29.6 C
Dhaka, BD
রবিবার, জুন ৭, ২০২৬

নওগাঁয় প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে রমরমা বদলী বাণিজ্য

নওগাঁয় প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে নিয়মনীতিকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে বদলী বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। জ্যেষ্ঠতার ভিত্তীতে বদলী করার নিয়ম থাকলেও মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে বদলী করা হয়েছে। অপরদিকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে বদলীকৃত আবেদন স্বাক্ষর করতে মিষ্টি খাওয়ার নামে শিক্ষকদের গুনতে হচ্ছে টাকা। অফিস সহায়ক সিরাজুল ইসলামসহ বিভিন্ন উপজেলার বদলী সংক্রান্ত দায়িত্বে থাকা কর্মচারীদের মাধ্যমে এ টাকা যাচ্ছে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের পকেটে। শিক্ষকরা জিম্মি হয়ে পড়েছেন জেলা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছে।

জানা গেছে, প্রতি বছরের জানুয়ারী থেকে মার্চ মাসে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নিয়মিত বদলী হয়ে থাকে। এ বছরের গত ৩১ মার্চ নিয়মিত বদলী হয়ে গেল। আর এ বদলীতে নিয়মনীতিকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে ব্যাপক বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার ‘২নং শেরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের’ সহকারী শিক্ষক আব্দুল মতিন। বাড়ি একই উপজেলার বারাতল গ্রামে। তিনি রাজস্ব খাতে ১৬/০৬/২০০৩ ইং তারিখে উপজেলার ‘ব্যাশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে’ যোগদান করেন। সেখানে ২ বছর অবস্থান করে ‘ভরট্ট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে’ বদলি হন। এরপর ৩/৪/২০১২ ইং তারিখ থেকে এখন অবধি ‘২নং শেরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে’ চাকরি করছেন।
গত ২/০১/১৯ ইং তারিখে উপজেলার ‘মির্জাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে’ যাওয়ার জন্য আবেদন করলে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সেটি গ্রহণ করেননি। অথচ ২০০৭ সালে চাকরিতে যোগদান করা জুনিয়র শিক্ষক মাকসুদা খানমকে সেখানে বদলী করা হয়েছে।

এরপর সুযোগমত বদলগাছি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলি করা হবে বলে আব্দুল মতিনকে আশ্বস্থ করেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা। সেখানে তিনটি পদ শূন্য রয়েছে। শূন্য পদের বিপরীতে ১৫/০১/১৯ ইং তারিখে স্থানীয় সংসদ সদস্যের সুপারিশ নিয়ে মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাওয়ার জন্য আবেদন করেন তিনি। আর এ শূন্য পদের বিপরীতে ফয়জাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শিক্ষক অনিল কুমার এবং জিধিরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে সানিয়া মির্জাকে আবেদনের প্রেক্ষিতে মার্চ মাসে মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলি করা হয়। কিন্তু আব্দুল মতিনকে মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলি করা হবে দিচ্ছি দিবো বলে কাল ক্ষেপন করেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা।

অপরদিকে মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অপর একটি শূন্য পদের বিপরীতে গত ২৮/০৩/১৯ ইং তারিখে গোবরচাপা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে নুরুন নাহার নামে এক শিক্ষক বদলির জন্য আবেদন করলে স্থানীয়রা আপত্তি জানালে সেটি ফেরত দেয়া হয়। কিন্তু পরবর্তিতে আবারও তিনি আবেদন করলে সেটি গ্রহণ করেন শিক্ষা কর্মকর্তা। ২/০৩/২০০৩ ইং তারিখে নুরুন নাহার প্রকল্প থেকে চাকরিতে যোগদান করেন। এরপর ২০০৭ সালে রাজস্বে আসে।

মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাওয়ার জন্য শিক্ষক আব্দুল মতিন বার বার শিক্ষা কর্মকর্তাকে তাগাদা দিলে তার কাছ থেকে শিক্ষা কর্মকর্তার ৩০ হাজার টাকা ঘুষ দাবী করেন। দাবীকৃত টাকা দিতে অস্বীকৃত জানালে জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে নুরুন নাহারকে মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদীল করা হয়।

