মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: নৌ পরিবহন মন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে বেনাপোল স্থল বন্দর সেজেছে বসুন্ধরা গ্রুপের আটা ময়দা এবং সুজির বিজ্ঞাপনে।অবহেলিতভাবে পড়ে আছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর এর ছবি। আমরা জানি যার জন্ম না হলে বাংলাদেশ সৃষ্টি হতো না। যার নেতৃত্বে আমরা১৯৭১ সনে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়ে দেশ স্বাধীন করেছি।
ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে জাতির পিতার সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিরলস পরিশ্রম করে চলেছেন। যার ফলে আমাদের বাংলাদেশ এখন বিশ্বের বুকে সম্মানিত ভাবে এগিয়ে চলেছে। আমরা এও জানি, বৈদেশিক লেনদেনের ক্ষেত্রে বেনাপোল স্থলবন্দরে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান।
পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের সাথে পণ্য আদান প্রদানের পাশাপাশি দেশ-বিদেশের বৈধ পাসপোর্ট যাত্রীদের চলাচল বন্ধ হয়ে থাকে। একটি দেশের পরিবেশ পরিস্থিতি সম্মানের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয় তখনই যখন জাতি তার নেতার প্রতি সম্মান দেয়। অর্থাৎ দেশের প্রতিটি সরকারি দপ্তরে জাতির জনকের ছবি অতি সতর্কতার সহিত টানানো বা ঝুলানো হয়ে থাকে।কিন্তু বেনাপোল স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ জাতির পিতাকে সম্পূর্ণভাবে অসম্মানিত করে বঙ্গবন্ধুর ছবিকে পাশে ফেলে বসুন্ধরা গ্রæপের আটা ময়দা এবং সুজির বিজ্ঞাপন চিত্রকে প্রাধান্য করে রেখেছে।
যেটি জাতির জন্য খুবই অপমানজনক। বেনাপোল স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা রাজাকার এবং কিছু দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা কর্মচারীদের পক্ষেই সম্ভব এই কাজ ঠিক করা।বিষয়টি স্থানীয় সাংবাদিকদের নজরে পড়াই এর তীব্র প্রতিবাদ করলে বন্দর কর্তৃপক্ষ নৌ প্রতিমন্ত্রীর বৈঠককে সাংবাদিকদের উপর চড়াও হয়ে তাদেরকে বৈঠকের স্থান থেকে বের করে দেওয়া হয়। ফলে প্রতিমন্ত্রীর বন্দর পরিদর্শন এবং মন্ত্রীর দিক-নির্দেশনার বিষয় গুলি প্রচারে বাধা সৃষ্টি করা হয়।
বন্দর কর্তৃপক্ষের এহনো অপমানজনক কর্মকান্ডে বেনাপোল ও শার্শার সকল সাংবাদিকবৃন্দ নিউজ প্রচার থেকে নিজেদেরকে বঞ্চিত রাখে এবং বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রতি ধিক্কার জানিয়ে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বিভিন্ন ভাবে বিবৃতি প্রদান করেছেন।
বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: বেনাপোল স্থল বন্দর আন্তর্জাতিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল এর দ্বিতীয়তলায় নৌপরিবহন প্রতি মন্ত্রী ও স্থল বন্দরের উপদেষ্টা কমিটির সভাপতি খালেদ মাহমুদ চৌধুরীকে নিয়ে গোপন বৈঠক করছে বলে অভিযোগ উঠেছে স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষর বিরুদ্ধে।
বেনাপোল চেকপোষ্ট আন্তর্জাতিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনালের সামনে সকাল সাড়ে ১০ টার সময় নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রীকে ফুলের শুভেচ্ছা জানান শার্শা উপজেলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা। এরপর মন্ত্রী চেকপোষ্ট কাস্টমস, ইমিগ্রেশন ও নোম্যন্সল্যান্ড পরিদর্শন করে প্যাসেঞ্জার টার্মিনালের দ্বিতীয় তলায় স্থল বন্দরের উপদেষ্টা কমিটির ১০ম বৈঠকে যোগ দেন। এসময় মাইকে ঘোষনা করা হয় এখানে উপদেষ্টা কমিটির সদস্য ছাড়া কেউ থাকতে পারবে না। এমনকি সাংবাদিকরাও থাকতে পারবে না। ঘোষনা দেওয়া হয় সাংবাদিক ভাইয়েরা বাহিরে যান আপনাদের পরে ডাকা হবে।
স্থানীয়দের অভিযোগ তাহলে সাংবাদিকদের অনুপস্থিতিতে সেখানে কি বৈঠক হচ্ছে তা জাতি কি ভাবে জানবে। এখানে গোপন বৈঠকের কি আছে। এই বন্দর নিয়েও বার বার অনেক নাটকীয়তা দেখা গেছে। সাংবাদিকরা কি মন্ত্রীর কাছে বন্দরের বার বার আগুন লাগা, আমদানি পন্য চুরি, ভায়গ্রার মত মাদক দেশে আমদানি করে বন্দরে রাখা, নির্ধারিত ওজনের পন্য ছাড়া বেশী পন্য আসার কারন জানতে চাইবে এই ভয়ে তাদের বৈঠক থেকে দুরে রেখেছে।
এদিকে বেনাপোল স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষের সাংবাদিকদের মাইকে ঘোষনা দিয়ে বাহির যেতে বলায় প্রেসকাব বেনাপোলের সাধারন সম্পাদক রাশেদুজ্জামান রাশু মন্ত্রীর উপদেষ্টা কমিটি’র বৈঠক এর সংবাদ বর্জন করার ঘোষনা দেন। সাথে সাথে বেনাপোলের সীমান্ত প্রেসক্লাব ও বন্দর প্রেসক্লাবের সাংবাদিকরা তার সাথে একাতœতা ঘোষনা করে নিউজ কাভারেজ বন্ধ রেখে ভবনের নিচে ১০ মিনিট কর্মবিরতীতে যোগদেন। এসময় উপস্থিত সাংবাদিক বেনাপোল প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক রাশেদুজ্জামান রাশু,সীমান্ত প্রেসক্লাব বেনাপোলের সভাপতি সাহিদুল ইসলাম শাহীন ও বন্দর প্রেসক্লাব বেনাপোলের সাধারন সম্পাদক আজিজুল হক একই সুরে বলেন, যে সাংবাদিকদের বৈঠক কক্ষ থেকে বের করে দেওয়া বেনাপোলের ইতিহাসে নজির বিহীন ঘটনা। এর আগে অনেক বার অনেক মন্ত্রীরা বেনাপোলে এসেছে তাদের আমন্ত্রনেই গণ মাধ্যমকর্মীরা সেখানে উপস্থিত হয় কিন্তু এর পুর্বে সাংবাদিকদের সাথে এরকম ন্যাক্কারজনক ঘটনা কখনও ঘটেনি।
নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীসহ স্থলবন্দর কর্তৃপকেআষ কর্মকর্তাবৃন্দের সংবাদকর্মীদের সাথে এহেন আচারনের তীব্র নিন্দা,ধিক্কার ও প্রতিবাদ জানাই।
শামশুজ্জোহা বিদ্যুৎ,চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি: সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার মাধাপাড়া মহাসড়ক এলাকা থেকে ১২০ বোতল ফেনসিডিলসহ ১ ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা।
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি ঘোড়াপাখিয়া ঝিল্লিপাড়া মহল্লার নজরুল ইসলাম লুটুর ছেলে হাবিবুর রহমান (৩৩)।
জানা গেছে, গোপন সূত্রের ভিত্তিতে গোয়েন্দা পুলিশ জানতে পারে শিবগঞ্জ উপজেলার মাধাপাড়া মহাসড়ক এলাকা দিয়ে ফেনসিডিল পাচার হচ্ছে।
এ খবর জানার পর এসআই আবু আব্দুল্লাহ জাহিদ পিপিএম এর নেতৃত্বে একদল গোয়েন্দা পুলিশ ঐ এলাকায় অভিযান চালিয়ে হাতেনাতে হাবিবুরকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
শামশুজ্জোহা বিদ্যুৎ,চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি : চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ সেলিমাবাদ এলাকার এক অসহায় রোগী টুকিয়ারা। বাবা-মা হারা এবং স্বামী পরিত্যক্তা টুকিয়ারা বেগমের পাশে দাঁড়ানোর মতো কেউ ছিল না।
