34.3 C
Dhaka, BD
রবিবার, জুন ১৪, ২০২৬

ঈদকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছে শার্শার কামার শিল্পের কারিগররা ।

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: দরজায় কড়া নাড়ছে ঈদুল আযহা। আর মাত্র কিছুদিন পরেই কুরবানি ঈদ। এই ঈদের অন্যতম কাজ হচ্ছে পশু কুরবানি করা। ঈদ-উল আযহা সামনে রেখে পশু জবাইয়ের সরঞ্জাম প্রস্তুতে ব্যস্ত সময় পার করছেন যশোরের শার্শা উপজেলার কামার শিল্পের কারিগররা। কয়লার দগদগে আগুনে লোহাকে পুড়িয়ে পিটিয়ে তৈরি করছেন সব ধারালো সামগ্রী। তবে এসব তৈরিতে এখনো আধুনিকতার কোন ছোঁয়া লাগেনি। পুরানো সেকালের নিয়মেই চলছে আগুনে পুড়ে লোহা হতে ধারালো সামগ্রী তৈরির কাজ। তবে দ্রব্য মূল্যের দাম কিছুটা বেশি এবং ঈদের এখনও বেশ কিছুদিন বাকি থাকায় জমে উঠেনি দা, কাচি, হাসুয়া, কোপা, ছুরি চাপাতির বেচাকেনা। ফলে এই মুহুর্ত্বে অলস সময় পার করছে ব্যবসায়ীরা।
মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসবের অন্যতম হচ্ছে ঈদুল আযহা। আর এই ঈদে মুসলিম ধর্মের অনুসারীরা আল্লাহকে রাজি খুশি করতে পশু জবাই করে থাকে। এই পশু জবাইয়ের জন্য প্রয়োজন হয় বিভিন্ন ধরনের সরঞ্জামাদি। মাংস কাটা এবং কুরবানির পশু জবাই করার বিভিন্ন ধাপে ছুরি, দা, চাপাতি এসব ব্যবহার করা হয়। ঈদের বাকি আরও বেশ কিছুদিন। তাই পশু কুরবানিকে কেন্দ্র করে কামার পল্লীগুলো অনেকটাই ব্যস্ত সময় পার করছে।
দগদগে আগুনে গরম লোহায় ওস্তাদ-সার্গেদের পিটাপিটিতে মুখর হয়ে উঠেছে কামার পল্লীগুলো। প্রস্তুত করছেন জবাই সামগ্রী। ঈদে শত শত গরু, খাসি, ভেড়া, মহিষ ইত্যাদি পশু কুরবানি করা হয়ে থাকে। এসব পশু জবাই থেকে শুরু করে রান্নার চূড়ান্ত প্রস্তুত পর্যন্ত দা-বঁটি, ছুরি, চাপাতি ইত্যাদি ধাতব হাতিয়ার আবশ্যকীয় হয়ে যায়। ঈদের আগেই পশু জবাই করার ছুরি, চামড়া ছাড়ানোর ছুরি, চাপাতি, পস্টিক ম্যাট, চাটাই, গাছের গুঁড়িসহ সবকিছু প্রস্তুতি রাখতে হয়।
দেশি চাপাতিগুলো কেজি হিসেবে বিক্রি হয়ে থাকে। প্রতি কেজি ওজনের চাপাতির দাম ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। এছাড়া বিদেশি চাপাতির দাম ৭০০ থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত। ব্যবসায়ীরা জানান, সারাবছর বেচাকেনা কিছুটা কম থাকে। কোনোরকম দিন যায়। এই সময়ের জন্য সারা বছর অপেক্ষায় থাকি। কুরবানির ঈদের আগে এক সপ্তাহ ভালো বেচাকেনা হয়। ওই সময় দামও ভালো পাওয়া যায়। লোহার তৈরি ছোট ছুরি ৬০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। জবাই ছুরি মিলছে ৫০০-৬০০ টাকায়।
বিভিন্ন সাইজের চাপাতি ৬০০-৮০০ টাকা দরে পাওয়া যাচ্ছে। দা-বঁটি বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৭০০ টাকায়। ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, এখনো পুরোদমে বিক্রি শুরু হয়নি। ঈদের গরুর বাজার এখনো ভালোভাবে শুরু না হওয়াকেই কারণ হিসেবে উলে¬খ করেন। আগে মানুষ গরু কিনবে পরে ছুরি-চাপাতিসহ অন্যান্য সরঞ্জাম কিনবে। তবে কবে থেকে পুরোদমে বেচা কেনা হবে এমন প্রশ্নের জবাবে তারা জানান, ঈদের এক সপ্তাহ আগে থেকে পুরোদমে বেচাকেনা শুরু হয়।
তবে এবছর অন্যান্য বছরের চেয়ে এবার বেচাকেনা ভালো হবে বলে আশা করেন তারা। ঈদের বেচাকেনা এখনো শুরু হয়নি। আরও পরে শুরু হবে। তবে আমরা এখন বানিয়ে রাখতেছি পরে শুধু বিক্রি করব। সারা বছর কাজ না থাকলেও কুরবানির ঈদের এ সময়টা বারবারই ব্যস্ত থাকতে হয় তাদের।
কামাররা জানায়, এ পেশায় অধিক শ্রম, জীবিকা নির্বাহে কষ্ট হলেও শুধু বাপ-দাদার ঐতিহ্য ধরে রাখতে এ পেশাটিকে তারা এখনও আঁকড়ে ধরে আছেন। বিভিন্ন সময় এসবের চাহিদা কম থাকলেও কুরবানির পশুর জন্য বেশি প্রয়োজন হওয়ায় সকলেই এখন ছুটছেন কামারদের কাছে। আর এতেই এক মাসে পেশাটি জমজমাট হয়ে উঠেছে। কামাররা এই ঈদ মওসুম ছাড়া কাস্তে, হাঁসুয়া, পাসুন, বাঁশিলা, কুড়ালও তৈরি করে থাকেন।
কয়েকজন ক্রেতা জানান, কুরবানির ঈদের আরও বেশ কিছুদিন বাকি তাই আগেই পশু জবাইয়ের সরঞ্জাম কেনার কাজটি সেরে ফেলছেন। তবে অন্য বছরের চেয়ে এবার ছুরি, চাকু, কাটারির দাম একটু বেশি বলে জানান তারা। লোহার পাশাপাশি স্টিলের ছুরি চাকুও বিক্রি হয় অনেকাংশে।