২০০৯ সালে সহকারী শিক্ষক পদে নাহিদা সুলতানা নিয়োগ পেয়ে তেঘরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগদান করেন। তিনি কোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাওয়া জন্য এবছর শিক্ষা অফিসে আবেদন করেন। কিন্তু তার আবেদন মঞ্জুর না করে ২০১১ সালে নিয়োগপ্রাপ্ত কয়াভবানিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক উম্মে আতিয়াকে কোলা স্কুলে বদলী করা হয়।

গয়েশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মাহমুদা খাতুন বদলির আবেদন করেছিলেন ‘২নং শেরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে’ শুন্য পদে যাওয়ার জন্য। কিন্তু তাকে ওই স্কুলে বদলি না করে রাজশাহী জেলার তানোর উপজেলার ‘বনগাঁ চক-রহমত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের’ শিক্ষক মিতালী কিসকুকে শেরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে’ নিয়ে আসার জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। মিতালী কিসকু রবিবার (৩১ মার্চ) স্কুলে যোগদান করেছেন।

বদলগাছী উপজেলার ভুক্তভোগী সহকারী শিক্ষক আব্দুল মতিন বলেন, জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিত্বে বদলী করার নিয়ম থাকলেও তা মানা হয়নি। মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাওয়ার জন্য উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে বার বার তাগাদা দিয়েছিলাম। কিন্তু তিনি আমার কাছে ৩০ হাজার টাকা ঘুষ দাবী করেন। বিষয়টি আমার পরিচিত এক ভাইকে জানানো হলে উল্টো শিক্ষা কর্মকর্তা বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) আমাকে মোবাইল ফোনে বিভিন্ন ভাবে হুমকি প্রদান করেন। তিনি আমার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দিয়ে চাকরি খেয়ে নেয়ার হুমকি প্রদান করেন বলে অভিযোগ করেন।

বিলাশবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক আফতাব হোসেন বলেন, আমি রাজনীতি পরিবারের সন্তান এবং নিজেও রাজনীতি করি। নিয়নপুর স্কুলের জায়গা দখল করে স্থানীয় কয়েকজন যুবক দোকান করার প্রতিবাদে শিক্ষা অফিসে একটা দরখাস্ত দিয়। সেকারণে উপজেলা শিক্ষা অফিসার আতাউর রহমান স্যার আমাকে অফিসে ডেকে রাজনীতি করতে নিষেধ করেন এবং উল্টো চাকুরি খেয়ে নেয়া ও মামলা করার হুমকি দেন। এসব বিষয় নিয়ে স্যার বিভাগীয় অফিসে আমার নামে অভিযোগ দিয়েছে। এ কারণে আমাকে গত মাসের ২৩ মার্চ নিয়নপুর স্কুল থেকে বিলাশবাড়ী স্কুলে বাড়ি থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে বদলি করা হয়েছে। কিন্তু আমি বদলির জন্য কোন আবেদন করিনি। অনেকে আবেদন করেও বদলি হতে পারছেন না।

বদলগাছী উপজেলায় জ্যেষ্ঠতার বিচার না করে বিধি বর্হিভ‚ত ভাবে শিক্ষকদের বদলী করা হয়েছে। এ চিত্র বদলগাছীসহ জেলার বেশ কয়েকটি উপজেলার।

গত রবিবার (৩১ মার্চ) বদলির ছিল শেষ দিন। জেলা শিক্ষা অফিসে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন উপজেলার শিক্ষকদের ছিল উপচে পড়া ভিড়। তারা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার সুপারিশ নিয়ে জেলা শিক্ষা অফিসে এসেছিলেন। অফিসের অফিস সহায়কের কাছে বদলির আবেদনপত্র জমা দিয়ে স্মারক নাম্বার নেয়ার জন্য অপেক্ষা করছিলেন। আবেদনে স্মারক নাম্বার বসানোর পর শিক্ষকদের কাছ থেকে সর্বনিম্ন ১ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা ঘুষ নিচ্ছেন।

