যশোরের শার্শা-বেনাপোলে ৪ পেঁয়াজ ব্যবসায়ীকে ২২০০০(বাইশ হাজার) টাকা জরিমানা ।
মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: যশোরের শার্শা উপজেলার নাভারণ ও বেনাপোল বাজারে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে অসাধু ৪ পেঁয়াজ ব্যবসায়ীকে ২২০০০(বাইশ হাজার) টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ১৫ নভেম্বর শুক্রবার শার্শা উপজেলার বেনাপোল ও নাভারন বাজারে অভিযান চালিয়ে এই জরিমানা করা হয়।
শার্শা উপজেলার নাভারন, শার্শা, বাগআঁচড়া, গোগা, পুটখালী, বেনাপোল , বাহাদুরপুর, গোড়পাড়া সহ বিভিন্ন বাজারে ২৪ থেকে ২৫০ টাকায় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া রসুনের প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৭৫ থেকে ২০০ টাকা দরে। দীর্ঘদিন ধরে বাজার মনগড়া উচ্চ মুল্যে অস্থিরতা থাকলেও প্রশাসনিক কোন প্রতিকার নেই। নেই বাজার মনিটরিং। কোন দোকানে পাইকারী বা খুচরা মুল্যেও তালিকা নেই। যে কারনে ক্রেতা সাধারনের মধ্যে হাহাকার শুরু হয়েগেছে।
এ ব্যাপারে একজন ব্যবসায়ী জানান, দেশে পেঁয়াজ না থাকায় ও আমদানিকারকেরা পেঁয়াজ আমদানিতে সরকারী সুবিধা না পাওয়ায় এবং সিন্টকেটের কারনে পেঁয়াজের মুল্য বৃদ্ধি হচ্ছে।
একজন ক্রেতা জানান, দাম বাড়াতে পেঁয়াজ ক্রয় বন্ধ কওে দিয়েছি। তিনি জানান, পেঁয়াজ ছাড়া আলু, ডাল ভত্তা ভাল না লাগলেও খেতে হচ্ছে।
একজন ভাজাপুড়া বিক্রেতা জানান, পেঁয়াজের এত দাম যে এখন তিনি তার ভাজার দোকান বন্ধ করে দিয়েছে। পেঁয়াজের মুল্য বেশি হওয়াতে সাধরন ক্রেতা থেকে শুরু করে সকলের মনে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এ ব্যাপারে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনাকারি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ খোরশেদ আলম চৌধুরী জানান, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা কালে দেখা যায় যে, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী এবং সিন্ডিকেট পেঁয়াজের মূল্য অস্বাভাবিক করে সাধারণ মানুষের জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলছে। ব্যবসায়ীদের কেউ ১৩০ টাকা পাইকারি ক্রয় করে খুচরা ২০০-২৩০টাকা বিক্রি করছে । আবার কেউ ১৫০-১৬০টাকা ক্রয় করে খুচরা ২০০-২৩০টাকা বিক্রি করছে।
সাধারণ জনগণ অর্থাৎ ভোক্তারা এইসব অসাধু ব্যবসায়ীদের কাছে জিম্মি। অধিকাংশ ব্যবসায়ী ক্রয়কৃত পণ্যের মুল্য তালিকা দেখাতে ব্যর্থ এবং পণ্যের মূল্য প্রদর্শন না করে বেশি মূল্যে পেঁয়াজ বিক্রি করায় নাভারণ ও বেনাপোল রাজারস্থ চারটি পাইকারি দোকানদারকে ভোক্তা-আধিকার আইনে ২২০০০/-(বাইশ হাজার) টাকা অর্থদন্ড প্রদান করা হয়।
শার্শা উপজেলার বিভিন্ন বাজারের নিত্যদিনের পণ্যের উপর উপজেলা প্রশাসনের মোবাইল কোর্টের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।
তালতলীর ছাতনপাড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পিএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা
মৃধা শাহীন শাইরাজ, তালতলী (বারগুনা) প্রতিনিধি:বারগুনার তালতলীতে ছাতনপাড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২০১৯ইং সনের পিএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই বিদ্যালয়ের মিলনায়তনে শুক্রবার সকালে এ বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও তালতলী উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মোঃ কামরুল আহসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আবু সিদ্দিক। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, তালতলী মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পরিমল চন্দ্র সরকার, সহকারি প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা সঞ্জয় কুমার দাস, তালতলী থানার এস,আই কামাল হোসেন, ইউনুছ আলী হাওলাদার, ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম লিটু প্রমুখ।
বক্তারা শিক্ষার্থীদের উজ্জল ভবিষ্যত কামনা করে বলেন, তোমরাই দেশের ভবিষ্যত। সামনে তোমরাই দেশের হাল ধরবে। সবাই ভালো ভাবে পরীক্ষা দেবে। এখান থেকেই দৃঢ় মনোবল নিয়ে নিজেকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।
উল্লেখ্য, আগামী ১৭ নভেম্বর ২০১৯ তারিখ থেকে পিএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
রাণীশংকৈল দোকান- প্রতিষ্ঠান কর্মচারী ইউনিয়ন নির্বাচনে সভাপতি- প্রদীপ সম্পাদক- আনন্দ বসাক
হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল,( ঠাকুরগাঁও)প্রতিনিধি ঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল পৌর শহর দোকান- প্রতিষ্ঠান কর্মচারী ইউনিয়নের ত্রি বার্ষিক নির্বাচন-২০১৯, ১৫ নভেম্বর শুক্রবার রাণীশংকৈল আওয়ামী লীগ দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
নির্বাচনে সভাপতি পদে কার্তিক বসাক, প্রমদীপ সাহা, সুমন বসাক এবং সাধারণ সম্পাদক পদে আনন্দ বসাক, কামাল পারভেজ ও সাহেবী বসাক প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। মোট ২১৪ জন ভোটার গোপন ব্যালটের মাধ্যমে ভোট প্রদান করেন। নির্বাচনে ১১০ ভোট পেয়ে প্রদীপ সাহা সভাপতি এবং ১১৪ ভোট পেয়ে আনন্দ বসাক সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। নিকটতম প্রতিদ্ব›দ্বী সুমন বসাক সভাপতি ৫৪ ভোট এবং সাধারণ সম্পাদক পদে কামাল পারভেজ ৮৫ পান ভোট।
নির্বাচন পরিচালনা করেন সংশ্লিষ্ট কমিটির আহবায়ক প্রভাষক প্রশান্ত বসাক, সদস্য সাগর সাহা, অমিত বসাক, মানিক বসাক ও সামু বসাক। নির্বাচন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন উপজেলা পুজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাধন বসাক, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রফিউল ইসলাম, রাণীশংকৈল প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ইত্তেফাক সংবাদদাতা অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম।
কয়লার পরিবর্তে খড়ির মজুদ মান্দায় স্কুলের অদুরে ইটভাটা স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীরা
নওগাঁ প্রতিনিধি :নওগাঁর মান্দায় দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অদুরে গড়ে তোলা হয়েছে ইটভাটা। ইতোমধ্যে ভাটায় নতুন ইটকাটা শুরু হয়েছে। কয়লার পরিবর্তে ভাটায় মজুদ করা হচ্ছে কাঠের খড়ি। অচিরেই এ ভাটায় ইট পোড়ানোর কাজ শুরু করা হবে। এতে প্রতিবছরের ন্যায় এবারও স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়বে দুটি বিদ্যালয়ের ৫ শতাধিক শিক্ষার্থী।
ভাটায় ইট পোড়ানো হলেও কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা গ্রহন করেননি। গত বুধবার উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা সভায় ভাটাটি বন্ধের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় চেয়ারম্যান ব্রজেন্দ্রনাথ সাহা।
