16 C
Dhaka, BD
সোমবার, জানুয়ারি ২৬, ২০২৬

গোমস্তাপুরে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু ।

শামশুজ্জোহা বিদ্যুৎ,চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি: চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরের পূর্নভবা নদীতে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে রক্তিম (১৪) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার দুপুরে উপজেলার রহনপুর পৌর এলাকার বাবুরঘোনে মহল্লায় এ ঘটনা ঘটে। মৃত রক্তিম রহনপুর পৌরসভার ইসলাম নগর গ্রামের নাসিমের ছেলে।

গোমস্তাপুর ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র ফায়ারম্যান রেজাউল ইসলাম ও স্থানীয়রা জানায়, শুক্রবার দুপুরে রহনপুর পৌর এলাকার বাবুরঘোন মহল্লার পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া পূর্ণভবা নদীতে বন্ধুদের সাথে রক্তিম গোসল করতে যায়। এক পর্যায়ে সাঁতার করার সময় সে পানিতে তলিয়ে যায়। এ সময় বন্ধু ও এলাকার লোকজন খুঁজে না পেয়ে গোমস্তাপুর উপজেলা ফায়ার সার্ভিস অফিসে খবর দেয়।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ওই স্থানে উপস্থিত হয়ে ডুবন্ত রক্তিমকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যায়। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক রক্তিমকে মৃত ঘোষণা করেন।

বিদায়ী ওসি চৌধুরী জোবায়েরকে সংবর্ধনা নাচোল নিউজ পরিবারের ।

শামশুজ্জোহা বিদ্যুৎ,চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি: নাচোল নিউজ পরিবারের পক্ষ থেকে নাচোলের বিদায়ী ওসি চৌধুরী জোবায়ের আহম্মদকে বিদায় সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে নাচোল সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশন কার্যালয়ে চৌধুরী জোবায়েরের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন নাচোল নিউজের প্রকাশক ও সম্পাদক হাবিবুল্লাহ্ সিপন, নির্বাহী সম্পাদক শাকিল রেজা শাকিল।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মো. মজিবুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. দুলাল, পল্লী বিদ্যুতের এজিএম মো. আনোয়ার হোসেন, সাংবাদিক মো. নাজিম আহমেদ সুফিয়ান
নাচোল সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নুরুল ইসলাম বাবুসহ অন্যরা। বিদায়ী ওসি চৌধুরী জোবায়ের আহম্মদের সাথে তাঁর সহধর্মীনি ও ছেলেও উপস্থিত ছিলেন। তিনি সকলের কাছে নিকট দোয়া কামনা করেন।

সাভারের হেমায়েতপুর-আলমনগর এলাকায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন ভিডিও।

 

বিপ্লব সাভার ঃ শুক্রবার সকালে ঢাকা আরিচা মহাসড়কের সাভারের হেমায়েতপুরের আলমনগর এলাকায় হাতে হাত ধরে এ মানববন্ধন কর্মসুচী পালন করা হয়।

মানববন্ধনে এসময় ওই এলাকার বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষক শিক্ষার্থী ও সর্বস্তরের মানুষ অংশ গ্রহন করেন। মানববন্ধন থেকে এসময় এলাকাবাসী বলেন ,

গত কয়েকদিন আগে ওই এলাকায় নিশাত নামের এক গৃহবধুসহ দুই জন বাস চাপায় নিহত হয় , তাছাড়া ও পূবে এই একই স্থানে বাসের চাপায় নিহত আবার অনেকেরই পঙ্গু হয়ে গেছেন । তাই ওই স্থানে গতিরোধক ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে আজ মানববন্ধন কর্মসুচী পালন করা হয়।

জাবির প্রশাসনিক ভবন ,তৃতীয় দিনের মত অবরুদ্ধ নেই কোন সমাধান ।

সাঈদ বিন ইসলাম জাবি প্রতিনিধি : বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগের বিচার বিভাগীয় তদন্ত ও মহাপরিকল্পনা পুনর্বিন্যাসসহ তিন দফা দাবিতে টানা তৃতীয় দিনের মতো জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) প্রশাসনিক ভবন অবরোধ করে রেখেছে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। অবরোধের তৃতীয় দিনে প্রথম বারের মত উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম আন্দোলনকারীদের সাথে ঘন্টাব্যাপী কথাবার্তা বললেও আসেনি কোন সমাধান।

বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’ ব্যানারে জাবির নতুন ও পুরাতন প্রশাসনিক ভবন অবরোধ করে রেখেছেন আন্দোলনকারীরা। অবরোধ চলবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত।

এতে কয়েকজন শিক্ষকসহ জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোট, বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ, ছাত্র ইউনিয়ন ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের জাবি শাখার নেতাকর্মীরা অংশ নেন। যার ফলে অবরোধের তৃতীয় দিনেও কোন কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রশাসনিক ভবনে প্রবেশ করতে না পারায় পুরোপুরি বন্ধ ছিল প্রশাসনিক কার্যক্রম। তবে ক্লাস-পরীক্ষাসহ একাডেমিক কার্যক্রমগুলো যথারীতি চলমান ছিল।
এদিকে গতকাল (বুধবার) অবরোধ চলাকালীন সময়ে প্রথম দফায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক নুরুল আলম ও অধ্যাপক আমির হোসেন মাধ্যমে এবং দ্বিতীয় দফায় কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক শেখ মো. মনজুরুল হক ও ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আ স ম ফিরোজ উল হাসানের মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের সাথে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আলোচনার প্রস্তাব দিলেও তা ব্যর্থ হয়।

আজ (বৃহস্পতিবার) অবরোধ চলাকালে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম আন্দোলনকারীদের সাথে কথা বলার জন্য প্রথমবারের মত পুরাতন প্রশাসনিক ভবনের সামনে উপস্থিত হন। এ সময় উপ-উপাচার্যদ্বয় সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য প্রশাসনিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সেখানে তারা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ঘণ্টাব্যাপী কথা বলেন। এছাড়া অবরোধ কর্মসূচি থেকে সরে এসে

তাদেরকে আলোচনায় বসার জন্য আহ্বান জানান উপাচার্য। তবে সেখানে উপাচার্য কোনো সমাধান দিতে না পারায় অবরোধ কর্মসূচি অব্যাহত রাখেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা তাদের তিনটি দাবির মধ্যে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হল ঘিরে নির্মিতব্য তিনটি ১০ তলা হলের বিকল্প স্থান নির্বাচন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে পুরো প্রকল্প বাস্তবায়নের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনায় বসতে সম্মতি জানান। এক্ষেত্রে প্রকল্প সম্পর্কিত আলোচনা উপাচার্য, দুইজন উপ-উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষ ও রেজিস্ট্রারের উপস্থিতিতে করবেন বলে নির্ধারণ করে দেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা।
এ ব্যাপারে আন্দোলনকারী বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ জাবি শাখার যুগ্মআহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম জানান, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে আজকে এখন পর্যন্ত আমাদের সঙ্গে কথা বলতে আসেনি। আমরা আমাদের দাবিতে অনড়। আজ বিকাল চারটা পর্যন্ত অবরোধ কর্মসূচি চলবে। আমাদের দাবি না মানা হলে আলোচনা করে আরও কঠিন কর্মসূচির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

অবরোধ চলাকালীন সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম বলেন, ‘আমরা তোমাদের সঙ্গে আলোচনা করতে চাই। তবে হলের স্থান সম্পূর্ণ পরিবর্তন করা সময় সাপেক্ষ। নির্ধারিত স্থান থেকে একটু এপাশ ওপাশ করা যেতে পারে।’

এছাড়া দুর্নীতির বিচার বিভাগীয় তদন্তের বিষয়ে উপাচার্য বলেন, ‘প্রকল্পে যদি দুর্নীতি হয়ে থাকে। তাহলে আমি তৃতীয় কোনো পক্ষকে আহ্বান জানাচ্ছি, সম্পূর্ণ বিষয়ের তদন্ত হোক।’

প্রসঙ্গত, বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকতর উন্নয়নের জন্য গত বছরের ২৩ অক্টোবর ১৪৪৫ কোটি টাকা অনুমোদন দেয় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (একনেক)। এই প্রকল্পের প্রথম ধাপে ছয়টি আবাসিক হল নির্মাণের জন্য গত ১ মে টেন্ডার আহ্বান করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। হলগুলো নির্মাণে প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয় প্রায় সাড়ে ৪০০ কোটি টাকা।
সম্প্রতি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, নির্মাণকাজ বাধাহীনভাবে সম্পন্ন করতে গত ৯ আগস্ট উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম ও তার পরিবারের নেতৃত্বে শাখা ছাত্রলীগ ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগকে দুই কোটি টাকা বাটোয়ারা করে দেয়। এর আগে গত ২৩ মে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে টেন্ডার শিডিউল ছিনতাইয়ের অভিযোগ ওঠে শাখা ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে।

আন্দোলনরত শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের দাবি, প্রকল্প বাস্তবায়নে যে মাস্টারপ্ল্যান অনুসরণ করা হচ্ছে তা অপরিকল্পিত-অস্বচ্ছ। পরবর্তীতে মাস্টারপ্ল্যান সংশোধনসহ দুর্নীতির বিচার বিভাগীয় তদন্ত ও অংশীজনদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার দাবিতে আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা।

বাল্য বিবাহ নারী নির্যাতন প্রতিরোধে মাগুরায় আজ থেকে মাঠে নামছে ৩৭৫জন শুভেচ্ছা দূত ।

আশরাফ হোসেন পল্টু, মাগুরা প্রতিনিধি ঃ এসএসসি পাশের পর একটি সাইকেল কিনে দেয়ার জন্য বাবা মায়ের কাছে অনেক আবদার করলেও সামর্থের অভাবে বাবা-মা তা কিনে দিনে পারেনি মাগুরা সদরের বেরইল নাজির আহমেদ কলেজের উচ্চ ম্যাধ্যমিক শ্রেণীর ছাত্রী খাদিজাকে।

গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে মাগুরার নোমানী ময়দানে নিজের গোলাপী রং এর সাইকেল হাতে পেয়ে আনন্দে আত্মহারা বেরইল গ্রামের খাদিজা। নিজের সাইকেল চালিয়ে এখন সে ২ কিলোমিটার দূরবর্তী বাড়ি থেকে দ্রæত কলেজে আসতে পারবে। কলেজ থেকে বাড়ি ফিরতে এখন আর দেরি হবে না। নোমানী ময়দানে নিজের সাইকেল চালিয়ে নিজের আনন্দ প্রকাশ করে এসব কথা বলছিলেন খাদিজা। সেইসঙ্গে বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে শুভেচ্ছা দূত হিসেবে কাজ করার সুযোগ পেয়ে আরও উচ্ছসিত হয়ে পড়ে খাদিজা। শুধু খাদিজা নয় শিলা সেন, ময়মুনা, পিংকিসহসবার মুখেই আনন্দের অতিশয্য। মাগুরা সদরের ১৩টি ইউনিয়নের ৩৭৫জন স্কুল কলেজের ছাত্রীর মাঝে বৃহস্পতিবার বিনামূল্যে বাই সাইকেল বিতরণ করা হয়েছে। এসব মেয়েরা বাল্য বিবাহ প্রতিরোধসহ নারী উন্নয়নের বিভিন্ন ক্ষেত্রে শুভেচ্ছা দূত হিসেবে কাজ করবে । সকালে মাগুরা শহরের নোমানী ময়দানে বীর মুক্তিযোদ্ধা আসাদুজ্জামান মিলনায়তনে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য এ্যাড. সাইফুজ্জামান শিখর।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাগুরার জেলা প্রশাসক আলী আকবর। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আবু নাসির বাবলু, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ পরিচালক মাহবুবুর রহমানসহ অন্যরা।

মাগুরা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু সুফিয়ান জানান- মোট জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। তাদেরকে উদ্যোমী, সাহসি ও শক্তিশালী করে গড়ে তুলতে হবে। এজন্য লোকাল গভর্নমেন্ট সাপোর্ট প্রোজেক্ট-এলজিএসপি ৩ এর আওতায় এ সাইকেল বিতরণ করা হচ্ছে। প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে এ প্রকল্পে সদর উপজেলার প্রতিটি গ্রামে একাধিক কিশোরী স্বেচ্ছাসেবক তৈরী হবে যারা গ্রামে গ্রামে বাল্য বিবাহ, নারী নির্যাতন, শিশু নির্যাতন, ইভটিজিংসহ আত্মনির্ভরতার সক্ষমতা অর্জনে শুভেচ্ছা দূতের কাজ করবে।

সাইফুজ্জামান শিখর এমপি বলেন- নারীর ক্ষমতায়নে এই সাইকেল খুবই শক্তিশালী ভূমিকা রাখবে। স্কুল কলেজের মেয়েদের মধ্যে আত্মমর্যাদা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ হিসেবে কাজ করবে এটি। এর ফলে মেয়েদের শারীরীক ও মানসিক শক্তি বৃদ্ধি পাবে। যা উন্নত জাতী গঠনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

শার্শায় বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০১৯(অনুর্ধ্ব-১৭)প্রতিযোগীতার পর্ব অনুষ্ঠিত ।

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: যশোরের শার্শা উপজেলায় শুরু হয়েছে বঙ্গবন্ধু জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০১৯,বালক(অনুর্ধ্ব-১৭)। শার্শার শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম মাঠে খেলার উদ্বোধনী ঘোষণা করা হয়।

বৃহস্পতিবার(৫/৯/২০১৯ইং) তারিখ বিকাল ৩ টায় অনুষ্ঠিত প্রথম উদ্বোধনী ম্যাচে প্রতিযোগিতায় নামে কাইবা ইউনিয়ন বনাম বেনাপোল পৌরসভা। পর্যায়ক্রমে মোট ১১টি ইউনিয়নের মধ্যে এই খেলার প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।

শার্শা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে টুর্নামেন্টটি উদ্বোধন করেন শার্শার সাংসদ আলহাজ্ব শেখ আফিল উদ্দিন। উদ্বোধন অনুষ্ঠানটিতে সভাপতিত্ব করেন শার্শা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা পুলক কুমার মন্ডল, বিশেষ অতিথিগণের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান সিরাজুল হক মঞ্জু, মৌসুমী জেরিন কান্তা সহকারী কমিশনার(ভূমি) শার্শা, যশোর, এম মশিউর রহমান অফিসার ইনচার্জ শার্শা থানা,সৈয়দ আলমগীর হোসেন অফিসার ইনচার্জ বেনাপোল পোর্ট থানা, মেহেদি হাসান ভাইস চেয়ারম্যান সহ উপজেলার সকল চেয়ারম্যানবৃন্দ।

উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে খেলাটি উপভোগ করতে ১১টি ইউনিয়নের ফুটবল প্রেমী দর্শক মাঠে উপস্থিত হন। প্রথম উদ্বোধনী ম্যাচে অংশ নেওয়া বেনাপোল পৌরসভা একাদশ ৮-০ গোলে পরাজিত করে কায়বা ইউনিয়ন একাদশকে।

ঠাকুরগাঁওয়ে নদী রক্ষা ও দখল মূক্ত করার দাবীতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন ।

রেজাউল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার গড়েয়া ইউনিয়নে ৫ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টায় গড়েয়ার পাথর ঘাটা নদী রক্ষা ও নদীটি দখল মূক্ত করার দাবীতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন করেছে।

এলাকাবাসীর দাবি গড়েয়া ইউনিয়নের একমাত্র নদী হলো পাথর ঘাটা নদী। যাহা এলাকার জলাবদ্ধতা এবং বন্যার সময় বর্ষা মৌসুমে এই নদীটি পানি নিষ্কাসনের কাজে গুরুত্ব পূর্ণ ভূমিকা রাখতো, এবং গড়েয়া হাটের কোথাও আগুন লাগলে এই নদীর পানি দিয়ে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা আগুন নেভানোর কাজে ব্যবহার করতো।