মান্দা উপজেলার এক শিক্ষিকার স্বামী গোলাম মোস্তফা বলেন, তার স্ত্রী খালেদা খানম উপজেলার ভারশোঁ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। ওই স্কুল থেকে কালীনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলির জন্য কাগজপত্র নিয়ে জেলা শিক্ষা অফিসে এসেছিলাম। তার আবেদনপত্রে স্মারক নাম্বার বসানোর পর অফিস সহায়ক সিরাজুল ইসলাম পরিচিত হওয়ায় কিছু টাকা মিষ্টি খেতে দিয়েছেন। তবে অনান্যদের কাছ থেকে ৪/৫ হাজার টাকা করে নেয়া হয়েছে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের অফিস সহায়ক সিরাজুল ইসলাম বলেন, শিক্ষকরা খুশি হয়ে মিষ্টি খাওয়ার জন্য কিছু টাকা দিয়েছেন। আমি কারো কাছ থেকে জোর করে টাকা নিয়নি। এবিষয়ে তো কারো কোন অভিযোগও নাই।

বদলগাছী উপজেলা শিক্ষা অফিসার আতাউর রহমান বলেন, নীতিমালা অনুযায়ী জেষ্ঠ্যতার ভিত্তিত্বে শিক্ষকদের বদলি করা হয়েছে। প্রকল্প থেকে যেসব শিক্ষক আসছেন তারা যোগদানের পর থেকে জ্যেষ্ঠতা বিবেচনা করা হয়েছে। এছাড়া ‘মির্জাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে’ বদলির জন্য আব্দুল মতিন আবেদন করেননি। আব্দুল মতিনকে হুমকি দেয়া হয়নি। তবে আমার যতটুকু ক্ষমতা ততটুকু বলা হয়েছে। ঘুষ দাবী করার বিষয়টি ভিত্তীহিন বলে দাবী করেন তিনি। এছাড়া বিভাগীয় অফিসের সুপারিশের ভিত্তিত্বে জেলার বাহির থেকে এক শিক্ষককে শেরপুর স্কুলে যোগদান করানো হয়েছে।

নওগাঁ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বলেন, আমার কাজ শুধু আবেদনপত্রে স্বাক্ষর করা। আমি সে দায়িত্ব পালন করে আবেদনপত্র ছেড়ে দিয়েছি। এছাড়া ভুক্তভোগী কোন শিক্ষকের নিকট থেকে টাকা নেয়ার বিষয়টি নিয়ে কেউ কোন অভিযোগ করেননি।

ধর্মনিরপেক্ষতার ভবিষ্যৎ: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনার

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) বাংলাদেশ মানবাধিকার ও পরিবেশ আন্দোলন এর আয়োজনে ‘ধর্মনিরপেক্ষতার ভবিষ্যৎ: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনার মঙ্গলবার সকাল ১১.৩০ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান।

সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. অরুণ কুমার গোস্বামী এবং শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. সাবের আহমেদ চৌধুরী । ‘ধর্মনিরপেক্ষতা মতবাদ: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ মানবাধিকার ও পরিবেশ আন্দোলন এর এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ব্যারিস্টার ফারজানা বেগম এবং ‘ধর্মনিরপেক্ষতার ভবিষ্যৎ: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন লোক প্রশাসন বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক রিতু কুন্ডু। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইন বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. এস. এম. মাসুম বিল্লাহ।

সেমিনারে বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং শিক্ষার্থীবৃন্দ অংশগ্রহন করেন।

জাবিতে “বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে নারীর অংশগ্রহণ” বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে লোক প্রশাসন বিভাগের আয়োজনে “বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে নারীর অংশগ্রহণ” বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
আজ মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) সকাল ১১ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জহির রায়হান অডিটোরিয়ামের সেমিনার কক্ষে এ সেমিনার শুরু হয়।

সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন প্রধান অতিথি,বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রোফেশনালস এর প্রো-ভিসি ও বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের সাবেক সদস্য ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ড.আবুল কাশেম মজুমদার,মূল বক্তা ও.এন সিদ্দিকা খানম, সচিব, বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন, বিশেষ অতিথি,অধ্যাপক ড. রাশেদা আক্তার, ডিন ফ্যাকাল্টি অব সোশ্যাল সায়েন্স, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন লোক প্রশাসন বিভাগের চেয়ারপার্সন অধ্যাপক ড. জেবউন্নেছা ও সঞ্চালনা করেন লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক আশরাফুল হক।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ, সাংবাদিকগণ ও প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থী।
অনুষ্ঠানের শুরুতে অধ্যাপক ড. জেবউন্নেছা অতিথিদের ফুল ও ক্রেস্ট উপহার দিয়ে বরণ করে নেন।
সেমিনারে বক্তব্য রাখেন মূলবক্তা ও.এন. সিদ্দিকা খানম, তিনি বলেন,“অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে বর্তমানে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে নারীদের অংশগ্রহন অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে, নারীরা অতীতের যে কোনো সময় থেকে অনেক সচেতন হয়েছে,সিভিল সার্ভিসে পুরুষদের তুলনায় না্রীরা দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি আরও বলেন,সিভিল সার্ভিসে নারীর সংখ্যা এখনও পুরুষের তুলনায় অনেক কম, শুধু তাই নয় উচ্চপদ গুলো প্রায় নারী শূন্য, তিনি এর জন্য সমাজব্যবস্থা ও নারীর প্রতি বিরূপ মনোভাবকে দায়ী করেন,তিনি আরও বলেন সিভিল সার্ভিসে নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পেলে এবং নারীরা উচ্চপদ গুলোতে নারীরা গেলে দেশের জন্য ভালো কিছু করতে পারবে এবং দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে পারবে”।
আরো বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক ড. রাশেদা আক্তার, তিনি বলেন,“আমরা একটি পুরুষতান্ত্রিক সমাজে বসবাস করছি

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক ড.জেবউন্নেছা, তিনি বলেন,“আমি বিভাগীয় প্রধান পদে দায়িত্বরত রয়েছি, নারী হিসেবে আমি কখনও বৈষম্যের শিকার হয়নি, কখনও হতাশ হয়নি, আমার পুরুষ সহকর্মীরা আমাকে অনেক সাহায্য করে, আমি চাই নারীরা সিভিল সার্ভিসে অংশগ্রহণ করুক এবং দেশকে অনেক দূর এগিয়ে যাবে, আমি আশা করি শিক্ষার্থীরা আরও বেশি উৎসাহিত হবে”।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, অধ্যাপক ড. রাশেদা আক্তার, তিনি বলেন,“আমরা পুরুষতান্ত্রিক সমাজে বাস করি,এই সমাজে নারীদেরকে হেয় চোখে দেখা হয়, এমনকি সংসারের সকল দায়িত্ব নারীদের উপর চাপিয়ে দেওয়া হয়,এতে অনেক নারী চাকরি ছাড়তে বাধ্য হয়,এই সংসারের সকল দায়িত্ব নারী ও পুরুষ মিলে ভাগ করে নিলে এই সমস্যা হয় না”।

আরও বক্তব্য রাখেন,অধ্যাপক ড.আবুল কাশেম মজুমদার, তিনি বলেন,“সিভিল সার্ভিসে নারী ও পুরুষ মিলে মিশে কাজ করলে দেশ অনেক দূর এগিয়ে যাবে,তাই নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে”।

অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হয়।
অপরদিকে লোকপ্রশাসন বিভাগের উন্নয়ন ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য ২ লক্ষ টাকা অনুদান দেওয়ায় জালাল আহমেদ স্পিনিং মিলসের চেয়ারম্যান সেলিম আহমেদ (সিআইপি) কে লোকপ্রশাসন বিভাগ থেকে বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয়।
অপরদিকে আগামী ২৬ জুলাই লোক প্রশাসন বিভাগের এ্যলামনাই এসোসিয়েশন আয়োজন করার ঘোষণা দেন লোকপ্রশাসন বিভাগের চেয়ারপার্সন অধ্যাপক ড.জেবউন্নেছা।