ভাইয়ের সাধ্যমতো চেষ্টাও যেন হিমশিম খাচ্ছে টুকিয়ারা বেগমের চিকিৎসা করাতে। কয়েকদিন আগে স্থানীয় অনলাইন, প্রিন্ট মিডিয়া ও সোস্যাল মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত ও অর্থাভাবে চিকিৎসা বঞ্চিত অসহায় টুকিয়ারা বেগমের অসহায়ত্বের কথা। স্থানীয় ও বিভিন্ন জায়গা থেকে অনেকেই বিভিন্নভাবে সহযোগীতা করলেও আজ ২৩ সেপ্টেম্বর সোমবার প্রয়োজনীয় ঔষধ ও আর্থিক সহযোগীতা নিয়ে রোগীর নিকট ছুটে গেলেন শিবগঞ্জ উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা কাঞ্চন কুমার দাস। খবর পেয়ে সরাসরি রোগীর সাথে দেখা করায় আবেগাপ্লুত হয়ে যায় রোগী ও রোগীর স্বজনরা।
এসময় উন্নত চিকিৎসার জন্য ভবিষ্যতে আরো সহযোগীতার আশ্বাস দেন শিবগঞ্জ উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা কাঞ্চন কুমার দাস।
মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন(ধামরাই প্রতিনিধি) ঢাকার ধামরাই পৌর শহরে মোকামটোলা এলাকায় এসকে সলিশন নামের একটি প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন গার্মেন্টস এর পুরাতন মেশিনারীস (শেলাই যন্ত্র) স্বল্পমূল্যে ক্রয় করে বেশি মুনাফায় বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে।সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, এসকে সলিশন প্রতিষ্ঠানের মালিক, মোঃ আল মামুন স্নোটেক্স গার্মেন্টসের টেকনিক্যাল এজিএম হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
গার্মেন্টসের কিছু অসাধু কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় নতুন মেশিনের পরিবর্তে পুরাতন মেশিন রিপিয়ারিং করে গার্মেন্টসের কাজ চালিয়ে নেয়। এতে করে নতুন মেশিন অনত্র বিক্রি করে অনেক টাকা মুনাফা করে। সে টাকা ওইসব গামেন্টস কর্মকর্তাদের মাঝেও বন্টণ হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ ব্যাপারে ভবন মালিক রবি ঘোষ বলেন, তাদের(এসকে সলিশন) অবৈধ বিজনেস করে শুনেছি, আমি বলেছি আমার বাসা ছেড়ে দিতে, আগামী মাস থেকে আমার বাসা ছেড়ে দিবে।এসকে সলিশন প্রোঃ আল মামুন বলেন, আমি ব্যবসার জন্য ট্রেড লাইসেন্স করতে দিয়েছি। আর এই বিজনেস চালাতে আমার কোন সমস্যা নাই।
জনপ্রসাশন মন্ত্রণালয়ে আমার দুইএকজন উপসচিব আত্মীয় স্বজন রয়েছে আমার কোন সমস্যা হবে না।
মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: যশোরের শার্শায় হাড়ি খালি আমবাগানের ভেতর থেকে অজ্ঞাত এক বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।সোমবার(২৩/০৯/১৯ইং) তারিখ সকালে শার্শার বাগআচড়া পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে।
শার্শার বাগআঁচড়া কেন্দ্রের ইনচার্জ(তদন্ত) শুকদেব রায় বলেন,নাভারন সাতক্ষীরা মহাসড়কের হাড়িখালি মোড়ের পশ্চিমপাশের আমবাগানের ভেতর থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়েছে।স্থানীয়দের কাছ থেকে সংবাদ পেয়ে লাশটি উদ্ধার করা হয়েছে।তার শরীরের কোথাও কোন আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে লাশের পাশে একটি বোতল পাওয়া গেছে। সে আতœহত্যা করেছে না তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে পুলিশ সেটা নিশ্চিত করতে পারেনি। এসংবাদ লেখা পর্যন্ত স্থানীয়রা অজ্ঞাত বৃদ্ধের পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি।
লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য যশোর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত ছাড়া কিছু বলা যাবে না। সে কিভাবে মারা গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে তিনি জানান।
প্রেরক:
মোঃ রাসেল ইসলাম
বেনাপোল,যশোর
মোবাঃ ০১৯৯০৫৪৫৩৫৮
