বিপ্লব ঃ সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল আত্মসাৎ ও অবৈধ মজুদের অভিযোগে মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার ধল্লা ইউনিয়নে ডিলার , স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আবু বকর সিদ্দিক কে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।গত ( ১২ এপ্রিল ) রবিবার ধল্লা ইউনিয়নের তদারকি কর্মকর্তা জনাব মোঃ নাজিমুদ্দিন (উপ-সহকারীব কৃষি কর্মকর্তা ) ডিলারের মজুদকৃত চাল মাষ্টার রোল গণনা করে অসঙ্গতি পরিলক্ষিত হওয়ায় সন্দেহ পোষণ করেন ,তাই তিনি তাৎক্ষণিক বিষয়টি উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কে অবহিত করেন ।
উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিসার তাৎক্ষণিক উপজেলা নিবাহি অফিসারকে নিয়ে ঘটনাস্থলে এসে মাস্টাররোল ও মজুদ গণনা করেন ।
গণনা কালে ৩০ কেজি উজনের ৮৯ বস্তা ( ২৬৭০ কেজি ) চাল কম পাওয়া যায় এবং পাশের রুমের গত মাচ মাসের বরাদ্দকৃত ৫০ কেজি উজনের ৪৪ বস্তা ( ২২০০ কেজি ) চাউল পাওয়া যায় ।
এবিষয়ে বাদী ধল্লা ইউনিয়নের তদারকি কর্মকর্তা/ টেগ অফিসার জনাব মোঃ নাজিমুদ্দিন বলেন , আমরা আপাতত তাহাকে জেল হাজতে প্রেরণ করছি , তবে দুদকে এই মামলাটি তত্ত্বাবধানে আছে ।
এ আর আহমেদ হোসাইন,কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি ঃ ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে গঠিত মুজিবনগর সরকারের অন্যতম উপদেস্টা, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) সভাপতি, এদেশের বাম আন্দোলন এবং সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা ব্যাক্তিত্ব প্রয়াত অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ’র আজ ৯৯ তম জন্মদিন। চলমান করোনা বিপর্যয়ের কারণে কোনো আনুষ্ঠিকতা ছাড়াই প্রয়াত হবার পর তাঁর প্রথম জন্মদিনটি উদযাপিত হলো অনাঢ়ম্বরে।তিনি ১৯২২ সালের ১৪ এপ্রিল কুমিল্লা জেলার দেবীদ্বার উপজেলার এলাহাবাদ গ্রামের সম্ভ্রান্ত ভুইয়া পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ হোসেনতলা স্কুল, জাফরগঞ্জ রাজ ইনস্টিটিউশন, দেবীদ্বার রেয়াজউদ্দিন পাইলট উচ্চবিদ্যালয় ও ভিক্টোরিয়া কলেজে লেখাপড়া শেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে অনার্সসহ এমএ ডিগ্রি পরে ইউনেস্কোর ডিপ্লোমা অর্জন করেন। চাকুরী জীবনে তিনি বিভিন্ন সরকারি কলেজসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেন তিনি।
চল্লিশের দশকে ‘পাকিস্তান উন্মাদনার’ বিপরীতে যে মুষ্টিমেয় মুসলমান তরুণ ছাত্রাবস্থায় বামপন্থায় দীক্ষা নিয়েছিলেন, মোজাফফর আহমদ তাঁদের একজন। নেতা হিসেবে মেনে নিয়েছিলেন ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সন্দ¦ীপের সন্তান কমরেড মোজাফফর আহমদকে। ১৯৫১-৫২ সালে যখন ভাষা আন্দোলন হয়, তখন মোজাফফর আহমদ ঢাকা কলেজের শিক্ষক। তাঁর আজমপুরের ৮/আই কলোনির বাসায়ই কমিউনিস্ট নেতারা নিয়মিত বৈঠক করতেন, যাঁদের মধ্যে ছিলেন নেপাল নাগ, খোকা রায়, অনিল মুখার্জি, সত্যেন সেন। তিনি নিজেও ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন। এরপর মোজাফফর আহমদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগে শিক্ষক হিসেবে যোগ দিলেও সেখানে বেশি দিন থাকা হয়নি। ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে শিক্ষামন্ত্রী মফিজ উদ্দিন আহাম্মদের মতো শক্তিশালী প্রার্থীকে হারিয়ে পূর্ববঙ্গ ব্যবস্থাপক সভার সদস্য নির্বাচিত হন। নিজেকে পরিচিত করে তুলেন কুঁড়েঘরের মোজাফফর হিসেবে। পূর্ববঙ্গ ব্যবস্থাপক সভার সদস্য হিসেবে মোজাফফর আহমদ স্বায়ত্তশাসনের পক্ষে জোরালো ভূমিকা রাখেন।
মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে ১৯৫৭ সালে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি গঠিত হলে তিনি এর কেন্দ্রীয় নেতা হন। ১৯৫৮ সালে সামরিক শাসন জারি হলে মোজাফফর আহমদের নামে হুলিয়া জারি হয় এবং তিনি আত্মগোপনে চলে যান। এর আগেই তিনি নিষিদ্ধঘোষিত কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য হন। ১৯৬৭ সালে ন্যাপ বিভক্ত হলে মস্কোপন্থী অংশের পূর্ব পাকিস্তান শাখার সভাপতির দায়িত্ব নিতে হয় তাঁকে। মুক্তিযুদ্ধকালে মোজাফফর আহমদ মুজিবনগর সরকারে এবং আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তিনি আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিক মিত্র হিসেবে নিলেও মনে করতেন, আওয়ামী লীগ যেখানে জাতীয় মুক্তিসংগ্রাম শেষ করবে, সেখান থেকেই বামপন্থীদের যাত্রা শুরু হবে। সে লক্ষে ন্যাপ ও বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি ভারতের কমিউনিস্ট পার্টিকে (সিপিআই) দিয়ে ইন্দিরা গান্ধীর ওপর প্রভাব সৃষ্টি করে মুক্তিযুদ্ধে নিজেদের ভূমিকা নিশ্চিত করে। ন্যাপ, কমিউনিস্ট পার্টি ও ছাত্র ইউনিয়নের নেতৃত্বে গড়ে তোলা হয় পৃথক গেরিলা বাহিনী। মোজাফফর আহমদের সম্পাদনায় নতুন বাংলা নামে একটি সাপ্তাহিক পত্রিকাও প্রকাশিত হয় মুজিবনগর থেকে। ১৯৭৯ সালের সংসদে নির্বাচিত হয়ে তিনি সমাজতন্ত্রের পক্ষে জোরালো বক্তব্য দেন। আশির দশকে এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালনকারী এই প্রবীণ রাজনীতিক ১৯৮১ সালে ন্যাপ কমিউনিস্ট পার্টি ও একতা পার্টির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।
আওয়ামী লীগ সরকার মোজাফফর আহমদকে স্বাধীনতা পদক দেওয়ার ঘোষণা দিলে তিনি সবিনয়ে সেটি নিতে অপারগতা প্রকাশ করে বলেছিলেন, তিনি কোনো পুরস্কারের জন্য রাজনীতি করেননি। মানুষের ভালোবাসাই তাঁর পুরস্কার।
তিনি রাজনৈতিক কারনে যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, ফ্রান্স, কানাডা, সোভিয়েত ইউনিয়ন, বুলগেরিয়া, অস্ট্রিয়া, ভারত, দক্ষিণ ইয়মেন, লিবিয়া, আফগানিস্তান, মধ্যপ্রাচ্যসহ পূর্ব ও পশ্চিম ইউরোপের বহু দেশ সফর করেন।
অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ রচনা করেন ‘সমাজতন্ত্র কি এবং কেন’, ‘প্রকৃত গণতন্ত্র তথা সমাজতন্ত্র সম্পর্কে জানার কথা’, ‘মার্কসবাদী সমাজতন্ত্র ও কিছু কথা’ নামে রাজনীতি ও জীবনী মূলক একাধিক মূল্যবান বই।
অধ্যাপক মোজাফফর আহমদের জন্মদিনটি চলমান করোনা বিপর্যয়ের কারনে উদযাপনের কোনো আয়োজন না থাকলেও ন্যাপ কেন্দ্রীয় সম্পাক মন্ডলীর সদস্য অনিল চক্রবর্তির নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় ন্যাপ, দেবীদ্বার উপজেলা ন্যাপ, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, এলাহাবাদ মহাবিদ্যালয়, এলাহাবাদ উচ্চ বিদ্যালয় ও বিভিন্ন সংগঠন মহান এ নেতার সমাধিতে পুস্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