নওগাঁর মান্দায় নলকূপ দিয়ে বের হচ্ছে গ্যাস

নওগাঁর মান্দা উপজেলার বনকুড়া গ্রামের বেশ কিছু বাড়ির নলকূপ দিয়ে বের হচ্ছে গ্যাস। অনেকেই সেই গ্যাস দিয়ে রান্নার কাজও করছেন। এলাকাবাসীর ধারণা- এখানে গ্যাসের খনির সন্ধান মিলতে পারে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত এক সপ্তাহ আগে গ্রামের ময়েজ উদ্দিনের বাড়িতে স্থাপন করা নলকূপ মেরামত করতে গিয়ে গ্যাসের সন্ধান পাওয়া যায়। তাতে আগুন ধরিয়ে দিয়ে প্রাথমিকভাবে পরীক্ষা করা হয়েছে। গ্যাসের সেই আগুনে রান্নার কাজও করে দেখেছেন তারা। আগুনের লেলিহান শিখা ও উত্তাপ দেখে তারা হতবাক। এ দৃশ্যটি এক নজর দেখতে প্রতিদিন সববয়সী নারী-পুরুষ ভিড় করছেন ময়েজ উদ্দিনের বাড়িতে। ইতিমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার মুশফিকুর রহমান ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) এসএম হাবিবুল হাসান।

পর্যায়ক্রমে গ্রামের মোজাম্মেল হকের বাড়ি, আব্দুল জব্বারের বাড়িসহ অনেকের নলকূপে গ্যাসের অস্তিত্ব মিলেছে। গ্রামের অন্য নলকূপগুলোতেও পানির পরিবর্তে বের হচ্ছে গ্যাস। গ্যাস বের হওয়ায় কৃষি জমিতে সেচ দেয়ার জন্য স্থাপিত একটি গভীর নলকূপ বন্ধ করে দিয়েছে স্থানীয়রা।

বাড়ির মালিক ময়েজ উদ্দিন প্রামাণিক বলেন, আমার বাড়ির ভেতরে স্থাপনকৃত নলকূপে কয়েকদিন ধরে পানি উঠছিল না। নলকূপটি মেরামতের জন্য মিস্ত্রি নিয়ে আসি। নলকূপের পাইপ তুলে জোড়া খোলার জন্য আগুন ধরিয়ে দিলে পাইপের মুখে আগুন ধরে যায়। আগুন দেখে মনে হচ্ছে সেখানে গ্যাসের সন্ধান মিলতে পারে।

বনকুড়া গ্রামের মোজাম্মেল হক, ইয়াকুব আলী, তয়েজ উদ্দিনসহ আরও অনেকেই বলেন, গ্রামের ময়েজ উদ্দিনের বাড়ির পর একে একে অনেকের বাড়ির নলকূপ দিয়ে গ্যাস বের হতে শুরু করেছে। পরীক্ষার মাধ্যমে অবিলম্বে বিষয়টি নিয়ে গ্রামবাসীদের আশ্বস্থ করার জন্য প্রশাসনের প্রতি দাবি জানান তারা।

মান্দা উপজেলা নির্বার্হী কর্মকর্তা (ইউএনও) খন্দাকার মুশফিকুর রহমান বলেন, ইতিমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। দুর্ঘটনা এড়াতে নলকূপের পাইপের গ্যাসে আগুন না জ্বালানোর জন্য গ্রামের লোকজনকে পরামর্শ দেয়া হয়েছে। বিষয়টি ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদফতর ও বাপেক্স কর্তৃপক্ষকে লিখিত আকারে জানানো হবে।

নওগাঁ সরকারি কলেজের ভূগোল ও পরিবেশ বিদ্যা বিভাগের সহকারি অধ্যাপক মিজানুর রহমান বলেন, বিভিন্ন কারণে ভূ-অভ্যন্তরের অগভীরে কয়লা ও মিথেন গ্যাসের অস্তিত্ব থাকতে পারে। সঠিক পরীক্ষার মাধ্যমে মান্দার বনকুড়া গ্রামের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে।

বেনাপোলে ভারতীয় ফেন্সিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

যশোরের বেনাপোল সীমান্ত থেকে ভারতীয় ৫০ বোতল ফেন্সিডিলসহ পাচারকারী আটক।

মঙ্গলবার ভোর রাতে দৌলতপুর বিওপি’র টহল দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যশোর জেলার বেনাপোল পোর্ট থানাধীন দৌলতপুর গ্রামস্থ মেহগনি বাগানে অভিযান চালিয়ে ৫০ বোতল ফেন্সিডিলসহ রেজাউল করিম(২৪)নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে। আটক রেজাউল করিম ছোট আঁচড়া গ্রামের মৃত আছের আলীর ছেলে।