সরজমিনে দেখা গেছে, নওগাঁ-রাজশাহী মহাসড়কের পাশে মান্দা উপজেলার সাবাইহাট এলাকায় ঝাঁঝরের মোড়ে ভাটাটি স্থাপন করেছেন গোসাইপুর গ্রামের কার্তিক চন্দ্র নামে প্রভাবশালী একব্যক্তি। ভাটাটির নাম দেয়া হয়েছে যমুনা ব্রিক্স। এ ভাটার মাত্র ২৫০ মিটার দুরে রয়েছে একরুখী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও একরুখী উচ্চ বিদ্যালয়। রয়েছে দুটি আম বাগান ও আবাসিক এলাকা। ভাটায় ইট পোড়ানো শুরু হলেই এ দুটি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা মাঝে মধ্যে অসুস্থ হয়ে পড়ে। এবারও স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছে শিক্ষার্থীরা।
একরুখী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী আরিফুল ইসলাম জানায়, ‘গতবছর ইটভাটা চালু হওয়ার পর হঠাৎ একদিন আমি অসুস্থ হয়ে পড়ি। শ্বাসকষ্টসহ একাধিকবার বমন করেছি। পরে ডাক্তারের নিকট গিয়ে চিকিৎসায় সুস্থ হয়ে উঠি।’
একই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সুমন ও মোস্তাকিম জানায়, ইটপোড়ানো শুরু হলে শ্বাসকষ্টের সমস্যায় ভুগতে থাকে শিক্ষার্থীরা। এ সময় আমাদের ক্লাস করতে সমস্যা হয়। এছাড়া স্কুল মাঠের আম গাছগুলোর ফল নষ্ট হয়ে যায়। পরিপক্ক হওয়ার আগেই পচন ধরে গাছ থেকে ঝরে পড়ে আম।
ইট প্রস্তুত ও পোড়ানো পরিবেশ অধিদপ্তর আইনে (২০১৩ এর সংশোধনী) উল্লেখ রয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বাগান ও আবাসিক এলাকার ১ কিলোমিটারের মধ্যে ইটভাটা স্থাপন করা যাবে না। এ আইনের তোয়াক্কা না করেই দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাত্র ২৫০ মিটার দুরে ভাটাটি স্থাপন ও দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে ইটপোড়ানোর কাজ করে আসছেন কার্তিক চন্দ্র। কোন খুঁটির জোরে ভাটা মালিক আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে ইটপোড়ানোর কাজ করে আসছেন এনিয়ে স্থানীয়দের মাঝে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ব্রজেন্দ্রনাথ সাহা জানান, ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কাছে ইটপোড়ানো বন্ধ রাখার জন্য ভাটামালিক কার্তিককে বারবার নিষেধ করার পরও তা মানছেন না। চেয়ারম্যান অভিযোগ করে বলেন, ভাটামালিক কার্তিক চন্দ্রের দম্ভোক্তি পরিবেশ অধিদপ্তরসহ প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিদের কিনে পকেটে রেখেছেন তিনি। এবিষয়ে প্রশাসনের কোথাও অভিযোগ দিয়েও কাজ হবে না।’
ভাটামালিক কার্তিক চন্দ্র জানান, ‘পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নিয়েই ভাটার কার্যক্রম পরিচালনা করছি। কয়লার পরিবর্তে ভাটায় খড়ির মজুদ কেন জানতে চাইলে এ প্রসঙ্গ এড়িয়ে যান তিনি।
একরুখী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেজাউল ইসলাম জানান, ‘একবছর হয়েছে আমি এ প্রতিষ্ঠানে যোগদান করেছি। এর অনেক আগে থেকেই বিদ্যালয়ের পাশে ইটভাটাটি রয়েছে। ইটভাটা থেকে যে কালো ধোঁয়া নির্গত হয় তা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক। এতে বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা মাঝে মধ্যেই শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল হালিম জানান, যমুনা ব্রিকসের মালিক কার্তিক চন্দ্রের ইটপ্রস্তুত ও পোড়ানোসহ পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র রয়েছে কি না সেটি আমার জানা নেই। এবিষয়ে তদন্ত করে আইনী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। এছাড়া লাইসেন্সবিহীন প্রত্যেকটি ইটভাটার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।’