শামশুজ্জোহা বিদ্যুৎ,চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি: চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার নিমতলা কেন্দ্রীয় ঈদগাহর পাশের ডিজিটাল গ্রাফিক্স কম্পিউটার দোকানের মালিক সুমনকে ভ্রাম্যমান আদালত কারা ও অর্থদন্ড প্রদান করে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে।
দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি পৌর এলাকার আজাইপুর মহল্লার মৃত মো. ওমর ফারুকের ছেলে জি এস এম মুর্শেদ সুমন।
জাতীয় পরিচয়পত্র, স্মার্টকার্ড, গোয়েন্দা সংস্থা, বিজিবি, সেনাবাহিনীসহ সরকারি বাহিনীসহ বিভিন্ন সংস্থার নকল পরিচয়পত্র তৈরি করে বিক্রি করার অপরাধে সুমনকে দন্ড প্রদান করা হয়।
জানা যায়, গোপন সূত্রে পুলিশসহ প্রশাসনে অভিযোগ আসে নিমতলায় একটি কম্পিউটার গ্রাফিক্স দোকানের মালিক জাতীয় পরিচয়পত্র, স্মার্টকার্ডসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পরিচয় পত্র নকল করে রমরমা ব্যবসা করছে।
অভিযোগ পাবার পর রোববার রাত সাড়ে ৮ টার দিকে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশসহ ভ্রাম্যমান টিম ঐ দোকানে অভিযান চালায়।
অভিযানে ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইকবাল হোসেন সুমনকে ২ মাসের কারাদন্ড ও ১ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে ২০ দিনের কারাদন্ডর রায় প্রদান করে।
সুমনের দোকান ঘর থেকে জাতীয় পরিচয়পত্রের স্মার্টকার্ড, পুলিশ, র্যাব, এনএসআইসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের নকল পরিচয়পত্র জব্দ করা হয়। পরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে সুমনকে রাতেই কারাগারে পাঠানো হয়।
রেজাউল ইসলাম মাসুদ,ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের আরাজি কৃষ্ণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একতলা বিশিষ্ট নতুন একাডেমিক ভবনের উদ্বোধন করা হয়েছে।
রবিবার বিকেলে সদর উপজেলার সালন্দর ইউনিয়নের ওই বিদ্যালয়ের গিয়ে ভবনটির উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন।
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা এলজিইডির তত্বাবধানে সালন্দর ইউনিয়নের আরাজি কৃষ্ণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন একাডেমিক ভবনের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করার জন্য ব্যয় ধরা হয়েছিল ৭৩ লক্ষ ৬১ হাজার ১৬০ টাকা।
উদ্বোধন শেষে বিদ্যালয় চত্বরে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাংসদ রমেশ চন্দ্র সেন বলেন, শিক্ষার মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রত্যেকটি বিদ্যালয়ে আমরা নতুন ভবন দিচ্ছি। যাতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা নির্বিঘ্নে তাদের পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে। প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত হতে পারে; কারণ আজকের কোমলমতি শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যত।
সালন্দর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবু আলম মুকুলের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন, উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী ইসমাইল হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোশারুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম স্বপন, আরাজি কৃষ্ণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাজমুন নুর প্রমুখ।
মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন(ধামরাই প্রতিনিধি) : ঢাকার ধামরাইয়ে পুস্তক সমিতির প্রার্থীদের ফরম যাচাই-বাছাই কমিটির ব্যাপক অনিয়ম ধরা পরেছে বলে জানা যায়।আজ রবিবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১ টায় ধামরাইয়ের ঘরোয়া রেস্টুরেন্টে নির্বাচনী ফরম যাচাই-বাছাই করা হয়।
ধামরাইয়ের পুস্তক বিক্রেতাদের কাছ থেকে জানা যায়, নির্বাচনী ফরম যাচাই-বাছাই করার সময় নির্বাচন কমিশন তাঁদের পছন্দের প্যানেলের সদস্যদের ফরম ঠিক রেখে বাকি সদস্যদের ফরম বিভিন্ন কারন দেখিয়ে বাতিল করে দেয়। ফলে বাতিল হওয়া ফরমগুলো নিয়ে অন্যান্য সদস্যরা ব্যাপক হট্রগোল করে।
তাঁদের দাবি নির্বচন কমিশন কীভাবে শুধু তাঁদের পছন্দের সদস্যদের ফরম রেখে বাকি ফরম বাতিল করে দেয়।তাই সকল সদস্য এর বিরুদ্ধে খোব প্রকাশ করে।এ নিয়ে শরীফবাগ বাজারের সততা লাইব্রেরির মালিক বলেন, ঢাকা জেলা পুস্তক সমিতির চিঠি প্রতিটি লাইব্রেরির মালিকদের কাছে পৌছানোর কথা। কিন্তু তারা তা করেন নি।
শুধু মাত্র তাদের পছন্দের সদস্যদের কাছে এ চিঠি দিয়েছেন। আমরা কোন চিঠি পাই নি। কুশুরা বাজারে অবস্তিত পপুলার লাইব্রেরির মালিক গোলাম মোস্তফা তিনিও পুস্তক বিক্রেতা সমিতির সদস্য। তিনি বলেন, ফরম যাচাই-বাছাই কমিটির সদস্য ব্যাপক অনিয়ম করেছে।
কারন,বারবারিয়া বাজারের মা লাইব্রেরির মালিক রিপন হোসেন তিনিও পুস্তক সমিতির নির্বাচনের একজন প্রার্থী। অথচ তিনি কিভাবে ফরম বিক্রি করেন এবং ফরম যাচাই-বাছাই কমিটিতে থাকেন।অপর দিকে দেখা যায়, ধামরাই লাইব্রেরির মালিক সবুজ হোসেন সহ অন্যান্য সদস্য যাদের ফরম কোন কারন ছাড়াই বাতিল করে দেন।
কেন বা কি কারনে তাদের ফরম বাতিল করা হলো তার কোন কারন দেখানো হয় নি। বাস্তবে দেখা যায়, ৬ জন সদস্যের ফরম বাতিল করা হয়েছে।
তাঁদের মধ্যে সভাপতি পদে মো. আলী আজম, সাধারন সম্পাদক পদে সবুজ হোসেন ও বাবুল হোসেন, যুগ্ন- সাধারণ সম্পাদক পদে রাকিব মাহমুদ রতন,কোষাধ্যক্ষ পদে শামসুল ইসলাম ও আব্দুর রহমান, সদস্য পদপ্রার্থী কহিনুর রহমানের ফরম বাতিল করা হয়েছে।
তাদের দাবি জেলা পুস্তক সমিতির নিয়োজিত ৩ জন নির্বাচন কমিশনার আক্তার পারভেজ মুন্না, আব্দুল হামিদ নাইম ও শাহ আলম এই অনিয়মের সাথে জড়িত।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সদস্য বলেন, এই পুস্তক সমিতির ঢাকা জেলা সমিতির অতিরিক্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হামিদ নাইম সকল অনিয়মের সাথে জড়িত। সে তার নিজের পছন্দের মতো সদস্যদের ফরম ঠিক রেখে বাকি সদস্যদের ফরম বাতিল করে দেন।
কারন জানতে চাইলে তারা কোন প্রকার উত্তর না দিয়ে চলে যান।জানা যায়, বাতিল হওয়া ফরমের সদস্যরা তাঁদের বিষয়ে ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ছামিউল হক বরাবর একটি অভিযোগ পত্র দিবেন যাতে স্বচ্ছতার সহিত নির্বাচন হয় এবং পুনরায় নতুন করে তফশিল ঘোষণা করা হয়।
সকল সদস্য ও সুশীল সমাজের লোকজনের দাবি, পুস্তক সমিতির নির্বাচন কিভাবে প্রশাসনের সহযোগিতা ছাড়া হয়। এই নর্বাচন নিয়ে যদি কোন ধরনের বি- শৃঙ্খলার সৃষ্টি হয় তার দায়ভার কে নিবে।তাই আইন প্রশাসনের সহযোগিতা প্রয়োজন বলেও সকল সদস্য তাদের দাবি জানান।
শামশুজ্জোহা বিদ্যুৎ,চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি: চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলার সাড়ে চার বছর বয়সী ফুটফুটে শিশু তাসফিয়া জাহান মনিরা। জন্মের পর থেকেই সে আক্রান্ত হয়েছে বিরল রোগে। শিশুটির শরীরে গজাচ্ছে পশুর মতো লোম। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিস্তৃত হচ্ছে এই রোগ। তার শরীরের চার ভাগের তিন ভাগ অংশেই লম্বা কালচে মোটা পশুর লোম গজিয়েছে। বর্তমানে তাসফিয়া বঙ্গবন্ধু মেডিক্যালে বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালের ব্লক-সি’র ৩নং ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নাচোল উপজেলার গোডাউন পাড়ার মাসুদুজ্জামান মামুনের ছোট মেয়ে তাসফিয়া জাহান মনিরা। বাবা মামুন পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি। জন্ম থেকেই তার সারা শরীরের কিছু অংশ লম্বা কালচে পশমে আবৃত। এখন গোটা শরীরজুড়ে সেটার বিস্তার ঘটছে, এমনকি মুখের মধ্যেও। আছে চোখের ভিতরেও।
শিশু তাসফিয়ার বাবা মামুন এ প্রতিবেদককে জানান, জন্মের মাত্র ছয় দিনের শিশুকন্যা তাসফিয়াকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানে চিকিৎসকদের একটি দল মেডিকেল বোর্ড বসিয়ে তাঁরা এটিকে বিরল চর্ম রোগ বলে শনাক্ত করেছেন এবং শিশুটির অন্তত ৩/৪ বছর বয়স হলে উন্নত চিকিৎসার করার জন্য ঢাকা অথবা ভারতে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন চিকিৎসকেরা। সেই অনুযায়ী চলতি মাসের ৬ তারিখ ঢাকায় এসে বিএসএমএমইউ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
২১ সেপ্টেম্বর শনিবার দুপুরে সরেজমিনে বঙ্গবন্ধু হাসপাতাল গিয়ে আলাপকালে তাসফিয়ার মা তানজিলা খাতুন বলেন, জন্মের পর মেয়ের (তাসফিয়া) শরীরের পেছনে ছোট্ট একটি তিল ছিল। বয়স যখন ৬ মাস পার হলো, তখন তিল ফেটে লোম বের হয়। এরপর বেশ কয়েকদিন ওই স্থান থেকে দুর্গন্ধ ও পুজ বের হতে লাগলো, এরপর আবার স্বাভাবিক হয়েছে গেল। ১ বছর পর তাসফিয়ার সারা শরীরে তিল দেখা দিলো। পরে শরীরের পেছনের দিকের তিলটা বড় হতে লাগলো, মনে করছিলাম তিল বা জরুণ। পরে এলাকার চিকিৎসকদের কাছে যায়। এতেও কোন কিছু হয়নি। এই থেকে এ পর্যন্ত শরীরের পেছনের দিকে লোম ছড়িয়ে পড়লো। তিনি বলেন, তাসফিয়া স্বাভাবিকভাবে কাপড় পরলেও মাঝে-মাঝে শরীরের তাপ বেড়ে যায়। এ সময় সে শরীরে কাপড় রাখতে পারে না। আবার মাঝে মধ্যে চুলকানিও হয়।
চিকিৎসা সেবা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, গ্রামে থাকাকালীন মেয়ের চিকিৎসা খরচ তার বাবা করেছেন। ঢাকায় আসার পর চিকিৎসার সব খরচ বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কর্তৃপক্ষ বহন করছেন। মেয়ের চিকিৎসা সেবায় মেডিকেলের চর্ম ও যৌগ বিশেষজ্ঞ ডা. শহিদুল্লাহ সিকদার নিজেই দায়িত্ব নিয়েছেন। বর্তমানে ১০-১২টি রিপোর্ট করা হয়ে গেছে। শনিবার টেস্টের জন্য তাসফিয়ার শরীরের চামড়া পরীক্ষা করার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
তাসফিয়ার বর্তমান অবস্থা নিয়ে চিকিৎসকের উদ্ধৃতি দিয়ে মা তানজিলা বলেন, চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে দেখছেন, রিপোর্ট ও দিচ্ছে। এখনো সুনির্দিষ্ট কিছুই বলেননি চিকিৎসকরা। তাসফিয়ার বাবা মার আকুল আবেদন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেন তাসফিয়ার চিকিৎসার ব্যবস্থা করে দেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দৃষ্টি দিলেই তাসফিয়া ফিরে পাবে স্বাভাবিক জীবন।
সরাসরি দেখতে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ব্লক-সি (৩ তলা), চর্ম ও যৌন বিভাগ, ওয়ার্ড- ৩ (মহিলা), ঢাকা যোগাযোগ করা যাবে।