২১ বর্ডার গার্ড ব্যটালিয়নের অধিনায়ক ইমরান উল্লাহ সরকার আমাদের বেনাপোল প্রতিনিধি রাসেল ইসলামকে জানান,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৫০ বোতল ভারতীয় ফেন্সিডিলসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। আটককৃত আসামী ও মাদকদ্রব্য বেনাপোল পোর্ট থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

যশোরের বেনাপোলে দুই মাদক ব্যবসায়ীকে ৬ মাসের কারাদন্ড

বেনাপোল সীমান্তে আটককৃত দুই মাদক ব্যবসায়ীকে ৬ মাসের কারাদন্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমান আদালত।

সোমবার(০১ এপ্রিল) বিকাল ৫ টায় শার্শা উপজেলা এ্যাসি ল্যান্ড মৌসুমি জেরিন কান্তা ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে তাদেরকে এ কারাদন্ড প্রদান করেন।

দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন, বেনাপোলের দৌলতপুর গ্রামের রেজাউলের ছেলে মাহাবুব (১৮) ও গোগা গ্রামের আব্দুল কাদেরের ছেলে শামিম হোসেন(২৩)।

২১ ব্যাটালিয়ন বেনাপোলের পুটখালী বিজিবি ক্যাম্পের নায়েক সুবেদার মোজাম্মেল হোসেন আমাদের বেনাপোল প্রতিনিধি রাসেল ইসলামকে জানান, গোঁপন খবর পেয়ে তারা সীমান্তে অভিযান চালিয়ে দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে। পরে তাদের কাছ থেকে দুটি প্যাকেটে ৩শ গ্রাম গাঁজা পাওয়া যায়। এসময় ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে তাদের ৬ মাস করে কারাদন্ড দেওয়া হয়।

জানা যায়, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি সদস্যরা প্রায়ই মাদক কারবারীদেরকে আটক করছেন। কিন্তু কদিন যেতে না যেতে তারা আবার ফিরে এসে মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ছে।মাদক ব্যবসা প্রতিরোধ করতে এমন কার্যক্রম গ্রহন করা হচ্ছে বলে ধারণা অনেকের।

হাজী মহিউদ্দিন আহমেদ তৃতীয় বারের মত উপজেলা চেয়ারম্যান পদে বিশাল ব্যবধানে জয়ী ।

মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী হাজী মহিউদ্দিন আহমেদ তৃতীয় বারের মত উপজেলা চেয়ারম্যান পদে বিশাল ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।

নৌকা প্রতীকে বিজয়ী উপজেলা চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমেদ মালখানগর ইউনিয়নের পাচ বারের নির্বাচিত সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা পরিষদ এর তৃতীয় বারের মত নির্বাচিত চেয়ারম্যান, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি।

উপজেলার মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ২২২৩১৯ জন। আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী হাজী মহিউদ্দিন আহমেদ নৌকা প্রতীক ৮৬৩৬৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিকল্পধারার বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান কুলা প্রতীকে ২৪৭৭ ভোট পেয়েছেন। এই নির্বাচনে ৮৯৫৫৫ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।

নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান হাজী মহিউদ্দিন আহমেদ ও কুলা মার্কা নিয়ে নির্বাচন করেন বিকল্পধারার বাংলাদেশ এর মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান। কোনোপ্রকার সহিংসতা ছাড়াই সুষ্ঠু ভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

সাধারণ ভোটারদের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয় এই নেতাকে নিয়ে সকাল থেকেই সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ব্যপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়।

জেলার অন্যান্য উপজেলা থেকে সিরাজদিখান উপজেলার ভোটের চিত্র ছিল একেবারে ভিন্ন। ভোট কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত।

খাদ্যে বিষক্রিয়ায় একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু ।

নওগাঁর মহাদেবপুরে খাদ্যে বিষক্রিয়ায় একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শনিবার ভোরে উপজেলার উত্তরগ্রাম ইউনিয়নের চকযথুরী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন, অর্জুন (৩২), তার স্ত্রী তিথী (২৫) এবং তাদের তিন বছরের মেয়ে অনন্যা।

স্থানীয় উত্তরগ্রাম ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আবিদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সংবাদ পেয়েছি। আসলে কী কারণে মারা গেছে ঘটনাস্থলে না গেলে বলতে পারব না।

মহাদেবপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজ্জাদ হোসেন বলেন, শুক্রবার বাজার থেকে অর্জুন দই কিনে আনেন। রাতে দই খাওয়ার পর তারা ঘুমিয়ে পড়েন। মধ্যরাত থেকে পেটের সমস্যা শুরু হয়।

এরপর স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাদের উদ্ধার করে মহাদেবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মেয়ে অনন্যা মারা যায়। এরপর শনিবার ভোরে স্বামী ও স্ত্রী মারা যান। মরদেহ ময়নাতদন্ত করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানান তিনি।

আবারও নওগাঁয় নীল গাই উদ্ধার ।

নওগাঁর পত্নীতলা থেকে নীল গাই উদ্ধার করেছে এলাকাবাসী। সোমবার সকাল সাড়ে ৬টায় উপজেলার হাটশাওলী কানুপাড়া থেকে এ নীল গাইটি উদ্ধার করা হয়।

জানা গেছে, সকালে গ্রামের লোকজন এলাকায় একটি নীল গাই ছুটাছুটি করতে দেখতে পায়। এসময় তারা নীল গাইটিকে আটক করে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানকে খবর দেয়। চেয়ারম্যান বিষয়টি থানাপুলিশ ও বনবিভাগকে অবহিত করলে রাজশাহী বনবিভাগের কর্মকর্তারা নীল গাইটিকে উদ্ধারের জন্য আসছেন বলে জানাগেছে।

পত্নীতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্ত (ওসি) পরিমল কুমার জানান, নীল গাইটি উদ্ধারের বিষয়ে শুনেছি। সম্ভবত এটা ভারত থেকে এসছে। আমরা স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানকে বিষয়টি অবহিত করেছি তিনি ঘটনাস্থলে আছেন সেখানে হাটশাওলী বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যারাও উপস্থিত আছেন বনবিভাগের লোকজনরা আসলে সেটার ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নতুন শিল্প অঞ্চলে প্রকৃত উদ্যোক্তাদের প্লট বরাদ্দ দেয়া হবে: মেয়র লিটন ।

রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন বলেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজশাহীর জন্য ইতোমধ্যে তিনটি শিল্প অঞ্চল গড়ে তোলার অনুমতি দিয়েছেন। বিসিক-২, বিশেষ অর্থনৈতিক জোন ও চামড়া শিল্পপার্ক নামের এই তিনটি শিল্প অঞ্চল গড়ে উঠলে সেখানে প্রকৃত উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের প্লট বরাদ্দ দেয়া হবে। এ ব্যাপারে রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিকে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করতে হবে।

শনিবার দুপুরে রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিতে নতুন পরিচালনা পর্ষদের শপথগ্রহণ ও দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠানে আলোচনায় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সংগঠনটির কার্যালয়ের হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন আরো বলেন, আমি প্রথম মেয়াদে মেয়র থাকাকালে রাজশাহীতে শিল্পায়ন প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলাম। কিন্তু সেই উদ্যোগ বাস্তবায়নের আগেই আমি কাজ করার সুযোগ দ্বিতীয়বার পেলাম না। কিন্তু এখন আবারো সুযোগ পেয়েছি, রাজশাহীতে শিল্পায়ন প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ আবারো গ্রহণ করা হচ্ছে।

এরআগে রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির ২০১৯-২০ ও ২০২০-২১ মেয়াদের দ্বিবার্ষিক পরিচালনা পর্ষদের ২০ নেতৃবৃন্দ শপথগ্রহণ করেন। রাজশাহী অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা) আলমগীর হোসেন তাদের শপথবাক্য পাঠ করান। এরআগে অনুষ্ঠানে শুরুতে প্রধান অতিথি মেয়র খায়রুজ্জামানসহ অন্যান্য অতিথি এবং নবনির্বাচিত পর্ষদের সদস্যদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেয়া হয়। এরপর প্রধান অতিথি মেয়রকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির মনিরুজ্জামান মনি অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন। এ সময় সহ-সভাপতি মাসুদুর রহমান রিংকু ও নাসিমুল গণি খান টোটন এবং পরিচালকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেট...