মানবতার পাশে হাত বাড়িয়েছি এবং এই সেবা চলমান থাকবে।
আশরাফ হোসেন পল্টু ,মাগুরা প্রতিনিধঃ মাগুরা জেলা তথ্য অফিস ইউনিসেফ বাংলাদেশ এর সহযোগিতায় করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ে গণসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে মাগুরা জেলা ব্যাপী বিভিন্ন সচেতনতামূল বার্তা প্রচার প্রচারণা অব্যাহত রেখেছে । জেলা তথ্য অফিসের প্রচার কর্মীরা মাগুরা শহর, পৌরসভা এলাকাসহ চারটি উপজেলার সকল ইউনিয়নের প্রায় সকল গ্রামগঞ্জে ও হাট-বাজারে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় করণীয় বিষয়ে মাইকিং এর মাধ্যমে জনগণকে সচেতন করার জন্য সচেতনতামূলক বার্তা প্রচার করছে ।
প্রত্যন্ত গ্রামেগঞ্জে ও হাট-বাজারে নিয়মিতভাবে মানুষের মাঝে করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, বাড়িতে অবস্থান করা, গণজমায়েত না হওয়া, হোম কোয়ারান্টাইন এবং জেলা প্রশাসন কর্তৃক জারীকৃত গণবিজ্ঞাপ্তিসমূহ মাইকিং এর মাধ্যমে প্রচার করছে।
এর ফলে জেলার মানুষের মাঝে করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। জেলা তথ্য অফিসার মোঃ রেজাউল করিম জানান জেলা তথ্য অফিসের সচেতনতামূলক বার্তা প্রচার কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
এ আর আহমেদ হোসাইন, কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি :কুমিল্লা জেলায় পর্বের তুলনায় বুধবার দুপুর পর্যন্ত হু হু করে করোনা নতুন আক্রান্ত সংখ্যা দাড়িয়েছে ১৬ জন।
জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ নিয়াতুজ্জাম জানান, জেলার করোনা নতুন আক্রান্তের মধ্যে দেবীদ্বার ও লাকসাম উপজেলা ৬ জন করে আক্রান্ত হয়ে নতুন ১৬ জন সহ মোট আক্রান্ত ৬৮ জন।তিনি বলেন সামনের দিনগুলোতে করোনা মোকাবেলা কঠোর সচেতনার সাথে চলা ও আল্লাহ’র উপর ভরসা রাখতে হবে।
জেলার দেবীদ্বার উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আহমেদ কবির জানান উপজেলার বাগুর ৩ জনের মধ্যে ১ জন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স’র আসোলেশনে চিকিৎসাধীন বাকী ২ জন নিজ বাড়িতে লকডাউন, নবিয়াবাদ-২জন গুনাইঘর উত্তর-১ জন। রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাকিবুল হাসান কে সাথে নিয়ে আক্রান্তের বাড়ি যাচ্ছেন বলে তিনি জানান।
অপর দিকে জেলার লাকসামে- নতুন ৬জন,মনোহরগঞ্জে-২ জন, বরুড়া ও তিতাসে ১জন করে আক্রান্ত।
নতুন ও পুরাতন আক্রান্ত ৬৮ জনের মধ্যে জেলার তিতাসে ১১ জন, দেবীদ্বার ১০ জন, লাকসামে ১০ জন দাউদকান্দি ৭ জন, মুরাদনগর ৬ জন,চান্দিনা ৪ জন, বরুড়ায় ৩ জন, মনোহরগঞ্জে ৩ জন, সদর দক্ষিণ ২ জন,মেঘনা ১ জন, ব্রাহ্মণপাড়া ১ জন, চৌদ্দগ্রাম ১ জন।
কুমিল্লায় করোনাভাইরাসে
সর্বমোট আক্রান্ত ৬৮ জনের মধ্যে মৃত্যুবরণ করেছেন তিন জন। মৃত ব্যক্তিরা দেবীদ্বার ও মেঘনা উপজেলার বাসিন্দা ছিলেন।
সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন-৭জন।
