27 C
Dhaka, BD
বুধবার, জানুয়ারি ২৮, ২০২৬

রাজধানীর হাতিরপুল বাজারে কয়েকটি ওষুধ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানকে ২০ লাখ টাকা জরিমান, দুই বছরের কারাদণ্ড ।

নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ রাজধানীর হাতিরপুল বাজারে ওষুধ সরবরাহকারী কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৫ কোটি টাকার নকল ওষুধ জব্দ করেছে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর ও র‌্যাবের যৌথ অভিযানে ধরা পড়ে এমন চিত্র। চোখে ব্যবহারের ড্রপ, বিভিন্ন ধরনের প্রসাধনী থেকে শুরু করে ভিটামিন জাতীয় ওষুধ নকল করে সারা দেশের খুচরা বাজারে ছড়িয়ে দিতো চক্রটি।

জীবন রক্ষাকারী এসব ওষুধ নকলভাবে তৈরি করে বিদেশী নামীদামি ব্র্যান্ডের নামে বাজারজাত করত প্রতিষ্ঠানগুলো। এই চক্রের সাথে কিছু চিকিৎসক জাড়িত আছে বলে জানায় র‌্যাব।

রয়েছে ওষুধের মোড়কে মেয়াদ বসানোর যন্ত্র। রয়েছে পুরান ঢাকায় তৈরি বিদেশি ব্র্যান্ডের প্যাকেট। ইচ্ছেমত বসানোর মূল্য তালিকা। এভাবেই নকল বিদেশী ওষুধ তৈরি করছে সিলভ্যান ট্রেডিং নামের প্রতিষ্ঠানটি।

সিলভ্যান ট্রেডিং এর সত্বাধিকারী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, একবারে সবটা বিক্রি হয় না, তাই ওই ফাইলটা আমরা ছোট করে বিক্রি করি। তবে এই ওষুধের অনুমোদন নেই, এটা আমার অপরাধ।

এসব অভিযোগে সিলভ্যান ট্রেডিং এর মালিক ও প্রতিষ্ঠানের এক কর্মচারিকে গ্রেফতার করে দুই বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

ওষুধ প্রশাসন থেকে বলা হচ্ছে এসব পণ্য রোগীরা ব্যবহার করলে, প্রাণঘাতী যে রোগ দেখা দিতে পারে।

ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক হারুন অর রশিদ বলেন, ওরা বলছে, এইগুলো বিদেশ থেকে আমদানি করে প্যাকেট করছে। বিদেশ থেকে যে ওষুধ আসে, সেগুলো ইনটেক হয়ে আসে। একজন রোগী রোগ ভালো হওয়ার জন্য ওষুধ খায়। সেই রোগীর রোগ ভালো হবে না। এখানে ওষুধের যদি খারাপ কিছু হয়, তাহলে খারাপ কিছু হতে পারে।

র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সরোয়ার আলম বলেন, দুঃখজনক চিত্র এখানে বেরিয়ে আসছে, আমরা কিছু ডিসপেনশারির তালিকা পেয়েছি। যারা আসলে এই ওষুধগুলো এখান থেকে ক্রয় করে নিয়ে যায়। এবং আমাদের কিছু চিকিৎসক এই ওষুধগুলো জেনে না জেনে প্রেসক্রিপশনে লিখে। এবং কিছু কমিশনও তারা পায়। অনৈতিক কারণ এই প্রতিষ্ঠানের মালিককে ২০ লাখ টাকা জরিমান, দুই বছরের দণ্ড দেয়া হয়েছে।

ওষুধের দোকানে এসব পণ্য পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার হুশিয়াররি দিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী।