রহস্যজনক ভাবে আটকে আছে জাবির প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা শাহীনের বিচার ।

সাঈদ বিন ইসলাম জাবি প্রতিনিধি : জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা সুদীপ্ত শাহিনের বিরুদ্ধে রিক্সাচালক, কর্মচারী মারধর ও এক সংবাদ উপস্থাপিকাকে উত্যক্ত, মাদক গ্রহণ, করা সহ বেশ কয়েকটি অভিযোগ থাকলেও এ পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেয়নি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
উল্লেখ্য, একাধিক অভিযোগের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারি ইউনিয়নের সভাপতি মো. শরিফ মিয়াকে মারধরের বিচার চাইলে তিনি সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। উক্ত ঘটনায় গঠিত তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেন। কিন্তু তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর প্রায় চার মাস অতিবাহিত হলেও ব্যবস্থা নেয়নি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এদিকে একাধিক অভিযোগ এবং তদন্ত কমিটি গঠন করে বিচারের কথা থাকলেও সুদীপ্ত শাহীনকে স্বপদে বহাল রাখা হয়েছে।
এ বিষয়ে তদন্ত কমিটির সদস্য অধ্যাপক এটিএম আতিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছি। এখন পর্যন্ত কেন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি তা বলতে পারব না।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিষ্ট্রার রহিমা কানিজ বলেন, ‘প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা সুদিপ্ত শাহীনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগের বিষয়টি সত্য। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী শিগগিরই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’ এর আগে তদন্ত চলাকালীন এক কর্মচারীকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দিলেও সুদীপ্ত শাহীনকে অব্যাহতি না দেয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান। এ বিষয়ে কথা বলতে পরবর্তীতে দেখা করার জন্য বলেন।
নিরাপত্তা কর্মকর্তার লাগামহীন আচরণ ও বিচারকার্যে বিলম্বের বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম বলেন, ‘তার বিরুদ্ধে সুষ্পষ্ট অভিযোগ পেলে অবশ্যই বিচারের আওতায় আনা হবে। মৌখিক অভিযোগ না করে কেউ লিখিতভাবে জানালে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’ এছাড়া পূর্বের তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী শিগগিরই ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও তিনি জানান।
এর আগে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বেড়াতে গেলে বাংলা ভিশনের সংবাদ উপস্থাপিকা রাফিয়া জাহান সাবরিনকে উত্যক্ত করা ও প্রাণনাশের হুমকি দেয় ওই নিরাপত্তা কর্মকর্তা। এছাড়া তার বিরুদ্ধে মাদক গ্রহণ, বহিরাগতদের কাছে চাঁদাবাজি, রিক্সাচালকেদের মারধর ও রিক্সা ভাংচুরের একাধিক অভিযোগ রয়েছে। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদাসীনতা ও কর্তা ব্যক্তিদের সাথে সুসম্পর্কের জোরে সে এ ধরণের কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে।

শ্বশুরের ফ্ল্যাট পেতে নিঃসন্তান স্ত্রীকে অন্যের বিছানায় পাঠালেন স্বামী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ২০১০ সালে বিয়ে হয় মানসা (নাম পরিবর্তিত) এবং রোহিতের (নাম পরিবর্তিত)। বিয়ের সময় শ্বশুর ঘোষণা দিয়েছিলেন, সন্তান হলেই একটি বাণিজ্যিক বহুতল ভবন লিখে দেবেন মেয়ের নামে। কিন্তু তারপর ৯ বছর কেটে গেলেও কোল আলো করে আসেনি সন্তান।

ফলে শ্বশুরের ওই সম্পত্তি নিজের কব্জায় নিতে স্ত্রীকে অন্য পুরুষের সঙ্গে সঙ্গমে চাপ দিতে শুরু করেন স্বামী।  এ জন্য স্ত্রীকে প্রতিনিয়ত শারিরীক-মানসিক নিপীড়ন-নির্যাতন চালান তিনি। এ কাজে রোহিতকে সাহায্য করছে তার পরিবারের অন্য সদস্যরাও। এ ঘটনা ঘটেছে ভারতের দক্ষিণ বেঙ্গালুরুর বাসাভানাগুড়ি এলাকায়।

ইতোমধ্যে স্বামী রোহিত এবং শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে দক্ষিণ বেঙ্গালুরুর বাসাভানাগুড়ি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন মানসা। অভিযোগে মানসা বলেছেন, বিয়ের সময় রোহিতকে তার বাবা ১০ কোটি মূল্যের সোনা, ১৫০ কেজি রূপা, একটি বিএমডব্লিউ গাড়ি দিয়েছিল। এছাড়াও অন্যান্য আরো অনেক সামগ্রী দেয়া হয়। শুধু তাই নয়, ৫০ লাখ টাকা খরচ করে বিয়ের অনুষ্ঠানও করেছিলেন বেশ ধুমধামে। বিয়ের প্রথম কয়েকমাস সবকিছু ঠিক ছিল।

কিন্তু তারপর থেকেই যৌতুক এবং অন্যান্য সামগ্রীর জন্য মানসাকে হেনস্থা করতে শুরু করে রোহিত ও তার বোন। শেষপর্যন্ত জয়নগরের ওই বাড়ি থেকে ভাড়াবাবদ প্রাপ্ত ১ কোটি টাকাও রোহিতকে দিতে শুরু করেন মানসার বাবা। এভাবে ৬ বছরে প্রায় ৬ কোটি টাকা দিয়েও দেন। পাশাপাশি জানান, মানসার সন্তান হলে ওই সম্পত্তি তিনি মেয়ের নামে লিখে দেবেন।

এদিকে, শারীরিকভাবে রোহিতের সমস্যা থাকায় বিয়ের বহু বছর পরও নিঃসন্তান থেকে যায় রোহিত-মানসা। এবার রোহিতের পরিবারের সদস্যরা মানসাকে অন্য পুরুষের সঙ্গে জোর করে সঙ্গমে বাধ্য করতে থাকে। যাতে পুত্রবধূ মা হয় এবং তার বাবা ওই সম্পত্তি মেয়ের নামে লিখে দেন। এরপর রোহিতের বোনের বিয়ের পর, তার স্বামীর সঙ্গে মানসাকে সঙ্গম করতে বলা হয়।

মানসা অস্বীকার করলে মারধরও করা হতে থাকে। বেশ কয়েকবার সেই চেষ্টা করে রোহিতের পরিবার। শেষপর্যন্ত মানসার মা-বাবা ঘটনা জানতে পারেন। এরপর থানায় মামলা দায়ের করা হয়। এ ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

ধামরাই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে বর্নাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।

মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন(ধামরাই প্রতিনিধি) ঃ আজ ১১ই জুলাই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস। জনসংখ্যা ও উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সম্মেলনের ২৫ বছর।
সারা দেশের ন্যায় ঢাকা জেলার ধামরাই উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক এক বর্নাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করেন।
সকাল ১১ টায় র‍্যালিটি উপজেলা মাঠ থেকে শুরু করে ধামরাইয়ের বিভিন্ন রাস্তা প্রদক্ষিণ করে আবার উপজেলা মাঠে এসে সমাপ্ত হয়। র‍্যালি শেষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আবুল কালাম এর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন— ধামরাই উপজেলার আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি ও ধামরাই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মোহাদ্দেছ হোসেন।
বিশেষ অতিথি- হিসেবে উপস্হিত ছিলেন- পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি ও ধামরাই পৌরসভার মেয়র – আলহাজ্ব গোলাম কবীর মোল্লা । উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ সিরাজ উদ্দিন সিরাজ , মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান এডভোকেট সোহানা জেসমিন (মুক্তা ) সহ সাংবাদিক বৃন্দ ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ সুধীজন।

আবাসিক হোটেলে উঠে ভুলেও এসব কাজ করবেন না!

লাইফস্টাইল ডেস্ক : ছুটি কাটাতে কিংবা কাজের তাগিদে বাড়ি ছেড়ে অন্য কোথাও গেলে থাকার জন্য হোটেলই ভরসা। কমদামি হোক কি বেশি দামি—সব হোটেলেই কিন্তু কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। সে সঙ্গে অনেকেই হোটেলে থাকতে গিয়ে এমন কিছু ভুল করে বসেন, যার মাশুল গুনতে হয় বিশাল পরিমাণের। স্মার্টার ট্রাভেল এমন কিছু সচরাচর ভুল নিয়ে একটি প্রতিবেদন করেছে। হোটেলে অবস্থানের ক্ষেত্রে এই ভুলগুলো যেন কখনোই না হয়, সে ব্যাপারে খেয়াল রাখা উচিত আমাদের সবার।
১. রিমোট কন্ট্রোল ব্যবহার করবেন না : হোটেলটি সুলভ বা বিলাসবহুল যেমনই হোক না কেন, এতে জীবাণুর উপস্থিতির সম্ভাবনা বেশি। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এ তথ্য জানা গেছে। আর এসব জীবাণুর একটি বড় অংশ থেকে যায় টেলিভিশনের রিমোট কন্ট্রোলে। ঘরদোর যতই ঝেড়ে পরিপাটি করা হোক, রিমোট কিন্তু সেভাবে পরিষ্কার করা হয় না। কাজেই এতে জীবাণু বহাল তবিয়তে রয়ে যায়। সুতরাং সাবধান!
২. মূল্যবান জিনিস রুমে রাখবেন না : মূল্যবান জিনিসপত্র অনেকেই হোটেলরুমের গোপনীয় কোনো একটি জায়গায় রেখে দেন। এটি চরম ভুল। হোটেলরুম থেকে চুরি করতে যারা ওস্তাদ, তারা কিন্তু ওই সব ‘গোপন’ জায়গার হদিস আপনার চেয়ে ভালো জানে! সুতরাং একটু পয়সা খরচ করে কর্তৃপক্ষের লকারে নিজের মূল্যবান জিনিস রেখে দিন। নিরাপদ থাকবেন।
৩. ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ সাইন : দরজা লাগিয়ে দিলেই কিন্তু হলো না। যতক্ষণ না ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ সাইন বাইরে ঝুলিয়ে দিচ্ছেন, ততক্ষণ যে কেউ এসে উটকোভাবে আপনার ব্যক্তিগত সময় যাপনে বাদ সাধতে পারে। আবার ঘর পরিষ্কারের চিন্তা থাকলে সেটি সরিয়ে ফেলুন। কারণ, ওই সাইন ঝোলানো থাকলে হোটেলের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরাও আপনার ঘরের আশপাশে ঘেঁষবে না।
৪. রুম নম্বর বলবেন না : যেখানে সেখানে বা চেক-ইনের সময় আপনার হোটেলের রুম নম্বরটি নিজে উচ্চারণ করবেন না। দুষ্কৃতকারীরা এসব তথ্যের জন্যই মুখিয়ে থাকে। এ বিষয়টি যতটা পারেন গোপন রাখুন, নতুন পরিচিত কাউকেই রুম নম্বর জানাতে যাবেন না।
৫. চট করে দরজা খুলবেন না : দরজায় কড়া নাড়া হলো আর কিছু না বুঝেই বললেন, ‘কাম ইন।’ এই বিশাল ভুলটি কখনোই করতে যাবেন না। হোটেল কিন্তু দিন শেষে কখনোই তেমন নিরাপদ জায়গা নয়। সুতরাং পরিচয় জেনে তার পরে দরজা খুলুন। মনে রাখবেন, অচেনা জায়গায় অচেনা কেউ তো আপনার সঙ্গে দেখা করার কথা নয়। কাজেই সাবধান। আর সব সময় দরজা লাগিয়ে রাখতে ভুলবেন না।
৬. হোটেলের মিনিবারের পানীয় নয় : কোমল কিংবা কঠিন, যেমন পানীয়ই খান না কেন, সেটি হোটেলের মিনিবার থেকে খেতে যাবেন না। কারণ, সাধারণত হোটেলের মিনিবারগুলোতে পাঁচ টাকার খাবারের দাম অন্তত ৫০ টাকা রাখা হয়! শেষে দেখবেন, আপনার রুম ভাড়ার চেয়ে মিনিবারের বিলই গুনতে হচ্ছে দ্বিগুণ-তিন গুণ!
৭. ছারপোকায় সাবধান : যত বিলাসবহুল কক্ষই হোক আর সুসসজ্জিত বিছানা হোক, ছারপোকা ঠিকই জানে কীভাবে নিজের জায়গা করে নিতে হয়। কাজেই এ ব্যাপারে ভালোমতো তল্লাশি চালান, ছারপোকার সামান্য আনাগোনা দেখলেই সবকিছু ঠিকঠাক করে দেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষকে অবহিত করুন। কারণ, এই ছারপোকা কেবল আপনাকে কামড়াবে তা-ই শুধু নয়, আপনার সঙ্গে সওয়ার হয়ে আপনার বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছে যাবে অবলীলায়।
৮. কলের পানি খাবেন না : এক ব্রিটিশ দম্পতি লস অ্যাঞ্জেলেসে বেড়াতে এসে ট্যাপ বা কল থেকে পানি পান করেন। সেই পানিতে কেমন যেন বিচিত্র স্বাদ, এমন স্বাদের পানি নাকি তারা কখনোই খাননি। পরে অনুসন্ধানে জানা গেল, হোটেলের জলাধারে একটি মৃতদেহ! কার ভাগ্যে কী থাকে, তা তো আর বলা যায় না। সুতরাং ভুলেও কিছু টাকা বাঁচানোর জন্য হোটেলরুমের কলের পানি খাবেন না। ভরসা রাখুন দোকান থেকে কেনা মিনারেল ওয়াটারের বোতলে।

মেয়েদের যেসব বদভ্যাস ত্যাগ করা উচিৎ!

লাইফস্টাইল ডেস্ক : রাস্তাঘাটে, স্কুল-কলেজে, অফিসে বা বাড়িতেও নিজের ইজ্জত নিজেকেই ধরে রাখতে হয় মেয়েদের। কথাটা সেকেলে হলেও, সেটাই একমাত্র রাস্তা। ব্যক্তিত্বে সম্ভ্রম না থাকলে ছেলেরা মেয়েদের সস্তা মনে করে। তখনই ঘটে বিপদ। তাই প্রথমেই কিছু বদভ্যাস ত্যাগ করতে হবে মেয়েদের। সেগুলি কী কী জেনে নিন –
মেয়েদের যেসব বদভ্যাস ত্যাগ করা উচিৎ

১. গোপনেই থাক অন্তর্বাস:
অনেক মেয়ের জামার বাইরে ব্রা স্ট্র্যাপ বেরিয়ে থাকে। অনেকসময় সেটা অজান্তেই ঘটে। কিন্তু সবার ক্ষেত্রে ব্যাপারটা এক নয়। কিছু মেয়ে আছে যারা ইচ্ছাকৃত ব্রায়ের স্ট্র্যাপ বের করে রাখে। স্বাভাবিক ভাবেই পুরুষের নজর সেদিকে যায়। মেয়েটিকে উদ্দেশ্যে করে খারাপ ইঙ্গিত করে। খুব ভদ্র ছেলেরা আবার এ সব মেয়েদের দিকে তাকায় না। কিন্তু মনে মনে মেয়েটিকে সম্মানও দেয় না।

২. ছেলেদের সঙ্গে কথা বলতে হবে দূর থেকে:
ঘাড়ের উপর উঠে কথা বলে যে সব মেয়ে, তাদের সহজলভ্য ভেবে নেয় সবাই। ছেলেরা মনে করে মেয়েটি গায়ে পড়া। বাকি মেয়েরা তার সঙ্গে মিশতে চায় না। সত্যি বলতে কী, এমন মেয়েরা কখনওই কারোর কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।

৩. অশালীন মেসেজ করলে সস্তা ভাবে ছেলেরা:
ভুল করে বা ইচ্ছা করে কোনও ছেলেকে অশালীন মেসেজ করার অভ্যেস ছাড়তে হবে মেয়েদের । এই কু-অভ্যেসটি ইদানিং তৈরি হয়েছে মেয়েদের মধ্যে। সারাদিন হোয়াটস্অ্যাপে বুড়ো আঙুল নাড়িয়েই চলেছে তারা। ফলে বান্ধবীর সঙ্গে হাসিমজা করতে করতে কোনও ইঙ্গিতবাহী মেসেজ সে পাঠিয়ে দিল কোনও ছেলেকে। কিছুদিন আগে একটি মেয়ে প্রেমিককে স্তনের ফোটো পাঠাতে গিয়ে অফিসের বসকে ফোটোটি পাঠিয়ে দিয়েছিল। মেয়েটি নাকি ভুল করে এমনটা করে ফেলেছিল। প্রশ্ন উঠে, সত্যিই কি ভুল করেই এমন কাজ? নাকি সামনেই প্রোমোশন ছিল বলে এই ঘুষ!

৪. ছেলেদের গায়ে হাত দিয়ে কথা নয়:
পরিচিত, স্বল্প পরিচিত ছেলেদের গায়ে হাত দিয়ে কথা বলার স্বভাব অনেক মেয়েদেরই থাকে। বিশেষ করে বিবাহিত মেয়েরা মুখে “ভাই ভাই” বলে গায়েফায়ে হাত দিয়ে দেয় অনেক ছেলের। সেটা কিন্তু যথেষ্টই উশকে দেওয়ার মতো কাজ। ছেলেটিও যদি মেয়েটির গায়ে পালটা হাত দেয়, তখন?

৫. সবার সামনে পোশাক ঠিক করা নয়:
অনেক মেয়েরা ছেলেদের সামনে টেনে টেনে পোশাক ঠিক করে। এটা খেয়াল করে দেখে না, মেয়েদের এমনটা খেয়াল হয় না যে, ছেলেরা তার আচরণে অপ্রস্তুত বোধ করছে। ফলে হয় কী, মেয়েটিকে সহজলভ্য ভেবে নেয় তারা। ভাবে এই মেয়ের কোনও আত্মসম্মান নেই। এই মেয়ের শরীর স্পর্শ করলেও কিছু বলবে না!

৬. অন্তর্বাস বারান্দায় মেলা নয়:
অনেক মেয়েদের এই দোষ আছে। অন্তর্বাস কেচে প্রকাশ্য বারান্দায় বা ছাদে তা শুকোতে দেয়। এটা ভাবে না অন্য বাড়ির পুরুষ, পথচলতি মানুষ সেটা দেখতে পাচ্ছে। তারা জেনে যাচ্ছে মেয়েটির অন্তরের রহস্য। এমন ক্ষেত্রে শুধু মেয়েটির ব্যাপারে নয়, তার গোটা পরিবার সম্পর্কেই খারাপ ধারণা পোষণ করতে শুরু করে পুরুষ কুল। তাই মেয়েদের সাবধান হওয়া বাঞ্ছনীয়, বাথরুমের রডে বা মেলে রাখা কাপড়ের নীচে অন্তর্বাস শুকোতে দিন। প্রকাশ্যে নয়।

মেয়েদের যে ৫টি বিষয় দেখে বুঝবেন সৌভাগ্যবতী কিনা!

বিনোদন ডেস্ক ঃ আমাদের দেশে মহিলাদের দেবীরুপে গণ্য করা হয়। হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা মহিলাদের দেবীর অপর রুপ বলেই মনে করেন। এই জগতে মহিলারা না থাকলে মনুষ্য প্রজাতিই বিলুপ্ত হয়ে যেত। কিন্তু আজ বর্তমানে একুশ শতকের ঘোর কলিযুগে এসেও সমাজে মহিলাদের অবস্থা খুবই খারাপ। এখনও অনেক এমন মানুষ আছে যারা মেয়ের জন্মানোকে কোন অভিশাপের থেকে কম ভাবে না। এই কথা সবাই জানে যে নারীরাই নতুন প্রাণের উৎস, তবুও নারীদের প্রাপ্য সম্মান দেওয়া হয় না। তবে বলা উচিত যে, বর্তমানে অনেক লোকজনেরই নারীদের সম্পর্কে চিন্তা-ভাবনা পাল্টেছে।
আমাদের দেশে আজও কিছু কিছু পিছিয়ে পড়া গ্রাম রয়েছে যেখানে কন্যাসন্তান জন্ম নিলে রীতিমত শোক পালন করা হয়। তাদের সত্যিই কোন ধারণা নেই যে বর্তমান যুগে নারীরা কতটা এগিয়ে গেছে। পুরুষদের সাথেই কাঁধে-কাঁধ মিলিয়ে সমস্ত রকম দায়িত্ব সামলাতে পারে তারা। ওই সমস্ত লোকজনরা জানে না যে, পুরুষরা একবার হলেও তাদের দুঃখ দিতে পারে কিন্তু নারীরা কখনই সেটা করে না। একথা একদম সত্যি যে বিয়ে দেওয়ার পর মেয়েরা মেয়েই থাকে কিন্তু ছেলেরা স্বামী হয়ে যায়। এই জগতে মহিলাদের অমূল্য অবদান রয়েছে কারণ তাদের থেকেই সৃষ্টি হয় নতুন প্রাণের। মা লক্ষী সেই ঘরেই বিরাজমান হন যেখানে নারীর সম্মান করা হয়।
আজ আপনাদের জানাবো কোন ধরনের মহিলারা তাদের পরিবার ও স্বামীর জন্য সৌভাগ্যশালী হন। শাস্ত্রমতে মহিলাদের নির্দিষ্ট কয়েকটি অঙ্গ বড় হলে তা পরিবারে সুখ-সমৃদ্ধি নিয়ে আসে।
আসুন দেখে নেওয়া যাক-
বড় চোখ : যেসব মহিলার চোখ বড় হয় তাদের দেখতে তো সুন্দরী লাগেই, এছাড়াও এনারা স্বামীকে অত্যন্ত ভালোবাসেন। যে বাড়িতে এনারা যান সেখানে ধন-সম্পদের আধিক্য ঘটে। এই ধরণের মহিলারা কখনই নিজের স্বামীকে ঠকান না।
লম্বা নাক : যেসব মহিলাদের নাক লম্বা হয় তাদের সব রকম সমস্যা শান্ত মাথায় সমাধান করার ক্ষমতা থাকে। এনাদের টাকা খরচ করার প্রবণতা থাকে, তবে তারা কখনই বাজে খরচ করেন না।
লম্বা আঙুল : যেসব মহিলাদের আঙুল লম্বা হয় তারা অত্যন্ত বুদ্ধীমতি হন, আর তাদের লেখা-পড়া করার দারুণ সখ থাকে। এই ধরণের মহিলারা টাকা-পয়সা কম খরচ করেন এবং টাকা-পয়সা পেলে চেষ্টা করেন তা কিভাবে বাড়ানো যায়।
লম্বা চুল : যেসব মহিলাদের চুল লম্বা তাদের বরাবরই পরিবারের জন্য অত্যন্ত ভাগ্যশালী মনে করা হয়। এই ধরণের মহিলারা যে পরিবারে যান সেই পরিবারে কখনোই টাকা-পয়সার অভাব হয়না।
লম্বা গলা : যেসব মহিলার লম্বা গলা আছে তার অত্যন্ত সৌভাগ্যের অধিকারীনি হন।

বিএসএফের গুলিতে বেনাপোলের গরু ব্যবসায়ী জখম

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: ভারত থেকে গরু নিয়ে ফেরার সময় সীমান্তরক্ষী বিএসএফের গুলিতে ইসরাফিল (৩০) নামে এক গরু ব্যবসায়ী গুরুতর জখম হয়ে নাভারন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।

বৃহস্পতিবার(১১জুলাই) ভোরে বেনাপোলের পুটখালী সীমান্তের বিপরীতে ভারতের আংরাইল সীমান্তে সে গুলি বিদ্ধ হয়।আহত ইসরাফিল ইসলাম বেনাপোল পোর্ট থানাধীন ছোট আঁচড়া গ্রামের নুর ইসলামের ছেলে।

আহতের পরিবার জানায়, গুলিতে আহত ইসরাফিলসহ কয়েকজন যুবক সীমান্ত পথে ভারত থেকে গরু নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করছিল। এসময় পুটখালী সীমান্তের বিপরীতে ভারতের আংরাইল ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লে ইসরাফিল গুলি বিদ্ধ হয়ে পড়ে থাকে। পরে সীমান্ত থেকে বিজিবি সদস্যরা তাকে উদ্ধার করেছে।

২১ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের পুটখালী ক্যাম্পের স্ুেবদার মশিউর রহমান জানান, আহত গরু ব্যবসায়ীকে শার্শা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তারা চিকিৎসা করাচ্ছেন।

আহতের মা জাহানারা বেগম জানান, তার ছেলে ট্রাক চালায়। কদিন ধরে কাজ ভাল না থাকায় ভারতে গরু আনতে গিয়েছিল। ফেরার সময় বিএসএফ সদস্যরা তাকে গুলি করে। জানতে পেরেছি বিজিবি তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসা দিচ্ছে।

২১ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল ইমরান উল্লাহ সরকার জানান, ইসরাফিল নামে এক যুবক ভারতে গরু আনতে যেয়ে বিএসএফ’র গুলিতে আহত হয়েছে। উদ্ধারের পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপ-সহকারী মেডিকেল অফিসার নিজামুল ইসলাম বলেন, বিজিবি সদস্যরা ইসরাফিল নামে এক যুবককে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। তার বাম হাতে গুলিবিদ্ধ হয়। তার উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

সেফুদাকে নিয়ে পরীক্ষায় প্রশ্ন করায় , শিক্ষক জাহিনুল হাসান বরখাস্ত ।

নিজেস্ব প্রতিবেদক : সেফুদাকে নিয়ে পরীক্ষায় প্রশ্ন করায় , শিক্ষক জাহিনুল হাসানকে বরখাস্ত করা হয়েছে ।

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজের দশম শ্রেণির প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষায় ইসলাম শিক্ষা প্রশ্নপত্রের একটি উদ্দীপক নিয়ে সম্প্রতি সমালোচনার ঝড় উঠেছে ফেসবুকে। মঙ্গলবার (০৯ জুলাই) প্রশ্নপত্রটি ফেসবুকসহ অন্যান্য সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয় ।

প্রশ্নপত্রে সিফাত উল্লাহ উল্লেখ করে একটি সৃজনশীল প্রশ্ন করা হয়েছে। আর এ কারণেই কলেজের শিক্ষক জাহিনুল হাসানকে বুধবার (১০ জুলাই) সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটির সদস্য ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মু. জিয়াউল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সাময়িক বরখাস্ত হওয়া শিক্ষকের নামে তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

জানা গেছে, ৪ জুলাই ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা বিষয়ের পরীক্ষা হয়। সেই পরীক্ষার সৃজনশীল প্রশ্নের একটিতে সেফাতুল্লাহকে উদ্দীপক হিসেবে ব্যবহার করে বলা হয় বলা হয়, ‘অদ্ভুত ধরনের এক মানুষ সেফাতুল্লাহ সেফুদা। সোশ্যাল মিডিয়ায় সে বিভিন্ন রকম কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে। তরুণদের উদ্দেশে সে বলে “মদ খাবি মানুষ হবি, দেখ আমি আরও এক গ্লাস খাইলাম।”

তার কথায় প্রতিবাদ করে একজন বিজ্ঞ আলেম বললেন, তার মধ্যে যদি ইমানের সর্ব প্রথম ও সর্বপ্রধান বিষয়ের প্রভাব পরিলক্ষিত হতো, তাহলে সে হয়ে উঠত একজন আত্মসচেতন ও আত্ম মর্যাদাবান ব্যক্তি।’ এই উদ্দীপকের ভিত্তিতে চারটি প্রশ্ন করা হয়।

সাভারের ভাকুর্তা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষনা ।

বিপ্লব সাভার : সাভারে ভাকুর্তা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষনা করা হয়েছে আজ।
ঢাকার সাভারের ভাকুর্তা ইউনিয়নে ছাত্রলীগের ১০ সদস্য বিশিষ্ট কমিটিত গঠন করা হয়েছে । মাহফুজুর রহমান সৌরভকে সভাপতি ও জুয়েল আহমেদকে সাধারণ সম্পাদক করে এই কমিটি গঠন করা হয় ।

আজ বুধবার দুপুরে সাভার উপজেলা পরিষদে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আতিকুর রহমান আতিক একমিটি ঘোষনা করেন ।

এ সময় কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বলেন আমরা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে চাই এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ নিয়ে কমিটির সকল নেতৃবৃন্দ সহ ,কাজ করেযেতে চাই বলে জানিয়েছেন । কমিটির সকল সদস্যকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ঢাকা ২ আসনের সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম ও ছাত্রলীগের সকল সঙ্গঠনের নেতা কর্মীরা ।

সর্বশেষ আপডেট...