পরিবেশ অধিদপ্তর বগুড়ার পরিদর্শক মকবুল হোসেন জানান, ‘বিদ্যালয়, বাগান ও আবাসিক এলাকার ১ কিলোমিটারের মধ্যে ভাটা স্থাপন করে ইট প্রস্তুত ও পোড়ানো আইন সম্মত নয়। যমুনা ব্রিকস এ নীতিমালা লঙ্ঘন করে ভাটার কার্যক্রম পরিচালনা করলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
সাভারে যুবদল নেতা আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশকারী কাউন্সিলর মিনহাজ উদ্দিন মোল্লা (ভিডিও)
ষ্টাফ রিপোর্টার সাভার ঢাকা : ঢাকার সাভারে রাজাকার পরিবারের সন্তান যুবদল নেতা কাউন্সিলর মোঃ মিনহাজ উদ্দিন মোল্লা ( মিনা) আওয়ামীগে অনুপ্রবেশকারী।
তিনি সাভার পৌর এক ১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, মামলা থেকে বাঁচতে বিএনপির যুবদল নেতা মিনহাজ উদ্দিন মোল্লা আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড পরিচালনা করে একের পর এক মানুষ খুন করে আসেছে। এর আগে সে যুবলীগ নেতা সি এম বাদশা ফয়সালকে হত্যা, তার পর ব্যবসায়ী সেলিম হত্যা।
যুবলীগ নেতা হত্যা মামলায় সে ১নং আসামী। ব্যবসায়ী সেলিম হত্যায় ছেলে অন্তর মোল্লা এজাহারভুক্ত আসামী। এছারাও কাউন্সিলর মিনহাজ উদ্দিন মোল্লার নামে সাভার মডেল থানায় বিএনপির গাড়ি ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ১৪টি মামলা ও হত্যা মামলা রয়েছে দুটি।
তিনি আরো বলেন, যুবদল থেকে এসে আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশ করে ভুমিদস্য চাঁদাবাজি যুবলীগ নেতা হত্যাসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়ে আওয়ামী লীগের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করছে। এরই মধ্যে কাউন্সিলর মিনহাজ উদ্দিন মোল্লা পরকীয় প্রেমিকার সাথে ফোনালাপে এক অডিও কল রেকর্ড ফাঁস হয়েছে। ফোনালাপে শোনা যায় দুটি পিস্তল ও বিরুলিয়া এক যুবলীগ নেতা হত্যার কথা।
মুহুর্তের মধ্যে তার পরকীয়া ফোনালাপ অডিও কল রেকর্ডটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পরে। এর পর পরই এলাকার বিভিন্ন পাড়া মহল্লা অলিগলি ও চায়ের দোকানে তার এই কল রেকর্ড নিয়ে আলোচনা ও সমালোচনার ঝর উঠে।
স্থানীয়রা বলেন, কাউন্সিলর মিনহাজ উদ্দিন মোল্লার পিতা মৃত আফাজ উদ্দিন মোল্লা ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকার ছিলেন। সেমময় তার নেতৃত্বে এলাকায় লুটপাট করাসহ অনেক মা বোন কে অমানবিক অত্যাচার ও ধর্ষণ করা হয়।
এলাকাবাসীরা আরো বলেন, রাজাকার আফাজ উদ্দিন মোল্লার পরিবারের সন্তান কাউন্সিলর মোঃ মিনহাজ উদ্দিন মোল্লার অপকর্মে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ। তাই এখনই তাকে আওয়ামী লীগ থেকে বেরকরে দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ কারা উচিৎ বলে মনে করছেন তারা।
তালতলীতে পিতার অপেক্ষায় কন্যা ।
মৃধা শাহীন শাইরাজ,তালতলী (বারগুনা) প্রতিনিধিঃ বরগুনার তালতলীর উপকূল এখন শোকের ছায়া, প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের তাণ্ডবে, সাগরে নিখোঁজ এফ বি তরিকুলের ১৫ জেলের ৮ জেলে ফিরে এলেও বাকি ৭ জেলে ৬ দিনে ফিরে না আসায় উপকূলে এখন শোকের ছায়া।নিখোজ জেলে পরিবার চলছে শোকের মাতম।
উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের লালুপাড়া গ্রামের নিখোজ জেলে, রাসেল হাং(৩০), তার তৃতীয় সন্তান ১৮ মাস বয়সী নাঈমা, তারা মাকে বলছে আব্বায় (বাবা) মজা নিয়ে আসবে কবে? আর মুখ লুকিয়ে সন্তানকে সান্ত্বনা দিচ্ছে তার মা। পাসের বাড়িতে,বিলাপ করে কাঁদছে রাসেলের মা ও বোন, তাদের বিলাপে সকলের চোখেই পানি । রাসেলের বাড়ি থেকে একটু সামনে আগাতে নিখোজ সবুজের বাড়ি। ইন্টারমিডিয়েট পাস করে সংসারের হাল ধরতে। বড় ভাইয়ের সাথে ৩রা নভেম্বর সাগরে যায় সবুজ, ৮ নভেম্বর সকালে কূলের দিকে ফিরে আসতেই ট্রলারটির ইঞ্জিন বিকল হয়েযায়,প্রবল ঝড়ের কারনে রাত৮ টায় ডুবে যায় ট্রলার টি। তিন রাত দুই দিন সাগরে ঝড়ের সাথে মোকাবিলা করলেও, পাগরা তলী চরে হারিয়ে যায় সবুজ, নিখোঁজ সন্তানের ছবি বুকে নিয়ে কাঁদছ সবুজের মা। পাসেই কাদছে সবুজের আপন বড় ভাই জসিম, তারা চোখের সামনেই তিন রাত দুই দিন সাগরে ঝড়ের সাথে য্দ্ধু করলেও পাগরা তলী চরে হারিয়ে ফেলেন তিনি, চোখের সামনে ভাইকে হারিয়ে পাগল প্রায়,তার ভাই । ৭ জেলে নিখোঁজ থাকায় উপকূলের আকাশে বাতাসে এখনো শোকের ছায়া
উলক্ষ্য গত( ৮ নভেম্বর) শুক্রবার রাত ৮ টায় ডুবে যায় এফ বি তরিকুল নামে একটি মাছ ধরার ট্রলার। ঐ ট্রলারে থাকা ১৫ জেলের মধ্যে মঙ্গলবার রাতে ৮ জন জেলে বাড়ি ফিরে আসলেও এখনো নিখোঁজ রয়েছে ৭ জেলে। এরা হলেন মো. হোসেন আলী (৫৫),শানু হাওলাদার (৫৫), মো. লিটন (৫০), মো. কামাল হোসেন (৩৮),সুমন (৩০)মো. রাসেল মিয়া (৩০) সবুজ ফরাজী (১৮)। ফিরে আসা জেলে মোস্তফা জানান, বরগুনার তালতলী উপজেলার লালুপাড়া গ্রামের মো. নজরুল ইসলামের মালিকানাধীন এফবি তরিকুল নামের একটি ট্রলার ৩ নভেম্বর গভীর সাগরে মাছ ধরছিল। ট্রলারটি তীরে ফেরার পথে ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের তাণ্ডবে নারিকেল বাড়িয়ায় ডুবে যায়।
এ সময় ওই ট্রলারে থাকা ১৫ জন জেলের মধ্যে ১১জন জেলে ট্রলার থেকে বের হতে পারলেও বাকি ৪ জন জেলেকে তিনি বের হতে দেখেন নি । ৩ রাত ২ দিন সাগরে ফ্লুট ধরে ভাসার সময় ২ জন জেলে ও কুলের কাছা কাছি এসে ফ্লুট ছেড়ে দেয়। বাকি নয়জন বাংলাদেশে ও ভারতের সিমান্ত এলাকা পাগড়াতলী চরে পৌঁছান।
ওই চরে প্রায় ৩০ কিলোমিটার হাটার পর মাছ ধড়ার নৌকায় ৮ জন ফিরে আসে কৈখালী বিজিপি ক্যাম্প ও পরে চরে থাকা বাকি একজন জেলে সবুজ(১৮)অনেক খুঁজেও পায়নি বিজিবি সদস্যরা।
শ্রীপুরে মাইক্রোবাসের ধাক্কায় বৃদ্ধার মৃত্যু ।
আশরাফ হোসেন পল্টু,মাগুরা প্রতিনিধি : মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার দ্বারিয়াপুর ইউনিয়নের মহেশপুর গ্রামের তাছের আলী মোল্লার স্ত্রী আমেনা বেগম (৭৫) নামে এক বৃদ্ধার গতকাল বৃহস্পতিবার ভোর সকালে চলন্ত মাইক্রোবাসের ধাক্কায় মৃত্যু হয়েছে ।





























সংস্থার সংগঠক অনিল বসাকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য ও সংগীত বিদ্যালয় সভাপতি অধ্যাপক ইয়াসিন আলী। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব অধ্যক্ষ তাজুল ইসলাম, তৈমুর হোসেন ও কবি গীতিকার সাংবাদিক অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম। এছাড়াও এতে সংস্থার সকল সদস্য ও শুভানুধ্যায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ আতিকুল ইসলামের সভাপতিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইয়াছিন কবীর প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উপজেলার ৩’শত ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে এ বীজ ও সার বিতরণ করেন ।