বেনাপোলে সিরাজুল ইসলাম স্মৃতি ফুটবল টুর্ণামেন্ট উদ্বোধন করলেন এমপি শেখ আফিল ।

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: “খেলাধুলায় বাড়ে বল,মাদক ছেড়ে খেলতে চল” এই শ্লোগানে বেনাপোল পৌর ছাত্রলীগের উদ্দ্যোগে ১৬ই সেপ্টেম্বর সোমবার বেলা ৩টার সময় ঐতিহ্যবাহী বেনাপোল হাইস্কুল বলফিল্ড মাঠে আওয়ামীলীগ নেতা ও সিএন্ডএফ ব্যবসায়ী মরহুম সিরাজুল ইসলাম স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট এর উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।বেনাপোল পৌরসভার নয়টি ওয়ার্ডের এই ফুটবল খেলার উদ্বোধন ঘোষনা করেন যশোর -১, শার্শা আসনের সাংসদ শেখ আফিল উদ্দিন। বিশেষ অতিথী ছিলেন শার্শা উপজেলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল হক মঞ্জু, উপজেলা সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব নুরুজ্জামান,উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান,যশোর জেলা পরিষদের সদস্য ও অধ্যক্ষ ইব্রাহিম খলিল, বেনাপোল পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব এনামুল হক মুকুল,সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব নাসির উদ্দিন, বেনাপোল ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব বজলুর রহমান, শার্শা উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও যশোর জেলা পরিষদের সদস্য অহিদুজ্জামান অহিদ, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও শার্শা ইউপি চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন, শার্শা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুর রহিম সর্দার ও সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন রাসেল,বেনাপোল পৌর আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আলী কদর সাগর, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মহাতাব উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব মনিরূজামান ঘেনা,প্রচার সম্পাদক আকবার আলী, সাবেক চেয়ারম্যান নওশের আলী,স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি জুলফিকার আলি মন্টু,পৌর বেনাপোল ছাত্রলীগের সভাপতি মামুন জোয়ার্দার ও সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম তৌহিদ, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আরিফ হোসেন রুবেল ও আল ইমরান,যুব লীগ নেতা ফারুক হোসেন উজ্জল।

উদ্বোধনী খেলায় দিঘীরপাড় ফুটবল একাদশ ২-১, গোলে বড়আঁচড়া ফুটবল একাদশকে পরাজিত করে। এর পূর্বে প্রধান অতিথি বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে ফুটবল টুর্নামেন্টের সূচনা করেন। প্রয়াত সকল আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের জন্য খেলার পূর্বে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

ধামরাইয়ে ছোট চন্দ্রাইল থেকে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার।

মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন(ধামরাই প্রতিনিধি)  : ঢাকার ধামরাইয়ে ছোট চন্দ্রাইল এলাকায় চান মিয়ার বাড়িতে মায়া আক্তার শান্তা (২০) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

আজ সোমবার (১৬সেপ্টেম্বর) সকালে ধামরাই থানা পুলিশ ছোট চন্দ্রাইল এলাকার চান মিয়ার বাড়ি থেকে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে। পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে জানাযায় মায়া আক্তার শান্তাকে বকাঝকা দেওয়ায় অভিমান থেকে সে আত্মহত্যা করেছে বলে পরিবারের সদস্যদের ধারণা ।

রবিবার গভীররাতে ছোট চন্দ্রাইল এলাকার ভাড়া বাসার শোয়ার ঘরে মায়া আক্তার শান্তা গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস নেয়।মায়া আক্তার শান্তার বাবার নাম আব্দুর রহমান, স্বামী নাম মুরাদ হোসেন থানা-ঘিওর, জেলা- মানিকগঞ্জ। স্থানীয় সুএে জনাযায় শান্তা ও মুরাদের পছন্দ করে বিয়ে হয়। পাঁচ-ছয় মাস আগে ছোট ছোট চন্দ্রাইলে চান মিয়ার বাসা ভাড়া নেয়। রবিবার রাতে চান মিয়ার ভাড়া বাড়িতে নিজের রুমে ঘরের আড়ার সাথে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস নেয়। প্রথমে কোন সাড়াশব্দ পাওয়া যায়নি পরে বুঝতে পেরে দরজার ছিটকিনি ভেঙে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ধামরাই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা মায়া আক্তার শান্তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ধামরাই থানা অফিসার ইনচার্জ দীপক চন্দ্র সাহা জানান ময়নাতদন্তের জন্য লাশ হোসেন শহীদ সরোওয়ার্দী হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে তদন্তের পর পরে বলা যাবে এটা কি হত্যা না আত্মহত্যা।

ঝালকাঠি আদালতে ভুয়া রেজুলেশন দায়ের করায় মাদ্রাসা শিক্ষককে আটক।

সৈয়দ রুবেল ঝালকাঠি : ঝালকাঠি আদালতে মামলা পরিচালনায় ভুয়া রেজুলেশন দাখিল করায় মাদ্রাসা শিক্ষক বিস্ফোরক মামলার বাদী তানভীর আহমেদ কে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

আটককৃত হলেন পশ্চিম ঝালকাঠির আল হামিদী ইসলামিক কমপ্লেক্স মাদ্রাসার শিক্ষক।

১৫/০৯/২০১৯ইং তারিখ রবিবার বিশেষ ট্রাইবুনাল -২ আদালতের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ শেখ তোফায়েল হাসান এ আদেশ প্রদান করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায় ২০১৪ সালে বাদী তানভীর আহাম্মেদ এলাকার শামসুল হক তালুকদার সহ ৮ জনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক ও বোমা হামলা আইনে মামলা দায়ের করেন।

রোববার সাক্ষী ও কাগজপত্র দাখিলের জন্য তারিখ ধার্য ছিল। জামিনে থাকা আসামি শামসুল হক তালুকদার বিচারকালে জানান এ পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে প্রায় ১৬ থেকে ২০ টি মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন। বিচারক জানতে চান বাদী কিভাবে এসব মামলা পরিচালনা করেন। এসময় বাদী জানান মাদ্রাসা সভাপতি কর্তৃক স্বাক্ষরিত আদালতে দাখিল করা রেজুলেশনের মাধ্যমে তাকে মামলা পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তখন বিচারক নথিপত্র পর্যালোচনা করে দেখেন ২০১৩ সালে ২৩ শে ডিসেম্বর রেজুলেশনে সভাপতির স্বাক্ষরের তারিখ ২০১৬ সালের ২৭ ডিসেম্বর।

বিচারক বাদীর কাছে জিজ্ঞেস করেন তিন বছর আগের রেজুলেশনে তিন বছর পর স্বাক্ষর ও তারিখ হল কেন?

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাদী সন্তোষজনক কোন জবাব দিতে না পারায় জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে এই রেজুলেশন করা হয়েছে বলে বিচারক বুঝে নিতে সক্ষম হন। তাই বাঁদিকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেয়া হয় বাদি তানভীর পটুয়াখালী জেলার দশমিনা উপজেলার আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে।

উল্লেখ্য রেজুলেশন জালিয়াতির কারণে সকল কাগজপত্রাদি সঠিকভাবে পর্যালোচনার আগ পর্যন্ত বিবাদী মোহাম্মদ শামসুল হক তালুকদার কেও জেল হাজতে প্রেরন করা করে

ধামরাইয়ে নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তা নির্মাণে এলাকাবাসীর অভিযোগ।

মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন(ধামরাই প্রতিনিধি) : ঢাকা জেলার ধামরাই পৌরসভায় রাস্তা নির্মাণ কাজে নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করে রাস্তা নির্মানাধীন অবস্থায় এলাকাবাসী ও জনপ্রতিনিধির তোপের মুখে পড়ে ঠিকাদারের লোকজন।

পরে জেলা পরিষদের প্রকৌশলীর হস্তক্ষেপে নিম্নমানের উপকরণ বাতিল করা হয়। পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা জেলাপৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা জেলা পরিষদের অর্থায়নে ধামরাই পৌরসভার থানা বাসস্ট্যান্ড থেকে নতুন দক্ষিণপাড়ার পর্যন্ত একশত ৩৮ মিটার রাস্তা আরসিসি (রড, সিমেন্ট, কংক্রিট) ঢালাইয়ের কাজ পায় মেসার্স আবদুল বাসেদ জিহাদী নামের একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান।

এই রাস্তাটি নির্মানে খরচ ধরা হয়েছে প্রায় ১৯ লক্ষ টাকা।গতকাল রবিবার রাস্তার ঢালাই শুরু হওয়ার সময় এলাকাবাসী রাস্তা নির্মান কাজ বন্ধ করে দেয় এলাকাবাসীর অভিযোগ রাস্তা নির্মাণে ব্যবহৃত হচ্ছে নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী, খবর পেয়ে স্থানীয় কাউন্সিলর ও পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল্লাহ ঘটনাস্থলে আসেন।

এ সময় স্থানীয় জনতা ও জনপ্রতিনিধির রোষানলে ঠিকাদারের ছেলে ও তার লোকজন পালানোর চেষ্টা করে। কাউন্সিলর শহিদুল্লাহ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমানের সঙ্গে ফোনে আলাপ করেন।এ ছাড়া যে রড দেওয়া হয়েছে তাও সিডিউলের চেয়ে প্রায় ৫-৬ ইঞ্চি ফাঁক ফাঁক রড বিছানো হয়েছে। এ রাস্তার কাজে এতো নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করা হচ্ছে তা তিনি জীবনেও দেখেননি বলে মন্তব্য করেন।

জেলা পরিষদের উপসহকারী প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম বলেন, সরেজমিনে এসে দেখলাম ঢালাইয়ে নির্মাণ সামগ্রী নিম্নমানের তাছাড়া রডের ব্যবহার সঠিকভাবে করা হয়নি এছাড়া নিয়ম হচ্ছে রাস্তা ঢালাইয়ের আগের দিন কর্তৃপক্ষকে জানানো, কিন্তু এ কাজে আমাদের কোনো প্রকৌশলীকে জানাননি সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার। আমরা নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী বাতিল করেছি। রাস্তায় ঢালাইয়ের কাজ করতে হলে আমাদের আগের দিন জানিয়ে থাকেন ঠিকাদার। কিন্তু এ কাজে আমাদের কোনো প্রকৌশলীকে জানাননি সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার।

এতে বোঝা যায় ঠিকাদারের উদ্দেশ্য খারাপ ছিল। তিনি বলেন, যেসব উপকরণ আনা হয়েছিল তা বাতিল করা হয়েছে।নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহারের কথা স্বীকার করে ঠিকাদার আবদুল বাসেদ জিহাদী বলেন, আমি সব মালামাল সড়িয়ে নিচ্ছি।

অর্থের অভাবে ঔষধ ও চিকিৎসা পাচ্ছেনা শিবগঞ্জের স্বামী পরিত্যক্তা টুকিয়ারা ।

মশুজ্জোহা বিদ্যুৎ,চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি : চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ সেলিমাবাদের টুকিয়ারা বেগম (২৫)। কোলে ৪ বছরের ১ ছেলে সন্তান। এক গরীব ঘরে জন্ম হয়েছিল তার। উপজেলার কানসাট ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত মোহর শেখ এর মেয়ে টুকিয়ারা।

মৃত বাবা-মায়ের এতিম সন্তান টুকিয়ারা ৪ ভাই-বোনের মধ্যে সবার ছোট। আন্যান্য মেয়েদের মতো টুকিয়ারা বেগমও ৮ বছর আগে সুখের সংসার গড়ে শান্তির আশায় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় একই উপজেলার জালমাছমারি গ্রামের মোহর আলীর ছেলে আকবর আলীর সাথে। বিয়ের ২ বছর পরই ১ম স্ত্রীকে রেখে অন্য এক মেয়েকে বিয়ে করে ফেলে টুকিয়ারার স্বামী আকবর আলী। পরিবারে নেমে আসে অশান্তির ছায়া। দু:শ্চিন্তা আর অশান্তির সাথে সাথে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হতে থাকেন ১ম স্ত্রী টুকিয়ারা বেগম।

দিনমজুর আকবর আলীর আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারনে নুন্যতম চিকিৎসা পায়নি তার স্ত্রী। এক পর্যায়ে ভরন পোষন দিতে না পেরে বাবা হারা টুকিয়ারাকে বৃদ্ধ মায়ের কাছে রেখে চলে যায় স্বামী আকবর আলী। স্বামী পরিত্যক্তা অবস্থায় কিছু দিন পরে মাকেও হারায় সে। বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত টুকিয়ারার দেখাশোনার দায়িত্ব পড়ে একমাত্র ভাই শরিফুল ইসলামের উপর। দারিদ্রতার কারনে উন্নত চিকিৎসা নিতে না পারলেও চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী নিয়ে লক্ষাধিক টাকা খরচ করে তার ভাই।

চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রতিদিনের ঔষধ ক্রয় ও মাঝে মাঝেই রক্ত দেয়াটা যেন অসম্ভব হয়ে পড়ে তাদের উপর। উন্নত চিকিৎসা তো দূরের কথা। দীর্ঘদিন যাবৎ তার স্বামী কোন খোঁজ নেয়না বলেও জানা যায়। সরেজমিনে গিয়ে জানতে চাইলে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত ও চিকিৎসা বঞ্চিত টুকিয়ারা বেগম বিছানায় কাতরানো অবস্থায় কোন রকমে উপরের বর্ণনাটুকু দিতে সক্ষম হয়। প্রতিবেশিদের কাছে জানতে চাইলেও রোগাক্রান্ত টুকিয়ারা বেগমের অসহায়ত্বের কথা জানান তারা। স্থানীয় ওয়ার্ড সদস্য মো: মমরেজ আলীর নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান, টুকিয়ারা বেগম স্বামী থেকেও স্বামী হারা একজন অসহায় মহিলা, বিভিন্ন সময়ে আমি সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি তাকে সহযোগীতা করতে সেই সাথে তার সহযোগীতায় সকলকে এগিয়ে আসারও আহ্বান জানাচ্ছি।

এদিকে নিজ বাড়ি ছেড়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরে বাসা ভাড়া নিয়ে ২য় স্ত্রীকে নিয়ে সংসারে মত্ত আকবর আলী। এ নিয়ে এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে সালিশও হয়েছে কয়েকবার। শিবগঞ্জ পৌরসভায় অভিযোগও দেয়া হয়েছে বলে জানা যায়। এসব বিষয়ে স্বামী আকবর আলীর কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি জানান, আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারনে আমার স্ত্রীর তেমন খোঁজ নিতে পারি না।

বর্তমানে স্বামী পরিত্যক্তা টুকিয়ারা বেগম শুধুই বিছানায় পড়ে কাতরাচ্ছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য স্থানীয় বিত্তবান সহ সরকার ও সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগীতা কামনা করেছে টুকিয়ারা বেগম, তার স্বজন ও প্রতিবেশীরা।

মুক্তিযুদ্ধকালে ত্রিপুরার মানুষ শুধু রাজ্য নয় খুলে দিয়েছিল মনের দুয়ার-আগরতলায় তথ্যমন্ত্রী ।

মীর আকরাম উদ্দীন আহম্মদ সিনিয়র তথ্য অফিসার : ত্রিপুরার মানুষ শুধু রাজ্য নয়, মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশীদের জন্য খুলে দিয়েছিল মনের দুয়ার ।তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সময় ত্রিপুরার মানুষ শুধু রাজ্য নয়, বাংলাদেশীদের জন্য খুলে দিয়েছিল তাদের মনের দুয়ার। সেসময় ত্রিপুরার লোকসংখ্যা ছিল ১৫ লাখ, সেখানে বাংলাদেশী শরণার্থীর সংখ্যাও ছিল ১৫ লাখ। বাংলাদেশ তাই সমগ্র ভারতের সাথে ত্রিপুরার অবদানের কথাও চিরদিন স্মরণ করবে।’

রোববার (১৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী আগরতলায় রবীন্দ্র শতবার্ষিকী মিলনায়তনে বাংলাদেশের তথ্য মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশন, আগরতলা আয়োজিত ‘প্রথম বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উৎসব, আগরতলা’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী একথা বলেন।

মন্ত্রী এসময় সমগ্র ভারতের জনগণ ও সরকারের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, ‘ভারতের সহযোগিতা ছাড়া এত দ্রুত মুক্তিযুদ্ধে জয়লাভ করা বাংলাদেশের পক্ষে সম্ভব ছিল না।’

তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক সীমানায় বিভক্ত হলেও বাংলাদেশ ও ভারতের জাতীয় সংগীতের রচয়িতা এক, একই জলবায়ুতে একই নদীর অববাহিকায় দু’দেশের মানুষের জন্ম ও বেড়ে ওঠা, একই পাখির কলতানে মুগ্ধতা। দু’দেশের মানুষের বন্ধুত্বও তাই সীমানা ছাড়িয়ে।’

আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনার কীরিটি চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্টানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে ত্রিপুরা রাজ্যের কৃষি, পর্যটন ও পরিবহন মন্ত্রী প্রণজিত সিংহ রায়, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল করিম, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য স্বীকৃতিপ্রাপ্ত জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের মধ্যে স্বপন ভট্টাচার্য বক্তব্য রাখেন।

চলচ্চিত্র প্রসঙ্গে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘চলচ্চিত্র জীবনের কথা বলে, সমাজের দর্পণ হিসেবে মানুষের হৃদয়কে আন্দোলিত করে, হাসায়, কাঁদায়, স্বপ্ন দেখায়, জীবনের নতুন নতুন দিক উন্মোচন করে। চলচ্চিত্র তার নির্মাণের সময়ের জীবনযাত্রাকে ইতিহাসে ধরে রাখে। তাই মানুষের কথা, মানুষের ভাবনা তুলে ধরতে চলচ্চিত্রের অবদান অনবদ্য। সেকারণে মানুষে-মানুষে সম্পর্ক বৃদ্ধিতে চলচ্চিত্রের ভূমিকা অসামান্য। চলচ্চিত্র উৎসবও বন্ধুত্ব গড়তে তাৎপর্যমন্ডিত।’

অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি ত্রিপুরার কৃষি, পর্যটন ও পরিবহন মন্ত্রী প্রণজিত সিংহ রায় বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দু’দেশের সম্পর্ককে আরো বন্ধুত্বপূর্ণ করে তুলতে সংস্কৃতি, পরিবহন, বাণিজ্যসহ সবখাতে যে আন্তরিকতার দৃষ্টি দিয়েছেন, আমাদের সকলের দায়িত্ব সে উদ্যোগগুলোকে ত্বরান্বিত করা।’

আমাদের বঙ্গবন্ধু, স্বাধীনতা কী করে আমাদের হলো, বিশ্ব আঙিনায় অমর একুশ, জাগে প্রাণ পতাকায়, জাতীয় সঙ্গীতে, পুত্র, খাঁচা, ভুবন মাঝি, গেরিলাসহ মুক্তিযুদ্ধ ও সমকালীন জীবনভিত্তিক ২০টি চলচ্চিত্র তিনদিনব্যাপী এ উৎসবে প্রদর্শিত হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে তথ্যমন্ত্রী ত্রিপুরার মন্ত্রীকে নৌকা স্মারক ও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ১৩জন ভারতীয় নাগরিককে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন।

চলচ্চিত্র প্রকাশনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ ইসতাক হোসেন, চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার, উপহাইকমিশনের প্রথম সচিব-প্রেস মোঃ মোফাখখারুল ইকবাল, চিত্রতারকা রোকেয়া প্রাচী, চঞ্চল চৌধুরী, সাইমন, অপর্ণা ঘোষ, চলচ্চিত্র উৎসব আয়োজন সহযোগী প্রতিষ্ঠান অনার্য কর্পোরেশনের নির্বাহী পরিচালক সফিক রহমান, উপদেষ্টা সুনীত কুমার পালৌধি প্রমুখ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

শার্শায় বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল প্রতিযোগীতায় বেনাপোল পৌরসভা একাদশ ২-০ গোলে বিজয় ।

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: যশোরের শার্শা উপজেলার শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০১৯(অনূর্ধ্ব-১৭) এর ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়।

রবিবার(১৫/০৯/১৯ইং) তারিখ বিকাল ৩ টায় অনুষ্ঠিত ফাইনাল খেলায় অংশ গ্রহন করে বেনাপোল পৌর একাদশ বনাম নিজামপুর ইউনিয়ন পরিষদ একাদশ। বেনাপোল পৌর একাদশ ২-০ গোলে পরাজিত করে নিজামপুর ইউনিয়ন পরিষদকে। খেলা শেষে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন ৮৫, যশোর-১ শার্শা আসনের সাংসদ আলহাজ্ব শেখ আফিল উদ্দিন।

বিজয় খেলোয়াড়দের মধ্যে বঙ্গবন্ধু জাতীয় গোল্ডকাপ পুরস্কার বিতরণের সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুলক কুমার মন্ডল, শার্শা উপজেলা আ.লীগ সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব নুরুজ্জামান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান, নাভারণ কলেজের অধ্যক্ষ ইব্রাহিম খলিল, শার্শা থানার ওসি(প্রশাসন) আতাউর রহমান, বেনাপোল ইউপি চেয়ারম্যান বজলুর রহমান, নিজামপুর ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, শার্শা ইউপি চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন, বাগাছরা ইউপি চেয়ারম্যান কবির বকুল সহ উপজেলা আ.লীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

উলে¬খ্য, গত ৫ই সেপ্টেম্বর/২০১৯ইং তারিখ শার্শা উপজেলার শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামে বঙ্গবন্ধু জাতীয় ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০১৯(অনূর্ধ্ব-১৭) এর প্রতিযোগিতা শুরু হয়। অত্র উপজেলার মোট ১১ টি ইউনিয়ন সহ বেনাপোল পৌর একাদশ এর মধ্যে এই খেলা অনুষ্ঠিত হয়।

রাণীশংকৈলে ৫ দিন আগে অপহৃত তরুণীকে উদ্ধার ।

হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল, (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় ৫ দিন আগে অপহৃত এক তরুণীকে উদ্ধার করেছে রাণীশংকৈল থানা পুলিশের একটি চৌকশ টিম। থানার ওসি (তদন্ত) খায়রুল আলম বলেন, শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার বাংলাগড় ফরিদপাড়া এলাকা থেকে ওই তরুণীকে উদ্ধার করা হয়েছে।

গত ১৪ সেপ্টম্বর শনিবার দুপুর মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে রাণীশংকৈল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি অপহরণ মামলা করেন। মামলা নং ২০।মামলায় বাংলাগড় ফরিদপাড়া এলাকার ললিত চন্দ্র রায়ের ছেলে রিপন চন্দ্র রায় (২০) সহ ছয়জনের নাম উল্লেখ করা হয়।

মামলার তথ্যমতে ওসি বলেন, গত ৪ সেপ্টেম্বর ওই তরুণী উপজেলার লেহেম্বা ইউনিয়নের বক্ষ্মপুর গ্রামে তার নানার বাড়ি বেড়াতে যায়।

পাঁচদিন পর সেখান থেকে নিজের বাড়িতে ফেরার পথে রিপন ও তার লোকজন মোটর সাইকেলে তুলে তরুণীকে অপহরণ করে নিয়ে যায়।

পরিবারের লোকজন অনেক খোঁজাখুজি করেও তরুণীকে না পেয়ে তার বাবা শনিবার ৭ জনকে আসামী করে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার ৭ ঘণ্টা পর রিপন চন্দ্র রায়ের বাড়ি থেকে এসআই রনি কুমার পাল, তারেকুল, মমিনুল, এবং এএসআই তহিদুল ও আমিনুলের সার্বিক সহযোগিতায় তরুণীকে উদ্ধার করা হয়। পরে মেয়েটিকে তার বাবার হাতে সোপার্দ করে থানা পুলিশ।

এ ঘটনায় আসামীদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান ওসি তদন্ত খায়রুল আনাম ডন।

বিশ্বকাপ ফুটবলেও থাকবে বাংলাদেশ, নলছিটি চায়না মাঠে —আমির হোসেন আমু ।

সৈয়দ রুবেল ঝালকাঠি ঃ ঝালকাঠির নলছিটিতে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদপর সদস্য ও শিল্পমন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আমির হোসেন আমু এমপি বলেছেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্ব ও পৃষ্ঠপোষকতার ফলে খেলাধুলায় বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বিশ্বে বাংলাদেশের ক্রিকেটে দলের মত ফুটবলকেও জনপ্রিয় করতে চায়। তিনি চান দেশের সোনার ছেলেরা ক্রিকেটের মত টাইগার হয়ে ফুটবল খেলাও সারা দুনিয়া কাঁপিয়ে তুলুক।

১৫/০৯/২০১৯ইং তারিখ রবিবার দুপুরে নলছিটির চায়না মাঠে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আমির হোসেন আমু আরো বলেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দেশে খেলাধুলার ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে হবে। তাই তিনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে শিক্ষার্থীদের পড়াশুনার পাশাপাশি খেলা দুলার তাগিদ দিচ্ছেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুম্পা সিকদারের সভাপতিত্বে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঝালকাঠি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সরদার মো. শাহআলম, জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক খান সাইফুল্লাহ পনির, নলছিটি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. সিদ্দিকুর রহমান, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান খান আরিফুর রহমান প্রমুখ।

ফাইনাল খেলায় মগড় ইউনিয়ন দল ৩-২ গোলে রানাপাশা ইউনিয়ন দলকে পরাজিত করে। পরে প্রধান অতিথি আমির হোসেন আমু বিজয়ীদের হাতে ট্রফি তুলে দেন।

গত ০৯/০৯/২০১৯ইং তারিখ সোমবার থেকে শুরু হওয়া এ টুর্নামেন্টে উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার মোট ১১টি দল অংশগ্রহণ করে।

এর আগে তিনি সকাল ১১টায় নলছিটি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের দুই কোটি ৩৮ লক্ষ টাকা ব্যয়ে চারতলা একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেন এবং নলছিটি উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়িত ‘কর্মজীবি ল্যাকটেটিং মাদার সহায়তা তহবিল কর্মসূচির আওতায় নলছিটি পৌরসভার ভাতাপ্রাপ্ত উপকার ভোগীদের মাঝে হেলথ ক্যাম্প ও উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন।

সর্বশেষ আপডেট...