সর্বমোট করোনাভাইরাস এর নমুনা সংগ্রহ ১৬৭২ জন। রিপোর্ট প্রাপ্তির ১৩৪৫ জন।২৯-০৪-২০২০ইং তারিখ বুধবার দুপুর পর্যন্ত কুমিল্লা জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের ফেসবুক পেইজে প্রকাশিত তথ্য ও জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ নিয়াতুজ্জাম ওই তথ্য জানান।
আশরাফ হোসেন পল্টু,মাগুরা প্রতিনিধি : মাগুরার শ্রীপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্যোগে গতকাল বুধবার সকালে ইউএনও’র এর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ৫০ হাজার ২’শত ৫০ টাকা অনুদানস্বরুপ এ অর্থ প্রদান করা হয় । শ্রীপুর উপজেলা সাধারণ মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষে সাবেক উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোঃ ইকরাম আলী বিশ্বাস ও সাবেক ডেপুটি কমান্ডার নজরুল ইসলাম শ্রীপুর উপজেলার নির্বাহী অফিসার মোঃ ইয়াছিন কবীর এর হাতে এ অর্থ তুলে দেন । উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোঃ ইকরাম আলী বিশ্বাস জানান, তাঁর নেতৃত্বে উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের ইউনিয়ন কমান্ডারদের সহযোগিতায় সাধারণ মুক্তিযোদ্ধাদের নিকট থেকে এ অর্থ সংগ্রহ করা হয়।
করোনা প্রাদুর্ভাবে দেশ আজ বৈশ্বিক মহামারিতে ক্ষতিগ্রস্থ। দেশের এ ক্রান্তি লগ্নে দুঃসময়ে বঙ্গবন্ধুর কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার পাশে থেকে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের সাহার্যার্থে শ্রীপুরের মুক্তিযোদ্ধাদের এ ক্ষুদ্র প্রয়াস ।
এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গয়েশপুর ইউনিয়ন কমান্ডার আব্দুল মজিদ বিশ্বাস,আমলসারের আবু বক্কার সিদ্দীক,শ্রীকোলের আবু তাহা সরদার,শ্রীপুরের মিয়া নজরুল ইসলাম রাজু,দ্বারিয়াপুরের অরবিন্দু বিশ্বাস,কাদিরপাড়ার ছমির মন্ডল,সব্দালপুরের শেখ কওছার আলী,নাকোলের খোন্দকার শফিকুল আজম,উপজেলা কমিটির সদস্য সামচ্ছুল হক মোল্যা,হাফিজার রহমান,আনছার আলী বিশ্বাস,জাকির হোসেন ও প্রেসকক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আশরাফ হোসেন পল্টুসহ বিভিন্ন পত্র-পত্রিকার সাংবাদিকবৃন্দ ও মুক্তিযোদ্ধাগণ উপস্থিত ছিলেন।
সৈয়দ রুবেল, ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একজন সিনিয়র নার্সের শরীরে করোনা ভাইরাস সনাক্ত হয়েছে।
আর এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮জন ।
২৮/০৪/২০২০ইং তারিখ মঙ্গলবার দিন গত রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঝালকাঠি সিভিল সার্জন ডা: শ্যামল কৃষ্ণ হালদার।
রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আবুল খায়ের রাসেল জানান, আইইডিসিআর থেকে আজ রিপোর্টে ওই নাচের করোনা পজেটিভ রিপোর্ট আসে।
কি ভাবে তিনি সংক্রমিত হলেন জানতে চাইলে ডাক্তার আবুল খায়ের রাসেল বলেন, চিকিৎসা সেবা দিতে গিয়ে হয়ত ওই সেবিকা সংক্রমিত হয়েছেন। তবে তার মেয়েও সম্প্রতি ঢাকা থেকে মায়ের কাছে এসেছেন জানিয়ে ডাক্তার রাসেল বলেন, ঠিক কী ভাবে ওই সেবিকা সংক্রমিত হলেন তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছেনা ।
ওই সেবিকাকে বাড়িতে রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে বলেও জানান রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: আবুল খায়ের রাসেল।
প্রসঙ্গত, সোমবার নলছিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক চিকিৎসকের দেহে করোনা ভাইরাস আক্রন্ত হওয়ার বিষয়টি সনাক্ত হয়।
বিপ্লব , সাভার ঃ সাভার প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ রওশোন এর উদ্যোগে এবং সাংবাদিকদের অর্থায়নে অসহায় দরিদ্র ও পথচারী রোজাদারের মাঝে ইফতার বিতরণ করা হয় ।করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে লক ডাউন থাকায় সাভারে অফিস আদালত সহ সমস্ত দোকান পাট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কর্মহীন হয়ে পড়েছে বিভিন্ন পেশার মানুষ। বিশেষ করে ভিক্ষাবৃত্তি করে যারা অর্থ উপার্জন করে। এই সংকটময় অবস্থার মধ্যে শুরু হয়ে গেছে রমজান মাস। এতে করে রোজা রাখা মানুষ অর্থের অভাবে ইফতার সামগ্রী কিনতে পারছেন না। রোজা রাখা দরিদ্র ব্যাক্তিদের কথা চিন্তা করে এগিয়ে এসেছে সাভার প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ রওশোন সহ সকল কর্মরত সাংবাদিক বৃন্দ।গত মঙ্গলবার (২৮ এপিল) বিকালে সাভার থানা, প্রেসক্লাবের সামনে ও বিভিন্ন স্থানে এ ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয় ।সময় উপস্থিত ছিলেন- থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এফএম সায়েদ ,সাভার প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ রওশোন , সাভার প্রেসক্লাবের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক তৌফিক আহমেদ , সিনিয়র সাংবাদিক মুন্না সহ সকল সাংবাদিক বৃন্দ ।
এ আর আহমেদ হোসাইন (দেবীদ্বার-কুমিল্লা)প্রতিনিধি : বৈশ্বিক মহামারী করোনা মোকাবেলায় যুদ্ধে নেমেছে সারা বিশ্বের সচেতন মহল। কুমিল্লা-৪ সংসদ সদস্য দেবীদ্বারের নির্বাচিত (এমপি) রাজী মোহাম্মদ ফখরুল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার ২০ হাজার কর্মহীন অসহায় পরিবারের মাঝে করোনা ঝুকি ওপেক্ষা করেও সরকারি ড্রাইভার ব্যাক্তিগত (পিএস)ছাড়াই ঢাকা থেকে নিজে গাড়ির চালক হয়ে জনগনের সহায়তা ছুটে আসেন তার নির্বাচনী এলাকা দেবীদ্বারে।গত ২৩-০৪-২০২০ইং তারিখ বৃস্পতিবার সকালে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গন থেকে ওই খাদ্য সামগ্রী বিতরণের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন রাজী মোহাম্মদ ফখরুল(এমপি)।
তিনি এক যুগে উপজেলার ১৫ টি ইউনিয়ন ও ১ টি পৌরসভার ওয়ার্ড ভিত্তিক অসহায়দের সন্ধান করে দলীয় নেতাকর্মীর সহায়তায় নিজে গাড়ি চালিয়ে কর্মহীন হতদরিদ্রের দ্বার প্রান্তে ছুটে যান।ওই ত্রান বিতরন কালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাকিব হাসানের সঞ্চালনায় প্রতিটি ইউনিয়নে কাজ করে যাচ্ছেন ইউপি চেয়ারম্যান ও দলীয় নেতৃবৃন্দ। সার্বিক খোঁজখবর রাখছেন দেবীদ্বার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি জহিরুল আনোয়ার ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আবুল কাশেম ওমানী।
(এমপি) রাজী মোহাম্মদ ফখরুল নিজে গাড়ির চালক হয়ে জনগনের পাশে ছুটে আসার দৃশ্য জনমহলে দৃস্টিগোচর হলে বিপদের বন্দু মানব প্রেমিক বলে প্রচারিত হয় তার নির্বাচনী এলাকায় জনগনের মুখে।
এছাড়াও তার নির্দেশে প্রতিটি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান, ওয়ার্ড মেম্বার নিজস্ব অর্থায়নে অসহায়দের মাঝে ত্রান বিতরন করে যাচ্ছেন।
গরিব অসহায় কৃষকদের ধান কেটে ঘরে তুলে দিচ্ছেন ছাত্রলীগ কর্মী, এলাকার অসহায় পরিবারের খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য তৈয়ার করেছলন ” হ্যালো ছাত্রলীগ হট লাইন’ ফোন করলে খাদ্য সামগ্রী পৌছে দেয় নেতা কর্মীরা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে নিজে গাড়ি ড্রাইভিং করে নিত্য সামগ্রী বাড়ি- বাড়ি পাঠিয়ে দেন স্বেচ্ছাসেবকলীগ ও যুবলীগ কর্মীরা।
সৈয়দ রুবেল, ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ ঝালকাঠি সদর উপজেলার বাসন্ডা ইউনিয়নের এক জন ছাত্র কৃষক মোঃ আব্দুল্লাহ (২১)। বাড়ি থেকে কিছুদূর সামনেই দুইবিঘা জমিতে বোরো ধানের আবাদ করেছেন। ফলন দেখে স্বপ্ন বুনতে থাকেন তিনি। এপ্রিলের শুরুতেই পেকে যায় তাঁর ক্ষেতের ধান।কিন্তু করোনাকালে শ্রমিক সংকট দেখা দেওয়ায় গ্রামের এই ছাত্র চাষী পড়েন বিপাকে। ধান কাটতে না পারার দুশ্চিন্তায় ভুগছিলেন তিনি। এদিকে আবহাওয়া খারাপ থাকায় তিন দিন ধরে থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। এতে ধান মাটির সঙ্গে মিশে যাওয়া আশঙ্কা করছিলেন তিনি।
“সোনার বাংলা ব্লাড ব্যাংক” প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মামুন খান রাসেলের সাথে আলোচনা করলে,ঐ ছাত্র কৃষক আব্দুল্লার ধান কেটে দেয়ার আশ্বাস দেয়। তাৎক্ষণিক ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিলে জেলা যুবলীগের সদস্য জিয়াউল করিম জয় ধান কেটে দিবে বলে কমেন্ট করেন ।
মামুন খাঁন রাসেল এবং জেলা যুবলীগের সদস্য শিক্ষক জিয়াউল করিম সুজন ধান কাটার জন্য তার বড় ভাই রেজাউল করিম সুমন একজন স্কুল শিক্ষক এবং তার ছোট ভাই শাওন ছাত্র তারা তিন ভাই সহ তার সহযোগী মাইনুল সহ প্রায় ২০ জন যুবলীগ এবং ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে আসেন এবং কৃষক আব্দুল্লাহ দুরবস্থার কথা শুনে দুই বিঘা জমির ধান কেটে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় তারা।
২৮/০৪/২০২০ইং তসরিখ মঙ্গলবার সকালে নেতাকর্মীরা ধান কাটতে শুরু করেন । পাঁচ ঘণ্টায় তারা দের বিঘা জমির ধান কাটেন। পরে তারা আটি বেধে ওই কৃষের বাড়িতে ধান পৌছে দেন এবং বাকি জমির ধান কেটে দিবেন বলে আশ্বস্ত করেন। ধান কেটে দেওয়ায় খুশিতে ছাত্র কৃষকের মন ভরে যায় আব্দুল্লাহর ।
জিয়াউল করিম সুজন বলেন ঝালকাঠি জেলায় শ্রমিক সংকট দেখা দেওয়ায় কৃষকরা তাদের ধান কাটার শ্রমিক পাচ্ছে না। আমরা একটি টিম গঠন করেছি। যেখানেই শ্রমিক সংকট, সেখানেই আমরা উপস্থিত হয়ে কৃষকের ধান কেটে দিবো।
আব্দুল্লাহ বলেন, আমি গরিব মানুষ কোথাও ধান কাটার শ্রমিক পাচ্ছিলাম না। স্বেচ্ছাসেবক যুবলীগ এবং ছাত্রলীগ এসে আমার ধান কেটে বাড়িতে দিয়ে গেছে। আমি তাদের প্রতি চির কৃতজ্ঞ।