বর্তমানে আলহাজ্ব রহিদুল ইসলাম,পিতাঃ মৃতঃ আবু তালেব, সাং- চোঙ্গাখাতা, থানা ও জেলাঃ ঠাকুরগাঁও। ও আবু সামাদ, পিতাঃ মৃতঃ বছির উদ্দিন, সাং- চোঙ্গা খাতা, থানা ও জেলা ঠাকুরগাঁও, মোস্তাফিজুর রহমান সহ কয়েক জন ভূমি দস্যু গণ পাথর ঘাটা নদীটি কিছু সরকারি জায়গায় দখল করে বসতবাড়ী ও প্রায় ১৫/২০টি দোকান নির্মাণ করায় নদীটি সংকুচিত হয়ে নদীটির গতিধারা বদলে গিয়ে বর্তমানে মরা নদীতে পরিনত হয়েছে।

এলাকা বাসীর অভিযোগের প্রক্ষিতে কিছুদিন পূর্বে ঠাকুরগাঁও সহকারী ভূমি কর্মকর্তা এসে জরিপ করে সরকারি নদীর জায়গায় বের করে লাল ফ্লাগ দিয়ে চিহ্নিত করেন। কিন্তু ভূমি দস্যু গণ ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে সেই চিহ্নিত লাল ফ্লাগ গুলো তুলে দিয়ে মার্কেট ও বসত বাড়ি নির্মাণ করে। বর্তমানে নদীটি শুকিয়ে নালায় পরিনত হয়েছে। তাই এলাকা বাসির দাবী উক্ত পাথর ঘাটা নদীটি দখল মূক্ত করে পরিবেশের ভারসাম্য ও এলাকাবাসী কে জলাবদ্ধতা থেকে রক্ষার করার জোর দাবি জানান।

মানব বন্ধনে এলাকার সকল পেশা শ্রেনীর লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

রাণীশংকৈলে মৌসুমী প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ।

হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) ঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা পরিষদ হলরুমে ৫ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা প্রশাসন ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আয়োজনে ছাত্র-ছাত্রীদের মৌসুমি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

শিশুদের দলগত পরিবেশনায় অভিনয়, নৃত্য, দেশাত্ববোধক জারী গান, জ্ঞান জিজ্ঞাসা, উপস্থিত বিতর্ক ও দেয়ালিকা প্রতিযোগিতায় উপজেলার ২৬ টি স্কুল অংশগ্রহণ করেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মৌসুমি আফরিদার সভাপতিত্বে বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মকছেদুর রহমান, কৃষি সম্প্রসারন কর্মকর্তা কমল কৃষ্ণ রায়, সহকারি মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বেলাল উদ্দিন সরকার, পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন কর্মকর্তা মহব্বত হোসেন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা আবিদা সুলতানা জনস্বার্থ কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম। এছাড়াও অনুষ্ঠানে সহকারি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারগণ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক সহকারি শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান শেষে বিজয়ীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করা হয়। প্রসঙ্গত: ১ম স্থান অধিকারী বিজয়ীরা আগামী ৮ সেপ্টেম্বর জেলা পর্যায়ে অংশগ্রহণ করতে পারবে।

হুমায়ুন কবির
রাণীশংকৈল, ঠাকুরগাঁও
০১৭১০০১৯৩১১

সাভারবাসী অশ্রুসিক্ত বিদায়ী সংবর্ধনা দিলেন ঢাকা জেলার প্রিয় পুলিশ সুপারকে ভিডিও ।

বিপ্লব সাভার ঃ ঢাকা জেলার প্রিয় পুলিশ সুপার শাহ মিজান শাফিউর রহমানকে অশ্রুসিক্ত বিদায়ী সংবর্ধনা দিয়েছেন সাভারবাসী। বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সাভার থানা রোডে অবস্থিত মামুন কমিউনিটি সেন্টারে ঢাকা জেলা (উত্তর) কমিউনিটি পুলিশের উদ্যোগে এ বিদায় সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সাভার পৌরসভার মেয়র হাজী আব্দুল গনির সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডাঃ এনামুর রহমান।

বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এসময় অন্যান্যের মধ্যে সাভার সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার তাহমিদুল ইসলাম, সাভার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল আলম রাজীব , সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মিসেস হাসিনা দৌলা ,কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক হাসান তুহিন ,  ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দীপক চন্দ্র সাহা, সাভার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এএফএম সায়েদ, ওসি তদন্ত মোঃ সাইফুল ইসলাম, ওসি অপারেশন্স মোঃ জাকারিয়া হোসেন, ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ সাইফুল ইসলাম, তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফখরুল আলম সমর, ঢাকা জেলা আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জিএম মিজানুর রহমান মিজান, সাভার প্রেস ক্লাবের সভাপতি নাজমুস সাকিব, সাধারণ সম্পাদক গোবিন্দ আচার্য, আশুলিয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোঃ শহিদুল্লাহ মুন্সি, সাধারণ সম্পাদক শেফালী মিতু, ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রলীগের সভাপতি সাইদুল ইসলাম সাইদ, সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম, সাভার উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আতিকুর রহমান আতিকসহ আওয়ামী লীগের অসংখ্য নেতৃবৃন্দ, বিপুল সংখ্যক পুলিশ কর্মকর্তা ও সাভার আশুলিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা জেলার ইতিহাসে এমন ভালো মনের পুলিশ কর্মকর্তা ঢাকা জেলাবাসী আর কোনদিন পায়নি। তিনি সরকারের টাকা বাঁচিয়ে ঢাকা জেলা পুলিশকে এক আধুনিক পুলিশে রুপান্তরিত করেছেন।

অনুষ্ঠানের শেষের দিকে বক্তব্য দিতে গিয়ে আবেগআপ্লুত হয়ে পড়েন শাহ মিজান শাফিউর রহমান। এ সময় পুলিশের একাধিক কর্মকর্তাও আবেগআপ্লুত হয়ে পড়েন।

পুলিশের খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি’র বেনাপোল পরিদর্শন ।

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক(ডিআইজি) খুলনা’র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ড.খন্দকার মহিদ উদ্দিন এর বেনাপোল পরিদর্শন।

বুধবার(৪/৯/২০১৯)ইং তারিখ সকাল পৌনে ১১টার দিকে খুলনা থেকে বেনাপোল এসে পৌঁছান। প্রথমেই তিনি বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পরিদর্শন করেন। সেখানকার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মহসিন হোসেনকে সাথে নিয়ে ইমিগ্রেশন চত্ত¡র ঘুরেফিরে দেখেন। এসময় তিনি বেশ কয়েকজন পাসপোর্ট যাত্রীদের সাথে কথা বলেন এবং তাদের সুবিধা-অসুবিধার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন। পাসপোর্ট যাত্রীদেরকে আইন- শৃঙ্খলার সহযোগিতা দানে ইমিগ্রেশন ওসিকে বিভিন্ন প্রকার দিক নির্দেশনা প্রদান করেন। এরপর তিনি বেনাপোল পোর্ট থানা পরিদর্শন করেন সেখানকার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আলমগীর হোসেন সহ সেখানকার এসআই,এএসআই ও পুলিশ কনস্টবলদের সাথে এক বৈঠকে মিলিত হন। বৈঠকে দেশের সমসাময়িক বিষয়াদি যেমন- ডেঙ্গু প্রতিরোধের প্রতিকারের ব্যবস্থা গ্রহণ, মাদকদ্রব্য,চোরাচালান নিয়ন্ত্রণ, জঙ্গী, সন্ত্রাস ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উপর কড়া নজরদারি বাড়াতে পরামর্শ প্রদান করেন। এব্যাপারে প্রচার মাইকিং চালানোর জন্য পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সৈয়দ আলমগীরকে নির্দেশ দেন।

ড.খন্দকার মহিদ উদ্দিন( ডিআইজি)’র গাড়িবহরে ছিলেন যশোরের পুলিশ সুপার মোঃ মঈনুল হক বিপিএম(বার), পিপিএম, জুয়েল ইমরান সহকারী পুলিশ সুপার( এএসপি) নাভারন সার্কেল,যশোর। ঝিকরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক, শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মশিউর রহমান। পরিদর্শন শেষে ডিআইজি খুলনা বেলা ১ টার দিকে বেনাপোল ত্যাগ করে তার কর্মস্থল খুলনার উদ্দেশ্যে রওনা দেন।

সর্বশেষ আপডেট...