বিপ্লব,সাভার ঃ গতকাল রাত ১১টার দিকে তাকে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্স থেকে কুুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এর আগে রাত ১০ টার দিকে তার নমুনার পজেটিভ ফলাফল জানা যায়।ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সাভার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুলাহ আল মাহফুজ জানান, গত কয়েক দিন ধরে ওই চিকিৎসকের মধ্যে করোনার উপসর্গ থাকায় আজ পরীক্ষার জন্য নমুনা ঢাকা পাঠানো হলে রাতে ঢাকা থেকে জানানো হয়, ওই চিকিৎসক করোনা পজেটিভ।
এরপরই তাকে কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে পাঠানো হয়। এই চিকিৎসক সারা দিন রোগীদের চিকিৎসা দিয়েছেন জানিয়ে আব্দুলাহ আল মাহফুজ আরো জানান, ওই চিকিৎসক রাজধানীর শ্যামলীতে থাকতেন। সেখান থেকেই সাভার হাসপাতালে এসে দায়িত্ব পালন করতেন।
এদিকে, এই ঘটনার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত সিভিল সার্জন ও জেলা প্রশাসক নিবে বলে জানানো হয়েছে।
আন্যদিকে, করোনা ভাইরাস মহামারি রুপ নেওয়ায় রাজধানীর উপকষ্ঠ শিল্প এলাকা সাভার লকডাউন ঘোষনা করা হয়েছে। গতকাল থেকে এ উপজেলায় কেউ বাহির হতে এবং প্রবেশ করতে পারবে না। বিষয়টি নিশিচত করে সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও পারভেজুর রহমান জুমন লকডাউনে সাভারবাসীকে ঘরে থাকার আহবান জানিয়েছেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ রাতেই ফোনপেয়ে করোনাভাইরাস মোকাবিলায় চলমান অঘোষিত লকডাউনে কর্মহীন হয়ে পড়া দিনমজুর এবং দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের বাড়িতে ত্রাণ সহায়তা পৌঁছে দিচ্ছেন সাভার পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের রমজান আহমেদে ।আজ সোমবার সন্ধ্যা রাতের পর হঠাৎ করেই রাস্তায় দেখা গেলো সাভার পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের রমজান আহমেদকে , তাহার হাতে আর কাঁদে করে কিছু একটা নিয়ে যাচ্ছেন ।
এমন সময় তাহাকে জিজ্ঞাসা করলে, তিনি প্রথমে কিছু না বলেই হেটে যাচ্ছিলেন , আবারো জিজ্ঞেসা করায় ,তিনি উত্তরে বললেন ত্রাণ নিয়ে যাচ্ছি ।
তাহার পিছু নেওয়ায়, দেখতে পেলাম তিনি ফোনপেয়ে গরিবের ঘরে ঘরে ত্রাণ দিচ্ছেন ।
এ সময় তিনি আরো বলেন ,করোনা মোকাবিলায় কয়েক দিন ধরে বন্ধ রয়েছে যানবাহন চলাচল। বন্ধ হয়ে গেছে অনেক কলকারখানা ও দোকানপাট। কেউ ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। অসহায় হয়ে পড়েছেন অনেক দিনমজুর, দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষ। জনসমাগম এড়িয়ে এসব অসহায় মানুষকে সহযোগিতা করতে আমি সবসময় পাশে আছি ।
এছাড়াও রমজান আহমেদ সাভার পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের বাড্ডা এলাকায় দুইশত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন ।
এ আর আহমেদ হোসাইন,(কুমিল্লা)প্রতিনিধি :কুমিল্লা দেবীদ্বার উপজেলার জাফরগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ সামনে সোমবার সকালে ইউনিয়নের ১৯৫ জন হতদরিদ্র সাধারন জনগনের মাঝে ৩০কেজি করে করোনা মোকাবেলায় সরকারি বরাদ্দ ভিজিডি ও ডিজিএফ’র চাউল বিতরণ করা হয়।ইউপি চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেনের সন্ঝালনায় ওই সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমবায় অফিসার মোশারফ হোসেন ভূঁইয়া, ইউপি সদস্য আব্দুল জব্বার, আব্দুর রশিদ, আবুল কাশেম বাবুল, আবুল কালাম আজাদ,বজলুর রহমান, আব্দুল হালিমসহ আরও অনেকে।ওই সময় ইউপি চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন বলেন-জাফরগঞ্জ ইউনিয়নে সরকারি ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত আছে আমাদের প্রতিটি ওয়ার্ডের ইউপি সদস্যদের মাধ্যমে নামের তালিকা করে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।
মোঃ রাসেল ইসলাম ,বেনাপোল প্রতিনিধি: যশোরের বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশ জিবনকে বাজি রেখে করোনা ভাইরাসকে ভয় না করে ভারতীয় ৭০ বোতল ফেন্সিডিল সহ পুটখালী গ্রামের আলী হোসেন এর ছেলে লিটন(২৫) ও খড়িডাঙ্গা গ্রামের কামাল হোসেন এর ছেলে মিকাইল হোসেন(২০) নামে দুই মাদক বহনকারীকে গ্রেফতার করেন। সোমবার(১৩ ই এপ্রিল) বিকাল সাড়ে ৪ টার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই মোস্তাফিজুর রহমান,এএসআই আলমগীর হোসেন,কনেস্টবল খলিলুর রহমান ও কনেস্টবল চঞ্চলকর্মকর বেনাপোল পোর্ট থানাধীন খড়িডাঙ্গা মাঠ থেকে ৭০ বোতল ভারতীয় ফেন্সিডিল সহ দুই মাদক বহনকারীকে গ্রেফতার করা হয়।
বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মামুন খান গ্রেফতার আসামী সহ মাদক উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।তিনি আরো বলেন, উদ্ধার মাদক সহ আসামীদের যশোর বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হবে।
আশরাফ হোসেন পল্টু,মাগুরা প্রতিনিধি :মাগুরার শ্রীপুর থানা পুলিশ কৃষক বেশে অভিনব কায়দায় গতকাল সোমবার দুপুরে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় দাইরপোল গ্রাম থেকে মতিয়ার রহমান (৫৫), শরিফুল ইসলাম (৫০),নাহিদুল ইসলাম রোমেল (৩৭) ও রাসেল শেখ (২৫) নামে চার মাদক ব্যবসায়ীকে ৮০পিচ ইয়াবাসহ আটক করেছে। পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন জানান, উপজেলার বারইপাড়া গ্রামের আব্দুস সামাদের পুত্র মতিয়ার রহমান ও একই গ্রামের এজের আলী শেখের পুত্র শরিফুল ইসলাম, টুপিপাড়া গ্রামের আবুল হাসেমের পুত্র নাহিদুল ইসলাম ও মদনপুর গ্রামের আব্দুল্লাহ শেখের পুত্র রাসেল শেখ এরা সবাই এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী নামে পরিচিত ।
বারইপাড়া গ্রামের মাদক সম্রাট ও অসংখ্য মাদক মামলার এজাহারভুক্ত আসামী মতিয়ার রহমানসহ আটককৃত ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে অত্র এলাকায় গাঁজা, ইয়াবাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকের ব্যবসা করে আসছিল। এরই সূত্রধরে গতকাল সোমবার দুপুরে আটককৃতরা ইয়াবা বেচাকেনা করার জন্য দাইরপোল গ্রামস্থ ঈদগা এর পার্শ্ববর্তী ইমারত বিশ্বাসের মেহগিনি বাগানের কাছে অবস্থান করছিল ।
এমন সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাহাবুবুর রহমানের নির্দেশে এস,আই প্রনয় কুমার এর নেতৃত্বে এ,এস,আই রমজান আলী,এ,এস,আই রকিবুল ইসলাম,এ,এস,আই ইমরান হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স পুলিশি পোশাক খুলে রেখে কৃষক বেশ ধারণ করে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় মাদক বিক্রেতাদের আটক করতে সক্ষম হয়। আটকের পর তাদের দেহ তল্লাশী করে ৮০পিচ ইয়াবা (যার আনুমানিক মূল্য ৪০ হাজার টাকা) উদ্ধার করা হয় ।
এ বিষয়ে শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাহাবুবুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আটককৃতরা প্রত্যেকেই মাদক ব্যবসায় সাথে জড়িত । এদের বিরুদ্ধে পূর্ব থেকেই থানায় অভিযোগ ছিল । আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে শ্রীপুর থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের হয়েছে,যার মামলা নং ০৭ তাং ১৩/০৪/২০২০,ধারা ৩৬(১) এর ১০(ক)/৪০ । সোমবার দুপুরেই তাদের মাগুরা আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে ।
এনামুল হক, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সর্বানন্দ ইউনিয়নের মধ্যে সাহাবাজ গ্রামের মোঃ আতোয়ার রহমান ও তার বাবা গ্রামে ভ্যানে করে কর্মহীন হয়ে পড়া ও দুস্থদের মাঝে তার ব্যক্তিগত অর্থে খাদ্য সামগ্রী ঘরে ঘরে পৌছে দিচ্ছেন।সোমবার সকালে উপজেলার সর্বানন্দ ইউনিয়নের মধ্যে সাহাবাজ ও দক্ষিণ সাহাবাজ গ্রামে তিনটি ভ্যানে ত্রাণ নিয়ে গ্রামের ১৫০ টি পরিবারের মাঝে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে প্রতি পরিবারের মাঝে চাল,ডাল,লবন,সাবান,মরিচ,পিয়াজ,আলু ঘরে ঘরে পৌছে দেন মধ্যে সাহাবাজ পাড়াস্থ আতোয়ার ও তার বাবা মোঃ ফয়জার রহমান ।
এসময় তার বাবা ফয়জার রহমান বলেন, আমার তিন ছেলে ঢাকায় শিপইয়ার্ডে কর্মরত আছে তন্মধ্যে জানুয়ারী মাসেই দুই ছেলে বাড়ীতে এসেছে কিন্তু পরবর্তীতে দেশে করোনা ভাইরাস ভয়াবহ আকার ধারণ করায় তারা যেতে পারেনি। দেশের এ অবস্থায় যখন খেটে খাওয়া মানুষেরা কর্মহীন হয়ে পরে ঠিক তখনি ছেলেদের সাথে পরামর্শ করে দুস্থ, কর্মহীন অসহায়দের ঘরে ঘরে খাবার পৌছে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেই ।তাই আমরা আজকে আমাদের সর্বানন্দ ইউনিয়নের মধ্যে সাহাবাজ ও দক্ষিণ সাহাবাজ গ্রামের অসহায়, দুস্থ, কর্মহীনদের ঘরে ঘরে গিয়ে খাবার পৌছে দিচ্ছি। এবং করোনা প্রতিরোধে সকলকে সচেতন করছি ও ঘরে থাকার অনুরোধ করছি।সেই সাথে সমাজের বিত্তবান শ্রেণির মানুষের কাছে অনুরোধ করে বলেন ,, ভাই আপনারা যদি কয়েকজন বিত্তবান শ্রেণির মানুষ সম্মিলিত হয়ে একটি সমাজকে ক্ষুধা মুক্ত করেন তাহলে দেশে কোনো মানুষ অনাহারে থাকবেনা।
জাহিন সিংহ, সাভার: করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে চলমান পরিস্থিতিতে কর্মহীন হয়ে পড়া এলাকার দুস্থ ও অসহায় মানুষের পাশে দাড়ালেন ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রলীগ নেতা মহিউদ্দিন খান শুভ।সাভার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম রাজীব ও ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রলীগের সভাপতি সাইদুর ইসলামের নির্দেশনায় বিভিন্ন সামাজিক সেবামূলক কাজ করে আসছেন তিনি।
তারই ধারবাহিকতায় সাভারের আমিনবাজার ইউনিয়নের বড়দেশী গ্রামে বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রায় শতাধিক দুস্থ পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দিলেন এই ছাত্রলীগ নেতা।
এব্যপারে ছাত্রলীগ নেতা মহিউদ্দিন খান শুভ বলেন, সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের কর্তব্য। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে ও মানবিক হতে শিখিয়েছেন। তাই মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে এলাকার অসহায় মানুষের ঘরে খাবার পৌঁছে দিতে চেষ্টা করছি।
এসময় ত্রাণ সহায়তা পেয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে দুস্থ পরিবারগুলো। বিতরণ করা ত্রাণ সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে- চাল, ডাল, তেল, লবন, আলুসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য।
এছাড়া ছাত্রলীগ নেতা মহিউদ্দিন খান শুভ’র নেতৃত্বে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে পাড়া মহাল্লায় বিভিন্ন সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হচ্ছে। নিয়মিত এধরণের বিভিন্ন সেবামূলক সামাজিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানান ছাত্রলীগ নেতা শুভ।
সিরাজদিখান (মুন্সিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ মুন্সীগঞ্জ জেলা কমিটির সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী করোনা ভাইরাস (কোভিট-১৯) বিস্তৃতি ও সংক্রমণ ঝুঁকি মোকাবেলায় জেলায় জনসাধারণের প্রবেশ ও প্রস্থান নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে গত ১০ এপ্রিল জেলা প্রশাসক মোঃ মনিরুজ্জামান তালুকদার স্বাক্ষরিত গণবিজ্ঞপ্তিতে জরুরী বিধি নিষেধ জারী করা হয়। এতে জেলার এক ইউনিয়ন থেকে অন্য ইউনিয়নের যেকোন প্রবেশ পথ দিয়ে যান বাহন প্রবেশ ও প্রস্থানের নিষেধাজ্ঞা জারী করে জেলার প্রতিটি ইউনিয়নের প্রবেশপথ সমূহে ব্যারিকেড স্থাপন করে চলাচল নিয়ন্ত্রণের রাখার জন্য ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, ওয়ার্ড মেম্বার ও গ্রাম পুলিশদের নির্দেশনা দেয়া হয়। কিন্তু জেলা প্রশাসন কর্তৃক জারীকৃত নির্দেশনা সিরাজদিখান উপজেলায় গত তিন দিনেও বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কোন চেয়ারম্যান, মেম্বার ও গ্রাম পুলিশকে উদ্যোগ নিতে দেখা যায়নি। নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ সদর ও টংগিবাড়ী থেকে সিরাজদিখান উপজেলা প্রবেশ পথ বাড়ৈপারা ব্রিজ। মধ্যপাড়া,ইছাপুরা ও শ্রীনগর উপজেলা থেকে মালখানগর হয়ে মুন্সীগঞ্জ সদরে যাওয়ার কাকালদী জোর পুলের মোড়। বয়রাগাদী থেকে মালখানগরের প্রবেশ পথের ব্রীজ। জোর পুল (জংসন রোড) সিরাজদিখান উপজেলায় প্রবেশ পথের ব্রীজসমূহ খোলা থাকায় অন্য উপজেলা থেকে যানবাহন প্রবেশ করছে এবং বেরও হচ্ছে । এছাড়া উপজেলার তালতলা বাজারের পূর্ব দিকের নদীপথে দুইটি খেয়া ঘাট রয়েছে। এ খেয়া ঘাট দুটো পার হয়ে খুব সহজেই নারায়ণগঞ্জ জেলা থেকে সিরাজদিখানে উপজেলায় প্রবেশ করা যায়। এতে করে উপজেলাবাসী করোনা ভাইরাস আতঙ্কে রয়েছে। এব্যাপারে সিরাজদিখান উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যানদের কাছে জানতে চাইলে অনেক চেয়ারম্যান বিষয়টি জানেনা বলে জানান।